ডুমুরিয়ায়  স্কুল কে জিম্মি করে মুক্তিপন দাবী শ্বাসরোধ করে।ঘটনার সাথে জড়িত ৫ জন কে গ্রেফতার

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব
ডুমুরিয়া, খুলনা//
খুলনার ডুমু‌রিয়া গুটু‌দিয়া মাধ‌্যমিক বিদ‌্যাল‌য়ের  এক ছাত্রকে কিশোরগ‍‍্যাং কর্তৃক  জিম্মি।  ৩০ লাখ টাকা চাঁদার দাবী। অতপর শ্বাস‌রোধ ক‌রে হত‌্যা।                                                                                          বৃহস্প‌তিবার দিবাগত রাত ১টার দি‌কে বিদ‍্যালয়ের একটি পরিত‍্যাক্ত কক্ষ থে‌কে   মর‌দেহ উদ্ধার ক‌রেছে পু‌লিশ। নিহত স্কুল ছাত্র  নিরব  মন্ডল (১২) গুটু‌দিয়ার পূর্ব পাড়া গ্রা‌মের শেখর মন্ড‌লের ছে‌লে।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও পু‌লিশ সূ‌ত্রে জানা যায়, বৃহস্প‌তিবার প্রতি‌দি‌নের ন‌্যায় নিরব  বা‌ড়ির পা‌শ্ববর্তী গুটু‌দিয়া মাধ‌্যমিক বিদ‌্যাল‌য়ে যায়।  স্কুল ছুটির  নি‌র্দিষ্ট সম‌য়ে বা‌ড়ি না ফেরায়  পরিবারের তাকে খোজাখু‌জি ক‌রে। এরপর বি‌কেল সা‌ড়ে ৪টার দি‌কে নির‌বের পিতা শেখ‌রের কা‌ছে একটি অজ্ঞাত পরিচয়ে  ফোন  ৩০ লাখ টাক‌া মু‌ক্তিপণ দা‌বি ক‌রে।   বিষয়টি নিরবের পিতা আত্নীয় স্বজনকে  জানান।    সন্ধ‍্যার দিকে  নিরবের  নিখোজ বিষয়ে  শেখর মন্ডল থানায়  একটি  জি‌ডি ক‌রেন।
এর থানা  পুলিশ ফোনের কল রেকড় এর সুত্র ধরে  একজনেকে সনাক্ত করে একে একে ঘটনার সাথে জড়িত সকলকে আটক করে। শুক্রবার সকালে নিহত নিরবের বাড়ি গেলে প্রতিবেশী ও পরিবারের লোকজনদের আজাহারি দেখা যায় । মা  সাথি রানী ছেলের মৃত‍্যুর খবরে বার বার মুচ্ছা যাচ্ছে।  কাকা রতন মন্ডল কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন আমার জেষ্ঠৈর কি অপরাধ ছিল। তোরা কেন মারলি এর মতো নরম ভদ্র ছেলে দেখা মেলেনা। প্রতিবেশীদের মুখে একই কথা।   স্কুলের প্রধান শিক্ষক শংকর মন্ডল বলেন বৃহস্পতিবার হাফ স্কুল ছিল। নিরব ক্লাস করেছে। স্কুল ছুটির পর ছেলে মেয়ের আনন্দ উল্লাস করে বাড়ি ফেরে। বিকেলে দিকে নিরবের বাবা আমাকে ফোন দিলে প্রতিবেশী ছাত্রদের বাড়িতে নিরবের খবর নেই। রাতে জানতে পারি স্কুলের পরিত‍্যাক্ত কক্ষে   পাওয়া গেছে। নিরব নিরহ প্রকৃতি।
ডুমু‌রিয়া থানার অ‌ফিসার ইনচার্জ সেখ ক‌নি মিয়া  বলেন  খবরটি পেয়ে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে ফোনের সুত্র ধরে দ্রুত সমযে ছাত্রের সন্ধান পাই। রাতেই লাশ উদ্ধার ক‌রে থানায় আনা হ‌য়ে‌ছে। এ ঘটনায় গুটুদিয়া গ্রামের মৃত‍্যু সৈয়েদ সরদারের পুত্র  স্কুলের ৯ ম শ্রেনীর ছাত্র সোহেল মোল্ল‍্যা, জেলেরডাঙ্গা গ্রামের পঙ্কজ মন্ডলের পুত্র ও ৯ ম শ্রেনীর ছাত্র পিতু মন্ডল, অনিমেশ মন্ডলের পুত্র পিয়াল মন্ডল, প্রকাশ রায়ের পুত্র হিরক মন্ডল,   ও ক্ষিতিষ মন্ডলের পুত্র দিপু মন্ডল কে আটক করা হ‌য়ে‌ছে।  এরা  সবাই কিশোর গ‍্যাং ক্রাইম প্রোট্টল দেখে উদ্ভদ্ধ হযে নিহত নিরবের পিতার কাছ থেকে অর্থ সম্পদের হাতিয়ে নেওয়া যাবে।  নিরবের পিতার কাছে ৩০ লাখ টাকা চাদা দাবী করে । নিহত নিরবের লাশ সুরোতহাল রিপোট তৈরী করে  খুলনা মেড়িকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে।  নিরবের মামা বিশ্বজিৎ বাদী হয়ে হত‍্যা মামলা দায়ের করেছে ।

