ডুমুরিয়ায় ব্র্যাক  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলজ  ও বনজ বৃক্ষ বিতরণ করে

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় ডুমুরিয়ায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইয়ুথ সদস্য শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলজ  ও বনজ বৃক্ষ প্রদান করা হয়েছে।

ডুমুরিয়ায় ব্র্যাক  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলজ  ও বনজ বৃক্ষ বিতরণ করে

সংস্থার অধিকার এখানে এখন প্রকল্পের সহযোগিতায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অনুযায়ী সাহস নোয়াকাঠী  মাধ্যমিক বিদ্যালয়, হাজিডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, গুটুদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়,  মির্জাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, শেখ আমজাদ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সাহস ইউনিয়নের কমিউনিটি সেন্টার,  উপজেলার সদর পোস্ট অফিস ও ব্র্যাক অফিসের সদস্যদের মাঝে ১হাজার গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাকের জেলা যুব সমন্বয়কারী শিখা রানী, ব্র‍্যাকের এরিয়া ম্যানেজার (দাবি )দেবদাস, ব্র‍্যাক উপজেলা শাখার  ম্যানেজার শিবদাস, ম্যানেজার (প্রগতি) নাজনীন নাহার, স্ব স্ব স্কুলের শিক্ষক মন্ডলী, ইয়ুথ সদস‍্য বৃথি, আরদীন, রাব্বী, রুপা, সুচিত্রা, আকাশ, নয়ন, বিদুৎ, জয়, আলামিন, মহুয়া প্রমুখ।

মেধাবী ছাত্রী চৈতির অকাল মৃত্যুর জন্য দায়ী শিক্ষক; ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

রূপসা উপজেলার নৈহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেনীতে পড়ুয়া মেধাবী ছাত্রী ফাইরুজ মাহমুদ নিদ (চৈতি)। তার অকাল মৃত্যুর জন্য দায়ী নৈহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাহাবুবুর রহমান ও তার স্ত্রী সোনিয়া সুলতানা এবং শিক্ষিকা কাকলি গাইন সহ দোষীদের ফাঁসির দাবিতে গত ১০ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০ টায় বিদ্যালয়ের সামনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য- রূপসার নৈহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাহাবুবুর রহমানের প্রেমের ফাঁদে পড়ে গত জুলাই মাসের ২৪ তারিখে চৈতি নিজ বাড়িতে আত্মহত্যা করে। এ ব্যাপারে প্রয়াত ছাত্রী চৈতীর মাতা নুরনাহার বাদী হয়ে আদালতে শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এছাড়াও ঐ শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

ঘটনার পর থেকে বিদ্যালয়ের উক্ত শিক্ষক পলাতক রয়েছেন বলে জানা যায়।

নৈহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও এলাকাবাসী আয়োজিত মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন- ফাইরুজ মাহমুদ চৈতীর পিতা ফিরোজ পাশা, মাতা নুর নাহার শেখ, ইউপি সদস্য রেশমা আক্তার, আশরাফ আলী রাজ, হুমায়ূন কবীর রাজা, নিজাম উদ্দীন, মনিরা বেগম, হাফিজুর রহমান, পিয়াস শেখ, সাব্বির শেখ, হাসান মল্লিক, সাদমান, মো. সিদ্দিক, মো. তুহিন, আরমান শেখ, রেজাউল করিম, ফারুক, জনী, শফিক, হিরা শেখ, সুমন ঘোষ, প্রিন্স শেখ, আঃ হালিম, রিয়াদ শেখ, সৌমিত্র দেবনাথ, ওবায়দুল্লাহ মল্লিক, শিক্ষার্থীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- রাসেল হাওলাদার, মো. ইউসুফ, ইব্রাহিম খলিল, মো. সিয়াম, লাবন্য আক্তার জ্যেতি, সুমাইয়া আক্তার ফাতেমা, সাদিয়া আক্তার লামিয়া, মারুফা, সুমাইয়া সুলতানা, মুন্নী খাতুন, সাহারা আক্তার তৃষা, শান্তনা দাস, জ্যেতি রানী পাল, সুমা খাতুন, আসাদুজ্জামান রাফি, রাহুল কুমার দাস, অর্পন পাল, আজিম শিকদার, রাজ্জাক প্রমূখ।

