এমপি সালাম মূর্শেদীর প্রচেষ্টায় রূপসার অবহেলিত পিয়ারা গ্রামে উন্নয়নের ছোয়া

 

এমপি সালাম মূর্শেদীর প্রচেষ্টায় রূপসা উপজেলার শ্রীফলতলা ইউনিয়নের অবহেলিত পিয়ারা গ্রামে  ইটের সোলিং দ্বারা নির্মিত হচ্ছে ৭৮১ ফুট পাকা রাস্তা। সূত্র জানায়  উক্ত গ্রামে কোন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ সহ কোনই উন্নয়নের ছোয়া নেই।

 

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদীর নির্বাচিত হওয়ার পর উক্ত গ্রামের মধ্যে দিয়ে ২ কিলোমিটার হ্যারিংবন (ডাবল ইটের সোলিং) দ্বারা একটি রাস্তা নির্মিত হয়েছিল প্রায় ২ বছর পূর্বে। এ কারনে উক্ত গ্রামের মানুষ শ্রীফলতলা ইউনিয়নের সাথে সংযুক্ত হওয়ার প্রধান রাস্তা চন্দনশ্রী গ্রামের সাথে সংযুক্ত হয়েছে।

 

এ কারনে পিয়ারা গ্রামের স্কুলগামী কোমলমতি শিক্ষার্থীরা কাদা বা পানি মিশ্রন ব্যতিত বিদ্যালয়ে সহজে যাতায়াত করতে পারে। এমপি সালাম মূর্শেদী আবারো পিয়ারা গ্রামের একটি কাচা রাস্তায় ৭৮১ ফুট ইটের সোলিং দ্বারা রাস্তা নির্মান করায় উক্ত গ্রামের মানুষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।

 

রাস্তা নির্মান কাজের উদ্বোধনের সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবীব, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম শেখ, আওয়ামীলীগ নেতা আকরাম খান, সারাফাত হোসেন উজ্জল, কামরুল খান, মাহাবুবুর রহমান, জামাল শেখ, জাহিদ শেখ সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

দেশকে স্বয়ংসম্পুর্ণ করতে শেখ হাসিনা সরকারের বিকল্প নাই: সালাম মূর্শেদী

“প্রজেক্ট হিলসা ‍” বৃহদাকার রেস্তোরার খাবরের মূল্য তালিকা নিয়ে জনমনে আতঙ্ক

 

মনিরামপুর উপজেলার নিকটবর্তী ২ কিলোমিটার রাস্তার বেহাল দশা

 

মনিরামপুর উপজেলার নিকটবর্তী অনেক লম্বা রাস্তা যেখানে প্রচুর লোকের চলাচল সেগুলো খুব বেহাল দশা আজ । যশোর জেলার সর্ব বৃহৎ মনিরামপুর উপজেলার সন্নিকটে ৫ নং হরিদাশকাঠী ইউনিয়নের ০৮নং ওয়ার্ডের ধর্মতলা নামক স্থান থেকে উক্ত এলাকার গুরুত্বপূর্ণ ঢাকুরিয়া বাজার পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার রাস্তা চলাচলের জন্য খুবই অনুপযোগী। রাস্তাটি অদ্যোবধি কাঁচা ও চলাচলের অনুপযোগী।এই রাস্তা দিয়ে উক্ত এলাকার ৭/৮টি গ্রামের ৫/৬ হাজার লোক চলাচল করেন।এখান থেকে শতাধিক শিক্ষার্থী পার্শ্ববর্তী মুক্তেশ্বরী ডিগ্রি কলেজ ও পাঁচবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা জন্য নিয়মিত যাতায়াত করেন।

 

যাতায়াতের সময় তাদের পড়তে হয় নানা ধরনের বিড়ম্বনায়।এছাড়াও রাস্তাটি ব্যবহার করে অত্র এলাকার সকল জনগনকে চাকুরী, চিকিৎসা,হাটবাজার,ব্যাংকে লেনদেন,ব্যবসাবানিজ্যসহ সকল গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য হাজিরহাট বাজার হয়ে উপজেলা শহর মনিরামপুর ও জেলা শহর যশোরে যাতায়াত করতে হয়।

 

আর এই রাস্তায় কোন রকম যানবাহন চলাচল না করায় অমানবিক কষ্ট করে চলাচল করা লাগে।এই রাস্তায় বয়স্ক ও শিশুদের চলাচল একেবারে অসম্ভব। সারাদেশের রাস্তাঘাটের অভূতপূর্ব উন্নতি হলেও মনিরামপুর উপজেলা থেকে ৭ কিলোমিটার ভিতরে অবস্থিত এই রাস্তাটি একাবিংশ শতাব্দীতে এসে এতোটাই কাঁচা ও চলাচলের অনুপযোগী যে ভাষায় ব্যক্ত করার নয়।

 

উক্ত সড়কটি পাকাকরণের জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ ও মনিরামপুর থেকে নির্বাচিত জাতীয় সংসদের মাননীয় সংসদ সদস্য, স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর কৃপাদৃষ্টি প্রার্থনা করছি।

//নিজস্ব প্রতিবেদক,স্বীকৃতি বিশ্বাস//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

কয়েকটি জেলায় কঠোর লকডাউনের সম্ভাবনা: চলছে যশোর ৩ ও ৪ নং ওয়ার্ডে

 

