পদ্মা এই সেতুতে দৈনিক চলবে ৭৫ হাজার যানবাহন

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

দেশের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো বহুল প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতু মহাধুমধামে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে আগামী শনিবার (২৫ জুন)। এদিন সকাল ১০টায় মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।এরপর সরকারপ্রধান পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে জাজিরা প্রান্তে যাবেন এবং সেখানে উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করবেন।

পদ্মা সেতু গতকাল (২২ জুন) বুঝে নিয়েছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ (বিবিএ)। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ আনুষ্ঠানিকভাবে সেতু হস্তান্তর করেছে।ইতোমধ্যেই সেতুর সব ধরনের কাজ শেষ হয়েছে। ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করার পর ২৬ জুন সকাল ৬টা থেকে এ সেতুতে গাড়ি চলাচল শুরু হবে। এর আগেই আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া হিসেবে সেতুটি বুঝে নেয় সেতু কর্তৃপক্ষ।

স্বপ্নের এই পদ্মা সেতু নিয়ে মানুষের আগ্রহ অনেক। ঢাকার সঙ্গে সরাসরি ২১ জেলাকে সংযুক্ত করবে এই সেতু।উপকৃত হবে অন্তত তিন কোটি মানুষ। দৈনিক ৭৫ হাজার যানবাহন চলাচল করবে এই সেতু দিয়ে।

জনসাধারণের জন্য ২৬ জুন পদ্মা সেতু উন্মুক্ত করে দেওয়ার কথা জানিয়েছে সরকার।

৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের পদ্মা সেতু নির্মাণে কাজ ২০১৪ সালের ৭ ডিসেম্বর শুরু করে সরকার। মূল সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয় মাওয়া প্রান্তে ৬ নম্বর পিলারের কাজ দিয়ে। ৩০ হাজার ১৯৩ দশমিক ৩৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটির আয়ুষ্কাল ১০০ বছর।

পদ্মা সেতুর কারণে ঢাকার সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হবে দেশের ২১টি জেলা। এই সেতুর কারণে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৩ কোটি মানুষ সরাসরি উপকারভোগী হবে।

Daily World News

কচুয়ায় মাদকের বিরুদ্ধে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন কর্মশালা

ডুমুরিয়ায় বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ড কাপ ফুটবল টুনামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

কচুয়ায় মাদকের বিরুদ্ধে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন কর্মশালা

কচুয়া(বাগেরহাট) প্রতিনিধি॥     

মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। মাদক ভবিষ প্রজন্মকেও ধ্বংস করে দেয়। এটি যে সেবন করে শুধু তার ক্ষতি হয় না। মাদক একটি ভয়ঙ্কর বিষয়। আগামী দিনের শিশুদের ভাল মানুষ রূপে গড়তে মাদক থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করতে হবে। মাদকের অপব্যবহার রোধে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে। কোনভাবে সামাজিক পরিবেশ বিঘিœত হতে দেয়া যাবে না।

বৃহস্পবার কচুয়া উপজেলা মিলনায়তনে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধ এবং সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে আয়োজিত সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন। উপজেলা প্রশাসন ও মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় উপজেলা নির্বাহী আফিসার জীনাত মহলের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ ফিরোজ আহম্মেদ শিকদার,মহিলা ভাইস চেয়ারমান, তাসলিমা বেগম, কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মনিরুল ইসলাম, এসময় আরও উপস্তিত ছিলেন শিক্ষক, ইমাম, পুরোহিত ও সাংবাদিক সহ উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন কর্মকর্তা। কর্মশালায় মাদকদ্রব্য রোধে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণপূর্বক মতামত নেয়া হয়।

 

 

ডুমুরিয়ায় পরিষদের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া//

ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদের মাসিক সভা ২৩জুন বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা সম্প্রসারন কমপ্লেক্স ভবনে অনুষ্ঠিত হয। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরীফ আসিফ রহমান এর সভাপতিত্বে  সভায় প্রধান অতিথির বক্তব‍্য দেন সাবেক মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি।