স্বাস্থ্য শিক্ষায় ভারতের শিক্ষার্থীরা কেন বাংলাদেশে পড়তে আসে

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

বাংলাদেশে, বিশেষ করে স্বাস্থ্যশিক্ষা বিষয়ে ভারতীয় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ রয়েছে। সাম্প্রতিক আন্দোলন ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফিরে আসা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে এমনটা জানা গেল।

সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে ফিরে আসা ১০ জন শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা হয়। তাঁরা বলেন, এখন ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে শিক্ষার্থী বাংলাদেশে পড়তে যাচ্ছেন। তবে পশ্চিমবঙ্গ, কাশ্মীর ও উত্তর-পূর্ব ভারত থেকে যাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি।

কিশোরগঞ্জের রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ মেডিকেল কলেজের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুরের সুদীপ্ত মাইতি। তিনি বছর চারেক আগে বাংলাদেশে পড়তে যান। সে সময় যত ভারতীয় শিক্ষার্থী বাংলাদেশে ছিলেন, তার চেয়ে এখন সংখ্যাটা বেড়েছে বলে জানান তিনি। তাঁর ধারণা, সংখ্যাটা বেশ কয়েক হাজার হতে পারে।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্প্রতি ভারতীয় সংসদে জানান, ৯ হাজার ভারতীয় শিক্ষার্থী বাংলাদেশে পড়ছেন। বাংলাদেশে উদ্ভূত পরিস্থিতে তাঁদের বড় অংশই গত জুলাইয়ে ভারতে ফিরে এসেছেন।

সুদীপ্তর মতে, এই ভারতীয় শিক্ষার্থীর বাংলাদেশে পড়তে যাওয়ার একটি প্রধান কারণ যাওয়া-আসার সুবিধা।

সুদীপ্ত বলেন, ‘এই গন্ডগোলের সময়েও আমরা আখাউড়া থেকে আগরতলা হয়ে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কলকাতায় চলে এলাম। সেখান থেকে আমার বাড়ি মেদিনীপুরে পৌঁছাতে আরও কিছুটা সময় লাগল। এটা অন্য দেশ হলে সম্ভব হতো না।’

অন্য দেশ বলতে রাশিয়া, ইউক্রেন, চীনসহ মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন দেশের কথা বুঝিয়েছেন সুদীপ্ত। এসব দেশেও পড়তে যান ভারতের শিক্ষার্থীরা। এসব দেশেও পড়ার খরচ অপেক্ষাকৃত কম। কিন্তু এসব দেশের ক্ষেত্রে এত দ্রুত যাওয়া-আসা করা যায় না।

সুদীপ্তর কথায়, অন্যত্র যাওয়া-আসার অসুবিধার পাশাপাশি ভাষার সমস্যাও রয়েছে। আর খাওয়াদাওয়ার সমস্যা তো আছেই। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের যোগাযোগব্যবস্থা এখন এতই ভালো যে প্রায় সব জায়গা থেকে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে দেশে ফিরে আসা যায়। সম্ভবত এ কারণে ভারত থেকে এত শিক্ষার্থী বাংলাদেশে পড়তে যাচ্ছেন।

বাংলাদেশে পড়াশোনা প্রসঙ্গে কাশ্মীরের এক ছাত্রী, যিনি নিজেকে শুধু ‘কাজি’ নামে পরিচয় দিতে ইচ্ছুক, তিনি বললেন, ‘পড়ার সুযোগ ও খরচ—দুটিই আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’

এমবিবিএসের পঞ্চম বর্ষের ছাত্রী কাজি বললেন, ‘আমি ২০১৯ সালে ঢাকার আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজে পড়ার জন্য বাংলাদেশে যাই। তখন কাশ্মীরে মাত্র দুটি সরকারি মেডিকেল কলেজ ছিল। আর কোনো প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ এখানে ছিল না। কিন্তু বাংলাদেশ সে সময় অনেকগুলো বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ছিল। যে কারণে আমি ও আমার অনেক বন্ধু বাংলাদেশে পড়তে যাই।’

