একজন ইমাম কেন কাউকে হত্যা করে ৬ টুকরা করেন: শুধুই পরকীয়া

 

একজন ইমাম কেন মানুষ হত্যার মত অপরাধ করবে, পরকীয়া তাকে বিভস করে ফেলেছিল, হিতাহিত জ্ঞান ছিলনা । ইমাম আবদুর রহমান ও আসমা আক্তার এখন দেশজুড়ে আলোচিত নাম। রাজধানী ঢাকার দক্ষিণখানের সরদারবাড়ি জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আবদুর রহমানের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন আজহার উদ্দিন নামের এক পোশাক শ্রমিকের স্ত্রী আসমা আক্তার (২৬)।

 

তারপর  দুজনে  সুপরিকল্পিতভাবে আজহারকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন।

পরিকল্পনা মতো তাদের বিয়ে হলে তা আবদুর রহমানের জন্য হতো দ্বিতীয়, আর আসমার চতুর্থ সংসার

 

হত্যাকারী আবদুর রহমানের বাড়ি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে আছে। ৩৩ বছর ধরে দক্ষিণখান এলাকার মসজিদে নামাজ পড়াচ্ছেন।

জিজ্ঞাসাবাদে আবদুর রহমান র‌্যাবকে জানিয়েছেন, তিনি আসমাকে প্রচণ্ড ভালোবেসে ফেলেছিলেন। তার কথা রাখতে গিয়ে আজহারকে হত্যা করেছেন। তা না হলে আসমা নিজেই আজহারকে হত্যা করবেন বলে হুমকি দিয়েছিলেন। নিজেও মরবেন এবং তাকেও (আবদুর রহমান) মারবেন।

 

অন্যদিকে আসমা র‌্যাবকে জানিয়েছেন, আজহারের আচার-আচরণ তার ভালো লাগছিল না। এ কারণে তিনি পরকীয়ায় জড়ান।

 

র‌্যাব সূত্র জানায়, গত রমজানের আগেই আজহারকে হত্যার পরিকল্পনা করেন তারা। প্রথমে ভাড়াটে খুনির কথা ভাবা হয়। পরে আবদুর রহমান নিজেই হত্যার দায়িত্ব নেন। সে অনুযায়ী গত ১৯ মে তিনি আজহারকে ডেকে এনে হত্যা করে লাশ ছয় টুকরা করে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেন। এরপর সব ধুয়েমুছে মসজিদে নামাজ পড়ান। ধরা পড়ার আগ পর্যন্ত তিনি চার দিন নামাজ পড়ান। এ সময় নামাজে প্রতিবারই তিনি ভুল করেন।

 

র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন গণমাধ্যমকে বলেন, “আবদুর রহমান ও আসমার বিয়ে করার কথা ছিল। আজহারকে হত্যা করতে দু’জন পরিকল্পনা করেন বলে তারা জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন।”

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বাঁশখালীতে দরিদ্র পরিবারের ২-৫ বছর বয়সী শিশুদের মাঝে খাদ্য বিতরণ

 

একজন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারকে লুঙ্গি খুলে পেটানোর হুমকি দিল কে এই হুইপ

 

একজন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার যিনি জীবন বাজি রেখে দেশকে শত্রুমুক্ত করতে অস্ত্র হাতে নিয়েছিলেন সামছুদ্দিন আহম্মদ। দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধ করে দেশকে শত্রুমুক্ত করেছিলেন। চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার এবং আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন এই জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ। একজন ৮০ বছর বয়সী সেই মুক্তিযোদ্ধাকে লুঙ্গি খুলে পেটানোর হুমকি দিয়েছেন জাতীয় সংসদের হুইপ এবং চট্টগ্রামের পটিয়ার সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরী। শুধু তা-ই নয়, তাকে লুঙ্গি খুলে বাজারে ঘোরানোর হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। তার দোষ তিনি হুইপ, তার ভাই ও ছেলের অপকর্মের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন ।

 

এই বৃদ্ধ বয়সে এসে এভাবে অপমানিত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন মুক্তিযোদ্ধা সামছুদ্দিন আহম্মদ। পটিয়ায় সরেজমিনে গেলে হতাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘হুইপ ও তার পরিবারের লোকজন মানুষের ওপর জুলুম করে। এসব নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আমাকে তার রোষানলে পড়তে হয়েছে। আমার ওপর নেমে এসেছে খড়্গ। আগে হুমকি দিত হুইপের ভাই মোহাম্মদ আলী নবাব। এখন হুইপ নিজেই হুমকি দিচ্ছেন। খুব আতঙ্কের মধ্যে আছি। হুইপ কখন কী করে, তার কোনো ঠিক নেই।’

 

