রাণীশংকৈলে নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য পান করে বৃদ্ধার মৃত্যু

 

রাণীশংকৈলে নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য পান করে বৃদ্ধার মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। গত ১৬ জুন রাত ৮ দিকে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা (১৭ জুন বৃহস্পতিবার) নেশা জাতীয় মাদকদ্রব্য পান করে নেকমরদ ইউনিয়নের পচ্ছিম ঘনস্যাম গ্রামের মৃত চরণ পাহানের ছেলে রমেশ পাহাণ (৬২)।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সুত্র মতে জানা গেছে, মৃত ব্যাক্তির চার থেকে পাঁচদিন ধরে জ্বর অবস্থায় ছিল। এমতবস্থায় গত কাল রাতে ধারণা করা হয়েছে। নেশা জাতীয় মাদকদ্রব্য পান করে বৃদ্ধা ছটফট শুরু করলে রাণীশংকৈল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। হাসপাতালে নিয়ে আসার আগে রুগিকে মৃত ঘোষনা করলে সঙ্গে সঙ্গে বাড়ি নিয়ে যায়।

 

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনা স্থল পরিদর্শন করে ও মৃত ব্যাক্তিকে থানায় নিয়ে আসে। আসল ঘটনা উদঘাটন করার জন্য লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে রাণীশংকৈল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আর এম ও ডাঃ ফিরোজ আলম বলেন রুগিকে হাসপাতালে নিয়ে আসার ২০ থেকে ২৫ নিনিট আগে মারা গেছে।

 

তবে কি নেশা পান করে মারা গেছে তা জানা যায় নি। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে থানার ওসি এস এম জাহিদ ইকবাল বলেন, মৃত ব্যাক্তির মৃত্যুর আসল ঘটনা এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। যার কারণে লাস ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

 

রিপোর্ট আসার পরেই আসল ঘটনা জানা যাবে। এ ব্যাপারে রাণীশংকৈল থানায় একটি ইউডি মামলা রুজু হয়েছে।

মাহাবুব আলম,  ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি।।

Dainik Biswa

বি’সি’সি’র সাবেক মেয়র কামাল ৮ মাস পর কারাগার থেকে মুক্ত

 

 

বি’সি’সি’র সাবেক মেয়র কামাল ৮ মাস পর কারাগার থেকে মুক্ত

 

বি’সি’সি’র সাবেক মেয়র কামাল দুর্নীতি মামলায় ৭ বছরের কারাদন্ডপ্রাপ্ত বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের (বিসিসি) সাবেক মেয়র ও জেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি আহসান হাবিব কামাল ৮ মাস কারাভোগের পর বরিশাল কেন্দ্রিয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। বুধবার সন্ধ্যায় তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।

 

এ সময় তার অনুসারী নেতাকর্মীরা ফুল দিয়ে কামালকে স্বাগত জানায়। পরে একটি মাইক্রোবাসে দ্রুত কারাফটক ত্যাগ করেন সাবেক মেয়র কামাল। এর আগে বিচারপতি মোহাম্মদ সেলিম এর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের একক বেঞ্চ গত মঙ্গলবার শুনানী শেষে তাকে জামিনের আদেশ দেন। আদালত সূত্র জানায়, ১৯৯৫-৯৬ সালে বরিশাল টিএন্ডটি’র ভূ-গর্ভস্থ ক্যাবল স্থাপনের নামে ভূয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে ৩৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাত করে আসামীরা।

 

এ ঘটনায় ২০১০ সালের ১১ অক্টোবর জেলা দুর্নীতি দমন কর্মকর্তা মো. আব্দুল বাসেত বাদী হয়ে ৫ জনের বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর বরিশাল বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালত ওই মামলায় সাবেক মেয়র কামাল সহ ৫ জনকে ৭ বছর করে কারাদন্ডের আদেশ দেন। মামলায় দন্ডপ্রাপ্ত অপর আসামীরা হলো বরিশাল পৌরসভার তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইসাহাক, পৌরসভার সাবেক সহকারি প্রকৌশলী খান মো. নুুরুল ইসলাম, পৌরসভার তৎকালীন উপ-সহকারি প্রকৌশলী আব্দুস সত্তার ও নগরীর কালিবড়ি রোডের বাসিন্দা ঠিকাদার জাকির হোসেন। তারা সকলেই উচ্চাদালত থেকে জামিনে রয়েছেন ।

পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল//

Dainik Biswa

জাতির পিতার স্বপ্ন ছিলো স্বাস্থ্যসেবা গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে দেয়া — জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

 

‘ভূমি সেবা ডিজিটাল, বদলে যাচ্ছে দিনকাল” রূপসায় ভূমি সেবা সপ্তাহের উদ্বোধন

 

‘ভূমি সেবা ডিজিটাল, বদলে যাচ্ছে দিনকাল” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রূপসা উপজেলা ভূমি অফিসের আয়োজনে সপ্তাহব্যাপী ভূমি সেবা সপ্তাহের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

 

মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় উপজেলা অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি খান মাসুম বিল্লাহ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ জুবায়ের, ফারহানা আফরোজ মনা,উপজেলা কৃষি কর্মকর্ত ফরিদুজ্জামান, মৎস্য কর্মকর্তা বাপি কুমার দাস, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তপু কুমার সাহা, যুব কর্মকর্তা মোল্লা আবু বকর, থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই জাফর, সমাজসেবা কর্মকর্তা জেসিয়া জামান,ভূমি অফিসের নাজির নুরুল ইসলাম, সার্ভেয়ার আতিকুল ইসলাম, নায়েব মনিরুজ্জামান, রুপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি এম মুরশিদ আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মজিদ,ক্রীড়া সম্পাদক নাজিম সরদার প্রমূখ।

 

//  রূপসা প্রতিনিধি //

Dainik Biswa

মুক্তিযোদ্ধা খলিলুর রহমান এর মৃত্যুতে সালাম মূর্শেদী এমপি’র শ্রদ্ধাঞ্জলি

 

মুক্তিযোদ্ধা খলিলুর রহমান এর মৃত্যুতে সালাম মূর্শেদী এমপি’র শ্রদ্ধাঞ্জলি

 

খুলনার রূপসা উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়নের নৈহাটি গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: খলিলুর রহমান (৮১) গতকাল সোমবার বিকালে বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি … রাজিউন)। কর্ণপুর জামে মসজিদ মাঠে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়।

 

এবং খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূশের্দীর পক্ষে থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা মুক্তিযোদ্ধা খলিলুর রহমানকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। জানাজা শেষে নৈহাটি গণকবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার ভূমি খান মাসুম বিল্লাহ, থানা অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ আবুল কালাম আজাদ, ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, এমপির চীপ কো- অডিনের্টর নোমান ওসমান রিচি, ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন বুলবুল, আলহাজ্ব এসহাক সরদার, মুক্তিযোদ্ধা আ:মজিদ ফকির, উপজেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক আকতার ফারুক, সাবেক চেয়ারম্যান মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, নাজির শেখ, ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেন, আশাবুর রহমান মোড়ল, রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আ:রাজ্জাক শেখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, যুবলীগ নেতা আ:মজিদ শেখ, বাদশা মিয়া, সুব্রত বাগচী, মেজবাউদ্দিন, রাহাত, মরহুম খলিলুর রহমানের সন্তান মাহফুজুর রহমান অপু, ওলিয়ার রহমান মুন্ন, মিলন মোল্লা,আতিয়ার রহমান, আবু মুছা তালুকদার, শরিফুল ইসলাম বাবু, আবুল কালাম, দাউদ আলী, জামাল মোল্লা,শরিফুল ইসলাম প্রমূখ।

 

 //আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

Dainik Biswa

রূপসা থেকে ৭০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেফতার -১: খুলনা ডিবি

 

খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘন্টায় সর্বোচ্চ আক্রান্ত ৮ শত জন ও মৃত্যু ১৩ জন

 

 বৈশ্বিক মহামারী করোনার সুপার সাইক্লোন শুরু হতে চলছে সীমান্তবর্তী খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলাগুলোতে। করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা যেভাবে গাণিতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে করে নতুন নতুন এলাকা ভাগ করে পকেট লকডাউন ছাড়া নিয়ন্ত্রণ করা আদৌ সম্ভব হবে না।

 

খুলনা বিভাগে ১৫ জুুন-২০২১ রোজ মঙ্গলবারের রিপোর্ট অনুযায়ী করোনায় গত ২৪ ঘন্টায় সর্বোচ্চ নতুন করে ৮০০ জন আক্রান্ত ও সর্বোচ্চ ১৩ জন মৃত্যু বরণ করেছেন বলে জানিয়েছেন খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক।

 

অত্র দপ্তরের সূত্রে জানা যায় গত ২৪ ঘন্টায় খুলনায় ২ জন, সাতক্ষীরায় ৩ জন,ঝিনাইদহে ২ জন ও বাগেরহাটে ১ জন মৃত্যু বরণ করেছেন। গত শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত করোনায় ১৫৩৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং ২৫ জন মৃত্যু বরণ করেছেন।

 

গতবছর ১৯ মার্চখুলনা বিভাগের চুয়াডাঙ্গা জেলায় প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়।তখন থেকে অদ্যাবধি বিভাগের ১০ জেলায় করোনা সনাক্ত হয়েছে ৪১ হাজার ২৮ জন।

// নিজস্ব প্রতিনিধি //

Dainik Biswa

সাতক্ষীরাসহ সমগ্র এলাকায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হোক

সাতক্ষীরাসহ সমগ্র এলাকায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হোক

 

সাতক্ষীরাসহ সমগ্র এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ইয়াস চলে গিয়েছে বেশ কিছুদিন হতে চললো। আস্তে আস্তে মিডিয়া,জিও,এনজিওসহ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গুলো ইয়াসের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্থ উপকূলীয় এলাকার দুঃখ,ব্যাথা,বেদনা ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মানের দীর্ঘদিনের দাবিগুলো ভুলতে বসেছে।কিন্তু ইয়াসের প্রভাবে যারা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্থ তারা ভুলতে পারছে না।

 

সাতক্ষীরাসহ সমগ্র উপকূলীয় অঞ্চলের জনগণের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে পারেনি। তাদের ঘরের মধ্যে এখনও পানি।ঘরের ভিতর পানি থাকায় অনেকে পরিবারপরিজন নিয়ে নৌকায় বসবাস করছে।চারিদিকে লবণাক্ত পানি থাকায় জৈবিক কাজ করার মতো জায়গায় না থাকায় ভাসমান পানিতে করতে হচ্ছে।

 

এছাড়াও রয়েছে খাবার পানির তীব্র সংকট ।খাবার পানি সংগ্রহের জন্য দূরদূরান্ত থেকে পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে অত্র এলাকার মা- বোনদের।সবচেয়ে বেশী বিপদে আছে শিশু- কিশোররা।চারিপাশে পানি থাকায় যেকোন সময় পানিতে পড়ে ছোট শিশুদের মৃত্যুর সম্ভাবনা রয়েছে।

 

ঘরে মানুষের খাবার নেই, প্রতিপালিত গরু- ছাগলের খাবারের কোন ব্যবস্থা,চাষাবাদের জমি নেই( পানিতে নিমজ্জিত), চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই, জীবনের নিরাপত্তা নেই,এতো প্রতিকূলতার পরেও উপকূলীয় অঞ্চলের লোকজন ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য নারীপুরুষ সম্মিলিত ভাবে বেড়িবাঁধ সংস্কারের কাজে নেমে পড়েছে এবং অনেক জায়গা সংস্কারও করেছে।আবার নিজদের ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য,ভাঙা মন নিয়ে চৌদ্দ পুরুষের ভিটেমাটি আঁকড়ে ধরে বাঁচার আপ্রাণ চেষ্টা করছে।চেষ্টা করছে নবজীবন লাভের।

 

কিন্তু গত কয়েকদিন আগে সংগঠিত হওয়া অমাবস্যার প্রভাবে আবারও অরক্ষিত বেড়িবাঁধের বিভিন্ন জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে। ফলে যেকোন সময় বেড়িবাঁধ ভেঙে নতুন করে জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। আর তাই অত্র এলাকার প্রাণের দাবী যতদ্রুত সম্ভব বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে স্থায়ীভাবে বেড়িবাঁধ গুলো নির্মাণ করা হোক।

// স্বীকৃতি বিশ্বাস //

Dainik Biswa

খুলনায় ২৭ মামলায় ২৭ জনকে ৭২ হাজার ১ শত টাকা জরিমানা

 

 

খুলনায় ২৭ মামলায় ২৭ জনকে ৭২ হাজার ১ শত টাকা জরিমানা

 

খুলনায় ২৭ মামলায় ২৭ জনকে ৭২ হাজার ১ শত টাকা জরিমানা করেছে মোবাইল কোর্ট । বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ সীমান্তবর্তী জেলা খুলনা,যশোর, সাতক্ষীরা,চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, নাটোর,রাজশাহী, চাপাইনবাবগঞ্জসহ ১৩ জেলায় টর্ণেডোর মতো হঠাৎ করে আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে।

 

ফলে বিভিন্ন সময় জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ও প্রতিরোধসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে জারিকৃত গণবিজ্ঞতির নির্দেশনাসমূহ- মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, গণজমায়েত না করা,স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা,ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, হাটবাজারে ক্রেতাবিক্রেতা নিয়মনীতি মেনে দোকানপাট খুলছে কিনাসহ যাবতীয় নির্দেশনাসমূহ সঠিকভাবে প্রতিপালিত হচ্ছে কিনা তা তদারকি করতে খুলনা মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হচ্ছে।

খুলনায় ২৭ মামলায় ২৭ জনকে ৭২ হাজার ১ শত টাকা জরিমানা

 

তারই ধারাবাহিকতায় করোনাকালীন স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করণে খুলনায় পরিচালিত মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সরকারি আদেশ অমান্য করার অপরাধে সংক্রমণ রোগ (প্রতিরোধ,নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইনের বিভিন্ন ধারা মোতাবেক ২৭ টি মামলায় ২৭ জনকে ৭২ হাজার ১ শত টাকা জরিমানা করা হয়।

উল্লেখ্য করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধকল্পে জেলা প্রশাসক কর্তৃক মোবাইল কোর্টের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 //নিজস্ব প্রতিবেদক//

Dainik Biswa

 

 

কারাগারে নাফিরে হাসপাতালে আয়েশি জীবনে ভিআইপি বন্দিরা

 

কারাগারে নাফিরে হাসপাতালে থেকে যাচ্ছে নানা রোগের ছুতোয় , হাসপাতালে আয়েশি জীবন কাটাচ্ছেন ‘ভিআইপি বন্দিরা’। খুন, অস্ত্র, মাদক ও অর্থ আত্মসাৎ মামলার আসামি হয়েও ঘুরেফিরে তারা পছন্দের হাসপাতালেই থাকছেন। এদের একজন প্রথম বারে টানা ৮ মাস এবং বর্তমানে সাত মাস ধরে হাসপাতালেই আছেন। অন্যদিকে এক বন্দি হাসপাতালে ছিলেন টানা ১৬ মাস।

 

২৭ বার চিঠি দিয়ে তাকে কারাগারে ফেরাতে হয়েছিল । কিন্তু কাজ হয়নি। আরও অনেকেই আছেন যারা মাসের পর মাস বিভিন্ন হাসপাতালে আছেন। কারাগার ও হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের একটি চক্র মোটা টাকার বিনিময়ে অসুস্থতার অজুহাতে তাদের হাসপাতালে থাকার সুযোগ করে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ আছে। অথচ গ্রেফতারের আগে এসব আসামি সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনে চষে বেড়িয়েছেন দেশ-বিদেশ।

 

অভিযোগ আছে, এরা প্রভাব খাটিয়ে হাসপাতাল কেবিনেই গড়েছেন ‘স্থায়ী নিবাস’।

 

সেখান থেকেই চালিয়ে যাচ্ছেন ব্যবসা-বাণিজ্য। মুক্তজীবনে ফিরতে নানা মহলে তদবিরও করছেন। অথচ সাময়িক সময়ের চিকিৎসার জন্য তাদের কারাগার থেকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। চিকিৎসা শেষে তাদের ফেরত পাঠানোর কথা থাকলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তা করছেন না। ফলে এদের অনেকেই বন্দি জীবনের বেশির ভাগ সময় ঘুরেফিরে হাসপাতালেই কাটাচ্ছেন। কারাগার থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে পাঠানো চিঠির সূত্র ধরে অনুসন্ধানে জানা গেছে চাঞ্চল্যকর এসব তথ্য।

 

জানা গেছে, যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট, বিতর্কিত ঠিকাদার এসএম গোলাম কিবরিয়া ওরফে জি কে শামীম ও ডেসটিনি গ্রুপের কর্ণধার রফিকুল আমীন কারাগারে ‘ভিআইপি বন্দি’ হিসেবে পরিচিত। কারণ গ্রেফতারের পর থেকেই তারা ঘুরেফিরে কারাগারের চেয়ে হাসপাতালেই বেশি সময় থাকছেন। মাঝে মধ্যে কঠোর সমালোচনার মুখে তাদের কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়। কিন্তু সেখানেও থাকেন কারা হাসপাতালে। তাদের কখনোই কারাগারের সাধারণ সেলে থাকতে হয়নি। এ কারণেই এদের গায়ে লেগেছে ভিআইপি তকমা। এমন আরও অনেক প্রভাবশালী বন্দি আছেন যারা কারাবাস নয়, হাসপাতাল বাসে পার করছেন সাজার মেয়াদ।

 

এ ব্যাপারে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাহবুবুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, সম্রাটের শারীরিক অবস্থা খুব বেশি ভালো নয়। তার কার্ডিয়াক সমস্যা আরও জটিল হয়েছে। তাই তিনি হাসপাতালে আছেন। জি কে শামীমকে পাঠানোর পর করোনা ধরা পড়ে। আর রফিকুল আমীনের ডায়াবেটিস খুব বেশি ওঠানামা করছে তাই তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, এদের নিরাপত্তা দিতে দৈনিক নিয়োগ করা হয় ২০০ কারারক্ষী। এতে কারা কর্তৃপক্ষকে হিমশিম খেতে হয়।

 

তাদের ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে কারা অধিদপ্তরের ঢাকা ডিভিশনের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন) তৌহিদুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, ‘অসুস্থ হলে চিকিৎসকের পরামর্শে কারা কর্তৃপক্ষ বন্দিদের হাসপাতালে পাঠায়। কিন্তু ছাড়পত্র দিয়ে ফেরত পাঠানোর দায়িত্ব হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। কারা কর্তৃপক্ষ প্রতি ১৫ দিন পর আসামিদের ফেরত পাঠানোর তাগাদা দিয়ে চিঠি পাঠাচ্ছে।’

 

কারা কর্তৃপক্ষের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএসএমএমইউর উপাচার্য শারফুদ্দিন আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, ‘কারাগারের অধীনে আমাদের এখানে একটি ইউনিট চলে। অসুস্থ হাজতি ও কয়েদিদের কারা কর্তৃপক্ষের ইচ্ছা অনুযায়ীই এখানে ভর্তি করা হয়। সুস্থ কাউকে এখানে থাকতে দেওয়ার কোনো এখতিয়ার আমাদের নেই। কেউ সুস্থ হয়ে থাকলে কারা কর্তৃপক্ষ যে কোনো সময় তাকে নিয়ে যেতে পারে। চিকিৎসা ছাড়া বা অসুস্থ নয় এমন কেউ থাকলে পরিচালককে বলব তাদের দ্রুত ফেরত পাঠাতে।

 

সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে দেখা গেছে, ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানকালে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর গ্রেফতারের পর মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতির পদ থেকে বহিষ্কৃত হন ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট। তার বিরুদ্ধে মাদক, অস্ত্র আইন ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা হয়। গ্রেফতারের পর তিনি কিছুদিন কারা হাসপাতালে ছিলেন। মাসখানেকের মধ্যেই ওই বছরের ২৪ নভেম্বর তিনি ‘বুকে ব্যথা’ নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে ভর্তি হন। সে দফায় তিনি হাসপাতালে ছিলেন টানা ৮ মাস।

 

ভর্তির পর গত বছরের জুলাই পর্যন্ত তাকে ফেরত পেতে কারাগার থেকে বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষকে ১১টি চিঠি দেওয়া হয়েছিল। এ নিয়ে তখন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে ব্যাপক সমালোচনার মুখে তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়। সেখানে গিয়েও তিনি কারা হাসপাতালেই থাকেন।

 

সবশেষ ফের তিনি বিএসএমইউতে ভর্তি হন গত বছরের ২৪ নভেম্বর। এখন পর্যন্ত তিনি আছেন প্রিজন এনেক্স ভবনের কেবিনে। তাকে কারাগারে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে এ পর্যন্ত ১০টি চিঠি পাঠানো হয়েছে। সবশেষ চিঠি দেওয়া হয় গত ১ জুন। কিন্তু তাকে ফেরত পাঠাচ্ছে না বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ।

 

তবে কারাগারের এক চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, সম্রাটের শারীরিক অবস্থা আসলেই ভালো নয়। নানা ধরনের জটিলতায় ভুগছেন তিনি। তার উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন। একইভাবে গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর গ্রেফতারের পর ঘুরেফিরে হাসপাতালের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কেবিনে আয়েশি সময় কাটাচ্ছেন বিতর্কিত ঠিকাদার এস এম গোলাম কিবরিয়া ওরফে জি কে শামীম। শেষ দফায় তিনি গত ১৫ এপ্রিল বিএসএমএমইউতে ভর্তি হন।

 

‘বুকে ব্যথা’ অনুভব করলে অস্ত্র ও মাদক মামলার এই আসামিকে কারাগার থেকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। চিকিৎসা শেষে দুই দিনের মধ্যে তাকে কারাগারে পাঠানোর কথা। কিন্তু এখনো তাকে ফেরত পাঠানো হয়নি। এ কারণে মে মাসে দুটি ও সবশেষ ১ জুন একটি চিঠি দেওয়া হয়। অভিযোগ আছে, মোটা টাকা খরচ করে অসুস্থতার ছুতায় হাসপাতালের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কেবিনে থাকেন জি কে শামীম।

 

পরিচিতজনদের সঙ্গে নিয়মিত দেখাসাক্ষাৎ করেন। সেখানে বসেই তিনি ব্যবসা-বাণিজ্য চালাচ্ছেন। জামিনের জন্য তদবিরও করছেন। কিন্তু এ ব্যাপারে এখনো কোনো মহল থেকেই সবুজ সংকেত পাননি বলে তার ঘনিষ্ঠ সূত্র নিশ্চিত করেছে। আগের দফায় গত বছরের ৪ এপ্রিল হাসপাতালে ভর্তি হলে ৭ বার চিঠি চালাচালির পর কারাগারে ফেরত পাঠানো হলেও কয়েদিদের সেলে থাকেননি তিনি। থেকেছেন কারা হাসপাতালে।

 

হাসপাতালে থাকার ক্ষেত্রে সম্রাট-শামীমকেও পেছনে ফেলেছেন ডেসটিনি গ্রুপের কর্ণধার রফিকুল আমীন। নানা বাহানায় তিনি টানা এক বছরের বেশি সময়ও হাসপাতালে আয়েশি সময় কাটিয়েছেন। শেষ দফায় গত ১১ এপ্রিল তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। তাকে ফেরত দিতে এরই মধ্যে তিন দফা চিঠি দেওয়া হয়েছে। কারা নথিতে দেখা গেছে, ২০১২ সালে গ্রেফতার হওয়ার পর রোগী হিসেবে বেশির ভাগ সময় রফিকুল আমীন বারডেম ও বিএসএমএমইউ হাসপাতালে থেকেছেন।

 

তিনি সর্বোচ্চ টানা ১ বছর ৪ মাস হাসপাতালে থেকেছেন। তখন তাকে ফেরত নিতে ২৭ বার চিঠি পাঠানোর বিষয়টি ফাঁস হলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ওই সময় তাকে কারাগারে ফেরত পাঠাতে বাধ্য হয়েছিল বিএসএমএমইউ। কিন্তু বেশিদিন কারাভ্যন্তরে থাকেননি তিনি। আবার ফিরেছেন বিএসএমএমইউতে। তবে তিনি অসুস্থ বলে দাবি করেছেন তার স্বজন ও কারাগারের চিকিৎসকরা।

 

এদিকে অস্ট্রেলিয়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষিকা জয়ন্তী রেজা হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি আজম রেজাসহ ২০ থেকে ৩০ জন বন্দি সুযোগ পেলেই নানা ছুতোয় সব সময়ই বিভিন্ন হাসপাতালে কাটান বলে কারা নথিতেই তথ্য রয়েছে।

 

আইনবিদ ড. শাহদীন মালিক যুগান্তরকে বলেন, এই বেআইনি সুযোগ-সুবিধা থেকে স্পষ্ট, এরা অপরাধ জগতের ক্ষমতাধর ব্যক্তি। এদের প্রচুর অর্থবিত্ত আছে। কাদের সুপারিশে দীর্ঘ সময় ধরে তারা হাসপাতালে থাকছেন, তা-ও দেখা উচিত। যারা কারাগারে যাচ্ছেন বা আছেন, তাদের চিকিৎসাসেবা পেতে অনেক ক্ষেত্রে আদালতের আদেশ লাগছে। এসব বন্ধে কারাগারের অভ্যন্তরীণ দুর্নীতির অনুসন্ধান করা উচিত।

 

::অনলাইন নিউজ::

Dainik Biswa

অভয়নগরে গরীবের একমাত্র ভরসা কেন্দ্র আলমদিনা হাসপাতাল

 

 

হোসেন্দী ইউ.পি নির্বাচনে তারুণ্যদীপ্ত হেভিওয়েট চেয়ারম্যান প্রার্থী তানভীর হক

 

হোসেন্দী ইউ.পি নির্বাচনে তারুণ্যদীপ্ত প্রার্থী আশা করে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচসে। গুঞ্জন রয়েছে সারা দেশের ন্যায় মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় শীঘ্রই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তাই এ নিয়ে উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ ভোটারদের মাঝে উৎসাহ উদ্দীপনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া ।

 

হোসেন্দী এলাকার সাধারন মানুষদের নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষে হোসেন্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আশা ব্যাক্ত করেন তানভীর হক তুরিন। তিনি গজারিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিশিষ্ট শিল্পপতি সমাজ সেবক আলহাজ্ব মমিনুল হক টিটুর প্রথম পুত্র।

 

তিনি নেয়ামত শুকরিয়া হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক, সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগের তারুণ্যদীপ্ত জনপ্রিয় হেভিওয়েট নেতা তানভীর হক তুরিন। এ বিষয়ে তানভীর হক তুরিন বলেন, বঙ্গবন্ধু আর্দশ লালিত একটি রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে উঠায়, সাধারন মানুষ আমার পরম আত্মীয়।

 

ছাত্র জীবন থেকেই আমি আমার পরিবার থেকে শিক্ষা নিয়ে সমাজে সেবামূলক কাজে সাথে সক্রিয় আছি। সর্বদাই সেবার ব্রত নিয়ে সাধারন মানুষের পাশে আছি। তাই এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠি। তিনি আরও বলেন হোসেন্দী ইউনিয়ন পরিষদের সাধারন জনগণ আমাকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার জন্য তাগিদ দিয়ে আসছে। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন। আমি যেন এই ব্রত পালনে সফল হতে পারি।

 

এ দিকে এলাকাটির সাধারন জনগন বলছেন তানভীর হক তুরিন এই এলাকায় শুধু নাম নয় সে এলাকার আওয়ামী রাজনৈতিক ব্রান্ড আসন্ন নির্বাচনে যিনি ট্রাম কার্ড চমক দেখাবে। তারা আশা নিয়ে বলেন জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমাদের অনুরোধ। হোসেন্দী ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক দিয়ে মূল্যায়ন করতে হবে তাকে।

 

তানভীর হক তুরিন এক পরিচ্ছন্ন সৎ মেধাবী পরিশ্রমি তারুণ্য দীপ্ত নেতা। তিনি আমাদের সাধারন মানুষের কন্ঠস্বর, গজারিয়া উপজেলার পরীক্ষিত আওয়ামী রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য তানভীর হক তুরিন। অপর দিকে খোঁজ নিয়ে জানা যায় তানভীর হক তুরিন ইতিমধ্যেই এলাকার সব শ্রেনী পেশার সাধারন মানুষদের তাদের অধিকার আদায়ে সংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ করেছে।

 

এলাকায় আওয়ামী লীগ সহ সহযোগী অঙ্গসংগঠন গুলোকে শক্তিশালী ও বেগবান করে তুলেছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক বোদ্ধারা বলছেন হোসেন্দী ইউনিয়নে পরবর্তি চেয়ারম্যান হিসেবে প্রবল সম্ভবনা ও যোগ্যতা রয়েছে আওয়ামী আইডল খ্যাত চমকপ্রদ তরুন নেতা তানভীর হক তুরিনের।

 

//সৈয়দ মোঃ শাকিল, মুন্সীগঞ্জ//

Dainik Biswa

রূপসায় সংসদ সদস‍্য সালাম মূশের্দীর প্রতিনিধিদের বিবৃতি

 

 

মাগুরায় ক্লু লেস বস্তাবন্দি লাশের হত্যাকারী আটক

 

মাগুরায় ক্লু-লেস বস্তাবন্দি লাশের হত্যাকারী আটক এবং নিখোঁজ থাকা পা ও মাথা উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ।  চাঞ্চল্যকর আজিজুর খুনের আটককৃত আসামির নাম আশরাফ, মাগুরা সদরের চাউলিয়া ইউনিয়নের মালিকগ্রামে তার বাড়ি।তাকে আজ যশোরের শার্শা থেকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

 

তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি অনুযায়ী মাগুরা সদরের ঘোড়ানাছ এলাকার,জগদল বি এন পির মোড় নামক এলাকার একটি কালভার্টের ভিতর থেকে নিহতের নিখোঁজ থাকা একটি পা উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং মাথা উদ্ধার করেছে পার্শ্ববর্তী একটি পাটক্ষেত থেকে।আটক আশরাফ মাগুরা সদরের পারলা বেলতলা নামক এলাকায় ঔষুধের ব্যবসা করতেন।

ধারণা করা হচ্ছে ব্যবসায়িক লেনদেনের কারনে এই জঘন্য হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে।

//সুজন মাহমুদ, জেলা প্রতিনিধি মাগুরা//

Dainik Biswa

রাস্তা নির্মাণের আড়ালে কোটি টাকার অর্থ-বাণিজ্য