লকডাউন কালে পটিয়া, চন্দনাইশ ও বোয়ালখালীতে জরিমানা আদায়

 

চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলা থেকে চন্দনাইশ উপজেলার ইটভাটায় মাটি বহন করে নিয়ে যাওয়ার দায়ে  ইসমাঈল নামক এক ব্যক্তিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

পটিয়া উপজেলার নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমেদ জানান, আজ বিকেল সাড়ে ৩ টায় খরনা এলাকায় অভিযান চালিয়ে টপ চয়েল মাটি চন্দনাইশের ইটভাটায় নিয়ে যাওয়াকালে চন্দনাইশের বাদশা মিয়ার পুত্র মোঃ ইসমাঈলকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ইউ এন ও আরো জানান, এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। যাতে করে ফসলি জমি থেকে মাটি নিয়ে টপ চয়েল নষ্ট করা না হয়।

 

অন্যদিকে বোয়ালখালী উপজেলার শাকফুরা রায়খালী, ফুলতল ও উপজেলা সদরে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত করে ৪ মামলায় ৬ হাজার টাকা জরিমানা করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুন নাহার। গতকাল ৬ এপ্রিল ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা কালে শাকফুরা রায়খালী ব্রিজ এলাকায় অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার তৈরি করায় ভোক্তা অধিকার আইনে,  বিছমিল্লাহ বেকারীকে ৫ হাজার টাকা, ফুলতলা আলো সুইট্সকে সংক্রামক নিরোধ আইনে ১ হাজার টাকা, উপজেলা সদরে শহ শোকর আলী বেডিং ও খাজা গ্লাসকে ৫শত টাকা জরিমানা করা হয় বলে আদালত সূত্র জানায় ।

 

তাছাড়া চন্দনাইশ উপজেলার নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমতিয়াজ হোসেনের নেতৃত্বে ৬ এপ্রিল অভিযান চালিয়ে সরকারী আদেশ অমান্য করা ও লকডাউনের শর্ত ভঙ্গ করায় উপজেলা সদরের কাশবন হোটেলের মালিক পারভেজকে ৩ হাজার টাকা, উপজেলা সদরের মোঃ ফারুক সওদাগরকে ৫০ টাকা, খানঁহাট এপেক্স জুতার দোকানের মালিক ফয়েজকে ২ হাজার টাকা, হার্ডওয়্যার দোকানের মালিক কামালকে ৫শ টাকা, রউশন হাটের স্বর্ণের ব্যবসায়ী দুলাল ধরকে ২শ টাকা জরিমানা করা হয়।

মোঃ হামিদুর রহমান, চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি //

আইনের প্রতি শ্রদ্ধাহীনতার চরম বর্হিঃপ্রকাশ নয় কি…..!

 

বাংলাদেশসহ সারা বিশ্ব যখন বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় সুনামি নিয়ন্ত্রণের জন্য হোমকোয়ারেন্টেন,আইসোলেশন,সামাজিক দূরত্ব ও মাস্ক ব্যবহারের জন্য জনগণকে সচেতন করার কাজে  দিশেহারা তখনও কিছু মানুষের পারিবারিক ও সামাজিক অসচেতনতা এবং দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধাহীনতা বড়ই কষ্ট দায়ক।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যায় পারিবারিক ভ্রমনের ক্ষেত্রে দ্বিচক্রযান মোটরসাইকেলের বহুল ব্যবহার। একটি মোটর সাইকেলের ধারণ ক্ষমতা বা সীট ক্যাপাসিটি ০২ টি।পথে চলতে অহরহ চোখে পড়ে একটি পরিবারের সকল সদস্য ( কমপক্ষে ০৪ জন) একটি মোটর সাইকেলে যাতায়াত করেন।কিন্তু চলতি পথে যদি দুর্ঘটনা ঘটে তাহলে হয়তো এমনও হতে পারে একটি পরিবার শেষ হয়ে যেতে পারে। যা আমাদের সকলের বিবেচনায় আনা দরকার।

করোনার এই মহামারীও মধ্যে গতকালও দেখা যায় কিছু লোক একটি মোটর সাইকেলে করে বিকালে পারিবারিক ভ্রমনে বেরিয়েছে যাদের অধিকাংশ মাস্কছাড়া ও একটি মোটরসাইকেল পুরো পরিবার।যা পুলিশ প্রশাসনের দৃষ্টি গোচর হয়।লকডাউনের জন্য বিনা প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হওয়ার কথা থাকলেও এভাবে পারিবারিক ভ্রমন কতটা যুক্তি সংগত তা ভেবে দেখার জন্য পুলিশের নয় ব্যক্তি সচেতনতায় যথেষ্ট।