সামছুদ্দিন আহম্মদ বলেন, ‘আসলে হুইপ সামশুল হক আওয়ামী লীগের লোক নন। তিনি জাতীয় পার্টি করতেন। চট্টগ্রামের রিয়াজউদ্দিন বাজারের ভেতর নালার ওপরে ছোট্ট একটি দোকান করতেন। সেখান থেকে দক্ষিণ চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে নাম লিখিয়ে রাতারাতি পাল্টে গেছেন। বিশেষ করে সংসদ সদস্য এবং হুইপ নির্বাচিত হওয়ার পর দুর্নীতি করে হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছেন। যেন রাতারাতি আঙুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছেন তিনি। তিনি আগে কী ছিলেন, আর এখন কী হয়েছেন, পটিয়ার মানুষ সবই জানে।’

বয়োজ্যেষ্ঠ এই মুক্তিযোদ্ধা বলেন, ‘আসলে পটিয়ার অবস্থা অনেক খারাপ। অনেক ভয়াবহ। এর একমাত্র কারণ হুইপ। পটিয়ায় তার কথাই চূড়ান্ত। এর বাইরে কারো কোনো কথা টেকে না। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী থেকে শুরু করে জনগণ, সবাইকেই তার নির্দেশ মেনে চলতে হয়। কেউ ভয়ে তার বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস করে না। আমি তার বিভিন্ন অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে রোষানলে পড়েছি।’

 

হুইপ সামশুল হকের সঙ্গে একসময় সুসম্পর্ক ছিল উল্লেখ করে মুক্তিযোদ্ধা সামছুদ্দিন বলেন, ‘সংসদ সদস্য হওয়ার পর ২০১২ সাল থেকে হঠাৎ বদলে যান সামশুল। আওয়ামী লীগের জন্য বছরের পর বছর যারা নিবেদিত হয়ে কাজ করেছেন, প্রতিপক্ষের মামলা ও হামলার শিকার হয়েছেন, সেই ত্যাগী নেতাকর্মীদের দল থেকে সরিয়ে দিতে শুরু করলেন তিনি। পক্ষান্তরে জাতীয় পার্টি ও বিএনপির লোকজনকে আওয়ামী লীগে ঢোকাতে লাগলেন। আওয়ামী লীগের নির্যাতিত নেতাদের সরিয়ে দলের বড় পদে বসাতে শুরু করেন অনুপ্রবেশকারীদের।

 

 

 এসব বিষয় নিয়ে কথা বলতে গেলে হুইপ আমার সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে যান। আমাকে শাসাতে থাকেন। পরবর্তী সময়ে আর এসব বিষয় নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন। আওয়ামী লীগের নিবেদিতপ্রাণ হিসেবে আমি এই অবিচারের প্রতিবাদ অব্যাহত রাখি। এর পর থেকেই হুইপ আমার পেছনে উঠেপড়ে লেগেছেন।’ তিনি বলেন, সারা দেশে আওয়ামী লীগের শাসন চলছে, আর পটিয়ায় চলছে জিয়ার সেই বিচ্ছু সামশুর দুঃশাসন।

 

তিনি আরো বলেন, ‘হুইপের ভাই মোহাম্মদ আলী নবাব আমাকে লুঙ্গি খুলে জনসমক্ষে ঘোরানোর হুমকি দিয়েছেন। জীবনের শেষ সময়ে এসে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে একজন মুক্তিযোদ্ধাকে এভাবে লাঞ্ছিত হতে হবে, তা কখনো ভাবতেই পারিনি। এখন আমি পুরো পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় আছি। নিজেও ঘর থেকে বের হই না।

 

আমি এসব বিষয় নিয়ে নেত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চাই। ১৯৬২ সাল থেকে আমি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হয়েছি আমরা। জিয়া ও এরশাদ সরকারের সময় কত নির্মম নির্যাতনের কবলে পড়েছি। তার পরও দলের আদর্শ ছাড়িনি। এখন শেষ বয়সে এসে আবার হুইপের নির্যাতনের কবলে পড়েছি। আওয়ামী লীগের লোক হয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকা অবস্থাতেই নির্যাতন সহ্য করে চলতে হচ্ছে।’

 

তিনি জানান, এখানকার বালু, মাটি সব হুইপের নিয়ন্ত্রণে। পটিয়া-বোয়ালখালী রোডকে কেন্দ্র করেই কোটি কোটি টাকা আয় করেন হুইপ। এই রোডের কাজে তিনি কাউকে সম্পৃক্ত হতে দেননি। সব নিজে নিয়ন্ত্রণ করছেন। এ ছাড়া হুইপের একটাই কথা, ‘চেয়ারম্যান বানালে আমি বানাব। মেম্বার বানালে আমি বানাব।’ এসব কথা বলে গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বড় বাণিজ্য করেছেন।

 

হুইপের অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে এই মুক্তিযোদ্ধা বলেন, সামশুল হক চৌধুরীর ভাইও এখানকার সব কাজে হস্তক্ষেপ করেন। হুইপ অবৈধ সব কাজ-কর্ম তাঁর ভাইকে সামনে রেখে করান। পটিয়ায় মাটি কাটা থেকে শুরু করে সব কাজে হুইপের ভাই নবাবকে টাকা দিতে হয়। সরকারি-বেসরকারি সব কাজেই টাকা দিতে হয়।