সহকারী কমিশনার ভূমি মামুনুর রশিদ, ভাইন্স চেয়ারম‍্যান গাজী আব্দুল হালিম ও শারমীনা পারভীন রুমা, অফিসার্স ইনচার্জ সেখ কনি মিয়া,  চেয়ারম‍্যানগন গোপাল চন্দ্র দে, সুরজ্ঞিত বৈদ‍্য, জহুরুল হক, রফিকুল ইসলাম হেলাল, শেখ হেলাল উদ্দিন, শেখ তহিনুল ইসলাম, মনোজিৎ বালা, শেখ দিদারুল ইসলাম, গাজী হুমাউন কবির বুলু, সমাজ সেবক আ: লতিফ জমাদার, প্রধান শিক্ষক আইয়ুব হোসাইন, দেবাশিষ চন্দ্র চন্দ, প্রকৌশলী মো: রবিউল ইসলাম, সিনিয়র মৎস‍্য কর্মকর্তা আবু বক্কার সিদ্দিক,  মাধ‍্যমিক শিক্ষা অফিসার শেখ ফিরোজ আহম্মেদ, সমাজ সেবা কর্মকর্তা সুব্রত বিশ্বাস, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকতা আশরাফ হোসেন, ভিডিপি কর্মকতা মিশু দে, পল্লী বিমোচন কর্মকর্তা প্রতাপ চন্দ্র দাস, সমবায় কর্মকর্তা সরদার জাহিদুর রহমান প্রমুখ। সভায় মাদক, বাল‍্য বিবাহ বখাটের দৌরত্ব, অপ্রাপ্ত ছেলে মেয়েদের মোবাইল ফোন ব‍্যবহার,সড়কে অবৈধ‍্য যান চলাচল সহ বিভিন্ন বিষয়ে চিত্র তুলে ধরা হয।

 

আজ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।। বঙ্গবন্ধুর প্রতিক্রিতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ এ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ সময় আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আজ ২৩ জুন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ১৯৪৯ সালের এ দিনে ঢাকার কেএম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে গঠিত হয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ। দলের নামের সঙ্গে মুসলিম শব্দটি নিয়ে অনেকই আপত্তি তুলেছিলেন। পরে ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে বিজয়ের পর ১৯৫৫ আওয়ামী মুসলিম লীগে কাউন্সিলে মুসলিম শব্দটি বাদ দেয়া হয়।

সে সময়ে সভাপতি ছিলেন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। পরে তিনি দলটির সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

ঋণ গ্রহীতাদের বিশেষ ছাড় ও সুযোগ দিয়ে নীতিমালা প্রণয়ন

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

নিয়মিত ঋণকে খেলাপি করার প্রচলিত নীতিমালায় আরও বড় ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ঋণের কিস্তির আকার ও পরিশোধের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো ঋণ বা ঋণের কিস্তি পরিশোধ না করলেও ওই গ্রাহককে খেলাপি করা যাবে না। শিল্প, কৃষি খাতে মেয়াদি ঋণ, চলতি মূলধন ঋণসহ সব ধরনের ঋণে এ ছাড় দেওয়া হয়েছে।

করোনার নেতিবাচক প্রভাব, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আকস্মিক বন্যায় সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্বাভাবিক রাখতে এ ছাড় দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে বুধবার রাতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইটেও এটি আপলোড করা হয়েছে।

এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সভাপতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে দেখা করে ঋণখেলাপি করার নীতিমালা শিথিল করার দাবি জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ঋণ বা ঋণের কিস্তি ডিসেম্বর পর্যন্ত পরিশোধ করতে না পারলেও যাতে গ্রাহকদের খেলাপি করা না হয় সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে।

সার্কুলারে বলা হয়, করোনার দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব এখনো মোকাবিলা করা সম্ভব হয়নি। এর মধ্যে আবার করোনার সংক্রমণ বাড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এছাড়া রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালসহ সব ধরনের পণ্য ও পরিবহণ ব্যয় বেড়েছে। এসব কারণে ঋণগ্রহীতারা তাদের প্রদেয় ঋণের কিস্তির সম্পূর্ণ অংশ পরিশোধ করতে পারছেন না। এ পরিপ্রেক্ষিতে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীল রাখা ও বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ বাড়ানোর লক্ষ্যে ঋণ পরিশোধের নীতিমালা করা হয়েছে।

বড় শিল্পে বিতরণ করা ঋণ এপ্রিল পর্যন্ত নিয়মিত থাকলে ওইসব ঋণ পরিশোধে বিশেষ ছাড় পাওয়া যাবে। এর মধ্যে এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে প্রদেয় কিস্তির কমপক্ষে ৫০ শতাংশ, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রদেয় কিস্তির ৬০ শতাংশ এবং অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রদেয় কিস্তির ৭৫ শতাংশ আলোচ্য ত্রৈমাসিকের শেষ কার্যদিবসে পরিশোধ করলে ওইসব ঋণকে খেলাপি করা যাবে না।

তবে এপ্রিল পর্যন্ত কোনো ঋণখেলাপি থাকলে তারা এ সুবিধা পাবেন না। কিস্তির বাকি অর্থ ঋণের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আরও এক বছর বাড়ানো যাবে। অর্থাৎ মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পরবর্তী এক বছরের মধ্যে সমকিস্তি বা ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে কিস্তি নির্ধারণ করে তা পরিশোধ করা যাবে। ফলে মেয়াদি ঋণ পরিশোধের মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ল।

কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ও কৃষি খাতে বিতরণ করা মেয়াদি ঋণ এপ্রিল পর্যন্ত নিয়মিত থাকলে সেগুলোর বিপরীতেও বিশেষ ছাড় মিলবে। এর মধ্যে এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত প্রদেয় কিস্তির ২৫ শতাংশ জুনের মধ্যে, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রদেয় কিস্তির ৩০ শতাংশ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এবং অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রদেয় কিস্তির ৪০ শতাংশ ডিসেম্বরের মধ্যে পরিশোধ করলে তাদের খেলাপি করা যাবে না। তবে এপ্রিলে এ খাতের কোনো ঋণ খেলাপি থাকলে তারা এ সুবিধা পাবেন না।

এতে বলা হয়, ১ এপ্রিলে যেসব চলমান ঋণ নিয়মিত রয়েছে সেগুলো জুন থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে তিনটি সমান কিস্তিতে পরিশোধ করলে ওই ঋণকে খেলাপি করা যাবে না।

দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যাকবলিত জেলা- সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, শেরপুর, জামালপুর, রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম এবং দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত বন্যাকবলিত জেলাগুলোতে কৃষিঋণ খেলাপি করার ক্ষেত্রেও বড় ছাড় দেওয়া হয়েছে। ওইসব অঞ্চলে বিতরণ করা কৃষি ঋণের এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধ করা না হলে কোনো গ্রাহককে খেলাপি করা যাবে না।

অতি ক্ষুদ্র, কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে বিতরণ করা মেয়াদি ঋণের মধ্যে যেগুলো ১ এপ্রিল পর্যন্ত নিয়মিত রয়েছে সেগুলোর ক্ষেত্রে গ্রাহকরা কিস্তি পরিশোধে ছাড় পাবেন। এর মধ্যে এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রদেয় কিস্তির ২৫ শতাংশ ডিসেম্বরের মধ্যে পরিশোধ করলে ওই গ্রাহকদের খেলাপি করা যাবে না।

এ খাতের চলতি মূলধন ঋণের মধ্যে যেগুলোর মেয়াদ ইতোমধ্যে অতিক্রম হয়েছে, কিন্তু পরিশোধিত হয়নি বা খেলাপি হওয়ার পর নবায়নও করা হয়নি। ঋণের সীমাও অতিক্রম হয়ে গেছে। ওইসব ঋণের সীমার বেশি অংশ ডিসেম্বরের মধ্যে পরিশোধ করলে তা নবায়ন করা যাবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্কুলারে আরও বলা হয়, ওইসব নিয়মের মধ্যে কোনো গ্রাহক ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাদের ঋণকে যথানিয়মে খেলাপি করা যাবে। এ নীতিমালার আওতায় যেসব ঋণগ্রহীতাকে সুবিধা দেওয়া হয়েছে তাদের ঋণের বিপরীতে ১ এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে কোনো দণ্ড সুদ বা অতিরিক্ত ফি আদায় বা আরোপ করা যাবে না। বিশেষ সুবিধায় নবায়ন করা ঋণসহ অন্যান্য সময়ে নবায়ন করা ঋণের বিপরীতেও এ সুবিধা পাওয়া যাবে।

