রূপসায় ভ‍্যান চাপায় শিশু বিল্লাল নিহত

//রূপসা প্রতিনিধি//

রূপসায় সড়ক দূর্ঘটনায় বিল্লাল হোসেন ছয়  বছরের এক শিশু নিহত হয়েছে। সে জাকির হোসেনের পুত্র।

আজ বিকালে নৈহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর সামনে এঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানাযায়, রবিবার  ১৬অক্টোবর বিকাল ৫টার দিকে জাকির হোসেনের পুত্র বিল্লাল হোসেন ( ৬) নৈহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সম্মুখে রাস্তা পার হচ্ছিল।

এসময় উপজেলা সদরের দিক থেকে ছেড়ে আসা মাল বোঝায় ইজি ভ্যান শিশুটিকে  সজরে ধাক্কা দিলে শিশুটি ভ্যানের নিচে পড়ে মারাত্মক জখম হয়।

স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক  তাকে মৃত ঘোষণা করে । এলাকাবাসী ভ্যানটি আটক করলেও  চালক পালিয়ে যায়।

এব‍্যাপারে রূপসা থানার ডিউটি অফিসার দিপক কুমার বিশ্বাস বলেন, শুনেছি সড়ক দূর্ঘটনায় এক শিশু মারা গেছে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ করা হয়নি।

বরিশাল দপদপিয়া সড়ক দুর্ঘটনায় ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি নিহত

//পলাশ চন্দ্র দাস//

বরিশাল দপদপিয়া সড়ক দুর্ঘটনায় অসিম কুমার দাস (৫০) নামে এক ওষুধ কোম্পানির  প্রতিনিধি নিহত হয়েছেন।  রবিবার দুপুরে বরিশাল-পটুয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠি জেলার নলছিটির দপদপিয়া চৌমাথায় ঢাকাগামী একটি পরিবহণের চাপায় তিনি নিহত হন। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী একঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখে। পরে পুলিশ গিয়ে সড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক করে দেয়।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, অসিম কুমার দাস রেনস্ক নামে একটি ওষুধ কোম্পানির বরিশাল প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছিলেন। দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় তিনি একটি ফার্মেসিতে ওষুধের অর্ডার করে দুপুরে মোটরসাইকেলে সড়ক পারাপারের সময় ঢাকাগামী একটি পরিবহণ তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এ সময় স্থানীয়রা বরিশাল-পটুয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়ক একঘণ্টা অবরোধ করে রাখে। এতে সড়কের দুইপাশে যানবাহন আটকা পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বললে অবরোধ তুলে নেয় তাঁরা। নিহত অসিম কুমার দাসের বাড়ি যশোর জেলায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতাউর রহমান বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিবারের কাছে খবর পাঠানো হয়েছে। পরিবারের লোকজন আসলে লাশ হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান তিনি।

অভয়নগরে পৌর-কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে ১৪৪ধারা ভঙ্গের অভিযোগ

 //মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍//

অভয়নগরে নওয়াপাড়া পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তানভীর হোসেন তানু ওরফে তানু মীর বিরুদ্ধে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে জমি দখল চেষ্টা ও আদালতের আদেশ অমান্য করে জমির সীমানা ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। জমির মালিক সৈয়দ মাসুম বিল্লাহ জানান, আমাকে ও‌ মামলার স্বাক্ষীদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে তার‌ই বুনিয়াদে রবিবার (১৬ অক্টোবর) অভয়নগর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে নওয়াপাড়া পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের  মহাকাল মৌজায় মীরবাড়ী ঘাট সংলগ্নে । মামলার বাদী সৈয়দ মাসুম বিল্লাহ আরো জানায়, ‘পৌর কাউন্সিলর তানভীর হোসেন তানু ওরফে তানু মীর সম্পর্কে আমার চাচাতো ভাই হন। পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত অভয়নগরের মহাকাল মৌজায় জেএল-১৯, আরএস ৭৬৬ খতিয়ানে ২০৭৩ দাগে ২৬ শতক জমি রয়েছে। আমি স্বপরিবারের যশোর কোতয়ালী থানার চাঁচড়া বাজার এলাকায় বসবাস করার কারণে কাউন্সিলর তানু মীর আমার জমির উপর মালবাহী ট্রাক লোড-আনলোডের কাজ শুরু করেন। বিষযটি জানার পর আমি আমার জমিতে বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলি এবং বিজ্ঞ আদালতের স্মরণাপন্ন হলে গত ১২ অক্টোবর যশোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ওই জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করেন। যার স্মারক নং-২০৪২।

১২ অক্টোবর আদালতের জারি করা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে তার পরের দিন ১৩ অক্টোবর কাউন্সিলর তানু মীর ও তাঁর সহযোগীরা আমার জমিতে প্রবেশ করেন এবং বাঁশের বেড়া দেওয়া সীমানা ভেঙ্গে ফেলেন। এছাড়া (শনিবার)১৫ অক্টোবর ওই জমিতে আসলে আমাকেসহ স্বাক্ষীদের প্রাণনাশের হুমকি দেন। এ ব্যাপারে ১৬ অক্টোবর রবিবার আমি অভয়নগর থানায় কাউন্সিলর তানু মীরের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছি।’ এ ব্যাপারে পৌর কাউন্সিলর তানভীর হোসেন তানু ওরফে তানু মীর সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে। আইনের প্রতি আমি শ্রদ্ধাশীল। কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে আমাকে নিয়ে সৈয়দ মাসুম বিল্লাহসহ অন্যান্য আত্মিয়-স্বজনরা ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।

আদালতের জারি করা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ বা অন্যের জমি দখলের কোন প্রশ্নই ওঠে না।’ অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম শামীম হাসান বলেন, ‘বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক ১৪৪ ধারা জারির নির্দেশনা হাতে পেয়েছি। প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে মর্মে তানভীর হোসেন তানু ওরফে তানু মীরের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

Daily World News

যশোরের মামলাবাজ বহুলালোচিত আছমার হাত থেকে রেহাই পেতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

রূপসায় শ্বশুরবাড়ির লোকদের হামলায় একই পরিবারের ৩জন আহত

//মোঃ কুরবান, রূপসা প্রতিনিধিঃ//

রূপসায় শ্বশুরবাড়ির লোকদের নির্যাতনের শিকার হয়ে আহত অবস্থায় হাসপাতালে বেডে  গৃহবধূ তার স্বামী ও সন্তান।

এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন গৃহবধুর  ভাই শেখ আবু হানিফ।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,  উপজেলার ৩ নং নৈহাটি ইউনিয়নের ইলাইপুর গ্রামের মুমিনবাগ নামক এলাকায় কবির হোসেন তার স্ত্রীর রাবেয়া বেগম ও তাদের কন্যা বৃষ্টিকে নিয়ে বসবাস করে আসছিল। একই স্থানে ননদ ও শশুর বাড়ির লোকেরাও বসবাস করেন।

শশুর বাড়ি থেকে গৃহবধুকে তাড়িয়ে দেওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে রাবেয়া বেগমের উপর অত্যাচার করে আসছে তার ননদ ও শশুর বাড়ির লোকেরা।

গত ১৪ অক্টোবর বিকালে গৃহবধু রাবেয়ার বাড়িতে প্রবেশ করে শফিকুল ও জলিলের নেতৃত্বে ৫/৭ জন গৃহবধুর স্বামী কবির হোসেন স্ত্রী ও মেয়ে বৃষ্টিকে মারপিট করে আহত  করেন। এসময় তাদের  আহত অবস্থায় এলাকাবাসী তাদেরকে উদ্বার করে  রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এ ঘটনায় গৃহবধুর ভাই আবু হানিফ বাদী হয়ে রূপসা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ দায়েরের পর রুপসা থানার এসআই কামরুজ্জামান হাসপাতালে আহতদের দেখতে যান।

রাণীশংকৈলে শিশু মীমের মেরুদন্ড ভেঙে গেছে চিকিৎসার জন্য দরকার ৫ লক্ষ টাকা

মাহাবুব আলম , ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি।।

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার লেহেম্বা ইউনিয়নের গোগর সরকার পাড়া গ্রামের দিনমজুর সাদ্দাম হোসেনের ছেলে আড়াই বছরের শিশু মীম হোসেনের মেরুদন্ড দুর্ঘটনায় ভেঙে গেছে। এর উন্নত চিকিৎসার জন্য  দরকার প্রায় ৫ লাক্ষ টাকা । এজন্য তার অসহায় দিনমুজুর  বাবা আর্থিক সাহায্যের জন্য সবার কাছে আকুল আবেদন করেছেন।

শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে,  সাদ্দাম হোসেনের  ছেলে শিশু মীম প্রায় আড়াই বছর আগে জন্ম গ্রহন করে। তার ১ বছর বয়সের সময় একদিন হঠাৎ সে বাড়ির বারান্দা থেকে পড়ে যায়। এ দুর্ঘটনায়  তাঁর নরম মেরুদণ্ড ভেঙে যায়। তার বাবা নিজ উদ্যোগে স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে কিছু আর্থিক সাহায্য তুলে প্রায় ১ বছর  চিকিৎসা করান  এবং মীমকে ঢাকা পর্যন্ত নিয়ে যান। কিন্তু সে চিকিৎসায় কোনো ফল হয়নি। পরবর্তীতে মীমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ডাক্তার অপরাশনের কথা বলেন। এতে প্রায় ৫ লক্ষ টাকা লাগবে বলে ডাক্তার জানান। কিন্তু এত টাকা ব্যয় করা  গরিব সাদ্দামের পক্ষে কিছুতেই সম্ভব নয়। তাই তিনি একমাত্র ছেলেকে বাঁচাতে আর্থিক সাহায্যের জন্য সকলের দ্বারে দ্বারে ঘুরে আকুল আবেদন করছেন। পারসোনাল বিকাশ,০১৭৩৭৯০৬০৪৮ অথবা, ০১৩২১৩৩৯৮৯০

রামপালে আইন শৃঙ্খলা সভায় হৈ চৈ বাকবিতন্ডা

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি|| বাগেরহাটের রামপাল উপজেলা পরিষদের মাসিক আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় চেয়ারে বসা নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনও ও এক ইউপি চেয়ারম্যানের মধ্যে প্রায় ১০/১৫ মিনিট ধরে হৈচৈ বাকবিতন্ডা হয়েছে। এক পর্যায়ে ইউএনও নাজিবুল আলম আইন শৃঙ্খলা সভা মুলতবির ঘোষণা দেন। পরে এক ইউপি চেয়ারম্যানের অনুরাধে সভার কাজ পুনরায় শুরু হয়।

জানা গেছে উপজলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজিবুল আলমের সভাপতিত্বে বেলা ১১টায় উপজেলা সম্মেলন কক্ষে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান, নারী ভাইস চেয়ারম্যান ও বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের সমন্বয়ে সেপ্টম্বর /২০২২ মাসের আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা শুরু হয়। সভা শুরুর কয়েক মিনিট পরে উপজেলা চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জম হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল হক লিপন ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান হোসনেয়ারা মিলি সভা কক্ষে আসেন। এসেই তারা তাদের নির্দিষ্ট চেয়ার না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন ও উজলকুড় ইউপি চেয়ারম্যান মুন্সি বোরহান উদ্দিনের মধ্যে প্রথম কথা কাটাকাটি হয়। এসময় উপজেলা চেয়ারম্যান মোয়াজ্জম হোসেন ইউএনও নাজিবুল আলমের সাথেও বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ইউএনও এক পর্যায়ে আইন শৃঙ্খলা সভা মুলতবির ঘোষনা দেন। পরে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ ফকিরের অনুরোধে বেলা সাড়ে ১১ টায় পুনরায় সভার কাজ শুরু হয়।
এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান মুন্সি বোরহান উদ্দিন জেড বলেন চেয়ারম্যানদের জন্য নির্দিষ্ট চেয়ার না থাকায় আজকে এই সমস্যা তৈরী হয়েছে। উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউএনও স্যারের উচিত ছিল আগে থেকে আমাদের চেয়ারম্যানদের চেয়ারগুলা নির্দৃষ্ট করে রাখা। ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ ফকির বলেন আমি মিটিং এর শৃঙ্খলা যাতে নষ্ট না হয় এ জন্যে তাদেরকে অনুরোধ করে মিটিংয়ের পরিবেশ তৈরী করেছি। এ ধরনের শৃঙ্খলা পরিপন্থী পরিবেশ আমি আশা করিনি। উপজেলা চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন আমি কক্ষে ঢুকে দেখি ইউএনও স্যার মিটিং করছেন। আমার সাথে থাকা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হোসনে আরা মিলি চেয়ার না পাওয়ায় আমি প্রতিবাদ করেছি। এ নিয়ে সবাই আমার সাথে ইউএনও এবং ইউপি চেয়ারম্যান মুন্সি বোরহান উদ্দিনের সাথে কথা কাটাকাটি হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজিবুল আলম বলেন উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কখন পিছনে এসে দায়িয়েছেন তা আমি খেয়াল করিনি। পরে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানে বসা নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান সাহেবের সাথে আমার বেশ খানিকটা কথা কাটাকাটি হয়েছে। এ ছাড়া উপজেলা চেয়ারম্যানের সাথে ইউপি চেয়ারম্যান মুন্সি বোরহান উদ্দিন জেড এর সাথে ও কথা কাটাকাটি হয়েছে। এক পর্যায়ে আমি মিটিং স্থগিত করার কথা বলেছিলাম। এসময় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ ফকিরের অনুরোধ করলে পুনরায় মিটিংয়ের কাজ শুরু করি। আগামী মিটিং এ চেয়ারম্যান সাহবদের জন্য চেয়ার নির্দৃষ্ট করে রাখা হবে।