 

টাকা না দিলে কাজ হয় না। এসব কারণে পটিয়ায় রাস্তাঘাটসহ সরকারি বিভিন্ন কাজ নির্ধারিত সময়ে হয় না। এক বছরের কাজ শেষ করতে দু-তিন বছরও লেগে যায়। এর কারণ হলো হুইপ ও তাঁর ভাইয়ের অত্যাচার। পটিয়ায় কোনো শান্তি নেই?। হুইপ সামশুল হক তাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী পটিয়াকে চালাচ্ছেন। পুরো পটিয়াকে তাঁর পৈতৃক সম্পত্তি বানিয়ে ফেলেছেন।

 

হুইপের অতীত স্মরণ করে এই মুক্তিযোদ্ধা বলেন, ‘গ্রামে তাঁদের শুধু একটা মাটির ঘর ছিল। সেই ঘরে তিনটা রুম ছিল। এ ঘরেই তাঁরা চার ভাই, মা-বাবা ও বোনদের নিয়ে থাকতেন। তাঁদের তেমন সহায়-সম্পদ ছিল না। পরবর্তী সময়ে এরশাদের আমলে রিয়াজউদ্দিন বাজারে নালার ওপরে ছোট একটা দোকান দেন তাঁরা।

 

এ দোকানই তাঁদের মূল উপার্জনের পথ ছিল। এর আয় দিয়ে কোনোমতে তাদের পরিবার চলত। এই মাটির ঘরে থেকেই সংসদ সদস্য হন হুইপ। সংসদ সদস্য হয়েই তাদের উত্থান। রাতারাতি ওপরে উঠতে শুরু করেন সামশুল হক। ২০১০-১১-এর পরে তারা পুরো পটিয়ার নিয়ন্ত্রণ নেন। নানা অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে হয়ে যান হাজার কোটি টাকার মালিক। এসব নিয়ে কথা বলায় একে একে আমাকে দলের সব পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার ছিলাম। সেখান থেকেও আমাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

 

প্রসঙ্গত, মুক্তিযোদ্ধা সামছুদ্দিন আহম্মদ ১৯৭২ সালে ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি। ১৯৭৫ সালের পর হন পটিয়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। ২০১০ সাল পর্যন্ত ছিলেন পটিয়া থানা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বে। ২০১৩ সাল পর্যন্ত ছিলেন পটিয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার।

 

এই মুক্তিযোদ্ধা আক্ষেপ করে বলেন, ‘আমার বয়স শেষ। বুড়ো হয়ে গেছি। এখন আর কোনো কিছু চাওয়া-পাওয়ার নেই। এখন শুধু একটাই চাওয়া, আমি নেত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চাই। দেখা করে হুইপের অপকর্মগুলো নেত্রীকে জানাতে চাই। আমার বিশ্বাস, নেত্রী সব জানলে হুইপের অপকর্মের দাগ আওয়ামী লীগের গায়ে লাগতে দেবেন না। কারণ তিনি আওয়ামী লীগকে ভালোবাসেন। এটা আমি বিশ্বাস করি। এ জন্যই আমি নেত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চাই। নেত্রীর কাছে একটাই চাওয়া, পটিয়া আওয়ামী লীগকে রাহুমুক্ত করেন। পটিয়া আওয়ামী লীগকে তৃণমূলের কর্মীদের আওয়ামী লীগ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করুন।’

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

পটুয়াখালীতে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৩ ও দুই নারীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ

 

 

পটুয়াখালীতে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৩ ও দুই নারীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ

পটুয়াখালীতে প্রতিপক্ষের হামলায় সদর উপজেলার ২ নং বদরপুর ইউনিয়নে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসী হামলায় তিনজন গুরুতর আহত ও দুই নারীকে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনাটি বুধবার (২৬’মে-২০২১ ইং) তারিখ আনুমানিক বিকেল ৫.৩০ মিনিটের সময় ইউনিয়নের টেংরাখালী গ্রামের আবাসন সংলগ্ন মন্টু খানের মুদি দোকানের সামনে ঘটেছে।
আহতরা হলেন:  আল-আমিন মৃধা (২৫), লিটন মৃধা (৩৫), ফোরকান মৃধা (৫৫), উভয় পিতাঃ মৃত মজিদ মৃধা। হামলাকারী হলেন, [১]. শানু আকঁন (৫৫), পিতাঃ মৃত কালু আকঁন, [২]বেল্লাল আকঁন (২৮), [৩].নাজমুল আকঁন (২২), [৪].ইমরান আকঁন (১৮), উভয়-পিতাঃ শানু আকঁন, [৫]. মঞ্জু আকঁন (৪২), পিতাঃ মৃত কালু আকঁন, [৬]. সিদ্দিক মৃধা (৪৫), [৭]. নিজাম মৃধা (৪০), উভয় পিতাঃ সামেজ মৃধা।
এবিষয়ে মৃত- হাজি আমজেদ আলী খাঁনের ছেলে মোঃ মোতালেব খাঁন বাদী হয়ে সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে পুর্ব পরিকল্পিতভাবে হত্যা চেষ্টার উদ্দেশ্যে অত পেতে থাকা বিবাদিরা এ হামলা চালায়।
উল্লেখিত বিষয়ে আরও বলা হয় বিবাদিরা এলাকার খারাপ প্রকৃতির লোক তাদের জনবল বলিয়ান এছাড়াও মাদক সেবন ও অন্যের জমি জোর করে দখল করা সহ বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত রয়েছে।এলাকার শালিশ বিচার আইন কানুনের তোয়াক্কা করে না।ঘটনার দিন পরিকল্পিত ভাবে বিবাদীগন দেশীয় অস্ত্র সস্ত্র ,লোহার রড, লাঠি, বাশ, নিয়ে হত্যা করার উদ্দেশ্যে ৭-৮ জন অত পেতে ছিলো ঘটনার স্থানে উপস্থিত হলে আতর্কিতভাবে হামলা চালায়।এসময় লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে পেটাতে থাকে এবং ছুরি দিয়ে গলায় জখম করে আঘাতে আহতদের ঠোট, গলা, পিঠ, হাত ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়
এছাড়াও মোসাঃ মানুজা বেগম ও বেবি নামের দুই নারীকে কাপড় চোপড় টানা হেচড়া করে শ্লীলতাহানির লজ্জার ঘটনা ঘটায় এবং আহত ব্যাক্তিদের দুজনের গলায় থাকা দুটি স্বর্নের চেইন বিবাদীরা জোর পুর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যায় যাহার মুল্য আনুমানিক ১ (লক্ষ) ৩০ (হাজার) টাকা।
তাদের ডাক চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে আসলে সকলের সামনে হত্যার হুমকি দিয়ে বীরদর্পে স্থানত্যাগ করে বিবাদীরা। পরে আহতদের উদ্ধার করে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে।আহত ব্যাক্তিরা বর্তমানে হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভর্তি রয়েছেন।
এব্যাপারে অভিযুক্ত ব্যাক্তিদের সঙ্গে মুঠোফোনে ও বিভিন্ন মাধ্যমে একাধিকবার চেষ্টা করেও কাউকে কারো সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
 পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লায় ৭ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

 

 সারা বাংলাদেশে মাদকদ্রব্য চোরাচালানি ছোঁয়াচে রোগের ন্যায় বেড়ে গিয়েছে যা নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করছে বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষ টীম।কুমিল্লা জেলাকেও মাদকমুক্ত করার জন্য গত কয়েকমাস যাবত ধারাবাহিকভাবে অভিযান পরিচালনা করছে।

তারই ধারাবাহিকতায় আজ কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি চৌকস টীম কুমিল্লা জেলার কোতোয়ালি থানাধীন নিশ্চিতপুর এলাকার ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকামুখী রয়েল কোচে অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ী মোঃ রিয়াদ ও মোঃ সাগরকে ৭ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার করে।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় মাদকদ্রব্য চোরাচালান ও নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈলে ইউএনও’র মোবাইল ক্লোন: মেয়রের কাছে টাকা দাবি

ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈলে ইউএনও’র মোবাইল ক্লোন: মেয়রের কাছে টাকা দাবি

 

ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির ষ্টিভের মোবাইল ফোন ক্লোন করে পৌর মেয়রের কাছে টাকা দাবি করে একটি প্রতারক চক্র।

তবে এ ঘটনায় মেয়র প্রতারণার শিকার হয়নি। গত মঙ্গলবার ২৫ মে আনুমানিক ১২ টার সময় ইউএনও’র মোবাইল নাম্বার (০১৭০৮৩৬৮৬৬৬) থেকে পৌর মেয়র মোস্তাফিজুর রহমানের মোবাইলে (০১৭১৬৬২৮৩৯৭) ফোন করে টাকা দাবি করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন ইউএনও স্টিভ কবির নিজেই। এ ব্যাপারে ইউএনও পরদিন বুধবার ২৬ মে রাণীশংকৈল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন বলে জানান।

এ বিষয়ে মেয়রের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘গতকাল দুপুরে ইউএনও’র নাম্বার থেকে আমার কাছে একটি ফোন আসে। ফোনে বলা হয় আমি ঢাকায় আছি, কিছু টাকার প্রয়োজন। এরই মধ্যে ইউএন’র কন্ঠ বুঝতে পেরে আমি তাকে বলি আপনি কে বলছেন? এ কথা শুনা মাত্র ফোনটি কেটে দেয়। সাথে সাথে ঐ নাম্বারে আবারও ফোন দিলে নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।

পরে বিষয়টি ইউএনওকে অবহিত করি।’ রাণীশংকৈল থানার অফিসার ইনচার্জ এসএম জাহিদ ইকবাল জানান, এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন। প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেয়া হচ্ছে।