ভারতীয় শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশের বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে ভর্তিতে সহায়তা করেন কলকাতার শিক্ষা পরামর্শদাতা কাজী মহম্মদ হাবিব। তাঁর সংস্থা চেকমেট ভারতীয় শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশের বিভিন্ন বেসরকারি মেডিকেল কলেজের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেয়। তাঁদের পড়তে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি করাসহ কলেজ পর্যন্ত যেতে প্রয়োজনীয় দায়িত্ব পালন করে।

মহম্মদ হাবিব বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ৭০টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ রয়েছে। দেশটিতে দ্রুত বেসরকারি মেডিকেল কলেজের সংখ্যা বেড়েছে, বাড়ছে। ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশে পড়তে যাওয়ার অন্যতম একটি কারণ বেসরকারি মেডিকেল কলেজের সংখ্যা বৃদ্ধি। তবে দেশটির বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে আগামী কয়েক বছর হয়তো বেসরকারি মেডিকেল কলেজ তৈরি হওয়ার প্রবণতা কমবে। তবে এই দুই সংকট কাটলে আবার বেসরকারি মেডিকেল কলেজের সংখ্যা বাড়বে। তখন দেশটিতে ভারতীয় শিক্ষার্থী যাওয়ার প্রবণতা আরও বাড়বে।

বড় কারণ খরচ কম

বাংলাদেশে পড়তে যাওয়ার বড় কারণ হিসেবে কম খরচের বিষয়টি উল্লেখ করেন কাশ্মীরের ছাত্রী কাজি ও তাঁর আরেক বন্ধু।

কাজি বলেন, ভারতে বেসরকারি মেডিকেল কলেজে পড়তে এক কোটি রুপির মতো খরচ পড়ে। আর আনুষঙ্গিক সব খরচ ধরলে ব্যয় কোটি রুপি ছাড়িয়ে যায়। কিন্তু বাংলাদেশে সব মিলিয়ে মোটামুটিভাবে ৪০ থেকে ৫০ লাখ রুপি সমমানের খরচে পড়াশোনা শেষ করা যায়।

সুদীপ্ত বলেন, ঢাকার মতো প্রধান শহরের বাইরে ছোট উপশহরে এই খরচ দাঁড়ায় ৩০-৩৫ লাখ রুপির সমপরিমাণ।

কিশোরগঞ্জের রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ মেডিকেল কলেজে সুদীপ্তর চেয়ে এক বছরের জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থী পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসিত আনোয়ার। তাঁর ভাষ্য, মূলত খরচ কম বলেই ভারতীয় শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশে পড়তে যান। কিন্তু তার মানে এই নয় যে সেখানে পড়াশোনার মান খারাপ।

একজন ভারতীয় শিক্ষার্থী যদি বিদেশে মেডিকেল অধ্যয়ন সম্পন্ন করেন, তাহলে দেশে ফিরে তাঁকে চিকিৎসক হিসেবে কাজ করার জন্য ফরেন মেডিকেল গ্র্যাজুয়েশন এক্সামিনেশন (এফএমজিই) পাস করতে হয়। ইউরোপ-আমেরিকা থেকে পড়ে এলে এ ক্ষেত্রে কিছু ছাড় দেওয়া হয়।

যেসব শিক্ষার্থী মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন দেশ বা রাশিয়া থেকে পড়ে আসেন, তাঁদের চেয়ে বাংলাদেশ থেকে পড়ে আসা শিক্ষার্থীরা অনেক বেশি সংখ্যায় এফএমজিই পাস করেন বলে জানান বাসিত। তাঁর মতে, এর একটি সম্ভাব্য কারণ হলো উভয় দেশের পাঠ্যক্রম মূলত একই। ভারতে তাঁরা যে বই পড়েন, বাংলাদেশে অধিকাংশ ক্ষেত্রে একই বই পড়তে হয়। শিক্ষকদের অনেকে ভারতে পড়েছেন। তাঁরা ভারতীয় শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন সম্পর্কে সচেতন। তাঁরা জানেন, ভারতীয় শিক্ষার্থীদের দেশে ফিরে এফএমজিই পরীক্ষায় বসতে হবে। ভারতে প্র্যাকটিস করার জন্য। ভারতের চাহিদা সম্পর্কে এই সচেতনতার কারণে এখানকার ছেলেমেয়েরা অনেকেই বাংলাদেশে পড়তে যাওয়া পছন্দ করেন।

