আমতলীতে হাসপাতালে পানি সরবরাহ বন্ধ, বিপাকে রোগী ও স্বজনরা!

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলী ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৫ দিন ধরে পানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় হাসপাতালে ভর্তি রোগী ও তাদের স্বজনরা পরেছে মহাবিপাকে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আমতলী হাসপাতালের পানির মূল পাম্পটি ২০২১ সালের এপ্রিল মাসের ২ তারিখ বিকল হয়ে যায়। গত ২৯ মার্চ আকস্মিকভাবে চতুর্থ তলায় রোগী ভর্তি হওয়ায় পানি সরবরাহ না থাকায় পুরাতন ভবনের দোতলার ২টি ওয়ার্ডে তাদেরকে এনে রাখেন। তাছাড়া পুরাতন ভবনে বাথরুম কম থাকায় এখন রোগীরা ঠিকমত গোসলসহ শৌচাগার সারতে পারছে না।

বর্তমানে হাসপাতালটিতে প্রায় শতাধিক রোগী ভর্তি আছে। কিন্তু যে সামান্য পানি সরবরাহ হচ্ছে তা দিয়ে রোগীদের গোসল এবং টয়লেট ব্যবহারে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে। অনেক সময় রোগী এবং রোগীদের স্বজনরা হাসপাতালের বাহির থেকে বালতি ভরে পানি এনে গোসলসহ টয়লেটের কাজে ব্যবহার করছেন।

অপরদিকে হাসপাতালের আবাসিক ভবনে চিকিৎসক, নার্স,কর্মকর্তা কর্মচারীসহ বসবাসরত চাকুরিজীবিরা পরেছে মহাবিপাকে। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, চিকিৎসক, নার্স এবং অন্যান্য কর্মকর্তাতাদের জন্য রয়েছে ৪টি আবাসিক ভবন। যে সামান্য পানি সরবরাহ করা হয় তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম।

হাসপাতালের আবাসিক ভবনে বসবাসরত নার্স মোর্শেদা, সালমা ও আখি বলেন, হাসপাতালের পানি তোলার পাম্প মেশিনটি নষ্ট থাকায় আমরা নিয়মিত পর্যাপ্ত পানি পাই না। বর্তমানে প্রচন্ড গরমে পানির অভাবে খুবই কষ্টে আছি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আবদুল মুনয়েম সাদ বলেন, হাসপাতালে ১বছর ধরে পানি তোলার পাম্পটি নষ্ট পানি সমস্যা প্রকট আকার ধারন করছে। বিষয়টি একাধিকবার উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

English Dainikbiswa

আমতলীতে বিরোধীয় জমির দখল নিয়ে সংঘর্ষ, আহত-৫

পাইলস কি কেন কখন হয়..? এর প্রতিকার কি…?

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

পাইলসের কোনো সঠিক সংজ্ঞা এখনো পর্যন্ত চিকিৎসকদের জানা নেই। কারণ এ রোগটির আসল প্রকৃতি এখনো পর্যন্ত পুরোপুরি বোধগম্য নয়। পাইলস বলতে আমরা বুঝি মলদ্বারের ভেতরে ফুলে ওঠা রক্তের শিরার একটি মাংসপিণ্ড। এরূপ রক্তের শিরার মাংসপিণ্ড বা ‘কুশন’ সব মানুষেরই রয়েছে। তাই প্রকৃত অর্থে পাইলস বা ‘হেমোরয়েড’ আমরা তখনই বলি যখন এটি কোনোরূপ উপসর্গ সৃষ্টি করছে। যেমন মলদ্বারের বাইরে ঝুলে পড়া মাংসপিণ্ড অথবা রক্ত যাওয়া। প্রতিটি মানুষের তিনটি পাইলস বা ‘কুশন’ আছে। বড় পাইলসের মাঝখানে ছোট ছোট পাইলসও থাকতে পারে। মলত্যাগ করার সময় শিরাগুলো কিছুটা ঝুলে পড়ে এবং রক্ত ভর্তি হয়ে ফুলে ওঠে তারপর ফেটে গিয়ে রক্ত বের হয়।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ইডেন মাল্টি-কেয়ার হাসপাতালের (প্রা.)  ল্যাপারোস্কপিক অ্যান্ড লেজার সার্জন ডা. আসিফ আলমাস হক।

পাইলস কখন হয় : ৩০ থেকে ৬০ বৎসর বয়সের ভেতর এ রোগের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। ২০ বছর বয়সের নিচে পাইলস খুব একটা দেখা যায় না। এ রোগ মহিলাদের চেয়ে পুরুষের কিছুটা বেশি হয়।