প্রসঙ্গতঃ একইভাবে গত ১৯ মে রাণীশংকৈল ইউএনও স্টিভ করিরের নামে ভ’য়া পরিচয়ে রতন কুমার নামে এক বীর মুক্তিযোদ্ধার কাছে মুজিব বর্ষ উপলক্ষে সম্মানী ভাতা পাইয়ে দেয়ার নাম করে ৪২ হাজার ২০০ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছিল।

 

//মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ এর ফলে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসে বেড়িবাদ ভেঙে লোকালয়ে পানি

 

কুমিল্লায় ১০ হাজার পিচ ইয়াবা, ১ টি ট্রাকসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

 

 বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলো মাদক চোরাচালানের ট্রানজিট হিসাবে ব্যবহৃত হয়।ফলে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে মাদক গ্রহন ও বিক্রির পরিমাণ যেমন বেশি থাকে তেমনি মাদকদ্রব্য ব্যবসার আখড়ায় পরিবর্তন হয়।মাদকের ভয়াবহতা থেকে সমাজকে রক্ষা করার জন্য ও চোরাচালান বন্ধের জন্য সবসময় সচেতন থাকে পুলিশের একটি বিশেষ টীম।

আজ ২৫ মে-২০২১ রোজ মতো কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি চৌকস টীম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে কুমিল্লা জেলার কোতোয়ালি থানাধীন আলেখারচর মায়ামি রিসোর্টের সামনে অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ী১. জুয়েল মিয়া, ২. সাইফুল ইসলামকে ১০ হাজার পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১ টি ট্রাকসহ গ্রেফতার করেন। উক্ত বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় মাদকদ্রব্য চোরাচালান ও নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

১০ টি হেলিকপ্টার সংযুক্ত হলো বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে

খুলনা জেলা পুলিশের (ডিবি) বিশেষ অভিযানে রূপসা থেকে ৫ চোর গ্রেফতার

 

 খুলনা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান দিক-নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা, খুলনার ইনচার্জ জনাব উজ্জ্বল কুমার দত্ত এর নেতৃত্বে এসআই (নিঃ)/ইন্দ্রজিৎ মল্লিক ও এসআই (নিঃ) বিষ্ণুপদ হালদার সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ একটি টীম রূপসা থানা এলাকায় মাদক উদ্ধারসহ বিবিধ উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযান পরিচালনাকালে ২৩/০৫/২০২১ খ্রিঃ তারিখ ১৬.০০ ঘটিকার সময় রূপসা থানাধীন রূপসা বাসস্ট্যান্ড হইতে তীলক (কুদিরবটতলা) যাওয়ার সময় রূপসা থানাধীন ইলাইপুর দলিলউদ্দীন সড়কের মুজিবর শেখ এর মুদি দোকানের সামনে পাঁকা রাস্তার উপর অনেক লোকজন দেখতে পান। বিষয়টি সন্দেহ হওয়ায় সেখানে দাঁড়ান এবং ০২ টি মাদী ছাগল ও ০৫ জন পেয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

জিজ্ঞাসাবাদে তারা তাদের নাম:

১। মোঃ শহিদুল মীর্জা (২৮), পিতা-মৃত সুলতান মীর্জা, সাং- বাদুরগাছা (কৈয়া বাজার), থানা-ডুমুরিয়া,

২। মোঃ সাজু ব্যাপারী (২৫), পিতা-মোঃ আলহাজ¦ ব্যাপারী, সাং- বাগমারা (মিঠু মোল্যার বাড়ীর ভাড়াটিয়া) শ^শুর সলেমান শেখ (রূপসা বাসষ্ট্যান্ড ফাড়ীর পিছনে বাড়ী), থানা-রূপসা,

৩। মোঃ বাবুল শেখ (৩৫), পিতা- মোঃ আবুল শেখ, সাং- বাদুরগাছা (মুসলমানপাড়া), থানা-ডুমুরিয়া, সর্ব জেলা-খুলনা,

৪। মোঃ রাসেল শেখ (২৬), পিতা-মোঃ আঃ রহিম শেখ, সাং- দোলখোলা (মতলেবের মোড়, আবুর বাড়ীর ভাড়াটিয়া), থানা-খুলনা সদর, কেএমপি, খুলনা,

৫। মোঃ জলিল মোল্যা (৬০), পিতা-মৃত কাশেম মোল্যা, সাং-বিষ্ণুপুর (কলাবাড়ীয়া), থানা- বাগেরহাট সদর, জেলা-বাগেরহাট বলে জানায় এবং তারা ০২ টি মাদী ছাগল সম্পর্কে এলোমেলো ও অসংলগ্ন তথ্য দিতে থাকে।

 

জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তারা উক্ত ছাগল ০২টি পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকান্দি থানার গোশেরহাট নামক এলাকা হতে ২৩/০৫/২০২১ খ্রিঃ তারিখ দুপুর ১২.০০ ঘটিকার সময় অজ্ঞাত ব্যক্তির মাদী ছাগল ০২টি চুরি করিয়া নিয়া এসেছে মর্মে জানায়। ২৩/০৫/২০২১ খ্রিঃ তারিখ ১৬.৩০ ঘটিকার সময় তথায় লোকজনের সামনে উক্ত ছাগলের জব্দতালিকা করেন।

উক্ত ঘটনায় উপরোক্ত আসামীদের বিরুদ্ধে এসআই (নিঃ) বিষ্ণুপদ হালদার, জেলা ডিবি, খুলনা বাদী হয়ে রূপসা থানার মামলা নং-২৩, তারিখ- ২৪/০৫/২০২১ খ্রিঃ, ধারা-৩৭৯/৪১১ পেনাল কোড দায়ের করেন। বর্নিত আসামীরা পেশাদার চোর। আসামী মোঃ শহিদুল গাজীর নামে ০৩ টি চুরির মামলা, আসামী জলিল মোল্যার নামে ০৩ টি চুরির মামলাসহ সর্বমোট ০৮ টি মামলা, আসামি সাজু ব্যাপারীর নামে ০২ টি চুরির মামলা এবং আসামী রাসেল শেখ এর নামে ০১ টি চুরির মামলা রয়েছে।

 

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

কি অপরাধ করেছে আর কি না করেছে সাবেক এমপি আউয়াল: জেনে নিন

কি অপরাধ করেছে আর কি না করেছে সাবেক এমপি আউয়াল: জেনে নিন

 

কি অপরাধ করেছে ক্ষমতার অপব্যবহার করে তার চিত্র একে একে বের হয়ে যাচ্ছে ।  ঢাকার পল্লবীতে চাঞ্চল্যকর সাহিনুদ্দিন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাবেক এমপি এম এ আউয়াল এখন ব্যাপকভাবে সমালোচিত।গত ১৬ মে সাত বছরের শিশুসন্তানের সামনে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে কুপিয়ে সাহিনুদ্দিনকে হথ্যা করে সুমন । সুমন বাহিনীর প্রধান সুমনের নেতৃত্বে কিলিং মিশন বাস্তবায়িত হলেও আলোচিত এ ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতা হিসাবে উঠে আসে আউয়ালের নাম।

 

২০ মে ভোরে আউয়ালকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। তিনি এখন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজতে রিমান্ডে রয়েছেন।

 

গোয়েন্দা পুলিশের হেফাজতে যাবার পর একে একে বের হয়ে আসছে আউয়ালের সব অপকর্মের ঝুড়ি ।

 

নিহত সাহিনুদ্দিনের মা আকলিমা বেগম জানান, পল্লবীর ১২ নম্বর সেকশনের বুড়িরটেকে (আলীনগর) তার ও তাদের স্বজনদের ১০ একর জমি রয়েছে। আশপাশের কিছু জমি দখল করে সেখানে হ্যাভেলি প্রপার্টিজ ডেভেলপার লিমিটেড নামে আবাসন প্রকল্প গড়ে তোলেন আউয়াল।

 

তাদের জমি জবরদখলে ব্যর্থ হয়ে গত বছরের নভেম্বরেও সাহিনকে কুপিয়ে আহত করেছিল তার ক্যাডাররা। সেই ঘটনায় করা মামলায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। উলটো আউয়ালের দেওয়া এক মামলায় সাহিনুদ্দিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়ার সপ্তাহ খানেক আগে সাহিনুদ্দিন জামিনে মুক্তি পান।

 

স্থানীয়রা জানায়, জমির দালাল থেকে রিয়েল এস্টেট কোম্পানির মালিক বনে যাওয়া এমএ আউয়ালের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছিলেন মিরপুর-পল্লবীর বাসিন্দারা। জমি দখলের জন্য ৩০ সদস্যের নিজস্ব সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলেছিলেন তিনি। কাউকে বাসা থেকে ধরে আনতে বা রাস্তায় কুপিয়ে-পিটিয়ে রক্তাক্ত করতে এ বাহিনীকে ব্যবহার করা হতো। স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, আউয়াল ২০০২ সালে পল্লবীর আলীনগরে আসেন সাহিনুদ্দিনের বড় ভাই মাইনুদ্দিনের হাত ধরে। মাইনুদ্দিন-সাহিনুদ্দিনদের জমি ১৩/১৯৫৯/৬০ এবং ৫/৭২/৭৩ এলএ কেসের মাধ্যমে জাতীয় গৃহায়ন অধিদপ্তর জাতীয় রক্ষীবাহিনীর স্থাপনা নির্মাণের জন্য অধিগ্রহণ করেছিল। রক্ষীবাহিনী বিলুপ্ত হওয়ার পর জাতীয় গৃহায়ন অধিদপ্তর এ জমি দীর্ঘদিন পতিত অবস্থায় ফেলে রাখে। জমির হালনাগাদ তথ্য করার সময় ভুলবশত বিএস রেকর্ড আগের মালিকদের নামে হয়ে যায়। জায়গাটির অধিগ্রহণ অবমুক্ত করে দেওয়ার বিনিময়ে জমির একটি অংশ আউয়ালকে দেওয়ার শর্তে মাইনুদ্দিন-সাহিনুদ্দিনদের সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু তিনি জমি অধিগ্রহণ অবমুক্ত করতে পারেননি। পরে আউয়াল সেখানে আবাসন প্রকল্প করে প্লট বাণিজ্য শুরু করেন এবং সাহিনুদ্দিনদের জমি দখলের পাঁয়তারা করেন।

