JN-1 VIRUS/ জেএন.১ সংক্রমণ এবং বাংলাদেশ

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

দেশে করোনাভাইরাসের নতুন উপধরন জেএন.১-এর সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। গত এক মাসে সংক্রমণের হার বেড়েছে চার গুণের বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, শীত কমলে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে করোনা সংক্রমণ আরো কয়েক গুণ বাড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৩৯১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩৪ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৮.৭০ শতাংশ। শনাক্ত রোগীদের ৩২ জনই ঢাকা মহানগরের এবং একজন করে কক্সবাজার ও চাঁদপুরের। এই সময়ে আক্রান্তদের মধ্যে কারো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অধিদপ্তর যে শনাক্তের হার দেখাচ্ছে, প্রকৃত হার এর চেয়ে অনেক বেশি।

সংক্রমিত ব্যক্তি সাধারণ জ্বর, ঠাণ্ডায় কভিড-১৯ শনাক্তের পরীক্ষা করাচ্ছে না। তাই শনাক্তও হচ্ছে না। যারা পরীক্ষা করাচ্ছে তারা কোনো জরুরি প্রয়োজনে করাচ্ছে। হয় সার্জারি করার আগে, নয়তো বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, চলতি বছরে করোনা শনাক্ত হওয়া ৬৪৩ জনের মধ্যে ৬২৪ জনই ঢাকা মহানগরের। অর্থাৎ মোট শনাক্তের ৯৭ শতাংশ রোগী ঢাকার। এই সময়ে মৃত চারজনের দুজন ঢাকা মহানগরের ও দুজন চাঁদপুরের।

অধিদপ্তরের তথ্য মতে, বর্তমানে ২৯ জন কভিড রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছে। এর মধ্যে সাধারণ শয্যায় ছয়জন, আইসিইউতে ২২ জন ও এইচডিইউ শয্যায় একজন।

নতুন রোগীদের নিয়ে দেশে মোট শনাক্ত কভিড রোগীর সংখ্যা ২০ লাখ ৪৬ হাজার ৯৩৫। মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৪৮১ জনের। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে ২০ লাখ ১৪ হাজার ৩০৩ জন।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) উপদেষ্টা মুশতাক হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, সাধারণত শীতকালে বাংলাদেশে করোনা রোগী কম থাকে। বর্তমানে করোনার নতুন উপধরন জেএন.১-এর কারণে সংক্রমণের হার কিছুটা বেড়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, শীত কমলে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি রোগীর সংখ্যা কয়েক গুণ বাড়তে পারে।

মুশতাক হোসেন বলেন, নতুন উপধরন মারাত্মক না হলেও এর সংক্রমণের হার অনেক বেশি। যাঁরা মেডিক্যাল বা হাসপাতালে কাজ করেন, যাঁদের বয়স ৬০ বছরের বেশি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, দীর্ঘমেয়াদি রোগ বা কোমরবিডিটি আছে, তাঁদের জন্য এখনো করোনা ঝুঁকিপূর্ণ। মনে রাখতে হবে, এসব ব্যক্তির জন্য কডিভ মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

তিনি বলেন, এখন যেহেতু টিকার কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যারা টিকা নেয়নি তাদের টিকা নেওয়া জরুরি। এ ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ স্থান, যেমন—হাসপাতাল, গণপরিবহন বা যেখানে লোকসমাগম বেশি সেখানে মাস্ক পরা নিরাপদ।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সে বছর শনাক্ত হয় পাঁচ লাখ ১৩ হাজার ৫১০ জন। মৃত্যু হয় সাত হাজার ৫৫৯ জনের।

পরের বছর ২০২১ সালে শনাক্ত হয় ১০ লাখ ৭২ হাজার ২৯ জন। মৃত্যু হয় ২০ হাজার ৫১৩ জনের। ওই বছরে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জন শনাক্ত হয় ২৮ জুলাই। ২০২২ সালে শনাক্ত হয় চার লাখ ৫১ হাজার ৫৮৬ জন। মৃত্যু হয় এক হাজার ৩৬৮ জনের। ২০২৩ সালে শনাক্ত হয় ৯ হাজার ১৮৯ জন। মৃত্যু হয় ৩৭ জনের।

নারী থেকে পুরুষে রূপান্তরিত কলেজ শিক্ষার্থী, এলাকায় শত মানুষের ভিড়

মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ক‌লেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী তমা সরকার (১৮) নারী থেকে পুরুষে রূপান্তরিত হয়েছে। বিষয়‌টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আর তমা সরকার‌কে দেখতে প্রতিনিয়ত তার বাড়িতে ভিড় করছেন এলাকাবাসী।

ঘটনাটি ঘ‌টে‌ছে উপজেলার বারুহাঁস ইউনিয়নের চৌবাড়িয়া দক্ষিণপাড়া।

তমা সরকার ওই গ্রা‌মের শ্রী সুধান্ন সরকারের মেয়ে ও রাজশাহী মহানগরের আলহাজ সুজা-উদ দৌলা সরকারি কলেজের একাদশ শ্রে‌ণির শিক্ষার্থী।

তমার বাবা সুধান্ন সরকার জানান, ২০২৩ সা‌লের দুর্গা পূজার আগে তমার শরী‌রে প‌রিবর্তন ঘ‌টে। লজ্জায় সে আমা‌দের কাউ‌কে কিছু ব‌লে‌নি। ত‌বে তার এক ঘ‌নিষ্ঠ বান্ধ‌বীর কা‌ছে সব‌কিছু খু‌লে ব‌লে। প‌রে তার বান্ধবী আমা‌দের জানা‌লে আমরা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হরমন বিশেষজ্ঞ চি‌কিৎ‌সকের পরাম‌র্শে পরীক্ষা-নি‌রীক্ষা ক‌রে জান‌তে পা‌রি তার শা‌রীরিক প‌রিবর্তন হ‌য়ে‌ছে।

পুরু‌ষে রূপান্ত‌রিত হওয়া তমা সরকার ব‌লেন, আ‌মি এখন পু‌রোপু‌রিভা‌বে পুরু‌ষের রূপান্ত‌রিত হ‌য়ে‌ছি।

তমার মা জানান, আমার একটা মে‌য়ে একটা ছে‌লে ছিল। মে‌য়েটা বড় ছিল। ভগবান তা‌কেও ছে‌লে ক‌রে দি‌য়ে‌ছেন।

তমার বান্ধবী দীপালি বালা ব‌লেন, আ‌গে আমরা দুজন একসঙ্গে স্কু‌লে গেছি। অ‌নেক খেলাধুলাও করে‌ছি। দুজ‌নের ভা‌লো বন্ধুত্ব ছিল। এখন আর আ‌গের ম‌তো মেলামেশা কর‌তে পার‌ব না।

এ প্রসঙ্গে তমার চিকিৎসক রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হরমন বিশেষজ্ঞ ডা. কামরুজ্জামান জানান, হরমন পরিবর্তনের কারণে এ রকম শারীরিক পরিবর্তন হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়।

দেশের সব অবৈধ ক্লিনিক, ডায়াগস্টিক গুলোকে বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছি -স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেছেন, দেশের আনাচে-কানাচে গড়ে ওঠা সব ধরনের অবৈধ ক্লিনিক, ডায়াগস্টিক সেন্টারসহ অবৈধ স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোকে বন্ধ করে দিতে আজ (বুধবার) সকালেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছি।

তিনি বলেন, আমি কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চেয়েছি দেশে প্রকৃতপক্ষে কতগুলো অবৈধ ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র আছে। যতগুলোই সংখ্যায় থাকুক, এসব অবৈধ স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো বন্ধ করে দিতে আমাদের অভিযান শীঘ্রই শুরু করা হবে। এরমধ্যেই অবৈধ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর মালিকেরা নিজেরাই যদি বন্ধ করে দেয় ভালো, নাহলে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

বুধবার দুপুরে বনানী কবরস্থানে পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বাল্যবন্ধু শেখ কামালসহ অন্যান্য শহিদদের কবর জিয়ারত ও পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা এবার স্বাস্থ্যসেবাকে গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে দিতে কাজ করব। ঢাকা মেডিকেলে যে মানের ডাক্তার চিকিৎসা দিচ্ছে সে মানের ডাক্তার জেলা-উপজেলা হাসপাতালে পাঠানো গেলে তো কাজটি সহজ হয়ে যায়। আর ডাক্তারদের সুযোগ-সুবিধা ভালো করলে তারাও নিশ্চয়ই জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কাজ করতে আগ্রহী হবেন। সব মিলিয়ে আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে কাজ করা এবং সেটা আমরা করব।

বাল্যবন্ধু জাতির পিতার বড় ছেলে শেখ কামাল প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার বড় ছেলে শেখ কামাল বেঁচে থাকলে আমাদের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনার হাত নিঃসন্দেহে আরও অনেক বেশি শক্তিশালী হতো। শেখ হাসিনা সেই শক্ত হাতে বাংলাদেশকে আরও দ্রুততম সময়ে উন্নত দেশে পরিণত করতে পারতেন। কিন্তু ঘাতকরা অনেক বড় ক্ষতি করে দিয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ সময় ছেলেবেলার স্মৃতিচারণ করে বলেন, শেখ কামাল দেশকে নিয়ে অনেক ভাবতেন। আমরা কয়েকজন তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলাম। আমরা দেখেছি, তিনি (শেখ কামাল) খেলাধুলার উন্নতির প্রতি খুবই আগ্রহী ছিলেন। বাংলাদেশ যেন বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে খেলতে পারেন এজন্য তিনি খেলাধুলায় উৎসাহ দিতেন এবং পৃষ্ঠপোষকতা করতেন। আজ তিনি বেঁচে থাকলে খেলাধুলাসহ সবদিকে বাংলাদেশ আরও দ্রুত এগিয়ে যেত।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এ সম শেখ কামালের ছোটবেলার বন্ধু বাদলসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কচুয়া উপজেলা আ:লীগের সাধারন সম্পাদক এসএম আবু বক্কার সিদ্দিকের রোগমুক্তি কমানা

//শুভঙ্কর দাস বাচ্চু,  কচুয়া, বাগেরহাট//

কচুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদ ও গোপালপুর ইউপি চেয়ারম্যান এসএম আবু বক্কার সিদ্দিক অসুস্থ্য হয়ে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। তার রোগমুক্তি কমানা করে দোয় ও মোনাজাত করা হয়।

মঙ্গলবার বিকালে উপজেল যুবলীগের আয়োজন আহবায়ক মনিরুজ্জামান ঝুমুরের সভাপতিত্বে এ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমা সরোয়ার, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি হাজরা ওবায়দুর রেজা সেলিম,যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক শিকদার কামরুল হাসান কচি, জেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মীর জয়েসি আসরাফি জেমস, কচুয়া সদর ইউপি চেয়ারম্যান শিকদার হাদিউজ্জামান হাদিস সহ যুবলীগের সকল নেত্রবৃন্দ।

দীর্ঘ ১৫৬ দিন চিকিৎসা শেষে আজ বাসায় ফিরলেন বেগম খালেদা জিয়া (ভিডিও)

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

পাঁচ মাস ধরে হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণের পর আজ বৃহস্পতিবার বাসায় ফিরেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি গুলশান-২ নম্বরের ৭৯ নম্বর সড়কের তাঁর বাসা ফিরোজায় পৌঁছান।

দলের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গত বছরের ৯ আগস্ট থেকে বিএনপি নেত্রী রাজধানী ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তক্রমে শারীরিক কিছু জরুরি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর দীর্ঘ ১৫৬ দিন চিকিৎসা গ্রহণ শেষে আজ বিকেল ৫টায় হাসপাতাল থেকে বাসার উদ্দেশে রওনা দেন খালেদা জিয়া। তাঁকে বহন করা গাড়িটি হাসপাতাল থেকে ৩০০ ফুট সড়ক, কুড়িল উড়ালসড়ক, শেওড়া বাসস্ট্যান্ড হয়ে বনানী কবরস্থান সড়ক দিয়ে গুলশানের বাড়িতে যায়।

বিএনপির ফেসবুক পেজের লাইভে দেখা যায়, খালেদা জিয়াকে বহনকারী গাড়ির সামনে শত শত মোটরসাইকেলে করে হাজারো নেতা-কর্মী ছিলেন। তাঁরা মিছিল করতে করতে খালেদা জিয়াকে বাসায় নিয়ে যান। এ সময় নেতা-কর্মীরা সরকার ও নির্বাচনবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেন। হাসপাতাল থেকে গুলশানের বাসা, পুরোটা পথ নেতা-কর্মীরা সড়কে থেমে থেমে এভাবে স্লোগান দেন। এতে বিমানবন্দর সড়কের রাজধানীমুখী অংশে যানজটের সৃষ্টি হয়।

গতকাল বুধবার রাতে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন প্রথম আলোকে জানিয়েছিলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা বৈঠক করেন গত মঙ্গলবার রাতে। সেই বৈঠকে তাঁর স্বাস্থ্যের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে হাসপাতাল থেকে তাঁকে বাসায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিতে তাঁর পরিবার থেকে সরকারের কাছে আবেদন করা হলেও অনুমতি পাওয়া যায়নি। এমন পরিপ্রেক্ষিতে লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত বিএনপির চেয়ারপারসনের রক্তনালিতে অস্ত্রোপচার করা হয় গত ২৭ অক্টোবর। যুক্তরাষ্ট্র থেকে তিনজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এনে তাঁর রক্তনালিতে অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল। এখন তাঁর স্বাস্থ্য অনেকটা স্থিতিশীল, তাই তাঁকে বাসায় নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

দুর্নীতির দুই মামলায় সাজাপ্রাপ্ত খালেদা জিয়া ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাবন্দী হন। দুই বছরের বেশি সময় কারাবন্দী ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসন। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সাজা ২০২০ সালের ২৫ মার্চ সরকার নির্বাহী আদেশে স্থগিত করে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি দিয়েছিল। তখন থেকে ছয় মাস পরপর তাঁর সাজা স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ বাড়াচ্ছে সরকার। সূত্রঃ প্রথম আলো

ডুমুরিয়ায় দলিত-এর উদ্যো‌গে ভাান্ডারপাড়া আবাসন প্রকল্পে মে‌ডি‌কেল ক্যাম্প ও শিক্ষা উপকরণ সামগ্রী বিতরণ

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//

ডুমুরিয়া উপজেলার ভান্ডারপাড়া আবাস‌নে দলিত-এর উদ্যো‌গে মে‌ডি‌কেল ক্যাম্প ও শিক্ষা উপকরণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। ১৮ ডিসেম্বর

সোমবার বেসরকারী স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা দলিত-এর আয়োজনে মেড়িকেল ক্যাম্প ও শিক্ষার্থী‌দের মা‌ঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন  ইউপি সদস‌্য শেখ মাহাবুর রহমান। অনুষ্ঠানে   প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  উপজেলা  প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ হা‌বিবুর রহমান। বি‌শেষ অ‌তি‌থি হি‌সে‌বে উপ‌স্থিত ছি‌লেন ভান্ডারপাড়া আশ্রয়ন প্রকল্প সরকারী প্রাথ‌মিক বিদ‌্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃআব্দুল জব্বার, শিক্ষিকা মীরা বর্মন, শিক্ষক সুনীল কুমার মন্ডল, শি‌ক্ষিকা প্রত‌্যাশা খানম, স্পন্সরশীপ অফিসার বিপ্লব মন্ডল ও প্রোগ্রাম অর্গানাইজার বিপ্লব দাস।  মে‌ডি‌কেল ক্যাম্প প‌রিচালনা ক‌রেন  ডাঃ ত‌নিমা দাস ও সিও বিপ্লব দাস।

আলোচনা শেষে আবাস‌নের ৭০জন শিক্ষার্থীর মা‌ঝে শিক্ষা উপকরন বিতরন করা হয় এবং মে‌ডি‌কেল ক্যাম্প এর মাধ‌্যমে এলাকার অসুস্থ রোগী‌দের স্বাস্থ‍্য সেবা প্রদান করা হয়।

ভিটামিন এ ক্যাপসুল শিশুর শরীরে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: মেয়র আব্দুল খালেক

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, ভিটামিন এ ক্যাপসুল শিশুর শরীরে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এই ভিটামিন দৃষ্টিশক্তি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিশুর মৃত্যুঝুঁকি কমায়। তাই শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো খুবই জরুরি। ভ্রাম্যমান জনগোষ্ঠীর জন্য প্রত্যন্ত এলাকা, রেলওয়েস্টেশন, বাস ষ্ট্যান্ড, লঞ্চঘাটসহ প্রতিটি স্থানে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এজন্য সকল অভিভাবকদের টিকা কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে আসার আহবান জানান মেয়র।

তিনি  (মঙ্গলবার) সকালে নগরীর ২ নম্বর কাস্টমঘাটস্থ আমিরাবানু বেগম নগর মাতৃসদন প্রাঙ্গণে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সানজিদা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে খুলনা স্বাস্থ্য দপ্তরের সহকারী পরিচালক ডাঃ অপর্ণা বিশ্বাস, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ এসএম কামাল হোসেন, কেসিসি’র প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা স্বপন কুমার হালদার, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহাম্মদ আলী, সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর কনিকা সাহা, ইউনিসেফের প্রতিনিধি শারমিন আক্তার প্রমুখ বক্তৃতা করেন । এসময় কেসিসির বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরগণ উপস্থিত ছিলেন।

মহানগরীর মোট এক লাখ ২২ হাজার চারশত ৭৮ জন শিশুকে ১টি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১টি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস’ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী  শিশুর সংখ্যা ১৪ হাজার ছয় শত ১২ এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুর সংখ্যা এক লাখ সাত হাজার আটশত ৬৬ জন। এছাড়া খুলনা জেলার ৯ টি উপজেলা এবং ২ টি পৌর সভায় মোট ১ লাখ  ৯১ হাজার নয়শত ৯৪ জন শিশুকে ১টি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১টি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী  শিশুর সংখ্যা ২২ হাজার আটশত ৭৯ এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুর সংখ্যা ১ লাখ ৬৯ হাজার একশত ১৫জন।

কর্মসূচি সফল করতে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৩১টি ওয়ার্ডের চারটি জোনে সাতশত ১০টি কেন্দ্রে ৬২জন সুপারভাইজারের তত্ত্বাবধানে এক হাজার চারশত ২০ জন স্বেচ্ছাসেবী নিয়োজিত থাকবেন। এছাড়া খুলনা জেলার দুইটি পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশনসহ নয়টি উপজেলায় ৬৮টি ইউনিয়ন এবং দুইশত চারটি ওয়ার্ডে এক হাজার ছয়শত ৪১টি কেন্দ্রে তিন হাজার দুইশত ৮২ জন স্বেচ্ছাসেবী নিয়োজিত থাকবেন।

আপনার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস খাওয়ান

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

সারা দেশে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস প্রচারাভিযান ও শিশুদের ক্যাপসুল খাওয়ানো কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। এ অভিযানে ২ কোটি ৫৮ লাখের বেশি শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে বাংলাদেশের সরকার।

আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় রাজধানীর মহাখালীতে নিপসম অডিটোরিয়ামে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, কর্মসূচির আওতায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ২৭ লাখ ৮৭ হাজার ৫০০ জন শিশুকে নীল রঙের ‘এ প্লাস’ এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ২ কোটি ৩০ লাখ ২ হাজার শিশুকে  লাল রঙের একটি করে ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। দিনব্যাপী কর্মসূচিতে দেশের সব সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং ভ্রাম্যমাণ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে শিশুদের এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

অধিদপ্তরের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়াতে শিশুদের ভরা পেটে কেন্দ্রে আনতে হবে। ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সি শিশুদের এসব ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। পাঁচ বছরের বেশি বয়সি এবং অসুস্থ শিশুদের খাওয়ানো যাবে না। দেশজুড়ে ১ লাখ ২০ হাজার কেন্দ্রে ২ লাখ ৪০ হাজার স্বাস্থ্যসেবাকর্মী এবং ৪০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী ভিটামিন শিশুদের ক্যাপসুল খাওয়ানোর কাজ করবেন।

ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন চলাকালে ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর পাশাপাশি জন্মের পর পর নবজাতককে শালদুধ খাওয়ানো, ৬ মাস পর্যন্ত শিশুকে শুধু মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো; শিশুর ৬ মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি পরিমাণ মতো ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়ানোর বার্তাও প্রচার করা হবে বলেও অধিদপ্তরের সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে ঢাকা জেলার ৬টি উপজেলা সোয়া ৫ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে মঙ্গলবার। এদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলবে এ কর্মসূচি। ঢাকা জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মিলনায়তনে সোমবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. ইয়াসমিন নাহার এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ঢাকার ৬টা উপজেলার মধ্যে সিভিল সার্জন দপ্তরের আওতাভুক্ত রাজধানীর তেজগাঁও থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ধামরাই, দোহার, কেরাণীগঞ্জ, নবাবগঞ্জ, সাভার ও সাভার পৌরসভা এলাকায় এ ক্যাম্পেইন চলবে। এ দিন ১ হাজার ৭৪৩টি স্থায়ী ও ১২৫ অস্থায়ী কেন্দ্রে আসা ৫ লাখ ২৬ হাজার ১৮০ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এ কাজে ৩ হাজার ৮৮৬ জন স্বেচ্ছাসেবক অংশ নেবেন।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ৫৪টি ওয়ার্ডে একযোগে ১ হাজার ৯০৪টি স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রে স্বাস্থ্য বিধি মেনে বিনামূল্যে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের এই ভিটামিন খাওয়ানো হবে।

অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন এলাকায় ৬ লাখ ৭০ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াবে সংস্থাটি। করপোরেশনের আওতাধীন এলাকার ১ হাজার ৮২৭টি কেন্দ্রের মাধ্যমে এই কর্মসূচি পালন করবে ডিএসসিসি।

Daily World News

নির্বাচন উপলক্ষে শীঘ্রই মাঠে নামছে সেনাবাহিনী

বেগম খালেদা জিয়াকে আবারও সিসিইউতে নেওয়া হয়েছে

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

রাজধানীর এভায়কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে কেবিন থেকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) স্থানান্তর করা হয়েছে।

সোমবার সন্ধ্যায় চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।

গত ৯ আগস্ট থেকে চার মাসের বেশি সময় ধরে খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, হার্ট, চোখের সমস্যাসহ নানা রোগে ভুগছেন।

উন্নত চিকিৎসার জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিতে তার পরিবার থেকে সরকারের কাছে আবেদন করা হলেও অনুমতি পাওয়া যায়নি। তাকে বিদেশে পাঠানোর দাবিতে বিএনপি বেশ কিছুদিন রাজপথে আন্দোলনও করেছে।

এমন অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে তিনজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এনে ঢাকায় এভারকেয়ার হাসপাতালে বিএনপি নেত্রীর রক্তনালিতে অস্ত্রোপচার করা হয় গত ২৭ অক্টোবর। অস্ত্রোপচারের পরদিনই বিদেশি চিকিৎসকেরা ফেরত গেছেন।

তবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ওই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা ঢাকায় খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে চিকিৎসা দিচ্ছেন। অস্ত্রোপচারের পর কমপক্ষে চার সপ্তাহ সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখার পরামর্শ দিয়েছিলেন তারা।

চিকিৎসকরা বলেছেন, লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যে জটিলতা কিছুটা কমাতে রক্তনালিতে অস্ত্রোপচার করা হয়। তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রক্তনালিতে অস্ত্রোপচারের প্রভাবেও তার স্বাস্থ্যে নানা জটিলতা দেখা দিয়েছে। এসব জটিলতা কখনো কমছে, আবার কখনো কিছুটা বাড়ছে।

খালেদা জিয়ার লিভার প্রতিস্থাপন না করা পর্যন্ত তাকে সার্বক্ষণিক চিকিৎসাসেবা দিতে হবে। কারণ রক্তনালিতে অস্ত্রোপচারের বিষয়কে সাময়িক চিকিৎসা হিসেবে উল্লেখ করেন চিকিৎসকরা।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির মামলায় কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে। দেশে করোনা মহামারি শুরুর পর ২০২০ সালের ২৫শে মার্চ তাকে সরকারের নির্বাহী আদেশে শর্তসাপেক্ষে সাময়িক মুক্তি দেওয়া হয়।

২০২১ সালের এপ্রিলে কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে কয়েকবার নানা অসুস্থতার কারণে তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছে। গত বছরের জুনে বুকে ব্যথা অনুভব করলে খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর এনজিওগ্রাম করা হলে তার হৃদযন্ত্রে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। এর একটিতে রিং পরানো হয়।

চলতি বছরের ১৩ জুন রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সে সময় হাসপাতালে পাঁচদিন চিকিৎসা শেষে তাকে বাসায় নিয়ে আসা হয়। সর্বশেষ গত ৯ আগস্ট শারীরিক অসুস্থতার কারণে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় খালেদা জিয়াকে। এরপর থেকে হাসপাতালে রয়েছেন তিনি।

বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে মোট ৩৭টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে দুই মামলায় তিনি কারা ভোগ করছেন। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় ১০ বছর এবং জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় তাকে সাত বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর নাইকো মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।

 

আমতলীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা মুলক র‌্যালী ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ ৩০শে অক্টোবর  উপজেলা পরিষদ থেকে সচেতনতা মুলক একটি র‌্যালী বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় উপজেলা পরিষদ গিয়ে শেষ করার পর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান,নারী ভাইস চেয়ারম্যান তামান্না আফরোজ মনি, সহকারী কমিশনার (ভুমি) আব্দুল্লাহ আবু জাহের,আমতলী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমির হোসেন সেরনিয়াবাত, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জামাল হুসাইন,পরিসংখ্যান অফিসার রবিউল ইসলাম,উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন,প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সফিকুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান মোতাহার উদ্দিন মৃধা,বোরহান উদ্দিন মাসুম তালুকদার,সোহেলী পারভীন মালা, রফিকুল ইসলাম রিপন, আসাদুজ্জামান মিন্টু মল্লিক, এডভোকেট এইচএম মনিরুল ইসলাম মনি, পৌরসভার প্যানেল মেয়র মীর হাবিবুর রহমান প্রমুখ।