 

অভয়নগরে ডাষ্টবিনে ফেলা আমের আঁটি বিক্রি করে উপার্জন করছে বস্তিবাসি

 

 অভয়নগরে ডাষ্টবিনে ফেলা আমের আঁটি নিয়ে দেখে যাচ্ছে অন্যরকম ঘটনা। যশোরের অভয়নগর উপজেলার পৌর-নওয়াপাড়া বেঙ্গলগেট এলাকায় কিছু হত-দরিদ্র রেলবস্তিবাসি ময়লা-আবর্জনার স্তূপথেকে আমের আঁটি সংগ্রহ করে তা আবার বিক্রি করে পেটের খোরাকি যোগাচ্ছে ৷ সরেজমিনে দেখা গেছে , বস্তিবাসি লিপি বেগম ,কাজল,সোনিয়া ,জাহানারা বেগম, মিনা ,রাবেয়া ,রাহিলা ,সাফিয়া বেগম ও সুফিসহ আরো অনেকেই আমের আঁটি সংগ্রহ করছে ৷

অভয়নগরে ডাষ্টবিনে ফেলা আমের আঁটি বিক্রি করে উপার্জন করছে বস্তিবাসি

উপজেলার পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে কোন নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা-আর্বজনা ফেলার জন্য একটি করে ড্রাম রাখা হয়েছে ৷ অনেকে মন্তব্য করছে , ওয়ার্ডবাসি যত ময়লা-আবর্জনা পঁচাবাসি, খাবার খেয়ে ওই ড্রামে জমা করে তেমনি আম খেয়ে আমের আঁটিও ফেলা হয়েছে ৷ প্রতিটি ওয়ার্ডের ড্রামে যত ময়লা জমায়েত হয় সেগুলো পৌরসভার নিযুক্ত কর্মচারি ভ্যানে করে রেলওয়ে বস্তির পাশে ফাঁকা জায়গায় এনে ফেলে যায় ৷

 

কবির ভাষায়:- যেখানে দেখিবে ছাঁই, উড়ায়ে দেখো তাই —পাইলে ও পাইতে পারো মানিক ও রতন ৷ হয়তো অসহায় দরিদ্র বস্তিবাসি মানিক -রতন পাইনি , কিন্তু পেয়েছে ময়লা-আবর্জনার মধ্যে হাজার হাজার আমের আঁটি ৷ তা আবার প্রতি হাজারে বিক্রি করছে ২৫০টাকা ৷ আঁটি সংগ্রহীতা লিপি বেগম জানান, প্রতিদিন প্রায় পাঁচ হাজারের বেশি আঁটি সংগ্রহ করি ৷ এ পর্যন্ত আমরা ষাট হাজারের উপরে আমের আঁটি বিক্রি করেছি ৷ আমের আঁটি কোথায় যায়? ক্রেতা গোলক দাসের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, খুলনা-যশোরের বিভিন্ন নার্সারীর মালিকরা এই আঁটিগুলো কিনে নেয় ৷

 

// মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল ,অভয়নগর, যশোর  প্রতিনিধি //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

“প্রজেক্ট হিলসা ‍” বৃহদাকার রেস্তোরার খাবরের মূল্য তালিকা নিয়ে জনমনে আতঙ্ক

 

 

“প্রজেক্ট হিলসা ‍” বৃহদাকার রেস্তোরার খাবরের মূল্য তালিকা নিয়ে জনমনে আতঙ্ক

 

“প্রজেক্ট হিলসা” ওভার ভিউ লুক একটা আস্ত ইলিশ মাছের মতই দেখতে তৈরী হয়েছে এই রেস্তোরা যার নাম ।

দেশের সবচেয়ে বড় রেস্তোরাঁ বলা হচ্ছে একে।

 

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটের অদূরে নির্মিত এই বৃহদাকার রেস্তোরাঁ উদ্বোধনের পর কয়েকদিনের মধ্যেই জমজমাট হয়ে উঠেছে।

 

মহামারী করোনাকালেও দেশের বিভিন্নপ্রান্ত হতে দলে দলে ভোজনরসিক  যাচ্ছেন সেই রেস্তোরাঁয়।

 

তবে বাস্তবের চাইতে রেস্তোরাঁটি বহুগুণ বেশি সাড়া ফেলেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

 

অনেকের টাইমলাইনে ঘুরছে ইলিশ আকৃতির রেস্তোরাঁর ছবি।

 

কেউ কেউ রেস্তোরাঁটি ঘুরে আসার প্রমাণ জাহির করছেন ফেসবুকে।ছবি-ভিডিও আপলোড করছেন সমানে।

 

অনেকে আবার সেসব ছবির সঙ্গে রেস্তোরাঁর খাবারের মেন্যু আর বিলের কপির (মুশক চালান) ছবি শেয়ার করে একহাত নিচ্ছেন কর্তৃপক্ষের।

 

খাবারের দাম ও পরিবেশন নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করে অন্যদের যেতে নিরুৎসাহিত করছেন।

 

বিশেষকরে রেস্তোরাঁর প্রধান আইটেম ইলিশ মাছের মান ও দাম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। তাদের মতে, মান ও স্বাদের তুলনায় দাম অনেক বেশি রাখছে কর্তৃপক্ষ।

 

গত কয়েকদিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে রেস্তোরাঁর কয়েকটি বিল কপির (মুশক চালান) ছবি।

 

যেখানে দেখা গেছে, প্রতি পিস বেগুনভাজার দাম রাখা হয়েছে ৫০ টাকা। যা ভালো মানের রেস্তোরাঁয়  ১০-১৫ টাকার বেশি নয়।

 

প্রতি বাটি ডালের দাম ধরা হয়েছে ১০০ টাকা। অই মানের ডাল দেশের যে কোনো রেস্তোরাঁয় প্রতি বাটি ৩০-৫০ টাকায় মিলবে।

 

সবচেয়ে অবাক করা দাম রাখা হচ্ছে মূল আকর্ষণ ইলিশের বেলায়।

 

প্রোজেক্ট হিলসায় প্রতি পিস ইলিশ মাছের দাম নেওয়া হয়েছে ১৮০০ টাকা! অথচ দেশের যে কোনো প্রান্তে এক কেজি বা তার চেয়ে বেশি ওজনের প্রতি পিস ইলিশ পাওয়া যায় ১২০০-১৪০০ টাকায়।

 

মাত্র এক প্লেট সাদা ভাতের জন্য গুণতে হচ্ছে ১০০ টাকা! এক প্লেট খিচুড়ি ২০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে সেখানে।

 

সামান্য সালাদের দামও শ ছাড়িয়ে।

 

মানের তুলনায় দাম অতিরিক্ত অভিযোগে ফেসবুকে রেস্তোরাঁর উপর ক্ষোভ ঝাড়ছেন নেটিজেনরা।

 

এরইমধ্যে ভাইরাল হয়েছে এক ভোক্তার বিল কপি।

 

যেখানে দেখা গেছে, অই ভোক্তা বেগুনভাজির অর্ডার দিয়েছেন ৪১টি। প্রতিটি ৫০ টাকা করে বিল এসেছে ২০৫০ টাকা। ইলিশ অর্ডার করেছে ১৩টি, যার মূল্য পরিশোধ করতে হয়েছে ২৩,৪০০ টাকা।

 

ডাল ২০ বাটি এবং ভাত ৪১ প্লেটসহ তার খাবার বিল হয়েছে ৩২,৬২৫ টাকা!

 

এরসঙ্গে সার্ভিস চার্জ দিতে হয়েছে ৩,২৬২ টাকা। আর সঙ্গে যোগ হয়েছে ভ্যাট ৫,২২২ টাকা। সব মিলিয়ে অই ভোক্তাকে বিল পরিশোধ করতে হয়েছে ৪১,১০৯ টাকা!

 

এমন বিল কপি দেখে অনেকেই রেস্তোরাঁকে ‘গলা কাটা’, পকেট কাটা, ‘জবাই করার’ কেন্দ্র বলে আখ্যা দিচ্ছেন।

 

তাদের মতে, ঢাকায় উন্নতমানের যে কোনো রেস্তোরাঁয় এই পরিমাণ খাবার খেলে বিল ১০ থেকে ১৫ হাজারের বেশি হতো না।

 

কেউ কেউ আবার রেস্তোরাঁর পক্ষ নিয়ে বলছেন, ওরা যা খুশি তা দাম ধরবে, মানুষ ইচ্ছা করে নিজের গলা কাটতে গেলে রেস্তোরাঁর কি দোষ?

 

অনেকেই লেখছেন, এই রেস্তোরাঁয় যাবেন উচ্চবিত্ত ও বিদেশিরা। নিম্ন মধ্যবিত্তরা গেলে খাবারের দাম বেশিই মনে হবে।

 

কেউ কেউ পাল্টা যুক্তি দিচ্ছেন, রেস্তোরাঁর কোথাও কি লেখা আছে এটা ফাইভস্টার মানের? আর অর্ডারের পর খাবার পরিবেশনে যে সময় নিচ্ছে তারা তা কোনো মতেই ভালো মানের রেস্তোরাঁর বৈশিষ্ট নয়।

 

 

 

 

ইয়াসির আরাফাত নামের একজন অভিযোগ করেছেন, ‘শুক্রবার গিয়েছিলাম মাওয়ার প্রোজেক্ট হিলসায়। খাবার অর্ডারের পর কয়েক ঘণ্টা বসে থাকতে হয়েছে। উন্নত রেস্তোরাঁর এ কেমন অবস্থা?’

 

 

 

রেস্তোরাঁটির খাবারের মান, দাম নিয়ে করা অভিযোগ প্রসঙ্গে মুন্সিগঞ্জ জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক আসিফ আল আজাদ বলেন, ‘তাদের খাবারের যে দাম সেটা অবশ্যই মেন্যুকার্ডে উল্লেখ করে রাখতে হবে। ভোক্তারা এটি দেখেই খাবেন। ভোক্তারা যদি মনে করেন, এখানে দাম বেশি তাহলে তিনি ওখানে না-ও খেতে পারেন। খাবার দাম মেন্যুকার্ডে যা লিখে রাখা হবে তার থেকে বেশি নেয়া হলে সেটি অপরাধ হবে। এ ব্যাপারে আমাদের কাছে অভিযোগ এলে আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নেব।’

 

 

সার্ভিস চার্জের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এ সার্ভিস চার্জ রাখা যাবে কি যাবে না, সে সম্পর্কে কিছু বলা নেই। তবে সার্ভিস চার্জের বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে ঘোষণা দিতে হবে। মেন্যুকার্ডে লিখে রাখতে হবে। কাস্টমারকে জানিয়ে রাখতে হবে যে ১০ শতাংশ সার্ভিস চার্জ রাখা হবে। এটি না করে থাকলে সেটি অপরাধ হবে।’

 

মেন্যু বলছে, রেস্তোরাঁটিতে ইলিশ মাছের ২৪ ধরনের রেসিপিসহ মোট ৩০০ ধরনের খাবার পাওয়া যায়।

 

ভোক্তাদের এসব অভিযোগের বিষয়ে  ‘প্রজেক্ট হিলসা’র ম্যানেজার নিশাত আহমেদ বলেন, ‘দাম বেশি কি-না সেটা পরিবেশ, রেস্তোরাঁর আকার, অবস্থা, ডেকোরামের উপর নির্ভর করে। আমাদের কাছে দাম অত বেশি মনে হচ্ছে না। তবে দাম নিয়ে কাস্টমারদের অসন্তোষের বিষয়টি নিয়ে আমরা ভাবব।’

 

১০ শতাংশ সার্ভিস চার্জ কেটে নেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ বড় বড় যে কোনো রেস্তোরাঁয় এমন সার্ভিস চার্জ রাখা হয়।  পার্কিং চার্জ, ইলেক্ট্রিসিটি, এসি সবকিছুর ওপর একটি চার্জ তো হবেই, তাই না? আর আমাদের মেন্যুকার্ডে এ কথা উল্লেখ করা আছে।’

 

প্রসঙ্গত, সারা বছরজুড়ে দেশের দূর-দূরান্ত হতে অনেক ভোজনরসিক মাওয়া ঘাটে যান  পদ্মার তাজা ইলিশ খেতে।

 

সে কথা মাথায় রেখে মাওয়া ঘাটে যাওয়ার পথেই শিমুলিয়া ঘাটের কাছাকাছি ইলিশ মাছের মতো দেখতে এই বিশালাকার প্রোজেক্ট হিলসা রেস্তোরাঁ নির্মাণ করা হয়েছে।

 

গত ২৭ মে আনুষ্ঠানিকভাবে এর  উদ্বোধন করা হয়েছে। “প্রজেক্ট হিলসার” ম্যানেজার ইনচার্জ প্রসনজিৎ রায়ের দেওয়া তথ্য মতে, প্রায় ৪০ হাজার বর্গফুট আয়তন এই রেস্তোরাঁর। এখানে একসাথে ৩’শ- এর বেশি মানুষ বসে খেতে পারবে। কাস্টমার সার্ভিসের জন্য এখানে স্টাফ রয়েছে ৮০জনের বেশি। রয়েছে ফ্রী গাড়ি পার্কিং-এর সুব্যবস্থা। শিশুদের জন্যেও খেলাধূলার ব্যবস্থা রয়েছে।

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

শ্রমিক না নামিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করায় ওজোপাডিকো শ্রমিকের মৃত্যু

চট্টগ্রামের পটিয়া সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ

খুলনার দিঘলিয়ায় পিস্তল, গুলি, ককটেল, মোটরসাইকেল ও ছোরা উদ্ধা‌রে মামলা

 

 

শিবগঞ্জে নিসচা’র সহযোগিতায় পাকা  মুদির দোকান পেল  প্রতিবন্ধি শাকিল 

শিবগঞ্জে নিসচা’র সহযোগিতায় বগুড়ার শিবগঞ্জের  বিদ্যুৎস্পৃষ্টে হাত-পা হারিয়ে পঙ্গুত্ববরণকারী যুবক শাকিল পেল জীবিকা নির্বাহের পথ, এখন আর তার জীবন আনাহারে-অর্ধাহারে কাটবেনা।
হাঁটাচলা করতে পারেন না। চায় সহযোগী। সোস্যাল মিডিয়া ও একটি জাতীয় পত্রিকার সংবাদের ভিত্তিতে শাকিলের সহযোগিতায় এগিয়ে আসে নিরাপদ সড়ক চাই শিবগঞ্জ উপজেলা শাখা।
তাকে সাবলম্বী করার জন্য শিবগঞ্জ উপজেলা নিরাপদ সড়ক চাই দায়িত্ব নিয়ে উপজেলার কিচক বাজারে সরকারী খাস জায়গায় স্থাপন করে দেয় একটি মুদির দোকান। 
৩মে বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টা ৩০ঘটিকায় উপজেলার কিচক বাজারে নিসচা শিবগঞ্জ উপজেলা শাখার উপদেষ্টা এমপি পুত্র হুসাইন শরীফ সঞ্চয়ের অর্থায়নে নির্মিত পাকা মুদির দোকানটি আনুষ্ঠানিকভাবে অসহায় শাকিলকে হস্তান্তর করা হয়। 
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ রিজু। 
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে কুলসুম সম্পা।
নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) শিবগঞ্জ উপজেলা শাখার আহ্বায়ক সাংবাদিক রশিদুর রহমান রানার সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিবগঞ্জ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রিজ্জাকুল ইসলাম রাজু, নিসচা শিবগঞ্জ উপজেলা শাখার উপদেষ্টা উপজেলা যুবসংহতির আহ্বায়ক যুবনেতা হুসাইন শরিফ সঞ্চয়, উপজেলা প্রকৌশলী সিহাদুল ইসলাম।
নিসচা শিবগঞ্জ উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক সাংবাদিক রবিউল ইসলাম রবি’র পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নিসচা শিবগঞ্জ উপজেলা শাখার সদস্য সচিব প্রভাষক আব্দুল হান্নান, সদস্য জিয়া, বায়েজিদ বোস্তামি, সোহেল রানা প্রমূখ। 
প্রসঙ্গত সাইফুল ইসলাম শাকিল (২০) বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক ইউনিয়নের আপসন গ্রামের শাহিনুর ইসলামের একমাত্র ছেলে। 
পিতার অভাবের সংসারে যোগান দিতে স্কুল পড়া বাদ দিয়ে শাকিল পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (বিআরইবি) সঞ্চালন ও লাইন নির্মাণের শ্রমিক হিসেবে ২০১৪ সালে সামান্য বেতনে চাকরি নেন। 
বিআরইবির তালিকাভুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের উপঠিকাদার লোকমান হোসেনের অধীনে শ্রমিকের কাজ করতেন তিনি। ২০১৯ সালের ১৮ নভেম্বর কুমিল্লা জেলার বড়ুরা উপজেলার বাতাবাড়িয়া গ্রামে ৩৬৫০ কেভির হাই ভোল্টেজের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনে কাজ করতে গিয়ে একটি দুর্ঘটনা তাকে পুঙ্গু করে দেয়। তাকে বলা হয়েছিল ‘বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করা হয়েছে।’ কিন্তু সঞ্চালন লাইন স্পর্শ করতেই বিদ্যুতায়িত হয়ে ছিটকে পড়ে যান। দীর্ঘ ২০ দিন পর জ্ঞান ফিরলে দেখতে পান তার দুই পায়ের হাঁটু পর্যন্ত এবং ডান হাত সম্পূর্ণ কেটে ফেলা হয়েছে। 
মুদির দোকান পাওয়া শাকিল আবেগাপ্লুত কণ্ঠে  বলেন, আমার জীবনের এমন দুঃখের সময়ে এসে নিরাপদ সড়ক চাই যে সহযোগিতা করলো তাতে আমার ভাগ্য’র পরিবর্তন ঘটলো। আমার জীবনে শুরু হলো নতুন এক অধ্যায়।
এছাড়াও নিসচা শিবগঞ্জ উপজেলা শাখার উপদেষ্টা ও শিবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ রিজুর সহযোগীতায়  দোকানের মালপত্র ক্রয় করে দেওয়া হয়।
//মো: ফারুক হোসাইন, বগুড়া সংবাদদাতা//

খুলনার রূপসায় করোনা সংক্রমন মোকাবেলায় এক সভা অনুষ্ঠিত

 

খুলনার রূপসায় করোনা সংক্রমন মোকাবেলার লক্ষ্যে রূপসা উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত এক সভা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় ৩জুন সকাল সাড়ে ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রূবাইয়া তাছনিম এর সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন থানা অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা,কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ফরিদু উজ্জামান, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: সঙ্গীতা চৌধুরী, সমবায় কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার ব্যানার্জি, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আবু বকর মোল্লা, সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা,তথ্য কর্মকর্তা দিলশানা আরা।

জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য জাহাঙ্গির হোসেন মুকুল, জেলা কৃষকলীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল, জেলা আ’লীগের সাবেক সদস্য আ:মজিদ ফকির, অধ্যক্ষ আল মামুন সরকার, আতাহার আলী ফকির,উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবিব, ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এসহাক সরদার, সাধন অধিকারী, জাহাঙ্গির শেখ,আওয়ামীলীগ নেতা রবিউল ইসলাম বিশ্বাস,আজিজুল হক কাজল, জুলফিকার আলী সহ গণমাধ্যমকর্মী বিভিন্ন হাট বাজার কমিটি ও ঘাট মাঝির সমিতির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় সিদ্ধান্ত হয় হাট বাজার ও ঘাট এলাকায় সার্বক্ষণিক সচেতনতার জন্য মাইকিং করা হবে। বাধ্যতামূলক মাক্স ব্যবহার করা।

পুলিশের টহল এবং ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান অব্যহত থাকবে।

এছাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রস্তুত রাখা হয়েছে ২০টি বেড।

 

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

রাণীশংকৈলে আ’লীগের কমিটি গঠনে ‘অনিয়মের’ বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

 

এমপির গায়ে কাদা ছোড়ার পর গ্রামবাসীর সঙ্গে বাঁধ নির্মাণে করেন এমপি বাবু

 

 

এমপির গায়ে কাদা ছুড়েছিল  ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে প্রবল জলোচ্ছ্বাসে খুলনার কয়রা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে জরাজীর্ণ বেড়িবাঁধ ভেঙে পানিতে তলিয়ে যা্ওয়া দুঃখ ভারাক্রান্ত গ্রামের লোকজন। উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের দশহালিয়া এলাকায় কপোতাক্ষ নদের ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করছিলেন গ্রামবাসী।

মঙ্গলবার (০১ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে একটি ট্রলার নিয়ে সেখানে উপস্থিত হন খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা) আসনের সংসদ সদস্য মো. আক্তারুজ্জামান বাবু।

বাঁধে কাজ করা উত্তেজিত জনতা সংসদ সদস্যকে দেখে বিক্ষুব্ধ হয়ে তার বিরুদ্ধে স্লোগন দিতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা কাঁদা ছুড়ে মারতে থাকেন সংসদ সদস্যকে বহন করা ট্রলারের দিকে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ট্রলার নিয়ে চলে যান বাবু। মাইকে উত্তেজিত মানুষকে শান্ত হওয়ার আহবান জানান একজন ঘোষক। কিন্তু প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে উত্তেজনা বিরাজ করে বাঁধ এলাকায়। বাবুকে ট্রলার নিয়ে ফিরে যেতে দেখে হাততালি দিয়ে ওঠেন অনেকেই। তবে কিছুক্ষণ পর আবার ফিরে আসেন সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবু। এলাকাবাসীর সঙ্গে বাঁধ নির্মাণ কাজেও অংশ নেন তিনি।

স্থানীয়রা জানান, এমপি বাবুকে একটি ট্রলারে করে ভাঙা বাঁধের কাছে আসতে দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করা মানুষ। যখনই তার ট্রলারটি ঘাটে ভিড়তে যায়, তখনই কাঁদা ছুড়তে শুরু করেন অনেকে। বারবার মাইকে ঘোষণা দিয়েও উত্তেজিত জনতাকে নিবৃত্ত করা যায়নি।

স্থানীয়রা আরও বলেন, বাঁধ মেরামত করা যাদের দায়িত্ব তারা কেউ এগিয়ে আসে না। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হই, আমাদেরই বাঁধ মেরামতের দায়িত্ব নিতে হয়। তাহলে জনপ্রতিনিধি ও কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব কী? আমরা জেনেছি এমপির লোকজন বাঁধ সংস্কারের দায়িত্ব পান। তাদের অবহেলায় আজ এমন পরিস্থিতি।

কেন এমপির ওপর ক্ষিপ্ত হলেন—এমন প্রশ্নের জবাবে স্থানীয়রা বলেন, ইয়াসের পর কয়রায় পানিবন্দি মানুষ ভীষণ কষ্টে আছে। জোয়ারের পানিতে ঘরবাড়ি, মাছের ঘের, ফসলি জমি নষ্ট হচ্ছে। ঘরে খাবার নেই। তারপরও তারা খেয়ে না খেয়ে স্বেচ্ছায় বাঁধ মেরামত করছে। বাঁধ ভেঙে গেলে বেড়িবাঁধের কাজ নিয়ন্ত্রণ করেন এমপি বাবু। তার ঘনিষ্ঠদের ঠিকাদারির কাজ দেওয়া হয়। এ কারণে বাঁধের কাজ বেশি দিন টেকে না। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্তারাও ভয়ে কিছু বলেন না। তাই জোয়ারের পানি সামান্য বাড়লেই বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে। এতে ডুবতে হয় কয়রাবাসীকে।

মঙ্গলবার দুপুরে সংসদ সদস্য মো. আক্তারুজ্জামান বাবু বাংলানিউজকে বলেন, ওরা (স্থানীয়রা) বিক্ষুব্ধ। তারা বলেছে, আমরা কষ্টে আছি, আপনি থাকতে আমরা কেন এত কষ্ট পাচ্ছি? ওরা টেকসই বেড়িবাঁধ হয় না কেন এ নিয়ে স্লোগান দিয়েছে। এখানকার রাজনীতি তো বেড়িবাঁধ নিয়ে। আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তো চেষ্টা করবে আমাকে হেয় করতে। বেড়িবাঁধ মেরামতে ৫-৭ হাজার লোক কাজ করছেন। তার মধ্যে আমার বিপক্ষে তো কেউ থাকবে। কিছু লোক বিক্ষুব্ধ হলেও কিছু লোক বলেছে, উনি তো নিজে এসেছেন। কাজ করছেন বরাদ্দ বাড়াচ্ছেন। সময় তো লাগবে। ওদের দাবি আমি যেন একটু মাটি কাটি। আমি ওদের সঙ্গে মাটি কেটেছি। তাদের বুঝিয়ে বলেছি, আমাকে একটু সময় দেন। প্রকৃতির ওপর তো আমাদের হাত নেই।

 

// স্টাফ রিপোর্টার //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

কালিয়ায় অনলাইনে চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে গ্রাহক প্রতারণা: আটক ১

 

।।ভাগ্য বিড়ম্বনা।। সময়ের বিবর্তন ও সরকার পরিবর্তন হয়- জীবন বদলায়না

 

সময়ের বিবর্তন ও কালের পরিক্রমায় সরকার আসে সরকার যায়। কিন্তু সমূদ্র তীরবর্তী সাতক্ষীরা, খুলনা, বরিশাল, বরগুনা,ভোলা,লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী,কক্সবাজার, চট্টগ্রামসহ সকল জেলার মানুষের জীবনের দুঃখ গাঁথা একই থেকে যায়। দেশ স্বাধীনের আগে পরে সংগঠিত হওয়া প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘূর্ণিঝড়, বন্যা,জলোচ্ছ্বাসের পর সরকারসহ বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা কিছুদিন যতসামান্য ত্রাণ বিতরণ করে।

 

সরকারি- বিরোধীদলের নেতা- কর্মী,সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, সুশীল সমাজের লোক উপকূলীয় অঞ্চলের জনগণের দুঃখকষ্ট নিয়ে কয়েকদিন হা হুতাশ করে,সমাধানের জন্য টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ,সুপেয় পানিজলের ব্যবস্থাসহ, সুন্দরবন রক্ষার জন্য করণীয়, বর্জনীয় নিয়ে আলোচনা করে সরকারি-বেসরকারী চ্যানেলগুলিতে বিতর্কের ঝড় তোলে।তারপর দুর্যোগের সময়কাল কিছুদিন অতিবাহিত হয়ে গেলে মহাজ্ঞানীরা সব কিছু ভুলে যায়।

 

আর কিছুদিনের মধ্যে কায়িকশ্রমে উপকূলীয় জনগণ অরক্ষিত বেড়িবাঁধ ও ঘরবাড়ি মেরামত করে জীবন ও জীবিকা শুরু করে।একবুক স্বপ্ন নিয়ে আবারও বেঁচে থাকার আশায় বাসা বাঁধে ঝড়,বন্যা,জলোচ্ছ্বাস ও সরকারের ঔদাসিন্যতাকে ভুলে। জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য বিশ্বসংস্থা কর্তৃক তহবিল গঠন হয় এবং সেই তহবিলের টাকা খরচ হয় কিন্তু কোথাকার টাকা কোথায়, কি পারিমানে খরচ হয় তা অধিকাংশ ক্ষেত্রে অজানাই থেকে যায় এই সুন্দরবন তীরবর্তী এলাকার দুর্দশা ও হতাশাগ্রস্ত জনগণের।

 

সাতক্ষীরাসহ উপকূলীয় অঞ্চলের সহজ সরল জনগণ নিজেদের বুক পেতে নিতে পারে ঝড়,বন্যা,জলোচ্ছ্বাসসহ নানা প্রতিকূলতা,নিজের বুক পেতে নিতে পারে বাঁধ ভাঙা সমূদ্রের ঢেউ। এমনি কি জীবিকার জন্য সংগ্রাম করতে পারে হিংস্র বাঘের সাথে। কিন্তু শেখেনি নিজেদের জীবন ও জীবিকার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয় টেকসই বেড়িবাঁধ, সুন্দর বনের সুরক্ষাসহ প্রয়োজনীয় দাবি দাওয়া আদায়ের জন্য রাজপথে নামতে।

 

//নিজস্ব প্রতিবেদক, স্বীকৃতি বিশ্বাস//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

আদালতের রায় উপেক্ষা করে জোড়পূর্বক জমি দখল করে ঘর নির্মাণ

 

বিনা অপরাধে জেল খাটছেন ক্রিকেটার হতে আসা আবু ইউসুফ লিমন

 

বিনা অপরাধে জেল খাটছেন  আসামি না হয়েও একটি খুনের মামলায় চাঁদপুরের কচুয়ার যুবক আবু ইউসুফ লিমন। ২০২০ সালে অনেক স্বপ্ন নিয়ে ক্রিকেটার হতে ঢাকায় এসেছিলেন কচুয়া উপজেলার আবু ইউসুফ ওরফে লিমন (২১)।

 

মিরপুরের সিটি ক্লাব মাঠে প্রশিক্ষণ নিতেন তিনি। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে নিখোঁজ হন তিনি। খোঁজ না পেয়ে গত ২০২১ সালের ১৪ জানুয়ারি কচুয়া থানায় ডায়েরি করেন তার বাবা। কিছুদিন পর জানতে পারেন একটি হত্যা মামলায় তার ছেলে লিমন কাশিমপুর কারাগারে জেল খাটছেন।

 

লিমনের বাবা নুরুজ্জামান জানান, গত বছর রবিউল ইসলাম আপন নামের এক ব্যক্তি আমার নাম্বারে ফোন দিয়ে বলেন- আপনার ছেলে বিকেএসপিতে আছে। আপনারা চিন্তা করবেন না, আপনার ছেলে ডিসেম্বরের মধ্যে বাড়িতে চলে আসবে।

 

কিছুদিন পর ছেলে কারাগারে থাকার খবর পেয়ে তার সঙ্গে কাশিমপুর কারাগারে দেখা করি। তার কাছ থেকে জানতে পারি- আমার ছেলেকে হত্যার হুমকি ও টাকার লোভ দেখিয়ে কোর্টে পাঠায় রবিউল ইসলাম ওরফে আপন।

 

আদালতে আমার ছেলে নিজেকে রবিউল হিসেবে পরিচয় দেয়। এরপর আদালত তাকে কারাগারে পাঠান। ছেলের মুক্তি চেয়ে ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে আবেদন করি। আদালত আবেদনটি আমলে নিয়ে গত ২ মার্চ ডিবি পুলিশকে তদন্ত করার দায়িত্ব দেন।

 

বিষয়টি তদন্ত করে ডিবি পুলিশ গত ২ মে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। ওই প্রতিবেদনে ঘটনার সত্যতা মিলেছে। তদন্তে বেরিয়ে আসে বদলি সাজা খাটার চাঞ্চল্যকর এ তথ্য।

 

ইমরান খান হত্যা মামলার ৬ নম্বর আসামি শেখ হৃদয় ওরফে রবিউল ইসলামের স্থলে লিমনকে তার পরিচয় দিয়ে আদালতে আত্মসমর্পণ করায়।

 

এ অবস্থায় রবিউলের আইনজীবীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছে পুলিশ। এ আবেদনের ওপর আগামী ২ জুন ঢাকার ১ নম্বর অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে আদেশের জন্য দিন ধার্য রয়েছে।

 

মামলা সূত্রে জানা যায়, আসামি রবিউল ইসলাম গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়া উপজেলার আসুতিয়া গ্রামের মতিউর রহমান মোল্লার ছেলে। নারীদের টোপ হিসেবে ব্যবহার করে বিত্তশালীদের ফাঁদে ফেলে অর্থ হাতিয়ে নিত রবিউল ও তার সহযোগীরা।

 

তাদের কবলে পড়েন সিআইডি পুলিশের এসআই মো. মামুন ইমরান খান। এরপর তাকে ধরে নিয়ে হত্যার পর পেট্রল ঢেলে লাশ পুড়িয়ে গাজীপুর বনে ফেলে দেয় হত্যাকারীরা।

 

এ ঘটনায় নিহত এসআইয়ের ভাই বাদী হয়ে ঢাকার বনানী থানায় ২০১৮ সালের ১০ জুলাই মামলা করেন। এই মামলায় ২০১৯ সালের ৩১ মার্চ অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। এরপর ঢাকার ১ নম্বর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচার শুরু হয় মামলার। এরই মধ্যে বেশ কয়েকজনের সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে।

 

একই মামলার ৬ নম্বর আসামি হলেন রবিউল ইসলাম ওরফে আপন, সোহাগ, হৃদয়। তিনি পলাতক রয়েছেন। কিন্তু তার পরিবর্তে চাঁদপুরের কচুয়ার এক দরিদ্র পরিবারের সন্তান লিমন গত ২০ অক্টোবর ঢাকার আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। রবিউলের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা ছাড়াও রাজধানীর বিভিন্ন থানায় তিনটি মামলা রয়েছে। সেসব মামলাও বর্তমানে বিচারাধীন।

 

লিমনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শামীম সরদার জানান, লিমনের বাড়ি চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার আইনপুর গ্রামে। তার বাবার নাম মো. নুরুজ্জামান। এক ভাই এক বোনের মধ্যে সে বড়। পিতা নুরুজ্জামান কচুয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী। ছোটবেলা থেকেই তার ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন ছিল।

 

সেই সূত্র ধরেই ইউসুফ রাজধানীর মিরপুর-২ নম্বর সেকশনে এক মেসে ভাড়া থাকতেন। ছোটখাটো কাজ করে যা আয় করতেন তা দিয়ে সিটি ক্লাবে কোচ সবুজের অধীনে ক্রিকেট খেলা শিখতেন। সেখান থেকে আসামি রবিউলের সঙ্গে পরিচয় ঘটে লিমনের। লিমন আসামি রবিউল ইসলামের জায়গায় আত্মসমর্পণ করেছে। তাকে তারা রবিউলের জায়গায় না গেলে নিহত পুলিশ কর্মকর্তার মতো হত্যা করে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেবে- এমন ভয়ভীতি দেখিয়ে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করায় বলে জানান আইনজীবী।

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ব্যাংক কর্মকর্তা মোরশেদ আত্মহত্যা প্ররোচনা: আরাফাতের জামিন না মঞ্জুর

মানুষের জীবনমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করছে সরকার: সালাম মূশের্দী

 

মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বর্তমান সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী বলেছেন, নিরাপদ পানি ও উন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গ্রাম বাংলার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বর্তমান সরকার।

“গ্রাম হবে শহর” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আমি আমার নির্বাচনী এলাকার গণমানুষের উন্নয়নে সকল প্রকার উন্নয়ন কর্মকান্ডে আমার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সকল কর্মযজ্ঞে সামিল থাকবো।

তিনি আরও বলেন গ্রাম বাংলায় পানি বাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রতি বছরে অসংখ্য মানুষের জীবন বিপন্ন হতো। যে কারণে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ণের লক্ষ্যে খুলনা-৪ আসনের বিভিন্ন এলাকায় সুপেয় পানি ও নিরাপদ স্যানিটেশন ব্যবস্থার লক্ষ্যে নানামুখী পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হচ্ছে।

এ পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে ২৫ শত গভীর নলকূপ স্থাপন, রূপসা কলেজের পাইপ লাইনের মাধ্যমে সুপেয় পানি সরবরাহকরণ, ৩০ টি কমিউনিটি ল্যাট্রিন, ৪ টি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট স্থাপন ও ২০০ শতাধিক পুকুর পূন:খননের মাধ্যমে নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি গত ২৯ মে সকাল ১০ টায় রূপসা উপজেলার শ্রীফলতলা ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে ৪২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট প্রকল্পের স্থান নির্ধারণ অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শ্রীফলতলা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইসহাক সরদার। প্যানেল চেয়ারম্যান সরদার কামরুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তৃতা করেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবীব, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম বিশ্বাস, প্রকল্পের উপ সহকারী প্রকৌশলী মো: রাসেল প্রমুখ।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোল্ডকাপ অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন