গত ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৬৩ জনের

 

গত ২৪ ঘন্টায় দেশে মহামারী করোনা ভাইরাসে মারা গেছেন ৬৩ জন । দেশে মোট মৃত্যু ৯৪৪৭ জন । গতদিন মঙ্গলবার ছিল সর্ব্বোচ্চ মৃত্যু ৬৬ জন ।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের  সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৬২৬ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। দেশে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৫৯ হাজার ২৭৮ জন।

করোনাভাইরাস নিয়ে বুধবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয় এদিন সুস্থ হয়েছেন আরও ৩ হাজার ২৫৬ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ লাখ ৬১ হাজার ৬৩৯ জন।

।। নিউজ ডেস্ক ।।

সরকারি নির্দেশনা না থাকায় লকডাউনেও এনজিও গুলো যথারীতি কিস্তি আদায় অব্যাহত

 

করোনার দ্বিতীয় সুনামি শুরু হয়েছে বাংলাদেশেও । গতকাল করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশী। করোনার এই ক্রান্তিকালে সরকার ঘোষিত বিভিন্ন নিয়মনীতি  ও লকডাউন পালনের জন্য প্রশাসনের সর্বস্তর থেকে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রয়েছে।

লকডাউন পালন করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দিনমজুর, রিকশা চালক,আটো চালক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীসহ নিম্ন আয়ের লোকজন। তাদের দিনযাপন করতে হয় অতিকায় ক্লেশে। লকডাউন পালন করতে গিয়ে যেখানে প্রতিদিনের খাবার যোগাড় করতে হিমসিম খেতে হচ্ছে সেখান মরার উপর খাড়ার ঘায়ের মতো বাড়িতে এসে উপস্থিত হচ্ছে ঋণ পরিশোধের জন্য তাগিদ দেওয়া বিভিন্ন এনজিও-র কর্মকর্তা- কর্মচারীরা।

এই লকডাউনের মধ্যে নিম্ন আয়ের লোকদের নেওয়া ঋণের কিস্তি পরিশোধ করা সত্যিই দুরূহ কারণ লকডাউনে আয় উপার্জন ও ব্যবসা নাই।

কিন্তু এই লকডাউনের মধ্যে এনজিও-র লোকেরা কিস্তি আদায়ের জন্য গ্রাহকের বাড়িতে গিয়ে বসে থাকছে এমন কি হুমকিও প্রদান করছে। যেখানে নিম্ন আয়ের লোকজন তিন বেলা খাবার যোগাড় করতে পারছে না সেখানে কিস্তির টাকা কিভাবে পরিশোধ করবে?

গতবছর লকডাউন চলাকালে এনজিও গুলোর জন্য কিস্তি আদায়ের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

এবার লকডাউন চলাকালে সরকারী অফিস আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ সর্বত্র সরকারের পক্ষ থেকে দিক নির্দেশনা দেওয়া হলেও এনজিও গুলোর কিস্তি আদায়ের বিষয়ে কোন সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা না থাকায়  নিম্নআয়ের গ্রাহকদের হয়রানি করা হচ্ছে। যা সত্যি অমানবিক।

তাই  এনজিও- দের কিস্তি বন্ধে সরকারের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা ও কৃপাদৃষ্টি প্রার্থনা করছি।

নিজস্ব প্রতিবেদক//স্বীকৃতি বিশ্বাস

আকবর হোসেন পাঠান ফারুক অভিনেতা ও সংসদ সদস্য মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন: দোয়া চেয়েছেন তার ছেলে

 

আজ অভিনেতা ও সংসদ সদস্য আকবর হোসেন পাঠান ফারুক জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন। পাকস্থলীতে রক্তক্ষরণের কারণে তার অবস্থা  গুরুতর বলে জানিয়েছেন তার ছেলে শরৎ। ফারুক বর্তমানে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

২১ মার্চ, ২০২১ইং  থেকে তিনি হাসপাতালটির আইসিইউতে অজ্ঞান অবস্থায় রয়েছেন, তার চেতনা নেই। শরৎ জানিয়েছেন, এরই মধ্যে ফারুকের রক্তে ব্যাক্টেরিয়াজনিত সংক্রমণ ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