কারণ : কয়েক শতাব্দীর গবেষণা সত্ত্বেও পাইলসের প্রকৃত কারণ উদঘাটিত হয়নি। তবে কিছু কিছু রোগ পাইলস হওয়াকে ত্বরান্বিত করে, যেমন- মলত্যাগে অতিরিক্ত কোঁত দেওয়া, অনিয়মিত মলত্যাগের অভ্যাস, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া ইত্যাদি। অন্য কিছু কিছু কারণ আছে যার জন্য পাইলস হতে পারে, যেমন- বংশগত, অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা, অনেকক্ষণ গরমে থাকা, ভারী ওজন তোলা, গর্ভাবস্থা, আঁটসাঁট পোশাক পরা, হরমোনের প্রভাব, আঁশজাতীয় খাবারের অভাব ইত্যাদি।

উপসর্গ : বহিঃস্থিত পাইলসের ক্ষেত্রে মলদ্বারের বাইরে ফোলা থাকে এবং কিছুটা ব্যথা বা অস্বস্তি হতে পারে। অভ্যন্তরীণ পাইলসের ক্ষেত্রে টয়লেটে টাটকা লাল রক্ত দেখা যায়। কোনোরূপ ব্যথা থাকে না। মলত্যাগের শেষে রক্ত যায়। রক্ত ফোঁটায় ফোঁটায় যায় আবার কখনো তীরের বেগে যায়। রক্ত যাওয়ার পর যদি বেশি ব্যথা ও জ্বালাপোড়া হয় তাহলে এনাল ফিশার বা ক্যানসার হতে পারে। রক্ত যেতে যেতে রোগী গভীর রক্তশূন্যতায় ভুগতে পারেন। মলদ্বারের বাইরে পাইলসটি ঝুলে পড়তে পারে। সেক্ষেত্রে মলত্যাগ শেষে পাইলসটি আপনা আপনি ভেতরে ঢুকে যেতে পারে। পাইলসে সাধারণত ব্যথা হয় না। থ্রম্বোসিস হলে বা পাইলস বাইরে অতিরিক্ত ঝুলে থাকলে ব্যথা হতে পারে। মলদ্বারে শুধু পাইলস রোগই হয় না আরও অনেক রোগ হয় যার শতকরা বিশ ভাগ রোগী পাইলসে আক্রান্ত।

প্রতিরোধের উপায় :

এ রোগ প্রতিরোধের উপায় হচ্ছে সময়মতো কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়রিয়ার চিকিৎসা করা, টয়লেটে বসে বসে পেপার/বই না পড়া, খাবারের সঙ্গে আঁশ জাতীয় জিনিস যেমন-ফল, সবজি, সালাদ পরিমাণ মতো খাওয়া, দৈনিক ৬-৮ গ্লাস পানি পান করা, ভারী ওজন না তোলা, অতিরিক্ত গরমে বেশিক্ষণ না থাকা ইত্যাদি।

English Dainikbiswa

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

আপনার কিডনি আপনি পরিস্কার রাখুন- ঘরে বসেই…

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

আমরা জানি যে, ঘর সুন্দর রাখার জন্য, সর্বদা ঘর পরিষ্কার করা উচিত, একইভাবে কিডনি সুস্থ রাখার জন্য কিডনি পরিষ্কার রাখা প্রয়োজন। কারণ কিডনি শরীরকে ময়লা থেকে মুক্ত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিডনি আমাদের দেহের একটি প্রধান অঙ্গ, এটি রক্ত ​​থেকে লবণ বের করে দেয় এবং ক্ষতিকারক ব্যাকটিরিয়া পরিষ্কার করে ময়লা অপসারণ করে। কিডনিতে ময়লা জমে থাকার কারণে, টক্সিনগুলি জমা হতে শুরু করে এবং পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমায়। কিডনি রোগ প্রতিরোধের জন্য কিডনি সর্বদা পরিষ্কার রাখতে হবে, যাতে শরীর সুস্থ থাকে। আসুন আমরা আপনাকে আজকের নিবন্ধে কিডনি পরিষ্কারের ঘরোয়া প্রতিকার সম্পর্কে বলি।

কিডনি পরিষ্কার করার ঘরোয়া প্রতিকার ।

লেবু – লেবুতে রয়েছে অনেক ঔষধি গুণ পাশাপাশি ভিটামিন সিও প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। এটি শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করতে সহায়তা করে। লেবু ব্যবহার করতে এক গ্লাস জলে লেবুর রস মিশিয়ে প্রতিদিন পান করুন। এটি কিডনি পরিষ্কার করতে সহায়তা করে এবং কিডনিজনিত রোগ থেকে রক্ষা করে।