 

করোনাকালে বাংলাদেশ পুলিশ কতদিকে সামলাবে? একদিকে চোর-ডাকাত, ছিনতাইকারী, মাদক পাচারকারী, মোবাইল কোর্ট পরিচালনাসহ নিজেদের কিছু প্রশাসনিক কাজ তো আছেই।এরপরে নতুন করে শুরু হয়েছে করোনার উপদ্রব সাথে সাথে দেশের জনগণকে নিরাপদ ও সুস্থ রাখার জন্য গণসচেতনতা ও মাস্ক ব্যবহারসহ সামাজিক সচেতনতা।

 

তাই দেশের নাগরিক  হিসাবে সকলের নৈতিক দায়িত্ব সরকার ও সরকারের বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরকে সহযোগিতা করে করোনার এই মহামারী থেকে সোনার বাংলাকে রক্ষা করা।

// স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক//

মাঝ মেঘনায় কলমীলতা ফেরিতে ভয়াবহ আগুন: পুড়ে গেল ৬ ট্রাক

 

আজ ০৮ এপ্রিল -২০২১ রোজ বৃহস্পতিবার ভোর ০৪:০০ ঘটিকায় মজুচৌধুরীর ঘাট থেকে ভোলার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আাসা ভোলা- লক্ষ্মীপুর নৌরুটের কলমীলতা ফেরিতে ভয়াবহ আগুন লেগে যায়।

 

ধারণা করা হচ্ছে ফেরিতে থাকা একটি গাড়ি থেকে আগুন লাগার পর এ আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এতে পুড়ে গেছে ছয়টি পণ্যবাহী ট্রাক।

 

আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস ও পূর্ব ইলিশা সদর নৌ থানা, ভোলার নৌ-পুলিশ। ২ ঘন্টা চেষ্টার পর নিয়ন্ত্রনে আসে।

 

বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টায় একটি ট্রাকের ভেতর থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে জানান ফায়ার সার্ভিস বিভাগের কর্মকর্তারা।

 

জানা যায়, বুধবার দিবাগত রাত ৩টায় লক্ষ্মীপুর থেকে ভোলাগামী ফেরি

কলমিলতা’ ছেড়ে আসে।

ভোর সাড়ে ৪টার দিকে হঠাৎ ওই ফেরিতে আগুন লাগে। এতে ছয়টি ট্রাক পুড়ে যায়। এসময় ওই ফেরিতে ১১টি ট্রাক ছিল।

 

আলম সিকদার ফেরীর স্টাফের নিকট থেকে জানা যায়, ফেরিটি লক্ষ্মীপুর মজুচৌধুরীঘাট থেকে বুধবার দিবাগত রাত ৩টায় ছাড়ে। এটি মতিরহাট এলাকা পৌঁছার কিছুক্ষণ পড়ই আগুন লাগে।

 

ধারণা করা হচ্ছে, ফেরিতে থাকা ট্রাকের স্টাফদের মশার কয়েল অথবা সিগারেটের আগুন থেকে এমন ঘটনা ঘটেছে।

// নিজস্ব প্রতিবেদক //

বাগেরহাটের রামপালে করোনায় আক্রান্ হয়ে মৃত্যু-১

 

বাগেরহাটের রামপালের ফয়লাহাটে মোশারেফ হোসেন (৩৪)  বারুইপাড়া দাখিল মাদরাসার শিক্ষক ছিলেন। তার বাড়ি উপজেলার প্রসাদনগর গ্রামে। তিনি শারিরীক ভাবে অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তাকে বাগেরহাটে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা নিরীক্ষায় তার শরীরে করোনা পজেটিভ ধরা পড়ে।

এরপর তাকে বাগেরহাটেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। বুধবার সকালে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এর আগে গোবিন্দপুর গ্রামে একজন নারী ও সগুনা গ্রামের একব্যক্তি করোনা পজেটিভ হয়ে সাতক্ষীরায় মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা সুকান্ত কুমার পাল এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, শুনেছি এক ব্যক্তি মারা গেছেন।

