মেয়ে মরিয়মই  ‘রহিমা বেগম অপহরণ নাটকের মাস্টারমাইন্ড

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

আলোচিত খুলনার রহিমা বেগম অপহরণ নাটকের মাস্টারমাইন্ড ছিল তার মেয়ে মরিয়ম মান্নান। তদন্ত শেষে আজ সকালে এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন মহানগর হাকিম আদালতে দাখিল করা হয়েছে।

সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) খুলনার পুলিশ সুপার সৈয়দ মুশফিকুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছে।

মুশফিকুর রহমান জানান, অপহরণ নয়, জমি সংক্রান্ত বিরোধে প্রতিবেশীদের ফাঁসাতে মরিয়ম মান্নানের নেতৃত্বে রহিমা বেগম অপহরণ নাটক সাজানো হয়।

মেয়ে মরিয়মই  ‘রহিমা বেগম অপহরণ নাটকের মাস্টারমাইন্ড

তদন্ত প্রতিবেদনে মরিয়ম মান্নান, তার মা রহিমা বেগম ও মামলার বাদী ছোট বোন আদুরী আক্তারের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে ওই মামলায় ফাঁসানো আসামিদের।

মুশফিকুর রহমান বলেন, মরিয়ম মান্নানের মা রহিমা বেগম যে রাতে নিখোঁজ হয়েছিলেন, সেদিন বিকেলে মাকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে এক হাজার টাকা পাঠিয়েছিলেন মরিয়ম মান্নান। এর ২০ থেকে ২৫ দিন আগে ঢাকায় গিয়ে মরিয়ম মান্নানের বাড়িতে কয়েক দিন থেকেও এসেছিলেন রহিমা বেগম।

এর আগে গত ২৭ আগস্ট রাত সাড়ে ১০টার দিকে পানি আনতে বাড়ি থেকে নিচে নামেন রাহিমা বেগম (৫২)। এরপর আর বাসায় ফেরেননি। খোঁজ নিতে গিয়ে সন্তানরা মায়ের ব্যবহৃত জুতা, গায়ের ওড়না ও কলস রাস্তার ওপর পড়ে থাকতে দেখেন। রাতে সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজ নিয়েও তার সন্ধান মেলেনি। এরপর সাধারণ ডায়েরি ও পরে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে দৌলতপুর থানায় মামলা করেন তার সন্তানরা। এ মামলা তদন্তকালে পুলিশ ও র‌্যাব ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছয়জনকে আটক করে।

নিখোঁজের ২৮ দিন পর ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে ফরিদুরের বোয়ালমারীর সৈয়দপুর গ্রামের একটি বাড়ি থেকে রহিমাকে উদ্ধার করে পুলিশ।

অভয়নগরে মৎস্য ঘের থেকে মাছ চুরির সময় হাতে নাতে আটক গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍//

অভয়নগরে মৎস্য ঘের থেকে মাছ চুরির সময় ওলিয়ার রহমান (৪০) নামের এক পেশাদার চোরকে হাতেনাতে ধরে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী। ঘটনাটি ঘটেছে রোববার (১২ফেব্রুয়ারি) উপজেলার ধোপাদী গ্রামের বিলে। সে ধোপাদী গ্রামের মৃত হামিদ সরদারের ছেলে। জানা যায়, সম্প্রতি ধোপাদী বিলের মৎস্য ঘের মালিক ফরিদ উদ্দিন ফকিরের ঘের ও তার আশেপাশের ঘের থেকে মাছ চুরি ঘটনা ঘটেছিলো।

তারই পরিপ্রেক্ষিতে  শনিবার রাত থেকে এক‌ই গ্ৰামের চারজন  সারারাত ঘের পাহারা দেয়। ভোর রাতে কারেন্ট জালের সাহায্যে মাছ ধরার সময় হাতেনাতে ধরে ফেলে ঘের মালিক ফরিদ।  ঘটনা জানাজানি হলে ওই চোরকে গণধোলায় দিয়ে থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করে এলাকাবাসী।

খোঁজ নিয়ে জানা যায় ২ মাস আগেও একই বিলের আক্তারুজ্জামান তরফদারের ঘেরের মাছ চুরির অভিযোগে থানায় শালিশী বৈঠক বসে এবং সে মুচলেকা দিয়ে সেই বারের মত রক্ষা পায়। এছাড়াও ২ বছর আগে আমিনুর এর ঘের থেকে মাছ চুরির দায়ে মামলার আসামী হয় ফরিদ। ঘের মালিক তরফদার নাজির উদ্দিন বলেন, সে একজন পেশাদার চোর।