লাল আঙ্গুর – লাল আঙুরে অনেক পরিমাণে ভিটামিন এবং খনিজ থাকে। এতে ভিটামিন সি, বি 6, এ প্রচুর পরিমাণে রয়েছে এবং খনিজগুলির মধ্যে রয়েছে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফোলেট, পটাসিয়াম। আঙুর খাওয়ার ফলে পেটের সমস্যা হয় না এবং কোষ্ঠকাঠিন্য ও ক্লান্তি সমস্যা দূর হয়। এটি সেবন করলে কিডনি পরিষ্কার থাকে এবং কিডনির ময়লা দূর হয়।

আদা – আদা এক ধরণের আয়ুর্বেদিক ঔষধি যা অগণিত স্বাস্থ্য সমস্যার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, আয়োডিন, আয়রন এবং অন্যান্য পুষ্টি রয়েছে। এটি কিডনি থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সহায়তা করে। আদা অবশ্যই আপনার ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।

ধোনে – ধোনে পাতা তে প্রচুর পরিমাণে ম্যাঙ্গানিজ, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন সি এবং ভিটামিন কে এবং প্রোটিন রয়েছে। ধনে কিডনি পরিষ্কার করতে খুব উপকারী। ধোনে খাবার বা সালাদে ব্যবহার করা উচিত। ধোনে অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা সংশোধন করতে সহায়তা করে।

English Dainikbiswa

সানডেক লঞ্চ চলাচল বন্ধ: লঞ্চের নতুন নকশা  

সরকারী ও বেসরকারী মেডিক্যালে ভর্তি ফল প্রকাশ আজ

বরিশাল সদর হাসপাতালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৪ দালাল আটক

//পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল//

বরিশাল নগরীতে রমজানে সরকারি হাসপাতালে দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে  ডায়াগনস্টিক ল্যাবএর  ষ্টাফসহ ৩ নারী রোগীর দালাল সদস্য আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। রোববার (৩ এপ্রিল) দুপুরে বরিশাল জেনারেল সদর হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন, শর্শী, শিল্পি, সেজমিন ও লাইফ লাইন ডায়াগনিস্টিক এর রিসিপশনিষ্ট আল-আমিন।

অভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লাকি দাস জানান, বরিশাল সহ আশে পাশের জেলা উপজেলা থেকে আসা অসহায় গরিব রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারের নির্দেশনায় রোগীর দালালদের দমনে মাঠে নেমেছে প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার বরিশাল সদর হাসপাতালে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমান আদালত। এসময় ৪ দালালকে আটক করা হয়। পরে তাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়ে জেলে পাঠানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে কিডনি ডায়ালইসিস সেন্টার গড়ার উদ্দ্যোগ

//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম//

চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে কিডনি ডায়ালইসিস সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট এই হাসপাতালে অন্যান্য চিকিৎসার সেবার পাশাপাশি একটি কিডনি ডায়ালইসিস সেন্টার করার বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালটির তত্ত্বাবধায়ক ডা. সেখ ফজলে রাব্বি।

মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল সম্মেলন কক্ষে সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক)-টিআইবি’র সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, হাসপাতালকে ২৫০ থেকে ৫০০ শয্যায় উন্নীত করে শীঘ্রই পূর্ণাঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রূপান্তর করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে একটি কিডনি ডায়ালইসিস সেন্টার করার বিষয়েও সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়েছে। এসব উদ্যোগের বাস্তবায়ন হলে এ হাসপাতালে চিকিৎসা সেবার মান আরও বৃদ্ধি পাবে।

তিনি বলেন, এ হাসপাতালে মোট ১৮টি আইসিইউ বেড রয়েছে। করোনাকালে আইসিইউ গুলো মুমূর্ষু রোগীর জন্য ব্যবহার হতো। বর্তমানে করোনার সংক্রমণ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসায় আইসিইউ’র অধিকাংশ বেড খালি পড়ে রয়েছে। এসব আইসিইউ বেডে নন-কোভিড জটিল রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হচ্ছে। পাশাপাশি ডায়রিয়া রোগীদের জন্য আলাদা ইউনিট করা হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীদের খাবারের মান আগের তুলনায় উন্নত করা হয়েছে। জনবল সংকটসহ অন্যান্য সমস্যা সমাধান হলে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল একটি পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে পরিণত হবে ইনশাআল্লাহ।

সভায় মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে ‘কোভিড-১৯ টিকা প্রদানে সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক পর্যবেক্ষণ রিপোর্ট ও কর্তৃপক্ষের করণীয় বিষয়গুলো উপস্থাপন করেন সনাক-টিআইবি’র সদস্য অধ্যাপক সঞ্জয় বিশ্বাস।