দন্ডপ্রাপ্ত হয়েও বহাল তবিয়তে আমতলীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা

//সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলীতে আদালত কর্তৃক দন্ডপ্রাপ্ত হয়েও বহাল তবিয়তে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের   প্রধান শিক্ষিকার (চলতি দায়িত্ব) চাকুরী করছেন আমতলী পৌর শহরের বাসিন্দা ফেরদৌসী বেগম।

ফেরদৌসী বেগম উপজেলার হরিমৃতন্জয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার চলতি দায়িত্ব পালন করছেন।

ফেরদৌসি বেগমের ছেলের স্ত্রীর করা যৌতুক মামলায় আর্থিক দণ্ডপ্রাপ্ত।

ঐ মামলার বাদী আদালতের রায়সহ ব্যবস্থা এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমতলী উপজেলা ও বরগুনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে লিখিত আবেদন করেছেন।

ভুক্তভোগী নাজমুন নাহার ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, আমতলী উপজেলার উত্তর টেপুরা গ্রামের মোঃ আবুল হেসেনের মেয়ে নাজমুন নাহারের সাথে আমতলী পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সৈয়দ আফাজ উদ্দিন চুন্নু মিরার ছেলে সৈয়দ ইজাজ উদ্দিন হাদি সজিবের সাথে ২০০৯ সালের ১৭ নভেম্বর বিয়ে হয়।সজিবের মা ফেরদৌসী বেগম হরিমৃতুঞ্জয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার চলতি দায়িত্বে রয়েছেন।

নাজমুন নাহারের বিয়ের সময় মেয়ের বাবা ছেলেকে নগদ টাকা স্বর্ণালঙ্কারসহ ঘরের আসবাবপত্র সহ যাবতীয় মালামাল দিয়ে মেয়েকে বিয়ে দেয়। বিয়ের পর প্রায়ই যৌতুক লোভী ইজাজ মা ভাইয়ের প্ররোচনায় স্ত্রীর কাছে পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক এবং একটি মোটর সাইকেল কিনে দেওয়ার দাবি করেন। যৌতুক দিতে অস্বীকার করায় স্বামী ইজাজ,শাশুড়ি ফেরদৌসি এবং দেবর শাহরিয়ার ঘরের দরজা বন্ধ করে নাজমুন নাহারকে মারধর করে।

মারধরের সময় স্বামী ইজাজ জ্বলন্ত সিগারেটের আগুন দিয়ে নাজমুন নাহারের সারা শরীর ঝলসে দেয় এবং লাঠি দিয়ে আঘাত করলে নাজমু নাহার মেরুদণ্ডে আঘাত প্রাপ্ত হন। মেয়ের এ খবর পেয়ে নাহারের বাবা মা তাকে বাড়ি নিয়ে যান।

পরবর্তীতে এ ঘটনায় নাজমুন নাহার বাদী হয়ে ২০১৯ সালের ১০ অক্টোবর আমতলী উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নারী শিশু নির্যাতন ও যৌতুক নিরোধ আইনে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘদিন মামলা চলার পর ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর মামলার রায় প্রদান করা হয়।

আমতলী উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ বিচারক আরিফুর রহমান এর দেওয়া রায়ে স্বামী সৈয়দ ইজাজ উদ্দিন সজিবকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেন। তার মা প্রধান শিক্ষিকা ফেরদৌসি বেগমকে আট হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ প্রদান করেন। শাশুড়ি ফেরদৌসি বেগম আদালতের ওই আদেশ মেনে জরিমানার টাকাও পরিশোধ করেছেন।

বাদী নাজমুন নাহার আদালতের  দেওয়া আদেশের পর বাদী নাজমুন নাহার মামলায় দন্ডপ্রাপ্ত  তার শাশুড়ি ফেরদৌসি বেগম সরকারি চাকরিজীবী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা প্রাতমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও বরগুনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নিকট আবেদন করেন।

অভিযোগ এর বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষিকা ফেরদৌসি বেগম বলেন,আমি উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবো।

অভিযোগ কারী নাজমুন নাহার বলেন,আদালতে আমি ন্যায় বিচার পেয়েছি।আমার শাশুড়ি সরকারি চাকরিজীবী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করেছি।

এ বিষয়ে সদ্য বদলী হওয়া আমতলী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মজিবুর রহমান বলেন,যৌতুক মামলায় আদালতের রায়ে ফেরদৌসি নামে এক শিক্ষকের আর্থিক দণ্ড হয়েছে। রায়ের কপিসহ বাদীর একটি আবেদন পেয়েছি। মতামতসহ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদনটি জেলা শিক্ষা অফিসে পাঠানো হয়েছে।

বরগুনা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আদালতে একজন শিক্ষকের যৌতুক মামলায় আর্থিক দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছে এবং সকল কাগজপত্রও পাওয়া গেছে। সরকারি চাকুরি বিধি অনুযায়ী ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Daily World News

বরগুনার তালতলীতে বেসরকারি সংস্থার আর্থিক সহায়তা প্রদান

বাগেরহাটের রামপালে কাদিরখোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৪১ তম বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠিত

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার কাদিরখোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৪১ তম বার্ষিক ক্রীড়া, সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি ও সাবেক সদর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জামিল হাসান জামুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা ও সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন খুলনা সিটি করপোরেশন এর মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় পরিচালক হারুন অর রশিদ, রামপাল উপজেলা চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোল্লা আ. রউফ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হোসনেয়ারা মিলি, উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডাক্তার সুকান্ত কুমার পাল।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জিয়াউল হক, অধ্যক্ষ শেখ খালিদ আহমেদ, ওসি মোহাম্মদ সামসুদ্দীন, সদর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ নাসির উদ্দীন, বাইনতলা ইউপি চেয়ারম্যান ফকির আব্দুল্লাহ, পেড়িখালী ইউপি চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম বাবুল, হুড়কা ইউপি চেয়ারম্যান তপন কুমার গোলদার, রাজনগর ইউপি চেয়ারম্যান সুলতানা পারভীন, জেলা পরিষদ সদস্য শেখ মনির আহমেদ প্রিন্স, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান গাজী গিয়াস উদ্দিন, গাজী আক্তারুজ্জামান, ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম, গিলাতলা সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সুশান্ত কুমার পাল, শেখ মোহাম্মদ আলী, মাষ্টার আজম হোসেন প্রমুখ।

কৃত্বি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র আ. খালেক বলেন, উন্নত জাতি গঠনে যেমন শিক্ষার প্রয়োজন তেমনি শরীর চর্চাও প্রয়োজন। সুস্থ জাতি গঠনে সাংস্কৃতি ও বিনোদন চর্চা করতে হবে।

ভাঙ্গারি ব্যবসায়ীর দখলে মাদ্রাসার মাঠ – ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

মাদ্রাসার মাঠে অবৈধ মালামাল স্তুপ করে রাখায় মাঠ দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করা শত শত শিক্ষার্থীরা ভোগান্তীতে পড়েছে। মাঠটি ভাঙ্গারি ব্যবসায়ীরা  লোহার প্লেট ও ব্রিজের অ্যাঙ্গেল ফেলে দখল করে রেখেছে। প্রতিদিন এই মাঠে মাঠঠিতে  শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা করতো তাও বন্ধ হয়ে গেছে। বিষয়টি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানালেও প্রতিকার মিলছে না।

বরগুনার তালতলী উপজেলার থানা রোড এলাকার মালিপাড়া সালেহিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসার মাঠটি দখল করে ব্যবসা করছেন ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী মশিউর।মালিপাড়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হারুন অর রশিদ জানান,দীর্ঘদিন ধরে এই মালামাল মাদ্রাসার মাঠে পড়ে আছে। এতে শিক্ষার্থীরা ভোগান্তিতে পড়েছে। অন্যদিকে মাদ্রাসার মাঠটি দখল থাকায় শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা করতেও পারছেন না। ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী মশিউরকে কয়েকবার বলার পরও তিনি এসব মালামাল সরাননি।