এরআগে বহুবার সে মাছ চুরি করে ধরা পড়েছে। কিছুদিন আগেও আমাদের ঘের থেকে নেট কেটে মাছ চুরি করেছে।এব্যাপারে জানতে চাইলে অভয়নগর থানার ওসি (তদন্ত) মিলন কুমার মন্ডল জানান, ফরিদ নামের একজনকে মাছ চুরির অভিযোগে আটক করা হয়েছে। আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

সাংবাদিক হেনস্তায় বিএমএসএস ও আমতলী অনলাইন প্রেস ক্লাবের তীব্র নিন্দা

//সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি//

রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় শিক্ষার্থীদের মারধরের ছবি ও ভিডিও ধারণ করায় এক সাংবাদিককে পুলিশ কর্তৃক হেনস্তা করার ঘটনায় অনলাইন প্রেস ক্লাব (ওপিসি) আমতলীর নেতৃবৃন্দ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

রোববার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

এসময় ওই সাংবাদিককে ধরে গাড়িতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে পুলিশ। এ সময় সাংবাদিকরা বাধা দিলে তাকে তোপের মুখে ছেড়ে দেন পুলিশ সদস্যরা।

প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিক লতিফ রানা জানান,ভুক্তভোগী ঢাকা মেইলের অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক খলিলুর রহমান স্টালিন পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সংবাদ সম্মেলন শেষে বের হচ্ছিলেন। ওই সময় পুলিশ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে মারধর করে গাড়িতে তুলছিল। পেশাগত দায়িত্বের অংশ হিসেবে খলিল মোবাইল ফোনে এ ঘটনার ছবি তুলছিলেন এবং ভিডিও ধারণ করছিলেন। এসময় পেছন থেকে এক পুলিশ সদস্য তার গলা ধরে আইডি কার্ড ও মোবাইল কেড়ে নেন।
তিনি জানান,খলিল নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিলেও সেই পুলিশ সদস্য কোনো কথা না শুনে তাকে গাড়িতে তোলেন। খলিলকে গাড়িতে তোলার সময় সংবাদ সম্মেলন শেষে সেই রাস্তা ধরে যাচ্ছিলেন একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের বিশেষ প্রতিনিধি এনামুল কবীর রূপম। তখন তিনি পুলিশকে বাধা দেন। পরে খলিলকে ধরে নিয়ে যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে তোপের মুখে পড়েন পুলিশ সদস্যরা। অবস্থা বেগতিক দেখে দ্রুত সটকে পড়েন তারা।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক খলিলুর রহমান জানান,পুলিশকে পরিচয় দেওয়ার পরও তারা শোনেনি। তাকে কলার ধরে মারধরের পর জোর করে গাড়িতে তোলা হয়। ওই সময় দুই সিনিয়র সাংবাদিকের হস্তক্ষেপে তিনি মুক্ত হন।
এ বিষয়ে ধানমন্ডি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকরাম আলী মিয়া বলেন, আমি এখনো বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নই। ঘটনা জেনে সতত্যা প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাংবাদিক এর উপর এমন ঘটনায় বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি (বিএমএসএস) এর পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা-প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান খন্দকার আছিফুর রহমান, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মল্লিক, মহাসচিব মো: সুমন সরদার,যুগ্ন মহাসচিব সাইফুল্লাহ নাসির এবং বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলা অনলাইন প্রেস ক্লাবের সভাপতি খান মোঃ সাইফ উদ দৌলা ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ রনি মল্লিক সহ আমতলী অনলাইন প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দ এ ঘটনার সাথে জড়িত সংশ্লিষ্ট থানার এসআই এর বিষয়ে তদন্তপূর্বক বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।

হরিপুরে পরীক্ষায় ফেল করায় গলায় ফাঁস দিয়ে কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা

মাহাবুব আলম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ।

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ওড়না প‍্যাচিয়ে  আরফিন খাতুন (১৭) নামে এক কলেজ ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে।

আরফিন খাতুন উপজেলার গেদুড়া ইউনিয়নের উত্তর আটঘরিয়া গ্রামের জাবেদ আলীর মেয়ে।

আরফিন খাতুন ধর্মগড় ডিকে কলেজের ছাত্রী ছিল।

আজ বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াই টার দিকে বাড়ির লোকজনের অগোচরে নিজ বসত বাড়ীর শোয়ন ঘরের বাঁশের সাথে ওড়না প‍্যাচিয়ে  আত্মহত্যা করে।

নিহত ছাত্রীর পিতা জাবেদ আলী জানান, তার মেয়ে এইবার এইচ এসসি ফাইনাল পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে। আজ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হয়৷ পরীক্ষায় অকৃতকার্য হলে, সবার অগোচরে শোয়ন ঘরের বাঁশের সাথে গলায় ওড়না প্যাচিয়ে আত্নহত্যা করে৷

হরিপুর  থানার অফিসার ইনর্চাজ তাজুল ইসলাম জানান, ওসি তদন্ত আনোয়ারুল ইসলামকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব‍্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ইন্তেকাল করলেন এমপি আব্দুস সালাম মূশের্দীর বোন- সম্পন্ন হলো দাফন

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনা-৪আসনের সংসদ সদস‍্য আব্দুস সালাম মূশের্দীর বড় বোন মোছা: নুরুনাহার বেগম(৭৫) সোমবার রাতে  ঢাকার খিলগাঁও নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন। (ইন্নালিল্লাহি——–রাজিউন)।

মরহুমের জানাযার নামাজ  সোমবার রূপসার নৈহাটি মাধ‍্যমিক বিদ‍্যালয় মাঠে  আসর বাদ অনুষ্ঠিত হয়।

জানাযা নামাজে উপস্থিত ছিলেন  জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি  ও জেলা পরিষদ চেয়ারম‍্যান আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশিদ,  সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, এমপি আব্দুস সালাম মূশের্দী, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এ‍্যাড: এম এম মুজিবুর রহমান, নিমাই চন্দ্র রায়, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শরফুদ্দীন বিশ্বাস বাচ্চু, কামরুজ্জামান জামাল, রূপসা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম‍্যান কামাল উদ্দীন বাদশা, দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি খান নজরুল ইসলাম, তেরখাদা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ শহিদুল ইসলাম, সরকারি কমিশনার ভূমি মোঃ সাজ্জাদ হোসেন,

থানা অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, কৃষি কর্মকর্তা মো: ফরিদুজ্জামান, আইসিটি কর্মকর্তা রেজাউল করিম,

উপজেলা প্রকৌশলী   এস এম ওয়াহিদুজ্জামান, সহকারী মাধ‍্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, জেলা কৃষকলীগের সভাপতি ইউপি চেয়ারম‍্যান অধ‍্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফ ম আব্দুস সালাম, জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, সাবেক সদস‍্য আ:মজিদ ফকির, তেরখাদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এফ এ অহিদুজ্জামান,সাধারণ সম্পাদক কে আলমগীর হোসেন, রূপসা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার আবুল কাশেম ডাবলু,  দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোল্লা আকরাম হোসেন, জাতীয় ক্রীড়া ব‍্যক্তীত্ব মিস্টার বাংলাদেশ আজাদ আবুল কালাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু,  আরিফুর রহমান মোল্লা জনাব আলী শেখ,  আইয়ুব মল্লিক বাবু,শাহজাহান কবীর প‍্যারিস, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো:  মোতালেব হোসেন,

ভাইস চেয়ারম‍্যান মো: শারাফাত হোসেন মুক্তি, রূপসা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল  ইসলাম,  তেরখাদা উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক রাজা মিয়া,ইউপি চেয়ারম‍্যান মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, মো:জাহাঙ্গীর  শেখ, কামাল হোসেন বুলবুল,শেখ বুলবুল আহমেদ, মফিজুল ইসলাম ঠান্ডু,মহাসিন শেখ,  ইসহাক সরদার, গাজী জিয়াউর রহমান, আকতার হোসেন খান, জেলা যুবলীগের সভাপতি চৌধুরী রায়হান ফরিদ, সাধারণ সম্পাদক মো:মাহফুজুর রহমান,

জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শেখ মোঃ আবু হানিফ, সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান রাসেল, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পারভেজ হাওলাদার সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন,  ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সস্পাদক এস এম হাবিব,  এমডি রকিব উদ্দীন, স ম জাহাঙ্গীর, আকতার ফারুক,   গাজী মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ,  আ: গফুর খান, আসাদুজ্জামান খান রিয়াজ, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এবিএম কামরুজ্জামান,  মনিরুল ইসলাম, রুহুল আমি রবি, আব্দুল মান্নান শেখ, মো: নুরুজ্জামান, হারুন মোল্লা, বাছিতুল হাবিব প্রিন্স, আনিছুর রহমান, এমপির প্রধান সমন্বয়কারী যুবলীগ নেতা নোমান ওসমানী রিচি, ইউপি সদস‍্য আনিছুর রহমান মিঠু, ওয়াহিদুজ্জামান মিন্টু,  আলমগীর হোসেন শ্রাবন।,মনিরুল ইসলাম বুলু,  মনিরুল ইসলাম,  ইনতাজ মোল্লা, চয়নিকা খান, খায়রুনাচ্ছা বেবী, মাহমুদা বেগম, আইরিন বেগম, শেখ মাসুম, কামরুজ্জামান সোহেল, আরিফুজ্জামান অরুন, আজমল শেখ, মো: ইলিয়াজ শেখ,শেখ আসাদুজ্জামান, সাইফুল ইসলাম, নাজির শেখ, মামুন শেখ, ফরিদ শেখ, মামুন শেখ,মানিক,

যুবলীগ নেতা সামসুল আলম বাবু, মো: মঈন উদ্দীন, আবদুল্লা আল মামুন, বাদশা মিয়া, সরদার জসিম উদ্দীন,  হাবিবুর রহমান তারেক,তারেক আজিজ, আবুল কালাম আজাদ,  সাইফুল ইসলাম শাওন, সোহরাব হোসেন, জামিল মোরশেদ মাসুম, ইমন গাজী, মুছা মোল্লা সবুজ, আনিচুর রহমান মাসুম,ছাত্রলীগের হিমেল, রিয়াজ, কাজল, অঞ্জন, শেখ রাসেলসহ অনেকেই।

জানাযা নামাজে ইমামতি করেনমাওলানা আ: আওয়াল এছাড়া আরো  উপস্থিত ছিলেন  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কোহিনুর জাহান,  এমপি পত্নী শারমিন সালাম, ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, নাজমা খান,  চঞ্চল মিত্র, রিনা পারভিন, আজিজা সুলতানা,  আকলিমা খাতুন তুলি,  শারমিন সুলতানা রুনা, সুব্রত বাগচী, মাধরী সরকার,  মমতা হেনা জোসনা, জেসমিন বেগমসহ অসংখ‍্য নেতৃবৃন্দ।

যশোর মেডিকেল কলেজ হোষ্টেল এখন টর্চার সেল

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍ঃ//

:যশোর মেডিকেল কলেজে হোস্টেল এখন টর্চার সেলে পরিনত হয়েছে। কিছু নামধারী ছাত্র এই সেলে মূল হোতা। তাদের নির্যাতনে কয়েক শিক্ষার্থী পড়ালেখা বাদ দিয়ে কলেজ ত্যাগ করেছেন। আবার কেউ কেউ মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছেন। যাদের নির্যাতনে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে তারা এখনো বীর দর্পে কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। অথচ কলেজ কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে নীরব ভূমিকা পালন করে আসছেন । এদিকে, ইন্টার্ন চিকিৎসক জাকির হোসেনকে মারপিট করে গুরুতর জখমের পর তিন দিন পার হলেও এখনো পর্যন্ত তদন্ত শুরু হয়নি। যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আহতসহ অন্যান্য শিক্ষার্থীরা।

এদিকে, জাকির হোসেনের মারপিটের খবর জানাজানি হওয়ার পর বেরিয়ে আসছে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযোগ করা হচ্ছে, কলেজ হোস্টেলে কেবল মাদক সেবন করা হয় না সেখানে তৈরি করা হয়েছে অঘোষিত টর্চার সেল। বিভিন্ন সময় শিক্ষার্থীদের ধরে নিয়ে হোস্টেলের ১০৪ নম্বর রুমে মারপিট করা হয় বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ওই রুমে এর আগেও অনেক শিক্ষার্থীকে অমানসিক নির্যাতন করা হয়েছে। অনেকে নির্যাতনের ভয়ে পড়ালেখা ছেড়ে পালিয়ে গেছে। আবার কেউ মানসিক রোগী হয়ে হাসপাতালে দিনের পর দিন থাকতে হয়েছে। মেডিকেল কলেজে পুলিশ পাহারা থাকার পরও এসব কর্মকান্ড অব্যাহত রযেছে। শক্তিশালী একটি সিন্ডিকেট এসব কর্মকান্ডের সাথে জড়িত বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন। সিন্ডিকেট সদস্যদের বিরুদ্ধে কথা বললেই টর্চার সেলে নিয়ে চলে রাতভর নির্যাতন। অথচ যারা টর্চারের সাথে জড়িত রয়েছে তারাই নীতিমালা অনুযায়ী, হোস্টেলে থাকতে পারেন না। তারা কোনো ধরনের নির্দেশনাকে তোয়াক্কা না করেই চালাচ্ছে এ ধরনের কর্মকান্ড। বর্তমানে পুরো হোস্টেলে টর্চার আতঙ্ক বিরাজ করছে। এসব কারণে যশোর মেডিকেল কলেজ বিমুখ হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। এ বিষয়ে এখনই পদক্ষেপ না নিলে অবস্থা আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি ইন্টার্ন চিকিৎসক জাকির হোসেন বলেন, তদন্ত কমিটির কেউই এখনো পর্যন্ত তার কাছে আসেননি। বিষয়টি নিয়ে তিনি চরম আতঙ্কে রয়েছেন। জাকির বলেন, ইন্টার্ন চিকিৎসক মেহেদী হাসান লিওন, সাকিব আহমেদ তানিমসহ আরও কয়েকজন তাকে দফায় দফায় মারপিট করেছেন। এমনকি তারা তাকে পানি পান পর্যন্ত করতে দেয়নি। এসব বিষয়ে আরও অন্তত ১০জন শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বললে তারা বলেন, দেড় বছর আগে সাব্বির হোসেন নামের এক শিক্ষার্থীকে ১০৪ নম্বর রুমে আটকে রেখে তিনদিন ধরে নির্যাতন করে একই সিন্ডিকেট। নির্যাতনে সাব্বির মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। এরপর তার পরিবারের লোকজন এসে তাকে যশোর থেকে নিয়ে মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে তাকে আর যশোরে পাঠায়নি তার পরিবার।
একই সিন্ডিকেট ফয়সাল নামের আরেক শিক্ষার্থীকে মারপিট করে গুরুতর আহত করে। এ ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন মহলে অভিযোগ দিয়েও কোনো লাভ হয়নি। কেবল সাব্বির কিংবা ফয়সাল না, এমন অনেক শিক্ষার্থীকে কারণে অকারণে ১০৪ নম্বর কক্ষে নিয়ে নির্যাতন চালানো হয়েছে।
সূত্র জানিয়েছে শামীম হোসেনের ইন্টার্ন শেষ হয়েছে ২০১৯ সালে। তিনি বর্তমানে একটি বেসরকারি হাসপাতালের অ্যানাটমি বিভাগে কর্মরত। তার ঘনিষ্ট সহযোগী ১০৪ নম্বর কক্ষে থাকা মেহেদী হাসান লিয়ন। ওই কক্ষেই তাদের মাদকের আড্ডা চলে। তাদের সাথে থাকেন ইন্টার্ন চিকিৎসক আব্দুর রহমান আকাশ, সাকিব আহমেদ তানিমসহ বহিরাগত অনেকেই।
সূত্র জানিয়েছে, তারা সবাই শাহাদত হোসেন রাসেলের অনুসারী। রাসেলের ইন্টার্ন শেষ হয়েছে ২০১৯ সালে। অথচ তিনিও হোস্টেলের ২০৪ নম্বর কক্ষটি দখল করে রেখেছেন।
এসব বিষয় দেখার দায়িত্ব হলসুপারের হলেও তিনি নিজেই দায়িত্ব পালন করতে পারেন না। কারণ সহকারী হলসুপার ফয়সাল কাদির শাওন প্রতিটি বিষয়ে তাকে বাধাগ্রস্ত করেন বলে সূত্রের দাবি। শাওনই মূলত ওই সিন্ডিকেটই আশ্রয় প্রশ্রয় দেন।
এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির প্রধান ডাক্তার এন.কে আলম জানান, তাকে যে প্রধান করা হয়েছে তা তিনি লোক মারফত জেনেছেন। লিখিতভাবে তাকে কিছুই জানানো হয়নি। এ কারণে তদন্ত শুরু হয়নি বলে তিনি নিশ্চিত করেন। তদন্ত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, হোস্টেল সুপার আজম সাকলাইন, সহকারী হোস্টেল সুপার ফয়সাল কাদির শাওন, শান্তনু বিশ্বাস ও প্রভাষক আলাউদ্দিন আল মামুন।
হোস্টেল সুপার আজম সাকলাইন বলেন, ইন্টার্ন শেষ হওয়া ওইসব শিক্ষার্থীকে বারবার হোস্টেল ত্যাগ করতে বললেও তারা শোনেন না। তার কাজে সহকারী হোস্টেল সুপার শাওন বাধাগ্রস্ত করেন কিনা জানতে চাইলে বলেন,‘যা হয়েছে আগে হয়েছে। এখন দেখা যাক কী হয়।’
সহকারী হোস্টেল সুপার ফয়সাল কাদির শাওন অভিযোগ অস্বীকার করেন। কথার এক পর্যায় তিনি নিজেকে হোস্টেল সুপার দাবি করেন। পরে বলেন, ‘মুখ ফসকে বলে ফেলেছি।’

এ বিষয়ে জানতে শাহাদত হোসেন রাসেলের কাছে জানতে একাধিকবার কল করলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।
মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাজাদ জাহান দিহান বলেন, এর আগেও একাধিক বার এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে পুলিশ ও কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দিয়েও কোনো লাভ হয়নি।
অধ্যক্ষ মহিদুর রহমান বলেন, এর আগে একজন শিক্ষার্থীর ওপর নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। তখন তাকে হোস্টেলে না থাকার জন্য পরামর্শ দেয়া হয়।

অভয়নগরে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে এক গৃহবধুর আত্মহত্যা

মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍ঃ

যশোরের অভয়নগরে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতন সইতে না পেরে এক গৃহবধূ ট্রেনের নীচে ঝাঁপদিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

জানা গেছে, বাবার সাথে মোবাইলে কথা বলতে বলতে শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে  উপজেলার রাজঘাট রেলক্রসিংয়ের পাশে খুলনাগামী বেতনা ট্রেনের নীচে ঝাঁপদিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। নিহত গৃহবধুর নাম সুমাইয়া বেগম (২২)। তিনি উপজেলার বাঘুটিয়া গ্রামের আলী হোসেন চুন্নির ছেলে রকি শেখের স্ত্রী এবং খুলনা জেলার ফুলতলা উপজেলার বেজেরডাঙা গ্রামের মহিরুল ইসলামের মেয়ে।

নিহতের পিতা মহিরুল ইসলাম বাবলু জানান, গত তিন বৎসর পুর্বে রকির সাথে সুমাইয়ার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর বিভিন্ন সময়ে আমার মেয়েকে যৌতুকের জন্য চাপ দেয়। আমি তাদের এক লক্ষ ৭০ হাজার টাকা দিয়েছি। তারপরও তারা আমার মেয়েকে পাশবিক নির্যাতন করতো। গত বছর গলায় ছুরি দিয়ে আমার মেয়েকে রকি মেরে ফেলতে গিয়েছিলো।

আমি সংবাদ পেয়ে মেয়েকে আমার বাড়িতে নিয়ে আসি এবং মামলা করি। পরে সুমাইয়ার শ্বশুরবাড়ির এলাকার লোকজন আমার বাড়ি এসে আলোচনা করে মামলা মিমাংসা করে মেয়েকে আবার নিয়ে যায়। এরপর থেকে ওর স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন  সুমাইয়ার  উপর নির্যাতন ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যেতে থাকে। নির্যাতন সইতে না পেরে সে ট্রেনে কেটে আত্মহত্যা করেছে।

তিনি আরো বলেন, সুমাইয়া আত্মহত্যার আগে আমার সাথে মোবাইলে কথা বলছিল। শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতনের কথা বলছিল। তখন প্রায় দুপুর বারটা বাজে। আমি তাকে মোবাইলে বারবার শান্ত হওয়ার অনুরোধ করছিলাম। সে আমাকে বলেছিলো বাবা তোমার নাতীকে দেখে রেখো। তখন মোবাইলে আমি ট্রেন আসার শব্দ শুনছিলাম। হঠাৎ একটি শব্দ শুনলাম। এরপর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। একটুপর জানতে পারি সে ট্রেনে ঝাঁপদিয়ে আত্মহত্যা করেছে । ন‌ওয়াপাড়া রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মাসুদ রানা নিশ্চিত করে বলেন, ট্রেনে কাটা পড়ে এক গৃহবধুর মৃত্যু হয়েছে ।রেল লাইন থেকে মরদেহের টুকরো টুকরো অংশ উদ্ধার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে  যশোর রেলওয়ের পুলিশ পরিদর্শক এসআই মিজানুর রহমান বলেন , ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছি । ময়নাতদন্তের জন্য যশোর সদরে পাঠানো হয়েছে ।

লাকসামে ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে রুবেলের কারাবাস

//লাকসামে, কুমিল্লা প্রতিনিধি//

কুমিল্লার লাকসাম পৌরসভার বাতাখালীতে রুবেল হোসেন নামের এক যুবক ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ মাথায় নিয়ে কারাগারের অন্ধকার প্রকোাষ্টে। দীর্ঘ ছয় মাস কারাভোগের পর প্রাথমিকভাবে জানা গেল সে নির্দোষ। ধর্ষণের অভিযোগ টি সাজানো ও পাতানো নাটক।কিন্তু এর মধ্যে রুবেলের সর্বশান্ত হওয়ার দফারফা শেষ।জেলেখাটার পাশাপাশি আর্থিক, সামাজিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে এখন পরিবারটি নিঃস্ব।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, উত্তরবঙ্গ থেকে লাকসাম এসে রিকশা চালাতে শুরু করে শরিফুল ইসলাম ওরফে টেঙ্গিয়া।একপর্যায়ে বিয়ে করেন ডুমুরিয়া গ্রামের শাহানারা আক্তার (বেজিকে)। তাদের প্রাপ্ত বয়স্ক ২ মেয়ে ১ ছেলে। বড় মেয়ে সাহিদা আক্তার দু’বার অবৈধ গর্ভবতী হলে সাতবাড়িয়া গ্রাম থেকে সমাজচ্যুত হন। ছোট মেয়ে মৃদু দৃষ্টি প্রতিবন্ধী আঁখির বিরুদ্ধেও এলাকাবাসীর নৈতিক শৃঙ্খলের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। রাত-বিরাতে যত্রতত্র ঘুরাঘুরি এই দুই কিশোরীর ওপেন সিক্রেট ব্যাপার। তাছাড়া তাদের ঘরে এলাকার ডজন খানেক বখাটে ও লম্পট চরিত্রের লোকজনের আনাগোনার জনশ্রুতি রয়েছে।
সম্প্রতি বড় বোনের পথ অনুসরণ করতে গিয়ে আঁখিও গর্ভবতী হয়ে পড়ে। এলাকার কতিপয় টাউট ও ধান্দাবাজ বিষয়টি পুঁজি করে পূর্বশত্রুতার জেরে রুবেলকে ফাঁসানোর ফাঁদ পাতে।গর্ভবতী আখিকে শেখানো হয় রুবেলের বিরুদ্ধে মনগড়া অভিযোগ দাখিলের। যাতে মুখ্য ভূমিকা পালন করে আখির মা শাহানারা আক্তার (বেজি)। মা বেজি নিজেই মামলার বাদী সাজে। লাকসাম থানায় ১৬ আগস্ট ২০২২ নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করে। আসামি করা হয় রুবেলকে। সেই সুত্রে চাক্ষুষ সাক্ষ্য প্রমান ছাড়াই অভিযোগের ভিত্তিতে এস আই আমিরুল ইসলাম অভিযুক্ত(?) রুবেলকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করে।
৩ মাস পর আখির ঘরে একটি কন্যা সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়।সন্তানের পিতৃত্বের পরিচয় শনাক্তের জন্য আদালত ডিএনএ টেস্টের নির্দেশ দেয়। সম্প্রতি টেস্ট রিপোর্টে রিপোর্ট নেগেটিভ আসে।আপাতত দৃষ্টিতে অভিযোগ থেকে নিষ্কৃতি পায় রুবেল। কিন্তু ছয় মাস মিথ্যা অভিযোগ নিয়ে কারাবাস ,হয়রানি ও আর্থিক ক্ষতি কি আদৌ রুবেলের পরিবারের পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব?
এখন প্রশ্ন উঠেছে আঁখির ঔরসজাত সন্তানের পিতৃত্বের পরিচয় নিয়ে। এলাকাবাসীর মতে আখিদের বাড়িতে যাতায়াতকারী হিসেবে ডুমুরিয়ার আবুল কাশেম, আঁখির নানা সুলতান ও আখির বাবা শরিফুল ইসলাম টেংগিয়ার ডিএনএ টেস্ট করলে প্রকৃত অপরাধীকে সনাক্তকরণে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যাবে

রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মেশিন চুরির কাজে ব্যবহৃত গাড়ি ড্রাইভারসহ ২জন গ্রেফতার

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি || বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কয়লা পরীক্ষার মেশিন চুরির কাজে ব্যবহৃত পিকআপ গাড়ির ড্রাইভারসহ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে রামপাল থানা পুলিশ। ইতিমধ্যে গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ঢাকার একটি বাসা থেকে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মেশিন উদ্ধারসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
আটককৃতরা হলো, শোলাকুড়া গ্রামের মৃত ইনতাজউদ্দীন হাওলাদারের পুত্র আবু তাহের (৪৬) ও চাকশ্রী গ্রামের হাওলাদার গিয়াসের পুত্র হাওলাদার সোহেল (২৭) কে শুক্রবার রাতে গ্রেফতার করেছে রামপাল থানা পুলিশ। উপজেলার ভাগা কামাল ফিলিং স্টেশনের পেছন থেকে একটি সাদা রংয়ের পিকআপ গাড়ীসহ তাদের আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা পূর্বে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ড্রাইভারীর কাজে নিয়োজিত ছিল।
আবু তাহের ও সহকারী ড্রাইভার সোহেল চাকরি ছেড়ে মোটর সাইকেল চালানোসহ আন্যান্য কাজ করে জীবিকা ধারন করত বলে জানা গেছে। পূর্বে গ্রেফতার ৪ জনই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিভিন্ন পদে কর্মরত ছিল।
রামপাল থানা পুলিশ তদন্তের সার্থে বিস্তারিত তথ্য না জানালেও একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, ওই চোর সিন্ডিকেটের গডফাদারদের চিহ্নিতসহ তাদের ধরার জন্য কাজ করছে রামপাল থানা পুলিশ।
এ বিষয়ে রামপাল থানা ওসি মোহাম্মদ সামসুদ্দীন চুরির কাজে ব্যবহৃত পিকআপ ও ২ ড্রাইভারকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ডুমুরিয়ায়  স্কুল কে জিম্মি করে মুক্তিপন দাবী শ্বাসরোধ করে।ঘটনার সাথে জড়িত ৫ জন কে গ্রেফতার

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব
ডুমুরিয়া, খুলনা//
খুলনার ডুমু‌রিয়া গুটু‌দিয়া মাধ‌্যমিক বিদ‌্যাল‌য়ের  এক ছাত্রকে কিশোরগ‍‍্যাং কর্তৃক  জিম্মি।  ৩০ লাখ টাকা চাঁদার দাবী। অতপর শ্বাস‌রোধ ক‌রে হত‌্যা।                                                                                          বৃহস্প‌তিবার দিবাগত রাত ১টার দি‌কে বিদ‍্যালয়ের একটি পরিত‍্যাক্ত কক্ষ থে‌কে   মর‌দেহ উদ্ধার ক‌রেছে পু‌লিশ। নিহত স্কুল ছাত্র  নিরব  মন্ডল (১২) গুটু‌দিয়ার পূর্ব পাড়া গ্রা‌মের শেখর মন্ড‌লের ছে‌লে।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও পু‌লিশ সূ‌ত্রে জানা যায়, বৃহস্প‌তিবার প্রতি‌দি‌নের ন‌্যায় নিরব  বা‌ড়ির পা‌শ্ববর্তী গুটু‌দিয়া মাধ‌্যমিক বিদ‌্যাল‌য়ে যায়।  স্কুল ছুটির  নি‌র্দিষ্ট সম‌য়ে বা‌ড়ি না ফেরায়  পরিবারের তাকে খোজাখু‌জি ক‌রে। এরপর বি‌কেল সা‌ড়ে ৪টার দি‌কে নির‌বের পিতা শেখ‌রের কা‌ছে একটি অজ্ঞাত পরিচয়ে  ফোন  ৩০ লাখ টাক‌া মু‌ক্তিপণ দা‌বি ক‌রে।   বিষয়টি নিরবের পিতা আত্নীয় স্বজনকে  জানান।    সন্ধ‍্যার দিকে  নিরবের  নিখোজ বিষয়ে  শেখর মন্ডল থানায়  একটি  জি‌ডি ক‌রেন।
এর থানা  পুলিশ ফোনের কল রেকড় এর সুত্র ধরে  একজনেকে সনাক্ত করে একে একে ঘটনার সাথে জড়িত সকলকে আটক করে। শুক্রবার সকালে নিহত নিরবের বাড়ি গেলে প্রতিবেশী ও পরিবারের লোকজনদের আজাহারি দেখা যায় । মা  সাথি রানী ছেলের মৃত‍্যুর খবরে বার বার মুচ্ছা যাচ্ছে।  কাকা রতন মন্ডল কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন আমার জেষ্ঠৈর কি অপরাধ ছিল। তোরা কেন মারলি এর মতো নরম ভদ্র ছেলে দেখা মেলেনা। প্রতিবেশীদের মুখে একই কথা।   স্কুলের প্রধান শিক্ষক শংকর মন্ডল বলেন বৃহস্পতিবার হাফ স্কুল ছিল। নিরব ক্লাস করেছে। স্কুল ছুটির পর ছেলে মেয়ের আনন্দ উল্লাস করে বাড়ি ফেরে। বিকেলে দিকে নিরবের বাবা আমাকে ফোন দিলে প্রতিবেশী ছাত্রদের বাড়িতে নিরবের খবর নেই। রাতে জানতে পারি স্কুলের পরিত‍্যাক্ত কক্ষে   পাওয়া গেছে। নিরব নিরহ প্রকৃতি।
ডুমু‌রিয়া থানার অ‌ফিসার ইনচার্জ সেখ ক‌নি মিয়া  বলেন  খবরটি পেয়ে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে ফোনের সুত্র ধরে দ্রুত সমযে ছাত্রের সন্ধান পাই। রাতেই লাশ উদ্ধার ক‌রে থানায় আনা হ‌য়ে‌ছে। এ ঘটনায় গুটুদিয়া গ্রামের মৃত‍্যু সৈয়েদ সরদারের পুত্র  স্কুলের ৯ ম শ্রেনীর ছাত্র সোহেল মোল্ল‍্যা, জেলেরডাঙ্গা গ্রামের পঙ্কজ মন্ডলের পুত্র ও ৯ ম শ্রেনীর ছাত্র পিতু মন্ডল, অনিমেশ মন্ডলের পুত্র পিয়াল মন্ডল, প্রকাশ রায়ের পুত্র হিরক মন্ডল,   ও ক্ষিতিষ মন্ডলের পুত্র দিপু মন্ডল কে আটক করা হ‌য়ে‌ছে।  এরা  সবাই কিশোর গ‍্যাং ক্রাইম প্রোট্টল দেখে উদ্ভদ্ধ হযে নিহত নিরবের পিতার কাছ থেকে অর্থ সম্পদের হাতিয়ে নেওয়া যাবে।  নিরবের পিতার কাছে ৩০ লাখ টাকা চাদা দাবী করে । নিহত নিরবের লাশ সুরোতহাল রিপোট তৈরী করে  খুলনা মেড়িকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে।  নিরবের মামা বিশ্বজিৎ বাদী হয়ে হত‍্যা মামলা দায়ের করেছে ।