এফএমজিই পরীক্ষায় পাস করাটা অবশ্য খুব একটা সমস্যার নয় বলে মনে করেন বাসিত। মোট ১৯টি বিষয় নিয়ে ৩০০ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হয়। পরীক্ষায় ১৫০ নম্বর পেলেই চিকিৎসক হিসেবে গণ্য করা হয়।

বাসিত জানান, এখানে কোনো নেগেটিভ নম্বর দেওয়া হয় না। এটা অন্য সব প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মতো নয়, যেখানে যাঁরা বেশি নম্বর পাবেন, তাঁরাই পরবর্তী পর্যায়ে যেতে পারবেন। এখানে ১৫০ নম্বর পেতে হবে। তাহলেই একজন চিকিৎসক হিসেবে কাজ করতে পারবেন। এই ব্যবস্থা রাখার প্রধান কারণ দেশে চিকিৎসকের সংখ্যা কম। তাই এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা নয়। আর একেকজন অনেকবার এফএমজিই দিতে পারেন। ফলে শেষ পর্যন্ত পাস করাটা খুব সমস্যা নয়।

তবে এ ক্ষেত্রে অন্য একটি সমস্যা রয়েছে বলে জানালেন বাসিত। তাঁর ভাষ্য, ‘আমাদের যে অংশটা থিওরি (তত্ত্ব), সেই অংশটা প্রায় পুরোপুরি ভারতের পাঠ্যক্রমের মতো। তবে প্র্যাকটিক্যাল (ব্যবহারিক) অংশটায় কিছু সমস্যা আছে। এখানে হয়তো কিছুটা কম সময় দেওয়া হয়, যার ফলে বিষয়টা পুরোপুরি বুঝে ওঠা সম্ভব হয় না। তবে ভারতে ফিরে এফএমজিই দিয়ে যখন একজন শিক্ষার্থী কোনো মেডিকেল কলেজে ইন্টার্নশিপ করতে শুরু করেন, তখন এই ঘাটতিটা পুষিয়ে নেওয়া যায়।’

বাসিতের বক্তব্যের সঙ্গে একমত হলেন তাঁর অন্য বন্ধুরাও।

বেশি শিক্ষার্থী ভারতের

মহম্মদ হাবিব বলেন, বাংলাদেশে ৭০টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে প্রায় ৩ হাজার ১০০ আসন আছে। এর মধ্যে ৪৫ শতাংশ বিদেশি শিক্ষার্থী রয়েছে। এই বিদেশি শিক্ষার্থীদের বেশির ভাগই ভারতের।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে মোট ১ হাজার ৬৭ জন ভারতীয় শিক্ষার্থী সে দেশে মেডিকেলে পড়তে গেছেন। নেপাল, ভুটান ও পাকিস্তান থেকে গেছেন যথাক্রমে ২৬৪ জন, ১২ জন ও ২ জন। ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, কানাডা ও ফিলিস্তিন থেকে গেছেন একজন করে শিক্ষার্থী। বাংলাদেশের সরকারি মেডিকেল কলেজে সার্কভুক্ত দেশগুলোর শিক্ষার্থীদের জন্য ২২০টি আসন সংরক্ষিত রয়েছে। এর মধ্যে ২২ জনকে পাঠাতে পারে ভারত।

মহম্মদ হাবিব মনে করেন, বাংলাদেশে প্রাইভেট মেডিকেল কলেজের বিস্তারের ফলে সার্কভুক্ত দেশের যেমন লাভ হয়েছে, তেমনি লাভ হয়েছে বাংলাদেশেরও। সে দেশে এমবিবিএস পড়ার খরচ পড়ে ৩০ থেকে ৫০ লাখ রুপির সমপরিমাণ। সুতরাং ভারতীয় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে একটা ভালো অঙ্কের অর্থ আয় করছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের মেডিকেলে ভারতীয় শিক্ষার্থী যখন বাড়ছে, তখন আবার বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি রোগী ভারতে চিকিৎসার জন্য আসছেন। কেন এমনটা হচ্ছে, এটা একটা বড় প্রশ্ন। এই প্রশ্নের উত্তরে মহম্মদ হাবিব বলেন, এখানে একটা দিক হলো চিকিৎসা অধ্যয়ন, অপরটি হলো চিকিৎসাসেবা। বাংলাদেশে বিশেষত চিকিৎসাশিক্ষার উন্নতি হয়েছে। কিন্তু চিকিৎসাসেবায় তারা এখনো পিছিয়ে আছে। এ কারণে বাংলাদেশি রোগীরা ভারতে আসেন।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাশাপাশি অন্য বিষয়েও ভারতীয় শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশে পড়তে দেখা যাচ্ছে। যেমন পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটের কথা বলা যায়। এই প্রতিষ্ঠানটি ফটোগ্রাফি, ভিডিও, টেলিভিশন, ফিল্ম আর্টের চর্চা করে। এখানে ছয় মাসের কোর্স করে দেশে ফিরেছেন পশ্চিমবঙ্গের সুপর্ণা নাথ। তিনি বলেন, পাঠশালা একটি ভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান। তাই প্রতিষ্ঠানটির প্রতি বিদেশি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়ছে।

ভারতীয় শিক্ষার্থীসহ বিশ্লেষকেরা বলছেন, বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশে বেসরকারি শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বেড়েছে। ফলে দক্ষিণ এশিয়ার ‘এডুকেশন হাব’ হিসেবে গড়ে উঠছে বাংলাদেশ। এ কারণে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশে পড়তে যাচ্ছেন।

ভারতীয় শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, বাংলাদেশে পড়ালেখা করার ক্ষেত্রে তাঁরা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে এসেছেন। তাঁরা আন্তরিক উষ্ণতা পেয়ে এসেছেন। এগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে সাম্প্রতিক আন্দোলনের জেরে তাঁদের যে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল, তা ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। রাতের অন্ধকারে দেশে ফেরার জন্য তাঁদের অ্যাম্বুলেন্স করে বিমানবন্দরে ছুটতে হয়েছিল। পথে নানান মর্মান্তিক দৃশ্য চোখে পড়েছে। তবে তাঁরা এখন আশা করছেন, শিগগিরই বাংলাদেশের পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে। তাঁরা বাংলাদেশে গিয়ে আগের মতো স্বাভাবিকভাবে পড়াশোনা শেষ করতে পারবেন।

Daily World News

প্রথম আলো

প্রাথমিক বিদ্যালয় কবে খুলবে জানা যাবে আজ

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সৃষ্ট সহিংসতার কারণে ১৭ জুলাই দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোও অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রয়েছে। তবে চলতি সপ্তাহে প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলে দেয়া হতে পারে।

আজ এ নিয়ে বৈঠক করবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। শনিবার বিকালে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘চলতি সপ্তাহের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। বিদ্যালয় কবে খুলে দেওয়া হবে সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য রোববার মিটিং হবে। মিটিংয়ে এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।’

উল্লেখ্য, ১৭ জুলাই রাতে দেশের আটটি সিটি করপোরেশন এলাকার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ক্লাস বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে সারা দেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রাথমিক বিদ্যালয় চালু ছিল। ২৪ জুলাই সারা দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

ডুমুরিয়ার মাগুরাঘোনা ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামীলীগ নেতা সুরঞ্জন ঘোষ

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি //

ডুমুরিয়ার মাগুরাঘোনা ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি পদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামীলীগ নেতা সুরঞ্জন ঘোষ ।

