ঠাকুরগাঁওয়ে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলায় ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

মাহাবুব আলম , ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি।।

ঠাকুরগাঁওয়ে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলায় পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। (১৯ এপ্রিল মঙ্গলবার ) দুপুর ১২টায় সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক গাজী দেলোয়ার হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্তরা আসামিরা হলেন- রানীশংকৈল উপজেলার  বলাঞ্চা গ্রামের কমির উদ্দীনের ছেলে নজরুল ইসলাম, একই গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে ইউনুস আলী ও বদির উদ্দীনের ছেলে সেকেন্দার আলী, উপজেলার চন্দন চৌহাট গ্রামের কতিব উদ্দীনের ছেলে আব্দুল জলিল, বালিয়াডাঙ্গি উপজেলার ভানোর বালিয়া গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে কোফিল উদ্দীন। এদের মধ্যে সিকেন্দার আলী ও নজরুল আলী পলাতক রয়েছেন।অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খলিলুর রহমান ও তোফাজ্জল হোসেন ওরমজিবর রহমানকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদ জানান, ২০১০ সালের ১৪ মার্চ ভুট্টাক্ষেতে এক‌টি মস্তকবিহীন মরদেহ পাওয়া গেলে বালিয়াডাঙ্গি থানার এসআই মো. আতিকুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি এজাহার করেন। যার তদন্তভার একই থানার আরেক এসআই মো. আতিকুল ইসলামের ওপর অর্পিত হয়। তিনি সন্দেহভাজন একজনকে গ্রেফতার করলে তার দেওয়া তথ্যে ইটভাটা থেকে এক‌টি মস্তকের কঙ্কাল উদ্ধার করেন।

এ আইনজীবী আরও বলেন, পরবর্তীতে মামলার তদন্তভার এসআই ফরহাদ আলীর ওপর অর্পিত হলে তিনি আটজনকে আসামি করে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরবর্তীতে জেলা সিআইডির পরিদর্শক মোজাম্মেল হক মামলাটির অধিকতর তদন্ত করে আটজনকে প্রাথমিকভাবে দোষী করে পুনরায় অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এ মামলায় ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়ার পর আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

English Dainikbiswa

ডূমুরিয়ায় বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামের অভিজাত শপিংমলে মূল্যবৃদ্ধির ট্যাগ লাগানের অভিযোগে জরিমানা

//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি//

চট্টগ্রাম মহানগরীর অভিজাতদের শপিংমল হিসেবে পরিচিত সানমার ওশ্যান সিটিতে দুই হাজার টাকার পোশাক নেওয়া হচ্ছে ৬ হাজার টাকা। মার্কেটের গিগল নামের কাপড়ের দোকানে পোশাকের পুরোনো স্টিকার পাল্টে বেশি দামের স্টিকার লাগানো ছিল। এমনকি একই শপিংমলে মানুষের আস্থার ব্র্যান্ড বাটা জুতার শোরুমেও দেখা গেছে দাম বদলানোর এমন চিত্র।

সোমবার দুপুরে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের একটি টিম অভিযান চালিয়ে এমন অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ার পর গিগলকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করে। একইভাবে দেশের স্বনামধন্য বাটা সু কোম্পানির শোরুমে ক্রেতা ঠকানোর প্রমাণ পায় তারা। সানমার ওশ্যান সিটির বাটার শোরুমে এক জোড়া জুতার ১৯৯৯ টাকার ট্যাগ উঠিয়ে ২২৯৯ টাকার নতুন ট্যাগ বসানোর বিষয়টিরও প্রমাণ পেয়েছে অধিদপ্তর। এরপর বাটা শোরুমের কর্তৃক্ষকে সতর্ক করাসহ এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

