বাগেরহাটের রামপালের উজলকুড় বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি বাতিল

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি||

রামপালের উজলকুড় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি বাতিল করা হয়েছে। বিধি মোতাবেক ম্যানেজিং কমিটি গঠন না হওয়ায় অবশেষে কমিটি বাতিল করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড যশোর।
জানা গেছে, গত ইংরেজি ২২-২-২০২৩ তারিখে বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক মো. সিরাজুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ দেওয়া হয়েছে। উজলকুড় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি গঠনের লক্ষে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহাসিন হোসেন ২৯০ জন অভিভাবকের একটি ভোটার তালিকা প্রস্তুত করেন। ওই তালিকায় তিনি দুইজন মৃত ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি একই ব্যক্তিকে দুইবার ভোটার ও একজন শিক্ষার্থীকে দুই শ্রেনীর শিক্ষার্থী দেখিয়ে তার বাবা ও মাকে ভোটার করেন।

ওই তালিকা অনুযায়ী গত ইং ২৩-৪-২০২২ তারিখে নির্বাচনের মাধ্যমে ম্যানেজিং কমিটি গঠন করা হয়। ত্রটিপুর্ণ ভোটার তালিকায় নির্বাচন বিধি সম্মত হয়নি এমন দাবী করে মো. মিজানুর রহমান নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড য়শোর বরাবর একটি অভিযোগ করেন।
ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে যশোর শিক্ষা বোর্ড বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করতে বাগেরহাট জেলা শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ দেন।

এরপর জেলা শিক্ষা অফিসার তদন্ত করে গত ইং ৮-১২-২০২২ তারিখে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। ওই তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রবিধান ২০০৯ এর ০২ ও ১০ (ঘ) ধারা লঙ্ঘিত হওয়ায় অনুমোদিত ম্যানেজিং কমিটি কেন বাতিল করা হবে না তার জবাব চেয়ে প্রধান শিক্ষককে পত্র দেয়া হয়। প্রধান শিক্ষক জবাবও দাখিল করেন। ওই জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধান-২০০৯ এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী গত ইং ২২-২-২০২৩ তারিখ যশোর শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক মো. সিরাজুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক আদেশে কমিটি বাতিল করে প্রধান শিক্ষককে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যপারে প্রধান শিক্ষক মহাসিন হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অন লাইনে এমন একটি আদেশ দিয়েছে বলে শুনেছি। আমি এখনও দেখিনি। স্কুল খুললে আমি দেখে আপনাকে জানাবো। বর্তমান কমিটির সভাপতি খুলনা জেলা সেবচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও খুলনা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শেখ মো. আবু হানিফ বলেন, যশোর শিক্ষা বোর্ড যে কমিটি বাতিল করেছে সেই কমিটি বোর্ড অনুমোদন দিয়েছিল। তখন কেন ভোটার তালিকার ত্রটি ধরা পড়েনি ? আমি জোর করে কিংবা ইচ্ছা করে সভাপতি হইনি। এলাকার মানুষের অনুরোধে এবং বিদ্যালয়ের উন্নয়নের স্বার্থে সভাপতি হয়েছিলাম।

ডুমুরিয়ার প্রতিযশা বংশীবাদক শিল্পী ওস্তাদ আব্দুল হাকিম একুশে পদকে ভূষিত

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া//

খুলনার ডুমুরিয়ার উপজেলার চেচুড়ি গ্রামের সন্তান প্রতিযশা বংশীবাদক শিল্পী  ওস্তাদ আব্দুল হাকিম একুশে পদকে ভূষিত হয়েছেন।  । কাদা মাটি জল আর মাঠ ঘাটে বেড়া উঠা  ছোট বেলা থেকে বাশিঁ বাজাতেন। এক সময়ের নিভৃত পল্লীর বেড়ে উঠা টকবুকে তরুন আব্দুল হাকিম ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে ভারতে চলে যান ।

