আমতলীতে হেরোইন ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলীতে দেলোয়ার বয়াতি (৪০) নামে এক হেরোইন ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পটুয়াখালী র‍্যাব-৮।

সোমবার রাত সাড়ে ৮ টার সময়ে উপজেলার শাখারিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকার মেসার্স মাদবর মটরস এর পূর্ব পাশের রাস্তা থেকে হেরোইন ক্রয়-বিক্রয়ের সময় দেলোয়ারকে গ্রেফতার করা করা হয়। গ্রেফতারকৃত দেলোয়ার আমতলী উপজেলার কালিপুরা গ্রামের জালাল বয়াতির ছেলে।

র‍্যাব-৮ পটুয়াখালী এর কোম্পানি অধিনায়ক লে. কমান্ডার মোঃ শহিদুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শাখারিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা দৌঁড়ে পালানোর সময়ে একজনকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃতকে তল্লাশি করে তার থেকে ২৪ গ্রাম হেরোইন, পাঁচশত টাকা,মোবাইল ও সিম জব্দ করা হয়েছে।জব্দকৃত হেরোইনের আনুমানিক বাজার মূল্য এক লাখ বিশ হাজার টাকা।ওই মাদক ব্যবসায়ী এলকায় বসবাস করে বরগুনা জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক সরবরাহ করে আসছিল। উদ্ধারকৃত আলামতসহ গ্রেফতারকৃত আসামিকে আমতলী থানায় হস্তান্তর করা হয়।এ ব্যাপারে র‍্যাব বাদী হয়ে আমতলী থানায় মাদকদ্রব্য আইনে একটি মামলা দায়ের করেছে।

বন্দর ও নৌ পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ জাটকা সহ ট্র্যাক ও রেণু পোনা জব্দ

পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল//

বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আসাদুজ্জামান (আসাদ) এর নেতৃত্বে গত (১১এপ্রিল) রাতে  দিনারের পুল চরকাউয়া (জিরো পয়েন্ট) এলাকা থেকে জাটকা ইলিশ ও কাঁচকি মাছ সহ একটি ট্র্যাক জব্দ করার হয়। এছাড়াও নৌ পুলিশের অভিযানে ১০ হাজার রেণু পোনা সহ একজনকে গ্রেপ্তার করেন।  আটককৃত আসামিদের ভ্রম্যামাণ ম্যাজিষ্ট্র্যাটের মাধ্যমে পাঁচ হাজার টাকা করে  জরিমানা করা হয়।

গতকাল (১১এপ্রিল) সন্ধ্যা রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আসাদুজ্জান অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় লাহারহাট লঞ্চঘাট থেকে, ঢাকা মেট্রো -ন’ ১৩ – ৪৭,৭৭ নাম্বারের একটি জ্যাক গাড়ি সন্দেহ জনক থামিয়ে জিজ্ঞেস করলে, তাদের কথা সন্দেহ হলে গাড়িটি তল্লাশি করে, এসময় কাঁচকি মাছের ভিতর, ছোটো ছোটো ইলিশের মাছ দেখে তাদের আটক করেন।

আটককৃত আসামিদের ভ্রম্যামাণ ম্যাজিষ্ট্র্যাটের মাধ্যমে পাঁচ হাজার টাকা করে তিনকে জরিমানা করা হয়। এসময় উপস্থিত বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, মৎস্য কর্মকর্তা ও ম্যাজিষ্ট্র্যাটের আটককৃত রেণু পোনা নদীতে উম্মুক্ত করে দেয় ও বিভিন্ন এতিম খানা ও মসজিদে মাছ বিতরণ করা হয়।  এবিষয়ে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি বলেন, লাহারহাট লঞ্চঘাট থেকে দীর্ঘদিন ধরে কাঁচকি মাছের আড়ালে জাটকা পাচার করে আসছে একটি চক্র, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আমরা মাঠে আছি।