চট্টগ্রামে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপ-পরিচালক মো. ফয়েজ উল্লাহ অভিযানে নেতৃত্ব দেন। অভিযান শেষে তিনি বলেন, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে ঈদ সামনে রেখে আমরা স্যানমার ওশ্যান সিটিতে অভিযান চালিয়েছি। অভিযানে দেখা গেছে, অনেক দোকানে আগের পণ্যে পুরোনো কম দামের স্টিকার তুলে বেশি দামের স্টিকার লাগিয়ে দিয়েছে। গিগল নামের কাপড়ের দোকানে ২ হাজার টাকার একটি পোশাকে ৬ হাজার টাকার স্টিকার লাগানো হয়েছে। একইভাবে বাটা শোরুমে ১ হাজার ৯৯৯ টাকার জুতার পুরোনো ট্যাগ উঠিয়ে ২ হাজার ২৯৯ টাকার নতুন ট্যাগ বসানো হয়েছে। আমরা প্রতিষ্ঠান দুটিকে জরিমানা করেছি।

মো. ফয়েজ উল্লাহ আরও বলেন, অভিযানে গিগলকে ৮০ হাজার টাকা এবং বাটা শোরুমকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আমরা তাদের সতর্ক করেছি। ঈদের আগে আরও অভিযান চলবে। পরে একই অভিযোগ পাওয়া গেলে দ্বিগুণ তিনগুণ জরিমানা করা হবে বলেও জানান তিনি।

English Dainikbiswa

মারিওপোলের আর কোনো অস্তিত্ব নেই- ইউক্রেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ আইন।। জাল দলিল ও জবরদখলের সর্বোচ্চ শাস্তি ৫ বছর জেল

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

কেউ জাল দলিল করলে ২ বছর এবং মালিকানার অতিরিক্ত জমি রেজিস্ট্রি করে নিলে ৫ বছর কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। কারও জমি জোরপূর্বক দখল করে নিলে জেল-জরিমানা হবে ৩ বছর। এভাবে ৩০টি ধারায় পৃথকভাবে বিভিন্ন মেয়াদে জেল-জরিমানার বিধান রেখে দেশে প্রথমবারের মতো ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ আইন হচ্ছে। শাস্তি প্রদানের ক্ষেত্রে কারাদণ্ডের পাশাপাশি জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। ‘ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন-২০২২’ শিরোনামে নতুন এ আইনের খসড়া ইতোমধ্যে চূড়ান্ত করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়।

প্রস্তাবিত আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের ৪ ও ৫ ধারায় বলা হয়েছে, ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হওয়ার জন্য যদি কেউ সরকারি কিংবা বেসরকারি জমি জাল দলিলের মাধ্যমে নিজের নামে লিখে নেন তাহলে তাকে অনধিক ২ বছর এবং কমপক্ষে ৬ মাসের জেল বা ৫০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হবে। অপরদিকে ৬(১) ধারা অনুযায়ী দাতার মালিকানা ও দখল না থাকা সত্ত্বেও কেউ অতিরিক্ত জমি লিখে নিলে ২ থেকে ৫ বছরের জেল এবং তিন থেকে দশ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। এ ধরনের জালিয়াতি প্রতারণামূলক বেশ কিছু অপরাধকে করা হয়েছে জামিনঅযোগ্য।

যদি কোনো ব্যক্তি তার জমি পূর্বে বিক্রি বা হস্তান্তর করার তথ্য গোপন করে পুনরায় কোনো ব্যক্তির কাছে বিক্রি করেন তাহলে ৫ বছর কারাভোগের মুখোমুখি হতে হবে। একই শাস্তি হবে যদি কেউ একজনের সঙ্গে বায়না দলিল করার পর পুনরায় অন্য কারও সঙ্গে বায়না চুক্তি করেন। এছাড়া কেউ যদি কোনো ব্যক্তিকে ভুল বুঝিয়ে বা মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে প্রতারণামূলকভাবে কোনো জমির দান দলিল সৃষ্টি করেন তাহলে ২ বছরের কারাদণ্ড হবে।

যদি কেউ উত্তরাধিকারীকে বঞ্চিত করে নিজের প্রাপ্যতার বাইরে বেশি জমি নিজের নামে দলিল করে নেয় তাহলে তাকেও অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। এছাড়া কেউ যদি বৈধ কাগজপত্র না থাকা সত্ত্বেও ব্যক্তি মালিকানাধীন বা সরকারি খাস জমিসহ সরকারি যে কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থার মালিকানাধীন ভূমি জোরপূর্বক দখল করেন অথবা দখল অব্যাহত রাখেন তাহলে অনধিক ৩ বছরের কারাদণ্ড হবে।