জানা গেছে, উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের নলবুনীয়া এলাকায় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তামার তার ও লোহার প্লেট, এঙ্গেল সহ বিভিন্ন মালামাল একটি চক্র লুটপাট করে ভাঙ্গারি দোকানে বিক্রি করে। এসব ব্যবসায়ীদের মালামাল রাখার নিরাপদ স্থান মালিপাড়া মাদ্রাসার মাঠে। বিষয়টি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করছেন।ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী মো. মশিউর বলেন, তালতলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রেজবি উল কবিরের এসব মালামাল কাজে লাগবে এ কারণেই মাদ্রাসার মাঠে রেখেছেন।উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সভাপতি রেজবি উল কবির বলেন, মাদ্রাসার মাঠে এসব মালামালের বিষয়ে আমি কিছু  জানিনা।

এ বিষয়ে তালতলী থানার ওসি সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই, তবে খোঁজ খবর নিচ্ছি।

অভয়নগরে বিতর্কিত পাঠ্যক্রম বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন পালিত ও পাঠ্যক্রম প্রণয়নে জড়িতদের শাস্তির দাবি

Md. Pikul Islam

মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍ঃ

যশোরের অভয়নগরে বিতর্কিত পাঠ্যক্রম বাতিল ও পাঠ্যক্রম প্রণয়নে জড়িতদের শাস্তির দাবিতে মানবন্ধন পালিত হয়েছে। ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ অভয়নগর উপজেলা শাখা এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।

বৃহস্পতিবার (২৬জানুয়ারি) বিকালে নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের সামনে মাদরাসা ছাত্ররা এ মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে।ঘন্টাব্যাপী চলা মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন যশোর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ গাজী, অভয়নগর উপজেলা শাখার সভাপতি ওহিদুল ইসলাম, সহ-সভাপতি তাওহিদুল ইসলাম ও সাবেক সভাপতি আশরাফুল ইসলাম।

এসময় ২০২৩ শিক্ষাক্রমে বিতর্কিত পাঠ্যক্রম বাতিল ও পাঠ্যক্রম প্রণয়নে জািড়তদের তদন্তপূর্বক শস্তির দাবি করেন বক্তারা। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের মধ্যদিয়ে সরকার পতনের হুশিয়ারী প্রদান করেন তারা।

মানববন্ধন শেষে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি দল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে।

আমতলীর চুনাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে শিক্ষকদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

//সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি//
ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো বরগুনার আমতলী উপজেলার চুনাখালি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দুইদিন ব্যাপী প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী, বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

১৮ ও ১৯ জানুয়ারি রোজ বুধ ও বৃহস্পতিবার চুনাখালী স্কুল প্রাঙ্গণে দুই দিনব্যাপী এ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা , সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক শুরু হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু করা হয়। শুরুতে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণীর নতুন ভর্তি শিক্ষার্থীদের,২নং কুকুয়া ইউনিয়নের সকল মুক্তিযোদ্ধাদের, বিগত তিন বছরের জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের, সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষক (প্রাক্তন) শিক্ষার্থীদের, নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষক শিক্ষিকা, অবসরপ্রাপ্ত তিন শিক্ষক ও দুই কর্মচারীকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা, জিপিএ ৫ প্রাপ্তি শিক্ষার্থীদের, অবসরপ্রাপ্ত তিন শিক্ষক ও দুই কর্মচারীদের হাতে ক্রেস তুলে দেন। আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে কেক কেটে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হয়।
কুকুয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শামসুদ্দিন আহমেদ ছজুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আশরাফুল আলম বিশেষ অতিথি হিসেবে আমতলী থানা অফিসার ইনচার্জ এ কে এম মিজানুর রহমান, ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জিয়াউল হক মিলন, ২নং কুকুয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দিন আহমেদ মাসুম তালুকদার, ভাইস প্রেসিডেন্ট অবসরপ্রাপ্ত ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড নিজাম উদ্দিন শিকদারসহ অত্র এলাকার গণ্যমান্য রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এডভোকেট মাহবুব আলম।
এ সময় উপস্থিত অতিথিরা বিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিষয় দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্য রাখেন। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত বক্তৃতা, দৌড় প্রতিযোগিতা, দীর্ঘ লম্ফ, বিস্কুট দৌড়, দড়ি লাফ, মোমবাতি জ্বালানো, বর্ষা-চাকতি-গোলক নিক্ষেপ, আবৃত্তি, নৃত্য ও চমকপ্রদ ইভেন্ট যেমন খুশি তেমন সাজসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে অতিথিদের ক্রেস্ট বিতরণ ও বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

রাণীশংকৈলে ৫ দিনব্যাপি জাতীয় শিক্ষাক্রম বিস্তরণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ উপলক্ষে আলোচনা সভা

মাহাবুব আলম ,রাণীশংকৈল,(ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি।।

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে উপজেলা ডিসেমিনেশন অফ নিউ কারিকুলাম শীর্ষক স্কিমের আওতায় মাধ্যমিক পর্যায়ের বিষয় ভিত্তিক শিক্ষকদের জাতীয় শিক্ষাক্রম বিস্তরণ ২০২৩ খ্রিঃ বিষয়ক ৫ দিনব্যাপি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম রবিবার (১৫ জানুয়ারি) সম্পন্ন হয়। এ উপলক্ষে এদিন বিকালে রাণীশংকৈল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ডিজিটাল প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ হলরুমে সমাপনি অনুষ্ঠান উপলক্ষে সংক্ষিপ্ত আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে এবং কারিকুলাম ডিসমিনেশন স্কিম- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সমাপনি অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, ইউএনও সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির স্টিভ।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো.তৈয়ব আলী।অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,একাডেমিক সুপারভাইজার ওবাইদুল হক, রাণীশংকৈল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের (ভারপ্রাপ্ত) প্রধান শিক্ষক রুহুল আমীন, পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোহেল রানা, প্রশিক্ষক গোলাম কবির, বিভিন্ন বিষয়ের প্রশিক্ষক-প্রশিক্ষনার্থীবৃন্দ প্রমুখ।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. তৈয়ব আলী বলেন, ডিসেমিনেসন অব নিউ কারিকুলাম শীর্ষক প্রশিক্ষণ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞানের আলোকে শিক্ষকবৃন্দ তাঁদের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পাঠদান করবেন।

উপজেলার রাণীশংকৈল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ১১ টি বিষয়ের উপর মাধ্যমিক এবং প্রাথমিক স্তরের মোট ৫৬৩ জন শিক্ষক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

এবং এ প্রশিক্ষণে ৩৩ জন দক্ষ প্রশিক্ষক তাদের অর্জিত প্রশিক্ষণ প্রশিক্ষনার্থীদের মাঝে প্রদান করেন। প্রসঙ্গত: ২০২৩ সাল থেকে শুরু হতে যাওয়া নতুন এ শিক্ষাক্রমের রূপরেখা বাস্তবায়ন প্রয়োগ হবে।

রাণীশংকৈলে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির ৩ বছরের নবাগত কমিটি গঠন

//মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈলে(ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি//

বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলার সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির আহব্বায়ক অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোপেন্দ্রনাথ বর্ম্বনের সভাপতিত্বে ভান্ডারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে শনিবার (৭ জানুয়ারি) সকালে উপজেলা শাখার সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক নবাগত কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটি গঠনের সভায় বক্তব্য রাখেন প্রধান শিক্ষক আইয়ুব আলী, ইয়াকুব আলী,কুশমত আলী,আব্দুল মান্নান,রমজান আলী,সহমান আলী, ধরনিকান্ত,সহকারি শিক্ষক কামরুজ্জামান, মুন্নি,আবুল অলাম ও পৌরসভা সহ প্রতিটি ইউনিয়নের সভাপতি সম্পাদকবৃন্দ।

সমঝতায় নবাগত কমিটির সভাপতি পদে নির্বাচিত হন প্রধান শিক্ষক ইয়াকুব আলী সিনিয়র সহ-সভাপতি কুশমত আলী ও আব্দুল মান্নান। সাধারন সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন সহকারি শিক্ষক মোকবুল হোসেন সহ-সম্পাদক প্রধান শিক্ষক রমজান আলী ও ফজলুল করিম সাংগঠনিক সম্পাদক সহকারি শিক্ষক আজিজার রহমান৷ পরিশেষে আগামী ৩ বছরের জন্য ৫১সদস্য বিশিষ্ট একটি পৃর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়৷