 

৭ মে পল্লবী থানায় দায়ের হওয়া এক মামলার বিবরণে বলা হয়, বুড়িরটেকে আলীনগর আবাসিক এলাকার বাউনিয়া মৌজার সিএস ও এসএ ৩১২৪ দাগের ৮৪ শতাংশ জায়গায় নজর পড়ে সাবেক এমপি আউয়ালের। আউয়াল তার বাহিনী দিয়ে বিভিন্নভাবে ওই জমি দখলের চেষ্টা চালায়। জায়গাটি দখল করতে আউয়ালের বাহিনী একাধিকবার সেখানে হামলা চালায়। জমির মালিকের স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

এরপরও ওই জমি দখল করতে না পেরে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে জমির মালিকের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে। এক পর্যায়ে আউয়ালকে চাঁদা দিতে বাধ্য হন জমির মালিক। চাঁদার টাকা দেওয়ার দৃশ্য সিসি ক্যামেরায় সংরক্ষিত রয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

 

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী হিসাবে তরিকত ফেডারেশন থেকে লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে এমপি নির্বাচিত হন এমএ আউয়াল। এরপর তিনি হয়ে পড়েন লাগামছাড়া। বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে ২০১৮ সালের ১৬ এপ্রিল তাকে তরিকত ফেডারেশনের মহাসচিবের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরে তিনি ইসলামি গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান হন। ২০১৮-এর নির্বাচনেও এমপি পদে মনোনয়ন দাখিল করেন। কিন্তু ঋণখেলাপি হওয়ার কারণে তখন তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। ওই সময় তার ১২ কোটি টাকার ব্যাংক ঋণ ছিল।

 

সূত্র জানায়, এমপি থাকাকালে বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতি, লুটপাটসহ নানা অভিযোগে বিতর্কিত হয়ে উঠেন এমএ আউয়াল। হতদরিদ্রদের মাঝে ঘর নির্মাণ এবং ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠে তার বিরুদ্ধে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ১২ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির সরকারের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক থাকলে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া এবং থাকার যোগ্য হবেন না। কিন্তু সংসদ সদস্য থাকাকালে আউয়াল স্বরাষ্ট্র ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে সৌর বিদ্যুতের আওতায় আনার প্রস্তাব দেন। পরে তার কোম্পানি হ্যাভেলি এনার্জি ও টেকনোলজি প্রাইভেট লিমিটেড এ কাজ হাতিয়ে নেয়।

 

একাদশ সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় তিনি রাজধানীর পল্লবীতে ৬৬ শতক জমি, যার মূল্য প্রায় ১৬ কোটি টাকা ও নিজ গ্রামে ৬০ লাখ টাকা মূল্যের এক তলাবিশিষ্ট ভবন রয়েছে বলে উল্লেখ করেন। এছাড়া হ্যাভেলি প্রপার্টিজ ডেভেলপমেন্টের পরিচালক ও মেসার্স ইয়ুথ এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর উল্লেখ করলেও হ্যাভেলি এনার্জি ও টেকনোলজি প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালনার কথা গোপন রাখেন।

 

নিহত সাহিনুদ্দিনের স্ত্রীর বড় ভাই জহিরুল ইসলাম বলেন, কেবল সাহিনুদ্দিন হত্যাকাণ্ডই নয়, আলীনগরের জমি দখলকে কেন্দ্র করে এর আগেও বেশ কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটেছে অসংখ্যবার। ২০১৫ সালের ১৪ মে সকালে উত্তর কালশীর আলীনগর এলাকায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে নিহত হন মিরপুরের বঙ্গবন্ধু ডিগ্রি কলেজের ছাত্র আব্দুর রহমান চঞ্চল। ওই সন্ত্রাসী হামলায় সাহিনুদ্দিন (সম্প্রতি নিহত) ছাড়াও আহত হন রাজীব ও মোহাম্মদ আলী (৩২) নামে দুই গ্রুপের তিনজন। রাজীবের বাম হাতের কবজির নিচ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ ঘটনার নেপথ্যে কলকাঠি নাড়েন সাবেক এমপি আউয়াল।

আউয়ালের নির্দেশে কিলিং মিশনে নেতৃত্ব দেন নিহত সাহিনুদ্দিনের চাচাতো ভাই বাবুর শ্যালক মোমিন বক্স। মোমিন তখন আউয়ালের মালিকানাধীন হ্যাভেলি প্রপার্টিজ ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের প্রজেক্ট ইনচার্জ ছিলেন। চঞ্চল হত্যাকাণ্ডের দুই মাসের মাথায় ২০১৫ সালের ১২ জুলাই সকালে কালশীর বাউনিয়া বাঁধ সড়কের একটি সেতুর কাছ থেকে মোমিন বক্সের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ‘ডিবি’ পরিচয়ে অপহরণের চারদিন পর তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এই দুই খুনের কয়েক বছর আগে পল্লবীর উত্তর কালশী এলাকায় তিন রাস্তার মোড়ে একটি ড্রেনের পাশে মেলে সাহিনুদ্দিনের চাচাতো বোনের ছেলে আব্বাসের লাশ।সূত্র: যুগান্তর

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশাল চরকাউয়া পরিবহনে অর্ধেক যাত্রী না নিয়েই ভাড়া নিচ্ছে দ্বিগুণ

 

চীন থেকে পাঠানো কিমচিতে প্লেগের ব্যাকটিরিয়া পেলো কোরিয়ার খাদ্য নিয়ন্ত্রক

 

চীন থেকে পাঠানো কিমচিতে প্লেগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটিরিয়ার সন্ধান পেয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা । ২৮৯টি নমুনার ১৫টি কিমচিতেই এ জীবাণু পাওয়া গেছে।

দক্ষিণ চীন মর্নিং পোস্ট (এসসিএমপি) কোরিয়ার খাদ্য ও মাদক নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের জানিয়েছে, ইয়ার্সিনিয়া এন্টেরোকোলিটিকা, যা ইয়েরিসিনিওসিস নামে পরিচিত খাদ্যবিষক্রিয়ার একটি বিরল রূপ। এছাড়াও কোরিয়ার মন্ত্রণালয় আমদানিকারকদের পণ্য বাতিল করার ও ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট চীনা কোম্পানিগুলোর তৈরি পণ্য আমদানি করা হলে পরিদর্শন করার নির্দেশ দিয়েছেন। 

এদিকে, সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) বলেছে, ইয়ারসিনিওসিস প্রতি বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৩৫ জনকে হত্যা করে। ইয়ারসিনিয়া পেস্টিস, যা ‘প্লেগ’ সৃষ্টি করে।  

কিমচিকে প্রায়শই একটি জনপ্রিয় ও আইকনিক কোরিয়ান খাদ্য হিসেবে বিবেচনা করা হলেও, দক্ষিণ কোরিয়া তার চাহিদার প্রায় ৩৫ শতাংশ পূরণের জন্য আমদানিকৃত কিমচির ওপর নির্ভর করে এবং এ বছরের প্রথম তিন মাসে চীন থেকে প্রায় ৬৮,০০০ টন কিমচি আমদানি করেছে।  

এসসিএমপি জানিয়েছে, চীনে একটি বাঁধাকপি প্রক্রিয়াকরণ কারখানার ফুটেজ দক্ষিণ কোরিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর নিয়ন্ত্রকরা ১২ মার্চ থেকে ৭ মে পর্যন্ত আমদানিকৃত কিমচি এবং কিমচি সম্পর্কিত উপাদান পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেয়।

// অনলাইন ডেস্ক //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ফার্মের মরা মুরগি দোকানে ড্রেসিং করে বিক্রি- মানুষের মূল্য কোথায়…!!!

 

 

ফার্মের মরা মুরগি দোকানে ড্রেসিং করে বিক্রি- মানুষের মূল্য কোথায়…!!!

 

ফার্মের মরা মুরগি ড্রেসিং করার সময় স্থানীয় লোকজন মো: রাসেল নামে একজন দোকান কর্মচারীকে ৩০০ মরা মুরগিসহ আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেয় । শনিবার রাত ১০টার দিকে চরফ্যাশন বাজারে মাংসপট্টির মিরাজের মুরগির দোকান থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আটক রাসেলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

আটক রাসেলের বাড়ি উপজেলার আবু বকরপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে।

চরফ্যাশন উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিপন বিশ্বাস জানান, রাতে আবু বকরপুর ইউনিয়নের একটি পোলট্রি ফার্ম থেকে পাঁচটি বস্তায় ভরে ৩০০ মরা বয়লার মুরগি রিকশায় করে পূর্ব বাজারে নিয়ে আসা হয়।

মুরগিগুলো সেখানকার মিরাজের দোকানে ড্রেসিং করার সময় স্থানীয়রা টের পেয়ে রাসেলকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেন।

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ভোক্তা অধিকার আইনে কর্মচারী রাসেলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

তবে আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে দোকানের মালিক পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা যায়নি। মরা মুরগিগুলো চুক্তিকৃত চরফ্যাশন বাজারের হোটেলে দেওয়ার কথা ছিল।

// স্টাফ রিপোর্টার //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

অপরাধ করেই কেন টাকা কামাতে হবে! শিশু হাসপাতাল করোনা কেলেঙ্কারিতে