যুদ্ধের সময় বাশিঁ ছাড়তে পারিনি। যুদ্ধের সময়  বাংক্যারে বসে একাকীত্বে বাশির সুর সাধনা করতেন। পরিবার হারানো বেদনা ও ক্লান্ত  মুক্তিযুদ্ধাদের বাশিঁর সুরে বিমোহিত করে রাখতেন। যুদ্ধে যাওয়ার খবর তখনকার  দেশিয় রাজাকরা  জানতে পেরে হাকিমের বাড়িতে প্রতিনিয়ত হানা দিতো। মা সহ পরিবারের লোকজনদের রাজাকাররা  মানষিক ও শারিরীক নির্ষাতন করতো। যুদ্ধ শেষে তিনি বাড়িতে ফিরে আসে। তখন বাশিঁকে ছাড়তে না পেরে মনের গভীরে একটাই স্বপ্ন ও সাধনা নিয়ে বাশিঁ সুরে এলাকার মানুষকে বিমোহিত করেছেন।

এলাকাসহ আশপাশ এলাকায় যেখানে সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান হতো হাকিমের বাশিঁর সুর শুনতে এলাকার মানুষ জড়ো হতো। এভাবে চলতে চলতে ১৯৭৪ সালে শেষ দিকে খুলনা বেতারের সাথে যুক্ত হন । এরপর তিনি  ঢাকায় চলে যান। সঙ্গীত সাধনায় নিজেকে মেলে ধরতে সঙ্গীত শিল্পীদের সাথে কাজে করেছে। লালন ফকিরের জীবন নিয়ে নির্মিত ছায়াছবি মনের মানুষ এর সঙ্গীত্যয়োজনে তাঁর অন্যবদ্য ভূমিকা ছিল।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাকিম পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তার বাশিঁর সুর মুগদ্ধ করেছে সঙ্গীত পিপাষুদের।  তিনি যন্ত্র সঙ্গীত শিল্পী সংস্থার প্রেসিডেন্ট।

আলোকিত মানুষটি একুশে পদক প্রাপ্তির খবর ডুমুরিয়া ফাউন্ডেশন নামের একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠন সামাজিক যোগাযোগ মাধ‍্যামে প্রচার করে।

 

ডুমুরিয়ায় উপজেলা শিক্ষক কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লি: এর নির্বাচন ও সাধারন সভা অনুষ্ঠিত

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া//

ডুমুরিয়া উপজেলা শিক্ষক কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লি: এর নির্বাচন  ও সাধারন সভা উপলক্ষে ১১ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকালে স্থানীয় শহীদ স্মৃতি মহিলা কলেজ এর হল রুমে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় নির্বাচন পরিচালনা করেন উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা সরদার জাহিদুর রহমান  ,সহ পরিদর্শক বিপ্লব কুমার ও মাষ্টার সেলিম আহম্মেদ ।

আগামী ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে উপজেলা শিক্ষক কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লি: এর সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় পুনরায় নির্বাচিত  হলেন চেয়ারম্যান পদে শহীদ স্মৃতি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ শেখ শহিদুল ইসলাম ,ভাইন্স চেয়ারম্যান শিক্ষক জিএম শফিকুল ইসলাম, সেক্রেটারী শিক্ষক নিত্যানন্দ মন্ডল,জয়েন্ট সেক্রেটারী উত্তম কুমার দাশ ও শিপ্রা রানী ফৌজদার, ট্রেজারার সমারেশ কান্তি রায় ডিরেক্টর জয়ন্ত কুমার দে ।

 

রামপালে শিক্ষক সমিতির ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি ফরহাদ, সম্পাদক বেলাল

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বেলা ১১ টায় উপজেলার শ্রীফলতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় চত্বরে সমিতির সভাপতি মো. নিজাম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক, বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার।

সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মহসিন হোসেনের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান শেখ নূরুল হক লিপন, সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোল্লা আ. রউফ, ওসি মোহাম্মদ সামসুদ্দীন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জামিল হাসান জামু, ইউপি চেয়ারম্যান ফকির আব্দুল্লাহ, সংগঠনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আ. মান্নান, বেলাল উদ্দিন প্রমুখ। সম্মেলনে মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির মো. ফরহাদ হোসেনকে সভাপতি ও বেলাল উদ্দিনকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এর পূর্বে সকাল ১০ টায় সিটি করপোরেশনের মেয়র ও উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার ভাগা সুন্দরবন মহিলা কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন এবং নবনির্মিত আইসিটি ভবনসহ ৩ টি নির্মাণাধীন ব্রীজের উদ্বোধন করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে খুলনা সিটি মেয়র খালেক বলেন, শিক্ষকরা মানুষ গড়ার কারিগর।

তারা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করলে আমাদের ছেলেমেয়েরা আরও বেশি জ্ঞান বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ হতো। রামপালে শিক্ষকরা শ্রেষ্ঠত্বের দিক দিয়ে পিছনে পড়ে আছেন। তাদের মেধা ভিত্তিক উৎকর্ষতায় অনেক পিছিয়ে পড়েছেন। তারা অনেক দূর্বল। জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হতে পারেন না।  আমাদের শিক্ষার্থীরা ভালো মানের শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

এর কারণ শিকার মান নিম্নগামী। এটা হতাশাজনক। আপনারা পাঠদানে আরও বেশি মনোযোগী হবেন এটাই প্রত্যাশা। একই কথা বলেন উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার। তিনি বলেন, শক্তিশালী সংগঠন করলে হবে না। পাশাপাশি পাঠদানে আরও বেশি আন্তরিক হতে হবে। আপনারা আপনাদের বাড়ির সন্তানদের মত মনে করে তাদের পাঠ দান করে মানুষের মত মানুষ করে গড়ে তুলবেন।

 

বিকে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানাবিধ অভিযোগ

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট//

বাগেরহাট-পিরোজপুর মহাসড় সংলগ্ন ঐতিহ্যবাহী বিকে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাধান শিক্ষক বিধান চন্দ্র গাইনের বিরুদ্ধে নিয়োগ বানিজ্য,অবৈধ সম্পদ অর্জন করে ভারতে পাচার,পুস্তক বানিজ্য, ছাত্র/ছাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফিস আদায়,কর ফাকিরসহ বিভিন্ন খাত থেকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া নিয়োগ বানিজ্য করায় বাগেরহাট সহকারি জজ আদালতে দেঃ আপিল ০৪/২২ নং মামলা চলমান আছে।এঘটনায় বিকে মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাক্তন সহকারী শিক্ষক সুবাস চন্দ্র সাহা দুর্নীতি দমন কমিশন এর প্রধান কার্যালয়ে অভিযোগ করেছেন।

প্রাক্তন সহকারী শিক্ষক সুবাস চন্দ্র সাহা জানান, বিধান চন্দ্র গাইন প্রধান শিক্ষক হিসেবে বি.কে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকে এপর্যন্ত ঘুষ বানিজ্যের মাধ্যমে ১২ জন শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগ দিয়েছেন। বাধাল বাজারের দক্ষিন পাশে ১২ লক্ষ টাকার জমি ক্রয় করে বাড়ী নির্মান করেছেন।স্কুলের পুরাতন ঘর প্রকাশ্য নিলামে বিক্রয় না করে গোপনে বিক্রয় করে ৭০ হাজার, কমিটি গঠন না করে নিজ ইচ্ছামত কাঠ মিস্ত্রীদিয়ে নাম মাত্র চেয়ার টেবিল মেরামত ও স্কুল কক্ষ প্লাষ্টার না করে ২দুই লক্ষ ৩০হাজার, এস,এ,সি পরীক্ষার্থীদের নিকট থেকে অতিরিক্ত র্বোড ফি এর রশিদ প্রদান করলেও প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে খরচা বাবদ লাগবে বলে ভুল বুঝিয়ে ২/৩শত টাকা,কোম্পানীর লোকজনের সাথে যোগাযোগ করে ৬ষ্ঠ-৯ম শ্রেনির শিক্ষার্থীদের নি¤œ মানের নোট গাইড শিক্ষার্থীদের কিনতে  বাধ্য করেন।

বিভিন্ন ব্যাংকে তার নিামে ও বেনামে ব্যাংক হিসাব রয়েছে। ২০১৫ সালে ইসলাম ধর্মীয় শিক্ষক আঃ হান্নান এর নিকট থেকে স্কুলের শহিদ মিনার নির্মান ও পূর্ব পাশের টিনশেড বিল্ডিং এর ৩টি রুমে ৬টি ফ্যান ক্রয়ের কথা বলে ৮০ হাজার টাকা নিয়ে শুধুমাত্র ১৫ হাজার টাকায় ৬টি ফ্যান ক্রয় করে বাকি ৬৫ হাজার টাকা,স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের ছবিতোলা,ম্যানেজিং কমিটির মিটিং ও আপ্যায়ন,জরিমানা, অনুপস্থিত শিক্ষকের বেতন প্রদান, স্কুলে অনুপস্থিত থাকার অনিয়ম, পূজা পার্বনের, অফিস আদালতে যাতায়াত,মোবাইলে ফ্লেক্সিলোড এর টাকা আত্মসাৎ করে।

তিনি আরো জানান, ঘুষ দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ ভারতে পাচার করে পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জেলার চুঁচুড়া থানার  কুলিহান্ডা গ্রামে ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে জায়গা কিনে সেখানে ২য় তলা বিশিষ্ট দৃষ্টিনন্দন ভবন নির্মান করেছেন। সেখানে তাহার স্ত্রী,ভাই, পিতা ও মাতা সহ পরিবারের লোক জন বসবাস করে। ঝ৫২৫/পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচক তালিকা ২০১৯,১৯০ চুঁচুড়া(সাধারন)বিধানসভা নির্বাচনক্ষেত্র অংশ নং-১৬২ এর ৬১ নং বিবেকানন্দ গাইন, ৬২ নং স্ত্রী মালতী বিশ্বাস,স্বামী বিধান চন্দ্র গাইন পরিবর্তন করে শিপ্রা গাইন, স্বামী বিভুতি ভুষন গাইন নামে লিপিবদ্ধ আছে। ৬৩ নং মাতা রেনুবালা গাইন এর নাম পরিবর্তন করে রেনুকা গাইন নামে  লিপিবদ্ধ আছে। ৬৬ নং পিতা মাধব চন্দ্র গাইন এর নাম পরিবর্তন করে মহাদেব গাইন নাম লিপিবদ্ধ আছে। ৬৭ নং নাম বিধান চন্দ্র গাইন, পিতা মাধব চন্দ্র গাইন পরিবর্তন করে বিভুতিভুষন গাইন, পিতামহাদেব গাইন  লিপিবদ্ধ আছে। তিনি প্রতিবছর বিশেষ করে শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগের পরপরই লম্বা ছুটি নিয়ে বাংলাদেশী পাসপোর্টের মাধ্যমে ভারতে যাতায়াত করেন। ওই শিক্ষক বিধান চন্দ্র গাইন বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের কড়াবৌলা গ্রামের ০৯২৮ ভোটার এলাকা ১৪১ নং ভোটার ও তার স্ত্রী  মালতী রানী বিশ্বাস ১৪৪ নং ভোটার।

এ ব্যাপারে বি.কে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক বিধান চন্দ্র গাইন এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না।

ডুমুরিয়ায়  স্কুল কে জিম্মি করে মুক্তিপন দাবী শ্বাসরোধ করে।ঘটনার সাথে জড়িত ৫ জন কে গ্রেফতার

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব
ডুমুরিয়া, খুলনা//
খুলনার ডুমু‌রিয়া গুটু‌দিয়া মাধ‌্যমিক বিদ‌্যাল‌য়ের  এক ছাত্রকে কিশোরগ‍‍্যাং কর্তৃক  জিম্মি।  ৩০ লাখ টাকা চাঁদার দাবী। অতপর শ্বাস‌রোধ ক‌রে হত‌্যা।                                                                                          বৃহস্প‌তিবার দিবাগত রাত ১টার দি‌কে বিদ‍্যালয়ের একটি পরিত‍্যাক্ত কক্ষ থে‌কে   মর‌দেহ উদ্ধার ক‌রেছে পু‌লিশ। নিহত স্কুল ছাত্র  নিরব  মন্ডল (১২) গুটু‌দিয়ার পূর্ব পাড়া গ্রা‌মের শেখর মন্ড‌লের ছে‌লে।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও পু‌লিশ সূ‌ত্রে জানা যায়, বৃহস্প‌তিবার প্রতি‌দি‌নের ন‌্যায় নিরব  বা‌ড়ির পা‌শ্ববর্তী গুটু‌দিয়া মাধ‌্যমিক বিদ‌্যাল‌য়ে যায়।  স্কুল ছুটির  নি‌র্দিষ্ট সম‌য়ে বা‌ড়ি না ফেরায়  পরিবারের তাকে খোজাখু‌জি ক‌রে। এরপর বি‌কেল সা‌ড়ে ৪টার দি‌কে নির‌বের পিতা শেখ‌রের কা‌ছে একটি অজ্ঞাত পরিচয়ে  ফোন  ৩০ লাখ টাক‌া মু‌ক্তিপণ দা‌বি ক‌রে।   বিষয়টি নিরবের পিতা আত্নীয় স্বজনকে  জানান।    সন্ধ‍্যার দিকে  নিরবের  নিখোজ বিষয়ে  শেখর মন্ডল থানায়  একটি  জি‌ডি ক‌রেন।
এর থানা  পুলিশ ফোনের কল রেকড় এর সুত্র ধরে  একজনেকে সনাক্ত করে একে একে ঘটনার সাথে জড়িত সকলকে আটক করে। শুক্রবার সকালে নিহত নিরবের বাড়ি গেলে প্রতিবেশী ও পরিবারের লোকজনদের আজাহারি দেখা যায় । মা  সাথি রানী ছেলের মৃত‍্যুর খবরে বার বার মুচ্ছা যাচ্ছে।  কাকা রতন মন্ডল কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন আমার জেষ্ঠৈর কি অপরাধ ছিল। তোরা কেন মারলি এর মতো নরম ভদ্র ছেলে দেখা মেলেনা। প্রতিবেশীদের মুখে একই কথা।   স্কুলের প্রধান শিক্ষক শংকর মন্ডল বলেন বৃহস্পতিবার হাফ স্কুল ছিল। নিরব ক্লাস করেছে। স্কুল ছুটির পর ছেলে মেয়ের আনন্দ উল্লাস করে বাড়ি ফেরে। বিকেলে দিকে নিরবের বাবা আমাকে ফোন দিলে প্রতিবেশী ছাত্রদের বাড়িতে নিরবের খবর নেই। রাতে জানতে পারি স্কুলের পরিত‍্যাক্ত কক্ষে   পাওয়া গেছে। নিরব নিরহ প্রকৃতি।
ডুমু‌রিয়া থানার অ‌ফিসার ইনচার্জ সেখ ক‌নি মিয়া  বলেন  খবরটি পেয়ে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে ফোনের সুত্র ধরে দ্রুত সমযে ছাত্রের সন্ধান পাই। রাতেই লাশ উদ্ধার ক‌রে থানায় আনা হ‌য়ে‌ছে। এ ঘটনায় গুটুদিয়া গ্রামের মৃত‍্যু সৈয়েদ সরদারের পুত্র  স্কুলের ৯ ম শ্রেনীর ছাত্র সোহেল মোল্ল‍্যা, জেলেরডাঙ্গা গ্রামের পঙ্কজ মন্ডলের পুত্র ও ৯ ম শ্রেনীর ছাত্র পিতু মন্ডল, অনিমেশ মন্ডলের পুত্র পিয়াল মন্ডল, প্রকাশ রায়ের পুত্র হিরক মন্ডল,   ও ক্ষিতিষ মন্ডলের পুত্র দিপু মন্ডল কে আটক করা হ‌য়ে‌ছে।  এরা  সবাই কিশোর গ‍্যাং ক্রাইম প্রোট্টল দেখে উদ্ভদ্ধ হযে নিহত নিরবের পিতার কাছ থেকে অর্থ সম্পদের হাতিয়ে নেওয়া যাবে।  নিরবের পিতার কাছে ৩০ লাখ টাকা চাদা দাবী করে । নিহত নিরবের লাশ সুরোতহাল রিপোট তৈরী করে  খুলনা মেড়িকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে।  নিরবের মামা বিশ্বজিৎ বাদী হয়ে হত‍্যা মামলা দায়ের করেছে ।

দন্ডপ্রাপ্ত হয়েও বহাল তবিয়তে আমতলীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা

//সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলীতে আদালত কর্তৃক দন্ডপ্রাপ্ত হয়েও বহাল তবিয়তে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের   প্রধান শিক্ষিকার (চলতি দায়িত্ব) চাকুরী করছেন আমতলী পৌর শহরের বাসিন্দা ফেরদৌসী বেগম।

ফেরদৌসী বেগম উপজেলার হরিমৃতন্জয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার চলতি দায়িত্ব পালন করছেন।

ফেরদৌসি বেগমের ছেলের স্ত্রীর করা যৌতুক মামলায় আর্থিক দণ্ডপ্রাপ্ত।

ঐ মামলার বাদী আদালতের রায়সহ ব্যবস্থা এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমতলী উপজেলা ও বরগুনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে লিখিত আবেদন করেছেন।

ভুক্তভোগী নাজমুন নাহার ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, আমতলী উপজেলার উত্তর টেপুরা গ্রামের মোঃ আবুল হেসেনের মেয়ে নাজমুন নাহারের সাথে আমতলী পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সৈয়দ আফাজ উদ্দিন চুন্নু মিরার ছেলে সৈয়দ ইজাজ উদ্দিন হাদি সজিবের সাথে ২০০৯ সালের ১৭ নভেম্বর বিয়ে হয়।সজিবের মা ফেরদৌসী বেগম হরিমৃতুঞ্জয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার চলতি দায়িত্বে রয়েছেন।

নাজমুন নাহারের বিয়ের সময় মেয়ের বাবা ছেলেকে নগদ টাকা স্বর্ণালঙ্কারসহ ঘরের আসবাবপত্র সহ যাবতীয় মালামাল দিয়ে মেয়েকে বিয়ে দেয়। বিয়ের পর প্রায়ই যৌতুক লোভী ইজাজ মা ভাইয়ের প্ররোচনায় স্ত্রীর কাছে পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক এবং একটি মোটর সাইকেল কিনে দেওয়ার দাবি করেন। যৌতুক দিতে অস্বীকার করায় স্বামী ইজাজ,শাশুড়ি ফেরদৌসি এবং দেবর শাহরিয়ার ঘরের দরজা বন্ধ করে নাজমুন নাহারকে মারধর করে।

মারধরের সময় স্বামী ইজাজ জ্বলন্ত সিগারেটের আগুন দিয়ে নাজমুন নাহারের সারা শরীর ঝলসে দেয় এবং লাঠি দিয়ে আঘাত করলে নাজমু নাহার মেরুদণ্ডে আঘাত প্রাপ্ত হন। মেয়ের এ খবর পেয়ে নাহারের বাবা মা তাকে বাড়ি নিয়ে যান।

পরবর্তীতে এ ঘটনায় নাজমুন নাহার বাদী হয়ে ২০১৯ সালের ১০ অক্টোবর আমতলী উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নারী শিশু নির্যাতন ও যৌতুক নিরোধ আইনে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘদিন মামলা চলার পর ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর মামলার রায় প্রদান করা হয়।

আমতলী উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ বিচারক আরিফুর রহমান এর দেওয়া রায়ে স্বামী সৈয়দ ইজাজ উদ্দিন সজিবকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেন। তার মা প্রধান শিক্ষিকা ফেরদৌসি বেগমকে আট হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ প্রদান করেন। শাশুড়ি ফেরদৌসি বেগম আদালতের ওই আদেশ মেনে জরিমানার টাকাও পরিশোধ করেছেন।

বাদী নাজমুন নাহার আদালতের  দেওয়া আদেশের পর বাদী নাজমুন নাহার মামলায় দন্ডপ্রাপ্ত  তার শাশুড়ি ফেরদৌসি বেগম সরকারি চাকরিজীবী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা প্রাতমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও বরগুনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নিকট আবেদন করেন।

অভিযোগ এর বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষিকা ফেরদৌসি বেগম বলেন,আমি উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবো।

অভিযোগ কারী নাজমুন নাহার বলেন,আদালতে আমি ন্যায় বিচার পেয়েছি।আমার শাশুড়ি সরকারি চাকরিজীবী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করেছি।

এ বিষয়ে সদ্য বদলী হওয়া আমতলী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মজিবুর রহমান বলেন,যৌতুক মামলায় আদালতের রায়ে ফেরদৌসি নামে এক শিক্ষকের আর্থিক দণ্ড হয়েছে। রায়ের কপিসহ বাদীর একটি আবেদন পেয়েছি। মতামতসহ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদনটি জেলা শিক্ষা অফিসে পাঠানো হয়েছে।

বরগুনা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আদালতে একজন শিক্ষকের যৌতুক মামলায় আর্থিক দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছে এবং সকল কাগজপত্রও পাওয়া গেছে। সরকারি চাকুরি বিধি অনুযায়ী ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Daily World News

বরগুনার তালতলীতে বেসরকারি সংস্থার আর্থিক সহায়তা প্রদান

বাগেরহাটের রামপালে কাদিরখোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৪১ তম বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠিত

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার কাদিরখোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৪১ তম বার্ষিক ক্রীড়া, সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি ও সাবেক সদর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জামিল হাসান জামুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা ও সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন খুলনা সিটি করপোরেশন এর মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় পরিচালক হারুন অর রশিদ, রামপাল উপজেলা চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোল্লা আ. রউফ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হোসনেয়ারা মিলি, উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডাক্তার সুকান্ত কুমার পাল।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জিয়াউল হক, অধ্যক্ষ শেখ খালিদ আহমেদ, ওসি মোহাম্মদ সামসুদ্দীন, সদর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ নাসির উদ্দীন, বাইনতলা ইউপি চেয়ারম্যান ফকির আব্দুল্লাহ, পেড়িখালী ইউপি চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম বাবুল, হুড়কা ইউপি চেয়ারম্যান তপন কুমার গোলদার, রাজনগর ইউপি চেয়ারম্যান সুলতানা পারভীন, জেলা পরিষদ সদস্য শেখ মনির আহমেদ প্রিন্স, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান গাজী গিয়াস উদ্দিন, গাজী আক্তারুজ্জামান, ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম, গিলাতলা সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সুশান্ত কুমার পাল, শেখ মোহাম্মদ আলী, মাষ্টার আজম হোসেন প্রমুখ।

