রামপালে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী কাবিলের গণসংযোগ

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি  ||

আসান্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদের প্রার্থী মোল্লা মাসুদ বিল্লাহ কাবিল টিউব ওয়েল প্রতীক নিয়ে গণসংযোগ করেছের।

বুধবার ও বৃহস্পতিবার তিনি উপজেলার বাইনতলা ইউনিয়নে তেলীখালী, বারুইপাড়া, পবনতলা, বাইনতলা, কুমলাই, ব্রীচাকশ্রী, চাকশ্রী বাজার, উজরকুড় ইউনিয়নের গোবিন্দপুর, ফয়লাহাট, মানিকনগরসহ বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেন।

এ সময় তিনি বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের কাছে ভোট প্রার্থনা ও দোয়া কামনা করেন। এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি সাংবাদিকদের জানান, জয়ের ব্যাপারে তিনি শতভাগ আশাবাদী।

জয়ী হলে মাদকমুক্ত ও স্মার্ট উপজেলা গড়ে তুলবেন।

রূপসায় চেয়ারম্যান প্রার্থী এসএম হাবিবের গনসংযোগ

//তরুন কান্তি পাইক, নিজস্ব প্রতিবেদক//

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে  উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম হাবিব  ২৯ এপ্রিল বিকালে উপজেলা সদর কাজদিয়া বাজার,থানার মোড় বাজারে গনসংযোগ করেন।

এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন রূপসা উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি খান শাহাজাহান কবীর প্যারিস,দপ্তর সম্পাদক আকতার ফারুক, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক গাজী মোঃ আলী জিন্নাহ, টিএসবি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক বিনয় কৃষ্ণ হালদার, সহ-সভাপতি মঈন উদ্দীন শেখ, আওয়ামীলীগ নেতা মনোরঞ্জন হালদার,ইউপি সদস্য সৈয়দ আওরঙ্গজেব স্বর্ন,ইনতাজ মোল্যা,দাউদ শেখ, সালাম শেখ,মাসুম সরদার, আওয়ামীলীগ নেতা উৎপল দত্ত,পলাশ হালদার, জামাল শেখ, কাজদিয়া বাজার বনিক সমিতির সভাপতি জুলফিকার আলী, যুবলীগ নেতা সফিকুর রহমান ইমন, রবিউল ইসলাম, সাদ্দাম হোসেন,খায়রুজ্জামান সজল, রউফ শিকদার,শরিফুল ইসলাম সোহাগ,ইমলাক মল্লিক, যুবমহিলালীগের  আসমা বেগম, ছাত্রলীগ নেতা আরিফুল ইসলাম কাজল, যুবলীগ নেতা জাহিদ শেখ, মুরাদ শেখ, হুমায়ূন কবীর, সোহেল শেখ, রাজু আহম্মেদ, নিলয় হালদার, রাসেল মোল্যা, জ্যাকিব পাইক, মাসুম বিল্লাহ, মহসিন খন্দকার, ইউনুস শেখ সহ অনেকেই।

নির্বাচনী গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেন অধ্যক্ষ সরদার ফেরদৌস আহমেদ

//এম মুরশীদ আলী//

সরদার ফেরদৌস আহমেদ ছিলেন সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজের সাবেক  অধ্যক্ষ। তিনি অবসর গ্রহণের পর উপজেলাবাসীর সেবা করার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে, আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে সকলের দোয়া-সমর্থন ও সহযোগীতা কামনা করছেন। এ উপলক্ষে গত ২৮ এপ্রিল বিকেলে, টিএসবি ইউনিয়নের মধ্যে উপজেলা সদরস্থ কাজদিয়া বাজার, থানার মোড়, পাঁচানি কলোনী, ফুলতলা মোড়, গিলাতলা গাজীর দোকান এলাকা ও তালতলা এলাকায় গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেছেন।

নির্বাচনী গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেন অধ্যক্ষ সরদার ফেরদৌস আহমেদ

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীলীগ নেতা রবিউল ইসলাম মিনা, শিক্ষক শহিদুল ইসলাম, ইন্দ্রজিৎ অধিকারী, সরদার মামুনুর রশিদ, জন সরদার, বঙ্গবন্ধু কলেজ ছাত্রলীগের আহ্বায়ক জুয়েল সরদার, গাউস সরদার, যুবলীগ নেতা, স,ম, লিটন, ধ্রুব দাস, আলামিন রকি, নিরঞ্জন বিশ্বাস, শেখ আবরার হাসিব বিশ্বাস, সাব্বির আহমেদ, রিফাত হাওলাদার, শেখ সজীব প্রমূখ ।

বাগেরহাটের কচুয়ার গোপালপুর ইউপির উপ-নির্বাচনে লিটন চেয়ারম্যান নির্বাচিত

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট//

বাগেরহাটের কচুয়ায় গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনের মোঃ লিটন মোল্লা (মটরসাইকেল প্রতীক) ২৩৩৬ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

তার নিকট তম প্রতিদ্বন্দ্বী মীর তকদীরউজ্জামান (চসমা প্রতীক) পেয়েছেন ১৫১১ ভোট।

রবিবার (২৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বেসরকারিভাবে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নীং অফিসার হিমাংশু বিশ্বাস। ভোটার উপস্থিতির হার ৬৯.১০, মোট ভাটার ৮৫২৫ জন, উপস্থিত ভোটার ৫৮৯১জন , বাতিল ভোট ৬৫।

এ নির্বাচনে  ৫ জন প্রার্থী  প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন।এ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এসএম আবু বক্কর সিদ্দিকের মৃত্যু কারনে পদটি শূন্য হলে এই উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

 

 

 

নির্বাচনের প্রার্থীর পক্ষে ট্যাংক ভর্তি ফ্রী শরবত খাওয়ানোর দায়ে ১ জনের কারাদণ্ড

//মাহনুদুল হাসান,আমতলী, বরগুনা//

বরগুনার আমতলী উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীর পক্ষে ভোটারদের ভ্যানে করে ট্যাংক ভর্তি শরবত খাওয়ানোর দায়ে ভ্যান চলককে ১ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন নির্বাহী মেজিস্ট্রেট।

আজ রবিবার সকালে ঐ  ইউনিয়নের উত্তর টিয়াখালী দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটেছে। সাজাকৃত ভ্যান চালকের নাম এনামুল। তার বাড়ি আমতলী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে।

জানাগেছে  বেলা এগারোটার দিকে ভোট চলাকালীন সময়ে কেন্দ্রের পাশে ঠান্ডা শরবতের ঠ্যাংকে  একজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর ব্যানার লাগিয়ে ভোটারদের শরবত বিতরণ করতে ছিল। বিষয়টি নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা কর্তব্যরত নির্বাহী মেজিস্ট্রেট তারিক হাসানের দৃষ্টিগোচর হলে তিনি তাৎক্ষণিক ভ্যান চালককে আটকের নির্দেশ প্রদান করেন।পরবর্তীতে নির্বাচন আচরণ বিধি লংঘন করার দায়ে ভ্যান চালক এনামুলকে এক মাসের সাজা প্রদানের নির্দেশ প্রদান করেন।

রামাপালে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী জামিল হাসানের গণসংযোগ পথসভা

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামাপাল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ দলীয় চেয়ারম্যান পদের প্রার্থী আলহাজ্ব মো. জামিল হাসান জামু ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছন।

তিনি দিনভর উপজেলার রাজনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা, হুড়কা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা, গৌরম্ভা ইউনিয়নে বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন। শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) রাজনগর ইউনিয়নে গণসংযোগ ও পথসভা করেন। এসময় তার সাথে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

জামিল হাসান  জানান, নিরপেক্ষ ভোট হলে এবং হ্যাভিওয়েট জনপ্রতিনিধিরা কারসাজি না করলে জনগণের বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শেখ হাসিনার নির্দেশ অমান্য করা হচ্ছে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনের দলীয় সিদ্ধান্তে

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশ সত্ত্বেও অনেক মন্ত্রী, এমপির আত্মীয়-স্বজন মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করেননি। এটাকে চরম ঔদ্ধত্য হিসেবে দেখছেন অনেকেই।

এখনো কমপক্ষে ১১ জন প্রার্থী আছেন যারা মন্ত্রী বা এমপির ছেলে বা অন্য কোনো নিকটাত্মীয়।

সেরকমই একজন হলেন নোয়াখালী-৪ আসনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য একরামুল কবির চৌধুরীর ছেলে ইশরাক শাবাব চৌধুরী। তিনি সুবর্ণচর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেননি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পরও তিনি প্রার্থীতা প্রতাহার করেননি। তার সঙ্গে ফোনে কথা হলেও তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, “আমি নির্বাচনি প্রচারে আছি। এখন কথা বলার সময় নেই।” তবে তার বাবা সংসদ সদস্য একরামুল কবির চৌধুরী ডয়চে ভেলেকে  বলেন, “আমার ছেলে প্রার্থী আছে, থাকবে। আর এই কারণে আমার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিলে নেবে। অর্ধেক ভোট করার পর (নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা) বললে তো হবে না।”

তার কথা, ” উনি (ওবায়দুল কাদের) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। আমি কোনো পোস্টে নাই। আমি এমপি। আর এমপি তো সহজে কেড়ে নিতে পারবে না। এটা নিতে হলে অনেক প্রক্রিয়া আছে। এরপর হয়ত আমাকে কালো তালিকাভুক্ত করবে। আমাকে আর এমপি পদে মনোনয়ন দেবে না। তখন তো আর আমার ভোট করার সময় থাকবে না।”

সেখানে উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে মোট দুইজন প্রার্থী। আরেকজন প্রার্থী হলেন বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগর সভাপতি খায়রুল আনম চৌধুরী৷ তিনি বলেন, “এমপি একরাম চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পরও তার ছেলের প্রার্থীতা প্রত্যাহার না করিয়ে ঔদ্ধত্য দেখিয়েছে। কালো টাকার ক্ষমতায় সে কাউকে এখন আর পরোয়া করে না।  সে যা খুশি তাই করে। তার ছেলের অনুসারীরা এখন সন্ত্রাস করছে। সে দুইটি হত্যা মামলার আসামি। পুলিশ প্রশাসন তার পক্ষে কাজ করছে। সে টাকা দিয়ে কিনে নিয়েছে।”

“দলের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন ব্যবস্থা নেয়া হবে। কখন নেয়া হবে? নির্বাচনের পরে ব্যবস্থা নিয়ে কী হবে!,” বিস্ময় প্রকাশ করেন তিনি।

এদিকে বগুড়ার সারিয়াকান্দি ও সোনাতলায় এমপি সাহাদারা মান্নানের ভাই ও ছেলে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি। সারিয়াকান্দিতে প্রার্থী হয়েছেন এমপির ছেলে, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শাখাওয়াত হোসেন সজল। সোনাতলায় প্রার্থী হয়েছেন এমপির ভাই উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি, বর্তমান চেয়ারম্যান মিনহাদুজ্জামান লিটন।

মিনহাদুজ্জামান লিটন  বলেন, “আমি বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান। আমার জনপ্রিয়তা আছে বলে আমি নির্বাচন করছি। আমার বোনের কোনো সহায়তা আমি নিচ্ছি না।” তার কথা, “আমি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হলেও আমি  নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার কোনো নির্দেশ পাইনি।”

এই উপজেলায় আওয়ামী লীগের আরেক প্রার্থী মো. জাকির হোসেন বলেন, “সে (লিটন) উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হয়ে নেত্রীর নির্দেশনা অমান্য করেছে। সে বলছে, নেত্রী তো সোনাতলায় ভোট করবে না, আমি করবো। আমার বিষয় আমি বুঝবো। সে নেত্রীর আদেশ অমান্য করে ঔদ্ধত্য দেখিয়েছে। তাকে আর আওয়ামী লীগে রাখা উচিত না।” তিনি অভিযোগ করেন, “তার লোকজন এখন আমার কর্মী,সমর্থকদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।”

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু বিষয়ক সাবেক মন্ত্রী ও বর্তমান এমপি শাহাব উদ্দিনের ভাগ্নে শুয়েব আহমদ প্রার্থীতা বহাল রেখেছেন। তিনি বড়লেখা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।

নরসিংদীর পলাশের এমপি ডা. আনোয়ারুল আশরাফ খান দিলীপের শ্যালক শরিফুল হক প্রার্থী আছেন। মাদারীপুর সদর উপজেলায় এমপি শাজাহান খানের ছেলে আসিবুর রহমান খান নির্বাচন করেছে। শাহজাহান  খানের সঙ্গে এ নিয়ে ওবায়দুল কাদেরের রীতিমতো বাহাস হয়েছে ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে।

চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের এমপি আলী আজগার টগরের ভাই আলী মুনছুর বাবু দামুড়হুদায় প্রার্থী হয়েছেন। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও সদর আসনের এমপি মাহবুব উল আলম হানিফের চাচাতো ভাই আতাউর রহমান আতা কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। আতাউর রহমান ওই উপজেলার বর্তমান চেয়ারম্যান। আতাউর রহমান দাবি করেন, “যারা বর্তমানে উপজেলা চেয়ারম্যান আছেন, তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার না করতে বলা হয়েছে।” তবে মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন,” আসলে বিষয়টি সেরকম নয়। ওই উপজেলায় আর একজন মাত্র প্রার্থী আছে৷ তিনি বিএনপির। তাই জেলা আওয়ামী লীগ সিদ্ধান্ত নিয়ে তাকে প্রার্থী হিসেবে রেখে দিয়েছে। তা না হলে ওই উপজেলা তো  বিএনপির হাতে চলে যাবে।”

রাজশাহীর তানোরে চেয়ারম্যান প্রার্থী লুৎফর হায়দার রশীদ ময়না আওয়ামী লীগের স্থানীয় এমপি ফারুক চৌধুরীর চাচাতো ভাইয়ের ছেলে। তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি।

পাবনার বেড়ায় ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকুর ছোট ভাই বেড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র আবদুল বাতেন ও ভাতিজা আবুল কালাম সবুজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন বলেন, “অধিকাংশই প্রত্যাহার করেছে। অল্প কয়েকজন এখনো আছেন। এটা তাদের ঔদ্ধত্য নয়, তারা হয়তো মনে করছেন নির্বাচনে জিতলে নেত্রী মাফ করে দেবেন। আর ৩০ এপ্রিল ওয়াকিং কমিটির বৈঠকে এ নিয়ে কথা হতে পারে।”

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, “যেসব জায়গায় এখনো মন্ত্রী বা এমপিদের আত্মীয়-স্বজন প্রার্থী আছেন, তাদের ব্যাপারে সাংগঠনিক সম্পাদকরা তদন্ত করবেন। তারা দেখবে তাদের প্রার্থী থাকার যৌক্তিক কোনো কারণ আছে কিনা। তারা কেন্দ্রে রিপোর্ট দেয়ার পর সেইভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কারণ, কয়েক জায়গায় আমরা দেখেছি প্রার্থীতা প্রত্যাহার করলে অপর প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে যায়।  তিনি আবার বিএনপির প্রার্থী।”  “আর প্রত্যাহারের নির্দেশটি দেয়া হয়েছে মনোনয়নপত্র দাখিলের অনেক পরে। ফলে সমস্যা হয়ে গেছে,” বলেন তিনি।

এদিকে সার্বিক বিষয় নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “উপজেলা নির্বাচনে মন্ত্রী-এমপির স্বজনদের মধ্যে যারা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি, তাদের বিষয়ে সময়মতো ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

তিনি বলেন, “যারা প্রত্যাহার করেননি তাদের নির্বাচনের আগের দিন পর্যন্ত সরে আসার সুযোগ আছে।”সূত্রঃ ডিডাব্লিউ

কচুয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিন পদে ৯টি মনোনয়ন পত্র জমা

