ডুমুরিয়ায় মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বাগদা চিংড়ি ক্লাস্টার পরিদর্শন ও চাষিদের মতবিনিময় সভা

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া//

মৎস্য অধিদপ্তরের  মহাপরিচালক  খন্দকার মাহবুবুল হক শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর সকালে ডুমুরিয়া  উপজেলার বারুইকাঠি বাগদা চিংড়ি ক্লাস্টার পরিদর্শন ও চাষিদের মতবিনিময় করেন। এ সময়  উপস্থিত ছিলেন মোঃ তোফাজউদ্দিন আহমেদ, উপপরিচালক, মৎস্য অধিদপ্তর, খুলনা বিভাগ,  জয়দেব পাল, জেলা মৎস্য অফিসার,  এ এস এম রাসেল,জেলা মৎস্য অফিসার, বাগেরহাট, সরোজ কুমার মিস্ত্রী, ডিপিডি,এসসিএমএফপি,মৎস্য অধিদপ্তর,খুলনা ,  মোঃ আবুবকর সিদ্দিক, সিনিয়র উপজেলা মৎস কর্মকর্তা , মো মইনউদ্দিন আহমেদ, এসএলএ,সলিড্যারিড্যাড,ঢাকা,  মোঃ মশিউর রহমান, জেলা সমন্বয়কারী।

বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারগণ,ক্লাস্টার চাষি, প্রমুখ।

 

স্মার্ট নারী উদ্যোক্তার অনুদান পেলেন কেশবপুরের প্রেমা

মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍ঃ
স্মার্ট নারী উদ্যোক্তার অনুদান পেলেন যশোরের কেশবপুরের শাহনাজ আফরোজ প্রেমা। ২৯ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) ঢাকার আগারগাঁও বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে তাকে স্মার্ট নারী উদ্যোক্তা হিসেবে ৫০ হাজার টাকার অনুদান দেওয়া হয়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে স্মার্ট নারী উদ্যোক্তাদের অনুদান তুলে দেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

উদ্যোক্তা শাহনাজ আফরোজ প্রেমা যশোরের বিখ্যাত খেজুরের গুড়সহ মধু, নাড়ু, লাল চিনি, মিছরি, কুমড়ার বড়ি নিয়ে কাজ করেন ও অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করে থাকেন। তিনি কেশবপুর উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের শাহজালাল বাচ্চুর মেয়ে। নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে নারী উদ্যোক্তা হিসেবে এলাকায় বেশ পরিচিতি পেয়েছেন তিনি। শাহনাজ আফরোজ প্রেমা বলেন, এলাকার ঐতিহ্যবাহী জিনিস সারাদেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে ও নিজেকে একজন নারী উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে অনেক কষ্ট করেছি। স্মার্ট নারী উদ্যোক্তার তালিকায় নিজের নাম দেখে গর্ববোধ করছি। একই সঙ্গে স্মার্ট নারী উদ্যোক্তা হিসেবে ৫০ হাজার টাকা অনুদান পেয়ে আমার কাজের প্রতি আরও দ্বিগুণ উৎসাহ বেড়ে গেল।

ডুমুরিয়া উপজেলা ইটভাটা শ্রমিক ইউনিয়নের কমিটি গঠন

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া//
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলা ইট ভাটা শ্রমিক ইউনিয়নের(রেজি: নং১৬৫০) এক বছর মেয়াদী কার্য নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। ২৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা সদরে শহীদ কমরেড শেখ আব্দুল মজিদ মিলনায়তনে ইট ভাটা শ্রমিকদের সর্ব সম্মত সিদ্ধান্তে গাজী মোস্তফা কে সভাপতি হিসেবে পূন:নির্বাচিত এবং মোঃ শহীদ গাজীকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে ১৭ সদস্য বিশিষ্ঠ এ কমিটি নির্বাচিত করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ইট ভাটায় কর্মরত শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরী,শ্রমিকদের নিরাপত্তাসহ শ্রম আইন অনুযায়ী গঠিত ডুমুরিয়া উপজেলা ইটভাটা শ্রমিকদের এক বছর মেয়াদী কার্য নির্বাহী কমিটি গঠনের লক্ষ্যে এক সাধারণ সভা আহ্বান করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি গাজী মোস্তফা ।সভায় সর্ব সম্মত সিদ্ধান্তে (২০২১-২০২২) মেয়াদে ৪ সদস্য বিশিষ্ঠ উপদেষ্টা পরিষদসহ ১৭ সদস্য বিশিষ্ঠ কার্য নির্বাহী কামিটি নির্বাচিত করা হয়।
কমিটির অন্যানরা হলেন সহ-সভাপতি হিসেবে জি,এম সাইকুল ইসলাম ও মোঃ এনামুল শেখ, সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মোঃ রহমতুল্লাহ শেখ,সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোঃ গোলাম রসুল,কার্য নির্বাহী সদস্য পদে রাজ্জাক খান,রেজাউল গাজী, শহিদুল ইসলাম,ফরহাদ মুন্সি,হাসান শেখ,সাইফুল ইসলাম খান,মুসা সরদার,সুমন সরদার,মহসিন সরদার, আজিজুল গাজী ও সরোয়ার সরদার কে নির্বাচিত করা হয়।
এছাড়া কমিটির উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য হিসেবে মোঃ কালাম সরদার,মোঃ হাবিবুর জোয়ারদার,রেজাউল সরদার ও আলামিন সরদারকে মনোনিত করা হয়েছে।

বরগুনার আমতলীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন পালিত

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে বরগুনার আমতলীতে বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন পালন পালিত হয়েছে।

বুধবার (২৮সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টার সময় উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন,মাগরিব নামাজ বাদ উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত এর মধ্যদিয়ে দিনটি পালন করা হয়েছে।

আলোচনা সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট এম এ কাদের মিয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান এর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ নুরুল ইসলাম মৃধা,আমতলী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) ও আমতলী পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ মজিবুর রহমান,সহ সভাপতি ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মোতাহার উদ্দিন মৃধা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চাওড়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আক্তারুজ্জামান বাদল খান,কুকুয়া ইউপি চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দিন মাসুম তালুকদার,আড়পাংগাশিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সোহেলী পারভীন মালা,হলদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিন্টু মল্লিক, আঠারোগাছিয়া ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, গুলিশাখালী ইউপি চেয়ারম্যান এডভোকেট এইচ,এম মনিরুল ইসলাম,উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও পৌর কাউন্সিলর জাহিদুল ইসলাম জুয়েল তালুকদার, আওয়ামী লীগ নেতা হারুন অর রশীদ, আব্দুল হক,যুবলীগ নেতা মোঃ ফরিদ মেলকার সহ সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।

এসময় আওয়ামী লীগ, সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরস ও স্হানীয় বিভিন্ন শ্রেনি পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধনামন্ত্রী শেখ হাসিনার দীঘায়ু কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠান ও মোনাজাত করা হয়।

রূপসায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ তথ্য কার্ড প্রদান

//এম মুরশীদ আলী//

“মেয়ে আমার অহংকার, ১৮’র আগে বিয়ে নয় এই আমার অঙ্গীকার” এ প্রতিপাদ্য সঙ্গে নিয় ব্র্যাক সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনী সুরক্ষা কর্মসূচির অংশ হিসেবে রূপসার নৈহাটী ইউনিয়ন সামন্তসেনা পশ্চিমপাড়ায়

গত ২৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০ টায় কিশোরীদের বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ তথ্য কার্ড প্রদান সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচির প্রশান্ত কুমার দে, জোনাল ম্যানেজার এ বি এম জাহিদ হোসেন, উপজেলা  তথ্য আপা দিলশান আরা, সামন্তসেনা গ্রামের ইউপি সদস্য মো. মাসুম শেখ, সাংবাদিক এম মুরশীদ আলী প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে ব্র্যাক সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনী সুরক্ষা কর্মসূচির কর্মকর্তা রশিদা মেঘলা বিষদ আলোচনায় বলেন, ব্র্যাক প্রতি রবিবার পারিবারিক বিষয়ে আইনি সহয়তা প্রদান করে। কিশোর-কিশোরীদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য কাজ করা হয়। এখানে মেয়েদের ১৮’র আগে বিয়ে দেওয়া থেকে বিরত থাকুন এবং ছেলেদের ২১ আগে বিয়ে করানো যাবেনা। তাছাড়া কিশোরী ও মা দের সচেতন হওয়ার জন্য পরামর্শ দেন। সমাজের নারীর অংশ গ্রহনে পারিবারিক পরামর্শ, জেন্ডার বিষয়ক প্রচলিত সামাজিক কুসংস্কার, ক্ষতিকর ধ্যান-ধারণার বিষয়ে অবহিত করে থাকেন। এভাবে রূপসার মানুষকে সচেতন হিসাবে গড়ে তোলার জন্য কাজ করে যাচ্ছে রূপসা ব্র্যাক।

এ সময় ২৫ জন কিশোরীকে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ তথ্য কার্ড প্রদান করা হয়।

খুলনার রূপসায় শেখ রাসেল ও মিনা দিবসে র‍্যালী পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

 

//মোঃ কুরবান  রূপসা প্রতিনিধিঃ//

দীর্ঘ দুই বছর করোনায় শিক্ষা প্রতিষ্টান বন্ধ থাকায় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা হতাশার মধ‍্যে ছিল।
করোনা শিথিল হওয়ায় সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে শিক্ষার মান।

খুলনার রূপসা উপজেলায় সকল সরকারী প্রাথমিক বিদ‍্যালয়ে মিনা দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শনিবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ আ:রব। এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মন্ডল মধু সুদন,মতিয়ার রহমান, প্রধান শিক্ষক শ‍্যামল দাস, সুমাধুরী চক্রবর্তী, প্রভাত দাস, শাবানা,

নিশিত রঞ্জন মহলী, নাসরিন আকতার, অরবিন্দু শীল, লুৎফর রহমান, অজ য় কুমার ধাম, বাসুদেব, অমিয় বসু,

দিপক পাল, মধু সুদন রায়, মিনতী মালাকার,ফালগুনি তরফদার, আয়েশা সিদ্দিকা, মাসুমা আকতার, বনানী ঘোষসহ অনেকেই।

এছাড়া শেখ রাসেল দিবসে চিত্রাঙ্গন ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীর মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

ডুমুরিয়ায় মীনা ও শেখ রাসেল দিবস পালিত

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া//
নিরাপদ ও আনন্দময় পরিবেশ মান সম্মত শিক্ষা এবারের এ প্রতিপাদ‍্যকে সামনে রেখে ২৪ সেপ্টেম্বর  সকালে ডুমুরিয়া  উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তরের আয়োজনে মীনা দিবস ও শেখ রাসেল দিবস  পালিত হয়েছে। সকাল ১০ টায় র‍্যালী শেষে জোবায়েদ আলী মিলনায়তনে গল্প বলার আসর ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং সকাল ১১ টায় শিল্প কলা একাডেমিতে শেখ রাসেল দিবসে কুইচ ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত  ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শিকদার আতিকুর রহমান জুয়েল, ইউআরসি  মো: মনির হোসেন,  সহকারী শিক্ষা অফিসার যারর্জিজ, আব্দুল্লাহ আল মামুন,  প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম মোড়ল, এস এম রবিউল ইসলাম , দেবাষিশ চন্দ্র চন্দ, মফিজুর রহমান, আ: ছালাম গাজী,সহকারী শিক্ষক  জাহাঙ্গীর  আলম, শফিকুল আলম, রবিউল ইসলাম, শাহিন খান  প্রমুখ। উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহন করে।

রূপসায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ বিষয়ক সমন্বয় সভা

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

উপজেলা প্রশাসন এবং মহিলা বিষয়ক অফিস আয়োজনে রূপসা ব্র্যাকের সহযোগীতায় সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনী সুরক্ষা কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ বিষয়ক সমন্বয় সভা, গত ২২ সেপ্টেস্বর বিকেল ৩ টায় উপজেলা অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

সমন্বয় সভায় জুমের মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবাইয়া তাছনিমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. কামাল উদ্দিন বাদশা, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ যুবায়ের, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, স্বাস্থ্য ও প: প: কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম, কৃষি কর্মকর্তা মো. ফরিদুজ্জামান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বাপ্পী কুমার দাশ, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: প্রদীপ কুমার মজুমদার, ওসি তদন্ত মো. সিরাজুল ইসলাম, যুব উন্নযন কর্মকর্তা মোল্যা পারভেজ, প্রকৌশলী এসএম ওয়াহিদুজ্জামান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মনোয়ারা খনম, সমাজসেবা কর্মকর্তা জেসিয়া জামান, আইসিটি কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. রাসেল, তথ্য আপা দীলশান আরা, মাধ্যমিক শিক্ষা সহকারী কর্মকর্তা গোলাম মোন্তফা, ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামান বাবুল, আলহাজ্জ্ব ইসহাক সরদার, মো. কামাল হোসেন বুলবুল, মো. জাহাঙ্গির শেখ, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো. মোতালেব হোসেন, জেলা যুবলীগের সহ সভাপতি আজিজুল হক কাজল, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম হাবিব, এমপির সমন্বয়কারী নোমান ওসমানী রিচি, ইউপি সদস্য আনিচুর রহমান মিঠু প্রমূখ।

সমন্বয় সভায় ব্র্যাক সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনী সুরক্ষা কর্মসূচির কর্মকর্তা রশিদা মেঘলা বিষদ আলোচনায় সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, মেয়েদের ১৮’র আগে বিয়ে দেওয়া থেকে বিরত থাকুন এবং ছেলেদের ২১ আগে বিয়ে করানো যাবেনা। তাছাড়া কিশোরী ও মা’ দের সচেতন হওয়ার জন্য পরামর্শ দেন। সমাজের নারীর অংশ গ্রহনে পারিবারিক পরামর্শ, জেন্ডার বিষয়ক প্রচলিত সামাজিক কুসংস্কার, ক্ষতিকর ধ্যান-ধারণার বিষয়ে অবহিত করেন।

রামপালে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর ফেলে ১৭ উপকারভাগী চলে গেছে

//এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি//

: রামপালে কর্মসংস্থানের অভাবে উদ্বাধোনের পর মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে জমি ও ঘর বুঝে নিয়ে উপজলার গৌরম্ভার নতুন আশ্রয়ন প্রকল্পে ঘর ছেড়ে চলে গেছে ১৭ উপকারভাগী পরিবার। তারা গত দেড় মাসেও ফিরে আসেনি।

জানা যায় মুজিববর্ষ উপলক্ষে বাংলাদশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবেনা প্রধানমন্ত্রীর এমন নির্দশেনা বাস্তবায়নে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার গৌরম্ভায় সরকারি খাস জমির উপর তৃতীয় পর্যায়ে গত অর্থ বছরে ৬০টি বাসগৃহ নির্মাণ করা হয়।

গত ২১ জুলাই বৃহস্পতিবার সেই বাসগৃহ ও জমি প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন (ভার্চুয়াল) করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধনের সময় ৬০ উপকারভোগীর সবাই জমি ও ঘর বুঝে পাওয়ার পর তাদের মধ্যে ১৭ উপকারভোগী আশ্রয়নের ঘর ছেড়ে চলে যায়। তারা গত দেড় মাসেও ফিরে আসেনি।

সরেজমিনে আশ্রয়নের বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে এখানে গৃহ ও জমি পাওয়া বেশির ভাগ লোকের কোন কর্মসংস্থান নেই। আশপাশে এমন কলকারখানাও নেই যেখানে তাদের কর্মসংস্থান হবে। বেশির ভাগ পরিবারের নেই পুজি। যা দিয়ে তারা ব্যবসা করবে।

তারা আরও জানান, এখানে গৃহ ও জমি প্রদানের আগে বলা হয়েছিল তাদেরকে সহজ শর্তে ঋন দেয়া হবে। গত দেড় মাসে কেউ ঋন পায়নি। আমরা ঘর পেয়ছি কিন্তু কাজ না থাকলে খাবো কি ? ঋন পেলে ছোট দোকান কিংবা ভ্যান কিনে চালিয়ে সংসার চালাতে পারতাম। আয় না থাকায় কেউ কেউ ঘর ফেলে চলে গেছে। এ অবস্থায় থাকলে আরো লোক চলে যাবে এমন মন্তব্য তাদের।

উপকারভোগীদের কথার সুত্র ধরে জানা গেল ৫৬ নং ঘরের বাসিন্দা রামপালের খলিল, ৫৮ নং ঘরের বাসিন্দা রামপালের নাজমা বেগম, ৫৯ নং ঘরের বাসিন্দা হুড়কার প্রমথ মন্ডল, ৬০ নং ঘরের বাসিন্দা উনতি মন্ডল, ৬১ নং ঘরের বাসিন্দা সবিতা মন্ডল, ৬৭ নং ঘরের বাসিন্দা হুড়কার বেলাই তালতলার আশালতা, ৬৯ নং ঘরের বাসিন্দা তাপস কুমার বিশ্বাস, ৭৭ নং ঘরের বাসিন্দা ইউনুছ আলী, ৭৮ নং ঘরের বাসিন্দা অজ্ঞাতনামা, ৭৯ নং ঘরের বাসিন্দা বারুইপাড়ার জাহানারা বেগম, ৮০ নং ঘরের বাসিন্দা ছবেদ আলী, ৮৩ নং ঘরের বাসিন্দা রহিমা বেগম, ৮৪ নং ঘরের বাসিন্দা রিপন, ৮৫ নং ঘরের বাসিন্দা তাপস সহ রামপালের হামিম শেখ, ফরিদা বেগম, উজ্জল ডাকুয়া ও আলামিন হোসেন ঘর ও জমি বুঝে নিয়ে আশ্রয়ন ছেড়ে চলে গেছে পুর্বের ঠিকানায়।

নাম প্রকাশ না করে ওই আশ্রয়ন বসবাস করেন এমন ৪/৫ জন নারী জানান যারা আশ্রয়ন ছেড়ে চলে গেছে তাদের বাড়ি-ঘর আছে। এ ছাড়া এমন অনেকেই আছে যারা এখানে কিছুদিন থাকার পর গ্রামের বাড়িতে বসবাস করে। তারা পুরাপুরি ভুমহীন নয়।

ওই আশ্রয়নের নেতা সাবেক ইউপি সদস্য আ. হান্নান বয়াতী বলেন, যারা ঘরে থাকেনা তাদের বার বার ঘরে আসতে বলা হলেও তারা আসছেনা। মনে হয় তারা আর আসবে না। তবে আশ্রয়নের বাসিন্দারা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন আমাদের মতো ভূমিহীন মানুষের জন্য তিনি যদি ঘর ও জমি না দিতেন তাহলে আমাদের বেঁচে থাকা খুবই কষ্ট হতো। এখন আমাদের দরকার কাজ। এখানে কাজের অভাব। এ জন্য মানুষ চলে যাচ্ছে।

একইভাবে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নে ভূমিহীনদের ১০ টি ঘর দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩ জন ঘর বরাদ্দ নেওয়ার পরেও গত প্রায় এক বছর ধরে ঘরে থাকেননি। এরা হলেন মো. হাসান শেখ, মান্নান শেখ ও মো. আলী হোসেন। অভিযোগ রয়েছে এরা ঘর পাওয়ার পর থেকেই বসবাস করেন না। মাঝে মাঝে শুধু কেউ কেউ খোঁজ নিয়ে চলে যান। এ প্রতিবেদকসহ সাংবাদিকরা সরেজমিনে গিয়ে সত্যতা পায়। তাদের সাথে কথা বলার জন্য যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজিবুল আলম এর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, যারা চলে গেছে তারা কেন গেল তা উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও পিআইও খতিয়ে দেখবেন। তারা যদি আর ফিরে না আসে তাহলে নুতন করে প্রকৃত ভূমিহীনদের ঐসব ঘর বরাদ্দ দেয়া হবে। ইতিমধ্যে কয়েকজন ঘর পাওয়া উপকারভোগীকে ডেকে তাদের ঘরে থাকতে বলা হয়েছে। আর সমবায় অধিদপ্তর থেকে তাদের ঋণ দেওয়ার উদ্যোগ নেয়া এবং তাদের আয়বর্ধক কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।##

ডুমুরিয়ায় শারদীয়া দূর্গা পুজা শান্তিপূর্নভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ‍্য মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া, খুলনা:
 ডুমুরিয়া উপজেলায় আসন্ন শারদীয়া দূর্গা পুজা  সুষ্ঠ সুন্দর ও শান্তিপূর্নভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ‍্য  ১৪ সেপ্টেম্বর বুধবার বিকেলে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের আয়োজনে স্থানীয় শহীদ জোবায়েদ আলী মিলনায়তনে এক মত বিনিময সভা অনুষ্ঠিত হয।
উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মামুনুর রশিদ,এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব‍্য দেন সাবেক মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি। উপজেলা পুজা উদযাপন  পরিষদের সাধারন সম্পাদক প্রভাষক গোবিন্দ ঘোষের পরিচালনায় আরো বক্তব‍্য দেন  উপজেলা নির্বাহি অফিসার শরীফ আসিফ রহমান, থানা অফিসার্স ইনচার্জ সেখ কনি মিয়া, আনছার ভিডিপি কর্মকর্তা মিশু দে, প্রকল্প বাস্তবায়ন  কর্মকর্তা মো: আরশাফ হোসেন, ইউপি চেয়ারম‍্যান মনোজ বালা, উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সহ সভাপতি আশোক আচার্য‍্য, ফায়ার সার্ভিস  স্টেশন কর্মকর্তা,  পুজা উদযাপন পরিষদের যুগ্ন সম্পাদক বিভূতি বিশ্বাস, দেবাশিষ চন্দ্র চন্দ,  প্রমুখ।
এবছর উপজেলায়  ২০৬ মন্দিরে শারদীয় দুর্গা উৎসব পালিত হবে। এর মধ‍্যে ডুমুরিয়া ১৬৭টি আড়ংঘাটা ও হরিনটানা অংশে ৩৯ পুজা মন্ডপে পুজা অনুষ্ঠিত হবে।