//এ এইচ নান্টু, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি //

কুয়াকাটায় ইউএনও কর্তৃক গণমাধ্যম কর্মীকে শারীরিক নির্যাতন…

 

ইউ এন ও কর্তৃক গণমাধ্যম কর্মীকে শারীরিক নির্যাতনের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক, ইউটিউব ও নিউজ পোর্টালে তোলপাড় চলছে কুয়াকাটা সহ সারাদেশে । যাচাই করা হচ্ছে সত্য মিথ্যার। কলাপাড়া উপজেলার বেশ কিছু গণমাধ্যম কর্মী ইউ এন ও’র পক্ষ নিয়ে বাস্তব ঘটনাকে আড়াল করার চেষ্টা চালাচ্ছে। যা জনসাধারণের মাঝে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

গত ৫ এপ্রিল রাত ৮টার দিকে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্টের পুলিশ বক্সের সামনে মাস্ক না পড়ার অপরাধে স্থানীয় সাংবাদিক ইলিয়াসকে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহীদুল হক ও ট্যুরিষ্ট পুলিশ বেধরক মারধর করেছে।

ঘটনার সময় প্রত্যক্ষদর্শী জাতীয় দৈনিক ভোরের কাগজ পত্রিকার কুয়াকাটা প্রতিনিধি ও কুয়াকাটা প্রেসকাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসেন আনু জানিয়েছেন, মাস্ক না থাকার অপরাধে যে ভাবে চারজন পুলিশ দুহাত ধরে রেখেছে আর একজন পুলিশ ও ইউ এন ও ওই স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ইলিয়াস শেখকে বেধরক লাঠি পেটা করে যা একে বারেই অমানবিক।

গণমাধ্যমকর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, ইউ এন ও যে ভাবে মারমুখী অবস্থায় ছিলো এবং অশ্লীল আচারণ করছে, তাতে তার কাছে যেতে তিনি সাহস করেননি।

ঘটনাটি মুহুর্তেই ছড়িয়ে পড়লে জাতীয় দৈনিক স্বাধীন সংবাদ পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি ও মহিপুর প্রেসকাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ হাবিবুল্লাহ খান রাব্বী, দৈনিক আজকের তালাশ ও জাতীয় দৈনিক নবকন্ঠ পত্রিকার রির্পোটার শামীম ওসমান হীরা, দৈনিক দক্ষিনের কাগজ পত্রিকা ও আমাদের কুয়াকাটা পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রুমি শরীফ সরেজমিনে গেলে দুজন ট্যুরিস্ট পুলিশ কর্তৃক ইলিয়াসকে আটক অবস্থায় দেখতে পায়।

পার্শ্বেই ইউ এন ও দাড়ানো ছিলো।

শামীম ওসমান ইউ এন ও’র কাছে জানতে চাইলে ইউ এন ও বলেন, ভূয়া সাংবাদিক ওর সুপারিশে কেউ এখানে আসতে পারবেনা। তখন শামীম তার আজকের তালাশ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার পরিচয় দিতেই কার্ড দেখতে চায়, শামীম পকেট থেকে কার্ড বেড় করতে না করতেই হাতের উপর ইউ এন ও থাবা দিয়ে কার্ড কেরে নেয়ার চেষ্টা করে।

ইউ এন ও’র ভূমিকা ছিলো সন্ত্রাসী কার্যকলাপের মতো। করো কোনো কথাই শুনতে চায়নি ইউ এন ও ।

পরবর্তীতে সাংবাদিক হাবিবুল্লাহ খান রাব্বী প্রশ্ন করেন ইউ এন ওকে মাস্ক না থাকার অপরাধে মারধরের বিষয়টি আইনত কিনা?  প্রশ্নে কোনো উত্তর না দিয়ে হুট হাট ঘোরাঘুরি করছে চৌরাস্তায়। ইলিয়াস কুয়াকাটার স্থানীয় বিধায় বেধরক মারধরের ঘটনাটি সহজভাবে স্থানীয়রা মেনে নিতে না পেরে সকলেই দলবদ্ধ হয়ে চড়াও হয় ইউ এনও’র দিকে। উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীরা, পৌরসভার মেয়র, কাউন্সিলর ও গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গরা পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা চালায়।