কৃত্বি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র আ. খালেক বলেন, উন্নত জাতি গঠনে যেমন শিক্ষার প্রয়োজন তেমনি শরীর চর্চাও প্রয়োজন। সুস্থ জাতি গঠনে সাংস্কৃতি ও বিনোদন চর্চা করতে হবে।

ভাঙ্গারি ব্যবসায়ীর দখলে মাদ্রাসার মাঠ – ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

মাদ্রাসার মাঠে অবৈধ মালামাল স্তুপ করে রাখায় মাঠ দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করা শত শত শিক্ষার্থীরা ভোগান্তীতে পড়েছে। মাঠটি ভাঙ্গারি ব্যবসায়ীরা  লোহার প্লেট ও ব্রিজের অ্যাঙ্গেল ফেলে দখল করে রেখেছে। প্রতিদিন এই মাঠে মাঠঠিতে  শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা করতো তাও বন্ধ হয়ে গেছে। বিষয়টি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানালেও প্রতিকার মিলছে না।

বরগুনার তালতলী উপজেলার থানা রোড এলাকার মালিপাড়া সালেহিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসার মাঠটি দখল করে ব্যবসা করছেন ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী মশিউর।মালিপাড়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হারুন অর রশিদ জানান,দীর্ঘদিন ধরে এই মালামাল মাদ্রাসার মাঠে পড়ে আছে। এতে শিক্ষার্থীরা ভোগান্তিতে পড়েছে। অন্যদিকে মাদ্রাসার মাঠটি দখল থাকায় শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা করতেও পারছেন না। ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী মশিউরকে কয়েকবার বলার পরও তিনি এসব মালামাল সরাননি।

জানা গেছে, উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের নলবুনীয়া এলাকায় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তামার তার ও লোহার প্লেট, এঙ্গেল সহ বিভিন্ন মালামাল একটি চক্র লুটপাট করে ভাঙ্গারি দোকানে বিক্রি করে। এসব ব্যবসায়ীদের মালামাল রাখার নিরাপদ স্থান মালিপাড়া মাদ্রাসার মাঠে। বিষয়টি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করছেন।ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী মো. মশিউর বলেন, তালতলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রেজবি উল কবিরের এসব মালামাল কাজে লাগবে এ কারণেই মাদ্রাসার মাঠে রেখেছেন।উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সভাপতি রেজবি উল কবির বলেন, মাদ্রাসার মাঠে এসব মালামালের বিষয়ে আমি কিছু  জানিনা।

এ বিষয়ে তালতলী থানার ওসি সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই, তবে খোঁজ খবর নিচ্ছি।

অভয়নগরে বিতর্কিত পাঠ্যক্রম বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন পালিত ও পাঠ্যক্রম প্রণয়নে জড়িতদের শাস্তির দাবি

Md. Pikul Islam

মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍ঃ

যশোরের অভয়নগরে বিতর্কিত পাঠ্যক্রম বাতিল ও পাঠ্যক্রম প্রণয়নে জড়িতদের শাস্তির দাবিতে মানবন্ধন পালিত হয়েছে। ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ অভয়নগর উপজেলা শাখা এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।

বৃহস্পতিবার (২৬জানুয়ারি) বিকালে নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের সামনে মাদরাসা ছাত্ররা এ মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে।ঘন্টাব্যাপী চলা মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন যশোর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ গাজী, অভয়নগর উপজেলা শাখার সভাপতি ওহিদুল ইসলাম, সহ-সভাপতি তাওহিদুল ইসলাম ও সাবেক সভাপতি আশরাফুল ইসলাম।

এসময় ২০২৩ শিক্ষাক্রমে বিতর্কিত পাঠ্যক্রম বাতিল ও পাঠ্যক্রম প্রণয়নে জািড়তদের তদন্তপূর্বক শস্তির দাবি করেন বক্তারা। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের মধ্যদিয়ে সরকার পতনের হুশিয়ারী প্রদান করেন তারা।

মানববন্ধন শেষে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি দল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে।