ডুমুরিয়ায় দোলের রং ছিটাতে গিয়ে নছিমন থেকে পড়ে এক স্কুল ছাত্রের মৃত্যু

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া//

ডুমুরিয়ার রংপুরের কৃষ্ণনগর এলাকায়  ৭ মার্চ মঙ্গলবার  দুপুরে দোলের রং ছিটাতে গিয়ে নসিমন থেকে  পড়ে অঙ্কুশ মণ্ডল (৮) বছরের এক স্কুল ছাত্রের করুণ মৃত্যু হয়েছে।

এলাকাবাসী জানায়; দোলপূজা উপলক্ষ্যে উপজেলার কৃষ্ণনগর গ্রামে অঙ্কুশ মণ্ডলসহ কিছু তরুণ ও শিশু একটি ইঞ্জিনভ্যানে রংয়ের হলি খেলছিল।। তারা কৃষ্ণনগর নিমতলা থেকে বিশ্বাস পাড়ার দিকে যাচ্ছিল। এমন সময় অংকুশ ঐ ইঞ্জিন ভ্যান থেকে ছিটকে পড়ে মারাত্মক আহত হয়।

তাৎক্ষণিকভাবে তাকে স্থানীয় ক্লিনিকে নিয়ে গেলে অঙ্কুশ মন্ডল মারা যায়। অঙ্কুশ ডিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণির ছাত্র এবং ঐ গ্রামের লিটন মণ্ডলের ছেলে। অঙ্কুশের মৃত্যুর খবরে তার বাড়িতে ছুটে যান ডুমুরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান গাজী এজাজ আহমেদ।

খুলনায় দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

//খুলনা ব‍্যুরো//

খুলনায় বন্ধ থাকা  দাদা-ম্যাচ ফ্যাক্টরির কেমিক্যাল গোডাউনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে ৬মার্চ আনুমানিক সন্ধ‍্যা সাতটার দিকে।

ফ্যাক্টরির ভিতরে কেমিক্যাল গোডাউনে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুনের লেলিহান শিখাও ধোয়ায় দোলখোলা, টুটপাড়া লবণ চোরা রূপসা, হাজী মহসিন রোড সহ এলাকায় ধুয়াছন্ন হয়ে পড়ে।

ঘটনার পর  এলাকার বাসিন্দারা ও পথচারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।

ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট  পোনে এক ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ আনে।

খুলনা বিভাগীয় ফায়ার সার্ভিস অফিসের উপসহকারী পরিচালক তানহারুল ইসলামএ তথ্য নিশ্চিত  করেছেন।

তিনি বলেন  ঘটনার সংবাদ পেয়ে আমাদের চারটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

প্রায়  পৌনে এক ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণ এসেছে।

তবে ক্যেমিকেল থাকার কারণে ধোঁয়া উ ড়লেও আগুন নির্বাপনের কাজ চলছে। আগুন লাগার কারণ হিসেবে তিনি বলেন দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরি একটি কক্ষে  সালফার সংরক্ষিত ছিল মুলত সেখান থেকেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।

রূপসায় ‘সর: প্রা: বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক’ মৃত্যু- জানাযা সম্পন্ন

//এম মুরশীদ আলী//

রূপসার সামন্তসেনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক সরদার মনিরুজ্জামান পলাশ (৩০) আজ ৬ মার্চ সকালে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। (ইন্নালিল্লাহী ———— রাজিউন)। তিনি সামন্তসেনা গ্রামের মৃত: মঞ্জু সরদারের একমাত্র ছেলে পলাশ। তার নামাজের জানাযা সোমবার যোহরবাদ বাড়ির সমূখে ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন কাজ সম্পন্ন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কাজদিয়া কলেজিয়েট স্কুলের অধ্যক্ষ (ভার:) খান মারুফুল হক, উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মতিয়ার রহমান, প্রভাষক মেজবাহ উদ্দিন সেলিম, প্রভাষক আসাদুজ্জামান, শিক্ষক মো.আসাদুজ্জামান স্বপন, সামন্তসেনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ফ,ম, অহিদুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাসুদুর রহমান, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ফ,ম,আইয়ুব আলী, ইউপি সদস্য শেখ মাসুম, ইউপি সদস্য ইনতাজ মোল্লা, ইলিয়াজ শেখ, মো. আবু আবজাল সরদার, আ’লীগ নেতা মো: হাবিবুর রহমান, মো. ইলিয়াস শেখ, সালাউদ্দিন পিন্টু, মো: তপন সরদার, মো. জামাল শেখ, বিল্লাল শেখ, নিজাম উদ্দিন, মোঃ মহিউদ্দিন মানিক, রায়হান ফকির, সরদার আকরাম হোসেন, সালাউদ্দিন পিন্টু, শেখ বেলাল হোসেন, আব্দুল হালিম শেখ, নজরুল পাইক, সরদার রবিউল ইসলাম, শেখ মিজানুর রহমান, জাহাঙ্গীর সরদার, খান শরিফুল হক, খান আরিফুল হক, সরদার হাবিবুর রহমান, ইসহাক মল্লিক, শেখ হারুনুর রশিদ, তরিকুল ইসলাম বাদল, মোঃ নাসির উদ্দিন মামুনসহ আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসী। মৃত্যুকালে সে অসংখ্যা আত্মীয়-স্বজন ও গুনাগ্রাহী রেখে গেছেন।

পলাশের মৃত্যু খবর পেয়ে সমবেদনা জানাতে তার বাড়িতে ছুটে আসেন জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অধ্যক্ষ ফ, ম, আঃ সালাম, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডাঃ শ্যামল কুমার দাস, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ আজমল ফকির ও রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ। নামাজের ইমামতি করেন সামন্তসেনা পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদের ইমাম মো. নূর ইসলাম।

বাগেরহাটের কচুয়ায় জমাজমি সংক্রান্ত বিরোধে হত্যার হুমকি!

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট//

কচুয়ায় জমাজমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে হত্যার হুমকি দিচ্ছে প্রতিপক্ষরা। এঘটনা ঘটেছে উপজেলার ভাষা গ্রামের হেমায়েত মল্লিকের বাড়িতে। এব্যাপারে বাগেরহাট বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্টেট আদালতে মামলা ও পুলিশ সুপারের নিকট অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

উপজেলার ভাষা গ্রামের মৃত হালিম মল্লিকের পুত্র হেমায়েত মল্লিক জানায়, তার স্ত্রী রুনা বেগমের নামে ক্রয়কৃত জমি ও পৈত্রীক জমি নিয়ে এহিয়া মল্লিক, হানিফ মল্লিকের সাথে দির্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে।

একারনে তার বিভিন্ন সময় খুন জখম সহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেয়।এঘটনায় রুনা বেগম পুলিশ সুপারের নিকট একটি অভিযোগ করে। এতে প্রপিক্ষরা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ১৮ই ফেব্রুয়ারী সকালে এহিয়া মল্লিক, হানিফ মল্লিক, সাইদুল শেখ, বাদশা শেখ ও আনছার মল্লিক সহ ৭/৮ জনের একদল হামলাকরী পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে রুনা বেগম জমিতে কাজ করছিল।

এ সময় প্রপিক্ষরা জবর দখলের উদ্যেশ্যে জমিতে প্রবেশ করিয়া রুনা বেগমকে ঘিরিয়া ধরে মারধর করিতে উদ্যত হয়ে খুন ও গুম সহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেয়। এঘটনার পর হেমায়েত মল্লিক তার পরিবারে নিরাপত্তা চেয়ে বাগেরহাট বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্টেট আদালতে ১০৭/১১৭(গ) ধারামতে মামলা ও পুলিশ সুপারের নিকট অভিযোগ করেছে।#

 

বাগেরহাটের রামপালে নদী থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক লাশ উদ্ধার

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

রামপালের নদী থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের মধ্য বয়সী (৪০) এক পুরুষের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় রামপাল থানা পুলিশ ওই লাশ উদ্ধার করে ঘোষিয়াখালী নৌ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে।

রামপাল থানা পুলিশ ও রোমজাইপুর গ্রামের মহিলা ইউপি সদস্য রিনা বেগমের তথ্যমতে জানা গেছে, বুধবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় অজ্ঞাত পরিচয়ের এক ব্যক্তির লাশ মোংলা ঘোষিয়াখালী চ্যানেলের রোমজাইপুর গ্রামের পশ্চিম পাশ দিয়ে ভেসে যাচ্ছিল। খবর পেয়ে রামপাল থানার ওসি মোহাম্মদ সামসুদ্দীন, ওসি (তদন্ত) রাধেশ্যাম, এসআই খন্দকার মমিন, এসআই দেলোয়ার হোসেনসহ সংগীয় ফোর্স স্থানীয়দের সহায়তায় লাশ উদ্ধার করেন।

পরে ঘোষিয়াখালী নৌ পুলিশ থানার ওসি শরিফুল ইসলামের কাছে লাশটি হস্তান্তর করে। লাশের পরনে খয়েরী কালো ফুলপ্যান্ট, সাদা গেঞ্জির নিচেয় ও পিত্ত রংয়ের ফুল গেঞ্জি গায়ে ছিল। তবে তা পা খালি ছিল। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরী করা হচ্ছিল। তার শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন আছে কি না তা সনাক্তসহ ময়না তদন্তের জন্য বাগেরহাটের মর্গে প্রেরণ করা হবে বলে জানানো হয়। লাশটি গ্রহণের বিষয়টি নৌ পুলিশের ওসি শরিফুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন। রামপাল থানার ওসি মোহাম্মদ সামসুদ্দীন জানান, জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় এর অনুমতিক্রমে লাশের পরিচয় সনাক্ত ও কি কারণে মারা গেছে সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ গত ২৪ জানুয়ারি রোমজাইপুর গ্রামের নদীর চর থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছিল রামপাল থানা পুলিশ। পরে তার পরিচয় সনাক্ত করে রামপাল থানা পুলিশ।

সাংবাদিক স্ত্রী ও সন্তানকে লাঞ্চিত// কচুয়া প্রেসক্লাবের নেত্রীবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ

কচুয়া, বাগেরহাট প্রতিনিধি॥

চিতলমারীর সাংবাদিক কপিল ঘোষের স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে লাঞ্চিত করার ঘটনায় কচুয়া প্রেসক্লাবের নেত্রীবৃন্দ তিব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

এ লাঞ্চিতের ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন, প্রেসক্লাবের সভাপতি খোন্দকার নিয়াজ ইকবাল,সহ-সভাপতি পাইক সমীর বরণ,সাধারন সম্পাদক কাজী সাইদুজ্জামান সাইদ,যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক শুভংকর দাস বাচ্চু,অর্থ সম্পাদক রথীন্দ্র নাথ সাহা, নির্বাহী সদস্য তুষার কান্তি রায় রনি, সুপার্থ কুমার মন্ডল, খান সুমন, প্রদ্যুৎ কুমার মন্ডল। সদস্য নকীব মিজানুর রহমান,আজমির আলম খান, শহীদুল ইসলাম খোকন, রুম্মান। সাংবাদিক কপিল ঘোষ দৈনিক কালের কন্ঠ’র চিতলমারী ও কচুয়া উপজেলা প্রতিনিধি।

চিতলমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মোহন আলী বিশ্বাস শনিবার রাত ৮টার দিকে সাংবাদিক কপিল ঘোষের স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে ফোন দিয়ে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে অশ্লীন ভাষায় গালিগালাজ ও লাঞ্চিত করে।

বাগেরহাটের রামপালে বৃদ্ধ’র জমি দখল চেষ্টার অভিযোগ

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

রামপালের ভাগা গ্রামের ৭০ বছরের নৃপেন্দ্রনাথ পাল নামের এক বৃদ্ধ জমির দখলমুক্ত চেয়ে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ধর্ণা দিয়েও প্রতিকার মিলছে না।

প্রভাবশালী একটি চক্রের ছত্রছায়ায় থাকা জাফর শেখ নামের এক ব্যক্তি মাছ ও মৎস্য চাষের কথা বলে জমি লিজ নেয়। ভাগা মৌজার ৩১৫ খতিয়ানের ৯০৭ দাগের ৮৮ শতক জমির কিছু অংশে বাসা করে সে ঘের পাহারা দিতো। কথা ছিল সে দুই বছর ঘের করবে। এরপর ওই জমির মালিক কৃপেন্দ্রনাথ তার জমি মাটি দিয়ে ভরাট করেন। জমিতে থাকা জাফরকে জমি ছেড়ে দিতে বললে সে আর জমি ছাড়তে চাইছে না।

জমি দখলে নিতে জাফর হিন্দু ওই পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দিচ্ছে বলে তারা অভিযোগ করেন। বাধ্য হয়ে জমির মালিক জমির দখল মুক্ত করতে বাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপারের বরাবর আবেদন করেছেন। গত ইংরেজি ১৩ আগষ্ট আবেদন করার পরেও প্রতিকার না পাওয়ায় ন্যায়সংগত অধিকার থেকে তিনি বঞ্চিত হচ্ছেন। তিনি বাগেরহাট জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপারের আশু সমাধান কামনা করেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত জাফর শেখের সাথে কথা বলার জন্য ওই বাসায় গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি, তবে তার স্ত্রী বলেন তাদের জমি না, এটা নৃপেন বাবুর জমি। আমাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে আমাদের থাকতে দিয়েছে। এ বিষয়টি অস্বীকার করে বৃদ্ধ নৃপেন্দ্রনাথ বলেন ওরা অসত্য কথা বলে আমার জমি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। আমি কোন প্রতিকার চেয়ে প্রতিকার পাচ্ছি না।

বইমেলায় বোমা হামলার হুমকির চিঠি

//অনলাইন নিউজ ডেস্ক//

বইমেলায় বোমা হামলার হুমকি দিয়ে চিঠি দেওয়ার ঘটনায় বাংলা একাডেমি এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

শুক্রবার সকালে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও বইমেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ডগ স্কোয়াড নিয়ে বিশেষ এ অভিযান চালায় পুলিশ।

ডিএমপি সূত্রে জানা যায়, নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের নামে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদার কাছে একুশে বইমেলায় বোমা হামলার হুমকিসংবলিত চিঠি আসে।

উড়োচিঠিতে এ হুমকি দেওয়া হলেও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার মো. শহীদুল্লাহ বলেন, এ ঘটনায় বাংলা একাডেমির পক্ষ থেকে অভিযোগ আসার পর শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। আমরা বিষয়টি অত্যধিক গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি।

মো. সাইফুল ইসলাম নামের স্বাক্ষরে বুধবার ওই উড়োচিঠি পাঠানো হয়। তাতে বইমেলায় বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে।

বোমা হামলার হুমকির বিষয়টি বেশ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রতিটি কোনায় ডগ স্কোয়াড দিয়ে চিরুনি অভিযান চালানো হয়।

বাংলা একাডেমির নিরাপত্তা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, অতীতে এ ধরনের জঙ্গি সংগঠনগুলো দেশে বেশ কিছু নাশকতা চালিয়েছে। তাই জঙ্গিদের হুমকি নিয়ে আমরা আতঙ্কিত।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদার কাছে এ চিঠি পৌঁছায়। মাওলানা সাইফুল ইসলাম নামের এতে স্বাক্ষর রয়েছে। এ ঘটনায় গতকালই শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন বাংলা একাডেমির নিরাপত্তা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম।

১ ফেব্রুয়ারি বইমেলা শুরুর আগে নিরাপত্তা ব্রিফিংয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক জানিয়েছিলেন, মেলায় জঙ্গি হামলার শঙ্কা নেই। তবে সব কিছু মাথায় রেখেই নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যেই জঙ্গি সংগঠনের নামে বইমেলায় বোমা হামলার হুমকি দিয়ে চিঠি এলো।

পুলিশ সূত্র বলছে, ২০ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর খিলগাঁও থেকে ওই চিঠি পোস্ট করা হয়।

হাতে লেখা ওই চিঠিতে বলা হয়, রাজধানীর কয়েকটি হোটেলে দেহব্যবসা বন্ধে পুলিশ বরাবর আবেদন করা হলেও তারা ব্যবস্থা নেয়নি। তাই তারা পাকিস্তানের করাচি পুলিশ সদর দপ্তরের মতো বাংলাদেশের পুলিশ সদর দপ্তরে বোমা মেরে পুলিশ হত্যা করতে চায়। এর জন্য সুযোগের অপেক্ষায় আছে তারা। পুলিশ ওই দেহব্যবসা বন্ধ না করলে বাংলা একাডেমি আয়োজিত বইমেলায় বোমা মেরে বইপ্রেমীদের হত্যা করা হবে। কারণ হিসেবে চিঠিতে বলা হয়েছে, বইপ্রেমীরা দেহব্যবসার বিরুদ্ধে কিছু লেখেনি। ওই চিঠির নিচে স্বরাষ্ট্র সচিব ও আইজিপিকে অনুলিপি দেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়। তাতে সাইফুল ইসলাম নামের ব্যক্তির স্বাক্ষরের পর আনসার আল ইসলাম ও বাংলাদেশ জেএমবি লেখা রয়েছে। সূত্র: যুগান্তর

 

বাগেরহাটের ফকিরহাটে ট্রাকের চাপায় -মোটরসাইকেলের ২ বন্ধু নিহত

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার চেয়াম্যানবাড়ী মোড়ে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ বন্ধু ঘটনাস্থলে নিহত হয়েছেন।

বুধবার বিকালে বাগেরহাট-ঢাকা জাতীয় মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, ফকিরহাট উপজেলার কাকডাংগা গ্রামের মোহর আলী সরদারের ছেলে সাদিক সরদার (২৫) এবং একই গ্রামের আজাহার আলী সরদারের ছেলে সাকিব সরদার (২৩)।

দুই বন্ধু একটি মোটরসাইকেলে করে ফকিরহাট উপজেলা সদর থেকে ফলতিতা বাজারে যাওয়ার পথে পিছন দিক থেকে আসা একটি ট্রাক তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। ঘাতক ট্রাকটি পালিয়ে গেছে।

ফকিরহাট থানার ওসি মো. আলিমুজ্জান জানান, বাগেরহাট-ঢাকা জাতীয় মহাসড়কের চেয়ারম্যানবাড়ী মোড়ে অজ্ঞাত একটি ট্রাক মোটরসাইকেলটি চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে আরোহী দুই বন্ধুর মৃত্যুু হয়।

পুলিশ লাশ দুটি উদ্ধার করে আইনী প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘাতক ট্রাকটি শনাক্ত করে আটকের চেষ্টা চলছে।

অভয়নগরে গাছের ডাল মাথায় পড়ে এক শ্রমিকের মৃত্যু

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍//

যশোরের অভয়নগরে গাছের ডাল মাথায় পড়ে সালাউদ্দিন লস্কর (৫৭) নামে এক গাছকাটা শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার শ্রীধরপুর ইউনিয়নের পাথালিয়া গ্রামে সুনীল কুমারের বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত সালাউদ্দিন লস্কর উপজেলার শ্রীধরপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেন লস্করের ছেলে। তিনি এলাকায় গাছকাটা শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০ টার দিকে সুনীল কুমারের বাড়ি সংলগ্ন পুকুর পাড়ে দুই শ্রমিক একটি শিরিষ গাছের ডাল কাটার কাজ করছিল। একজন শ্রমিক ডাল কাঁটছিলেন এবং অপর শ্রমিক সালাউদ্দিন লস্কর নিচে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

অভয়নগরে গাছের ডাল মাথায় পড়ে এক শ্রমিকের মৃত্যু

এসময় গাছের কাটা ডাল নিচে পড়লে তার একটি অংশ ছিটকে গিয়ে সালাউদ্দিনের মাথা লাগে। উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পূর্বে তার মৃত্যু হয়। নিহতের বড় ছেলে শামীম হোসেন জানান, তার বাবা গাছকাটা শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। গাছের ডাল মাথায় পড়ে তার বাবার মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনায় মৃত্যু হওয়ায় তিনি কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ করবেন না।

এ ব্যাপারে অভয়নগর থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) মিলন কুমার ম-ল জানান, গাছের ডাল মাথায় পড়ে সালাউদ্দিন লস্কর নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।