ইনজেকশন পুশ করে নারী শ্রমিককে গণধর্ষণ

শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার একটি পোশাক কারখানায় এক নারী শ্রমিককে রক্ত নেওয়ার কথা বলে ঘুমের ইনজেকশন পুশ করে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই কারখানার অ্যাডমিন অফিসার জাহাঙ্গীর আলমকে (৩২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার দুপুরে আশুলিয়া থানার ওসি ইন্টেলিজেন্স জামাল সিকদার ঘটনায় মামলা অ্যাডমিন অফিসারকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগী নারী পোশাক শ্রমিক গ্রেফতারকৃত জাহাঙ্গীর আলমসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুই জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছে।

জাহাঙ্গীর আলম কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ থানাধীন সাকতলা গ্রামের ইয়াকুব আলী পাটোয়ারীর ছেলে। সে আশুলিয়ার বেরন ছয়তলা এলাকার নুরুজ্জামানের ভাড়া বাড়িতে থেকে স্থানীয় ইয়াগি বাংলাদেশ গার্মেন্টস লিমিটেডে অ্যাডমিন অফিসার হিসেবে কর্মরত।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ১৮ ডিসেম্বর জীবিকার তাগিদে ভুক্তভোগী ওই নারী আশুলিয়ার উত্তর বেরন এলাকার ইয়াগি বাংলাদেশ গার্মেন্টস লিমিটেড নামের ওই কারখানায় হেলপার হিসেবে চাকরি নেন। গত ২১ ডিসেম্বর রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করার জন্য ওই কারখানায় কর্মরত এক নারী রক্ত নেয়। এরপর ২৩ ডিসেম্বর দুপুরের খাবারের জন্য বিরতি দিলে অন্যান্য শ্রমিকের মতো ভুক্তভোগী নিজেও খেতে যাচ্ছিল।

এ সময় কারখানার এক নারী এসে আবার রক্ত লাগবে এমন কথা বলে নিচতলার একটি কক্ষে নিয়ে যায়। কক্ষে আগে থেকেই অ্যাডমিন অফিসার জাহাঙ্গীর আলমসহ দুইজন পুরুষ ছিল। রক্ত নেওয়ার নাম করে এ সময় ইনজেকশনের সিরিঞ্জের মাধ্যমে কৌশলে অজ্ঞান করার ইনজেকশন পুষ করা হয় তাকে।

পরে অচেতন হয়ে পড়লে সেখানে অবস্থান নেওয়া অ্যাডমিন অফিসার জাহাঙ্গীর আলমসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন মিলে তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় ওই নারী জ্ঞান হারিয়ে ফেললে ধর্ষকরা তাকে কার্টনের উপর ফেলে রেখে চলে যায়। প্রায় দুই ঘণ্টা পর জ্ঞান ফিরলে ভোক্তভোগী বাসায় চলে যান এবং তার বাবা-মাকে বিষয়টি খুলে বলেন।

পরে তার বাবা-মাকে নিয়ে কারখানায় গেলে নিরাপত্তাকর্মী ও জাহাঙ্গীর আলম তাদের কারখানার ভেতর ঢুকতে না দিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে তাড়িয়ে দেন।

এদিকে মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি কারখানার অন্য শ্রমিকদের মধ্যে জানাজানি হলে তারা কাজ বন্ধ করে দিয়ে কর্মবিরতির মাধ্যমে বিক্ষোভ করেন। একপর্যায়ে কারখানা ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। পরে বুধবার সকালে ভুক্তভোগী নারী আশুলিয়া থানায় অ্যাডমিন অফিসার জাহাঙ্গীর আলমের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরো দুইজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার ওসি ইন্টিলিজেন্স জামাল সিকদার জানান, মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগীর অভিযোগটি আমলে নিয়ে মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় আটক জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেফতার দেখিয়ে বুধবার সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ভুক্তভোগী ওই নারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেলের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার ভর্তি করা হয়েছে। সূত্র: যুগান্তর

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশালে হলুদ অটোগাড়ির বৈধতার দাবীতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ

বাগেরহাটের রামপালে ৭৫৫ পিস ইয়াবাসহ ১ মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব

বিশেষ প্রতিনিধি//

বাগেরহাটের রামপালে ৭৫৫ পিস ইয়াবাসহ এক চিহ্নিত মাদক ব‍্যবসায়ী কে আটক করেছে র‍্যাব-৬।

র‍্যাব সূত্রে জানাযায়, শুক্রবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকাল ৫ টায় র‌্যাব-৬, (স্পেশাল কোম্পানী) খুলনার একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের মাধ্যমে বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলার কুমলাই গ্রামের ওহিদের নারিকেলের ছোবার মিলের সামনে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের সময় অভিযান পরিচালনা করে। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে কৌশলে পালানোর চেষ্টাকালে কুমলাই গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে শেখ ওহিদুল ইসলাম(৪০)কে ৭৫৫ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করে। এ সময় উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে গ্রেফতারকৃত শেখ ওহিদুল ইসলাম৥ এর ০২টি মোবাইল ফোন ও ০২টি সীমকার্ড ও  জব্দ করে র‍্যাব।

এ বিষয়ে রামপাল থানার ওসি মোহাম্মাদ সামসুদ্দিন বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামী’র বিরুদ্ধে রামপাল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা রুজু করে জেলহাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

 

কলকাতা-দিল্লির টর্চার সেলের সন্ধান জানাল র‌্যাব

ইউরোপ-অষ্ট্রেলিয়ার পাঠানোর কথা বলে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানবপাচার হতো ভারতে। তারপর সেখানকার কলকাতা ও দিল্লির টর্চার সেলে চলত অকথ্য নির্যাতন। সেই নির্যাতনের ভিডিও ভিকটিমদের আত্মীয়দের কাছে পাঠিয়ে আদায় করা হতো লাখ লাখ টাকা। এমন সংঘবদ্ধ মানবপাচার চক্রের মূলহোতাসহ তিনজনকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়েনের (র‌্যাব) সদস্যরা।

রাজধানীর মিরপুর থেকে আটকদের কাছ থেকে নকল পাসপোর্ট, ভিসা ও দলিল দস্তাবেজ জব্দ করা হয়। সোমবার রাতে রাজধানীর পল্ল­বী ও উত্তরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে র‌্যাব-৪ এর একটি দল।

আটকরা হলেন- চক্রের মূলহোতা মলি­ক রেজাউল হক ওরফে সেলিম (৬২), তার দুই সহযোগী মো. বুলবুল আহমেদ মলি­ক (৫৫) ও নিরঞ্জন পাল (৫১)।

কলকাতা-দিল্লির টর্চার সেলের সন্ধান জানাল র‌্যাব

 

আটকরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বিদেশ যেতে ইচ্ছুক মানুষজনকে টার্গেট করে তাদের অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখাত। এ প্রলোভনে যারা রাজি হতো তাদের কাছ থেকে ১২-১৫ লাখ টাকা করে নিত। পরে চক্রটি প্রবাসে যেতে ইচ্ছুকদের বলত, বাংলাদেশ থেকে ভিসা পাওয়া জটিল, তাই তাদের ভারতে নিয়ে খুব সহজে কাঙ্ক্ষিত দেশে পাঠাবে। কারণ হিসেবে ভারত থেকে ভিসা পাওয়া সহজ বলে ভিকটিমদের জানায় চক্রটি।

তারা আরও জানায়, ভারতে নিয়ে গিয়ে ভিকটিমদের প্রথমে সেইফ হাউসে রাখা হতো। তারপর তাদের ওপর চলত অমানবিক নির্যাতন। এসব নির্যাতন চিত্রের ভিডিওধারণ করে বাংলাদেশে থাকা ভিকটিমদের পরিবারকে পাঠাত চক্রটি। পরিবারকে তারা এসব ভিডিও দেখিয়ে বলত, ১২-১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ না দিলে ভিকটিমকে মেরে ফেলবে। পরে ভিকটিমদের পরিবারগুলো প্রিয়জনকে বাঁচাতে সর্বস্ব বিক্রি করে চক্রটির সদস্যদের হাতে টাকা তুলে দিত।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ানবাজারে অবস্থিত র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক (সিও) অতিরিক্ত ডিআইজি মোজাম্মেল হক।

মোজাম্মেল হক বলেন, গত বছরের নভেম্বর মাসে অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর কথা বলে জাহাঙ্গীর নামে এক ব্যক্তিকে ভারত পাচার করে দেয় চক্রটি। পাচার হয়ে যাওয়ার পর বেশ কিছুদিন ভারতের কলকাতায় আটক থাকেন জাহাঙ্গীর। আটক অবস্থায় কলকাতার টর্চার সেলে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়। পরে নির্যাতনের এসব ভিডিও দেখিয়ে দেশে থাকা তার পরিবারকে চাপ দিয়ে অর্থ আদায় করে পাচারকারী চক্রটি। দেশে এসে ভিকটিম জাহাঙ্গীর চক্রটির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন আমাদের কাছে। তার দেওয়া তথ্য ও অভিযোগ যাচাই করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই চক্রের মূলহোতাসহ তিনজনকে গতকাল (সোমবার) রাতে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে নকল পাসপোর্ট, পাসপোর্টের কপি, নকল ভিসা, আবেদনপত্র, বায়োডাটা, ছবি, মোবাইল, মোবাইল সিম একং নগদ টাকাসহ মানবপাচার সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র জব্দ করা হয়।

তিনি বলেন, এ চক্রের মূলহোতা মলি­ক রেজাউল হক সেলিম ও তার সহযোগী বুলবুল আহমেদ মলি­ক এবং নিরঞ্জন পালসহ তাদের সহযোগী হিসেবে দেশে আরও ৫-৭ জন সদস্য রয়েছে। তাছাড়া ভারতেও তাদের বেশ কয়েকজন সহযোগী রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কলকাতার রাজিব খান, মানিক ও দিলি­র রবিন সিংদের নাম পাওয়া গেছে। বিগত কয়েক বছর ধরে এই চক্রটি সক্রিয়ভাবে মানব পাচারের করে আসছে। চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বিদেশে গমন প্রত্যাশী নিরীহ মানুষকে টার্গেট করে। তাদের অস্ট্রেলিয়া এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে (যেমন- পর্তুগাল, নেদারল্যান্ড, রোমানিয়া, গ্রিস, ফ্রান্স এবং মালটা) উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তাদের পাঠানোর কথা বলে ভারতে পাচার করে দিত।

অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপের দেশগুলোতে ভারত থেকে ভিসা পাওয়া সহজ, এ কথা বুঝিয়ে তাদের বৈধ এবং অবৈধ পথে ভারতে পাচার করে দেয়। তবে পাচারের পর ভিকটিমদের আর ওইসব দেশে পাঠানোর কোনো ব্যবস্থা নেয় না চক্রটি। তারা ভিকটিমদের সে দেশে আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনসহ মেরে ফেলার হুমকি ও তা ভিডিও করে তাদের পরিবারের সদস্যদের দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ মুক্তিপণ হিসেবে আদায় করে আসছিল।

