তালতলীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মারধর, আহত- ৩

//সাইফুল্লাহ নাসির, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি//

বরগুনার তালতলীতে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে মোটরসাইকেলের হাইড্রলিক্স রড দিয়ে এমাদুল সহ ৩ জনকে পিটিয়ে আহত করেছে বলে জানা গেছে। এমাদুলকে গুরুতর আহত অবস্থায় তালতলী এ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসা নিলে তার অবস্থা আশংকাজনক দেখে ঐ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরন করেন।

জানা গেছে,গতকাল বুধবার বিকেল ৪ টার দিকে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের নলবুনিয়া এলাকার সোহরাব হাং এর ছেলে এমাদুল (৩৫) তাদের পরিত্যক্ত বাড়িতে কাজ করতে গেলে একই উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া গ্রামের বাবুল (৩৮) হিরন (৩৫) সোলায়মান (৩০) সহ ১০-১৫ জন লোক জমি দখলের উদ্দেশ্যে দেশীয় অস্ত্র ও মোটরসাইকেলের হাইড্রলিক্স রড দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে মারধর করে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে তালতলী এপোলো হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে এমাদুল গুরুতর আহত হওয়ায় তাকে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, ৯৯৯ এ কল করার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে এমাদুলকে উদ্ধার করা হয়েছে তবে এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাইনি অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেব।

বরিশালে ডিবি’র অভিযানে গ্যাস সিলেন্ডার থেকে ফেন্সিডিল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

নিজস্ব প্রতিবেদক ::বরিশাল//

ফেন্সিডিলের একটি চালান বরিশালের মাদক ব্যবসায়ীর কাছে পৌছে দিতে অভিনব পদ্ধতি অবলম্বন করেও রক্ষায় হয়নি এক ব্যক্তির। মো. সুমন মন্ডল (নওমুসলিম) (৪২) নামের এই ব্যক্তিকে পাকরাও করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি টিম। মঙ্গলবার বিকেলে তাকে শহরের বৈদ্যপাড়া মোড় সিঅ্যান্ডবি রোড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।গোয়েন্দা পুলিশ ঝিনাইদাহ’র শৈলাকুপা থানাধীন খালফুলিয়া গ্রামের মৃত সচীন মন্ডলের ছেলে সুমন মাদকের একটি বড় চালান নিয়ে নথুল্লাবাদ হয়ে বরিশাল নগরীতে প্রবেশ করছে এমন সংবাদ পেয়ে উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ছানোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একটি টিম বৈদ্যপাড়াসংলগ্ন সিঅ্যান্ডবি রোডের মুখে অবস্থান নেয়। এসময় ডিবি পুলিশের সদস্যরা তাকে আটক করে।

অভিযানে অংশ নেওয়া গোয়েন্দা পুলিশের এ এসআই মো.জামাল হোসেন প্রতিবেদককে জানান, গ্রেপ্তার যুবক ফেন্সিডিলের চালানটি নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অভিনব পদ্ধতি অবলম্বন করে। গ্যাস সিলেন্ডারের নিচের অংশ কেটে ভেতরে ঢুকিয়ে ফেন্সিডিগুলো নিয়ে এসেছে।গ্রেপ্তারের পর গ্যাস সিলেন্ডারটি থেকে ৫৫ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়েছে।এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানায় ডিবি পুলিশের পরিদর্শক (প্রশাসন) মো. মাকসুদুল আলম তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেন। সেই মামলায় বুধবার আদালতে পাঠালে বিচারক তাকে কারাগারে প্রেরণ আদেশ দেন।,

মাগুরায় নুরানী মাদরাসার শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ

 মাগুরা প্রতিনিধি:

মাগুরায় সদর উপজেলার চাউলিয়া ইউনিয়নের বুজরুক শ্রীকুন্ডি ঘোপডাঙ্গা পশ্চিমপড়া আব্দুল জলিল আদর্শ নুরানী ও হাফিজিয়া তালিমুল কুরআন মাদরাসার শিক্ষক ও পরিচালক নাজমুল হাসানের বিরুদ্ধে ঐ মাদরাসার হিফজ বিভাগের পনেরো বছরের এক ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা ও যৌন হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নির্যাতনের শিকার মেয়েটিসহ পরিবারের অন্যান্যদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বুজরুক শ্রীকুন্ডি ঘোপডাঙ্গা পশ্চিমপাড়া গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে নাজমুল হাসান ঐ মাদরাসার পরিচালক ও শিক্ষক। অন্যদিকে মেয়েটি গত জানুয়ারিতে ওই মাদরাসায় ভর্তি হয়। কিন্তু মাদরাসায় ভর্তির কিছুদিন পর থেকেই নাজমুল হাসান ওই মেয়েটিকে নানাভাবে যৌন হয়রানি করে আসছিলো। শারীরিক প্রতিবন্ধী মেয়েটি এতে বাধা দিলে নাজমুল হাসান বিষয়টি কাউকে না জানাতে তাকে ভয়ভিতি দেখায়।

এদিকে গত ১২ জুন রাতে মাদরাসার আবাসিক কক্ষে থাকা ঐ ছাত্রীকে কাজের কথা বলে ছাদে ডেকে নিয়ে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে এবং তার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে হাত দিয়ে শ্লিলতাহানি ঘটনায়। পরে মেয়েটি পালিয়ে বাড়িতে ফিরে গিয়ে পরিবারের লোকজনকে বিষয়টি জানায়।

মেয়েটির মা জানান, বিষয়টি জানার পর মাদরাসার পরিচালক নাজমুল হাসানের কাছে গেলে তিনি এ বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে নিষেধের পাশাপাশি স্থানীয় প্রভাবশালিদের দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। কিন্তু তার শাস্তি হওয়া উচিত।

এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানাগেছে নাজমুল ইতিপূর্বে একাধিক মেয়ের সঙ্গে অনৈতিক কাজ করেছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক নাজমুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য তার বাড়ীতে অবস্থিত মাদরাসার পর যেয়ে অনেক ডাকাডাকি করে কোন সাঁড়া না পাওয়া গেলে,ছাত্রী ভর্তির কথা বলে খবর দেওয়া হলে তিনি বেলকনিতে বেরিয়ে আসেন, সাংবাদিক বুঝতে পেরে গেইটে তালা লাগিয়ে তিনি পালিয়ে যান।পরে ফোন দিয়ে নানা উপঢৌকনের প্রস্তাব দিয়ে নিউজটি না করার অনুরোধ করেন।

পলাশপুর ১০ বছরের শিশুকে মাদ্রাসার শিক্ষক মনিরের হাতে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক ::বরিশাল//

বরিশাল নগরীর কাউনিয়া থানাধীন ৫ নং ওয়ার্ড পলাশপুর ৭ নং গুচ্ছ গ্রাম এলাকায় ১০ বছরের এক শিশুকে মাদ্রাসা পরিচালক মনিরের বিরুদ্ধে ধর্ষনের অভিযোগ পাওয়া যায়।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,গত(১৪ জুন)মঙ্গলবার  রাত আনুমানিক ১০ঘটিকা সময় জামেয়া আরাবীয়া হালিমা খাতুন হাফেজি ও কওমী মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপ্যাল।

হাফেজ মাওঃ মুফতী মনির খানকে (১০) বছরের এক শিশু রাতের খাবার দিতে গেলে তাকে জোর পূর্বক ধর্ষনের চেষ্টা করে। ভুক্তভোগী (১০) জানান,

এসময় (১০) বছরের মেয়ের ডাক চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ঘটনা স্থালে ছুটে আসেন। স্থানীয়দের উপস্থিতি টের পেয়ে,মাদ্রাসার ছাঁদ থেকে লাভ দিয়ে পালিয়ে যায় মনির। (১০) বছরের মেয়ের ছোটো ভাই)(৮) বলেন,রাতে আমার বোনের সাথে কি যেনো হুজুরের সাথে হইছে,আমি শুনছি কিছুই দেখি নাই।

আমাদেরকে পুলিশ এসে থানায় নিয়ে যায়,আমাদের পরিবারকে বিষয়টি জানালে আমার নানা,ও নানী চলে আসেন।

অভিযুক্ত হাফেজ মাওঃ মুফতী মনির খানকে মুঠোফোনে কল দিলেও,অপরদীক থেকে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। পরবর্তীতে মনির খানের বড় ভাই, মামুন ফোন দিয়ে যোগাযোগ করিয়া দিলে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়।

মেয়ের নানা আলতাফ হোসেন হাওলাদার ও নানী বলেন, আমরা শুনছি আমার নাতি ও নাতনিকে থানায় নিয়ে গেছে। এইয়া শুনে আমরা, ঝালকাঠি জেলার,কাঁঠালিয়া থানাধীন গ্রাম থেকে রাতেই ছুটে আসেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,জামেয়া আরাবীয়া হালিমা খাতুন হাফেজি ও কওমী মাদ্রাসায় এ-র আগেও বলৎকারের ঘটনা ঘটছে।তার জন্য এক শিক্ষক জেল হাজতে আছেন।আমরা চাই যাঁরা শিক্ষার নামে ব্যবসা,নোংরামী করবে। আর আমাদের ঘনবসতি এলাকার মান ক্ষুণ্ণ হবে তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। না হলে আমাদের যুবসমাজটা ধ্বংসের দিকে চলে যাবে।

আইনজীবীর সহকারী মেহেদী হাসান (তামিম) বলেন,যদি কোন ব্যক্তি কোন নারী বা শিশুকে-

(খ) ধর্ষণের চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক দশ বছর বা অন্যূন পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

এবিষয়ে কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান মুকুলকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও সংযোগ বিচ্ছিন্ন পাওয়া যায়।

খুলনার রূপসায় ধর্মীয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন হয়রানির প্রমাণ মিলছে। নিন্দা জ্ঞাপন

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

খুলনার রূপসার টিএসবি ইউনিয়ন স্বল্পবাহিরদিয়া গ্রামে কিশোর কল্যাণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক এশারাত হোসেন এর বিরুদ্ধে সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রীর শরীরের বিভিন্ন স্পর্শ কাতর স্থানে হাত দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ঘটনার পর বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বলে জানা যায়।

অভিযোগে জানা গেছে, কিশোর কল্যাণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে (করডোন্ড স্কল) সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রীর সাথে দীর্ঘদিন ধরে ওই ধর্মীয় শিক্ষক ইশরাত হোসেন বিভিন্ন সময় অসৌজন্যমূলক কথা বলেন এবং তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন সময় হাত দেন।

সর্বশেষ গত মঙ্লবার স্কুলে গেলে আবারো ওই শিক্ষক কৌশলে ছাত্রীর শরীরে হাত দেন।

বিষয়টি সে  তার পরিবারকে জানায়।

তার পিতা ঘটনাটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক নকিব উদ্দিনকে   জানানোর পর

তিনি বিষয়টি বিদ্যালয়ের সভাপতি  আহমেদুল কবির চাইনিজ এর সাথে কথা বলে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। এবং শিক্ষক এশারাতকে সাময়িক বরখাস্ত করেন।

বিদ‍্যালয়ের অভিভাবক সদস্য আনোয়ার হোসেনকে আহবায়ক এবং  শিক্ষক গোবিন্দ দাস ও কোহিনুর আক্তার কে সদস‍্য করে  তদন্ত কমিটি গঠন করেন।

তিন সদস্যর তদন্ত কমিটি দীর্ঘ সময় ধরে তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা খুঁজে পান।

তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন বিদ‍্যাল য়ের প্রধান শিক্ষকের নিকট জমা দেন।

প্রকৃত ঘটনা উল্লেখ করে ছাত্রী বলেন, হুজুর শিক্ষক এশারাত হোসেন আমার সঙ্গে অশ্লালিন আচরণ করার পর অসত উদ্দেশ্যে আমার বুকে হাত দেয়া শুরু করেন। সে এর আগেও এ ধরনের কাজ ৫/৬ দিন করেছেন। সে ক্লাস নেওয়ার সময় আমার টাউয়া ধরে, ঘাড় ও পিঠ টেপে। পরে কোন উপায়ন্ত না পেয়ে ছাত্রী এ ঘটনা তার ‘মাতা’ কে জানাই এবং পরে পিতা জানতে পান।

এ বিষয়টি ছাত্রীর দাদা-দাদি, চাচ-চাচি এ ঘটনার নিন্দা জানায় এবং সুষ্ঠু বিচারের দাবী করেন।  এমনকি তারা ঐ স্কুলে ছাত্রীকে পড়াশুনা করিবে না বলেও জানান।

তারা এ ধরনের শিক্ষক কোন অবস্থাতে স্কুলে চাকুরী করতে না পারে তার জোর দাবি জানান।

উল্লেখ্য — শিক্ষক এশারাতের  বিরুদ্ধে পূর্বেও ছাত্রীদের সাথে অশ্লালীন আচরণ করার একাধিক ঘটনা রয়েছে বলে তদন্ত কমিটি  জানায়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নকিব উদ্দিন বলেন, ধর্মীয় শিক্ষক এশারাতের বিরুদ্ধে সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রীর শরীরে হাত দেওয়ার ঘটনায় তার পরিবার অভিযোগ করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর প্রকৃত ঘটনা জানার জন্য তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

তদন্ত কমিটি তাদের রিপোর্ট আমাদের কাছে জমা দিয়েছেন।

তবে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার প্রমাণ পেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এঘটনায় বিদ্যালয়ের সভাপতি আহমেদুল কবির চাইনিজ বলেন,  ঘটনার অভিযোগ পেয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে রির্পোট অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আইরিন পারভীন বলেন, কোনো শিক্ষক যদি ছাত্রীদের সাথে খারাপ আচরণ করেন এবং তার প্রমান  পাওয়া যায় তার বিরুদ্ধে সকল ধরনের শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এমনকি তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হতে পারে।

খুলনার ডুমুরিয়ায় কলেজের ছাত্র কর্তৃক শিক্ষক লাঞ্চিত

//ডুমুরিয়া সংবাদদাতা, খুলনা//

খুলনার ডুমুরিয়ার বানিয়াখালী মাওলানা ভাষানী মেমোরিয়াল কলেজের ছাত্র কর্তৃক শিক্ষক লাঞ্চিত করার  ঘটনা  ঘটেছে। ঘটনাটি সামাজিক  যোগাযোগ মাধ‍্যমে ছড়িয়ে পড়লে  শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মধ‍্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হযেছে। ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন‍্য একটি মহল চকান্ত করছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে।

জানা গেছে, ৫ জুন রবিবার   দুপুরে বৃত্তি ভুলবাড়িয়া গ্রামের নুর ইসলাম মোল্যার ছেলে  কলেজের মানবিক বিভাগের দ্বাদশ শ্রেনীর ছাত্র রব্বানী মোল্যা ও  ইকবাল শেখের পুত্র ইমন  বহিরাগত দুটি  মেয়েকে নিয়ে কলেজের পরিত্যাক্ত ক্লাস রুমের জানালা দরজা বন্ধ করে তারা কথাবার্তা বলতে থাকে তাদের উপস্থিতি দেখতে পেয়ে সেখানে  কলেজের ইংরেজী বিভাগের প্রভাষক  ইলিয়াস হোসেন তাদের নিষেধ করলে তারা তাকে তার নিজের কাজে যেতে বলে শিক্ষক ইলিয়াস হোসেন তাদের আবারও নিষেধ করলে জামার কলার ধরে মারধর করে। পরবর্তীতে সেখানে অত্র কলেজের শিক্ষক সুব্রত (কৃষি শিক্ষা) ও আব্দুল হাই (ইতিহাস) বিভাগ সহ অনেকে সেখানে থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে ইলিয়াস হোসেনকে উদ্ধার করেন।

এই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ ম‍্যাধমে ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষক ও কর্মচারিরা ও এলাকাবাসীর বিরূপ প্রতিক্রার সৃষ্টি হয।  ইলিয়াজ হোসেন বলেন ঘটনাটি ন‍্যাক্কার জনক বিষযটি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ‍্যক্ষকে অবগতি করা হযেছে। কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ‍্যক্ষ আমিনুর রহমান খান বলেন  ঘটনা সত‍্য এ ব‍্যাপারে মঙ্গলবার জিবির মিটিং রযেছে। অন‍্যায়ের সাথে কোন আপোষ নেই।

Daily World News

বরিশালে সাংবাদিক ইউনিয়নের প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ

বালিয়াডাঙ্গীতে হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ

মাহাবুব আলম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি।।

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি করার সময় নয়ন (১৯) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যোবায়ের হোসেন আটককৃত যুবককে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেন।

বৃহস্পতিবার (২ জুন) বিকালে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ভানোর ইউনিয়নের কাঁচকালী বাজারে চাঁদাবাজি করার সময় ওই যুবককে আটক করা হয়। আটককৃত যুবকের বাড়ি নওগাঁ জেলার ধামুইরহাট উপজেলার চকরহমত গ্রামে।তার পিতার নাম সাইফুর রহমান।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে কাচকালি বাজার এলাকায় হাতি দিয়ে পথচারী, মোটর সাইকেল সহ বিভিন্ন যানবাহনের গতি রোধ করে হাতি দিয়ে ভয় দেখিয়ে চাঁদা আদায় করছিল যুবকটি। এ সময় রাণিশংকৈল-বালিয়াডাঙ্গী মহাসড়ক দিয়ে আসছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার (বালিয়াডাঙ্গী ও রাণিশংকৈল সার্কেল) তোফাজ্জল হোসেন। এ সময় ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করলে সহকারী পুলিশ সুপার সর্তক করার জন্য কথা বলতে চাইলে যুবকটি খারাপ আচরণ করে। পরে পুলিশ ওই যুবককে আটক জন্য বালিয়াডাঙ্গী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খায়রুল আনামকে জানালে তিনি থানার সকল সদস্যদের নিয়ে যান। এরপর চারপাশ দিয়ে ঘেরাও করে যুবকটিকে আটক করে।

ভুক্তভোগীরা জানান, মাঝে-মধ্যেই বিভিন্ন এলাকা থেকে হাতি নিয়ে এসে চাঁদা আদায় করেন তারা। প্রতিটি দোকান থেকে হাতি দিয়ে টাকা তোলা হয়। টাকা না দেওয়া পর্যন্ত দোকান থেকে হাতি সরিয়ে নেওয়া হয় না। অনেক সময় সাধারণ মানুষ, শিশু বাচ্চাসহ মহিলা ক্রেতারা হাতি দেখে ভয় পান। স্বেচ্ছায় ৫-১০টাকা নিলে সমস্যা নেই। কিন্তু তারা হাতির উপরে বসে ১০০-৫০০ টাকা দাবি করে নাহলে যেতে দেয় না। হাতিকে মাহুত পা দিয়ে ইশারা দেয় তারপর নানাভাবে ভয়ভীতি দেখায় হাতি। এমন চাঁদাবাজি বন্ধে যুবকটিকে আটক করায় প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান তারা।

বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা নির্বাহী অফিসার যোবায়ের হোসেন বলেন, নয়ন (১৯) যুবটিকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। এবং তাকে সর্তক করা হয়েছে।

Daily World News

বাবা ভ্যানচালক, মা চা বিক্রেতা, উন্নত ফুটবল প্রশিক্ষণে মেয়ে যাচ্ছে পর্তুগাল

মাগুরায় চোরাই মোটরসাইকেল সহ গ্রেফতার ১৪

//বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা//

মাগুরায় চোরাই মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেলসহ আন্তজেলা চোর চক্রের ১৪ সদস্যকে আটক করেছে মাগুরা সদর থানা পুলিশ। উদ্ধারকৃত মটরসাইকেলের বাজার মূল্য প্রায় ১০লক্ষ টাকা।

আজ রবিবার বিকালে মাগুরা সদর থানান সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ কামরুল হাসান জানান, সম্প্রতি মাগুরায় কয়েকটি মটরসাইকেল চুরির ঘটনায় দুটি মামলা হয়। অভিযোগের সূত্র ধরে শনিবার রাতে মাগুরা সদরের পাজাখোলা নামকস্থান হতে একটি মোটরসাইকেলসহ নাজমুল হাসান মুন্নাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে মুন্নার দেয়া স্বীকারোক্তি অনুসারে রাতে মাগুরার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোরাই আরো পাঁচটি মটরসাইকেল ও ছয়টি বাইসাইকেল সহ ১৩ জন চোর চক্রের সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।

চুরির সাথে জড়িত গ্রেফতারকৃত হলেন, মহম্মদপুরের কানুটিয়ার লালন ফকিরের ছেলে মনিরুল ইসলাম মাজেদ, একই থানার নিকরহাটা গ্রামের খবির মোল্যার ছেলে শওকত হোসেন, দূর্গাপুর গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে তুহিন হোসেন, সদর উপজেলার সাজিয়াড়া গ্রামের মোশাররফ মোল্যার ছেলে জুয়েল রানা, ডেফুলিয়া গ্রামের মহর আলীর ছেলে ইব্রাহিম হোসেন শাকিল, শহরের বাটিকাডাঙা গ্রামের সেলিম শিকদারের ছেলে সাগর শিকদার, সত্যপুর গ্রামের নায়েব আলীর ছেলে এনামুল হোসেন তামিম, নিজনান্দুয়ালী গ্রামের রবিউল ইসলাম, একই এলাকার আলম শেখের ছেলে সালাম শেখ, পারনান্দুয়ালী গ্রামের ইয়াকুব শেখের ছেলে রেজাউল ইসলাম, একই গ্রামের কালু শেখের ছেলে শহিদুল ইসলাম, আঠারখাদা গ্রামের আক্কাস বিশ্বাসের ছেলে এনামুল বিশ্বাস, এছাড়া যশোর জেলার ঘোপ এলাকার মৃত শুকুর মোল্যার ছেলে আবুল বাশার মোল্যা।

আটককৃতদের জিঞ্জাসাবাদে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মটরসাইকেল ও বাইসাইকেল চুরি করে পার্শ্ববর্তী নড়াইল, ফরিদপুর, মাদারিপুর, যশোর, ঝিন্ইাদহে বিক্রি করে আসছিল। আটককৃতদের বিরুদ্ধে চুরির মামলা দিয়ে কোটে প্রেরন করা হয়েছে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুল হাসান।

জগন্নাথপুরে স্কুল ছাত্রীদের প্রাইভেট পড়ানোর নামে যৌন হয়রানি: শিক্ষককে গণধোলাই

//রনি মিয়া, স্টাফ রিপোর্টার//

সুনামাগঞ্জের জগন্নাথপুরে প্রাইভেট পড়ানোর নামে স্কুল ছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে জনতার হাতে গণধোলাই’র শিকার হয়েছেন কলকলিয়া ইউনিয়নের হিজলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক বিজয় কৃষ্ণ দাশ।
তিনি উপজেলার চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের দাসনোয়াগ্রাঁও গ্রামের বিরেন্ড কুমার দাশের ছেলে।
জানা গেছে, শিক্ষক বিজয় কৃষ্ণ দাশ দীর্ঘ দিন ধরে প্রাইভেট পড়ানোর নামে কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে আসছেন।
তিনি জগন্নাথপুর পৌর শহরের ৬ নং ওয়ার্ডের বাসুদেব বাড়ী এলাকার এলকাছ মিয়ার বাসায় দীর্ঘ ৯ বছর ধরে বাসা ভাড়া নিয়ে উক্ত বাসায় এলাকার ষষ্ট ও অষ্টম- নবম শ্রেণী পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রীকে পাইভেট পড়ান।
অভিযোগ রয়েছে, সহকারি শিক্ষক বিজয় কৃষ্ণ দাশ পাইভেট পড়ানোর সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ছাত্রীদের যৌন হয়রানি করতে থাকেন।
একপর্যায়ে ছাত্রীদের কাছ থেকে অভিভাবকরা বিষয়টি জেনে ফেললে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
এ নিয়ে শুক্রবার(২৭ মে) সকালে অভিভাবকরা বিষয়টি শিক্ষককে জিজ্ঞেস করতে গেলে, তিনি তাদের সাথে অশোভন আচরণ করলে উপস্থিত জনসাধারণ ও অভিভাবকদের হাতে তিনি লাঞ্ছিত হন।

এক ছাত্রী অভিযোগ করে বলেন,আমাদের পড়া শেষ হলে স্যার বিভিন্ন সময় আমাকে বলেন তুমি বসে থাকো। তোমার আরেকটি এ্যাসাইনমেন্ট রয়েছে, এরকম বলে আমাকে পড়া দেখান এবং আমার শরিরে হাত দেন।আমি এর প্রতিবাদ করলে স্যার আমাকে ধমক দেন।
শিক্ষক বিজয় কৃষ্ণ দাশের বিরুদ্ধে আরও অনেকেই বলেন স্যারের নজর খারাপ ছাত্রীদের দিকে কু-নজরে তাকিয়ে থাকেন। মান সম্মান ও লেখাপড়ার কথা চিন্তা করে আমরা বিষয়টি গোপন রাখার চেষ্টা করেছি। শিক্ষকের কাছ থেকে এসব নোংরামি আশা করিনি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত বিজয় কৃষ্ণ দাশ বলেন আমার বিরুদ্ধে অনিত অভিযোগ মিথ্যা, আমি কখনো ছাত্রীদের শরিরে হাত দেইনি।

ব্যবসায়ী রুহেল মিয়া জানান শিক্ষকের বিষয়ে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির খবর অনেক বার শুনেছি, আজ সকালে অনেক ছাত্রীদের অভিভাবক এসে শিক্ষক নামের সেই বদমাইশকে গণধোলাই দিয়েছে।
জগন্নাথপুর গ্রামের প্রত্যক্ষদর্শী মোঃ চান মিয়া বলেন শিক্ষকের এমন কর্মকান্ডে আমরা লজ্জিত। একটি অমানুষ কখনো মানুষকে শিক্ষা দিতে পারেনা। তার এহেন কর্মকান্ডের বিচার হওয়া উচিত।

এ বিষয়ে পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কৃষ্ণ চন্দ্র চন্দ বলেন শিক্ষককে গণধোলাই দেওয়ার খবর শুনে আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছি।

জগন্নাথপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মানিক চন্দ্র দাস বলেন এ বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি প্রতি বৃহস্পতিবারে বাসায় চলে আসি।
জগন্নাথপুর থানার ওসি (তদন্ত) সুশাংকর বলেন এ ঘটনায় এখনো কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

৩৬ ভরি স্বর্ণালঙ্ক চুরি করল গৃহকর্মী সেজে থাকা জোসনা। অতঃপর….

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

গৃহকর্মী সেজে রাজধানীর ভাটারায় এক ব্যাংকারের বাসায় ঢুকেছিল চোরচক্রের সদস্য জোসনা। তিন দিনের মাথায় সাড়ে ৩৬ ভরি স্বর্ণালংকারসহ ২৮ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায় সে। এ ঘটনায় মামলা হলে তদন্তে নেমে পুলিশ জোসনা ও তার প্রেমিক জামালকে গ্রেফতার করেছে। তাদের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, চাপাইনবাবগঞ্জ থেকে জব্দ করা হয়েছে ২০ ভরি স্বর্ণালংকার।

শুক্রবার ভাটারা থানা পুলিশ জানায়, ভাটারার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসিন্দা ব্যাংকার নাজমুল হুদা গত ২১ মে বাসা থেকে সাড়ে ৩৬ ভরি স্বর্ণালংকার, ডায়মন্ডের একটি নেকলেস ও দুটি রিং, নগদ ১০ হাজার টাকাসহ মোট ২৮ লাখ ১৫ হাজার টাকার মালামাল চুরি হয়েছে জানিয়ে থানায় একটি মামলা করেন।

মামলার এজাহারে উল্লে­খ করা হয়, গত ১৫ মে তার বাসায় জোসনা খাতুন নামে একজনকে গৃহকর্মী হিসেবে নিয়োগ দেন। এর তিন দিন পর ওই গৃহকর্মী কিছু না বলে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। পরদিন নাজমুল হুদার স্ত্রী দেখতে পান বাসার স্বর্ণালংকার চুরি হয়ে গেছে।

ভুক্তভোগী জানান, তারা স্বামী-স্ত্রী দুজনেই চাকরিজীবী। বাসায় তার বৃদ্ধা মা ছাড়া কেউ থাকেন না। গৃহকর্মী সাপ্লাই দেওয়া সোর্সের মাধ্যমে জোসনা তার বাসায় কাজ নেন। এই সুযোগে জোসনা বাসার আলমারি থেকে জিনিসপত্র চুরি করে পালিয়ে যান।

পুলিশ জানায়, মামলা দায়েরের পরে চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারে ভাটারা থানার একটি দল কাজ শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জোসনা ও তার প্রেমিক জামালকে রাজধানীর খিলক্ষেত থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে জোসনার এক স্বজনের বাসার পরিত্যক্ত টয়লেট থেকে ২০ ভরি স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জোসনা পুলিশকে জানিয়েছে, সে গৃহকর্মী পেশার আড়ালে চুরির সঙ্গে জড়িত। এর আগেও সে এমন চুরি করেছে। চুরি শেষে তাকে পালাতে সহায়তা করেছে প্রেমিক জামাল।  গ্রেফতার জামাল পেশায় একজন গাড়িচালক। সে ভাড়ায় বিভিন্ন গাড়ি চালাত।

জোসনার বিরুদ্ধে রাজশাহীতে আরও একটি চুরির মামলায় ওয়ারেন্ট রয়েছে বলে জানান ভাটারা থানার ওসি সাজেদুর রহমান। তিনি বলেন, আমরা দেখি- অনেকেই বাসার কাজের লোকদের বিষয়ে উদাসীন। কেউ কেউ বাসার মূল্যবান সম্পদের চাবি দিয়ে রাখেন কাজের লোকের হাতে। এসব বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, গৃহকর্মী নিয়োগ দেওয়ার আগে তাদের বিষয়ে খোঁজ-খবর নেওয়া উচিত। না হলে এমন ঘটনা বারবার ঘটতে থাকবে।