১১জুলাই  বৃহস্পতিবার সকালে প্রিজাইডিং আফিসার ও উপজেলা যুবউন্নয়ন বর্মকর্তা মো: কামরুজ্জামান এর অফিস কক্ষে স্কুলের নির্বাচিত অভিভাবক সদস্য,দাতা সদস্য ও  শিক্ষক প্রতিনিধির উপস্থিতিতে সভাপতি পদে দুইজন প্রার্থী হওয়ায় গোপন ব্যালোটের মাধ্যমে সভাপতি নির্বাচন করা হয়।

ভোট গ্রহন শেষে প্রিজাইডিং আফিসার সকলের উপস্থিতে ভোট গননা শেষে ফলাফল ঘোষনা করেন। আওয়ামীলীগ নেতা

সুরঞ্জন ঘোষ পেয়েছেন ৬ ভোট তার নিকটতম প্রার্থী রেক্সসনা আক্তার পেয়েছেন ৩ ভোট। উপজেলা  যুব উন্নযন কর্মকর্তা  মো: কামরুজামান নির্বাচন পরিচালনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন স্কুল পরিচালনা পরিষদের চলমান এড‍্যাহক কমিটির সভাপতি আ: হালিম রাজু, স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রভাত কুমার বৈধ‍্য, উপজেলা পরিষদের ভাইন্স চেয়ানম্যানসহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।

সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিতে সরকার কাজ করছে : সালাম মূর্শেদী এমপি

//তুরুণ কান্তি, নিজস্ব প্রতিবেদক//

সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিতে সরকার কাজ করে চলেছে,  শিক্ষাকে আরও উন্নত, প্রাতিষ্ঠানিক এবং মানসম্মত করতে সরকার সর্বদা কাজ করছে বলে জানিয়েছেন খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস‍্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী।

তিনি বলেন, সরকার শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন বহুতল ভবন, শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধিসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করেছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন এসেছে। এই সরকার দেশের সব স্কুল-কলেজের পাশাপাশি আলিয়া মাদ্রাসাগুলোতেও অ্যাকাডেমিক ভবন নির্মাণ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। উন্নত দেশ গঠনে শিক্ষাখাতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

তিনি বলেন, একটি জাতিকে সুস্থভাবে গড়তে শিশুদের শিক্ষার ভিত্তি মজবুত করতে হবে। সেই লক্ষ্যে সরকার বিনামূল্যে বই বিতরণ, শিক্ষাবৃত্তি, অবকাঠামো নির্মাণ, স্কুল জাতীয়করণ ও এমপিওভুক্তিসহ অনেক যুগান্তকারী পদক্ষেপ রেখেছে।

তিনি আরও বলেন, দেশে এখন কোনও কিছুর অভাব নেই। জনগণের প্রয়োজনে সব করা হচ্ছে। দেশ এখন উন্নয়নের আলোয় আলোকিত। আর এসব উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ সম্ভব হয়েছে বর্তমান সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার জন্যই।

বুধবার (১০ জুলাই) বেলা ১২টায় রূপসা উপজেলায় শিক্ষা সপ্তাহ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কোহিনুর জাহানের সভাপতিত্বে  বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এস এম হাবিবুর রহমান,  ভাইস চেয়ারম্যান শারমিন সুলতানা রুনা, ওসি তদন্ত জি এম এমদাদুল হক।

শিক্ষা কর্মকতা আমিনুল ইসলামের পরিচালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার মজুমদার, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বাপি কুমার দাস, উপজেলা প্রকৌশলী এস এম

ওয়াহিদুজ্জামান মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকতা আইরিন পারভিন, সমাজসেবক কর্মকর্তা জেসিয়া জামান,মহিলা বিষয় ফারহানা ইয়াসমিন,  পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক ইকবাল আজিজ, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অধ্যক্ষ ফরম আব্দুস সালাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সরদার আবুল হোসেন ডাবলু জেলা আওয়ামীলীগ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মোঃ মোতালেব হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান মোল্লা, সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, খান শাহজাহান কবির প্যারিস, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা: শ্যামল কুমার দাস,  ইউপি চেয়ারম্যান কমল হাসান আনিসুর রহমান মিঠু,ওয়াহিদুজ্জামান মিন্টুসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।

এছাড়া সকাল ১১ টায়  প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে ক্ষুদ্র ও নৃ-গোষ্ঠি  সম্প্রদায়ের  ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কোহিনুর জাহান।

অপরদিকে সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা কৃষি মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তৃতা করেন এমপি আব্দুস সালাম মুর্শেদী এ সময় তিনি বলেন,  দেশের প্রত্যেক ইঞ্চি জমিকে চাষাবাদের আওতায় আনার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, নিজেদের উৎপাদন ঠিক থাকলে, ঠিক থাকবে আমাদের পুষ্টি ভান্ডারও। নিজেদের প্রয়োজনেই আমাদেরকে নিজের কিংবা সরকারি জমিতে বেশি বেশি করে বৃক্ষ রোপণ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, কৃষি উৎপাদন ও কৃষকের উন্নয়নের জন্য সততা ও নিষ্ঠার সাথে ‘কৃষি ও প্রাণিসম্পদ’ অধিদপ্তরের সবাইকে মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কোহিনুর জাহান সভায় সভাপতিত্ব করেন।

এছাড়া দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও নবনির্বাচিত  উপজেলা পরিষদ  চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের সাথে মত বিনিময় করেন।

এছাড়া বিকাল চারটায় ডোবা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচন পরবর্তী কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথি বক্তৃতা করেন।

Daily World News

আমতলীতে ৫০০ গ্রাম গাঁজা সহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

যে দেশে যত বেশি শিক্ষিত, সে দেশ তত উন্নত—– প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম চৌধুরী

//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম //

শ্রম ও কর্ম সংস্থান প্রতি মন্ত্রী বীর মক্তিযোদ্ধা মো; নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন,যে দেশের মানুষ যত শিক্ষিত, সে দেশ ততই উন্নত। তাই বর্তমান শিক্ষাবান্ধব সরকার শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বাজেট ঘোষনা করেছেন। বর্তমান সরকারের আমলে স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসা সহ শিক্ষা প্রতিষ্টানে ৪ তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মান সহ শিক্ষর মান উন্নয়নে যুগোপযোগী কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

আজ ৫ জুলাই চন্দনাইশ উপজেলা হল রুমে বেলা ১১টায় বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষন প্রতিযোগিতা ও জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২৪ উপলক্ষে সনদ ও পুরুস্কার বিতরন অনুষ্টানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শ্রম প্রতিমন্ত্রী উপরোক্ত কথা বলেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন নব-নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন আহমদ। বক্তব্য রাখেন,উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খালেদা আকতার চৌধুরী, দোহাজারী পৌর মেয়র লোকমান হাকিম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জাফর আলী হিরু।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন,সহকারী কমিশনার (ভুমি) ডিপ্লোমেসি চাকমা, চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ মো: ওবাইদুল ইসলাম,উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এস,এম জিন্নাহ, হাশিমপুর ইউ,পি, চেয়ারম্যান এড,খোরশেদ বিন ইছহাক,বরকলের চেয়ারম্যান আবদুর রহিম, ধোপাছড়ির চেয়ারম্যান আবদুল আলিম, বরমার চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম টিটু, বৈলতলীর চেয়ারম্যান এস.এম. সায়েম ,কাউন্সিলর নুরুল ইসলাম বাচা, উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রধান ও গণমাধ্যম কর্মী প্রমূখ।

এ সময় প্রতি মন্ত্রী উপজেলায় শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ (কলেজ পর্যায়ে) গাছবাড়ীয়া সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর রনজীত কুমার দত্ত, শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ (মাদ্রাসা পর্যায়ে ) হাশিমপুর মকবুলিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা নুরুল আলম এবং শ্রেষ্ট প্রধান শিক্ষক (স্কুল পর্যায়) বরকল আবদুল হাই, আনোয়ারা বেগম হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক নুরুল কবির চেধুরীর হাতে সনদ ও পুরস্কার তুলে দেন।

কচুয়ায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ, বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা-২০২৪ এর পুরস্কার বিতরণ

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট//

বাগেরহাটের কচুয়ায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ,বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা-২০২৪ এর পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। এতে তিনটি ক্যাটাগরিতে মোট ৬১টি পুরস্কার বিতরণ করা হয়। একই সাথে ২০২৪ সালের এস.এস.সি ও সমমান পরিক্ষায় জিপিএ ফাইভ প্রাপ্ত ৪১ জন শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় শেখ তন্ময় মিলনায়তনে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাখী ব্যানার্জীর সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মেহেদী হাসান বাবু। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মানিক অধিকারী,সমাজ সেবা কর্মকর্তা মোঃ হাসিবুর রহমান, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের  প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

চট্টগ্রাম বোর্ডঃ এইচএসসির প্রথমদিনে অনুপস্থিত ৯৭৫ জন, বহিষ্কার

//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো//

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এইচএসসি বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিল ৯৭৫ জন শিক্ষার্থী। ১১৫টি কেন্দ্রে মোট ৯৩ হাজার ১৪৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নিয়েছেন ৯২ হাজার ১৬৯ জন। রোববার এ সব তথ্য নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এ এম এম মুজিবুর রহমান।

তিনি জানান, চট্টগ্রামে ৬৯ কেন্দ্রে ৬৮ হাজার ৩২৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নিয়েছে ৬৭ হাজার ৬৫৫ জন। অনুপস্থিত ৬৭৩ জন। এছাড়া পরীক্ষায় অসুদপায় অবলম্বন করায় খাগড়াছড়িতে ৩ পরীক্ষার্থীকে বহিস্কার করা হয়েছে। তিনজনই দীঘিনালা সরকারি কলেজ কেন্দ্রের পরীক্ষার্থী বলে জানা গেছে। কক্সবাজার জেলায় ১৮টি কেন্দ্রে ১১ হাজার ৬৮৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নিয়েছে ১১ হাজার ৫৪৮ জন, অনুপস্থিত ১৩৬ জন। রাঙামাটি জেলায় ১০ টি পরীক্ষা কেন্দ্রে ৪ হাজার ৬৩৯ জনের মধ্যে অংশ নিয়েছে ৪ হাজার ৫৮৪ জন, অনুপস্থিত ৫৫ জন। খাগড়াছড়ি জেলায় ১০টি কেন্দ্রে ৫ হাজার ২৯৯ জনের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৫ হাজার ২৫৪ জন এবং অনুপস্থিত ৪৫ জন। বান্দরবান জেলায় ৮টি পরীক্ষা কেন্দ্রে ৩ হাজার ১৯৪ জনের মধ্যে অংশ নিয়েছে ৩ হাজার ১২৮ জন এবং অনুপস্থিত ৬৬ জন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির পরিবর্তন

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এবারের গ্রীষ্মের ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত এসেছে। আগামী ২ জুলাই পর্যন্ত এই ছুটি থাকার কথা থাকলেও এখন তা কমিয়ে আনা হয়েছে। আগামী ২৬ জুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের জানিয়েছেন।

এ ছাড়া শুক্রবারের পাশাপাশি শনিবারও সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে বলেও সিদ্ধান্ত জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শিক্ষাপঞ্জি অনুসারে, এবার পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি ১৩ জুন থেকে শুরু হয়েছে, যা ২ জুলাই পর্যন্ত চলার কথা ছিল। যদিও এবার গ্রীষ্মের ছুটি কমানো হতে পারে বলে আগেই ইঙ্গিত ছিল সংশ্লিষ্টদের।

এই ছুটি সংক্ষিপ্ত করার ব্যাখ্যায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, পাঠদানের কর্মদিবস বছরব্যাপী কমেছে। এ ছাড়া শনিবারের বন্ধ পুনর্বহাল রাখায়ও কর্মদিবস কমে যাবে। এ জন্য গ্রীষ্মের ছুটি কমানো হয়েছে।