রাশিয়ার বিজয় দিবসে পুতিন জানিয়ে দিল ইউক্রেন ও পুশ্চিমাদেরে আসল উদ্দেশ্য কি ছিল

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

রাশিয়ার মস্কোর রেড স্কয়ারে রোববার বিজয় দিবস উদযাপন করেছে রাশিয়া।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মান নাৎসি বাহিনীর বিরুদ্ধে ৯ মে জয় পায় বর্তমান রাশিয়া ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।

আর এবারের বিজয় দিবসে রাশিয়ারপুতিন কথা বলেছেন চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে।

তিনি তার বক্তব্যের একটি অংশে বলেছেন, ইউক্রেনে তারা হামলা করেছেন কারণ ইউক্রেনকে ব্যবহার করে ক্রিমিয়া ও রাশিয়ার মূল ভূখন্ডে আঘাত করার পরিকল্পনা করছিল পশ্চিমারা।

ফলে ইউক্রেনে কথিত বিশেষ সামরিক অভিযান বা হামলা চালানো জরুরি হয়ে পড়েছিল।

এ ব্যাপারে পুতিন বলেন, পশ্চিমারা ক্রিমিয়াসহ আমাদের ভূখন্ডে হামলা করার পরিকল্পনা করছিল।

তবে নিজের এমন দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি রুশ প্রেসিডেন্ট।

তাছাড়া বিজয় দিবসের প্যারেডে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোরও সমালোচনা করেছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন।

ন্যাটোর ব্যাপারে পুতিন বলেন, রাশিয়ার চারদিকে নিজেদের পরিধি বাড়িয়ে অগ্রহণযোগ্য হুমকি তৈরি করেছে ন্যাটো।

বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে কুঁচকাওয়াজে অংশ নিতে রেড স্কয়ারে সমবেত হওয়া সেনাদের উদ্দেশে পুতিন বলেন, ইউক্রেনে নাৎসীবাদীদের বিরুদ্ধে লড়ছে রুশ সেনারা।

পুতিন আরও বলেন, যেন আরেকটি বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা বিশ্বকে দেখতে না হয় তার জন্য সবকিছু করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সূত্র: আল জাজিরা, বিবিসি

English Dainikbiswa

খুলনার মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেককে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়া হয়েছে

এতজন রুশ জেনারেল নিহতের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ আছে কি….!

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

ইউক্রেনে কমপক্ষে সাতজন রুশ জেনারেল নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। কোনো যুদ্ধে শীর্ষস্থানীয় সেনা কর্মকর্তা নিহতের ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটা অনেক বেশি।

ইউক্রেন যুদ্ধে শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তার প্রাণহানির সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। বিবিসি রোববার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের তার সর্বশেষ গোয়েন্দা আপডেটে জানিয়েছে, যুদ্ধক্ষেত্রে এতো বেশি কমান্ডার থাকলে সাধারণ সৈন্যদের নির্দেশ দেওয়া ও নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। পাশাপাশি এতো সেনা নিহতের জন্য রুশ বাহিনীর অদক্ষতাকেও দায়ি করেছে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়. রুশ কমান্ডাররা খুব কমই তাদের অধস্তনদের  অপারেশনাল দায়িত্ব দেন।  ফলে অধস্তনরা নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা অর্জন করে না। এই কারণে রুশ বাহিনী প্রতিরোধের মুখে সহজে জবাব দিতে কিংবা  যুদ্ধক্ষেত্রে বিকল্প সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।

এদিকে, চলমান যুদ্ধে নিহত রাশিয়ার জেনারেলদের হত্যার জন্য ইউক্রেনকে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করে যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা করেছে বলে সিনিয়র মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইসম জানিয়েছে। যদিও এই দাবি অস্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

