ফকিরহাটে ডিবির অভিযানে ৮ কেজি গাঁজাসহ আটক- ২

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি||

 বাগেরহাটের ফকিরহাটে ৮ কেজি গাঁজসহ মোজাহিদ গাজী (২৯) ও মো. তুহিন শেখ (৩৫) নামে ২ মাদক কারবারিকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ। ৫ ফেব্রুয়ারি সোমবার ভোরে ফকিরহাট থানার টাউন নওয়াপাড়া মোড় থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটক মোজাহিদ খুলনার দাকোপ থানার সুতারখালী গ্রামের শহীদ গাজীর ছেলে ও তুহিন শেখ বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার টেংরাখালী গ্রামের আব্দুল হালিম শেখের ছেলে।

বাগেরহাট জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক স্বপন কুমার রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদে জানতে পারি ফকিরহাট থানার টাউন নওয়াপাড়ার মোড় থেকে মাদকের একটি বড় চালান হাত বদল হবে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে সাদা পোশাকে ওই এলাকায় অকস্থান করি। এসময় দুই যুবক মাদক দ্রব্য গাঁজা হাত বদলের চেষ্টা করলে হাতেনাতে তাদের আটক করা হয়।

তিনি আরও বলেন, আটকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে সংশ্লিষ্ট থানায় তাদের হস্তান্তর করা হয়েছে।

রামপালে র‍্যাবের অভিযানে অস্ত্রসহ আটক-১

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি||

বাগেরহাটের রামপালে ভাগা বাজারের কামাল ফিলিং স্টেশনের সামনে খুলনার র‍্যাব-৬ এর সদস্যরা অভিযান চালিয়ে সোলাইমান মোল্লা (৪৪) নামের একজনকে অবৈধ অস্ত্রসহ গ্রেফতর করেছে।

এ ঘটনায় র‍্যাব-৬ এর হাবিলদার মো. আ. মান্নান হাওলাদার রামপাল থানায় অস্ত্র আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

এজাহার সূত্রে জানাযায়, গত শুক্রবার (০২ ফেব্রুয়ারি )রাত সোয়া ৯ টায় উপজেলার ভাগা এলাকায় কামাল ফিলিং স্টেশনের কাছে র‍্যাব সদস‍্যরা অভিযান পরিচালনা করে রামপাল উপজেলার চিত্রা গ্রামের দাউদ মোল্লার ছেলে সোলাইমান মোল্লাকে একটি ওয়ান শুটারগানসহ হাতেনাতে আটক করে। তার কাছ থেকে দুইটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।

আটক সোলাইমানকে শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০ টায় বাগেরহাটের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে রামপাল থানার অফিসার ইনচার্জ সোমেন দাশ বিষয়টি নিশ্চিৎ করে বলেন, আসামি সোলাইমান কে বাগেরহাট বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

১২ কেজি গাঁজাসহ মোল্লাহাটে এক কারবারি আটক

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি||

  বাগেরহাটের মোল্লাহাটে ১২ কেজি গাঁজাসহ মো:আকাশ খান (২২) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারী)বিকালে বাগেরহাট জেলার মোল্লাহাট থানার গারফা এলাকার মেসার্স মা ফিলিং স্টেশনের বিপরীত পাশে শিকদার প্লাজা নামক মার্কেটের সামনে থেকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতার আকাশ খান মোরেলগঞ্জ উপজেলার বারইখালী  গ্রামের সুলতান খানের ছেলে।

বাগেরহাট জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক স্বপন কুমার রায় জানান, গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে বাগেরহাট জেলার মোল্লাহাট থানার গারফা এলাকার মেসার্স মা ফিলিং স্টেশনের বিপরীত পাশে শিকদার প্লাজা নামক মার্কেটের সামনে খুলনা ঢাকা মহাসড়কের পূর্ব পাশে মাদকের একটি বড় চালান নিয়ে হাত বদলের অপেক্ষা করছে এক ব্যক্তি।এমন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে  আকাশ খানকে ১২ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার করা হয়। যাহার আনুমানিক অবৈধ বাজার মূল্য ৩ লক্ষ ৬০হাজার টাকা বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

তিনি আরো জানান, আসামী দীর্ঘদিন যাবত জেলার বিভিন্ন থানা এলাকার বিভিন্ন ছোট ছোট বাজারে অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা বিক্রি করে আসছিল। এ ব্যাপারে গ্রেফতার আকাশ খানের বিরুদ্ধে আইনী  ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীনও বলে জানান জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এ কর্মকর্তা।

রামপালে পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ কারবারি আটক

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

 বাগেরহাটের রামপাল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে সুব্রত রায় (৪৫) নামের এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে। এ ঘটনায় রামপাল থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। আটক সুব্রত কে বাগেরহাটের আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। সে রামপাল উপজেলার কাঠামারী গ্রামের মৃত নিরোধ বিহারী রায়ের ছেলে।

রামপাল থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত সোমবার (২৯ জানুয়ারি ) রামপাল উপজেলার  হুড়কা ইউনিয়নের কাঠামারী এলাকায় রামপাল থানা অফিসার ইনচার্জ সোমেন দাস এর তত্বাবধানে এস আই দীনেশ ঘোষ সংগীয় ফোর্স সহ সুব্রত রায়ের চায়ের দোকানের সামনে অভিযান পরিচালনা করেন। ঐ সময় সুব্রত রায় কে ১৫০ গ্রাম গাঁজা সহ হাতেনাতে আটক করেন।

এ বিষয়ে রামপাল থানার অফিসার ইনচার্জ সোমেন দাস এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আটক সুব্রত রায় কে বাগেরহাট বিজ্ঞআদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

মাদকের বিষয়ে আমরা কাউকে ছাড়দিবনা রামপাল থানাকে মাদক মুক্ত করতে আমরা বদ্ধ পরিকর।

ডুমুরিয়ায় দুই সন্তানকে মেরে নিজে আত্মহত্যা করলেন মা

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//

খুলনায় একটি গ্রামের বাড়ি থেকে দুই সন্তানসহ এক মায়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ শনিবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে ডুমুরিয়ার গুটুদিয়া ইউনিয়নের কমলপুর গ্রামে ঘটনা ঘটে।

মৃতরা হলো কমলপুর গ্রামের মান্নান সরদারের স্ত্রী ডলি বেগম (৩৮), তার দুই শিশু সন্তান ৬ বছর বয়সী ফাতেমা ও ৭ মাস বয়সী ওমর।

পুলিশের ধারণা পারিবারিক কলহের কারণে শনিবার সকাল ৮টা থেকে বেলা ১১টার মধ্যে কোনো এক সময় ডলি বেগম তার দুই শিশু সন্তানকে বালিশচাপা দিয়ে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যা করেছেন।

বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে ডুমুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকান্ত সাহা  বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে।  প্রকৃত ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত এখনো জানা যায়নি।

র‌্যাব ২২ আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও মাইন তৈরির সরঞ্জামসহ গ্রেফতার-৩

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

কক্সবাজারের উখিয়ার দুর্গম পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে দেশি-বিদেশি ২২টি আগ্নেয়াস্ত্র, মাইন তৈরির সরঞ্জাম, ১০০ রাউন্ড গুলি, চারটি হাতবোমাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। ।আজ বৃহস্পতিবার উখিয়ায় কুতুপালংয়ের ২০ নম্বর (এক্সটেনশন) রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরসংলগ্ন লাল পাহাড়ে এ অভিযান চালানো হয়। র্যাবের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সদস্য।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন মো. ওসমান, মো. নেছার ও ইমাম হোসেন। তাঁরা উখিয়ার বিভিন্ন রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের বাসিন্দা। র্যাব জানিয়েছে, মো. ওসমান আরসার একটি গ্রুপের কমান্ডার, বাকিরাও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন।

র্যাব-১৫–এর কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন বলেন, লাল পাহাড়ে সন্ত্রাসীদের একটি দল অবস্থান করছে খবর পেয়ে ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত র্যাবের অভিযান চলে। অভিযানের একপর্যায়ে পাহাড়ে থাকা আরসার একটি আস্তানা ঘিরে ফেলেন র্যাবের সদস্যরা। পরে ওই আস্তানা থেকে অস্ত্র, গোলাবারুদসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। তবে অভিযানের সময় কয়েকজন পালিয়ে গেছেন।

সাজ্জাদ হোসেন আরও বলেন, দলপ্রধান আতাউল্লাহর নির্দেশে আশ্রয়শিবিরে বিভিন্ন ধরনের অপরাধসহ নাশকতা চালিয়ে আসছে ১২টি ‘গান গ্রুপ’। এর একটির প্রধান (কমান্ডার) ওসমান। বাকি দুজনের মধ্যে নেছার মাইন তৈরিতে এবং ইমাম গুলি চালাতে পারদর্শী। গ্রেপ্তার তিনজনকে মামলার পর উখিয়া থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

গত এক বছরে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের আশ্রয়শিবির থেকে আরসার ৮৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।

মোল্লাহাটে ৩য় শ্রেণির শিশু ধর্ষণ ঘটনায় ধর্ষক আটক

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি||

বাগেরহাটের মোল্লাহাটে নবম শ্রেণীর ছাত্র কর্তৃক তৃতীয় শ্রেণীর শিশু ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার কুলিয়া এলাকায় মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি ) বিকেলে এঘটনা ঘটে।

 এ ঘটনায় ভিকটিমকে গুরুতর ধধজখমী অবস্থায় গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভিকটিমের নানা ও নানী সহ ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, পাশের বাড়ির ভাড়াটিয়া মোঃ আবুল কালাম ও সীমা বেগমের ছেলে সোহান (১৫) শিশুটিকে পুতুল তৈরির তেনা (ছোট কাপড়) দেয়ার কথা বলে তাদের বসত ঘরের মধ্যে নিয়ে ধর্ষণ করে।

এ ঘটনায় ভিকটিম গুরুতর জখম হওয়ায় সীমাহীন রক্তক্ষরণ শুরু হয়। মুমুর্ষ অবস্থায় ভিকটিম ফিরে আসলে প্রথমে তার নানীর চোখে পড়ে। এরপর তাকে নিয়ে দ্রুত মোল্লাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে নিকটস্থ গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

চিকিৎসকের বরাত দিয়ে তারা জানান ভিকটিম এখনো শঙ্কামুক্ত না। সোহানের মা সীমা বেগম (৪৫) জানান, তিনি সেলাই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বাগেরহাট ছিলেন এবং তার স্বামী আবুল কালাম (ট্রাক চালক) ট্রিপে গেছে চিটাগাং। যে কারণে বাড়িতে তার দুই ছেলে দশম শ্রেণীর সোহাগ ও নবম শ্রেণীর সোহান ছিলো।

গতকালের ঘটনা শুনে বুধবার সকালে বাসায় আসছেন। তিনি আরো বলেন, তার ছেলে যদি অপরাধী হয়ে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিৎ। থানা পুলিশ পরিদর্শক আশ্রাফুল ইসলাম জানান, ধর্ষণের অভিযোগে সোহান (১৫)’কে আটক করা হয়েছে। যেহেতু বয়স কম সে মোতাবেক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

ফকিরহাটে পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ আটক-১

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

বাগেরহাটের ফকিরহাটে ২০ পিচ ইয়াবা সহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে ফকিরহাট মডেল থানা পুলিশ।

শুক্রবার রাত ১১.৪৫ মিনিটের সময় এস আই প্রদ্যুত গোলদার এ এস আই আব্দুল্লাহ আল মামুন এ এস আই শামিম হোসেন সহ পুলিশের একটি দল ফকিরহাট থানাধীন কাঠালিডাঙ্গা গ্রাম হইতে ২০ পিচ ইয়াবাসহ কাঠালিডাঙ্গা গ্রামের শাক্তিপদ সাহার ছেলে পবিত্র সাহা (২৯) কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার কৃত আসামীকে মাদক আইনে মামলা করে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়।

ফকিরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মাদক কারবারি পবিত্র সাহাকে আটক করা হয়েছে এবং বাগেরহাট বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

ফকিরহাটে কিশোরীর গোসলের ভিডিও ধারণ করে চাঁদা দাবি, আটক- ১

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের ফকিরহাটে এক কিশোরীর (১৩) গোসলের ভিডিও ধারন করে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবীর ঘটনায় পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ঐ কিশোরী একটি মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।

এ ঘটনায় ওই কিশোরীর বাবা বাদি হয়ে শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে একজনের নাম সহ ২জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী উল্লেখ করে থানায় পর্ণগ্রাফী আইনে একটি মামলা করেন।

গ্রেপ্তারকৃত আসামী অহিদ মোড়ল (২৮) উপজেলার হোগলডাঙ্গা গ্রামের নিজাম মোড়লের ছেলে। সে বিভিন্ন বাড়িতে দিনমুজুরের কাজ করে।

পুলিশ জানায়, ১৩ জানুয়ারি রাত ১টার দিকে ওই কিশোরীর বাড়ীতে কে বা কারা দরজার সামনে একটি প্যাকেট রেখে যান। কিশোরীর বাবা প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাইরে বের হলে ওই প্যাকেটটি দেখতে পান। প্যাকেটি খুলে তিনি দেখেন একটি চিরকুট ও একটি মেমোরি কার্ড রয়েছে। তখন তিনি চিরকুটটি পড়ে দেখেন সেখানে লেখা আছে ‘মেমোরি কার্ডটি একজন মেয়েকে দেখবেন। এছাড়া ১৮জানুয়ারি রাত ৮টার দিকে মান্দার এলাকার যে কোন স্থানে একটি সাদা ব্যাগ থাকবে। ব্যাগের ভিতর একটা চিঠি থাকবে। ওই ব্যাগের মধ্যে দুই লাখ টাকা রেখে চিঠিটি নিয়ে চলে যাবেন। তা না হলে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়া হবে। ‘ পরদিন ১৪ জানুয়ারি সকালে কিশোরীর বাবা মেমোরি কার্ডটি চালু করে দেখেন সেখানে তার মেয়ের গোসলের আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও রয়েছে।

তিনি চিঠির কথামত ১৮জানুয়রি রাত ৮টার দিকে একটি ব্যাগে করে কাগজ দিয়ে টাকা বানিয়ে খামে ভরে ওই মান্দারতলা এলাকায় রেখে আসেন। এসময় তিনি সহ অন্যান্য লোকজন আশেপাশে পাহারা দিতে থাকেন। কিছু সময় পর একটি লোক ব্যাগটি নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসময় স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে। পরে অহিদ মোড়লকে থানা পুলিশের নিকট সোর্পদ করেন।

গ্রেপ্তারকৃত আসামী অহিদ মোড়ল গোসলের ভিডিও কখন কিভাবে ধারন করেছে তা কিশোরী ও তার পরিবারের লোকজন জানেন না। ভিডিওটি গোপনে ধারন করা হয়েছে বলে তারা জানান।

ফকিরহাট মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আশরাফুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে থানায় একটি পর্ণগ্রাফী আইনে মামলা হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) আসামীকে বাগেরহাট বিজ্ঞ আদালতে সোর্পদ করা হবে। মামলাটি তদন্তধিন রয়েছে।

Daily World News

অভয়নগরে সেনা সদস্যের পরিচয়ে তরুণীদের সাথে প্রেমের সম্পর্ক করে  প্রতারনা ও  অর্থ হাতনোর অভিযোগ  

অভয়নগরে সেনা সদস্যের পরিচয়ে তরুণীদের সাথে প্রেমের সম্পর্ক করে  প্রতারনা ও  অর্থ হাতনোর অভিযোগ  

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি//

যশোরের অভয়নগরে সেনা সদস্যের পরিচয়ে তরুণীদের সাথে প্রেমের সম্পর্ক করে  প্রতারনা ও  অর্থ হাতনোর অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে,

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভুয়া আইডি খুলে সুন্দরী তরুণীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে প্রতারণা করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে তুহিন বিশ্বাস নামে জনৈক যুবকের বিরুদ্ধে। তুহিন বিশ্বাসের বাড়ি যশোর  জেলার অভয়নগর উপজেলার চলিশিয়া ইউনিয়নের চলিশিয়া গ্রামে। এ বিষয়ে এলাকায়  সালিশিতে প্রতারণা করে টাকা আত্মসাতের সত্যতা প্রমাণ পাওয়া গেছে।

কিন্তু তুহিন বিশ্বাসের কাছ থেকে মুসলেকা নিলেও  ওই প্রতারণা কিছু দিন থেমে থাকলে ও পরে আবার তার দাপটে প্রতারিত তরুণীরা সুবিচার পাচ্ছেন না কেউ। সুত্র জানায় , অভয়নগরের চলিশীয়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড চলিশীয়া পুর্ব পাড়ার বাবলু বিশ্বাসের ছেলে  তুহিন নামের এক যুবক সেনা সদস্যের নাম ও ছবি ব্যবহার করে ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে একাধিক মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন।

পরে তাদের কাছ থেকে ব্লাকমেইল করে বিভিন্ন সময়ে বিকাশের মাধ্যমে  টাকা আদায় করেছে। এ প্রতারণার বিষয়টি জানতে পারেন ভুক্তভোগীর পরিবার ও এলাকাবাসী। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতারক তুহিন এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনাটা ঘটিয়েছে। এর আগেও এ ধরনের অভিযোগ আছে তার নামে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তুহিনের সংসারের অভাব অনটন দূর করতে প্রায় দুই বছর ধরে তিনি এ পেশায় নেমে পড়েছেন।তার নিজের এক স্ত্রীও আছেন।

ফেসবুক আইডি খুলে তরুণীদের টার্গেট করে তুহিন বিশ্বাস।  ওইসব আইডি থেকে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে তোলে। বন্ধুত্বের পর তাদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেয় হাজার হাজার  টাকা। সুত্র আরো জানায়, প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তুহিন নিজে এবং ‘আবিদ হাসান (মো. মিজানুর রহমান মিজান সেনা সদস্য ) ও তাসরিফ আহমেদ নামে বেশকটি ভুয়া আইডি খোলেন। এসব আইডি থেকে সুন্দরী তরুনীদের সঙ্গে বন্ধুত্ব সম্পর্ক করেন তুহিন বিশ্বাস ।

এসময় নিজের ছবি না দেখিয়ে এলাকার বড় ভাই  সেনা সদস্যর ফেসবুক আইডি থেকে ছবি নিয়ে তার প্রেমিকাকে দেখায়। এরপর সেনা সদস্যের পরিচয় দিয়ে সু কৌশলে  মিশনে আছি, মা অসুস্থ বলে অর্থ হাঁতনো শুরু করে। এ বিষয়টি   সেনা সদস্য জানতে পারেন এবং তুহিন বিশ্বাসকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন।

এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ কে নিয়ে তার বাড়িতে নিয়ে মুচলেকার মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়া হয় ।  তাতে বলা থাকে এমন কাজ করবে না বলে সে জানিয়ে দেয়। এ ব্যাপারে চলিশিয়া এলাকার  সেনা সদস্য বলেন, আমার ফেসবুক আইডি থেকে আমার ছবি  নিয়ে তুহিন বিশ্বাস বেশ কয়টি মেযের কাছে  আমার নাম ছবি ব্যবহার করে। তাদের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে টাকা হাতিয়ে নিত। এ বিষয়টি আমি এলাকাবাসীকে জানাই। তখন তুহিন বিশ্বাসের পিতা বাবলু বিশ্বাস  মধ্যস্থতায় বিষয়টি সমাধান করা হয়। কিছুদিন যেতে না যেতে আবার তুহিন  আমার ছবি ব্যবহার করে অন্য মেয়েদের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে টাকা নিয়েছে।

প্রতারণার শিকার আবিদা সুলতানা জানান, আবির হাসান ও তাসরিফ আহমেদ নামের আইডি খুলে তুহিন বিশ্বাস আমার সাথে কথা বলতো। তার ছবি সম্মিলিত তার জায়গা থেকে অন্য আরেক ছেলে সেনা সদস্যের নাম ব্যবহার করে আমাকে দিত। তার সাথে পাঁচ মাস প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে আমার। সুকৌশলে আমার কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে খরচ সহ চার হাজার টাকা নিয়েছে। আমি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করি। এছাড়াও শাম্মি আক্তার নামের এক তরুণীর সাথে কথা বলে তার কাছ থেকে ২০০০ টাকা নিয়েছে। চলিশিয়া এলাকার নাম প্রকাশ না করার শর্তে  এক সমাজ সেবক বলেন, তুহিন বিশ্বাস নামের এক ব্যক্তি সে বিভিন্ন মেয়েদেরকে প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে বিকাশের মাধ্যমে টাকা আদায় করতো। তাকে নিয়ে গ্রামে বেশ কয়টি সালিস হয়েছে। তার পিতা বাবলু বিশ্বাস অনেকবার মুচলেকার মাধ্যমে ছেলেকে বাঁচিয়েছে থানা পুলিশ না করার জন্য।

সামিমা স্মৃতি অভিযোগ করে বলেন, আবিদ হাসান নামে ফেসবুক আইডি ব্যবহারকারীকে (এক সেনা সদস্য  পরিচালিত ফেসবুক আইডি)  পরিচয়ে দিয়ে আমার সঙ্গে বন্ধুত্বে সম্পর্ক করে তুহিন বিশ্বাস । বন্ধুত্ব থেকে ওই আইডি থেকে আমাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে এবং আমাকে ঘুরতে  নিয়ে যাওয়ার কথা বলে প্রতারণা করে ৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন কৌশলে । নাম প্রকাশ না করার সত্ত্বে এক তরুণী বলেন, , আবিদ হাসান ও তাসরিফ আহমেদ নামে দুইটি ভুয়া ফেসবুক আইডি থেকে আমার সঙ্গে বন্ধুত্ব সম্পর্ক করেন। বন্ধুত্বের পর প্রেমের ফাঁদে ফেলে আমার কাছ থেকে তার মার অসুস্থতার কথা বলে ৯ হাজার  টাকা হাতিয়ে নেয় তুহিন বিশ্বাস ।টাকা হাতিয়ে নেয়ার সময় দেশের রবি নম্বর একটি বিকাশ নাম্বার ব্যবহার করা হয়। বর্তমানে ওই নম্বরটি তুহিন এর আত্মীয় ব্যবহার করছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফেসবুকে ভুয়া আইডি খুলে প্রতারণার বিষয়টি স্বীকার করেন তুহিন বিশ্বাস। তিনি বলেন, অনেক আগে এরকম ঘটনা ঘটিয়েছি। তবে বর্তমানে আমি এগুলো করিনা। অভয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ এসএম আকিকুল ইসলাম বলেন, প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে তুহিন বিশ্বাস প্রতারণা করছেন দীর্ঘদিন ধরে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের  বিষয়ে কেউ অভিযোগ দেয়নি। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখব।এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।