ডুমুরিয়ায় টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) স্হানীয়করণ বিষয়ক পরামর্শ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//

খুলনার ডুমুরিয়ায় টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) স্হানীয়করণ বিষয়ক পরামর্শ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ ও স্যোসাল সিকিউরিটি পলিসি সাপোর্ট প্রোগ্রাম ইউএনডিপি -বাংলাদেশ এর  আয়োজনে ২০ সেপ্টেম্বর বুধবার সকালে ডুমুরিয়া  উপজেলা কমপ্লেক্স অডিটোরিয়ামে  কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব‍্য দেন সাবেক মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি।  জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যদেন বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সচিব) ড.মোঃ কাউসার আহাম্মদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক অতিরিক্ত সচিব মোঃ মনিরুল ইসলাম ,উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গাজী এজাজ আহমেদ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যদেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরীফ আসিফ রহমান। উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা সুব্রত বিশ্বাস এর সঞ্চালনায় উমুক্ত আলোচনায় বক্তব‍্য দেন প্রস ক্লাবের সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর আলম, ইউপি চেয়ার‍ম‍্যান সুরজিৎ বৈদ‍্য, গাজী হুমাউন কবির বুলু, শেখ হেলাল হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকতা রিনা রানী মজুমদার প্রমুখ।

এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(শিক্ষা)মোঃ নাজমুল হোসেন খান, উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) এস,এম আশিষ মোমতাজ, ভাইস চেয়ারম্যান গাজী আব্দুল হালিম, শারমিনা পারভীন রুমাসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ।

কর্মশালায় দক্ষিন – পশ্চিম উপকূলীয় এলাকায় ফসল উৎপাদনে লবনাক্ততা সমস্যা,নদী-খাল ভরাট,জলাবদ্ধতা সমস্যাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও পরামর্শ গ্রহন করা হয়।  এসডিজি বাস্তবায়নে ডুমুরিয়াকে  মড়েল   উপজেলা করার লক্ষে‍ কাজ চলছে।

সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩ পাশ, কি আছে এ বিলে…

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার ও তল্লাশি এবং মিথ্যা মামলা দায়ের করলে সেটাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করে সাজার বিধান রেখে ‘সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩’ জাতীয় সংসদে পাশ হয়েছে। বিরোধী দলের বিরোধিতার মুখেই পাশ হলো বহুল আলোচিত এই বিলটি।

বুধবার সংসদ অধিবেশনে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বিলটি পাশের জন্য উত্থাপন করেন। বিলের ওপর আনা বিরোধী সদস্যদের জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে প্রেরণ এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি শেষে বিলটি কণ্ঠভোটে পাশ হয়।

বিলের বিভিন্ন ধারার সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় সদস্যরা বলেন, চিন্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং স্বাধীন গণমাধ্যমের স্বীকৃতি সংবিধানেই দেওয়া হয়েছে। অথচ এই বিলের বিভিন্ন ধারায় সংবিধান স্বীকৃত এসব অধিকার খর্ব করার ব্যবস্থা পাকাপোক্ত করা হয়েছে। বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার ও তল্লাশির বিধান সংশোধনের দাবি জানান একাধিক সংসদ সদস্য।

এসব সমালোচনার জবাবে প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, চিন্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংবিধান স্বীকৃত হলেও অবারিত নয়। স্বাধীনতা মানে কিন্তু অন্যের অধিকার ক্ষুণ্ণ করা নয়। আপনার স্বাধীনতা মানে যা ইচ্ছে তা বলা নয়। অন্যকে অসম্মান করা নয়। নারীকে অশ্লীল কথা বলা নয়। এসব বিষয় নিশ্চিতকরণের কোনো বিকল্প নেই।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আইনটির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিরোধী সদস্যরা একমত পোষণ করছেন। স্বচ্ছতা, জবাবহিদিতা ও নিরাপদ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সাইবার নিরাপত্তা আইনের বিকল্প নেই।

দেশ-বিদেশে ব্যাপক সমালোচনার মুখে গত ৭ আগস্ট সরকার জানায়, তারা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে ‘রূপান্তর’ এবং ‘আধুনিকায়ন’ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার নাম হবে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন’। যেখানে বিদ্যমান আইনের কয়েকটি ধারা সংশোধন করা হবে।

গত ২৮ আগস্ট মন্ত্রিসভা ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন’-এর চূড়ান্ত খসড়া অনুমোদন করে।

এরপর গত ৫ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে বিলটি উত্থাপন করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এরপর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য পাঁচ দিন সময় বেঁধে দিয়ে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কাছে সেটি পাঠানো হয়।

রামপালে ভরসাপুর ব্যাবসায়ীদের সাথে ওসি’র মতবিনিময় সভা

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপালের উজরকুড় ইউনিয়নের ভরসাপুর বাজার ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ সাথে ওসি আশরাফুল আলমের আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বাজার ব্যাবসায়ীদের সাথে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন রামপাল থানার অফিসার ইন-চার্জ এস.এম আশরাফুল আলম।

তিনি তার বক্তব্যে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক যে কোন সমস্যায় থানায় যোগাযোগ করবেন। যে কোন সময় আপনারা আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাদের থানায় আপনারা সেবা পাবেন। আমরা সেবা প্রদানে বদ্ধপরিকর।

মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য দেন রামপাল উপজেলার উজলকুড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুন্সী বোরহান উদ্দিন জেডসহ ভরসাপুর বাজারের ব্যাবসায়ী বৃন্দ ।

এ সময় ভরসাপুর বাজারের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, সকল দোকান মালিক, ইউপি সদস্য, পুলিশের অন্যান্য সদস্যরা, সাংবাদিক, জনসাধারণ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

৩৫০ সিসি মোটরসাইকেল এখন আপনিও চালাতে পারবেন

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

একাধিক প্রতিষ্ঠানের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে অবশেষে দেশের সড়কে ৩৫০ সিসি (ইঞ্জিন ক্ষমতা) পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলের অনুমতি দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এত দিন দেশে ১৬৫ সিসির ওপর মোটরসাইকেল বাজারে ছাড়ার সুযোগ ছিল না।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গতকাল বৃহস্পতিবার এই অনুমতি দিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশে ইয়ামাহা মোটরসাইকেলের পরিবেশক ও উৎপাদন অংশীদার এসিআই মোটরসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এফ এইচ আনসারি। আজ শুক্রবার সকালে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশে ৩৫০ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলের অনুমতি দিয়েছে। তবে এ ধরনের মোটরসাইকেল সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায় আমদানি করা যাবে না। শুধু বিদেশ থেকে বিযুক্ত অবস্থায় (সিকেডি) আমদানি করে দেশের কারখানায় সংযোজন করে বাজারজাত করা যাবে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০১৫ থেকে ২০১৮ সালের জন্য প্রযোজ্য আমদানি নীতিতে সরকার প্রথম মোটরসাইকেলের সিসি সীমা ১৫০ থেকে ১৬৫-তে উন্নীত করে। তারপর সিসি সীমা তুলে নেওয়ার দাবি করে কয়েকটি কোম্পানি। তখন কেউ কেউ সিসি সীমা তুলে দেওয়ার বিপক্ষেও অবস্থান নেয়।

মোটরসাইকেল খাতের দুই সংগঠনের একটি মোটরসাইকেল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ–সংক্রান্ত প্রতিবেদন তৈরি করতে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনকে (বিটিটিসি) দায়িত্ব দেয়।

২০২১ সালের শুরুতে বিটিটিসি মোটরসাইকেলের ইঞ্জিন ক্ষমতা বা সিসি সীমা তুলে দেওয়ার সুপারিশ করে। তারা বলে, মোটরসাইকেলের সিসির সঙ্গে গতির কোনো সম্পর্ক নেই। ৩০০ বা ৫০০ সিসির মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ যে গতি তোলা সম্ভব, ১৬৫ সিসি মোটরসাইকেলেও একই গতি তোলা যায়। বিশ্বের কোথায় এমন সিসি সীমা নেই। তবে স্থানীয় শিল্পের কথা বিবেচনা করে প্রতিবেদনে বলা হয়, আপাতত ৩৫০ সিসি পর্যন্ত অনুমোদন দেওয়া যায়, তবে তা ৫০০ সিসি করা এবং একপর্যায়ে সীমা তুলে নেওয়া যেতে পারে।

ট্যারিফ কমিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দীর্ঘদিন দেশে মোটরসাইকেলের সিসি সীমা ছিল ১৫৫। ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে সিসি সীমা ১৬৫-তে উন্নীত করা হয়। পুলিশের ক্ষেত্রে সিসি সীমা কার্যকর হয় না।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গতকালের সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন টিভিএস ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল উৎপাদন ও বিপণনকারী টিভিএস অটো বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বিপ্লব কুমার রায়। তিনি আজ সকালে প্রথম আলোকে বলেন, বাংলাদেশ থেকে ৫০০ সিসির মোটরসাইকেল রপ্তানির অনুমতি ছিল। অন্যদিকে আমদানি নীতিতে ৫০০ সিসির যন্ত্রাংশ আমদানির সুযোগ থাকলেও সড়কে এ ধরনের বেশি সিসির মোটরসাইকেল চলাচলের অনুমতি ছিল না। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গতকাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এক সভায় দেশের সড়কে ৩৫০ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলের অনুমতি দিয়েছে। এখন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ ধরনের মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশ আমদানি ও সংযোজনের একটি নীতিমালা করবে। সেটি হওয়ার পর বলা যাবে, দেশের সড়কে কবে ৩৫০ সিসির মোটরসাইকেল নামবে।

বেশি সিসির মোটরসাইকেলের নিরাপত্তার বিষয়ে প্রশ্ন করলে বিপ্লব কুমার রায় বলেন, উচ্চ সিসির মোটরসাইকেল আধুনিক। এসব মোটরসাইকেলের নিরাপত্তাব্যবস্থাও অনেক বেশি। তিনি আরও বলেন, ‘সব কটি ব্র্যান্ডেরই বেশি সিসির মোটরসাইকেল আছে। আমরাও বাজার বিশ্লেষণ করে বেশি সিসির বাইক বাজারে ছাড়ব।’

যুক্তরাজ্যের ঐতিহ্যবাহী মোটরসাইকেল ব্র্যান্ড রয়েল এনফিল্ড বাংলাদেশের বাজারে আনতে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরে কারখানা করছে ইফাদ অটোস। তবে এত দিন বেশি সিসির মোটরসাইকেল চলাচলের অনুমতি না থাকায় রয়েল এনফিল্ড ৩৫০ সিসির বাইক কবে আসবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের পর সেটি ঘুচল বলে জানালেন এই খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

আলাপচারিতায় এসিআই মোটরসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এফ এইচ আনসারি বলেন, ‘ইয়ামাহার দুই হাজার সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল আছে। আমরাও দেশে উচ্চ সিসির বাইক আনব, তবে একটু ধীরে।’ তিনিও আর বলেন, বেশি সিসির মোটরসাইকেলের নিরাপত্তাব্যবস্থা অনেক ভালো। তাতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমে।

Daily World News

বাইডেন, সুনাক, ট্রুডো: জি-২০ তে এসে কে কোথায় থাকবেন

রাশিয়া – বাংলাদেশ লাভের আশা উভয়রই

রাশিয়া – বাংলাদেশ লাভের আশা উভয়রই

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের ঢাকা সফরে দুই পক্ষই নানা বিষয়ে সমর্থন লাভের আশা করছে। রাশিয়ার সমর্থন লাভের বিষয় থাকবে ইউক্রেন, আর বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আগামী নির্বাচন নিয়ে রাশিয়ার অবস্থান।

বিশ্লেষকেরা বলছেন এটা দ্বিপাক্ষিক এবং রাজনৈতিক সফর। এখনকার বিশ্ব প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে সেটা বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। ভ্লাদিমির পুতিনের খুবই নির্ভযোগ্য এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউক্রেন যুদ্ধের পর  পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ সফর করছেন ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে রাশিয়ার নীতির পক্ষে সমর্থন লাভের জন্য। বিশ্লেষকেরা মনে করেন, রাশিয়ান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরের ওপর ভালোভাবেই নজর রাখছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র । তাই বাংলাদেশের উচিত হবে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে মাথায় রেখে নিজেদের স্বার্থের দিকে নজর রাখা।

পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন একদিন আগে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন,”আন্তর্জাতিক বিশ্বে সাম্প্রতিক  যেসব কঠিন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বিশেষ করে ইউক্রেন সংকটের পর থেকে, সেগুলো নিয়ে আলোচনা হবে। সার ও জ্বালানি নিরাপত্তা, স্যাংশন, আমাদের যে সমস্যা আছে সেগুলো আমরা তুলে ধরব। রাশিয়াকে আমরা নিশ্চয়ই অনুরোধ করতে পারি যেন দ্রুত শান্তিপূর্ণ সমাধান বের করা যায়।”

জানা গেছে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ইউক্রেন যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার আহ্বান জানানো হতে পারে।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক সম্পর্ক আছে। আর ২০২২ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের তৎপরতার সময় ঢাকায় রাশিয়ান দূতাবাস একটি বিবৃতি দিয়ে  বলছিল,”কিছু দেশ, যারা নিজেদের ‘উন্নত গণতন্ত্র’ বলে দাবি করে, তারা অন্য দেশের সার্বভৌমত্ব ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে শুধু হস্তক্ষেপই করে না, এমনকি ব্ল্যাকমেইলও করে।” আর রূপপুরে বাংলাদেশের বৃহৎ পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে রাশিয়ান বিনিয়োগে।

বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পর এই প্রথম রাশিয়ান কোনো পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফর। এর আগে আরো দুইবার সফরের কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা হয়নি।

পরারাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানাগেছে  এই সফরে কোনো চুক্তি সই না হলেও দ্বিপক্ষীয় সব বিষয়েই আলোচনা হবে। বাংলাদেশের অগ্রাধিকারের মধ্যে আছে  রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করা। রূপপুরের অর্থ পরিশোধও আরেকটি ইস্যু, আগে রাশিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল বাংলাদেশকে এখনই অর্থ পরিশোধ না করতে। এরপর আর এ বিষয়ে কথা আগায়নি৷ রোহিঙ্গাদের বিষয়ে রাশিয়ার সমর্থন চাওয়া হবে। এছাড়া প্রতিরক্ষা, সার ও গম আমদানি নিয়ে আলোচনা হবে।

বাংলাদেশ থেকে ২০২১-২২ অর্থবছরে রাশিয়ায় প্রায় ৬৪ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, একই সময়ে বাংলাদেশ আমদানি করেছে প্রায় সাড়ে ৪৭ কোটি ডলারের পণ্য।

রাশিয়ার দিক থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় আটকে থাকা তাদের জাহাজ বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেয়ার অনুরোধ থাকবে বলে জানা গেছে। তাদের দিক থেকে প্রধানত চারটি ইস্যুর কথা জানানো হয়েছে। এর মধ্যে আছে অর্থনীতি ও বাণিজ্য, আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশের সহযোগিতা ও সমর্থন।

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় এসে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করবেন শুক্রবার। ওইদিনই তিনি ভারতের দিল্লিতে জি-২০ সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়বেন।

সাবেক রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল (অব.) মো. শহীদুল হক মনে করেন, “এই সফরে দুই দেশেরই রাজনৈতিক প্রত্যাশা আছে। এটা কিছুটা রাজনৈতিক সফর। তবে বাংলাদেশের সতর্ক থাকতে হবে।”

তিনি বলেন, “রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রে রাশিয়ার ১২ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ রয়েছে।  এটা উভয় দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। নিষেধাজ্ঞার কারণে পেমেন্টে সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু  সেটার উপায় বের করতে গিয়ে কোনো ঝুঁকি নেয়া যাবে না। এই সরকার আগামী নির্বাচনে তার অবস্থানে রাশিয়ার সমর্থন চাইবে। ইউক্রেন যুদ্ধসহ আন্তর্জাতিক নানা ফোরামে বাংলাদেশের সমর্থন চাইবে রাশিয়া। এই বিষয়ে বাংলাদেশের আগের অবস্থানেই থাকতে হবে। কোনো পক্ষে না গিয়ে শান্তির পক্ষে অবস্থান নেয়াই যথার্থ হবে।”

তার কথা, “রাশিয়ার সঙ্গে এখন  বাংলাদেশের নতুন কোনো ইনভেস্টমেন্ট বা চুক্তিতে যাওয়া ঠিক হবে না। এখন শুধু আগের অর্থনৈতিক বিষয়গুলো যাতে সহজ করা যায় সেই চেষ্টা করতে হবে।”

তিনি বলেন,”মার্কিন প্রেসার রিলিজের জন্য এমন কিছু বাংলাদেশের জন্য করা ঠিক হবে না যাতে বাংলাদেশের জন্য কোনো সংকট হয়।”

এদিকে সাবেক রাষ্ট্রদূত মো. হুমায়ুন কবির বলেন, এই ধরনের সফরের ব্যাপারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নজর রাখে। কোথায় কী হয় সব তথ্য তাদের কাছে থাকে। তবে আমাার মনে হয় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, রোহিঙ্গা ইস্যু,  গম ও সার আমদানিই বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের নির্বাচনের ব্যাপারে রাশিয়া আগেই বলে দিয়েছে যে এটা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এবার হয়তো সরকার আশা করতে পারে রাশিয়া সেটা আবার বলুক। আর রাশিয়াও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশের সমর্থন চাইবে। তবে এসব বিষয়ে  সরকার নিশ্চয়ই বাংলাদেশের স্বার্থের দিকে নজর রাখবে”।

তার কথা,”রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে রাশিয়া একটা বড় ভূমিকা নিতে পারে। চীনের তো একটা উদ্যোগ আছে। মিয়ানমারকে অস্ত্রসহ নানা ধরনের সহায়তা করে রাশিয়া। আমরা যদি রাশিয়াকে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ভূমিকা নেয়ার জন্য রাজি করাতে পারি তাহলে সেটা অনেক বড় কাজ হবে।” সংগ্রহ: ডিডাব্লিউ

Daily World News

কচুয়ায় ধর্মীয় ভাব গাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে জন্মাষ্টমী উদ্যাপিত

ডুমুরিয়ায় যথাযথ মর্যাদায় শ্রীকৃষ্ণের জন্মবার্ষিকী উৎসব অনুষ্ঠিত

রামপালে চাকশ্রী বাজার ব্যবসায়ীদের সাথে ওসি’র আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

রামপালের চাকশ্রী বাজার ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ সাথে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার রাত ৮ টায় বাজার কমিটির সভাপতি ও বাইনতলা ইউপি চেয়ারম্যান ফকির আব্দুল্লাহর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখেন, রামপাল থানা অফিসার ইন-চার্জ এস, এম আশরাফুল আলম। ওই সময় আরও বক্তব্য রাখেন, বাজার কমিটির সেক্রেটারি গাজী আসাদুজ্জামান, এসআই লিটন, যুবলীগ নেতা আনিসুর রহমানসহ ব্যাবসায়ী নেতৃবৃন্দ।

মতবিনিময় সভায় চাকশ্রীবাজার ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, সকল দোকান মালিক, ওয়ার্ড ইউপি সদস্য, সাংবাদিক, জনসাধারণ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি এস.এম আশরাফুল আলম নৈশ পাহারা জোরদার, সিসি ক্যামেরা স্হাপন, জুয়া খেলা বন্ধ, বাল্যবিবাহ রোধসহ নানা বিষয়ে ব্যাবসায়ীবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানন।

এ এছাড়াও উপজেলার গৌরম্ভা বাজার ব্যাবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দের সাথে ও আইন শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে ব্যবসায়ীদের সহযোগীতা কামনা করেন।

রামপালের ভাগা বণিক সমিতির সাথে ওসি’র মতবিনিময় সভা

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি||

বাগেরহাটের রামপালের ভাগা বাজার বণিক সমিতির নেতৃবৃন্দের সাথে রামপাল থানার ওসি’র এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত ৯ টায় উপজেলার ভাগা বাজার চত্তরে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন রামপাল থানার অফিসার ইন-চার্জ এস, এম আশরাফুল আলম, বণিক সমিতির সভাপতি হাজী আ. হান্নান, রামপাল সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দিন দুলাল, প্রধান শিক্ষক মো. সাইদুর রহমান বাদশা, কাকড়া ব্যাবসায়ী সমিতির সভাপতি অজয় বিশ্বাস, এসআই লিটন কুমার, ফজলুর রহমান, বাচ্চু মোড়ল, শাহিনুর রহমান, আবু নাইম হোসেন, মৃদুল কান্তি পাল, আজমল হোসেন, শেখ আবু বকারসহ নেতৃবৃন্দ।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সকল দোকান মালিক,  ইউপি সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী ও গ্রাম পুলিশ। তাদের সাথে বাজারের নিরাপত্তাসহ রামপাল সদর ইউনিয়নের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বাজারে নাইটগার্ডের সংখ্যা বৃদ্ধিসহ গ্রাম পুলিশের রাত্রি কালীন ডিউটিতে নিয়োজিত থাকার বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কেউ দায়িত্ব পালনে অবহেলা করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়।

রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলম জানান, আমরা রামপাল থানাকে মাদকমুক্ত, ইভটিজিং মুক্ত, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, সন্ত্রাস মুক্ত ও চোরের উপদ্রব্য প্রতিরোধে বদ্ধপরিকর। কোন কেউ আইন শৃঙ্খলা বিরোধী অপরাধ করলেই তাকে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ধরা হবেই। কোন অপরাধীকে অনুকম্পা দেখানো হবে না।

রামপালে ব্যাবসায়ীদের সাথে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি  ||

রামপালের মল্লিকের বেড় ইউনিয়নের ছোট সন্ন্যাসী বাজারে ব্যবসায়ীদের সাথে আইন শৃঙ্খলা পরিস্হিতি রাখার বিষয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫ টায় উপজেলার মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নের ছোট সন্নাসী বাজারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন রামপাল থানার অফিসার ইন-চার্জ এস, এম আশরাফুল আলম, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি তালুকদার মুজিবর রহমানসহ ব্যাবসায়ী নেতৃবৃন্দ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সকল দোকান মালিক,  ইউপি সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী ও গ্রাম পুলিশ। তাদের সাথে বাজারের নিরাপত্তাসহ মল্লিকের বেড় ইউনিয়নের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বাজারে নতুন করে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, নাইটগার্ডের সংখ্যা বৃদ্ধিসহ গ্রাম পুলিশের রাত্রি কালীন ডিউটিতে নিয়োজিত থাকার বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কেউ দায়িত্ব পালনে অবহেলা করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন বারাক ওবামা ও হিলারি ক্লিনটন

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন বারাক ওবামা ও হিলারি ক্লিনটন। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিচার পর্যবেক্ষণে আগ্রহী তারা। তাই বাংলাদেশে আসতে সরকারের আন্তরিকতা ও সহযোগিতা চেয়েছেন ড. ইউনূসের আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন।

বৃহস্পতিবার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘ওনাদের (ওবামা ও হিলারি) জানানো হয়েছে, ওনারা এ ইন্টারভিউ সম্পর্কে জেনেছেন; কিন্তু ওনাদের আসতে হলে তো বিচার শেষ করে দিয়ে ডাকলে হবে না।’

আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘যে মামলাটা ক্রিমিনাল মামলা, যে মামলাগুলো নিয়ে বক্তব্য আনা হয়েছে, ওনারা এসে যদি দেখেন তাহলে তো ওনারা বুঝতে পারবেন যে, এ মামলার ভেতরে কোনো সারবস্তু নাই।’

এই আইনজীবী বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত ১৬৮টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে; যার মধ্যে দুটি ফৌজদারি ও বাকিগুলো শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলা।

তিনি আরও বলেন, গত ৩০ আগস্ট রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণাধীন গ্রামীণ ব্যাংক এক চিঠিতে ড. ইউনূসের নিয়ন্ত্রণে থাকা গ্রামীণ কমিউনিকেশনকে জানায়, তাদের সঙ্গে আর চুক্তি নবায়ন করা হবে না। এ ঘটনায় এবার ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে সাড়ে ৯শ শ্রমিকের মামলার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আত্মবিশ্বাস না থাকায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিবৃতি ভিক্ষা করেছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। প্রধানমন্ত্রী বিবৃতিদাতাদের ড. ইউনূসের মামলার নথি পর্যালোচনা করে দেখার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, আদালতকে ভয় পেলে চলবে না। আইন নিজস্ব গতিতে চলবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার কোনো বিবৃতিতে প্রভাবিত হবে না। ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলা আইন অনুযায়ী চলবে।

বিবৃতিদাতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিবৃতি না দিয়ে বিশেষজ্ঞ পাঠান, আইনজীবী পাঠান। দলিল-দস্তাবেজ, কাজগপত্র ঘেঁটে দেখুন অন্যায় আছে কিনা। সবকিছুই আইন মতো চলে।

৬০ বিঘার বেশি জমি সংক্রান্ত নতুন আইনে কি কি আছে….

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

দেশের কোনো ব্যক্তি ৬০ বিঘার বেশি জমির মালিক হতে পারবেন না। যদি কারও একক নামে ৬০ বিঘার বেশি জমি থাকে, তবে সরকার অতিরিক্ত জমি অধিগ্রহণ করতে পারবে। যদিও কিছু ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম রয়েছে। ভূমি সংস্কার আইন ২০২৩–এর খসড়ায় এ কথা বলা হয়েছে।

গত সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ আইনের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জমির মালিকানার ক্ষেত্রে সীমানির্ধারণ ছাড়াও স্থাবর সম্পত্তির বেনামি লেনদেনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা, বাস্তুভিটা থেকে উচ্ছেদের ক্ষেত্রে পালনীয় বিষয়, জমির বর্গাদারের অধিকারসহ নানা বিষয় আলোকপাত করা হয়েছে।

১৯৮৪ সালে ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশ জারি করা হয়। এখন এই অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করা হচ্ছে। তবে নতুন আইনে ওই অধ্যাদেশের অনেক কিছুই অবিকৃত রাখা হয়েছে।

নতুন আইনে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি একক নামে ৬০ বিঘার (১ বিঘা সমান ৩৩ শতাংশ) বেশি জমির মালিক হতে পারবেন না। কারও নামে ৬০ বিঘার বেশি জমি থাকলে অতিরিক্ত জমি সরকার অধিগ্রহণ করতে পারবে। আর এ জন্য সরকার কোনো ক্ষতিপূরণ দেবে না।

তবে কিছু ব্যতিক্রমের কথাও আছে আইনে। যেমন সমবায় সমিতি; চা, কফি, রাবার ও ফলের বাগানমালিক; শিল্প কারখানার কাঁচামাল উৎপাদন হয়, এমন জমির মালিক; রপ্তানিমুখী শিল্প ও কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতের কাজে ব্যবহার হওয়া জমির মালিক; ওয়াকফ ও ধর্মীয় ট্রাস্টের ক্ষেত্রে এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে না।

ভূমিসংক্রান্ত আইন ভঙ্গ করলে এক লাখ টাকা জরিমানা অথবা এক মাসের কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রাখা হয়েছে নতুন আইনে। এ ছাড়া আইনে ভূমি ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু ও তথ্যভান্ডার তৈরির কথাও বলা হয়েছে।

নতুন আইনে বাস্তুভিটা থেকে উচ্ছেদের ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন আদালতের আদেশ ছাড়া কোনো কর্মকর্তা বা কোনো কর্তৃপক্ষ জমি থেকে মালিককে উচ্ছেদ করতে পারবেন না।

গ্রামীণ এলাকায় বাস্তুভিটার উপযুক্ত জমি খাস হিসেবে পাওয়া গেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা বা তাঁর পরিবার, ভূমিহীন কৃষক ও শ্রমিকদের বন্দোবস্তের বিষয়ে প্রাধান্য দেওয়া হবে। আইনে বলা হয়েছে, কোনো বর্গাদার বর্গা চুক্তির আগে মারা গেলে চুক্তির মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত বর্গাদারের পরিবারের সদস্যরা ওই জমি চাষ করতে পারবেন।

আইনে আরও বলা হয়েছে, মালিক যদি তাঁর বর্গা দেওয়া জমি বিক্রি করতে চান, তবে প্রথমে বর্গাদারকে জানাতে হবে। বর্গাদার ১৫ দিনের মধ্যে মালিককে তাঁর সিদ্ধান্তের কথা জানাবেন। আর কোনো বর্গাদার ১৫ বিঘার বেশি জমি চাষ করতে পারবেন না।

বর্গা চুক্তি বাতিলের বিষয়ে কিছু শর্ত রাখা হয়েছে নতুন আইনে। যেমন বর্গাদার যৌক্তিক কারণ ছাড়া জমি চাষ না করলে চুক্তি বাতিল হবে।

এ ছাড়া এলাকায় সাধারণত যতটুকু শস্য হয়, তা আবাদ না করতে পারলে, ভিন্ন কোনো কাজে জমি ব্যবহার করলে, বর্গাদার নিজে চাষ না করলে চুক্তি বাতিল হতে পারে। ভূমির মালিক ব্যক্তিগতভাবে চাষের জন্য জমি চাইলেও চুক্তি বাতিল করা যাবে।

Daily World News

নাটোর-৪  সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কুদ্দুস আর নেই

রাশিয়ার ভিতরে হামলা না চালাতে ইউক্রেনের ওপর পশ্চিমাদের চাপ

রামপালে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে দিশেহারা নিন্ম আয়ের মানুষ