পায়রায় নিখোঁজ শিশু শ্রমিকের লাশ উদ্ধার

//সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলীতে ঢাকা টু আমতলী বাঁধন লঞ্চের কেন্টিন বয় শিশু শ্রমিক কাওসারের (১৩) পায়রা নদীতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে। আমতলী থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে।

স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, দুপুর আনুমানিক পৌনে ২টায় শতাব্দী বাধঁন লঞ্চের ২জন কেন্টিন বয় পায়রা নদীতে গোছর করতে নামে। সিয়াম গোছল করে উঠে এসে কাওসারকে দেখতে না পেয়ে লঞ্চ ষ্ট্যাফদের জানায়। তারা এ বিষয়ে তোয়াক্কা না করলে স্থানীয় লোকজন ৯৯৯ এর মাধ্যমে আমতলী ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। এরপর আমতলী ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা পটুয়াখালী থেকে ডুবুরী দল এনে বিকাল ৫টায় কাওসারের মৃত্যুদেহ উদ্ধার করে। কাওসারের লাশ আমতলী থানায় নেয়া হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা জানান, ৯৯৯ থেকে ফোন পেয়ে আমরা ঘটনা স্থলে যাই। ৪টায় পটুয়াখালী থেকে ডুবুরী দল এনে ৫টায় শিশু শ্রমিক কাওসারের মৃত্যুদেহ উদ্ধার করি।

বাঁধন লঞ্চের সুপার ভাইজার মোঃ সাকিব জানান, ঘটনা দুঃখ জনক। কাওসার আমাদের লঞ্চের ষ্ট্যাফ নয় সে কেন্টিনে কাজ করে শুনেছি। তাছারা সে লঞ্চ থেকে পানিতে পরেনি গোছল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে মারা গেছে।
আমতলী ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একেএম মিজানুর রহমান বলেন, বিকাল ৪টায় পটুয়াখালী থেকে ডুবুরী দল এসে ৫টার সময় শিশু শ্রমিক কাওসারের মৃত্যুদেহ উদ্ধার করেন। লাশ আমতলী থানায় আনা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কাওসারের কোন পরিচয় পাওয়া যায়নি। তার কোন পরিচয় না পাওয়া গেলে আঞ্জুমান মফিদুল এ পাঠানো হবে।

 

অভয়নগরে সড়ক দুর্ঘটনায় এক ব্যক্তির মূত্যু

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍//

যশোরের অভয়নগরে প্রাইভেটের চাপায় সবজি বিক্রেতা সন্যাশী কুমার(৫৬) নামক এক ব্যক্তির মূত্যু হয়েছে।  ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার প্রেমবাগ এলাকায়। জানাগেছে, যশোরগামী প্রাইভেট কারটি বসুন্দিয়া থেকে ভ্যান যোগে সবজি বিক্রেতা উপজেলার প্রেমবাগ নিটল টাটার কাছে পৌছালে তাকে চাপা দেয়।

এতে সে মারাক্তক আহত হন। পরে স্থানীরা উদ্ধার করে সবজি বিক্রেতা সন্যাশী কুমারকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এরপর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। সবজি বিক্রেতা সন্যাশী কুমার অভয়নগর উপজেলা রাজাপুর গ্রামের নলীনের ছেলে। তার মৃত্যু কালে স্ত্রী ও দুই ছেলে সন্তান রয়েছে।

প্রত্যাক্ষদর্শিরা জানান, যশোরগামী প্রাইভেট কারটি বসুন্দিয়া থেকে ভ্যান যোগে সবজি বিক্রেতা উপজেলার প্রেমবাগ নিটল টাটার কাছে পৌছালে প্রাইভেট কারটি তাকে চাপা দেয় । বিকট শব্দ শুনে আমরা ঘটনা স্থলে ছুটে আসি এবং নওয়াপাড়া হাইওয়ে থানা পুলিশকে খবর দিলে, পুলিশ এসে প্রাইভেটকারটি আটক করেন। এ বিষয়ে নওয়াপাড়া হাইওয়ে থানার ওসি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আমরা দূর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে থাকা দূর্ঘটনা কবলিত প্রাইভেটটি উদ্ধার করে আনা হয়েছে।

মাগুরায় চার বছরের শিশুকন্যা খুন…!

//শ্যামল বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা//

মাগুরার মহম্মদপুরের বেথুলিয়া দক্ষিণ পাড়া গ্রামে হিরা খাতুন নামে চার বছরের শিশু কন্যাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
পারিবারিক বিরোধের জের ধরে সোমবার সন্ধ্যায় মেয়েটির চাচারা তাকে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ করছেন নিহতের বাবা হিরু মোল্লা।
হিরু মোল্লার অভিযোগ সন্ধ্যায় তার মেয়ে হিরাকে ভাত খাওয়াছিলেন স্ত্রী বন্যা খাতুন।
এ সময় তার অন্য মেয়েকে পাশের বাড়ী থেকে ডেকে আনার জন্য যায়। কিছু সময় পর বাড়িতে ফিরে এসে দেখতে পায় হিরাকে খেতে দেওয়া ভাত বিড়ালে খাচ্ছে তখন মেয়েকে দেখতে না পেয়ে বাহিরে খুঁজতে জান। খোঁজাখুঁজির কিছুক্ষণ পরে বাড়ির সামনে রাস্তার পাশে মৃত অবস্থায় মেয়েকে দেখতে পান তিনি। হীরা খাতুনের মা বন্যার কান্নাকাটিতে ছুটে আসে আশে পাশের মানুষ। পরবর্তীতে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত হীরার মাথাসহ একাধিক স্থানের ধারালো অস্ত্রের আঘাত আছে। বেশ কিছুদিন ধরে হিরু মোল্লার সাথে পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল হিরো মোল্লার আপন ভাই ফারুক মোল্লা, আলী মোল্লা ও বিপ্লব মোল্লার সাথে। এই বিরোধের জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেন হিরু মোল্লা।
মোহাম্মদপুর থানার ওসি তদন্ত মোঃ বোরহানুল ইসলাম জানান,

ঘটনার তদন্ত চলছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফারুক মোল্লা ও আলিম মোল্লাকে আটক করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডুমুরিয়ায় বিদুৎস্পৃষ্ট হয়ে দিন মজুরের মৃত্যু

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া//

ডুমুরিয়ায় সুপারী পাড়তে গিয়ে পঞ্চউর্দ্ধ এক  দিন মজুর  বিদুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছে।

এলাকা বাসী সুত্রে জানা গেছে ৯ অক্টোবর রবিবার সকালে উপজেলার উলা গ্রামের দিন মজুর হারুন মোড়ল(৫৫)  বাড়ির পাশে এক ব‍্যক্তির বাগানে সুপারি পাড়তে যায়। বিদুৎ লাইনের পাশে থাকা সুপারি গাছে উঠার পর গাছের ভারসাম‍্য রক্ষা করতে না পেরে বাকা হয়ে পার্শবর্তী বৈদ‍্যুতিক লাইনের উপর পড়লে তিনি বিদুৎস্পষ্ট হযে  পড়ে।

পরে লোকজন তাকে উদ্ধার হাসপাতালে আনলেতাকে ডাক্তারা মৃত‍্য ঘোষনা করে।