সদর নৌ পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, এই চক্রটি বিভিন্ন মহল ম্যানেজ করে রাস্তায় লোকজন রেখে রাতের আঁধারে গাড়ি পার করে, আমরা দীর্ঘদিন ধরে কাঁচকি আড়ালে জাটকা ইলিশ পাচার করার বিষয়টি শুনে আসছি তবে তাদের লোকজন রাস্তায় থাকায়, আমাদের অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে যায়, তাই আমরা তাদের ধরতে পারি না। অপরাধী যতই ক্ষমতাশীন হোক তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমরা মাঠে আছি।

চট্টগ্রামে গ্রেনেড উদ্ধার মামলায় এক জনের ৫ বছরের কারাদন্ড

আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম।।

চট্টগ্রামে গ্রেনেড উদ্ধার মামলায় এক জনের পাঁচ বছরের কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। মঙ্গলবার চট্টগ্রামের সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিজ্ঞ বিচারক আবদুল হাকিম এই রায় প্রদান করেন। চার বছর আগে নগরীর সদরঘাট থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে দায়ের হওয়া মামলায় মঙ্গলবার এই রায় প্রদান করা হয়। কারাদন্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ রকিবুল হাসান (২২)। সে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার কোদলা কাটা সরকার বাড়ীর মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনের পুত্র। তার ছদ্ম নাম সালাহ উদ্দিন আয়ুবী, আবু তাছিব আল বাঙালি ও মো: হাসান।

আদালত সূত্র জানায়, একটি নিখোঁজ ডায়েরীর সূত্র ধরে চট্টগ্রাম মহানগর ডিবি পুলিশ আবদুল্লাহ নামের একজকে খুঁজতে থাকে। এক পর্যায়ে ডিবি পুলিশ জানতে পারে আবদুল্লাহ নেত্রকোনা জেলার কমলাকান্দয় আবস্থান করছে। পুলিশ আবদুল্লাহর ফোনের সূত্র ধরে কয়েকটি মোবাইল নম্বরের সন্ধান পায়। সেই মোবাইলের সূত্র ধরে অনুসন্ধান চালাতে গিয়ে ডিবি কর্মকর্তারা কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তির তৎপরতা শনাক্ত করতে সক্ষম হন।

২০১৮ সালের ১ জানুয়ারী রাতে নগরীর সদরঘাট থানার শুভপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি ভবনের ৫ম তলায় জঙ্গী অবস্থান নিশ্চিত হয়ে তল্লাশি চালিয়ে ১০ টি তাজা গ্রেনেড, দুইটি সুইসাইড ভেস্ট, দুইটি মোবাইল ফোন উদ্ধার কওে পুলিশ। তল্লাশি কালে দুইটি হাতের আঁকা মানচিত্র পাওয়া যায়। যার একটিতে সদরঘাট থানা এবং অন্যটিতে আশেপাশের সরকারী গুরুত্বপূর্ন স্থাপনার তথ্য উল্লেখ রয়েছে। এ সময় রাকিবুল হাসান ও অপর এক শিশুকে আটক করা হয়। আটককৃতদের বিরোদ্ধে সদরঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন নগর পুলিশের বোমা নিস্ক্রয়করণ ইউনিটের সদস্য তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক রাজেস বড়–য়া। অপর দিকে মামলার অপর আসামী ছোট হওয়ায় তার বিরোদ্ধে শিশু আইনে মামলা চলমান রয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি মনোরঞ্জন দাশ জানান, সদরঘাট থানার একটি সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় এক ব্যক্তির ৫ বছরের কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে বিজ্ঞ আদালত। সন্ত্রাস দমন আইনের  ৬ এর ২ ধারায় ৫ বছর ও ৮ ধারায় ৬ মাসের কারাদন্ড এবং ২০ হাজার জরিমানা করেছেন আদালত। কারাদন্ড দুইটি এক সঙ্গে চলবে কিনা তা পূর্ণঙ্গ রায় প্রকাশ হলে জানা যাবে।

 

আদালতে বিচারকের সামনে ছুরি দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