রাশিয়ার অভ্যন্তরে যেসব হামলা হচ্ছে সেগুলো কি ইউক্রেন করছে নাকি অন্তর্ঘাতমূলক…

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর উত্তর-পশ্চিমে তেভারের মহাকাশ গবেষণা ইনস্টিটিউটে মারাত্মক আগুন লেগেছিল। পার্মের একটি গোলাবারুদের কারখানাতেও ঘটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা, যা তেভারের কারখানাটি থেকে ১ হাজার ১০০ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত। এ ছাড়া বেলারুশের কাছে রাশিয়ার শহর ব্রিয়ানস্কের দুই আলাদা তেলের ডিপোতে আগুন লাগে।

সব ঘটনাই কি কাকতালীয়? নাকি এসব ঘটনা ইউক্রেন বা তাদের সমর্থকদের রাশিয়ায় ঢুকে নাশকতা চালানোর চিহ্ন, যারা ইউক্রেন আক্রমণের জন্য মস্কোকে শায়েস্তা করতে চাইছে। পুরো বিষয়টি বিশ্লেষণ করেছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

তেভারের কেন্দ্রীয় মহাকাশ গবেষণা ইনস্টিটিউটে আগুন লাগে ২১ এপ্রিল, যাতে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পর থেকেই রাশিয়ার অভ্যন্তরে যেকোনো অগ্নিকাণ্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত হয়। বিশেষ করে সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে এ রকম ঘটনা, যা গোপন আক্রমণেরই ইঙ্গিত দেয়।

কেউই এসব নাশকতার দায় স্বীকার করেনি। কিন্তু বিশ্লেষকেরা বলছেন, কয়েকটি আক্রমণ বিশেষ করে ব্রিয়ানস্কের ঘটনাগুলো কিয়েভের কাজ হতে পারে। এই ধারণার পালে হাওয়া দিয়েছে মিখাইল পোদোলিয়াকের একটি টেলিগ্রাম পোস্ট। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের জ্যেষ্ঠ এই উপদেষ্টা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাশিয়ায় নাশকতার ঘটনাগুলোকে ‘ঐশ্বরিক হস্তক্ষেপ’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, বিভিন্ন কারণে বড় তেলের ডিপোগুলো পর্যায়ক্রমে জ্বলতে থাকে। এ ছাড়া ওই পোস্টে তিনি লিখেছেন,   কর্মফল খুবই নিষ্ঠুর’।

আমরা অস্বীকার করছি না’

রাশিয়ার মতো অনেক বড় একটি দেশে প্রত্যন্ত অঞ্চলের কারখানা বা ভবনে আগুন লাগা তেমন কোনো ভ্রু-কুঁচকানোর মতো ব্যাপার নয়। কিন্তু ইউক্রেনে রুশ আক্রমণের পর এসব ঘটনার অর্থ বদলে গেছে। রাশিয়ার আক্রমণ শুরুর পর থেকে এক ডজনের বেশি আগুন লাগার কথা জানা গেছে। তাই গত মাসে রাশিয়ার পূর্বে ভ্লাদিভস্তক শহরের উত্তরের বিমানঘাঁটি ও সাখালিন দ্বীপের কয়লা খনিতে আগুন নাশকতার সন্দেহকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

এখানেই শেষ নয়, গত বুধবার মস্কোর পূর্ব পাশে দিজারিজস্কে রাসায়নিক কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর ইউক্রেনের একজন রেস গাড়িচালক বলেন, ‘রাশিয়ার নাশকতাকারীরা পুতিনের বিরুদ্ধে তাদের ঐতিহাসিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।’ এই চালক রাশিয়ার ভেতর বিভিন্ন নাশকতার ঘটনার ছবি ও ভিডিও নিয়মিত টুইটারে পোস্ট করেন। তবে এসব অগ্নিকাণ্ড যে পরিকল্পিত নাশকতা, সে বিষয়ে তিনি কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি।

জেলেনস্কির আরেকজন উপদেষ্টা ওলেক্সি আরেস্তোভিচও মার্কিন গণমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেন, ইসরায়েল কখনোই তার গোপন হামলা বা হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে না। ‘আমরা স্বীকার করছি না, অস্বীকারও করছি না।’

পরিকল্পনার অংশ?

সমর বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ব্রিয়ানস্কের ইউরোপের তেল সরবরাহ পরিষেবায় হামলা ইচ্ছাকৃত এবং এটা যুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত।

‘ইউক্রেন ওয়েপন ট্র্যাকার’ নামে একটি টুইটার অ্যাকাউন্টের পক্ষ থেকে বলা হয়, তাদের কাছে ‘বিশ্বাসযোগ্য’ প্রমাণ আছে যে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা থেকেই ব্রিয়ানস্কে আগুন লেগেছে।

আরেকজন বিশেষজ্ঞ রব লি গার্ডিয়ানকে বলেন, ‘আমি মনে করি, এটা ছিল ইউক্রেনের হামলা। তবে আমি পুরোপুরি নিশ্চিত নই।’

এ ছাড়া ইউক্রেন সীমান্তে যুদ্ধক্ষেত্রের কাছে রাশিয়ার বেলগোরোদ ও কুরস্ক শহরে হামলা হয়। ১ এপ্রিল বেলগোরোদের জ্বালানি ডিপো হামলার পর শহরের গভর্নর হামলার জন্য ইউক্রেনের সেনাদের হেলিকপ্টার হামলাকে দায়ী করেন।

সমর বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ফিলিস ও’ব্রায়েন বলেন, ‘রাশিয়ার কৌশলগত বা সামরিক স্থাপনায় অনেক আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এটা এসব হামলা ইউক্রেনিয়ান নাশকতা, সেটা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।’

স্কটল্যান্ডের সেন্ট অ্যান্ড্রুস বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপক আরও বলেন, এসব হামলা ‘নিশ্চিতভাবেই তাঁদের পরিকল্পনার অংশ’।

English Dainikbiswa

বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার// টিটিই শফিকুলের স্বস্তি

ইউক্রেন বলছে তারা রাশিয়ার অজস্র যুদ্ধাস্ত্র ধ্বংস করেছে

আজ বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস।। এ রোগ প্রতিরোধে সবাইকে এগিয়ে আসাতে হবে – রাষ্ট্রপতি

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সমাজের সচেতন নাগরিকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে থ্যালাসেমিয়া রোগ প্রতিরোধে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

আগামীকাল ৮ মে ‘বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে আজ এক  বাণীতে তিনি এ  আহবান জানান।

বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উদযাপনের উদ্যোগকে তিনি স্বাগত জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, জনসচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়া রোগ প্রতিরোধে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব। এ লক্ষ্যে ‘বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস’ পালন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

তিনি বলেন, থ্যালাসেমিয়া একটি জিনবাহিত রোগ, যা বাহকের মাধ্যমে ছড়ায়। স্বামী-স্ত্রী উভয়ই থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক হলে তা জিনগত কারণে সন্তানদের মধ্যে বিস্তার ঘটাতে পারে। এ জন্য পুরুষ বা মহিলা যে কেউ এ রোগের বাহক কি-না তা বিবাহপূর্ব পরীক্ষার মাধ্যমে নির্ণয় করা জরুরি। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে থ্যালাসেমিয়া রোগ প্রতিরোধে থ্যালাসেমিয়া জিন বাহক নারী-পুরুষের মধ্যে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপনে সতর্কতা অবলম্বন করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশেও ভয়াবহ বংশগত রক্ত স্বল্পতার এ রোগটি প্রতিরোধে জনসচেতনতা গড়ে তোলা খুবই জরুরি।

তিনি বলেন, থ্যালাসেমিয়া রোগের চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি এবং ক্ষেত্রবিশেষে তা জটিল আকার ধারণ করতে পারে। তাই এ রোগ প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার বিকল্প নেই। থ্যালাসেমিয়ার বিস্তাররোধে বাহকদের মধ্যে এবং আত্মীয়ের মধ্যে বিয়ে নিরুৎসাহিত করতে হবে। ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষেত্রে সন্তানধারণের পর প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।  সমাজের সচেতন নাগরিকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে থ্যালাসেমিয়া রোগ প্রতিরোধে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন,’আসুন, সবাই মিলে থ্যালাসেমিয়ামুক্ত বাংলাদেশ গড়ি, এটাই হোক এবারের বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবসের অঙ্গীকার।’

তিনি বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।

 

 

আমেরিকা সৈন্যর বদলে গোয়েন্দা দিয়ে ইউক্রেনকে সহায়তা করছে: পুতিন ভাবতে পারেন

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের ইউক্রেনে তাদের চালানো কার্যক্রম নিয়ে চুপ থাকতে অনুরোধ করেছেন দেশটির সাবেক গোয়েন্দারা।

যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমে গত কয়েকদিন ধরে দুটি ঘটনা বেশ ফলাও করে প্রচার করা হচ্ছে।

প্রথমটি হলো যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের সহায়তা নিয়ে রুশ জেনারেলদের হত্যা করা। দ্বিতীয়টি যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের সহায়তা নিয়ে রাশিয়ার বিশাল যুদ্ধজাহাজ মস্কভা ডুবিয়ে দেওয়া।

নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট, এনবিসি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গোয়েন্দাদের বরাত দিয়ে এ দুটি খবর জানিয়েছে।

আর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের আশঙ্কা যুক্তরাষ্ট্র এরকম সরাসরি রাশিয়ার ক্ষতি করার বিষয়টি স্বীকার করায় এতে রাশিয়া আরও ক্ষেপে যেতে পারে এবং তারা এর  বদলা নেওয়ার চেষ্টা চালাবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় রুশ জেনারেল হত্যা ও জাহাজ ডুবির দুটি ঘটনাই রাশিয়া ও পুতিনের জন্য অপমানজনক।

পল পিলার নামে সিআইএ এর সাবেক একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এ ব্যাপারে বলেছেন, আমাদের ব্যক্তিগত মতামত হলো এটি অবিবেচনাপূর্ণ। আমি অবাক হয়েছি জাহাজ ডুবি এমনকি জেনারেল হত্যায় যেভাবে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা যুক্তরাষ্ট্র বলেছে।

তিনি আরও বলেন, রাশিয়াকে অপদস্ত করার বিষয়টি যেভাবে সরাসরি স্বীকার করা হচ্ছে, তা পুতিনকে এমনভাবে দ্বন্দ্ব বাড়াতে উস্কে দিতে পারে, যেটি পুতিন মনে করেননি দ্বন্দ্ব বাধানো প্রয়োজন আছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

এবারের বিজয় দিবসে পুতিন কিকি মারাত্মক ঘটনা ঘটাতে পারেন..!

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

রাশিয়ার বিজয়ের ৭৭তম বার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানের দিন পশ্চিমা বিশ্বের কাছে ‘প্রলয়সংকেত’ পাঠাবেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

এদিন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিজয় উদযাপন উপলক্ষ্যে বার্ষিক কুচকাওয়াজের চূড়ান্ত মহড়া করেছে মস্কো। সোমবার রাশিয়ান রেড স্কয়ারে ট্যাংক, রকেট ও আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রে সুসজ্জিত সেনাবাহিনীর ১১ হাজার সেনার সামনে বক্তৃতা দেবেন পুতিন।

বিজয় দিবস উদযাপনের সময় সেন্ট ব্যাসিলস ক্যাথেড্রালের ওপর দিয়ে উড়ে যাবে সুপারসনিক ফাইটার জেট, টু-১৬০ স্ট্র্যাটেজিক বোমারু বিমান ও ইল-৮০ ‘ডুমসডে’ কমান্ড বিমান। পারমাণবিক যুদ্ধ হলে এই ডুমসডে বিমান রাশিয়ার আক্রমণের নেতৃত্ব দেবে বলে জানিয়েছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

ইল-৮০ বিমানটিকে তৈরি করা হয়েছে পুতিনের ভ্রাম্যমাণ কমান্ড সেন্টার হিসাবে। এটি নানা আধুনিক প্রযুক্তি দিয়ে সজ্জিত হলেও, ঠিক কী কী প্রযুক্তি এতে ব্যবহার করা হয়েছে- তা সঙ্গত কারণেই গোপন রেখেছে রাশিয়া। তবে এই ডুমসডে বিমানকেই পুতিনের ‘প্রলয়সংকেত’ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর শনিবারের এই কুচকাওয়াজ কার্যত একটি বার্ষিক অনুষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল এবং সামরিক শক্তির প্রদর্শন হিসাবে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিগত দুই দশকের ক্ষমতায় থাকার গুরুত্ব জানান দিচ্ছিল।

এদিকে ৯ মে রাশিয়ার বিজয় দিবসকে কেন্দ্র করে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ইউক্রেন। এর মধ্যেই নাগরিকদের রবি থেকে সোমবার নিরাপদে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিটসকো।

ওইদিন রাশিয়ার ঐতিহাসিক বিজয় দিবসে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিজয় ঘোষণা করতে পারেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

English Dainikbiswa

ইউক্রেন বলছে তারা রাশিয়ার অজস্র যুদ্ধাস্ত্র ধ্বংস করেছে

ইউক্রেন বলছে তারা রাশিয়ার অজস্র যুদ্ধাস্ত্র ধ্বংস করেছে

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফ শনিবার জানিয়েছেন, ইউক্রেনের সেনারা গত ঘণ্টায় দোনবাসের দোনেৎস্ক ও  লুহানেস্কে রাশিয়ার আটটি আক্রমণ প্রতিহত করেছে।

তিনি দাবি করেছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার তিনটি ট্যাংক, আটটি কামান ব্যবস্থা, সাতটি সেনা যান, একটি যুদ্ধ যান এবং ইঞ্জিনিয়ারিং সরঞ্জামের তিনটি ইউনিট ধ্বংস করেছে ইউক্রেনের সেনারা।

ইউক্রেনের সেনাবাহিনী আরও জানিয়েছে, আজভস্টাল স্টিল কারখানা এবং মারিউপোলের উপকূলের কাছে হামলা চালানোর চেষ্টা চালিয়েছে রাশিয়ার সেনারা।

এদিকে এর আগে শনিবার ইউক্রেনের সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তারা রাশিয়ার আরেকটি যুদ্ধ জাহাজ ধ্বংস করেছে।

শনিবার দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় রুশ জাহাজ উড়িয়ে দেওয়া দাবি জানিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে।

হামলার ব্যাপারে তারা টুইটারে লিখেছে, ইউক্রেনের  বায়রাক্তার টিবি-২ ড্রোন (তুরস্কে তৈরি করা হয়েছে এ ড্রোন) রাশিয়ার ‘ল্যান্ডিং ক্রাফট অব সেরনা প্রজেক্ট’ জাহাজে হামলা চালিয়েছে।

তবে ইউক্রেনের এ দাবিগুলোর সত্যতা যাচাই বা নিশ্চিত করতে পারেনি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো।

সূত্র: আল জাজিরা

 

জেলেনস্কি শান্তি চুক্তি নিয়ে যা বললেন তা কিসের ঈঙ্গিত….?

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদমির জেলেনস্কি শুক্রবার জানিয়েছেন, তিনি রাশিয়ানদের সঙ্গে শান্তি চুক্তিতে পৌঁছাবেন তখনই যখন রাশিয়া ইউক্রেনের দখলকৃত অঞ্চলগুলো ছেড়ে দেবে।

বর্তমানে রাশিয়ার সঙ্গে শান্তি চুক্তি নিয়ে কোনো আলোচনা হচ্ছে না। বিষয়টি থমকে আছে।

গণমাধ্যম বিবিসির সাংবাদিক ফ্রাঙ্ক গার্ডনার জেলেনস্কিকে জিজ্ঞেস করেন, ‘নূন্যতম’ কোন ছাড়টি দিলে রাশিয়ার সঙ্গে শান্তি চুক্তি করবেন তিনি।

এ ব্যাপারে জেলেনস্কি বলেন, ২৩ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার সেনারা যেখানে ছিল সেখানে যদি তারা চলে যায় তাহলে শান্তি চুক্তি হবে।

এদিকে রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা করে ২৪ ফেব্রুয়ারি। এরপর তারা ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি অঞ্চল দখল করে ফেলে।

জেলেনস্কি জানিয়েছেন, এজন্য কূটনৈতিক তৎপরতা প্রয়োজন।  বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করার জন্য এখনো ইউক্রেনের দরজা খোলা আছে।

এদিকে জেলেনস্কি শান্তি আলোচনার জন্য তার শর্তে স্পষ্টভাবে ক্রিমিয়ার কথা উল্লেখ করেননি।

২০১৪ সালে এমনই কথিত অভিযান চালিয়ে ক্রিমিয়া দখল করে নেয় রুশ বাহিনী।

কিন্তু তিনি বলেছেন, ২০২২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারির পর যেসব স্থান রাশিয়া দখল করেছে সেগুলো ছেড়ে দিলেই শান্তি আলোচনা হবে।

এর মাধ্যমে কি ইঙ্গিত দিলেন জেলেনস্কি?

বিবিসি জানিয়েছে, এর মাধ্যমে শান্তি চুক্তির জন্য জেলেনস্কি হয়ত ক্রিমিয়াকে রাশিয়ার অংশ হিসেবে মেনে নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন।

তাছাড়া রাশিয়া ২০১৪ সাল থেকে দোনবাসের লুহানেস্ক ও দোনেৎস্কও দখল করে রেখেছে।  জেলেনস্কির এমন ছাড় দেওয়ার ইচ্ছা এ দুটি অঞ্চলের জন্য কি অর্থ বহন করছে তাও পরিস্কার না। সূত্র: বিবিসি

English Dainikbiswa

বৃদ্ধাশ্রমে প্রবীণরা কেমন আছে..? একটু খুজুন অনেক জানতে পারবেন

ইউক্রেনে রাশিয়া অধিকৃত অঞ্চলে সরকার গঠনের প্রস্তুতি মস্কোর

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

সমগ্র ইউক্রেন দখলে ব্যর্থ হলেও অধিকৃত এলাকায় সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে মস্কো। অধিকৃত অঞ্চলগুলো রাশিয়ার অধীনে আনার প্রক্রিয়াও শুরু করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে, কেনাবেচা করতে রুশ মুদ্রা রুবল ব্যবহার করতে হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানিয়েছেন, রাশিয়ার অধিকৃত অঞ্চলগুলোতে তড়িঘড়ি গণভোট করানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। গণভোটের মাধ্যমেই এই অঞ্চলগুলো রাশিয়া ফেডারেশনের অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে ক্রেমলিনের।

অন্যদিকে রাশিয়ার হুমকি অগ্রাহ্য করে ন্যাটোর সদস্যপদ চেয়েছিল ইউক্রেন। তারপরই পুতিনের রোষে ছারখার হয়ে গেছে দেশটি। এবার মস্কোর হুঁশিয়ারি উড়িয়ে ন্যাটো জোটে শামিল হওয়ার দাবি জানিয়েছে ফিনল্যান্ড।

এরপরই দেশটির আকাশসীমায় ঢুকে পড়েছে রুশ অ্যাটাক হেলিকপ্টার। ফলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, এবার ফিনল্যান্ডে আক্রমণ চালাতে পারেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আর তেমনটা হলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাবে বিশ্ব।

জানা গেছে, বুধবার ফিনল্যান্ডের আকাশসীমায় ঢুকে পড়ে রুশ ফৌজের একটি এমআই-১৭ হেলিকপ্টার। তারপরই ফিনল্যান্ড সেনার তৎপরতা ঘিরে আরো জোরাল হয়েছে যুদ্ধের জল্পনা।

বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, ফিনল্যান্ডকে ন্যাটোতে কিছুতেই শামিল হতে দেবে না রাশিয়া। প্রয়োজনে ইউক্রেনের মতোই সেই দেশে হামলা চালাতে পারে মস্কো।

এদিকে, বুধবার থেকেই রুশ সীমান্ত ঘেঁষা এলাকায় আমেরিকার সেনার সাথে যৌথ মহড়া শুরু করেছে ফিনল্যান্ড ফৌজ। এর ফলে উত্তেজনা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সামরিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

উল্লেখ্য, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্বে ১৯৩৯ সালের নভেম্বরে জার্মানির সাথে হাত মিলিয়ে ফিনল্যান্ডে হামলা চালিয়েছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন। কিন্তু সামরিক ক্ষমতায় অনেক এগিয়ে থেকেও প্রায় সাড়ে তিন মাসের যুদ্ধে স্ক্যান্ডিনেভিয়া অঞ্চলের ছোট্ট দেশটিকে পুরোপুরি দখল করতে পারেনি জোসেফ স্তালিনের সেনা। মস্কো চুক্তিতে কোনোমতে মুখ বাঁচিয়ে সেই যাত্রায় হামলায় ইতি টেনেছিল রেড আর্মি। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন

English Dainikbiswa

রাশিয়ার এমআই-১৭ হেলিকপ্টার ফিনল্যান্ডের আকাশে// তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আভাশ নয়তো…!

রাশিয়ার এমআই-১৭ হেলিকপ্টার ফিনল্যান্ডের আকাশে// তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আভাশ নয়তো…!

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

রাশিয়ার হুমকি অগ্রাহ্য করে ন্যাটোর সদস্যপদ চেয়েছিল ইউক্রেন। তারপরই পুতিনের রোষে ছারখার হয়ে গেছে দেশটি। এবার মস্কোর হুঁশিয়ারি উড়িয়ে ন্যাটো জোটে শামিল হওয়ার দাবি জানিয়েছে ফিনল্যান্ড।

এরপরই দেশটির আকাশসীমায় ঢুকে পড়েছে রুশ অ্যাটাক হেলিকপ্টার। ফলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, এবার ফিনল্যান্ডে আক্রমণ চালাতে পারেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আর তেমনটা হলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাবে বিশ্ব।

জানা গেছে, বুধবার ফিনল্যান্ডের আকাশসীমায় ঢুকে পড়ে রুশ ফৌজের একটি এমআই-১৭ হেলিকপ্টার। তারপরই ফিনল্যান্ড সেনার তৎপরতা ঘিরে আরো জোরাল হয়েছে যুদ্ধের জল্পনা।

বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, ফিনল্যান্ডকে ন্যাটোতে কিছুতেই শামিল হতে দেবে না রাশিয়া। প্রয়োজনে ইউক্রেনের মতোই সেই দেশে হামলা চালাতে পারে মস্কো।

এদিকে, বুধবার থেকেই রুশ সীমান্ত ঘেঁষা এলাকায় আমেরিকার সেনার সাথে যৌথ মহড়া শুরু করেছে ফিনল্যান্ড ফৌজ। এর ফলে উত্তেজনা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সামরিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

উল্লেখ্য, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্বে ১৯৩৯ সালের নভেম্বরে জার্মানির সাথে হাত মিলিয়ে ফিনল্যান্ডে হামলা চালিয়েছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন। কিন্তু সামরিক ক্ষমতায় অনেক এগিয়ে থেকেও প্রায় সাড়ে তিন মাসের যুদ্ধে স্ক্যান্ডিনেভিয়া অঞ্চলের ছোট্ট দেশটিকে পুরোপুরি দখল করতে পারেনি জোসেফ স্তালিনের সেনা। মস্কো চুক্তিতে কোনোমতে মুখ বাঁচিয়ে সেই যাত্রায় হামলায় ইতি টেনেছিল রেড আর্মি।

এদিকে, সমগ্র ইউক্রেন দখলে ব্যর্থ হলেও অধিকৃত এলাকায় সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে মস্কো। অধিকৃত অঞ্চলগুলো রাশিয়ার অধীনে আনার প্রক্রিয়াও শুরু করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে, কেনাবেচা করতে রুশ মুদ্রা রুবল ব্যবহার করতে হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানিয়েছেন, রাশিয়ার অধিকৃত অঞ্চলগুলোতে তড়িঘড়ি গণভোট করানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। গণভোটের মাধ্যমেই এই অঞ্চলগুলো রাশিয়া ফেডারেশনের অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে ক্রেমলিনের। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন