ডুমুরিয়ার সাবেক মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপির সুমি মৎস্য আড়ৎ’র উদ্বোধন ও  স্কুল ছাত্রের অকাল প্রয়ানে শোকাহত পরিবারের পাশে সমবেদনা জ্ঞাপন

//জাহিদুর রহহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি খুলনা //

প্রাক্তন মৎস‍্য ও প্রানী সম্পদ মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি বলেছেন বঙ্গবন্ধুর ক‍ন‍্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার  উন্নয়ন প্রত‍্যঞ্চলের মানুষ  সুফল ভোগ করছে। দেশের  যোগাযোগ ব‍্যবস্থা সহজলভ‍্য হওয়ায় নুতন নুতন উদ‍্যক্তা সৃষ্টি  ব‍্যবসা বানিজ‍্যের ব‍্যাপক প্রসার ঘটছে।

দেশের এ অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে হবে। ১৬ জুন শুক্রবার বিকেলে ডুমুরিয়ায় চটচটিয়া শিবনগর ব্রীজের সন্নিকটে  সুমি সুপার মৎস্য আড়তের উদ্বোধন ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।মাগুরখালী ইউপি চেয়ারম্যান বিমল কৃষ্ণ সানার সভাপতিত্বে আয়োজিত উদ্বোধনী সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন থানা অফিসার্স ইনচাজ শেখ কনি মিয়া,  উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শারমীনা পারভীন রুমা।

অধ্যাপক বিষ্ণুপদ মল্লিকের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন মৎস্য আড়ত কমিটির সভাপতি ইউপি সদস্য প্রশান্ত মল্লিক, আওয়ামীলীগ নেতা শেখ আঃ কুদ্দুস,  মোল্যা জাহিদুল ইসলাম, মাষ্টার নিমল দেবনাথ আড়ৎ মালিক  মোঃ রেজাউল সরদার, মেম্বার সিরাজ সরদার, শ্রমীক নেতা এরশাদ মোল্ল‍্যা,  গোলাম মাওলা শেখ, হাফিজুর রহমান সরদার, শরিফুজ্জামান মোল্ল‍্যা,  সঞ্জয় কুমার মল্লিক প্রমূখ।

প্রধান অতিথি আরো বলেন বলেন, কৃষি মৎস‍্য ও প্রানী সম্পদ প্রসার ঘটেছে তাই মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হযেছে। নুতন মৎস‍্য আড়ৎ তৈরীর ফলে মৎস্য চাষীরা তাদের উৎপাদিত মাছ সঠিক ভাবে বাজারজাত করতে পারবেন । আড়তে দুই পাশে মোট ১০টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। এখানে প্রতিদিন সকাল বিকাল বাগদা, গলদাসহ সব ধরনের সাদা মাছ ক্রয় বিক্রয় করা হবে।

অপরদিকে  সাবেক মন্ত্রী  নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি বেলা তিনটায় রংপুর কালী বাড়ি মাধ‍্যমিক বিদ‍্যালয়ের ৭ম শ্রেনীতে পড়ুয়া শিক্ষার্থী সরজিৎ বৈরাগী অকাল প্রয়ানে  শোকাহত পরিবারকে সমবেদনা ও সার্বিক খোজ নেন।

এসময় মন্ত্রীকে পাশে পেয়ে সরজিৎ এর বাবা মা সহ পরিবারের লোকজন কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তাদের অশ্রুসিক্ত কান্না  এলাকার আগত শত শত নারী পুরুষদের এক বেদনায়  বিধুর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।  সাবেক মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি তাদেরকে শান্তনা দিয়ে বলেন  সৃষ্টিকর্তা উপর কার হাত নেই।

সুন্দর ফুটফুটে এ শিশু আমাদের সকলকে কাদিয়েছে। আমরা সকলে সকলের পাশে থাকে দু:খকে শক্তিতে রুপান্তিত করে জীবন যাপন করতে চাই। । এসময় উপস্থিত ছিলেন মহিলা ভাইন্স চেয়ারম‍্যান শারমিনা পারভীন রুমা  ইউপি চেয়ারম‍্যান অধ‍্যক্ষ সমারেশ মন্ডল, সাবেক চেয়ারম‍্যান সৌমিত্র মন্ডল, এপি এস সমীর দে গোরা, কৃষকলীগের সভাপতি অরিন্দম মল্লিক, শ্রমীকলীগের মোল্ল‍্যা এরশাদসহ স্থানীয় আওয়ামী সহ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্।

বাগেরহাটের রামপালে আ.লীগের উন্নয়ন বরাদ্দ বঞ্চিত ৭ চেয়ারম্যানের আল্টিমেটাম

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার উন্নয়ন বরাদ্দ বঞ্চিত ৭ জন ইউপি চেয়ারম্যান আল্টিমেটাম দিয়ে পরিষদের সকল সভা ও সমন্বয় কার্যক্রম বর্জন করেছেন। পরিস্হিতির উন্নতি না হলে উপজেলা পরিষদের কোন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ এবং সহযোগীতা করবেন না বলেও ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) বেলা সাড়ে ১১ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে নির্ধারিত সমন্বয় মিটিং এ হাজির হয়ে ৭ জন চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগপত্র রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজিবুল আলমের মাধ্যমে বাগেরহাট জেলা প্রশাসক বরাবর প্রেরণ করেছেন।

লিখিত অভিযোগে তারা দাবী করেন, সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য স্হানীয় সরকারের গুরুত্ব অপরিসীম এবং ইউনিয়ন পরিষদের সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ড স্হানীয়ভাবে বাস্তবায়িত হয়ে থাকে। এরমধ্যে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য এডিবি ও রাজস্ব ফান্ডের কোটা স্হানীয় ইউপি চেয়ারম্যানগণ পেয়ে থাকি। যা ইউনিয়নের উন্নয়নের জন্য ব্যয় করা হয়ে থাকে। তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও জানান, উপজেলার ১০ টি ইউপির মধ্যে ৭ জন চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগের মনোনীত চেয়ারম্যান। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন পরিষদের কোন উন্নয়ন বরাদ্দ আমাদের দেন না। যে কারণে আমাদের ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক সকল কাজ ব্যাহত হচ্ছে। এতে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে এবং জনগণের রোষানলেও পড়তে হচ্ছে। উপজেলা চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন উন্নয়ন বরাদ্দের সুষম বণ্টন না করে তার ব্যক্তিগত পছন্দের অনির্বাচিত দলীয় লোকদের দিয়ে নিন্মমানের কাজ করে কমিশন বাণিজ্য করছেন যা সর্বমহলে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। নিন্মমানের কাজ ও কমিশন বাণিজ্যটি মাঠপর্যায়ে তদন্ত করলে এর সত্যতা পাওয়া যাবে বলে তারা দাবী করেছেন। নির্বাচনের পর থেকে অদ্যাবধি উপজেলা পরিষদের কোন বরাদ্দ আমরা পাইনি বরং বৈষম্যমূলক আচারণের শিকার হয়েছি ৭ জন চেয়ারম্যান। এ বিষয়ে কোন সুরাহা না হলে উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভাসহ সকল প্রকার কার্যক্রম থেকে আমরা বিরত থাকবো।

এ বিষয়ে রামপাল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পদক সেখ মোয়াজ্জেম হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আওয়ামীলীগের মনোনীত নির্বাচিত ৭ জন চেয়ারম্যান আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ দিয়েছেন সেটি সঠিক নয়। বরাদ্দকৃত অর্থ ১০ ইউনিয়নে জনসংখ্যার অনুপাতে সঠিক হারে বণ্টন করা হয়। আমি কোন কমিশন বাণিজ্য করি না বরং সচ্ছতার সাথে কাজ করি। মন্ত্রী মহোদয় তার কোটায় পাওয়া ব্যাক্তিগত বরাদ্দকৃত অর্থের দ্বারা প্রকল্প দলীয় লোকদের মাধ্যমে করালে তার জন্য আমি দ্বায়ী নই।

অভিযোগের বিষয়ে রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজিবুল আলম জানান, অভিযোগের কপি পেয়েছি। বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সাথে কথা বলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্হা গ্রহণ করা হবে।

মঘিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের কর্মী সমাবেশ

//দিব্যেন্দু সিকদার, কচুয়া প্রতিনিধি//

আসন্ন জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে দলীয় কার‌্যক্রম সক্রিয় করতে আজ বিকাল ৪ টায় মঘিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে এক কর্মী সমাবেশ আয়োজন করা হয়।

উক্ত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাবু অচিন্ত্য কুমার মল্লিক এবং সঞ্চালনায় ছিলেন শেখ ফারুক সাধারণ সম্পাদক মঘিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাবসাইফুল ইসলাম খোকন সভাপতি কচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ।

প্রধান বক্তা জনাব মীর জ্যায়েসী আশরাফী জেমস সাধারণ সম্পাদক বাগেরহাট জেলা যুবলীগ  এবং বিশেষ  অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মনিরুজ্জামান ঝুমুর আহ্বায়ক কচুয়া উপজেলা যুবলীগ, বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন জনাব দিদার সুজন যুগ্ম আহবায়ক কচুয়া উপজেলা যুবলীগ, বিশেষ অথিতি জনাব সিকদার সুজন যুগ্ম আহবায়ক কচুয়া উপজেলা যুবলীগ, জনাব খান শহিদুল ইসলাম সভাপতি কচুয়া উপজেলা  শ্রমিকলীগ ,  জনাব,কামরুল ইসলাম সাংগঠনিক সম্পাদক কচুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ, এবং বাবু পঙ্কজ কান্তি অধিকারী চেয়ারম্যান ৩ নং ইউনিয়ন পরিষদ ।

এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন মঘিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সকল ওয়ার্ডের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক এবং সকল নেতাকর্মী।

গজালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের প্রতিনিধি সভার প্রস্তুতি সভা

//দিব্যেন্দু, শিকদার, কচুয়া প্রতিনিধি//

১৩/৬/২০২৩ রোজ মঙ্গলবার বিকেল চারটায় গজালিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত সভা সফল করার লক্ষ্যে আজ বিকাল ৪ টায় গজালিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সঙ্গে জরুরী বর্ধিত সভা  অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত সভায় উপস্থিত ছিল গজালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সকল নেতাকর্মী, তাদের সাথে মতবিনিময় করেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কচুয়া উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক দিদার সুজন ও সিকদার সুজন।

দুর্নীতিমুক্ত স্মার্টনগর গঠন করার ঘোষণা দিয়ে ইশতেহার ঘোষণা করেন মেয়র প্রার্থী খালেক

আ: রাজ্জাক শেখ:

খুলনা সিটি কর্পোরেশনকে যানজটমুক্ত, জলাবদ্ধতা নিরসন, দুর্নীতিমুক্ত নগর ভবন গড়াসহ ৪০ টি প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন খুলনা আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক।

নগরবাসীর জীবনমানেরও উন্নতি বিষয়ে তিনি বলেন, আমার প্রধান লক্ষ্য এই নগরীকে কেবল বসবাস উপযোগী নয়, বরং নগরবাসীর জীবনমানেরও উন্নতি সাধন করা।

খুলনাকে পরিকল্পিত পরিচ্ছন্ন স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে ৪০ দফা নির্বাচন ইশতেহার ঘোষণা করেছেন আওয়ামী লীগের মেয়ের প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক।

বিগত পাঁচ বছরে বাস্তবায়ন করা উন্নয়ন প্রকল্পের বর্ণনা দেন বিদায়ী মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক।

তিনি বলেন বৈশ্বিক মহামারী কমিট উনিশ সংক্রমণের কারণে দেশের সকল কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে যা প্রায় তিন বছর স্থায়ী ছিল

সে কারণে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও যত যথাসময়ে বিশাল ও কর্মযজ্ঞ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। ফলে নগরবাসীকে হয়তো কিছুটা দুর্ভাগ্যতা পোহাতে হয়েছে।

অনিচ্ছাকৃত এবং অনাকাঙ্ক্ষিত এই বিলম্বের জন্য নগরবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করছেন।

তবে চলমান উন্নয়ন কাজ সমাপ্ত হলে খুলনা আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্মিলিত একটি স্বাস্থ্যকর নগরীতে পরিণত হবে ইনশাল্লাহ।

তিনি বলেন আগামী ১২ জন খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবে আমি নতুন প্রতিশ্রুতি অঙ্গীকার নিয়ে আমার নির্বাচনী ইশতেহার তুলে ধরছি। কেসিসিকে ঘিরে আমার নতুন চিন্তা ভাবনা ও পরিকল্পনা আপনারা আন্তরিকভাবে গ্রহণ করবেন বলে আশা করছি।

তালুকদার আব্দুল খালেক এর ৪০ দফা ইফতারের প্রথমেই রয়েছে পরিচ্ছন্ন সবুজ পরিবেশবান্ধব খুলনা। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন রাস্তাঘাট বাসা বাড়ি নির্মাণ নগর পরিকল্পনায় সবুজকে প্রার্থনা দেয়া হবে সবুজ খুলনা গড়ে তুলতে এলাকাভিত্তিক পরিকল্পিত বনায়ন করা হবে বাড়ি ভিত্তিক সবুজ আইন উৎসাহিত করা হবে।

নগর পরিকল্পনায় পরিবেশকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়া হবে।
নগরায়ন হবে পরিবেশবান্ধব জমি বায়ু শব্দ দূষণের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থা নেয়া হবে।

ইশতেহারের দ্বিতীয় দফায় নগরীতে পার্ক উদ্যান নির্মাণ ও বনায়ন সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দেন তালুকদার আব্দুল খালেক।

তিনি বলেন বর্তমানে নগরীতে বিদ্যমান পার্ক ও উদ্যান গুলোর প্রয়োজনীয় সংস্কার ও উন্নয়ন করা হবে এছাড়া উন্মুক্ত সুবিধা জনক স্থানে একটি বড় পার্ক লেডিস পার্ক দুটি শিশু পথ নির্মাণ উদ্যোগ নেয়া হবে এবং নদীর সংলগ্ন স্থানে ভ্রমণের জন্য ওয়ার্ক ওয়ে নির্মাণ করা হবে।

৪০ দফার মধ্যে রয়েছে পরিচ্ছন্ন সবুজ ও পরিবেশ বান্ধব খুলনা গড়ে তোলা, পার্ক উদ‍্যান নির্মাণ বনায়ন সৃষ্টি, জলবদ্ধতা দূর করনে বিশেষ ব্যবস্থা পদ্ধতিতে ট্রেন পুরস্কার, আধুনিক বজ্র ব্যবস্থাপনা বৃক্ষ পরিচর্যা ও সংরক্ষন স্বাস্থ্যসেবার মনোনয়ন ও নিরাপদ স্বাস্থ্যকর, খুলনা সুলভ মূল্যে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য সেবা, সূর্যোদয়ের আগেই পরিচ্ছন্ন করা, মাদক মুক্ত নগর গড়ে তোলা, সড়কে প্রজাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, ফুটপাত মানবিক উন্নয়নের খুলনা,
সিভিক সেন্টার গড়ে তোলা,অনুদান তহবিল চালু, মিডিয়া সেন্টার চালু ও সেরা সংবাদ পুরস্কার প্রবর্তন, কবরস্থান ও শশানঘাট এর উন্নয়ন, মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিবছর প্রতিযোগিতার আয়োজন, স্মার্ট ডিজিটাল খুলনা নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মানচিত্র প্রদর্শন, অংশগ্রহণমূলক ও সুস্বাস্থিত খুলনা ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস্থাপন হট লাইন, নগর তথ্য কেন্দ্র চালু, পরিকল্পনা প্রণয়নের পরামর্শ কমিটি গঠন, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের উন্নয়ন ও বিকাশ ঘটানো,

জলাশয় ও পুকুরগুলো সংরক্ষণ শিশুদের সাঁতার শেখানোর বিশেষ উদ্যোগ, নগরীর বাজার গুলো আধুনিকায়ন, হোল্ডিং ট্যাক্স না বাড়িয়ে সেবার মান বৃদ্ধি,মুক্তিযুদ্ধ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নামে রাস্তার নামকরণ, বদ্ধভূমি গুলোর স্মৃতি সংরক্ষণ যাতায়াত ট্রাফিক ব্যবস্থা উন্নয়ন, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন,নারী উন্নয়ন ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা প্রদান, সম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ, কুয়াশা কমিউনিকেশন ও বিদ্যুৎ পরিষেবা উন্নয়ন, উন্নয়ন কেসিসিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে বুলেটিন প্রকাশ এবং খুলনা মহানগরীর সম্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণ।

মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় খুলনা প্রেসক্লাবে এ ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক ও এস এম কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য কেন্দ্রীয় পারভিন জাহান কল্পনা, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক কাজী আমিনুল হক,জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হারুনুর রশিদ, জেলাআওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট সুজিত অধিকারী, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মিজানহ নেতৃবৃন্দ।

খুলনা সিটির মেয়র প্রার্থী খালেকের পক্ষে ডুমুরিয়া উপজেলা আ’লীগের গণসংযোগ

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি খুলনা //

আসন্ন খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত ও ১৪ দল সমর্থিত মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেকের পক্ষে ডুমুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেন।   

শনিবার (৩জুন) বিকাল সাড়ে ৫টায় মহানগরীর গল্লামারি লায়ন্স স্কুল মাঠ থেকে গণসংযোগ শুরু করে নিরালা আবাসিক এলাকা মোড় পর্যন্ত গণসংযোগ করেন।

নৌকা মার্কায় ভোট প্রার্থনাকালে নেতৃবৃন্দ বলেন, খুলনার উন্নয়নে কর্মবীর তালুকদার আব্দুল খালেকের কোনো বিকল্প নেই। বিগত দিনে মেয়র থাকাকালী অল্পসময়ে খুলনার যে উন্নয়ন হয়েছে তা কল্পনাতীত। খুলনার চলমান কাজ সম্পন্ন করতে হলে তার মত নেতার প্রয়োজন। কারণ তিনি দিনরাত পরিশ্রম করেন।

গণসংযোগকাল উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এড. রবীন্দ্রনাথ মন্ডল, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোকলেচুর রহমান বাবলু, সদস্য ও  উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গাজী এজাজ আহম্মেদ, উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি শেখ নাজিবুর রহমান, সিরাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জি এম ফারুক হোসেন, আ’লীগ নেতা খান আবু বক্কর, মোল্লা সোহেল রানা,  জাহিদুল ইসলাম মোল্লা, বিষ্ণু প্রসাদ মল্লিক, শহিদুল ইসলাম, গাজী আব্দুস সালাম, বাবর আলী, বিল্লাল হোসেন, মেহেদী হাসান বিপ্লব, মুস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম, মজিদ কাজী, সুরঞ্জন ঘোষ, গাফফার বাওয়ালি, রেজাউল গোলদার, মনোরঞ্জন দাস, নির্মল দেবনাথ, গৌর ঢালী, পরিতোষ, সুকৃতি মন্ডল, মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী তাহমিনা বেগম, মাসুদা আক্তার রাখি, এমপি পুত্রবধূ প্রভাষক সুলগ্না বসু, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য শোভারানী হালদার,  ইউপি চেয়ারম্যান যথাক্রমে গাজী তৌহিদুজ্জামান, সুরঞ্জিত বৈদ্য   গাজী হুমায়ুন কবির বুলু, বিমল কৃষ্ণ সানা, গোপাল চন্দ্র দে, অধ্যক্ষ সমরেশ মন্ডল, মনোজিৎ বালা, তুহিনুল ইসলাম, শেখ রবিউল ইসলাম, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান রেজওয়ান মোল্লা, সেখ আব্দুল কুদ্দুস, উপজেলা যুবলীগ নেতা গোবিন্দ ঘোষ, শেখ ইকবাল হোসেন, সমীর দে গোরা, ইউপি সদস‍্য সরদার মাসুদ রানা, মাহাবুর রহমান শেখ,  আলহাজ রবিউল ইসলাম আন্টু, উপজেলা কৃষক লীগ নেতা অরিন্দম মল্লিক, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা খান আবুল বাশার,  আলামিন শেখ, রাসেল সরদার বঙ্গবন্ধু পরিষদ নেতা অসীম হালদার, শ্রমিক লীগ নেতা  এরশাদ মোল্লা, বিভা বিশ্বাস প্রমুখ।

ডুমুরিয়ায় যুবলীগের উদ্যোগে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আলহাজ আব্দুল খালেক তালুকদার এর নির্বাচনী প্রচারনা সফল করার মতবিনিময় সভা

//বিশেষ প্রতিনিধি খুলনা//

আসন্ন খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত (নৌকা) মেয়র প্রাথী আলহাজ আব্দুল খালেক তালুকদার  এর নির্বাচনী প্রচারনা সফল করার  লক্ষ্যে ৩১ মে বুধবার বিকেলে ডুমুরিয়া  উপজেলা যুবলীগের  উদ‍্যেগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক প্রভাষক গোবিন্দ ঘোষের এর সভাপতিত্বে মতবিনিময়  সভায় বক্তব‍্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি এ‍্যাড. রবীন্দ্রনাথ মন্ডল, ডুমুরিয়া কলেজের প্রভাষক সুলগ্ন বসু, আওয়ামী  নেতা এম এম সুলতান আহম্মেদ, জিএম ফারুক হোসেন, খান আবু বক্কার, মোল্ল‍্যা সোহেল রানা, মোল‍্যা সোহেল রানা, যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক শেখ ইকবাল হোসেনের পরিচালনায় আরো বক্তব‍্য দেন তহমিনা খানম মেহেদী হাসান বিপ্লব, আলহাজ্ব রবিউল ইসলাম আন্টু, প্রভাষক অমিত বিশ্বাস অপু, মেহেদী হাসান রাজা, মাহামুদুল ইসলাম খান, মোল‍্যা এরশাদ, ইমরান হোসেন বাবু, বিশ্বনাথ দে, দেবাশিষ বিশ্বাস, শরিফুল ইসলিম শরিফ, গাজী সোসেল আহম্মেদ লিটন,  খান আবুল বাশার, জিল্লুর রহমান আকুজ্ঞি, ইকতারুজ্জামান, সোহাগ গাজী, উত্তম বিশ্বাস, সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।

রূপসার ঘাটভোগ ইউনিয়ন আ’লীগের সম্মলন প্রস্তৃতি কমিটিতে ত্যাগীদের বাদ, নেতৃবৃন্দের ক্ষোভ

//রূপসা প্রতিনিধি//

খুলনার রূপসার ঘাটভোগ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটিতে প্রকৃত দলের কর্মীদের বাদ দিয়ে পছন্দের লোকদের রাখা হয়েছে কমিটিতে। দলের পৌড় খাওয়া পদপ্রত্যাশী পরীক্ষিত ও ত্যাগী কর্মীদের মধ্যে একদিকে বিরাজ করছে হতাশা। বিরাজ করছে চাপা ক্ষোভ।

দলের পরীক্ষিত কর্মীদের ভাষ্য যাদেরকে কমিটিতে রাখা হয়েছে তারা আদৌও কখনো আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলো না। অভিযোগ উঠেছে উপজেলা আ’লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা ছাড়াই গঠন করা হয়েছে এ সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি।

রূপসার ঘাটভোগ ইউনিয়ন আ’লীগের সম্মলন প্রস্তৃতি কমিটিতে ত্যাগীদের বাদ, নেতৃবৃন্দের ক্ষোভ

কমিটি গঠনের ব্যাপারে কিছু জানেন না উপজেলা আ’লীগ নেতারা।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রূপসা উপজেলা ঘাটভোগ ইউনিয়ন আ’লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটিতে চঞ্চল অধিকারীকে আহবায়ক, কুয়েত প্রবাসী আব্দুর জব্বার শেখকে যুগ্ম-আহবায়ক করা হয়েছে।

তৃণমূল পদ প্রত্যাশীদের ভাষ্যমতে, ঘোষিত কমিটির আহবায়ক চঞ্চল অধিকারী কখনো আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন না। এমনকি দলের দুর্দিনে কখনো রাজপথে তাকে দেখা যায়নি। এ কমিটি গঠন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন দলের উর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ।
জেলা আ’লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান জামাল বলেন, ঘাটভোগ ইউনিয়ন আ’লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটিতে যাকে আহ্বায়ক করা হয়েছে তাকে কখনো কোন দলীয় প্রোগ্রামে আমি দেখিনি। এমনকি তাকে আমি চিনি না। এছাড়া প্রবাসে যিনি থাকেন কিভাবে তাকে যুগ্ম-আহবায়ক করা হয়েছে এটাও আমার জানা নেই।
উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ ফ ম আব্দুস সালাম বলেছেন, এই কমিটির বিষয়ে কিছুই জানিনা। আমাদের উপজেলা কমিটিকে না জানিয়ে একটা মনগড়া কমিটি গঠন করা হয়েছে। যেটা বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল বলেন, উপজেলা আ’লীগের কোন সভা ছাড়াই এককভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি বলেন, একটি কমিটি ঘোষণা দিতে হলে কার্যনির্বাহী কমিটির সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে সভা করতে হয়, কিন্তু করা হয়নি। কমিটিতে যাকে আহ্বায়ক করা হয়েছে তাকে কখনো দলের মিছিল, মিটিং-এ দেখিনি। এছাড়া আব্দুর জব্বার শেখ বিদেশ থাকেন, তাকে করা হয়েছে যুগ্ম-আহবায়ক।
উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল ইসলাম বলেন, ফেসবুকের মাধ্যমে একটি কমিটি দেখেছি। কমিটিতে যাদের রাখা হয়েছে, তাদের নাম দেখে হতাশ হয়েছি। উপজেলা আ’লীগের কোনো সভায় এ কমিটি গঠনের ব্যাপারে আলোচনা করা হয়নি। দলের পরীক্ষিত ও ত্যাগীদের দিয়ে এ কমিটি গঠনের জোর দাবি জানিয়েছেন তিনি।
উপজেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবিব জানান, ফেসবুকে এ কমিটি দেখে হতবাক হয়েছি। পরীক্ষিতদের কমিটিতে রাখা হয়নি। উপজেলা আ’লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকেও কমিটি গঠনের ব্যাপারে কিছু জানতে পারলাম না, এটা খুবই কষ্টের এবং দুঃখজনক। যিনি আহবায়ক হয়েছেন তাকে কখনোই দলীয় প্রোগ্রামে দেখিনি।

এছাড়া দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তি কিভাবে যুগ্ম-আহ্বায়ক হলো এটা আমার জানা নেই। আমরা এই সকল বির্তক ব্যক্তিদের বাদ দিয়ে প্রকৃত দলের নিবেদিত কর্মীদের দিয়ে কমিটি করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

ডুমুরিয়ায় দেশব‍্যাপী বিএনপি জামাতের অগ্নিসন্ত্রাস অপরাজনীতি ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

  ।। বিশেষ প্রতিনিধি খুলনা।।

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী দেশব‍্যাপী বিএনপি জামাতের অগ্নিসন্ত্রাস অপরাজনীতি ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে ডুমুরিয়া উপজেলা যুবলীগের উদ‍্যেগে  ২৭ মে শনিবার বিকেলে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

দলীয় কার্যালয়ে সমানে অনুষ্ঠিত  উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক প্রভাষক গোবিন্দ ঘোষএর সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি’র বক্তব‍্য দেন জেলা যুবলীগের সভাপতি চৌধুরী রায়হান ফরিদ, অতিথি বক্তব‍্য দেন এ‍্যাড.রবীন্দ্রনাথ মন্ডল, শেখ নাজিবুর রহমান, এম এম সুলতান আহম্মেদ, জিএম ফারুক হোসেন, মোল‍্যা সোহেল  রানা.যুবলীগনেতা এ‍্যাড. আরশাফুল আলম রাজু, শেখ ইকবাল হোসেন, শাহানেওয়াজ হোসেন শিমুল, কাজী মেহেদী হাসান রাজা, মেহেদী হাসান বিপ্লব, শরিফুল ইসলাম, জাকির হোসেন মিল্টন, অমিত বিশ্বাস অপু, বিশ্বনাথ দে, বিকাশ মন্ডল, রবিউল ইসলাম আন্টু, মেহেদী মাসুদ, তৌহিদুজ্জামান রাতুল, রাজিউল বারী সৈকত, ইমরান হোসেন বাবু, ব্রজেন সরদার, মনোজ সরকার, ছাত্র নেতা শেখ মাসুদ রানা, প্রমুখ। সমাবেশের পূর্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে আমতলীতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

সাইফুল্লাহ নাসির, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছে বরগুনার আমতলী উপজেলা আওয়ামী লীগ। মিছিলটি দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু করে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে নগরীর তিন রাস্তার মোড়ে গিয়ে সমাবেশ করে।

সোমবার (২২ মে) রাতে পৌর শহরের দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে উপজেলা সভাপতি ও পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান এর নির্দেশনায় মিছিল ও সমাবেশ শুরু হয়।

শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে সারা দেশে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ বিক্ষোভ মিছিল হয়। এতে অংশ নেয়া দলীয় নেতাকর্মীরা বিএনপিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে স্লোগান দেন।উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এডভোকেট এম,এ কাদের মিয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে যেভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, তাতে অনেকের সহ্য হচ্ছে না। যারা দেশের অগ্রগতিকে থামিয়ে দিতে চান, তারাই বিভিন্ন সময় শেখ হাসিনাকে হত্যার অপচেষ্টা চালান। শেখ হাসিনার কিছু হলে দেশের ১৭ কোটি মানুষ বসে থাকবে না বলেও হুঁশিয়ার করেন বক্তারা।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার সরকারের পদত্যাগ ও ১০ দফা দাবিতে রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশ হয়। ওই সমাবেশ থেকেই প্রধানমন্ত্রীকে ‘কবরস্থানে’ পাঠানোর হুমকি দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ।