ডুমুরিয়ার প্রতিযশা বংশীবাদক শিল্পী ওস্তাদ আব্দুল হাকিম একুশে পদকে ভূষিত

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া//

খুলনার ডুমুরিয়ার উপজেলার চেচুড়ি গ্রামের সন্তান প্রতিযশা বংশীবাদক শিল্পী  ওস্তাদ আব্দুল হাকিম একুশে পদকে ভূষিত হয়েছেন।  । কাদা মাটি জল আর মাঠ ঘাটে বেড়া উঠা  ছোট বেলা থেকে বাশিঁ বাজাতেন। এক সময়ের নিভৃত পল্লীর বেড়ে উঠা টকবুকে তরুন আব্দুল হাকিম ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে ভারতে চলে যান ।

যুদ্ধের সময় বাশিঁ ছাড়তে পারিনি। যুদ্ধের সময়  বাংক্যারে বসে একাকীত্বে বাশির সুর সাধনা করতেন। পরিবার হারানো বেদনা ও ক্লান্ত  মুক্তিযুদ্ধাদের বাশিঁর সুরে বিমোহিত করে রাখতেন। যুদ্ধে যাওয়ার খবর তখনকার  দেশিয় রাজাকরা  জানতে পেরে হাকিমের বাড়িতে প্রতিনিয়ত হানা দিতো। মা সহ পরিবারের লোকজনদের রাজাকাররা  মানষিক ও শারিরীক নির্ষাতন করতো। যুদ্ধ শেষে তিনি বাড়িতে ফিরে আসে। তখন বাশিঁকে ছাড়তে না পেরে মনের গভীরে একটাই স্বপ্ন ও সাধনা নিয়ে বাশিঁ সুরে এলাকার মানুষকে বিমোহিত করেছেন।

এলাকাসহ আশপাশ এলাকায় যেখানে সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান হতো হাকিমের বাশিঁর সুর শুনতে এলাকার মানুষ জড়ো হতো। এভাবে চলতে চলতে ১৯৭৪ সালে শেষ দিকে খুলনা বেতারের সাথে যুক্ত হন । এরপর তিনি  ঢাকায় চলে যান। সঙ্গীত সাধনায় নিজেকে মেলে ধরতে সঙ্গীত শিল্পীদের সাথে কাজে করেছে। লালন ফকিরের জীবন নিয়ে নির্মিত ছায়াছবি মনের মানুষ এর সঙ্গীত্যয়োজনে তাঁর অন্যবদ্য ভূমিকা ছিল।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাকিম পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তার বাশিঁর সুর মুগদ্ধ করেছে সঙ্গীত পিপাষুদের।  তিনি যন্ত্র সঙ্গীত শিল্পী সংস্থার প্রেসিডেন্ট।

আলোকিত মানুষটি একুশে পদক প্রাপ্তির খবর ডুমুরিয়া ফাউন্ডেশন নামের একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠন সামাজিক যোগাযোগ মাধ‍্যামে প্রচার করে।

 

কবি নাঈম নাজমুল এর জন্ম দিন

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍//

কবি নাঈম নাজমুল ১৯৭১সালের ৩ জানুয়ারী তৎকালীন যশোর জেলার নড়াইল মহকুমার১২নং বিছালী ইউনিয়ন চাকই গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। পিতার নাম মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক কবি এম এম নাজমুল হক (কবি বুনো নাজমুল যশোরী) মাতা হাচিনা বেগম,কবির পরদাদা মৃত আঃ জব্বার মোল্লা ছিলেন একজন নামকরা জারি গানের বয়াতি। স্বাধীনতার পর হতে কবির পরিবার অভয়নগর উপজেলার গুয়াখোলা গ্রামে স্হায়ীভাবে বসবাস করছেন। নাঈম নাজমুল বিএ (সম্মান) এম এ ইংরেজি সাহিেত্য বিএল কলেজ খুলনা এবং এম এ বাংলা সাহিত্যে এম এম কলেজ যশোর হতে পাশ করেন। কলেজের অধ্যাপনা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করলেও বর্তমানে তিনি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে কালীগঞ্জ খাদ্য গুদাম ঝিনাইদহ কর্মরত। তিনি বিটিভি ও খুলনা বেতারের একজন গীতিকার, তিনি ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজমুল হক স্মৃতি জনকল্যাণ গ্রন্থাগার ‘চাকই বাশুয়াড়ী নড়াইল এর প্রতিষ্ঠাতা,আজীবন সদস্য নওয়াপাড়া ইনস্টিটিউট, সদস্য বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদ যশোর,সভাপতি ‘বাংলাদেশ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ’ কেন্দ্রীয় কমিটি অভয়নগর যশোর এবং প্রাক্তন সভাপতি অগ্নিবীণা কেন্দ্রীয় সংসদ যশোর।তিনি দশম শ্রেণিতে পড়া কালীন লেখা শুরু করেন। নাঈম নাজমুল ১৯৮৯-৯০ সালে ড.মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ কলেজ বকসী বাজার ঢাকায় আই এ প্রথম বর্ষের ছাত্রাবস্হায় স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে শরিক হন।তার প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘আসন্ন হাহাকার ‘অমর একুশের বইমেলা ২০১১, দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘তারপর এক দিন’ বইমেলা ২০১৫,তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘গন্তব্যহীন পৃথিবীর পথে ‘অমর একুশে বইমেলা ২০২১।তিনি সিংগাড়ী আঞ্চলিক গ্রন্থাগার অভয়নগর যশোর হতে গুণীজন সাহিত্য পদক ২০১৮পেয়েছেন।তিনি লিখেছেন অসংখ্য কবিতা, গান, গল্প ও প্রবন্ধ।তিনি যশোর খুলনার স্হানীয় এবং জাতীয় দৈনিকে নিয়মিত লেখেন। বর্তমানে তিনি মুক্তিযুদ্ধে বৃহত্তর যশোর নিয়ে কাজ করছেন।সাহিত্যপ্রেমী,সংগঠক এই কবির জন্মদিনে তার দীর্ঘ জীবন কামনা করছি।

 

যশোরের অভয়নগরে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍//

যশোরের অভয়নগরে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৫ নভেম্বর)বিকাল ৪টায় এলবি টাওয়ার পঞ্চম তলায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে ১১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষনা করা হয়। আগামী দুই বছরের জন্য নতুন কমিটিতে সভাপতি সুনীল দাস, সহ-সভাপতি- হারুন আল আজিজ,গনেশ কুমার শীল,গাজী ইকবাল কবির, নারায়ন চন্দ্র সাহা, ডিআর আনিস,সাধারন সম্পাদক- জিএম মনিরুজ্জামান মনি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- হারুন অর রশিদ,জিএম মেহেদী হাসান কাদের, বাচ্চু দাস, অর্থ সম্পাদক- বিশ্বজিৎ গুহ, দপ্তর সম্পাদক- আশিষ দে, প্রচার সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, প্রকাশনা সম্পাদক দেবাশিষ দাস নান্টু, সদস্য তিমির বরন সরকার,আলমগীর হোসেন,আনিচুর রহমান জয়,শিবপদ শুভ,শ্রাবন্তী মল্লিক দে, রাকিব হাসান, মিজানুর রহমান পাখি, জাহিদ হাসান লিটন,অলোক দাস।

এই সভায় সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আহবায়ক সুনীল দাসের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, যশোর জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি অধ্যাপক সুকুমার দাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সহ-সভাপতি দীপঙ্কর দাস রতন, সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার আলম খান দুলু,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম , প্রচার সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, বাংলাদেশ সাহিত্য ও সংস্কৃতিক পরিষদের সভাপতি নাইম নাজমুল । আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের যুগ্মসম্পাদক সৈয়দ জাহিদ মাসুদ তাজ, কোষাধ্যক্ষ মফিজুর রহমান দপ্তরী,দফতর সম্পাদক শাহিন আহমেদ, নির্বাহী সদস্য মো. রবিউল ইসলাম। সর্বশেষে নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা জোটের সভাপতি অধ্যক্ষ সুকুমার দাসের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের সমাপ্তি ঘোষনা করেন ।

অভয়নগরের শিশু- কিশোরদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍ঃ
অভয়নগরে শিশু- কিশোরদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় অনুষ্ঠানটি বাকড়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গনে এগারোখান ডেভেলপমেন্ট ফোরাম(ইউডিএফ) এর আয়োজনে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, যশোর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সাবেক অধ্যাপক ও গাইনী বিভাগীয় প্রধান ডা. নিকুঞ্জ বিহারী গোলদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক শিল্পী বিমানেশ বিশ্বাস, সিটি মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডাঃ বিধান চন্দ্র গোস্বামী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মহাখালী সহকারী পরিচালক (অবঃ) ডাঃ সঞ্জয় কুমার পাঠক। এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক উপ মহাব্যবস্থাপক (অবঃ) ও এগারোখান ডেভেলপমেন্ট ফোরাম(ইউডিএফ) সভাপতি বাবু ঘনশ্যাম মজুমদার। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নওয়াপাড়া সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক সুনীল কুমার দাসসহ সাংবাদিক, অন্যান্যে নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন । অনুষ্ঠানে শিশু- কিশোরদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার বিষয় ছিল বঙ্গবন্ধু ও আমাদের মুক্তিযোদ্ধা।

বরিশাল অশ্বিনী কুমার টাউনহল ফিরছে অত্যাধুনিক রূপে সম্পন্ন ৯০ শতাংশ কাজ শেষ

//পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল প্রতিনিধি//
প্রায় শত বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্যে ঘেরা বরিশাল নগরীর অশ্বিনী কুমার হল সংস্কার ও সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ প্রায় ৯০ ভাগ সম্পন্ন করেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি)।

সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিকচর্চা আরও বেশি বিকশিত করতে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের (বিসিসি) উদ্যোগ প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে এই সংস্কার কাজ সম্পন্ন হচ্ছে। ঐতিহ্যেবাহী অশ্বিনী কুমার হলটিকে সম্পূর্ণ নতুন রূপে নগরীর বাসিন্দাদের উপহার দিবেন বিসিসি। হলটির মধ্যে আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করে আধুনিক শীততাপ নিয়ন্ত্রিত করা হচ্ছে। এছাড়াও হলের অভ্যন্তরে অডিটোরিয়ামটিকে অত্যাধুনিক লেজার লাইট ও বিদেশি ফোকাস লাইট দিয়ে সাজানো হচ্ছে।

নাট্যজন সৈয়দ দুলাল বলেন, নগরীর প্রাণকেন্দ্রে অশ্বিনী কুমার টাউন হলটি বরিশালবাসীর কাছে একটি হৃদয়ের স্থম্ভ। বরিশাল ব্রজমোহন (বিএম কলেজ) বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতিরও চেতনার কেন্দ্র ছিলো এ অশ্বিনী কুমার হলটি। যা প্রায় ১০০ বছর ধরে একই রকম অবস্থায় ছিল। বেশ কয়েকবার সংস্কার করা হলেও ভবনের মূল ভিত্তি ঠিক রাখা হয়েছে। হলের আধুনিকীকরণের কাজটি বরিশালবাসীর প্রাণের দাবি।

শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াত বরিশাল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন বলেন, অশ্বিনী কুমার হলটি হচ্ছে, জাগ্রত বরিশালবাসীর চেতনার প্রতীক। নগরীর প্রাণকেন্দ্রে গড়ে ওঠা এ হলটি ব্রিটিশ আমল থেকে ইতিহাস ও ঐতিহ্যে ঘেরা। এ ধরনের যে কোন কাজকে আমরা ‘শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াত বরিশাল প্রেসক্লাব’-এর পক্ষ থেকে সাধুবাদ জানাই।

বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের (বিসিসি) প্রধান নিবার্হী কর্মকর্তা সৈয়দ ফারুক আহম্মেদ বলেন, অচিরেই ঐতিহ্যের স্বরূপ ফিরে পাচ্ছে বরিশালের শতবর্ষীয় ঐতিহাসিক অশ্বিনী কুমার হল। প্রায় ৯০ ভাগ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। বর্তমানে ফিনিশিংয়ের কাজ চলছে।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৩তম জন্মবার্ষিকী

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় তিনদিনব্যাপী  কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এ উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। এসময় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব,মো:আবুল মনসুর উপস্থিত ছিলেন। নজরুল জন্মবার্ষিকীতে এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- ‘বিদ্রোহী’র শতবর্ষ’।

বুধবার ২৫ মে সকাল সাড়ে ৬ টায় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও সচিবের নেতৃত্বে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়,কবি নজরুল ইনস্টিটিউটসহ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ঢাকায় অবস্থিত বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থাসমূহ কবির সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবে। এ বছর জন্মবার্ষিকীর মূল অনুষ্ঠান হবে নজরুল স্মৃতিবিজড়িত কুমিল্লায়। কুমিল্লার বীরচন্দ্র গণপাঠাগার ও নগর মিলনায়তন প্রাঙ্গণে (টাউন হল) সকাল ১১ টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সিমিন হোসেন (রিমি), কুমিল্লার সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আ. ক. ম. বাহাউদ্দিন বাহার ও কবিপৌত্রী খিলখিল কাজী। স্বাগত বক্তৃতা করবেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: আবুল মনসুর। স্মারক বক্তৃতা করবেন অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও নজরুল গবেষক শান্তিরঞ্জন ভৌমিক। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করবেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান।

অন্যদিকে, ঢাকাসহ জাতীয় কবির স্মৃতিবিজড়িত ময়মনসিংহের ত্রিশাল কুমিল্লার দৌলতপুর, মানিকগঞ্জের তেওতা, চুয়াডাঙ্গার কার্পাসডাঙ্গা এবং চট্টগ্রামে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় ও স্থানীয় প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৩তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হবে। এ উপলক্ষে নজরুল মেলা, নজরুল বিষয়ক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করবে স্থানীয় প্রশাসন।

এসব কর্মসূচির অংশ হিসেবে ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার দরিরামপুরে জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার প্রথম দিনের আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আশরাফ আলী খান খসরু এবং বিশেষ অতিথি থাকবেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোঃ হাফেজ রুহুল আমীন মাদানী। নজরুল স্মারক বক্তা থাকবেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. শামসুদ্দিন চৌধুরী। দ্বিতীয় দিনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে আওয়ামী লীগের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল উপস্থিত থাকবেন । নজরুল স্মারক বক্তা থাকবেন লেখক ও নজরুল গবেষক এ এফ এম হায়াতুল্লাহ। সমাপনী দিনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোঃ মোসলেম উদ্দিন। নজরুল স্মারক বক্তা থাকবেন লেখক ও নজরুল গবেষক এবং জাতীয় কবির দৌহিত্রী খিলখিল কাজী। কুমিল্লায় দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আ. ক. ম. বাহাউদ্দিন বাহার এবং বিশেষ অতিথি থাকবেন কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক রিয়ার এডমিরাল (অব.) আবু তাহের। নজরুল স্মারক বক্তা করবেন কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জাকীর হোসেন। তৃতীয় দিনে  অনুষ্ঠানমালায় প্রধান অতিথি থাকবেন খান। নজরুল স্মারক বক্তা করবেন লেখক ও নজরুল গবেষক এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান এ এফ এম হায়াতুল্লাহ।

চুয়াডাঙ্গা উপজেলার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গায় দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার প্রথম দিন আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন সংসদ সদস্য মোঃ আলী আজগার এবং বিশেষ অতিথি থাকবেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব সুব্রত ভৌমিক। প্রধান আলোচক থাকবেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক মোঃ হামিদুর রহমান। দ্বিতীয় দিনের প্রধান অতিথি থাকবেন সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের চেয়ারপারসন ও সাবেক সিনিয়র সচিব মোঃ আব্দুস সামাদ এবং বিশেষ অতিথি থাকবেন দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খান।

এদিকে,চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো: আশরাফ উদ্দিন।

এছাড়া মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার তেওতাতে জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় দিনব্যাপী আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।

২৫ মে, রাজধানীর ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে কবি নজরুল ইনস্টিটিউট আয়োজন করেছে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কবি কামাল চৌধুরী। সভাপতিত্ব করবেন কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জাকীর হোসেন। কবি নজরুল ইনস্টিটিউট বাংলা একাডেমির সহযোগিতায় জাতীয় কবির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণিকা ও পোস্টার মুদ্রণ করেছে। কবি নজরুল ইনস্টিটিউটসহ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সকল দপ্তর ও সংস্থাসমূহ এ উপলক্ষে বিশেষ আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দিবসটি উপলক্ষে ঢাকাসহ দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আলোচনা সভা, রচনা ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা আয়োজনের মাধ্যমে দিবসটি উদ্যাপন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসসমূহ যথাযথ কর্মসূচি গ্রহণের মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করবে।

এছাড়া যে সকল জেলায় জাতীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে নজরুল জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হবে না, সে সকল জেলার জেলা প্রশাসকগণ স্থানীয় সংসদ সদস্য জনপ্রতিনিধি ও সুধীজনের সহযোগিতায় কমিটি গঠন করে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি উদযাপন করবে। জাতীয় পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচারসহ অন্যান্য অনুষ্ঠানমালা বাংলাদেশ বেতার, বেসরকারি বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন টেলিভিশন চ্যানেলসমূহ সম্প্রচার করবে।

নজরুল জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী জাতীয় পর্যায়ের মূল অনুষ্ঠানসহ অন্যান্য অনুষ্ঠানসমূহে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এসব স্থানের অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সেছাড়া  কবির স্মৃতিবিজড়িত জেলাসমূহসহ সকল জেলায় জাতীয় কবির ছবি, কবিতা, পরিচিতি ও চিত্রকর্ম প্রদর্শন এবং বিভিন্ন সড়কে ব্যানার, ফেস্টুন, পোস্টার ও ডিজিটাল ডিসপ্লে স্থাপন এবং আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হবে।

English Dainikbiswa

টেক্সাসে প্রাইমারী স্কুলে বন্দুক হামলা, নিহত- ১৫

কান চলচ্চিত্র উৎসবে জেলেনস্কির ভাষণ।। ইতিহাসের কি বলে….!

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবার ৭৫তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দিয়েছেন। বিশ্ব চলচ্চিত্রের সবচেয়ে বড় এ উৎসবে তিনি স্যাটেলাইটের মাধ্যমে যুক্ত হন।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত সোয়া ১১টায় এবারের আসরের পর্দা উঠেছে। প্রতিবারের মতো এবারও ফ্রান্সের কান শহরে বসেছে এ জমকালো আয়োজন।

মঞ্চে বড়পর্দায় ভিডিওতে জেলেনস্কি হাজির হলে উপস্থিত সবাই তাকে দাঁড়িয়ে সম্মান জানান। ইউক্রেনের সাবেক এ অভিনেতা নিজের ভাষণে রুশ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য বিশ্বজুড়ে সবার সমর্থনের আবেদন জানিয়েছেন।

এ ছাড়া চলচ্চিত্রে যুদ্ধ ও স্বৈরশাসকদের তুলে ধরতে ‘দ্য গ্রেট ডিক্টেটর’ ও ‘অ্যাপোক্যালিপস নাউ’র মতো ছবির উদাহরণ তুলে ধরেছেন জেলেনস্কি।

তিনি বলেন, গণকবরে ভরে গেছে ইউক্রেন। আমার দেশে প্রতিদিন মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। আমাদের সাজানো রঙিন দেশ ক্ষত-বিক্ষত-রক্তাক্ত অথচ বিশ্ব সিনেমা নিশ্চুপ। এ রকম তো হওয়ার কথা ছিল না। বিশ্ব সিনেমা কি এভাবেই নিশ্চুপ থাকবে, তারা কি ইউক্রেনের পাশে দাঁড়াবে না, বলবে না বন্ধ হোক যুদ্ধ।

জেলেনেস্কি এ সময় উদাহরণ টানেন চার্লি চ্যাপলিনের। যিনি ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিরুদ্ধে হিটলারের আগ্রাসী নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। নিজে হিটলার সেজে অভিনয় করেন দ্য গ্রেট ডিক্টেটর সিনেমায়। চ্যাপলিন যখন হিটলার সাজেন, তখন বিশ্বকে যুদ্ধ থামানোর কথা বলেন, চ্যাপলিন যখন হিটলার রূপে তখন হত্যার বিরুদ্ধে কথা বলেন। সেদিন সিনেমা হয়ে ওঠে প্রতিবাদের তীব্র রূপ।

ইউক্রেনের এ নেতা শুরুতে ছিলেন রুপালি পর্দার নায়ক। অভিনেতা হিসেবে বেশ কিছু ছবি এবং টিভি সিরিজে কাজ করেছেন তিনি। মাত্র ১৭ বছর বয়সে কমেডিয়ান হিসেবে অভিনয় শুরু করেন জেলেনস্কি। রাশিয়ান ও ইউক্রেনীয় ভাষার একাধিক টিভি শোতে অংশগ্রহণ করেন তিনি।

২০০৮ সালে তিনি ‘লাভ ইন দ্য বিগ সিটি’ ফিচার ফিল্মে কাজ করার সুযোগ পান। এর পর তিনি এ ছবির সিক্যুয়েল ‘লাভ ইন দ্য বিগ সিটি ২’ তেও কাজ করেন। ছবিটির তৃতীয় অংশ এসেছিল ২০১৪ সালে।

২০১২ সালে, তার চলচ্চিত্র হেভস্কি ভার্সেস নেপোলিয়ন মুক্তি পায়। একই বছরে তার হিট ছবি ৮ ফার্স্ট ডেটসও আসে। এই ছবির সিক্যুয়েল ২০১৫ এবং ২০১৬ সালে মুক্তি পায়। ২০১০ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ভলোদিমির জেলেনস্কি বোর্ডের সদস্য এবং টিভি চ্যানেল ইন্টারের সাধারণ প্রযোজক ছিলেন। ২০১৪ সালে তিনি ইউক্রেনের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের রাশিয়ান শিল্পীদের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছিলেন।

২০১৫ সালে রাশিয়ান শিল্পীদের ইউক্রেনে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছিল। এমন পরিস্থিতিতে ২০১৮ সালে জেলেনস্কির রোমান্টিক কমেডি ছবি লাভ ইন দ্যা বিগ সিটি ২ ইউক্রেনে নিষিদ্ধ করা হয়। ২০১৫ সালে, ভলোদিমির জেলেনস্কি সার্ভেন্ট অব দ্য পিপল নামে একটি শোতে কাজ করেছিলেন। মজার বিষয় হলো— এই শোতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ভলোদিমির। সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।

English Dainikbiswa

ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে পুড়ে ছাই বরগুনা পৌর সুপার মার্কেটের ১৭০ দোকান

বাঙ্গালির অস্তিস্ব ও চেতনার সঙ্গে রবী ঠাকুর ওতপ্রোতভাবে মিশে আছেন: বিভাগীয় কমিশনার

//আঃ রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. ইসমাইল হোসেন বলেছেন, বাঙ্গালির অস্তিস্ব ও চেতনার সঙ্গে রবী ঠাকুর ওতপ্রোতভাবে মিশে আছেন। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে রবীন্দ্রনাথের গান হয়ে উঠেছিল প্রেরণার উৎস।  গীতাঞ্জলি কাব্যের জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়ে সারা বিশে^ বাংলা ভাষার মর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছেন রবী ঠাকুর।

তিনি আরো বলেন, বাংলা সাহিত্যকে তিনি দিয়ে গেছেন এক নতুন মাত্রা। তার গান বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত। মানুষ্যত্বের বিকাশ ও মানব মুক্তি ছিল তার জীবনবোধের প্রধানতম দিক।  বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশে রবীন্দ্রনাথের রয়েছে অসামান্য অবদান।

অনুষ্টানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার। তিনি তার বক্তৃতায় বলেন, নিজের গল্প, কবিতা, উপন্যাস, ছোটগল্প ও অসংখ্য গানের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যকে পরিপূর্ণতা দান করেছেন রবীন্দ্রনাথ। বিশ্বের দরবারে বাঙালিদের মাথা উঁচু করে দাঁড়াতেও শিখিয়েছেন কবিগুরু। যার কারণে বাঙালির অস্তিত্বে মিশে আছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। গল্পে, উপন্যাসে, কবিতায়, সুরে ও বিচিত্র গানের বাণীতে, অসাধারণ সব দার্শনিক চিন্তাসমৃদ্ধ প্রবন্ধে, সমাজ ও রাষ্ট্রনীতি সংলগ্ন গভীর জীবনবাদী চিন্তা জাগানিয়া লেখায় এমনকি চিত্রকলায়ও রবীন্দ্রনাথ চিরনবীন। ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১তম জয়ন্তীতে খুলনার রূপসায়  তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার প্রথম দিনে রবিবার সকাল ১০টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একথা বলেন।

রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নের পিঠাভোগ গ্রামে কবির পূর্ব পুরুষের আদি ভিটায় আলোচনা সভা ও সাংক্তৃতিক অনুষ্টানের বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচীব অসীম কুমার দে, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহাবুব হাসান, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দন বাদশা, জেলা অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেড পুলক কুমার দে,শিক্ষাবীদ ও রবীন্দ্র গবেষক সুশান্ত সরকার।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া তাছনিম। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ফরিদুজ্জামান ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন এর পরিচালনায় বক্তৃতা করেন সহকারী কমিশনার ভূমি মো. সাজ্জাদ হোসেন, থানার অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, অধ্যক্ষ ফ ম আ. সালাম, ভাইচ চেয়ারম্যান ফারজানা আফরোজ মনা, মৎস্য কর্মকর্তা বাপি কুমার দাস, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার মজুমদার, শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ আ. রব, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আইরিন পারভিন, পিআইও আরিফ হোসেন, প্রকৌশলী এস এম ওয়াজিদুজ্জামান, নির্বাচন কর্মকর্তা মোল্লা নাসির আহমেদ, সমাজসেবা কর্মকর্তা জেসিয়া জামান, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক আজিজ, আইিসিটি কর্মকর্তা রেজাউল করিম, সহবারী শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা,  ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল ও মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, আওয়ামীলীগ নেতা আ. মজিদ ফকির, সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, এস এম হাবিব, আল মামুন সরকার সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

English Dainikbiswa

হাইমচরে মা দিবস পালিত

রমনার বটমূলে হবে বর্ষবরণ, টানা দুই বছর পর

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

বিগত দুই বছর করোনা মহামারির কারণে রমনার বটমূলে বর্ষবরণের আয়োজন হয়নি। তবে করোনা সংক্রমণ কমে আসায় এবার বরাবরের মতো এই আয়োজন করছে ছায়ানট। মাসাধিককাল ধরে দলীয় পরিবেশনার মহড়ার মাধ্যমে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ইতোমধ্যে বটমূলের বরাদ্দ চেয়ে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কাছে আবেদনও করা হয়েছে।

অবশ্য রমজানের পবিত্রতা রক্ষায় ও স্বাস্থ্যবিধি বিবেচনায় রেখে এবারের আয়োজনে শিল্পী সংখ্যা কমিয়ে আনা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে ছায়ানটের পক্ষ থেকে।

প্রসঙ্গত, ১৯৬৭ সাল থেকে নগরজীবনে বাংলা নববর্ষকে আহ্বান জানানোর জন্য সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানট রমনার বটমূলে সুর ও বাণীর আয়োজন করে আসছে।

গতকাল শনিবার বিকেলে ধানমন্ডির ছায়ানট-সংস্কৃতি ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে ছায়ানটের সভাপতি বরেণ্য সংগীতজ্ঞ সন্‌জীদা খাতুন বলেন, আগ্রাসী করোনাকে দমাতে প্রায় দু’বছর আমরা গৃহবন্দি ছিলাম। সব শেকল ভেঙে বিশ্বজুড়ে আজ নব আনন্দে জেগে উঠবার আহ্বান।’

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সাধারণভাবে ছায়ানটের বর্ষবরণের মঞ্চে কমবেশি সোয়াশো শিল্পী থাকে। তবে স্বাস্থ্যবিধি বিবেচনায় রেখে এবার শিল্পীসংখ্যা কমিয়ে আনা হয়েছে। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলছে দলীয় পরিবেশনার মহড়া।

সংবাদ সম্মেলনে সনজীদা খাতুন আরও বলেন, বাংলা বর্ষবরণ এখন দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে, ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে বিশ্ববাঙালির প্রধান প্রাণের উৎসব, বাঙালি ঐতিহ্যের অঙ্গ। আমাদের প্রত্যাশা, বটমূলে অর্ধশতাধিক বছরের এই উৎসবের ধারায় বাঙালির প্রত্যাবর্তন হবে সংযমী, প্রাণবন্ত, আনন্দঘন এবং বিপর্যয় বিনাশের অঙ্গীকারে বলীয়ান।

English Dainikbiswa

রাশিয়া কিকি দাবি মেনে নিল ইউক্রেনের

নওয়াজ শরিফের উপড় হামলা।। মেয়ে মরিয়ম ইমরান খানকেই দায়ী করছেন

৯৪তম অস্কার অ্যাওয়ার্ড ২০২২

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

৯৪তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস অস্কারের ঘোষণা হয়েছে।

বাংলাদেশ সময় ভোর ৬টায় হলিউডের ডলবি থিয়েটারে জমকালো আয়োজনে পুরস্কৃত করা হয় এবারের বিশ্বসেরা সিনেমা ও অভিনেতাদের।

প্রতিবারের মতো এবারও লাল গালিচার ওপর দিয়ে হেঁটে তারকারা প্রবেশ করছেন অডিটোরিয়ামে। পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করছেন রেজিনা হল, এমি শামার ও ওয়ান্ডা স্কাইস।

এক নজরে এবারের পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা (সর্বশেষ)

এবারের আসরে এখন পর্যন্ত বিজয়ী হয়েছেন যারাঃ

সেরা ডকুমেন্টারি (শর্ট সাবজেক্ট): দ্য কুইন অব বাস্কেটবল

সেরা অ্যানিমেটেড ফিচার ফিল্ম: অ্যানকান্টো

সেরা আন্তর্জাতিক ফিচার ফিল্ম: ড্রাইভ মাই কার (জাপান)

সেরা অ্যানিমেটেড শর্ট ফিল্ম: দ্য উইন্ডশিল্ড উইপার

সেরা ওরিজিনাল চিত্রনাট্য: বেলফাস্ট

 

সেরা অ্যাডাপটেড চিত্রনাট্য: কোডা

সেরা লাইভ অ্যাকশন শর্ট ফিল্ম: দ্য লং গুডবাই

সেরা প্রোডাকশন ডিজাইন: ডুন

সেরা মেকআপ: দ্য আইজ অব টেমি ফে

 

সেরা পার্শ্ব-অভিনেত্রী: আরিয়ানা ডিবোস (ছবি- ওয়েস্ট সাইড স্টোরি)

সেরা পার্শ্ব-অভিনেতা: ট্রয় কটসর (ছবি কোডা)

সেরা সিনেমাটোগ্রাফি: গ্রেগ ফ্রাসার (ডুন)

সেরা ভিজ্যুয়াল ইফেক্টসঃ ডুন