সাধারণ জনগনের তোপের মুখে পরে ইউ এন ও ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। ঘন্টা খানেক পরে মহিপুর থানা পুলিশ আসে এবং মহিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মনিরুজ্জামান হ্যান্ড মাইকে ঘোষনা করেন, ইউ এন ও এবং সাংবাদিকদের মধ্যে মিসবিহ্যাব হয়েছে এটা তদন্ত সাপেক্ষে বিচার হবে। পুলিশ কলেন,  আপনাদের সকলকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে যার যার বাসায় চলে যাওয়ার আহবান জানাচ্ছি। এভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন হয়।

কিন্তু ইউ এন ও কর্তৃক সুবিধাবাদী কিছু সংখ্যক গণমাধ্যমকর্মী সত্য ঘটনাটি ধামাচাপা দিয়ে একতরফা ইউ এন ও’র পক্ষে রিপোর্ট করায় জনমনে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। ফলে গণমাধ্যম কর্মীদের উপর সাধারণ মানুষের আস্থা মাটির গর্ভে বিলিন হতে চলছে।

অপর দিকে নির্যাতিত সাংবাদিক ইলিয়াস শেখ অভিযোগ করে বলেন, প্রশাসন তাকে নানা ভয়ভীতি দেখিয়ে বসতে বাধ্য করেন শালিস বৈঠকে। এ সময় মিমাংসার কথা বলে রাখা হয় মুচলেকা। পরে জানতে পারেন, তার বিরুদ্ধে মহিপুর থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করা হয়েছে। এতে ইলিয়াসসহ তার পরিবার পুলিশি হয়রানীর ভীতির মধ্যে রয়েছেন।

বিষয়টি প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে ওই রাতেই সংবাদ কর্মীকে মারধরের ঘটনা ছিলো অনাকাঙ্খিত। এ জন্য অনুতপ্ত বলে জানালেন কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহীদুল হক। সোমবার গভীর রাতে কুয়াকাটার চৌ-রাস্তা পুলিশ বক্সে  শালিস বৈঠকে ঘটনা মিমাংসার পর তিনি অনুতপ্ত বলে জানান।

এ সময় বৈঠকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মো: হুমায়ুন কবির. কলাপাড়ার ইউএনও আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহীদুল হক. কলাপাড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহম্মেদ আলী, কুয়াকাটা পৌর মেয়র মো: আনোয়ার হাওলাদারসহ স্থানীয় গন্যমান্যরা উপস্থিত ছিলেন।কুয়াকাটা পৌর মেয়র আনোয়ার হাওলাদার বলেন. মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশসন ও স্থানীয়দের মাঝে সৃষ্ঠ ঘটনার মিমাংসা হয়েছে। এনিয়ে আর কোন ঝামেলার সূযোগ নেই।

কলাপাড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহম্মেদ আলী জানান. ঘটনার পর সাংবাদিক ইলিয়াস শেখ ও ইউএনও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের সম্মুখে এ ঘটনার বর্ননা দিয়েছেন। পরে জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জন প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে উভয় পই সৌহার্দপূর্ন পরিবেশে বিষয়টি মিমাংসা হয়েছে।

// মোঃ তুহিন শরীফ, পটুয়াখালী //

বাগেরহাটের রামপালে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত- ১

 

খুলনা- মোংলা মহাসড়কে মাইক্রোবাস চাপায় মিকাইল হোসেন (৬৮) নামের একব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তার বাড়ি উপজেলার গোবিন্দপুর পুর্বপাড়া এলাকায়। তিনি পেশায় একজন নলকূপ মেকানিক ছিলেন। গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ৮ টায় সড়কের সোনাতুনিয়া বাস স্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে  জানা গেছে মিকাইল হোসেন  সকাল ৮টার দিকে বাইসাইকেল চালিয়ে খুলনা-মোংলা মহাসড়ক দিয়ে চুলকাঠি বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। সোনাতুনিয়া বাস স্ট্যান্ডের কাছে এলে মোংলা অভিমুখি একটি মাইক্রোবাস তাকে চাপা দেয়, এতে তিনি গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ফয়লাহাট সুন্দরবন ক্লিনিকে নিয়ে আসেন।

সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। বুধবার বিকাল ৩ টায় গোবিন্দপুর ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসা মাঠে তার জানাজার নামাজ শেষে তাকে পারিবারিক  কবর স্থানে দাফন করা হয়।

// এ এইচ নান্টু, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি //

খুলনা দেশীয় অস্ত্রের ৩ রাউন্ড কার্তুজ সহ গ্রেফতার-১।। র‍্যাব-৬

 

র‍্যাব-৬ (স্পেশাল কোম্পানী) খুলনার একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের মাধ্যমে ৭এপ্রিল দুপুরে অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্রের ৩ রাউন্ড কার্তুজসহ হালিম শিকারী (৪৫) নামক এক ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করেছে।

র‍্যাব-৬  জানায়, খুলনার পাইকগাছা থানাধীন ফকিরাবাদ এলাকায়  কতিপয় ব্যক্তি মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য অবস্থান করছে উক্ত সংবাদের সত্যতা যাচাই ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে আভিযানিক দলটি

থানার ফকিরাবাদ গ্রামস্থ শান্তা বাজার জনৈক তাজমুল শেখ এর চায়ের দোকানের সামনে উত্তর পাশে ইটের সলিং রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করে ।

‍র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ঐ ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে পালানোর চেষ্টাকালে মোঃ হালিম শিকারী (৪৫), পিতা- মোঃ আলী আকবর শিকারী, সাং- হোগলারচক, থানা-পাইকগাছা, জেলা- খুলনা কে গ্রেফতার করে।

এ সময়ে উপস্থিত স্বাক্ষীদের উপস্থিতিতে গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ হালিম শিকারীকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশীকালে তার হেফাজত হতে নিম্নলিখিত মালামাল উদ্ধার করা হয়।

৩ রাউন্ড কার্তুজ,১টি মোবাইল ফোন,  ২টি সীমকার্ড,১টি টর্চ লাইট।

গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে খুলনা জেলার পাইকগাছা থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

// আ: রাজ্জাক সেখ, খুলনা ব্যুরো //

পটুয়াখালীতে পৌঁছেছে ৩০ হাজার করোনা ভ্যাকসিন: দ্বিতীয় ডোজ

 

করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ৩০ হাজার ডোজ ঢাকা থেকে বেক্সিমকো ফার্মার

একটি ফ্রিজার ভ্যানে করে অদ্য ৭ এপ্রিল ২১ইং তারিখ বুধবার দুপুর ২ টায় পটুয়াখালী সিভিল সার্জন কার্যালয়ে পৌঁছেছে।

 

দ্বিতীয় ডোজের টিকা বেক্সিমকো ফার্মার ফ্রিজার ভ্যান থেকে গ্রহণ করেন পটুয়াখালী জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ডাঃ মনিরা, জেলা ঔষধ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক ড্রাগ সুপার মুহিদ ইসলাম এবং জেলা সেনিটারি ইনস্পেক্টর মহিউদ্দিন।

 

সিভিল সার্জন ডাঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দুটি কর্কসিটে সুরক্ষিত করে এই ভ্যাকসিন পাঠানো হয়েছে। এখানে দুটি প্যাকেটের মধ্যে একটিতে ১৮ শত ভায়াল এবং অপরটিতে ১২শত ভায়াল মোট ৩ হাজার ভায়াল গ্রহন করেছি। উল্লেখ্য এই ৩ হাজার ভায়াল থেকে ৩০ হাজার টিকা দেয়া হবে। তিনি আরো বলেন ভ্যাকসিন তৈরির ভায়াল গুলো সিভিল সার্জন অফিসে উন্নত প্রযুক্তির ওয়াকিং ইন কুলারে রাখা হয়েছে।

 

আগামীকাল থেকে পটুয়াখালী করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ দেয়া হবে। এমটাই জানালেন জেলার সিভিল সার্জন  জাহাঙ্গীর আলম।

মো: তুহিন শরীফ, পটুয়াখালী সংবাদদাতা//

খুলনার দীঘলিয়ায় নদী থেকে অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার

 

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন ভৈরব নদ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে এক অজ্ঞাত নারীর মৃত দেহ । এখনো পর্যন্ত যুবতীর পরিচয় মেলেনি ।

বুধবার (০৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এদিকে, লাশটির ময়না তদন্তের জন্যে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ভৈরব নদের তীর থেকে অজ্ঞাত এ যুবতীর মরদেহ উদ্ধার করা হ য়। তার পরনে বোরকা, মুখ খোলা। শরীরের কোথাও আঘাতের চিহৃ আছে কি না, ময়না তদন্তের রিপোর্ট না পেলে বোঝা মুশকিল।

মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে দীঘলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আহসান উল্লাহ চৌধুরী সময়ের খবরকে বলেন, এখনো পরিচয় উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

লাল রঙের সালোয়ার ও বোরখা পরিহিতা যুবতীর বয়স ২২ থেকে ২৪ বছরের মধ্যে হতে পারে। দেখে সচ্ছল্য পরিবারের সদস্য মনে হচ্ছে। পরিচয় উদঘাটনের জন্যে দেশের সবগুলো থানায় ছবি প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে।

অজ্ঞাত মৃত মহিলার উচ্চতা অনুমান ৫ ফুট ২ ইঞ্চির মতো, গায়ের রং-শ্যামলা বর্ণের, শারিরিক গড়ন মধ্যম, মৃত দেহের পড়নে কালো বোরকা, লাল কালো রংয়ের জামা, লাল রংয়ের পাজামা এবং বেগুনী রংয়ের ওড়না।

কেহ অজ্ঞাত মহিলাকে চিনতে পারলে দিঘলিয়া থানায় যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে;

যোগাযোগ : অফিসার ইনচার্জ ০১৩২০১৪০২৩৩, ডিউটি অফিসার ০১৩২০১৪০২৩৮

//আ: রাজ্জাক সেখ, খুলনা ব্যুরো//

নারীর পেট থেকে বের হলো গজ, তাও সিজারের ৫ মাস পর

 

সিজারিয়ান অপারেশনের প্রায় পাঁচ মাস পর কুমিল্লার দেবিদ্বারে একটি বেসরকারী হসপিটালে এক নারীর পেট থেকে বের করা হলো গজ (ব্যান্ডেজ)। পুরো ৫ মাস গজটি ওই নারীর পেটে থাকায় তাতে পচন ধরে তার জীবন এখন সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অপারেশনের মাধ্যমে পেট থেকে রক্তাক্ত গজ বের করা হয়।

সূত্র জানায়, প্রায় পাঁচ মাস আগে মুরাদনগর উপজেলার মোগসাইর গ্রামের মো. রাসেল মিয়ার  স্ত্রী মোসা. শারমিন আক্তার (২৫) দেবিদ্বারের একটি হাসপাতালে ভর্তি হন।

কর্তব্যরত চিকিৎসক রোজিনা আক্তার তাকে দেখে জরুরি সিজার করতে পরামর্শ দেন। ডাক্তারের পরামর্শ মতো সিজারে সম্মতি দিলে ওই দিনই ডাক্তার রোজিনা আক্তার ও ডা. শামীমা আক্তার লিন্টা তার সিজার করেন।

একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়।

অপারেশেনের কিছুদিন পর থেকে তার পেটে ব্যথা ও ক্ষত থেকে পুঁজ বের হতে থাকে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শারমিনকে কুমিল্লার ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ডা. কর্নেল আবু দাউদ মো. শরীফুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল চিকিৎসক তার পেটে অপারেশন করে আস্ত গজ (ব্যান্ডেজ) বের করেন।

শারমিনের বড় ভাই রহুল আমিন জানান, শারমিনের আগেও একটি তিন বছরের মেয়ে সন্তান রয়েছে। তার প্রথম সন্তানও সিজারে হয়েছে। দ্বিতীয় সন্তান প্রসবে সিজার করার পর থেকে তার পেটে অনেক ব্যথা ও পুঁজ পড়তে থাকে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত গাইনি চিকিৎসক ডা. রোজিনার সাথে মোবাইল ফোনে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনেকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি, যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

আল ইসলাম হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়াজ মোহাম্মদ হোসেন এনাম বলেন, শারমিনের পেটে গজ থেকে যাওয়ার বিষয়টি আমরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানতে পারি। ঘটনাটি প্রায় পাঁচ মাস আগের। রোগীর স্বজনরা এরপর কখনো আমাদের সাথে আর যোগাযোগ করেনি। এমন ঘটনা ঘটে থাকলে আমরা অনুতপ্ত।

ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. কর্নেল আবু দাউদ মো. শরীফুল ইসলাম জানান , মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অপারেশনের মাধ্যমে পেট থেকে রক্তাক্ত গজ বের করা হয়। বর্তমানে রোগী সংকটাপন্ন রয়েছে। ৪-৫ দিন গেলে অবস্থা বোঝা যাবে।

এ বিষয়ে কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. মীর মোবারক হোসাইন বলেন, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও হাসপাতালের নাম উল্লেখ করে স্বজনরা যদি লিখিত অভিযোগ করে, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

// নিজস্ব প্রতিবেদক //