চট্টগ্রাম আদালতে এজলাসে ঢুকে প্রকাশ্যে গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে এক যুবক। তবে পুলিশসহ উপস্থিত লোকজন তাকে নিবৃত্ত করেন। পরে পুলিশ তাকে আটক করেছে।

সোমবার বেলা ১২টার দিকে চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহনাজ রহমানের আদালতে এ ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

আটক মোহাম্মদ জাফর (৩০) নগরীর ডবলমুরিং থানাধীন পশ্চিম মাদারবাড়ি এলাকার টং ফকির মাজার এলাকার আবদুর রাজ্জাকের ছেলে।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (এডিসি-প্রসিকিউশন) কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, জাফর মাদকাসক্ত এবং ছোটখাট ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত। এ ধরনের এক মামলায় গ্রেফতারের পর মাসখানেক আগে তাকে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহনাজ রহমান জামিন দেন। এরপর থেকে জাফর নিয়মিত আদালত এলাকায় ঘোরাফেরা করত। মাঝে মাঝে ওই আদালতেও ঢুকে বসে থাকত।

সোমবার আদালতের কার্যক্রম চলছিল। হঠাৎ এজলাসে ঢুকে জাফর চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করে। ম্যাজিস্ট্রেটকে উদ্দেশ্য করে বলতে থাকে, তার কথা না শুনলে সে গলায় ছুরিকাঘাত করে আত্মহত্যা করবে। এ সময় সে পকেট থেকে ছুরি বের করে গলায় পোচ দেয়। তবে ছুরি ভোতা ধরনের হওয়ায় গুরুতর জখম হয়নি, আঁচড় লেগেছে শুধু। এরপর দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা আদালত কক্ষে উপস্থিত লোকজনের সহায়তায় তাকে আটক করে।

তিনি আরও বলেন, আমরা আটকের পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করি। মাদক সেবনের কারণে তার মানসিক সমস্যা হয়েছে বলে কথাবার্তায় মনে হয়েছে। অসংলগ্ন কথাবার্তা বলছে।

এ ঘটনায় ওই আদালতের পেশকার বাদি হয়ে নগরীর কোতোয়ালী থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিয়েছেন। মামলা দায়েরের পর জাফরকে কোতোয়ালী থানায় হস্তান্তর করা হবে বলে এডিসি কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন।

English Dainikbiswa

হাইমচরে ইনসাফ সমাজ কল্যাণ পরিষদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

বরগুনার তালতলীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা ও ক্লিনিক সীল গালা

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার তালতলীতে একজন ডাক্তারকে জরিমানা ও লাইসেন্স না থাকায় একটি ক্লিনিককে সিলগালা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় নানা অনিয়মের অভিযোগে আরও দুইটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, একটি ফার্মেসিকে জরিমানা করা হয়েছে।

আজ সোমবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট  মোঃ কাওসার হোসেন  অভিযান চালান।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়,তালতলী উপজেলা সদরে বেসরকারী ইসলামিয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালের লাইসেন্স এবং  সার্বক্ষণিক দায়িত্বরত ডাক্তার না থাকাসহ দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়মের অভিযোগে  হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার সিলগালা করা হয়। একইসাথে ঐ হাসপাতালকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

নিউ পপুলার ডায়গণষ্টিক সেন্টারে মুল্য তালিকা ও সকল পরিক্ষা পত্রে কেবল ফার্মাসিষ্টের  এজার স্বাক্ষর থাকায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তালতলী ল্যাব এইড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে লাইসেন্স না থাকায় ৫ হাজার ও বিসমিল্লাহ ড্রাগ হাউসে বিভিন্ন কোম্পানির স্যাম্পল ঔষধ ও ড্রাগ রেজিস্ট্রেশন মেয়াদ না থাকায় ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এছাড়াও মহসীন রেজা নামের এক ব্যক্তি মা ও শিশু রোগের বিশেষ প্রশিক্ষন প্রাপ্ত এমন একটি সাইবোর্ড টানিয়ে দীর্ঘদিন ধরে রোগিদের সাথে প্রতরণা করে আসছে। এমন অভিযোগে ঐ মহসীন রেজার চেম্বারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়।এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কোনো সার্টিফিকেট দেখাতে পারেননি। পরে ভূয়া কাগজপত্র দেখালে সেগুলো জব্দ করে তাকে ৩০ হাজার টাকা জরিমান করা হয় ও তার চেম্বরটি সিলগালা করে দেওয়া হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী  কর্মকর্তা মোঃ কাওসার হোসেন বলেন, অনুমোদনহীন ও অবৈধ উপায়ে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। এছাড়াও বৈধতা না থাকায় ক্লিনিক গুলোর মালিককে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একটি ক্লিনিক সিলগালা করা হয়েছে।  ভ্রাম্যমাণ আদালতের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

English Dainikbiswa

হৃদয় মন্ডলের পরিবারের নিরাপত্তার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ

ডুমুরিয়ায় পাউবোর জমি অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ অভিযান

//ডুমুরিয়া সংবাদদাতা খুলনা//

ডুমুরিয়া উপজেলা সদরে পাউবোর জমি অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ অভিযান আবারো শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড’র যৌথ উদ্যোগে এ উচ্ছেদ অভিযান চলছে। ১০ এপ্রিল রোববার সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত  উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।

এদিকে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা নিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ডুমুরিয়া সদরের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের আশ-পাশ এবং চৌরঙ্গী মোড় হতে শংঙ্খ মহল সিনেমা হয়ে আরো পশ্চিম দিক পর্যন্ত এবং ডুমুরিয়া বাজারের বিভিন্ন স্হানে পাউবোর অধিগ্রহনকৃত জমিতে শত শত অবৈধ স্হাপনা থাকলেও সেগুলো উচ্ছেদ না করে বার বার একটি নির্দিষ্ট স্হানে অভিযান পরিচালনা করায় এ প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে পাউবো খুলনা পওর শাখা-১ এর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ মিজানুর রহমান জানান, ডুমুরিয়া সদরের শালতা ও ভদ্রা নদীর পাশসহ অন্যান স্হানে পাউবোর অধিগ্রহনকৃত ৬ একর ৪৫ শতাংশ জমিতে প্রায় তিন শতাধিক ব্যক্তি পাকা,আধাপাকা ইমারত নির্মাণ সহ অবৈধ ভাবে বাড়ি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে চালিয়ে আসছে।

এ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের লক্ষ্যে ইতি পূর্বে আরও দু’বার উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। কিন্তু দখলদারেরা কিছুদিন যেতে না যেতেই আবার তা দখলে নিয়ে নেয়। সম্প্রতি উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে পাউবোর সম্পত্তি উদ্ধার ও দখলে নিতে এ অভিযান শুরু করা হয়েছে এবং তা অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরো বলেন, এই সকল জায়গায় গড়ে ওঠা সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে সীমানা নির্ধারণ করে কাঁটা তারের বেড়া দেয়া হবে। এজন্য নিয়োগ করা হয়েছে ৩টি এস্কেভেটর ও ১৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি লেবার টিম। আশু অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ এরপর সরকারি সিদ্ধান্তে পরবর্তী কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।

উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মামুনুর রশীদ এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন। অভিযানে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ড খুলনা পওর শাখা-১ এর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ মিজানুর রহমান ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ হাসনাতুজ্জামান। অভিযানে থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (অপারেশন) মোঃ ইমদাদুল হকের নেতৃত্বে সাদা ও পোশাক ধারী প্রায় অর্ধশতাধিক পুলিশের একটি টিম সহযোগীতা করেন।

English Dainikbiswa

কুয়েট এ আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থী অন্তর পরিবার কে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর করে দেওয়ার আশ্বাস দিলেন ইউএনও

ডুমুরিয়ায় ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক ব‍্যবসায়ি গ্রেফতার