র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক বলেন, কলকাতা থেকে ভিকটিমদের নেওয়া হতো দিল্লির একটি টর্চার সেলে। পরে কলকাতার টর্চার সেলের দায়িত্বে থাকত ভারতীয় নাগরিক রাজিব খান ও মানিক এবং দিল্লি­র টর্চার সেলের দায়িত্বে থাকত রবিন সিং। পরে ওইসব টর্চার সেলে ভিকটিমদের ওপর চলত অমানবিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। এসব নির্যাতনের ভিডিওধারণ করে প্রত্যেকটি টর্চার সেলের দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশ চক্রটির মূলহোতার কাছে পাঠানো হতো। পরে মূলহোতা মলি­ক তার সহযোগীদের মাধ্যমে ভিডিও ভিকটিমদের পরিবারের কাছে পাঠাত। ভিকটিমদের পরিবারগুলো যে পর্যন্ত তাদের মুক্তির জন্য ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ না দিত সেই পর্যন্ত তাদের ওপর অমানসিক নির্যাতন চলতেই থাকত। এই চক্রটি রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বেশ কয়েকটি এলাকায় সক্রিয় রয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা আরও জানায়, ভিকটিমদের ফেনী, কুমিল্লা, নবাবগঞ্জ, শরীয়তপুর, মাদারীপুর এবং ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে সংগ্রহ করে ইউরোপে উন্নত চাকরি দেওয়ার নামে বৈধ এবং অবৈধ পথে পার্শ্ববর্তী দেশে পাচার করে। এ চক্রের অন্যান্য হোতাদের আটকে র‌্যাব-৪ এর অভিযান চলমান রয়েছে। আটকদের বিরুদ্ধে মানবপাচার আইনে রূপনগর থানায় মামলা দায়ের হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সূত্র: যুগান্তর

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

জগন্নাথপুরে দেয়ালে দেয়ালে পোস্টার, বাদ যায়নি কোন ফাঁকা জায়গা

চুরি যাওয়া পদ্মা সেতুর মালামালসহ ১৩ জন গ্রেপ্তার

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পদ্মাসেতু প্রকল্পে নেয়ার সময় বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া জাহাজ থেকে নির্মাণ সামগ্রী চুরির অভিযোগে ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে নৌপুলিশ। তাদের কাছ থেকে সেতু প্রকল্পের চার  মেট্রিক টন নির্মাণ সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।

নৌপুলিশ সূত্র জানায়, নৌপুলিশের সদরঘাট থানার টিম আজ সোমবার ভোরে অভিযান চালিয়ে চট্টগ্রামের পশ্চিম পটিয়াস্থ দক্ষিণ শাহ মীরপুর এলাকায় কর্ণফুলী নদীতে দু’টি ইঞ্জিনচালিত নৌকা থেকে এসব নির্মাণ সামগ্রীসহ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করে। এরা হলো : নুরুল আফসার (৩০),  আইয়ুব আলী (৫৫), জেবল হোসেন (৫৯), আলমগীর (৩২), শেখ মোহাম্মদ (২৮), আক্কাস (৪০), রফিক (৪৬), মোহাম্মদ আলী (৪৭), খায়ের আহম্মেদ (৩০), আব্দুল হামিদ (২৭), সোহরাব হোসেন (৬০) ও আরাফাত (২৫)। জিজ্ঞাসাবাদে সকলেই একই চক্রের সদস্য বলে জানা গেছে।

নৌপুলিশ জানায়, চট্টগ্রাম বন্দর ছেড়ে যাওয়া ‘হ্যাং গ্যাং-১’ নামে একটি কার্গো জাহাজ গত ১৩ জুলাই সাগরের নোয়াখালী ভাসানচরের কাছে ডুবে যায়। সেতুর কাজে ব্যবহারের জন্য জাহাজটিতে প্রায় এক হাজার ২০০ মেট্রিক টন লৌহজাত নির্মাণ সামগ্রী ছিল। পদ্মা সেতুর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তাদের মালামালসহ জাহাজ ডুবে যাওয়ার খবর জানতে পেরে উদ্ধার কাজ শুরু করে। তিন মাসে জাহাজের অর্ধেক মালামাল উদ্ধার করে প্রকল্পে নিয়ে যায়। কিন্তু হঠাৎ করে ডুবে যাওয়া জাহাজ থেকে মালামাল উদ্ধার বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় জাহাজটিকে অরক্ষিত রেখেই উদ্ধার কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। সুযোগটিকে পুরোপুরি কাজে লাগায় সংঘবদ্ধ একটি চোর চক্র। তারা অবশিষ্ট মালামাল দ্রুত সরিয়ে ফেলে।

পুলিশ জানায়, চক্রটি পরে এসব চোরাই মালামাল কর্ণফুলী নদীতে এনে বিক্রি করে। গোপনে এ খবর জানতে পেরে নৌপুলিশের একটি দল দু’টি নৌকা থেকে ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের কাছ থেকে পদ্মা সেতুতে ব্যবহারের জন্য চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানিকৃত চার মেট্রিক টন গ্যালভানাইজিং লোহার অ্যাংগেল উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার ১৩ জনের মধ্যে অধিকাংশের বাড়ি কর্ণফুলী উপজেলায়। বাগেরহাট ও নোয়াখালীর লোকজনও রয়েছে। এরা বিভিন্ন সময়ে আনোয়ারা উপকূলের কাছে ডুবে যাওয়া দেশি-বিদেশি জাহাজ থেকে মালামাল চুরি করতে অভ্যস্ত।

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি: ৫০০ টাকার টিকিট ৮৫০ টাকা

 

বাগেরহাটের রামপালে ফিরোজ হত‍্যা মামলার পলাতক ৫ আসামী গ্রেফতার করেছে র‍্যাব

বাগেরহাটের রামপালে চাঞ্চল্যকর ফিরোজ শেখ হত্যা মামলার ৫ জন এজাহারভুক্ত পলাতক আসামীকে গ্রেপ্তার করছে র‌্যাব-৬। রবিবার (১৯ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ১১টার দিকে রামপালের বিভিন্ন স্থান থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন রামপাল উপজেলার কাষ্টবাড়িয়া গ্রামের মৃত কেরামত আলীর ছেলে মোঃ বজলু শেখ (২৫), ইনছান শেখের ছেলে ইমরান শেখ (২২), মৃত রজ্জব আলী শেখের ছেলে এনাম শেখ (৪২) ও তার ছেলে সুমন শেখ (২১) এবং জিয়া গাজীর ছেলে সাগর গাজী (২২)।

রবিবার (১৯ ডিসেম্বর) ফিরোজের স্ত্রী বাদী হয়ে  রামপাল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-০৮ তারিখ ১৯/১২/২০২১ ধারাঃ ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৫/ ৩২৬/ ৩০৭/ ৩০২/৩৪ পেনাল কোড।

র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার (১৯ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ১১টার দিকে মেজর এম রিফাত-বিন-আসাদ এবং লেঃ কমাঃ এম সারোয়ার হুসাইন এর নেতৃত্বে বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে চাঞ্চল্যকর ফিরোজ শেখের হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামীদের গ্রেপ্তার করা হয়।

বহুল আলোচিত এবং চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলায় জড়িত অন্যান্য আসামীদের’কে গ্রেপ্তারে র‌্যাবের গোয়েন্দা অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানানো হয়।

উল্লেখ্য, গত ১৭ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বাগেরহাট জেলার রামপালের শ্রীকলস গ্রাম এলাকায় ফিরোজ শেখকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ঘটনার বিস্তারিত অনুসন্ধানে জানা যায় ফিরোজ স্থানীয় একজন সাবেক চেয়ারম্যান এর সমর্থক এবং তার নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত থাকতো বিধায় হত্যাকারীরা সাবেক চেয়ারম্যানের প্রতিপক্ষ হওয়ায় সাবেক চেয়ারম্যান এর ক্ষতি করার জন্য তাকে হত্যা করার নীল নকশা তৈরি করে।

এমতাবস্থায় গত ১৭ ডিসেম্বর আনুমানিক সকাল সাড়ে ১০টার সময় ফিরোজ সাবেক চেয়ারম্যান এর সাথে কথাবার্তা শেষে সঙ্গীয় একই এলাকার হানিফ গাজী এবং আকবর গাজী নামক দুইজন ব্যক্তির সাথে মোটরসাইকেল যোগে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়। হত্যাকারীরা পূর্ব পরিকল্পনা ও হত্যার ষড়যন্ত্র অনুযায়ী বেলা সাড়ে ১১টার সময় ফিরোজ  রামপাল উপজেলার শ্রীকলস গ্রামের জনৈক আবু সাঈদ শেখের বাড়ির সামনে সরকারি পিচ ঢালা পাঁকা রাস্তায় পৌঁছালে হত্যাকারীরা দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র দিয়ে তাকে অতর্কিতভাবে হামলা করে।

পরবর্তীতে ফিরোজ জীবন বাঁচানোর জন্য দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করলে হত্যাকারীরা পুনরায় তাকে ধরে ধারালো ছুরি, লোহার রড, রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করে। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ফিরোজ এবং তার সঙ্গী হানিফ’কে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে রামপাল স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে নেওয়া হলে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর দুপুর আড়াইটার দিকে ফিরোজ মৃত্যুবরণ করে।

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

সমগ্র বাংলাদেশের বন্ধুদের সেতু বন্ধন তৈরি করে একে অপরের পাশে থাকতে হবে — ইলিয়াস মোল্লা এমপি

 

সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন কর্তৃক ৩০ ভরি ওজনের ০৩টি স্বর্ণের বারসহ পাচারকারী আটক

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

অদ্য ০৮ ডিসেম্বর বুধবার  ২ঃ৪৫ ঘটিকায় বিজিবি’র সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি) এর অধীনস্থ বৈকারী বিওপি’র টহল কমান্ডার ল্যান্স নায়েক মোঃ সাহিদুল ইসলাম এর নেতৃত্বে একটি টহলদল কর্তৃক মেইন পিলার ৯ হতে আনুমানিক ৩ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সাতক্ষীরা সদর থানাধীন কুশখালী ইউনিয়নের ছয়কুরো নামক স্থানে অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে  ২২,৫০,০০০/- (বাইশ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা মূল্যের ৩০ ভরি ওজনের ০৩টি স্বর্ণের বারসহ মোঃ সাহেব আলী (৪৫) পিতা: মৃত সহর আলী, গ্রাম: ভাদড়া, পোস্ট: বাঁশদাহ, থানা: সাতক্ষীরা সদর, জেলা: সাতক্ষীরা-কে আটক করা হয়। উল্লেখ্য, উক্ত অভিযান পরিচালনাকালে স্বর্ণ চোরাচালানের সাথে জড়িত শ্রী সুব্রত কুমার সরকার (৩২), পিতা: দ্বীনবন্ধু সরকার, গ্রাম ও পোস্ট: কুশখালী, থানা ও জেলা: সাতক্ষীরা ঘটনাস্থল হতে দ্রুত পলায়ন করে।

আটককৃত আসামীকে সাতক্ষীরা সদর থানায় সোপর্দ এবং পলাতক আসামীর বিরুদ্ধে মামলা করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

গলাচিপায় ০৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী রিপা সহ আটক.২

//মোঃ তুহিন শরীফ, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি//

পটুয়াখালীর গলাচিপায় পুলিশের অভিযানে ৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী সৈয়দ আহম্মদ ও রিপা আক্তার আটক করেছে পুলিশ।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৬ ডিসেম্বর ) বেলা ১১টার দিকে গলাচিপা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম সহ তার সঙ্গীয় অফিসার ফোর্সসহ W/A তামিলের বিশেষ মাদক বিরোধী অভিযান চলাকালীন সময় সংবাদ পান যে, একজন পুরুষ ও একজন নারী গাঁজার একটা চালানসহ বিক্রয়ের জন্য গলাচিপা আসিয়া লঞ্চঘাট এলাকায় অবস্থান করছে।

উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১) মোঃ সৈয়দ আহম্মদ (৫০), মোঃ ধনু মিয়া, সাং- বলিয়াহুরা, থানা- কসবা, জেলা- বি-বাড়ীয়া, ও ২) মোসাঃ রিপা আক্তার (৩৫), স্বামী- ইলিয়াস খা, সাং- আঠারোবাড়ী উত্তরপাড়া, থানা- ইশ্বরগঞ্জ, জেলা- ময়মনসিংহ কে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ০৫ কেজি গাজা উদ্ধার করা হয়।

এব্যাপারে গলাচিপা থানার ওসি প্রতিবেদককে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।

যশোরে বিদেশি পিস্তল ও ওয়ানশূটারগানসহ তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার

যশোর জেলার মনিরামপুর, বাঘারপাড়া ও শার্শা থানার দুটি ইউনিয়নে তৃতীয়ধাপের উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।যশোরের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সীমান্তবর্তী থানায়  মাদক চোরাচালান,সন্ত্রাসী ও অস্ত্র কেনাবেচাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্মকান্ড একটু বেশি পরিলক্ষিত হয়।আর তাই নির্বাচনের প্রাক প্রস্তুতি হিসাবে সন্ত্রাস ও অস্ত্রের ঝনঝনানি বন্ধ করে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে পুলিশ,র‍্যার,বিজিবি গতকালও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

তারই ধারাবাহিকতায়  র‍্যাব-৬ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পায় যশোর জেলার বেনাপোল পোর্ট থানাধীন দুর্গাপুর গ্রামের চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও  অস্ত্র ব্যবসায়ী বাদশা মল্লিকের ৫ তলা বিল্ডিং বাড়ির নিচতলায় রুমের ভিতরে মাদক ব্যবসায়ী ও অস্ত্রধারী চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীরা মাদকদ্রব্য ক্রয় বিক্রয়ের জন্য অবস্থান করছে এবং এ সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৬ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করলে র‍্যাবের উপস্থিতি বুঝতে পেরে বাড়ির মালিক বাদশা মল্লিক (৫০) সহ অন্যরা কৌশলে পালিয়ে যায়।

এ সময় উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে বাড়ির মালিকের নিচতলা ভবনের একটি কক্ষ থেকে কালো রঙের পলিথিনে মোড়ানো প্যাকট থেকে ১ টি বিদেশি পিস্তল, ১ টি ওয়ান শুটারগানসহ ৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেন।

উল্লেখ্য পলাতক আসামির বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানার অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারধীন রয়েছে।

এ সংক্রান্ত বিষয়ে উদ্ধারকৃত আলামত যশোর জেলার বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করে পলাতক আসামি বাদশা মল্লিক (৫০) এর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে একটা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

জগন্নাথপুরে ফকির একলাগাজী স্মরণে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

জগন্নাথপুরে শিক্ষকের শারীরিক নির্যাতনের শিকার মাদ্রাসা শিক্ষার্থী এলাকায় ক্ষোভ

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার ৬ নং রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের কুবাজপুর শাহজালাল (রঃ) সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক নিজাম উদ্দিনের বিরুদ্ধে ছাত্র নির্যাতন, ক্ষমতার অপব্যবহার, অশালিন আচরণ সহ প্রাণনাশের হুমকি প্রদানের অভিযোগে পাওয়া গেছে।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগে জানাযায়, ইউনিয়নের কুবাজপুর গ্রামের রানা মিয়ার ছেলে কুবাজপুর শাহজালাল (রঃ) সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী হিফজুর রহমানকে প্রাইভেট না পড়ায় গত ২২ নভেম্বর ক্লাস রোমে বেত দিয়ে আঘাত করে শারীরিক নির্যাতন করেন মাদ্রাসা শিক্ষক নিজাম উদ্দিন। তার  পাশবিক ও শারিরীক নির্যাতনের বিষয়ে জানাজানি হয়ে গেলে এলাকায় ক্ষোভের সঞ্চার হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি সুরাহা না হওয়ায় তার পিতা রানা মিয়া  গত ২৩ নভেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

এব্যপারে ছাত্র হিফজুর রহমান কান্নাজড়িত কন্ঠে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন আমি কৃষক পরিবারের ছেলে । স্যার (নিজাম উদ্দিন) আমাকে গণিত পড়ার জন্য চাপসৃষ্টি করেন। প্রাইভেট পড়ার ক্ষমতা আমার নেই বললে তিনি আমাকে বেত দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে আহত করেন। তিনির নিকট শিক্ষার্থীরা জিম্মি হয়ে অনেকেই প্রাইভেট পড়েন। তিনি মাদ্রাসার শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করেছেন। তার কারণে অনেকের শিক্ষা জীবন অনিশ্চিত।

দুস্তপুর গ্রামের আরেক শিক্ষার্থী শিহাবুর রহমান একই অভিযোগ করে বলেন তিনি আমার স্যার কিন্তু উনি যা করেন তা বলতে আমার লজ্জা হচ্ছে। তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে মাদ্রাসায় অনিয়মকে নিয়মে পরিনত করেছেন। তার কাছে প্রাইভেট না পড়লে মার্ক কম দেয়ার হুমকি দেন, আবার মার্ক বাড়িয়ে দেয়ার নামে অনৈতিক কাজে লিপ্ত হন। তার এহেন কর্মকান্ডের কারণে অনেক শিক্ষার্থী মাদ্রাসা থেকে বেড়িয়ে গেছে।

এদিকে অফিস সহায়ক থেকে গণিতের শিক্ষক হওয়া নিজাম উদ্দিনের বিরুদ্ধে এলাকাবাসী, মাদ্রাসার সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা নানা অভিযোগ তুলেছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাজেদুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ কে মুখলেছুর রহমান বলেন একটি অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (স্যার) বরাবরে  দাখিল করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য আমাকে বলা হয়েছে । তদন্ত ও পর্যালোচনাক্রমে প্রতিবেদন দেয়া হবে।

কুবাজপুর শাহজালাল (রঃ) সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসা নির্বাহী কমিটির সভাপতি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম রানা বলেন ছাত্র নির্যাতনের ঘটনা আমাদের কেউ জানায়নি। শুনেছি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে অভিযোগ দেয়া হয়েছে। ঘটনায় যেই জড়িত থাকুক অবশ্যই তদন্তে সত্যতা প্রকাশ পাইবে।

অভিযুক্ত শিক্ষক নিজাম উদ্দিন বলেন আমার কিছু বলার নেই। আমি কি বলবো, আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়া হয়েছে ঠিক, তবে সবগুলো সঠিক নয়।

//মোঃ রনি মিয়া, জগন্নাথপুর প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠজনের বাবা পেল নৌকা প্রতীক

 

 

বাগেরহাটের রামপালে জালিয়াতি চক্রের সদস্য জাফর গ্রেফতার

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি//

বাগেরহাটের রামপালে জাল দলিল, ষ্টাম্প, নকল সিলসহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদিসহ জালিয়াতি চক্রের এক সদস্য এস এম আবু জাফর (৫৪)কে আটক করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

রবিবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে রামপাল উপজেলার উজুলকুড় ফকিরবাড়ী থেকে তাকে আটক করে র‌্যাব-৬ এর সদস্যরা। এসময়, বিভিন্ন সরকারী অফিসের ২৪টি সীলমোহর, ২টি সীলপ্যাড, ২৩ টি ফাঁকা ষ্ট্যাম্প, ৯০টি কোর্ট ফি ষ্ট্যাম্প, ৮টি এস এ খতিয়ান এর কপি, ৪টি আরএস খতিয়ানের কপি, জমির বিভিন্ন ৫০ পাতা দলিলপত্র, ১টি মেমোরীকার্ড ২টি সীমকার্ড, একটি হাতঘরি ও নগদ ৮২০ টাকা জব্দ করে র‌্যাব সদস্যরা।

বাগেরহাটের রামপালে জালিয়াতি চক্রের সদস্য জাফর গ্রেফতার

আটক এসএম আবু জাফর বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলার উজলকুড় এলাকার মোঃ এবাদ আলী শেখের ছেলে।

র‌্যাব-৬ খুলনার সহকারী পরিচালক মিডিয়া বজলুর রশীদ বলেন, বিভিন্ন সরকারী অফিসের সীলমোহর নকল করে প্রতারণার মাধ্যমে মানুষের নিকট হতে বিপুল পরিমান অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে  এস এম আবু জাফরকে আটক করা হয়েছে। তার কাছ থেকে জালিয়াতি ও প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়েছে। মামলা দায়ের পূর্বক তাকে রামপাল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।