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট//

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ঘোষিত তফসিল অনুয়ায়ী মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন সোমবার (আজ) বাগেরহাটের কচুয়ায় তিন পদে ৯টি মনোনয়ন পত্র জমা হয়েছে। চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী জেলা রিটানিং অফিসার নিকট এ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন, উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান নাজমা সরোয়ার, জেলা আওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কেএম ফরিদ হাসান, জেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মীর জায়েসী আশরাফী জেমস ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম মাহফুজুর রহমানের ছেলে মেহেদি হাসান বাবু। ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন, বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ   ফিরোজ আহম্মেদ ও উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শেখ সুমন। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন, মাধবী রানী শীল, হনুফা খাতুন ও মোসা: ইয়াসমিন আক্তার।

বাগেরহাট জেলা নির্বাচন অফিসার  সেক মাহাম্মুদ জালাল উদ্দিন বলেন, চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছে। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের শেষ তারিখ ১৭ই এপ্রিল, প্রর্থীতা প্রত্যাহার ২২শে এপ্রিল, ভোট গ্রহন ৮ই মে বুধবার।

 

নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা নির্বাচন কমিশনের নিদের্শনা  অনুসরণ করবেন –  নির্বাচন কমিশনার

//আঃ রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আহসান হাবিব খান (অব:) বলেছেন, আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর পরিবেশে কোন প্রকার সহিংসতা ছাড়া একটি নির্বাচন উপহার দেয়া। নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা নির্বাচন কমিশনের নিদের্শনা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অনুসরণ করবেন বলে আজ আমাকে অবহিত করেছেন।

আজ ৩ এপ্রিল (বুধবার) দুপুরে খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ সাধারণ নির্বাচন-২০২৪ উপলক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের ব্রিফিংকালে নির্বাচন কমিশনার এসকল কথা বলেন।

নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, একটি ভালো নির্বাচন উপহার দেয়ার জন্য আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন কয়েকটি ধাপে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এই নির্বাচনে নমিনেশন পেপার অনলাইনে জমা দেয়ার ব্যবস্থা থাকছে, ফলে নমিনেশন জমাদানে বাঁধা প্রদানের সুযোগ থাকবে না। নির্বাচন কমিশনের সাংবাদিক নীতিমালা অনুসরণ করে গণমাধ্যমকর্মীরা স্বাধীনভাবে নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহের সুযোগ পাবেন।

এর আগে খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ হেলাল মাহমুদ শরীফের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ পুলিশের খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ মঈনুল হক, মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার সরদার রকিবুল ইসলাম এবং খুলনা, যশোর, নড়াইল, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জেলা-উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। খুলনা বিভাগীয় প্রশাসন এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে।

গজারিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জনগনের দোরগোড়ায় জনতার চেয়ারম্যান প্রার্থী জিন্নাহ্

//সৈয়দ মোহাম্মদ শাকিল, গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ//

আসন্ন ৬ষ্ঠ গজারিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ইতিমধ্যেই প্রার্থীতার ঘোষণা দিয়ে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে মাঠে ময়দানে নানাশ্রেনী পেশার ভোটারদের নিকট ভোট ও আপামর সকল বয়সী জনসাধারনের নিকট দোয়া চাইছেন গজারিয়া উপজেলার আওয়ামী সাধারণ সম্পাদক মনসুর আহামেদ খাঁন জিন্নাহ্।

৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়াম্যান পদে জনগণের বিপুল ভোট ব্যালটে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী এমনটাই চাউর হয়েছে উপজেলার জনমনে জানায় সংশ্লিষ্ট জিন্নাহ্ সর্মথক সূত্র।

প্রাক নির্বাচনী এই প্রচারনার আমেজে তেমনি সুবিদিত সাড়া মিলছে সাধারণ জনগনের দোরগোড়ায় জনিয়েছেন জিন্নাহ্ সহধর্মিণী ফারহানা আক্তার এ্যানি।

তারাই ধারাবাহিকতায় গতকাল পহেলা এপ্রিল রবিবার সারাদিন উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নে প্রায় ৭টি গ্রামে জনসংযোগ চালিয়েন বলে খবর পাওয়া গেছে।