শিক্ষক হৃদয় মন্ডল ১৯দিন পর জামিনে মুক্তি পেল

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার বিনোদপুর রাম কুমার উচ্চবিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও গণিতের কারাবন্দী শিক্ষক হৃদয় চন্দ্র মণ্ডল জামিন পেয়েছেন। রোববার বেলা সোয়া ১টার দিকে মুন্সিগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোতাহারাত আক্তার ভূঁইয়া এ আদেশ দেন।

জামিনের পক্ষে যুক্তিতর্ক তুলে ধরেছেন অভিযুক্ত শিক্ষক হৃদয় চন্দ্র মন্ডলের আইনজীবী শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ। সরকার পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেছেন অ্যাডভোকেট পল্টু।

হৃদয় মন্ডলকে গ্রেপ্তারের ১৯ দিনের মাথায় তৃতীয় দফায় এ জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হল।

গত মঙ্গলবার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জামিন চেয়ে ফৌজদারি মামলা দায়ের করেন হৃদয় মন্ডলের আইনজীবী হৃদয় মণ্ডলের আইনজীবী শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ। সেদিন মামলাটিতে আসামির জামিন শুনানি ১০ এপ্রিল শুনানির জন্য ধার্য করেন আদালত।

এর আগে গত ২৩ ও ২৮ মার্চ আদালতে তার জামিন চাওয়া হয়েছিল। সে সময় আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছিলেন।

ইসলাম ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হৃদয় চন্দ্র মণ্ডলের বিরুদ্ধে গত ২২ মার্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী মো. আসাদ বাদী হয়ে মামলাটি করেন। ওই দিনই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গত বৃহস্পতিবার হৃদয় চন্দ্র মণ্ডলের নিঃশর্ত মুক্তি চেয়ে বিবৃতি দেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংগঠন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক।

সংগঠনটির ৭২ শিক্ষক এক যৌথ বিবৃতিতে ওই দাবি জানান। বিবৃতিতে বলা হয়  ‘হৃদয় চন্দ্র মণ্ডলের মতো একজন শিক্ষককে রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মানিত করা প্রয়োজন। সেখানে রাষ্ট্র তাঁকে কারাগারে বন্দী করে রেখেছে। এ ঘটনা আমাদের হতবাক করেছে। বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা শঙ্কিত ও উদ্বিগ্ন।’

এক বিবৃতির মাধ্যমে হৃদয় চন্দ্র মণ্ডলের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি। একই সঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীদের শাস্তির দাবি করেছে সংগঠনটি।

বিবৃতিতে বলা হয়, মৌলবাদীদের ষড়যন্ত্রের শিকার শিক্ষক হৃদয় চন্দ্র মণ্ডলের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছে নির্মূল কমিটি।

এ ছাড়াও গত বুধবার উদ্বেগ জানিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছেন দেশের ১৮ বিশিষ্টজন। তারা হৃদয় মণ্ডলের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছেন।

English Dainikbiswa

বরগুনার আমতলীতে বাস টার্মিনাল নাই। যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে

হেরে গেলেন ইমরান খান, ঘটে গেল অনেক ঘটনা..

পাকিস্তানের সর্ব্বোচ্চ আদালত পার্লামেন্ট পুণর্বহালের নির্দেশ- কি হবে ইমরানের

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

পাকিস্তানের পার্লামেন্ট পুনর্বহাল করেছেন সুপ্রিম কোর্ট। এখন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের ওপরও ভোটাভুটি হবে। এ জন্য শনিবার দিন ধার্য করেছেন সর্বোচ্চ আদালত। খবর জিয়ো নিউজ ও ডনের।

পাঁচ দিনের শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি উমর আতা বান্দিয়ালের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বৃহত্তর বেঞ্চ সর্বসম্মতভাবে বৃহস্পতিবার রাতে এ রায় দেন।

সর্বোচ্চ আদালত বলেন, ‘পার্লামেন্ট ভেঙে দিতে প্রেসিডেন্টকে পরামর্শ দেওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই প্রধানমন্ত্রীর। এ–সংক্রান্ত সব সিদ্ধান্ত বাতিল ঘোষণা করা হলো।’ প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবকে ‘অসাংবিধানিক’ বলে ডেপুটি স্পিকার কাসিম খান সুরির খারিজ করে দেওয়ার সিদ্ধান্তও বাতিল করেছেন আদালত।

শনিবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন বসবে জানিয়ে সর্বোচ্চ আদালত বলেন, অনাস্থা প্রস্তাবের সুরাহা না করে অধিবেশন মুলতবি করা যাবে না।

গত ৩ এপ্রিল ইমরান খানের বিরুদ্ধে আনা বিরোধী দলগুলোর অনাস্থা প্রস্তাব ‘অসাংবিধানিক’ আখ্যা দিয়ে খারিজ করে দেন জাতীয় পরিষদের ডেপুটি স্পিকার কাসিম খান সুরি। এর পরপরই প্রধানমন্ত্রী ইমরানের পরামর্শে পার্লামেন্ট ভেঙে দেন প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি।

এ পুরো প্রক্রিয়াকে ‘অসাংবিধানিক’ আখ্যা দিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন বিরোধীরা। অন্যদিকে সুপ্রিম কোর্ট অনাস্থা প্রস্তাব খারিজের দিনই স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে নোটিশ দেন। সর্বোচ্চ আদালত তখন বলেছিলেন, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর তাঁরা নজর রাখছেন। পরে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত বৃহত্তর বেঞ্চে শুনানি শেষে পার্লামেন্টে পুনর্বহালের নির্দেশ দেওয়া হলো।

এর আগে এ নিয়ে শুনানির দ্বিতীয় দিন গত সোমবার প্রধান বিচারপতি বলেছিলেন, সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদ উদ্ধৃত করেও স্পিকার অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ করে দিতে পারেন না। আর বৃহস্পতিবার শুনানি শুরুর পরপরই প্রধান বিচারপতি বলেন, বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব ডেপুটি স্পিকার কাসিম খান সুরির খারিজ করে দেওয়া সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন। এ সিদ্ধান্ত ‘ত্রুটিপূর্ণ’। তবে আদালত এ–ও বলেন, তাঁরা কেবল জাতীয় স্বার্থ ও বাস্তবায়নযোগ্য দিকগুলো বিবেচনায় নেবেন। আদালত স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় রায় ঘোষণা করা হবে বলে জানান। পরে তা কিছু সময় পিছিয়ে যায়।

এ রায় সামনে রেখে আদালত চত্বরে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়। আদালতের বাইরে মোতায়েন করা হয় দাঙ্গা পুলিশ।

ডেপুটি স্পিকারের সিদ্ধান্তকে বৃহস্পতিবার আদালত ‘ত্রুটিপূর্ণ’ বলার পরপরই জাতীয় পরিষদের বিরোধীদলীয় নেতা পাকিস্তান মুসলিম লিগের (নওয়াজ) সভাপতি শাহবাজ শরিফ বলেন, আদালত যদি মনেই করেন অনাস্থা প্রস্তাব খারিজের সিদ্ধান্ত ‘ত্রুটিপূর্ণ’, তাহলে পার্লামেন্ট পুনর্বহাল হওয়া উচিত।

আর পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি বলেন, ডেপুটি স্পিকারের ‘অসাংবিধানিক’ সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের গণতন্ত্রকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। তিনি সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চের উদ্দেশে বলেন, বিরোধীরা চান, সরকার গঠনের মাধ্যমে নির্বাচনব্যবস্থায় সংস্কার আনা হোক। নির্বাচনী সংস্কার নিয়ে একটি বিলের খসড়াও করা আছে।

এর আগে অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ ও পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার দিন বিরোধীরা বলেছিলেন, নির্বাচনের ময়দানে নামার ব্যাপারে তাঁরা ভীত নন। কিন্তু এমন সিদ্ধান্ত অগ্রহণযোগ্য। শাহবাজ শরিফ তখন বলেছিলেন, তাঁদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবকে ‘অসাংবিধানিক’ আখ্যায়িত করে খারিজ করে দেওয়ার বিষয়টি চরম বিশ্বাসঘাতকতা ছাড়া আর কিছু নয়। তবে তিনি আশা করেন, সংবিধান সমুন্নত রাখতে সুপ্রিম কোর্ট নিশ্চয়ই ভূমিকা রাখবেন।

এদিকে ইমরান খান ‘গুরুতর রাষ্ট্রদ্রোহ’ করেছেন বলে অভিযোগ করেন শাহবাজের ভাই ও পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ।

জোট সরকারের ওপর থেকে শরিক দলগুলো তাদের সমর্থন প্রত্যাহার করায় বিপাকে পড়েন ইমরান খান। পরে নিজ দলেরই একটা অংশ তাঁকে ছেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি পুরো প্রতিকূল হয়ে ওঠে তাঁর। অনাস্থা ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ১৭২ ভোট ইমরানের পক্ষে ছিল না। এ কারণে ভোটাভুটি হলে তাঁর ক্ষমতাচ্যুতি অনেকটাই নিশ্চিত ছিল বলে মনে করছিলেন সবাই।

বিরোধীদের দাবি, ২০১৮ সালে সামরিক বাহিনীর সমর্থনে ক্ষমতায় এসেছেন ইমরান। এখন তাঁর মাথার ওপর থেকে শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর ছায়া সরে গেছে। যদিও কোনো পক্ষই বিষয়টি স্বীকার করে না।

স্বাধীনতার পর ১৯৪৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত পাকিস্তানের কোনো নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তাঁর মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেননি। জেনারেলরা নানা অজুহাতে শাসনভার নিজেদের হাতে তুলে নিয়েছেন।

English Dainikbiswa

বরিশালের কাউনিয়া থানায় ‘ওপেন হাউজ ডে’ অনুষ্ঠিত

রিয়াজ বাহিনীর ৫ জন গ্রেফতার করেছে র‌্যাব

//অনলাইন নিউজ ডেস্ক//

নারায়ণগঞ্জে ছিনতাই ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন ‘সন্ত্রাসী’ কার্যক্রম চালানোর অভিযোগে স্থানীয় সন্ত্রাসী দল ‘রিয়াজ বাহিনীর’ প্রধান রিয়াজুল ইসলাম টিপু ওরফে ‘শুটার রিয়াজ’সহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

বুধবার রাতে রূপগঞ্জ ও সোনারগাঁও থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান।

গ্রেপ্তাররা হলেন, রিয়াজুল ইসলাম টিপু ওরফে রিয়াজ (২২), মো. জাহিদুল ইসলাম ওরফে কালা ভাগিনা (২৩), মারুফ হোসেন মুন্না (২৩), মো. সেলিম (২৩) ও মো. মাহবুব মিয়া (২৩)।

বৃহস্পতিবার কারওয়ানবাজারে এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়, গ্রেপ্তাররা ‘পেশাদার খুনি ও অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ী শুটার রিয়াজের নেতৃত্বে’ নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ, সোনারগাঁও ও তার আশপাশের এলাকায় ‘সন্ত্রাসী কার্যকলাপ’ চালিয়ে আসছিল।

কমান্ডার মঈন বলেন, “২৯ মার্চ রূপগঞ্জ এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে একজন গুলিবিদ্ধ হয় ও ২০ জন আহত হন। তখন এলাকায় ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়।”

গত ১৫ মার্চ রূপগঞ্জ এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে শফিক ও শামীম মল্লিক নামে দুই ব্যক্তিকে তাদের বাসার সামনে এলোপাতাড়ি গুলি করা হয়।

তার আগে গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর রূপগঞ্জ এলাকায় বাড়িতে ঢুকে বিদ্যুৎ নামে একজনকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালানো হয়। সেসময় একটি মেয়ের চোখে গুলি লেগে তার চোখ নষ্ট হয়ে যায়।

একই বছরের ৭ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গুলিতে একজন নিহত হয়।

কমান্ডার মঈন বলেন, “এই ঘটনাগুলো পর্যালোচনায় দেখা যায়, ঘটনাগুলো এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি, অবৈধ জমি দখলকে কেন্দ্র করে রিয়াজ বাহিনীর প্রধান রিয়াজের নেতৃত্বে সংঘটিত হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে স্বীকার করেছে।”

তিনি বলেন, ওই সন্ত্রাসী দলে সদস্য সংখ্যা ১০ থেকে ১৫ জন। রিয়াজের নেতৃত্বে তারা অস্ত্র নিয়ে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে আসছিল।

“রিয়াজের নেতৃত্বে তারা বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ হয়ে এলাকায় জমি দখল, চাঁদাবাজি, মার্কেট ও বাসস্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতি, অপহরণ ও মাদক ব্যবসা করত।”

রিয়াজের নেতৃত্বেই এলাকায় বালু ভরাট ও মাটি কাটার ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করা হত এবং ট্রাক থেকে চাঁদা আদায় করা হত বলে র‌্যাবের ভাষ্য।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গ্রেপ্তারের সময় তিনটি বিদেশি পিস্তল, ১২ রাউন্ড গুলি, পাঁচটি ধারাল দেশীয় অস্ত্র, একটি মোটরসাইকেল ও ৬০০ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

‘বড় ভাইয়ের হাত ধরে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে’

কমান্ডার মঈন বলেন, ২০১৬ সালে সোনারগাঁওয়ের একটি স্কুলে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় বড় ভাই মোহাম্মদ আলীর মাধ্যমে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হন রিয়াজ।

পরে রূপগঞ্জ ও সোনারগাঁও এলাকায় চাঁদাবাজি, ভূমি দখল ও ভাড়ায় মারামারি করতে গিয়ে ‘স্থানীয় এক ব্যক্তির মাধ্যমে’ অপরাধ জগতের লোকজনের সাথে তার সখ্যতা গড়ে ওঠে।

“একপর্যায়ে ওই ব্যক্তির সঙ্গে মনোমালিন্য হলে সে নিজেই একটি সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলে এবং তার সহযোগীদেরকে অবৈধ অস্ত্র সরবরাহ শুরু করে।”

র‌্যাব জানায়, রিয়াজের বড় ভাইও সন্ত্রাসী কাজে যুক্ত এবং আত্মগোপনে রয়েছেন। রিয়াজের বিরুদ্ধে হত্যা, মারামারি, বিস্ফোরক ও অস্ত্র আইনে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন থানায় ১৫টি মামলা ও বেশ কয়েকটি জিডি রয়েছে। একাধিকবার তিনি গ্রেপ্তারও হয়েছেন। সূত্র: বিডিনিউজ

English Dainikbiswa

বরিশালে বিশ্বরঙ উদ্বোধনে আসছে ৬ জন তারকা

পুতিনের দুই কন্যাদেরও মার্কিনের নিষেধাজ্ঞা

খুলনার রূপসায় ইট ভাটায় জরিমানা

//রূপসা প্রতিনিধি//

রূপসায় ইট ভাটা থেকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

আদালত সূত্রে জানা যায়, রূপসার শ্রীফলতলা ইউনিয়ন ভবানীপুর গ্রামে মোল্যা এনামুল কবিরের (এস.বি.এম) ইট ভাটা। তারা শ্মশান মন্দির এলাকা থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে ইট প্রস্তুত করছিল।

এ খবর পেয়ে গত ৫ এপ্রিল বিকেলে, অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মো. সাজ্জাদ হোসেন। ইট ভাটায় সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় বালুমহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

এ সময় অফিস সহকারি মো. নূরুল ইসলাম সহ আনসার ও পুলিশের টিম উপস্থিত ছিল।