নড়াইলে গাঁজাসহ মাদক ব্যাবসায়ী আটক

 

নড়াইল সদর থানার পৌরসভাস্ত ভওয়াখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ রাজু আহম্মেদ (২২) নামে এক গাঁজা ব্যাবসায়ীকে আটক করেছে নড়াইল ডিবি পুলিশের একটি চৌকষ দল। ১৮ মে (মঙ্গলবার) দুপুরে ৪ শত গ্রাম গাঁজাসহ তাকে আটক করা হয়।আটকটকৃত রাজু চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবন নগর থানার কাশিপুর গ্রামের আরশেদ মন্ডলের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নড়াইল পুলিশ সুপারের নির্দেশে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই দিন দুপুরে এস,আই, দেবব্রত চিন্তাপাত্র ও এএসআই সেলিমুজ্জামানের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি দল পৌরসভার ভওয়াখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাজুকে ৪ শত গ্রাম গাঁজা সহ হাতে নাতে আটক করে।
এ ব্যাপারে জেলা গোয়েন্দ (ডিবি) পুলিশের এসআই দেবব্রত চিন্তাপাত্র বলেন, আটকটকৃত রাজুকে নড়াইল সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং নিয়মিত মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মোঃ খাইরুল ইসলাম চৌধুরীঃ

 

 

জাপা নেতা মতিউর রহমানের মৃত্যুতে হুইপ মিসবাহ উদ্দিনের শোক

 

 

জগন্নাথপুর পৌরশহরের ইকড়ছই গ্রামের বাসিন্দা বিশিষ্ট সমাজ সেবক, সালিশি ব্যক্তিত্ব ও উপজেলা জাতীয় পার্টির সহ সভাপতি মোঃ মতিউর রহমান (৬৫) ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

রোববার দিবাগত রাত ১২ টা ১০ মিনিটের সময় সিলেট নগরীর একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, সন্তান সহ অসংখ্যা আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে যান। সোমবার বাদ যোহর মরহুমের দাফন সম্পন্ন হয়।

 

জগন্নাথপুরে জাপা নেতা মতিউর রহমানের মৃত্যুতে হুইপ মিসবাহ সহ জাপা নেতাদের শোক

এর আগে ইকড়ছই মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে তিনির জানাযা সম্পন্ন হয়। জানাযায় রাজনৈতিক, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক সহ বিভিন্ন শ্রেণী- পেশার মানুষ অংশ নেন।

এদিকে, জগন্নাথপুর উপজেলা জাতীয় পার্টির সহ সভাপতি মোঃ মতিউর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন সুনামগঞ্জ ৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিরোধী দলীয় হুইপ এবং জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক এ্যাড: পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ্, জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আনম ওহিদ কনা মিয়া, কেন্দিয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফয়জুর রহমান চৌধুরী শাহীন, জেলার যুগ্ম আহবায়ক ও সুনামগঞ্জ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আলী খুশনুর, জেলা জাতীয় পার্টি নেতা সাবেক ভিপি সাইফুর রহমান সামছু, জেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব মনির উদ্দিন মনির, যুক্তরাজ্য জাতীয় পার্টির সহ সভাপতি সাজ্জাদুর রহমান ভূইয়া পাভেল, যুক্তরাজ্যের লন্ডনস্থ জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহ্ সাহেদুর রহমান সাহিদ, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক সজ্জাদুর রহমান সাজু,
জেলা জাতীয় পার্টি নেতা এড: নাজমুল হুদা হিমেল, জগন্নাথপুর উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মোঃ খলিলুর রহমান, সহ- সভাপতি মোঃ নুরুল ইসলাম মাষ্টার, সহ সভাপতি মোঃ দিলু মিয়া, মোঃ মোফাজ্জল খান, প্রবীন নেতা আতাউর রহমান আলতাব, উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারন সম্পাদক ও জগন্নাথপুর প্রেসক্লাব সভাপতি জহিরুল ইসলাম লাল মিয়া, জাতীয় পার্টি নেতা আব্দুল মনাফ, উপজেলা জাতীয় পার্টি নেতা মাহমদ আলী, সৈয়দ ছালিক মিয়া, এরশাদ মিয়া,আব্দুল কাহার, দুদু মিয়া, কাবুল চৌধুরী, আব্দুস শহীদ, ফিরোজ রানা, আবদাল মিয়া, আব্দুর রহমান, ছুরাব আলী, আরব আলী, বাদশা মিয়া, আখলিছ আলী, উপজেলা জাতীয় যুব সংহতির আহবায়ক আলী আফছার, সদস্য সচিব মোঃ রফিক উদ্দিন, আমীর আলী ও রনি মিয়া প্রমূখ।
নেতৃবৃন্দ জাতীয় পার্টি নেতা মতিউর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোকাহত পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, তিনি ছিলেন জাতীয় পার্টির একজন পরিক্ষিত ও ত্যাগী নেতা।
এরশাদ প্রেমিক হিসাবে পার্টির জন্য আজীবন কাজ করে গেছেন।
এ শুন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।

মোঃ রনি মিয়া জগন্নাথপুর প্রতিনিধি :

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

জগন্নাথপুরে সোনালী ব্যাংকে চালান না নেওয়ায় জমি রেজিষ্ট্রারী ব্যাহত

 

জগন্নাথপুরে সোনালী ব্যাংকে চালান না নেওয়ায় জমি রেজিষ্ট্রারী ব্যাহত

 

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর সোনালী ব্যাংক ব্যাবস্থাপকের বিরুদ্ধে দায়ীত্বে অবহেলা ও শৃংখলা পরিপন্থির অভিযোগ উটেছে। আইনের প্রতি তোয়াক্কা না করে তিনি অফিস স্টাফ সংকটের অজুহাতে ব্যাংক চালান না নেওয়ায় জগন্নাথপুর সাবরেজিস্টার অফিসে আসা জমি ক্রেতা- বিক্রেতা অনেকেই বাড়িতে ফিরে গেছেন।
ফলে ভোগান্তির শিকার হয়ে ব্যাংকের ব্যাবস্থাপক সহ সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বে অবহেলা ও শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ভুক্তভোগী জনসাধারণ।

ভুক্তভোগী মমশ্বর আলী, আজাদ মিয়া, এখলাছুর রহমান সহ অনেকেই জানান, বর্হিবিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশে মহামারি করোনার কারণে দীর্ঘদিন ধরে জগন্নাথপুর সাবরেজিস্টার অফিসে দলিল রেজিস্ট্রার না হওয়ায় আমরা জমি বিক্রয় ও রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য অপেক্ষার প্রহর গুনছিলেন।

জগন্নাথপুর সাবরেজিস্টার অফিসে সপ্তাহে রোববার ও সোমবার রেজিষ্ট্রি হয়ে থাকে।
কিন্তু সরকারী অধ্যাদেশ অনুযায়ী অফিস যথারিতি খোলা থাকলেও ব্যাংকে স্টাফ নেই বলে বেঁকে বসেন জগন্নাথপুর সোনালী ব্যাংক ব্যবস্থাপক আল আমিন রাসেল।
তিনি অফিসের স্টাফ ছু্টি থেকে আসেনি বলে সবাইকে ফিরিয়ে দেন।
ফলে সরকারের বড় অংকের রাজস্বে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়।

এদিকে ব্যাংক ব্যাবস্থাপক আল আমিন রাসেল যোগদানের পর থেকে নানা অনিয়ম কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েন।

ইতোপূর্বে তার বিরুদ্ধে স্থানীয় পত্রপত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রকাশিত হলেও অদৃশ্য খুঁটির জোরে তা চাপা পড়ে যায়।

জগন্নাথপুর সাবরেজিস্টার অফিসের প্রধান অফিস সহকারী মোঃ আব্দুর রহিম বলেন অফিস খোলা থাকায় সাব-রেজিস্ট্রার (স্যার) এসেছিলেন। সোনালী ব্যাংকে চালান না নেয়ায় দলিল রেজিস্ট্রার করা সম্ভব হয়নি।

আগামী সপ্তাহ ছাড়া দলিল আর হচ্ছেনা।
বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি জগন্নাথপুর উপজেলা শাখার সভাপতি বশির আহমদ বলেন ম্যানেজার সাহেবকে ( আল আমিন রাসেল) আমি অনুরোধ করলেও তিনি আমাকে জানান ব্যাংকের দায়িত্বশীল কেউ ছুটি থেকে আসেনি বলে ব্যাংক চালান রাখতে পারবেন না।

ব্যাংক চালান না নেয়ায় দলিল রেজিস্ট্রারে আমাদের কিছু করা নেই।

 

এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর সোনালী ব্যাংক ব্যাবস্থাপক আল আমিন রাসেলের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মুঠোফোনে রাত ৯ টায় যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সরকারি মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

 

মোঃ রনি মিয়া, জগন্নাথপুর প্রতিনিধি :

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

পটুয়াখালী রাঙ্গাবালীতে চাঞ্চল্যকর মনির হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন আটক-১

 

নড়াইলের লোহাগড়ায় ১ কেজি ৬০০ গ্রাম গাজাসহ সেতু আটক

 

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের ভাটগাতি গ্রামের জিন্নাত শেখের বাড়ির পাশ থেকে গাজা সহ নড়াইল ডিবি পুলিশ আটক করেছে সেরগুল ইসলাম সেতুকে।

পুলিশ সুত্র জানায় নড়াইল পুলিশ সুপার নির্দেশে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল সোমবার ১৭ মে দুপুরে এস,আই, দেবব্রত চিন্তা পাত্র ও এএসআই সেলিমুজ্জামানের নেতৃত্বে একদল ডিবি পুলিশ নিয়ে ভাটগাতি গ্রামের জিন্নাত শেখের বাড়ির পাশে অভিযান চালিয়ে বুড়িখালী গ্রামের মিজান মোল্যার ছেলে সেরগুল ইসলাম সেতু –(৩৬) কে ০১ কেজি ছয় শত গ্রাম গাজা সহ হাতে নাতে আটক করেন।

 

আরো জানা যায় সেতু দীর্ঘ দিন ধরে মাদক ব্যাবসায় জড়িত । এলাকায় তার একটি বড় মাদক ব্যবসায়ের সিন্ডিকেট আছে। সে রাজমিস্তির লেবাজ ধরে অতি সংগোপনে মাদক ব্যবসা চালাত। এলাকায় সেরগুল গাজা রাজা হিসাবে পরিচিত। পুলিশ আরও জানান দীর্ঘ দিন ধরে সেরগুল মাদক ব্যবসা করে আসছিল।

এ ব্যাপারে লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ আসিকুর রহমানের সংগে কথা হলে তিনি ঘটনা সত্যতা স্বীকার করে বলেন সেরগুল ইসলাম সেতুর নামে লোহাগড়া থানায় মাদক মামলা প্রক্রিয়াধীন। আইনের সকল কার্যক্রম শেষ করে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে।

মোঃ খাইরুল ইসলাম চৌধুরী, নড়াইল

 

 

 

নড়াইলে অচেনা শত্রুর বিষে মরেগেল পুকুরের মাছ

 

অজানা শত্রুতার বিষে মরলো মাছ
নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় মো.মাহমুদ নামে এক কৃষি খামারির পুকুরে রবিবার (১৬ মে) রাতের আঁধারে বিষ দিয়ে মাছ নিধন করেছে দুর্বৃত্তরা।

এতে ১৫ হাজার টাকার মাছ মরে গেছে বলে তিনি দাবি করেন। উপজেলার খাশিয়াল ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পাকুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী মাহমুদ নড়াগাতি থানায় সাধারন ডায়েরি করেছেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে নড়াগাতি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাজিমুদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

মাহমুদ জানান, আমি সরকারি প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজ জায়গা জমিতে মাছ, মুরগী ও গরু লালন পালন করে থাকি।
তিনি আরো জানান, আমি সরকারি নিবন্ধনকৃত মধুমতি মৎস সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। এই নিয়ে কিছুদিন যাবত আমার বাড়ির পাশের কিছু লোকজন আমার সাথে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করে বিভিন্ন সময়ে আমার ক্ষতি করার চেষ্টা করে থাকে।
সবশেষ আজ সকালে ঘুম থেকে উঠে পুকুর পাড়ে গিয়ে দেখি সব মাছ মরে ভেসে আছে।
মাহমুদের দাবি, বিষ প্রয়োগে তার পুকুরের ১৫হাজার টাকার মাছ মেরে ফেলা হয়েছে।

নড়াগাতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুখসানা খাতুন জানান, এ ঘটনায় অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মোঃ খাইরুল ইসলাম চৌধুরীঃ

 

 

 

রেড ভলেন্টিয়ার্স – ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে গঠিত স্বেচ্ছাসেবি যুবকদের নাম রেড ভলেন্টিয়ার

ভারতের পশ্চিম বঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয় ২ মে।ফলাফলে দেখা যায় ধর্মীয় মেরুকরণের রাজনীতি থেকে পশ্চিম বঙ্গকে রক্ষা করার জন্য গঠিত বামদল, কংগ্রেস, ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট সমার্থিত সংযুক্ত মোর্চা একটি আসন পেয়েছে।

কিন্তু দীর্ঘ ৩৪ বছর শাসন ক্ষমতায় থাকা বাম সংগঠন পেয়েছে শূন্য আসন যা ছিল কল্পনাতীত। দল একটি আসনও পাইনি তারপরওবিজয়ীদল তৃণমূল কংগ্রেস তাদের নেতাকর্মী,সমার্থকদের বাড়িঘর,ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভাংচুর করছে, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করছে ও পার্টির অফিস ভেঙে চুরমার করছে।সরকার দলীয় সংগঠনের এধররণের অমানবিক আচারণ দেখে মনে হয়েছে বিজেপি তাদের প্রতিপক্ষ নয় বামসংগঠনই যেন তাদের প্রতিপক্ষ।

 

বাম সংগঠনগুলোর অবস্থা যখন করোনা রোগীর মতো দিনকে দিন অক্সিজেন লেবেল কমতে কমতে মৃত্যু পথযাত্রী,বাঁচার আশা বা রাজনৈতিক অঙ্গনে টিকে থাকার কোন সমূহ সম্ভাবনা নেই বললেও ভুল হবে না, এমনকি বামদলের সকল রাজনৈতিক নেতাকর্মী যখন শোকের অথৈই সাগরে ভাসছে তখনো কিছু কর্মী সমার্থক গতবছর করোনাকালীন সময়ে প্রতিষ্ঠিত শ্রমজীবি ক্যান্টিনে খাবার রান্না করে গরীব অসহায় ও করোনা রোগীদের বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছে, রাত বিরাতে অক্সিজেন পৌঁছে দিচ্ছে, অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি, আইসিইউ এর ব্যবস্থা,ওষুধের ব্যবস্থা করে দিচ্ছে,এমনি কি কোন রোগী মারা গেলে দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করে দিচ্ছে।

 

সেখানে না আছে কোন জাতি- ধর্ম- বর্ণ, না আছে কোন রাজনৈতিক পরিচয় । তাদের এই সেবা বিদেশে অবস্থানরত লোকজন তাদের বাড়ির মা- বাবাদের চিকিৎসা, ওষুধসহ সার্বিক সহযোগিতার জন্য নিচ্ছে এবং তারাও নির্দ্বিধায় ছুটে যাচ্ছে সহযোগিতার জন্য। দিনরাত ছুটে চলা এই যুবদের নাম রেড ভলেন্টিয়ার।

গত বছর ভারতে করোনার প্রার্দুভাব শুরু হলে স্বল্প পরিসরে বিভিন্ন জেলায় শুরু হলেও এবার সমগ্র পশ্চিম বঙ্গের শহর থেকে গ্রামে বিস্তৃত হয়েছে এই রেড ভলেন্টিয়ারদের সেবার পরিধি।গতবছর যে রেড ভলেন্টিয়ার ছিল কয়েক হাজার এবছর এই রেড ভলেন্টিয়ারদের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৮৩ হাজারের মতো। তারা তাদের মোবাইল নম্বর ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে দেওয়ালে লিখে টানিয়েছে, ফেসবুক ও বিভিন্ন গ্রুপে দিয়ে দিয়েছে এবং তারা একটা ফেসবুক পেজও খুলেছে যেখানে রেডভলেন্টিয়ারদের নাম,মোবাইল নম্বরসহ যাবতীয় তথ্য দেওয়া আছে।যদি কারো কোন সেবার প্রয়োজন হয় তাহলে মোবাইলে কল করার সাথে সাথে রকেটের গতিতে গিয়ে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান করছে।

যখন সমগ্র বিশ্ব জাতি-ধর্ম- বর্ণ,সম্প্রদায়িক গোষ্ঠী দ্বদ্ধে দিশেহারা, পৃথিবীর অপরূপ সুন্দর নীল আকাশ যখন রকেট লাউঞ্জের কালো ধোঁয়ায় ঢেকে ফেলেছে তখন সেই কালো ও বিষাক্ত ধোঁয়ার বুক চিরে সূর্যের রক্তিম আভা হয়ে গ্রাম থেকে শহর, শহর থেকে দূরে, বহুদূরে,সেই বিদেশ বিভুইয়ে অবস্থানরত রেমিট্যান্স যোদ্ধার হৃদয় পর্যন্ত স্পর্শ করা অগ্নিগিরির অগ্নিগর্ভ থেকে বের হয়ে আসা ভালবাসার নাম রেড ভলেন্টিয়ার।

করোনার এই বৈশ্বিক সুনামির আঘাতে সমগ্র মানব সভ্যতা যখন দিশেহারা হয়ে দ্বিকবিদিক ছুটছে টীকা,অক্সিজেন, হাসপাতাল- ক্লিনিকের বেড ও আইসিইউ- এর জন্য,এমনই এক ক্রান্তিকালে সীমিত সাধ্যের মধ্যে বৃহৎ সেবা দেওয়ার মনমানসিকতা নিয়ে এগিয়ে যাবার মতো লোক ক’জনই বা আছে?আজ যেখানে ঘরেঘরে, পাড়ায়পাড়ায় গোষ্ঠীদ্বদ্বে দিশেহারা, ব্যক্তি স্বার্থের কাছে সামগ্রিক স্বার্থ যেখানে তুচ্ছ তেমনিই এক সংকটকালীন সময়ে যারা নিজেদের মৃত্যু ভয় উপেক্ষা করে মানুষকে বাঁচিয়ে তোলার আপ্রাণ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে- সেখানে না আছে জাতি, ধর্ম,বর্ণ, না আছে কোনো রাজনৈতিক রং। তাদের পরিচয় রেড ভলেন্টিয়ার।

এই স্বেচ্ছাসেবকরা তোমার আমার মতো কতশত বাবা- মা- সন্তানের প্রাণ বাঁচিয়ে তুলছে অসীমমায়া মমতা ও ভালবাসা দিয়ে।তাদের একটাই পরিচয় তারা মানুষ।তাদের দেখানো পথ অনুসরন করে যদি আমাদের বাংলাদেশের প্রতিটি পাড়ায়,মহলায় এই ধরনের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গড়ে তোলা যায় তবে ইদের পরে হতে যাওয়া করোনার তৃতীয় সুনামি থেকে অনেকটাই নিজেদের রক্ষা করার পথ প্রশস্থ হবে।

// স্বীকৃতি বিশ্বাস, যশোর //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব….

ভারতে করোনা বৃদ্ধির জন্য দায়ী কে…

 

 

খুলনার সিটি মেয়র নিম্ন আয়ের শ্রমজীবীদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন

 

খুলনার সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক এর সভাপতিত্বে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে নগরীর ২৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয় চত্ত্বরে চারশত ২৮ জন করোনায় কর্মহীন অসহায়, দুস্থ ও নিম্ন আয়ের শ্রমজীবীদের মাঝে মঙ্গলবার সকালে সাত কেজি করে চাল এবং নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।

এসময় মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফকির মোঃ সাইফুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান চৌধুরী রায়হান ফরিদ, যুবলীগের আহবায়ক সফিকুর রহমান পলাশ, ড. সাইদুর রহমান, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই পলাশ, সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট শামীম মোশারফ, মোঃ ইলিয়াস হোসেন লাবুসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মেয়র নগরীর ২১, ২৩, ২৪, ২৭, ২৮, ৩০ ও ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের প্রতিটি ওয়ার্ডে নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী চারশত ২৮ জন করে মোট দুই হাজার নয়শত ৯৬ জনের মাঝে সাত কেজি করে চাল এবং নগদ অর্থ বিতরণ করেন। এছাড়া তিনি প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় আটটি ওয়ার্ডের আটশত শিশুর মাঝে পুষ্টিকর খাদ্য বিতরণ করেন। পুষ্টিকর খাদ্যের মধ্যে ছিলো মাথাপিছু ৩০টি ডিম, চিনি ৫০০ গ্রাম, দুধ ৫০০ গ্রাম ও সুজি ৫০০ গ্রাম।

এছাড়া সিটি মেয়র নগরীর তালতলা উদয়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্ত্বরে দুইশত ৫০ জন অসহায়, দুস্থ ও নিম্ন আয়ের শ্রমজীবীদের মাঝে সাত কেজি করে চাল এবং নগদ অর্থ বিতরণ করেন। একই সাথে তিনি প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় একশত শিশুর মাঝে পুষ্টিকর খাদ্য বিতরণ করেন। তিনি ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে দুস্থদের মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণ করেন।

 

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব….. 

রূপসা ….

 

চট্টগ্রামে করোনায় ৮ জনের মৃত্যু, নতুন সনাক্ত ৭৪

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত- হয়ে চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নতুন ভাবে করোনায় আক্রান্ত- হয়েছেন ৭৪ জন। এ নিয়ে চট্টগ্রামে করোনায় মৃত্যুবরণকারীর সংখ্যা দঁাড়ালো ৫৫৫ জনে। এ পর্যন্ত- চট্টগ্রামে মোট করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ৫১ হাজার ৯৩ জন। আজ (রবিবার) সকালে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের ৬ টি  ল্যাবে ১ হাজার ১৯৭ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে ৭৪ জনের দেহে করোনার সংক্রমণের সনাক্ত হয়েছে। তৎমধ্যে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রফিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে ৩৮৫ টি নমুনা পরীক্ষা করে ২২ জন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ( চমেক) হাসপাতাল ল্যাবে ২৪২ টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৯ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস সনাক্ত হয়েছে।
তা ছাড়া শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ৫০৬ টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৪ জন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ১২ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪ জন, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল (আরটিআরএল) ল্যাবে ৩৭ টি নমুনা পরীক্ষা করে ১২ জন, চট্টগ্রাম মেডিকেল সেন্টার হাসপাতাল ল্যাবে ১১ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩ জনের দেহে করোনা সনাক্ত হয়েছে। এ দিকে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ৪ টি নমুনা পরীক্ষা করা হলেও কারো শরীরে করোনা মেলেনি।
অন্য দিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ল্যাব, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারী এন্ড এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যার ও ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় কোন নমুনা পরীক্ষা করা হয় নি।
চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ১ হাজার ১৫৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৭৪ জনের করোনা সনাক্ত হয়েছে। উক্ত সময়ে ৮ জন করোনায় আক্রান্ত- ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেছেন। নতুন আক্রান্-দের মধ্যে নগরের ৫৫ জন এবং উপজেলার ১৯ জন।
আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো :

নৌকায় বসবাসরত বেদে পরিবারে ইদ উপহার বিতরণ

 

বেদে/ বাদিয়া/ বাইদা বাংলাদেশের একটি যাযাবর জনগোষ্ঠী। এরা সাধারণত নৌকায় বসবাস করে এবং নৌকায় করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় অস্থায়ীভাবে বসবাস করে।বেদে বাংলাদেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর জনসংখ্যার একটি অংশ। বাংলাদেশের বিক্রমপুরের বিয়ানিয়া,নারায়ণগঞ্জের চারার ঘোপ,কুমিল্লার আমিরাবাদ, ঢাকার সাভার,লাকসাম, চাপাইনবাবগঞ্জ, যশোরসহ আরও কয়েকটি জায়গায় এদের দেখতে পাওয়া যায়।সমাজসেবা অধিদপ্তরের জরীপমতে ৭৫৭০২ জন বেদে জনগোষ্ঠী রয়েছে। এরা ৮ টি গোত্রে বিভক্ত। এদের শতকরা ৯৯ ভাগ মুসলিম ও ৯০ ভাগই নিরক্ষর।

 

বেদে সম্প্রদায়ের স্থায়ী কোন ঠিকানা না থাকায় বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় আনা দুরূহ।ফলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন থেকে একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠী সুযোগ সুবিধা থেকে সব সময় বঞ্চিতই থেকে যায়।কিন্তু তারপরও কুমিল্লা জেলা পুলিশ বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে দাউদকান্দির গোমতী নদের জলের উপর ভাসমান প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং সমাজের সবচেয়ে বঞ্চিত,অবহেলিত যাযাবর বেদেদের জীবনের দুঃখ- দূর্দষার ভাগ নিতে ছুটে এসেছেন।

আর তাই আসন্ন পবিত্র ইদ- উল- ফিতর উপলক্ষে ইদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া প্রত্যয় নিয়ে গোমতী নদের চরে বসবাসরত ২৮ টি বেদে পরিবারের মধ্যে ইদের উপহার হিসাবে শাড়ী,লুঙ্গি, পোলায়ের চাল, লাচ্ছা সেমাই,দুধ, চিনি, কিসমিস, মশলা, তেল,আটা, লবণ, আলু, পেয়াজ, রসুন, সাবান ও মাস্ক বিতরণ করেন কুমিল্লা জেলা পুলিশ।

পাশাপাশি যথাযথ কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে ভাসমান বেদেদের যাযাবর জীবন থেকে স্থায়ীভাবে বসবাসের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করবে কুমিল্লা জেলা পুলিশ যা সত্যি প্রশংসনীয়।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

 

 

নোয়াখালী সুবর্ণচরে সন্ত্রাসী হামলা মা-মেয়ের জীবন সংকটাপন্ন

 

নোয়াখালী সুবর্ণচরে সন্ত্রাসী হামলায় একই পরিবারের মা-মেয়ে সহ ৪ জন গুরুতর আহত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সুবর্ণচর উপজেলার ২নং চরবাটা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের কসাইন্না মাষ্টার বাড়ীতে ঘটনাটি ঘটে।

 

নোয়াখালী সুবর্ণচরে সন্ত্রাসী হামলা মা-মেয়ের জীবন সংকটাপন্ন

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আছিয়া বেগম জোসনা তার বাড়ির জায়গায় পাকাঘর নির্মাণ করতে গেলে একই বাড়ির বাসিন্দা কথিত নাতিগ্রুপের সদস্য জাকারিয়া স্বপন ওরফে সাগরিকা স্বপন (৪৫) ও তার ছোট ভাই ইয়াহিয়া শাওন (৪০) এবং তার ভগ্নিপতি মাঈন উদ্দিন ও মামুনুর রশিদসহ সংঘবদ্ধ হয়ে নির্মানাধীন ঘরের ইট তুলে ফেলে দেয়। এ সময় আছিয়া বেগম জোসনা বাধা দিলে চাইলে নাতিগ্রুপের সদস্য স্বপন তার মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করলে সাথে সাথে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন তিনি।মায়ের এ অবস্থা দেখে তার কলেজ পডুয়া বড় মেয়ে তাহমিনা ইয়াসমিন মিথিলা (২২), ছোট মেয়ে সানজিদা ইয়াসমিন নাবিলা (২০) ও হাই স্কুলে পডুয়া একমাত্র ছেলে মেহেরাব হোসেন আলিফ (১৬) মাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা তাদের এলোপাতাড়ি ভাবে আঘাত করতে থাকে। তাদের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা স্থান ত্যাগ করে।
পরে আত্বীয় স্বজন ও প্রতিবেশীরা আহতদেরকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল ভর্তি করেন। আহতদের মধ্যে মা আছিয়া বেগম জোসনা ও বড় মেয়ে তাহমিনা ইয়াসমিন মিথিলার অবস্থা আশংকা জনক বলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা অবহিত করেন।

 

চরজব্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়াউল হক খোন্দকারের কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে বলেন, ঘটনাটি শোনার পর চরজব্বার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এ বিষয়ে এখনো লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি।এসময় তিনি আরো জানান অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

মোহাম্মদ উল্যাহ ভূঁইয়া,   নোয়াখালী।

পড়ুন দৈনিক  বিশ্ব

চন্দনাইশে রংধনু সংগঠন…..