প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী কোনো ঋণ বা ঋণের কিস্তি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ করতে না পারলে ৬ থেকে ৯ মাসের মধ্যে খেলাপি হিসাবে চিহ্নিত করা হয়।

পদ্মা সেতু উদ্বোধন সেতুর পথে ট্রাক কাভার্ড ভ্যান ২দিন বন্ধ থাকবে

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

আসছে ২৫ জুন মহা ধুমধামে বাংলাদেশের সক্ষমতার প্রতীক বহুল প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো এই পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে সেতুটির সংযুক্ত সড়ক-মহাসড়কে কাভার্ড ভ্যান ও ট্রাক চলাচল শুক্রবার সকাল থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত দুই দিন বন্ধ থাকবে।

বুধবার এক বিবৃতিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ এ দুইদিন ঢাকা মহানগরী থেকে মুন্সীগঞ্জের মাওয়াগামী কাভার্ডভ্যান ও ট্রাকগুলোকে বিকল্প পথ ব্যবহারের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ডিএমপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ২৫ জুন পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে ২৪ জুন শুক্রবার সকাল থেকে ২৬ জুন রোববার পর্যন্ত সেতু সংযুক্ত সড়ক-মহাসড়কে কাভার্ড ভ্যান এবং ট্রাক চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছে সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়। এ প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগরী এলাকা থেকে মুন্সীগঞ্জ জেলার মাওয়াগামী কাভার্ডভ্যান ও ট্রাকগুলোকে আগামী ২৬ মে সকাল পর্যন্ত পাটুরিয়া দৌলতদিয়া এবং চাঁদপুর-শরিয়তপুর রুটে ফেরিতে চলাচলের অনুরোধ জানানো হয়।

এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পদ্মা সেতু সংযুক্ত সড়ক-মহাসড়কে কাভার্ড ভ্যান ও ট্রাক চলাচল বন্ধ রাখতে এর আগে সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয় থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশকে চিঠি দেওয়া হয়। সেই চিঠির প্রেক্ষিতে ডিএমপি এ নির্দেশনার কথা জানিয়েছে।

ডুমুরিয়ায় উন্নত প্রযুক্তি নির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারন শীর্ষক প্রকল্পের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

//ডুমুরিয়া খুলনা//

ডুমুরিয়ায় উন্নত প্রযুক্তি নির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন  এবং সম্প্রসারন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায়  ২২ জুন বুধবার সকালে শহীদ জোবায়েদ আলী মিলনায়তনে পাট চাষী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরীফ আসিফ রহমানের সভাপতিত্বে প্রশিক্ষন কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম‍্যান এজাজ আহম্মেদ গাজী, বক্তব‍্য দেন উপজেলা কৃষি অফিসার   মোঃ ইনসাদ ইবনে আমিন,   জেলা পাট কর্মকর্তা মো:   লুৎফর রহমান,জেলা পাট অধিদপ্তরে  পরিদর্শক মো:  মুজিবুর রহমান,  ডুমুরিয়া উপজেলার উপ সহকারী পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা  নিলয় মল্লিক প্রমুখ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার পাট চাষীরা প্রশিক্ষণে অংশ নেয়।

পদ্মা সেতু কেন বাঁকা প্রশ্ন এসেছে- উত্তরও দিয়েছেন প্রকৌশলীগন

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

পদ্মা সেতু শুরুর আগের ইতিহাস কম বড় নয়- যা সবারই জানা। হয়েছিল অনেক কথা।  ‘এই সেতু হবে না, হলেও টিকবে না’- ছিল এমন নানা মন্তব্য, মাথা কাটার মতো নানা গুজবও ছড়িয়েছিল। সব গুজব, রটনা ও চ্যালেঞ্জকে পেরিয়েই পদ্মার উপর বসলো ৬.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতু। দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে জোড়া লাগল রাজধানীর।

স্বপ্নের পদ্মা সেতু এখন শুধু উদ্বোধনের অপেক্ষায়। আসছে ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদ্মা পাড়ি দিয়ে উদ্বোধন হবে সেতুটির। সাথে রয়েছে জমকালো আয়োজন।

এর আগেই পদ্মা সেতু নির্মাণে ব্যয় ও এর নানা প্রকৌশলগত তথ্য নিয়ে চলছে আলোচনা। চায়ের কাপে উঠেছে ঝড়।

এরইমধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, পদ্মা সেতু বাঁকা কেন? সোজা করলে তো দৈর্ঘ্য কমতো, ফলে যে ব্যয় নিয়ে এতো সমালোচনা সেটা কিছুটা কমতো! কারণ রড-সিমেন্ট কম লাগতো।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা কি বিষয়টি খেয়াল করেননি? নাকি অন্য কোনো সমস্যা ছিল?

প্রশ্ন যুক্তিযুক্ত, কারণ পদ্মা সেতুর নকশার দিকে তাকালে একে বাঁক দেখা যাবে।

অনেকেই ভাবতে পারেন, কেবলমাত্র সৌন্দর্য রক্ষার্থে পদ্মা সেতুকে বাঁকা করে বানানো হয়। কিন্তু বিষয়টা এমন নয়।

এর উত্তরে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সেতুটি সোজাও হতে পারত। কিন্তু প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা ইচ্ছে করেই সেতু বাঁকা করে নকশা করেছেন।

এমনটা করার প্রধান কারণ দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো।

বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন প্রয়াত বরেণ্য প্রকৌশলী অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী।

পদ্মা সেতু প্রকল্পের আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ প্যানেলের প্রধান ছিলেন এই বিশেষজ্ঞ।

সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে  তিনি বলেছিলেন, ‘সেতুটি যদি আমরা আকাশ থেকে দেখি তাহলে বোঝা যায়, সেতুটি ডাবলি কার্ভড। অর্থাৎ ডানে-বাঁয়ে দুবার সামান্য বাঁকানো। এমনটা শুধু পদ্মা সেতুর বেলায় করা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র, চীন কিংবা জাপানে  লম্বা লম্বা মহাসড়কও এভাবে বাঁকিয়ে তৈরি করা হয়েছে।’

এর ব্যাখ্যায় অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী বলেছিলেন, এটি মূলত করা হয় চালকদের কথা চিন্তা করে। একদম সোজা সেতু হলে চালকেরা সেতুতে উঠে একঘেয়েমিতায় ভোগেন। ক্লান্তি ও জড়তায় ড্রাইভিং থেকে মনোযোগ হারিয়ে ফেলেন। অনেকের তো স্টিয়ারিং একইভাবে ধরে রাখার কারণে ঝিমুনি আসে। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ে। কিন্তু একটু বাঁকানো হলে চালকদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হয়। এর মাধ্যমে তাদের মাথা সচল থাকে শতভাগ। এড়ানো যায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

শুধু চালকের মনোযোগ টিকিয়ে রাখার জন্যই নয়; বিপরীত দিক থেকে আসা গাড়ির হেডলাইট সরাসরি যেন চালকের চোখে না পড়ে সে বিষয়টিও মাথায় রেখেছিলেন ইঞ্জিনিয়াররা। সেতু বাঁকা থাকলে আলো সরাসরি চোখে পড়বে না। তাতেও দুর্ঘটনার শঙ্কা কমে যাবে।

বিশেষজ্ঞরা আরো বেশ কিছু কারণ জানিয়েছেন পদ্মা সেতু বাঁকা বানানোর।

শুধু পদ্মা সেতু নয়; যে কোনো বড় সেতুই বাঁকা বানানোই যুক্তিযুক্ত।

এর কারণ হিসেবে যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা – একটি সেতুকে তিন ধরনের ওজন বহন করতে হয়- নিজস্ব ওজন; যানবাহনের ওজন; নদীর বা প্রাকৃতিক দূর্যোগের চাপ বা ওজন।

সেতুতে গাড়ি ওঠার সময় কম্পনজনিত চাপ সৃষ্টি হয়। বাঁকা করে তৈরি করা হলে এটি পুরো সেতুতে ছড়িয়ে পড়ে ফলে কম চাপ পড়ে। সোজা হলে পুরো সেতুতে ছড়ায় না। নির্দিষ্ট স্থানে ব্যাপক কম্পন ও চাপ পড়ে। ফলে সেতু ভেঙে পড়ার আশঙ্কা থাকে।

সেতু বাঁকা করে তৈরি হলে এতে যানবাহনের লোডগুলো সঠিকভাবে প্রতিটি পিলারে আরোপিত হয়।

এছাড়া নদীতে স্রোতের সময় পিলারে প্রচন্ড চাপ পড়ে, কিন্তু বাঁকা হলে চাপ কম পড়ে। মাটিতে সব জায়গায় সমান চাপ থাকে, তাই বাঁকা করলে ভূমিকম্পের সময় সব পিলার কাঠামো ধরে রাখতে পারে।

আরেকটি বড় কারণ বন্যার সময় পানির অধিক চাপেও পিলারগুলো সেতুর কাঠামোকে ধরে রাখতে সক্ষম হয়।

এসব কারণে বড় সেতু যেমন পদ্মা সেতু বাঁকা করে নির্মাণ করা হয়েছে। এখানে সৌন্দর্য্য বৃদ্ধির কোনো বিষয় নেই। সেতুকে বেশিদিন টিকিয়ে রাখার জন্যই এমন বুদ্ধি। তাতে খরচ বাড়লেও আপত্তি নেই।

Daily World News

ডোমারে কৃষি কর্মকর্তা দম্পতির বিরুদ্ধে স্কুল ছাত্রকে মারধরের অভিযোগ

ডুমুরিয়ায় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা করুনা মন্ডল কৃষি দপ্তরের শ্রেষ্ঠত্বপুরষ্কার পেলেন

রাণীশংকৈলে প্রধানমন্ত্রীর ১০ উদ্যোগ বিষয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত 

//মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি//

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা হলরুমে মঙ্গলবার (২১ জুন) সকাল ১০ টায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেয়া বিশেষ ১০ উদ্যোগ বিষয়ে দিনব্যাপি এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় মোট ৫০ জন প্রশিক্ষনার্থী অংশ নেন। ইউএনও সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শেফালী বেগম, আ’লীগ সভাপতি অধ্যক্ষ সইদুল হক, পৌর মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান, আ’লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহমেদ হোসেন বিপ্লব, বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি কর্মকর্তা,ইউপি চেয়ারম্যান, শিক্ষক ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।ইউএনওসহ অতিথিরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ১০ উদ্যোগের কথা তুলে ধরে বক্তব্য দেন।

প্রসঙ্গত প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সফল ১০ উদ্যোগ হলো- ১.একটি বাড়ি একটি খামার ২. আশ্রায়ণ প্রকল্প ৩. ডিজিটাল প্রযুক্তি ৪.শিক্ষা সহায়তা কর্মসূচি ৫. বাড়ি বাড়ি বিদ্যুৎ ৬. নারীর ক্ষমতায়ন ৭. সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ৮. কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থসেবা ৯.বিনিয়োগ বিকাশ ১০. পরিবেশ সুরক্ষা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিলেটের বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শন করছেন

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শনে সিলেট পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি হেলিকপ্টারে করে বন্যাকবলিত এলাকায় ঘুরে দেখছেন।

মঙ্গলবার সকাল ৮টায় প্রধানমন্ত্রী তেজগাঁওয়ের পুরাতন বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারযোগে সিলেট, সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনা জেলা পরিদর্শনে রওনা হন।

তিনি সিলেটে পৌঁছে সার্কিট হাউসে যান। সেখানে কিছু সময় অবস্থান করে আবারও হেলিকপ্টারে করে বন্যাকবলিত এলাকা দেখতে বের হন।

প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি অনুযায়ী, তিনি বন্যাকবলিত অঞ্চল পরিদর্শন শেষে সিলেট বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন। সিলেটে নির্ধারিত কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। পরে দুপুর ১টায় সিলেট থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী ।

এর আগে দেশের বন্যা পরিস্থিতিতে সরকারের প্রস্তুতি রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এবার বন্যা একটু বড় আকারে আসবে—এমন আশঙ্কার কথা সরকারের সবাইকে আগেই জানিয়েছি। ফলে আগে থেকে আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। বন্যায় যেন মানুষের কষ্ট না হয়, সে জন্য আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছি।

অতিবৃষ্টিতে উজানের ঢলে সিলেট ও সুনামগঞ্জে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে, যাতে প্রায় অর্ধকোটির মতো মানুষ দুর্দশায় পড়েছে। তলিয়ে গেছে সিলেটের প্রায় ৮০ শতাংশ ও সুনামগঞ্জের ৯০ শতাংশের বেশি এলাকা।