রামপালে জেলা প্রশাসকের সংবর্ধনা পেল কৃতি শিক্ষার্থীরা

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি||

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক আজিজুর রহমান বলেন, ডিজিটাল ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। শুধু জিপিএ-৫ পেলে হবে না। কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় ও শিক্ষিত হতে হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে আমাদের এ দেশ স্বাধীন হয়েছে। তাদের অবদানকে সম্মান জানিয়ে আমাদের শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে হবে। এ জন্য শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদের সচেতনভাবে এগিয়ে আসতে হবে। প্রকৃত শিক্ষাই শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হতে সাহায্য করবে। ডিজিটাল শিক্ষার নামে শিক্ষার্থীদের হাতে ফোন তুলে দিবেন না। আপনার সন্তান কি করে ?  কোথায় যায় ? কার সাথে মেসে ?  এগুলো লক্ষ রাখতে হবে। মাদক, সন্ত্রাসী ও জঙ্গিবাদের দিকে ঝুঁকছে কি না সেটি খেয়াল রাখতে হবে। বুধবার দুপুরে রামপালের ফয়লাহাট কামাল উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮৬ তম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে ও জিপিএ – এ পাওয়া কৃতি শিক্ষার্থী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন।

বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি ও উজলকুড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুন্সি বোরহান উদ্দিন জেড’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজিবুল আলম, সহকারী কমিশনার (ভূমি)’র শেখ সালাউদ্দিন দিপু, অস্ট্রেলিয়ার সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের এ্যাসোসিয়েট অধ্যাপক সঞ্জয় কুমার পাল, বাগেরহাটের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল ইসলাম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীরুল ইসলাম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল উদ্দিন সরকার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তারেক রহমান, ভাগা মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ শেখ খালিদ আহমেদ, খুলনা জেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শেখ মো. আবু হানিফ, স্বাগত বক্তব্য দেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গাজী জাহাঙ্গীর আলম, উজলকুড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার আলি ভূট্টো, অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শিক্ষক আনোয়ারুল কাদির সোহাগ।

অনুষ্ঠান শুরুর পূর্বে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করা হয়। অনুষ্ঠানের শেষে ৮ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৮২ জন কৃতি শিক্ষার্থীর মাঝে ক্রেস্ট, প্রাইজবন্ড  এবং ১২ জন শিক্ষার্থীকে বাইসাইকেল প্রদান করা হয়। শুধুমাত্র কামাল উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৪৪ জন শিক্ষার্থী এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ -৫ পেয়েছে। সর্বশেষ উজলকুড় ইউনিয়নের ১৫০ জন কৃষককে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ করেন প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক আজিজুর রহমান।

রামপালে বই পেল প্রাথমিকে অর্ধেক মাধ্যমিকে ৭০ ভাগ শিক্ষার্থীরা

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপালে ইংরেজি নববর্ষের প্রথম দিনে বই উৎসব পালন করা হয়েছে। এ উৎসবে  প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ৫০ শতাংশ ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ৭০ শতাংশ বই পেয়েছে।

রামপাল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমান জানান, এ উপজেলায় প্রাক প্রাথমিকে ৩ হাজার ২৫ টি শিশুকে শতভাগ বই দেয়া হয়েছে। ২ হাজার ৯৭০ জন ১ম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মাঝে ১ খানা, ২য় শ্রেণির ২ হাজার ৮২৫ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ২ খানা, ৩য় শ্রেণির ২ হাজার ৭৪৫ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ৩ খানা, ৪র্থ শ্রেণির ২ হাজার ৬১০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ৩ খানা ও ৫ম শ্রেণির ২ হাজার ২৭৫ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ৩ খানা করে বই বিতরণ করা হয়েছে। প্রাথমিকের ১২৮ টি, কিন্ডারগার্টেনের ৯ টি ধরে মোট ১৩৭ টি বিদ্যালয়ের মোট ১৬ হাজার ৪৫০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে শতকরা ৫০ ভাগ বই বিতরণ করা হয়েছে।

মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সম্পূর্ণ পরিসংখ্যান না পাওয়া গেলেও শতকরা ৭০ ভাগ বই বিতরণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জিয়াউল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।