কোনো ব্যক্তি বেআইনিভাবে সরকারি বা বেসরকারি ভূমি, নদীর পাড়, তলদেশ বা অন্য কোনো ভূমি ইত্যাদি হতে মাটি কাটেন বা কাটান, বালি উত্তোলন করেন বা করান, তাহলে প্রকৃত ক্ষতিসাধন হোক বা না হোক এই অপরাধের জন্য জড়িত ব্যক্তিকে অনধিক ২ বছরের জেল দেওয়া হবে। এছাড়া যদি কোনো ব্যক্তি বেআইনিভাবে মাটি ভরাট করে বা অন্য কোনোভাবে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করেন বা করান তাহলে ২ বছরের কারাদণ্ড হবে। কেউ যদি ভূমির উপরের স্তর হতে মাটি কেটে নেন, বা কাউকে দিয়ে করান তাহলেও তাকে অনধিক ২ বছরের কারাভোগ করতে হবে। যদি কোনো ব্যক্তি কোনো এলাকায় ভূমি অধিগ্রহণ করার বিষয়টি জানতে পেরে দাম বাড়ানোর উদ্দেশ্যে অধিগ্রহণের পূর্বে নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত মূল্যে জমি রেজিস্ট্রি করেন তাহলে সেটি অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে। এজন্য অভিযুক্ত ব্যক্তির অপরাধ প্রমাণিত হলে তাকে অনধিক ২ বছরের জেল দেওয়া হবে।

কোনো ব্যক্তি জনসাধারণের ব্যবহার্য বা পাবলিক ইজমেন্ট, খেলার মাঠ, জলাশয় প্রভৃতি দখল করলে বা ওয়াকফ এস্টেট, দেবোত্তর, কবরস্থান, মসজিদ, মন্দির, গির্জা, ঈদগাহ, প্যাগোডা, মাজার শরিফ, দরগা, শ্মশান প্রভৃতির জমি দখল করলে অনধিক ২ বছরের জেল হবে। এছাড়া চিকিৎসা, শিক্ষা, ক্রীড়া, বিনোদন প্রভৃতি দাতব্য উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত জমি বেআইনিভাবে দখল করেন বা দখল গ্রহণে সহায়তা করলেও একই শাস্তি হবে। মালিকানা না থাকা সত্ত্বেও পাহাড় বা টিলার পাদদেশে যে কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করে বসতি স্থাপন করলে ৩ মাসের কারাদণ্ড হবে।

আইনের ২০ ধারায় বলা আছে, রিয়েল এস্টেট কর্তৃক জমি, ফ্ল্যাট হস্তান্তরের ক্ষেত্রে একটি জমি একাধিক ব্যক্তির বরাবর দলিল সম্পাদন করলে, চুক্তি মোতাবেক নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রাপ্তির পর ঘোষিত সময়ের মধ্যে জমির দখল হস্তান্তর করতে ব্যর্থ হলে, ফ্ল্যাট বিক্রির পর ঘোষিত সময়ের মধ্যে হস্তান্তর করতে না পারলে এবং ফ্ল্যাট হস্তান্তর করার পর ফ্ল্যাটের দলিল হস্তান্তর করতে ব্যর্থ হলে অনধিক ২ বছরের জেল দেওয়া হবে। কমপক্ষে ৬ মাসের জেল। এছাড়া জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে ১০ থেকে ২০ লাখ টাকা। ক্ষেত্র বিশেষে উভয় দণ্ড হতে পারে। এছাড়া এ আইন বাস্তবায়নের সময় রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন-২০১০ এর সঙ্গে যাতে এই আইনের সাংঘর্ষিক অবস্থা তৈরি না হয় সেটি আইনে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

সরকারি-বেসরকারি জমি দখল করে সেখানে কেউ স্থাপনা গড়ে তুললে তাহলে জড়িত ব্যক্তিকে ২ বছরের কারাভোগ করতে হবে। সঙ্গে থাকছে জরিমানা। নদী, হাওড়, বিল ও অন্যান্য জলাভূমির শ্রেণি পরিবর্তন করলে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। আইনের ২৩ ধারায় এ বিষয়ে বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি বেআইনিভাবে এসব স্থান থেকে মাটি, বালি বা আবর্জনা দ্বারা বা অন্য কোনো উপায়ে আংশিক বা পরিপূর্ণ ভরাট করে তাহলে তাকে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। কেউ আংশিক ভরাট করলে অনধিক ১ বছর এবং পরিপূর্ণ ভরাট করলে অনধিক ২ বছর সাজা প্রদানের বিধান রাখা হয়েছে।

কেউ যদি একক বা দলগতভাবে অবৈধভাবে ভূমির দখল গ্রহণ করেন এবং দখল বজায় রাখতে অস্ত্র প্রদর্শন কিংবা ব্যবহার করেন তাহলে এ অপরাধের জন্য ৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হবে। এছাড়া এটি হবে জামিনঅযোগ্য অপরাধ।

এই আইনের অধীনে কেউ একই অপরাধ পুনরায় করলে তাকে নির্ধারিত ধারায় দ্বিগুণ শাস্তি দেওয়া যাবে। এখানেও বিচারের ক্ষেত্রে জামিন পাবেন না। এছাড়া ধারা ৬-এ বর্ণিত দলিল বা কাগজ যদি এক একর অপেক্ষা বেশি হয় বা বিষয়টিতে ল্যান্ড ডেভেলপার বা রিয়েল এস্টেট জড়িত থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অনধিক সাজা হবে ৫ বছর। কমপক্ষে ২ বছর।

এদিকে আইনে সাক্ষীর সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া ৩৪ ধারায় বলা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধিতে যা কিছু থাকুক না কেন, এ আইনের অধীন কোনো প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিকে সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য এই আইনে অনুমোদিত যে কোনো অর্থদণ্ড আরোপ করতে পারবেন।

এই আইনের অধীন অপরাধের তদন্তভার পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাকে দ্রুত তদন্ত শুরু করতে হবে। দায়িত্ব নেওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে হবে।

English Dainikbiswa

মোদির-শাহবাজ।। একে অপরকে চিঠিতে কি লিখলেন!

 

চট্টগ্রামে গ্রেনেড উদ্ধার মামলায় এক জনের ৫ বছরের কারাদন্ড

আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম।।

চট্টগ্রামে গ্রেনেড উদ্ধার মামলায় এক জনের পাঁচ বছরের কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। মঙ্গলবার চট্টগ্রামের সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিজ্ঞ বিচারক আবদুল হাকিম এই রায় প্রদান করেন। চার বছর আগে নগরীর সদরঘাট থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে দায়ের হওয়া মামলায় মঙ্গলবার এই রায় প্রদান করা হয়। কারাদন্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ রকিবুল হাসান (২২)। সে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার কোদলা কাটা সরকার বাড়ীর মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনের পুত্র। তার ছদ্ম নাম সালাহ উদ্দিন আয়ুবী, আবু তাছিব আল বাঙালি ও মো: হাসান।

আদালত সূত্র জানায়, একটি নিখোঁজ ডায়েরীর সূত্র ধরে চট্টগ্রাম মহানগর ডিবি পুলিশ আবদুল্লাহ নামের একজকে খুঁজতে থাকে। এক পর্যায়ে ডিবি পুলিশ জানতে পারে আবদুল্লাহ নেত্রকোনা জেলার কমলাকান্দয় আবস্থান করছে। পুলিশ আবদুল্লাহর ফোনের সূত্র ধরে কয়েকটি মোবাইল নম্বরের সন্ধান পায়। সেই মোবাইলের সূত্র ধরে অনুসন্ধান চালাতে গিয়ে ডিবি কর্মকর্তারা কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তির তৎপরতা শনাক্ত করতে সক্ষম হন।

২০১৮ সালের ১ জানুয়ারী রাতে নগরীর সদরঘাট থানার শুভপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি ভবনের ৫ম তলায় জঙ্গী অবস্থান নিশ্চিত হয়ে তল্লাশি চালিয়ে ১০ টি তাজা গ্রেনেড, দুইটি সুইসাইড ভেস্ট, দুইটি মোবাইল ফোন উদ্ধার কওে পুলিশ। তল্লাশি কালে দুইটি হাতের আঁকা মানচিত্র পাওয়া যায়। যার একটিতে সদরঘাট থানা এবং অন্যটিতে আশেপাশের সরকারী গুরুত্বপূর্ন স্থাপনার তথ্য উল্লেখ রয়েছে। এ সময় রাকিবুল হাসান ও অপর এক শিশুকে আটক করা হয়। আটককৃতদের বিরোদ্ধে সদরঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন নগর পুলিশের বোমা নিস্ক্রয়করণ ইউনিটের সদস্য তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক রাজেস বড়–য়া। অপর দিকে মামলার অপর আসামী ছোট হওয়ায় তার বিরোদ্ধে শিশু আইনে মামলা চলমান রয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি মনোরঞ্জন দাশ জানান, সদরঘাট থানার একটি সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় এক ব্যক্তির ৫ বছরের কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে বিজ্ঞ আদালত। সন্ত্রাস দমন আইনের  ৬ এর ২ ধারায় ৫ বছর ও ৮ ধারায় ৬ মাসের কারাদন্ড এবং ২০ হাজার জরিমানা করেছেন আদালত। কারাদন্ড দুইটি এক সঙ্গে চলবে কিনা তা পূর্ণঙ্গ রায় প্রকাশ হলে জানা যাবে।

 

 

 

 

সময় মেডিকেয়ার এন্ড হসপিসকে জরিমানা করেছে আমতলী ভ্রাম্যমাণ আদালত

//সাইফুল্লাহ নাসির,, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে সময় মেডিকেয়ার এন্ড হসপিসকে বেসরকারি মেডিকেল প্রাকটিস ও ল্যাবরেটারী আইন অমান্য করায় জরিমানা করা হয়েছে।

আজ সকাল সারে এগারোটার সময়ে আমতলী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট নাজমুল ইসলাম এ জরিমানা করেন।

এ ব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট নাজমুল ইসলাম বলেন, THE MEDICAL PRACTICE AND PRIVATE CLINICS AND LABORATORIES (REGULATION) ORDINANCE,1982 অনুসারে লাইসেন্স না থাকায় আমতলী উপজেলার সময় মেডিকেয়ার এন্ড হসপিসকে ৫,০০০/- জরিমানা করা হয়েছে।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটকে  সহায়তা করেন ০২ জন মেডিকেল অফিসার ও আমতলী থানা পুলিশ।

কোলের শিশুকে গুলি করা ৩ সন্ত্রাসী গ্রেফতার

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে বাবার কোলে সন্ত্রাসীদের গুলিতে চার বছর বয়সী শিশু তাসপিয়া নিহতের ঘটনায় তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহিদুল হক রনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, দুপুরে নিহত জান্নাতুল ফেরদাউস তাসপিয়ার চাচা হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তবে মামলার গোপনীয়তার স্বার্থে আসামিদের নাম প্রকাশ করেনি পুলিশ।

ওসি মীর জাহিদুল হক রনি বলেন, ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জনকে আসামি করে নিহত শিশুর চাচা একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। আমরা তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছি। গুরুত্ব দিয়ে মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এর আগে, বুধবার (১৩ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার হাজিপুর ইউনিয়নে পূর্বহাজীপুর গ্রামের ‘মালেকার বাপের দোকান’ এলাকায় এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত হয় শিশু তাসপিয়া। এ সময় তার বাবা আবু জাহেরও গুলিতে গুরুতর আহত হন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পূর্ব হাজিপুর গ্রামের রাশেদ মিয়ার বাড়ির আলম পার্শ্ববর্তী দুর্গাপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীনারায়ণপুর গ্রামের বাদশার কাছে মাটি বিক্রি করেন। কিন্তু বাদশা চুক্তির চেয়ে অতিরিক্ত মাটি কেটে নিতে চাইলে গত ২ দিন ধরে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া- পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে বুধবার বিকেলে বাদশা তার এলাকার দানিশ ব্যাপারী বাড়ির মৃত মমিন উল্যাহর ছেলে রিমন (২৫) ও সলিমুল্লাহর ছেলে মহিনসহ (২৬) বহিরাগত আরও ৫ থেকে ৬ জনকে নিয়ে ঘটনাস্থলে এসেই এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা প্রবাসী জাহের ও তার শিশুকন্যা তাসপিয়া গুলিবিদ্ধ হয়।

পরে তাদের উদ্ধার করে প্রথমে ২৫০ শয্যার নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। ঢাকা নেয়ার পথে রাত সাড়ে ৮টার দিকে শিশু তাসপিয়ার মৃত্যু হয় এবং আহত জাহেরকে ঢাকায় ভর্তি করা হয়েছে।

English Dainikbiswa

৫টি ব্লিচিং পাউডারের ট্রাকে আগুণ 

আমেরিকা আমিরাতের যুবরাজের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন

ঠাকুরগাঁও জেলা আইনজীবী সমিতির শপথগ্রহণ ও অভিষেক অনুষ্ঠান

মাহাবুব আলম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ।।

ঠাকুরগাঁও জেলা আইনজীবী সমিতির নব নির্বাচিত কমিটির শপথ গ্রহণ ও অভিষেক বুধবার (১৩ এপ্রিল) জেলা আইনজীবী সমিতির সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট  আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে শপথ বাক্য পাঠ করান অ্যাডভোকেট বলরাম গুহ ঠাকুরতা।

এ সময় শপথবাক্যে অংশগ্রহণ করেন নব নির্বাচিত সভাপতি অ্যাড. তোজাম্মেল হক মঞ্জু, সহ-সভাপতি অ্যাড. ফজলুল হক, আবু মনসুর বাবুল, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. ইমরান হোসেন চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. আবু আলা হালিমুজ্জামান হেলালী, অর্থ সম্পাদক অ্যাড. নুরুল ইসলাম লাইব্রেরি ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক অ্যাড. শাহজাহান কবির, ট্রেজারি সম্পাদক অ্যাড: নুরুল ইসলাম, কমনরুম ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক  অ্যাড. আতিকুর রহমান সোহাগ, সদস্য  অ্যাড. ইদ্রিস আলী, অ্যাড.  আসাদুজ্জামান রনি, অ্যাড. আবুল কালাম আজাদ ও অ্যাড. জয়ন্ত রায়।

এছাড়াও আইনজীবী নির্বাচন প্রস্তুত কমিটির সদস্যবৃন্দ ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।প্রসঙ্গত: গত রবিবার ১০ এপ্রিল ঠাকুরগাঁও জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে ১২ টি বিভিন্ন পদের মধ্য আ’লীগ সমর্থিত ১১ টি পদে এবং   বিএনপি ১ টি পদে জয়লাভ করেন।

হাইমচরে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা

//মোঃ হোসেন গাজী ,হাইমচর//

মূল্য তালিকা না টাঙানোর দায়ে ভোক্তা অধিকার আইন ২০০৯ মোতাবেক চার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা করেছে চাঁদপুর জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

বুধবার দুপুরে হাইমচর উপজেলার আলগী বাজারে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মূল্য তালিকা না টাঙানোর দয়ে হাটুন স্টোরকে ২ হাজার টাকা, বিসমিল্লাহ কনফেকশনারিকে ৩ হাজার টাকা, পাটোয়ারী স্টোরকে ১০ হাজার টাকা ও কাশেম স্টারকে ৩ হাজার টাকাসহ মোট ১৮ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ নুর হোসেন।

ওই সময় তিনি বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অর্পিত ক্ষমতাবলে, জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশের নির্দেশনায় হাইমচর উপজেলার আলগী বাজারে ভোক্তা অধিদপ্তর চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের বাজার তদারকি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে মূল্য তালিকা না টানানোর দায়ে চার প্রতিষ্ঠানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা ও মেন্টের দোকানেও কোনরূপ অনিয়ম আছে কিনা তা তদারকি করা হয়েছে। জনস্বার্থে এমন কার্যক্রম চলমান থাকবে বলেও জানান তিনি।

অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন হাইমচর থানা পুলিশের একটি টিম।

১৯ বছর পর আজ হুমায়ুন আজাদ হত্যার রায় হলো

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের লেখক অধ্যাপক ড. হুমায়ুন আজাদ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আল-মামুন এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মিজানুর রহমান ওরফে মিনহাজ ওরফে শফিক, আনোয়ার আলম ওরফে ভাগিনা শহিদ, সালেহীন ওরফে সালাহউদ্দিন ও নূর মোহাম্মদ ওরফে সাবু।

এর আগে গত ২৭ মার্চ বিচারক আল-মামুন রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য বুধবার দিন ধার্য করেন।

২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে বইমেলা থেকে বাসায় ফেরার পথে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সামনে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন হুমায়ুন আজাদ। তাকে চাপাতি ও কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। ঘটনার পরদিন তার ভাই মঞ্জুর কবির রাজধানীর রমনা থানায় একটি হত্যাচেষ্টার মামলা করেন।

ওই হামলার পর ২২ দিন রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) এবং ৪৮ দিন থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন হুমায়ুন আজাদ। পরে জার্মানির মিউনিখে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১২ আগস্ট মারা যান তিনি। তার মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর হয়।

২০১২ সালের ৩০ এপ্রিল সিআইডির পরিদর্শক লুৎফর রহমান পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে হত্যা এবং বিস্ফোরকদ্রব্য আইনের মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

এ মামলায় জেএমবির শুরা সদস্য মিজানুর রহমান ওরফে মিনহাজ ওরফে শফিক ও আনোয়ার আলম ওরফে ভাগিনা শহিদ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। হত্যা মামলায় ৫৮ সাক্ষীর মধ্যে তদন্ত কর্মকর্তাসহ ৪১ জন সাক্ষ্য দেন।

English Dainikbiswa

রিজার্ভ চুরিতে নিউইয়র্কে করা মামলার রায় প্রকাশ

ট্রেন চালকরা একদফা দাবিতে সারাদেশে ট্রেন বন্ধ

রিজার্ভ চুরিতে নিউইয়র্কে করা মামলার রায় প্রকাশ

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

নিউইয়র্কের আদালতে দায়ের করা রিজার্ভ চুরি মামলায় বাংলাদেশ ব্যাংক হেরে গেছে। ফিলিপাইনের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বিষয়টি জানা গেছে।

রিজার্ভ থেকে চুরি যাওয়া ৮ কোটি ১০ লাখের মধ্যে ছয় কোটি ৬৪ লাখ ডলার উদ্ধারের জন্য ২০২০ সালে এ মামলা করেছিল বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নিউইয়র্কের সুপ্রিম কোর্ট রায়ে ‘পর্যাপ্ত এখতিয়ার নেই’ উল্লেখ করে তিন বছর আগে করা বাংলাদেশ ব্যাংকের এ মামলা খারিজ করে দেয়া হয়েছে।

বিশ্বজুড়ে আর্থিক খাতে সাইবার হ্যাংকিংয়ের চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় ২০‌১৯ সালে করা মামলায় পক্ষভুক্ত ফিলিপাইনের একটি ক্যাসিনো মালিকের প্রতিষ্ঠানের বরাত দিয়ে দেশটির এনকোয়ারার ও ফিলস্টার সোমবার এ খবর প্রকাশ করেছে।

নিউ ইয়র্কের সুপ্রিম কোর্ট গত ৮ এপ্রিল এ রায় দেয় বলে ব্লুমবেরি রিসোর্টু কর্প সোমবার ফিলিপাইন স্টক এক্সচেঞ্জকে (পিএসই) জানিয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, পর্যাপ্ত এখতিয়ারের অভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের মামলা বাতিল করে দিয়েছে নিউ ইয়র্কের আদালত।

২০২০ সালে করা ওই মামলায় সোলারি রিসোর্ট অ্যান্ড ক্যাসিনো ও ম্যানিলা বে পরিচালনাকারী ব্লুমবেরি রিসোর্টু কর্প, রিজার্ভ চুরির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রিজল কমার্শিয়াল ব্যাংক কর্প (আরসিবিসি) এবং ১৮টি প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করা হয়েছিল।

এর আগে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সুইফট সিস্টেমে ভুয়া বার্তা পাঠিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউ ইয়র্কে (ফেড) রাখা বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার সরিয়ে নেয়া হয় ফিলিপিন্সের রিজল কমার্শিয়াল ব্যাংকে।

রিজল ব্যাংকের এই শাখার মাধ্যমে লেনদেন হয় বাংলাদেশের রিজার্ভের রিজল ব্যাংকের। এই শাখার মাধ্যমে বাংলাদেশের রিজার্ভের ওই অর্থ স্থানীয় মুদ্রা পেসোর আকারে চলে যায় তিনটি ক্যাসিনোতে। এর মধ্যে একটি ক্যাসিনোর মালিকের কাছ থেকে দেড় কোটি ডলার উদ্ধার করে ফিলিপিন্স সরকার বাংলাদেশ সরকারকে বুঝিয়ে দিলেও বাকি ছয় কোটি ৬৪ লাখ ডলার উদ্ধারের বিষয়ে তেমন কোনো অগ্রগতি নেই।

রিজার্ভ চুরির তিন বছরের মাথায় ওই অর্থ উদ্ধারের আশায় নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটন সাদার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে একটি মামলা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মামলা পরিচলানার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ল ফার্ম কোজেন ও’কনরকে।

বাংলাদেশ ব্যাংক চুরি যাওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনা, ক্ষতিপূরণ ও আদায়ে এ মামলা দায়ের করেছিল বলে ২০১৯ সালের অক্টোবরে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই সময় মামলা নিষ্প‌ত্তিতে তিন বছরের মত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের আইনজীবী আজমালুল হোসেন কিউসি।

আজমালুল হোসেন জানান, মামলার ১০৩ পৃষ্ঠার এজাহারে ১৫ জন ব্যক্তি ও সাতটি প্রতিষ্ঠানকে এ মামলায় বিবাদী করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২৫ জনকে রাখা হয়েছে বিবাদীর তালিকায়।

তিন বছর পরই গত ৮ এপ্রিল এ রায় হয় বলে জানায় এনকোয়ারার ডটকম। সংবাদ মাধ্যমটি জানায়, আরসিবিসি ব্যাংকসহ ফিলিপাইনের বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে দায়ের করা এ মামলায় অর্থ সরিয়ে নেওয়া/চুরি/অপব্যবহার, ষড়যন্ত্র ও প্রতারণায় সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছিল।

এর আগে রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ফিলিপিন্সের পক্ষ থেকে তাদের দেশের আদালতে একটি মামলা করা হয়েছিল। ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে ওই মামলার রায়ে আরসিবিসির শাখা ব্যবস্থাপক মায়া সান্তোস দেগিতোকে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত। নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের করা মামলাতেও তাকে আসামি করা হয়েছে।

এর আগে রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ফিলিপিন্সের পক্ষ থেকে তাদের দেশের আদালতে একটি মামলা করা হয়েছিল। ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে ওই মামলার রায়ে আরসিবিসির শাখা ব্যবস্থাপক মায়া সান্তোস দেগিতোকে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত। নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের করা মামলাতেও তাকে আসামি করা হয়েছে। সূত্র: বিডিজা

English Dainikbiswa

ডুমুরিয়ায় চিংড়ি তে অপদ্রব‍্য পুশ করার সময ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান ও জেল জরিমানা