শরৎ বলেন বাবার রক্তে সংক্রমণ মারাত্মকভাবে বেড়ে গেছে। পাকস্থলীতে ইন্টারনাল রক্তক্ষরণ হয়েছে। কিছুদিন আগে বাবার মস্তিষ্কে একটি সিজার করা হয়। সবাই আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন।’

ফারুক গত ৪ মার্চ নিয়মিত চেকআপের জন্য সিঙ্গাপুর যান । সেখানে গিয়ে আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।

পূর্বে সিঙ্গাপুরেই চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। রক্তে সংক্রমণ ও টিবি ধরা পড়ার কারণে তাকে প্রায় ৪৭ দিন হাসপাতালে কাটাতে হয়েছিল।

মোটামুটি সুস্থ্য হবার পর তিনি দেশে ফিরে আসেন , এসে তিনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন ।

এরপর সুস্থ হয়ে সিঙ্গাপুরে নিয়মিত চেকআপের জন্য গেলে সেখানে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।

 

// নিজস্ব প্রতিনিধি //

 

আগামী ২৮ দিন করোনা অতিমারী অতি উদ্বেগের: জানালেন ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়

 

এই প্রথম একদিনে করোনা আক্রান্ত ৬ অঙ্কে পৌছেছে সোমবার, এটা ভারতের জন্য অতি উদ্বেগের বিষয় ।সোমবার ভারতে ১,০০,০০০ জন করোনা আক্রান্ত ।

 

প্রথমবার দৈনিক করোনা আক্রান্ত  ছ অঙ্কে পৌঁছনোর ঘটনা নিয়ে মঙ্গলবার আশঙ্কা প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় ।  সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ আগামী ৪ সপ্তাহে ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে পূর্বাভাসও দিয়েছে কেন্দ্র।

 

মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে নীতি আয়োগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সদস্য ভি কে পাল বলেন দেশে অতিমারি পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়াবহ হচ্ছে। সংক্রমণ আরও বাড়ছে।

 

জনসংখ্যার একটা বড় অংশ এখনও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রথম দফার তুলনায় এ বার সংক্রমণের গতি আরও বেশি বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক পাল।  সেই সঙ্গে তিনি বলেন সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অতিমারি তীব্রতা বাড়ছে।  দ্রুত গতিতে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। সর্বোপরি  দেশ জুড়েই এই ভয়াবহ পরিস্থিতি।’’

 

নীতি আয়োগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সদস্য জানিয়েছেন, দ্বিতীয় দফার সংক্রমণের ঢেউ ঠেকাতে জনসচেতনতার উপরেই নির্ভর করছে কেন্দ্র। তিনি বলেন, আগামী ৪ সপ্তাহ সতর্কতা বজায় রাখতে হবে। সংক্রমণ ঠেকাতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে সচেষ্ট হতে হবে

 

মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার মতো সাধারণ করোনা-বিধি মেনে চলার পাশাপাশি রাজ্যে রাজ্যে কোভিড চিকিৎসা পরিকাঠামো আরও উন্নত করা এবং টিকাকরণ কর্মসূচি জোরদার করার কথাও জানান তিনি। তবে সংক্রমণের এই পরিস্থিতিতে ভারতে মৃত্যুর হার অন্য দেশগুলির তুলনায় কম বলে জানান তিনি।

সব মিলিয়ে রাজধানী মুম্বই-সহ মহারাষ্ট্রের ১০ জেলা, দিল্লি এবং কর্নাটকের একটি জেলার করোনা পরিস্থিতি সবচেয়ে উদ্বেগজনক বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রের খবর। পাঞ্জাব এবং ছত্তীসগঢ়ের পরিস্থিতির দিকেও নজর রেখেছে কেন্দ্র।

।। আন্তর্জাতিক  ডেস্ক ।।

বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হয়েছে রাণীশংকৈলে

 

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে বীর মুক্তিযোদ্ধার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন করা হয় ।

তাঁর মৃত্যুতে শোক সন্ত্রস্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোক প্রকাশ করেছেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ।

৬ এপ্রিল মঙ্গলবার বিকাল ৫ টায়  উপজেলার ধর্মগড় ইউনিয়নের মশালডাঙ্গী গ্রামে  রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন হয় ।

নিহতের কফিনে সালাম প্রদর্শন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রীতম সাহা , বীর মুক্তিযোদ্ধা হবিবর রহমান , ও থানার পুলিশ ।

উল্লেখ্য মশালডাঙ্গী গ্রামের মৃত গেন্ডেলা সরকারের ছেলে মুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন  (৭৫) বছর বয়সে দুই স্ত্রী ৫ ছেলে ও ৫ মেয়ে রেখে ফজরের নামাজের পর হৃদযন্তেরক্রিয়া বন্ধ হয়ে নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন ।

মাহাবুব আলম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ।।

অসভ্য ছেলে বৌমা বৃদ্ধা মাকে পিটিয়ে আহক করেছে জমিজমা লিখে নাদেওয়ার কারণে

 

খানিক আবাদি ও ভিটে বাড়ী জমিই ছিল স্বামীর রেখে যাওয়া শেষ সম্বল , সেটুকু নিজের করে নিতে না পেরে বৃদ্ধা মাকে  লাঠি দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছে এক পাষণ্ড ছেলে ও বৌমা ।

গুরুতর আহত রক্তাক্ত অবস্থায় ওই মা এখন যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন হাসপাতাল বেডে । ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ক্ষুদ্র বাঁশবাড়ী গ্রামে গত সোমবার এ ঘটনাটি ঘটেছে ।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ক্ষুদ্র বাঁশবাড়ী গ্রামের মৃত আজিজুর রহমানের স্ত্রী সালেহা বেগম (৬০) নামের ওই বৃদ্ধা ও তার স্বামী অনেক কষ্টে দিনপার করে কিছু অংশ জায়গা জমি রেখে আজ থেকে প্রায় ২০ বছর আগে মারা যান। ছেলে মেয়ে বিয়ে দিয়ে যে যার মত করে সংসার চালায় মেয়ে জামাইয়ের সহযোগিতায় ও অন্যের বাড়িতে কাজ কর্ম করে নিজেই সংসার চালান ওই বৃদ্ধা ।

এ বিষয়ে সালেহা বেগম জানান, আমার বড় ছেলে সাজ্জাত ও ছোট ছেলে রবিউল দুজনেই বিয়ে করে অন্যত্র বাড়ি করেছেন। এবং যে যারমত করে চলছে আমাকে দেখার মত কেউ নেই ।

আমার স্বামীর রেখে যাওয়া খানিক জমি সেটাও আমার হাত থেকে নিয়ে জোর জবর করে আবাদ করে খাচ্ছে । আর আমি এর গরু ওর ছাগল আধি করে অন্যর বাড়িতে কাজ করে খাই । তার পরেও আমার সঙ্গে মাঝে মধ্যে বৌমা ছেলে সহ ঝগড়া করে ।

এ নিয়ে বেশ কয়েক দিন ধরেই ঝগড়া হচ্ছিল মা-ছেলে এবং বৌমার সাথে। এমন অবস্থায় গত  ৫ এপ্রিল সোমবার কথা কাটাকাটি হলে বড় ছেলে সাজ্জাত , ছোট ছেলে রবিউল ও বৌমা নাদিরা ,মল্লিকা ,শানু ,সবাই একত্রিত হয়ে আমাকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে । এতে আমার নাতনি আমাকে ঠেকাতে  আসলে তাকেও ভিষণ ভাবে মারে ।

থানার ওসি এস এম জাহিদ ইকবাল বলেন, সালেহা বেগম বাদি হয়ে ছেলে ও বৌমাদের নামে একটি অভিযোগ দায়ের করেছে আমরা তদন্ত করেছি এবং হাসপাতালে গিয়ে বৃদ্ধার খোঁজ খবর নিয়েছি ।

খুব শীঘ্রই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে ।

।। স্টাফ রিপোর্টার ।।

১০ কেজি গাঁজা ও একটি সিএনজি অটোরিকশাসহ ২ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

 

সীমান্তবর্তী কুমিল্লা জেলাকে মাদকের ট্রানজিট হিসাবে ব্যবহার করে মাদক ব্যবসায়ীরা। তাদের এই ট্রানজিট ভেঙে কুমিল্লা জেলাকে মাদকমুক্ত করার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করছেন কুমিল্লা জেলার সম্মানিত  পুলিশ সুপার।

একটি গ্রাম হতে একটি দেশ, মাদকমুক্ত হবে বাংলাদেশ”- এই স্লোগানকে সামনে রেখে কুমিল্লার জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার অভিযানে ১০ কেজি গাঁজা ও একটি সিএনজি অটোরিকশাসহ মাদক ব্যবসায়ী ১। রাসেল মজুমদার ও ২। জাহাঙ্গীর আলমকে কোতয়ালি থানার কমলপুর গ্রামের জামে মসজিদের সামনে থেকে আটক করা হয়।

এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং এই ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।

//নিজস্ব প্রতিবেদক// স্বীকৃতি বিশ্বাস//

স্ত্রীর পরকীয়ায় স্বামীর বাধা। স্বামীকে জবাই করে হত্যার চেষ্টা।। স্ত্রী গ্রেফতার

 

চাঁদপুর শহরের পুরান বাজার জাফরাবাদে পরকীয়া প্রেমে বাঁধা দেয়ায় স্বামী কে জবাই করে হত্যার চেস্টা করা হয়েছে। ঘাতক স্ত্রী কে পুলিশ আটক করেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে চাঁদপুর শহরের পুরান বাজার এলাকার পূর্ব জাফরাবাদ ছৈয়াল বাড়িতে।

এক সূত্রে জানাযায় ছৈয়াল বাড়ির সৌদি আরব ফেরত বিল্লাল ছৈয়াল তার স্ত্রী হাওয়া বেগমের চালচলনে সন্দেহ হয়।  সে বেশির ভাগ সময় মোবাইলে কথা বলতে ব্যস্হ থাকে। এসব বিষয় নিয়ে স্বামীর সন্দেহ বাড়তে থাকে, যার কারণে মোবাইল ব্যবহার না করার জন্য স্ত্রীকে বিল্লাল ছৈয়াল বাঁধা দেয়। এ নিয়ে স্বামী- স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া বিবাদ লেগেই রয়েছে।

 

গত রবিবার রাতে স্বা স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া বিবাদ হয় বলে তাদের বড় সন্তান ফাইজা আক্তার (১৩) ও মেঝ মেয়ে লিমা (৯) জানায় সোমবার রাতে কোনো ঝগড়া বিবাদ হয়নি। সে তার মা বাবার সাথে একই বিছানায় ঘুমিয়ে ছিল। রাত অনুমান দেড়টার দিকে সে দেখতে পায় বিল্লালর বুকের উপর তার মা হাওয়া বেগম বসে গলাঢ ব্লেড দিয়ে পোচাচ্ছে।

সে ডাক চিৎকার করলে আশ পাশের ঘরের লোক জন ছুটে এসে বিল্লাল কে রক্তাক্ত অবস্হায় উদ্ধার করে  রাতেই চাঁদপুর ২৫০ শয্যার সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করায়।

স্হানীয়রা হাওয়া বেগমকে আটক করে রাতেই  চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে  এ এস পি  সদর সার্কেল স্নিগ্ধা সরকার ও চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আব্দুর রশীদ আহত বিল্লাল ছৈয়ালের চিকিৎসার খোজ খবর নেন।

হোসেন গাজী, চাঁদপুর প্রতিবেদক//

আসমা বেগমের সর্বস্ব পুড়ে ছাই।। আয়ের উৎস কিছুই থাকলনা

 

নওগাঁ সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ি ইউনিয়ন এর গোপাই  ( মোল্লা পাড়া ) গ্রামের বিধবা আসমা বেওয়ার গোয়াল ঘরে কয়েলের আগুন থেকে আগুন লেগে ২ টি গরু মারা গেছে এবং ১ টি গাভী ও ১টি ছোট বাছুর মারাত্বক দগ্ধ হয়েছে।

আসমা বেওয়া একজন বিধবা নারী, স্বামী আব্দুল লতিফ মোল্লা ৬বছর আগে মারা যায়। এর অবাবের সংসারে পর গরু লালন-পালন করে  ছোট -ছোট ৩ ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে অনেক কষ্টে জীবিকা নিবার্হ করে আসছিলেন।

 

প্রতিদিনের মতো আসমা বেওয়া গোয়াল ঘরে অতিরিক্ত মশার জন্য সোমবার রাত ১০টার দিকে গোয়াল ঘরে কয়েল জ্বালিয়ে দেয়।

এর পর মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ২টার দিকে অতিরিক্ত আগুন ও ধোঁয়া দেখতে পেয়ে চিল্লাতে শুরু করেন আসমা বেওয়া। এর পর প্রতিবেশি ছুটে আসে এবং আগুন নিভানোর চেষ্টা করে।

এসময় আবুল হোসেন নামের স্থানীয় এক বাসিন্দা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে ফায়ার সার্ভিস দল রওয়ানা দেয় এর ৩০মিনিট পর আবার ফাওয়ার সার্ভিসকে আগুন নিভিয়ে গেছে এমন সংবাদ দেয়া হলে ফাওয়ার সার্ভিসের গাড়ি মাঝপথ থেকে চলে যায়।

মাত্র ৩০মিনিটে আসমা বেওয়ার সহায় সম্ভল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। স্থানীয়রা আগুন নিভাতে সক্ষম হলেও গোয়াল ঘরে থাকা দুটি গরু পুড়ে মারা যায় এবং একটি গরু মারাত্বকভাবে দগ্ধ হয়। গোয়াল ঘর ছাড়াও পাশে বসবাসের ঘর এর কিছু অংশ পুড়ে যায়। আগুনটি পাশের বাসায় ছড়িয়ে পরতে লাগলে স্থানীয়রা দ্রুত আগুন নিভাতে সক্ষম হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা আবুল হোসেন জানান, আগুন লাগার কথা জানতে পারলে প্রথমে ৯৯৯ ফোন দিয়েছিলাম পরে আমরা আগুন নিভাতে সক্ষম হই। অসহায় বিধবা আসমা বেওয়ার স্বামী মারা যাবার পর সন্তানদের নিয়ে অনেক কষ্টে সংসার চালাতো।

গরু লালন পালন করে মোটা তাজা করে বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নিবার্হ করত কোন রকমে। কয়েল এর আগুন থেকে গোয়াল ঘরে থাকা গরু ও বাড়িঘর পুরে যায়। এসময় তার ২টি গরু আগুনে পুড়ে মারা যায়। এবং একটি গাভী ও একটি ছোট বাছুর মারাত্বক দগ্ধ হয়েছে।

এখন সরকারীভাবে যদি একটু সহায়তা পেতে তবে কিছুটা হলেও দু’বেলা ডাল-ভাত খেয়ে বেঁচে থাকতে পারবে।

ভুক্তভোগী  বিধবা আসমা বেওয়া বলেন, দুর্ঘটনার ফলে আনুমানিক আড়াই লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমার সব সম্বল আগুনের সাথে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। দুটি গরু আগুনে পুড়ে মারা গেছে এবং একটি গাভী ও একটি ছোট বাছুর মারাত্বকভাবে দগ্ধ হয়েছে। গরু এবং ঘর মিলে আমার প্রায় আড়াই লক্ষ টাকার মত ক্ষতি হয়েছে। আমি এখন কি করে খাবো । গরু লালন-পালন করে সংসার চলতো সেটাও আজ নাই। কি করে সংসার চলবে সেই চিন্তায় এখন মাথায় ঘুরপাক করছে।

নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি ) নজরুল ইসলাম জুয়েল বলেন, বিষয়টি জানার পর ভুক্তভুগি বিধবা আসমা বেওয়াকে থানায় লিখিত সাধারণ ডায়েরি করতে বলেছি।

তবে ঘটনাটি সত্যিই দু:খজনক। তবে যতদূর জানি গোয়াল ঘরে কয়েলের আগুন থেকেই দূর্ঘটনা ঘটেছে|

একেএম কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ প্রতিনিধি//