টিআইবি চট্টগ্রাম মহানগর কো-অর্ডিনেটর মোহাম্মদ তোহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় উক্ত মত বিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সনাক-টিআইবি’র সদস্য প্রকৌশলী মো. দেলোয়ার হোসেন মজুমদার, চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. গোলাম মোস্তফা জামাল, কনসালটেন্ট (গাইনী) ডা. রওশন আরা বেগম, সনাক-টিআইবি’র সহ-সভাপতি রওশন আরা চৌধুরী ও টিআইবি’র ক্লাস্টার কো-অর্ডিনেটর মো. জসিম উদ্দিন।

পরে উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন জেনারেল হাসপাতালের পরিসংখ্যানবিদ শওকত আল-আমির ও সিনিয়র স্টাফ নার্স মঞ্জু রানী দাশ প্রমুখ।
English Dainikbiswa

ডুমুরিয়ার সাহস ইউনিয়নে টিসিবি পন‍্য বিতরণ

মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ বরিশাল নগরী কাজ করছেনা ঔষধেও

মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ বরিশাল নগরী কাজ করছেনা ঔষধেও

//পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল//

বর্ষা শুরুর আগেই মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন বরিশাল নগরীর বাসিন্দারা। মশকনিধনে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের (বিসিসি) তেমন কার্যক্রম না থাকায় মশা বেড়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন বর্ষা শুরুর আগেই মশা নিধনে আগাম ব্যবস্থা না নিলে করোনার সঙ্গে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেড়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে। বিসিসি সূত্রে জানা গেছে, ৫৮ বর্গকিলোমিটারের বরিশাল সিটিতে পাঁচ লক্ষাধিক মানুষের বসবাস। ৩০টি ওয়ার্ডে বিভক্ত এ সিটির মশা নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন মাত্র ৭০ কর্মচারী। আধুনিক সরঞ্জাম বলতে রয়েছে ১০টি ফগার মেশিন।

আর রয়েছে ৭০টির মত হস্তচালিত স্প্রে। যারা এসব পরিচালনা করেছেন, তাদের নেই কোনো প্রশিক্ষণ। ফলে তারা জানেন না কোথায় কোন প্রজাতির মশা রয়েছে। কোন মশার জন্য কী ধরনের কীটনাশক ব্যবহার করতে হয়। আর কীটনাশক প্রয়োগের মাত্রার সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন সীমা কতটুকু। নগরীর ৭ নং ওয়ার্ডে মশার উপদ্রব অনেক বেশি বলে জানান সেখানকার বাসিন্দারা।কাউনিয়া ব্রাঞ্চ রোড এলাকার  বাসিন্দা মো মামুন বলেন।  চারতলায় একটি ফ্লাটে স্ত্রী ও দুই ছেলে মেয়ে নিয়ে থাকি।

মশার উৎপাত এতই বেশি যে সন্ধ্যার পর ছেলে মেয়েকে মশারির মধ্যে রাখতে হয় মশার জ্বালায় বাসায় কোথাও একটানা বসে থাকা যায় না। মশার কামড়ে স্বাভাবিক কাজ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। কিন্তু মশা মারতে কর্পোরেশনের লোকজনের দেখা মিলে না। ৪নং ওয়ার্ড ভাটিখানা বাসিন্দার নির্মল বর্নিক বলেন নগরীর অন্য এলাকার তুলনায় এটি নিম্নাঞ্চল সারা বছরই এ ওয়ার্ডে পানি জমে থাকে। এর মধ্যে নতুন নতুন বহুতল ভবন গড়ে উঠছে।  পাশের ড্রেন ও নালায় অসংখ্য প্লাস্টিকের কাপ, পানির বোতল, কর্কশিটের বাক্স, ডাবের খোসা, ঠোঙা জমে আছে।

এখানে প্রচুর মশা জন্মায়। কিন্তু এ এলাকায় সিটি কর্পোরেশন মশার ওষুধ ছিটানো হয় না। নগরীর ১৯ নং ওয়ার্ডের নতুন বাজার  বাসিন্দা সজিব ঘোষ জানান, নতুনবাজার হলো মশার কারখানা। সন্ধ্যার পর বাইরে বের হলে মশা যেভাবে ঘিরে ধরে মনে হয় উড়িয়ে নিয়ে যাবে দিনেও মশা কামড়ায় ২৪ ঘণ্টা কয়েল জ্বালিয়ে রাখতে হয়। বিকেল হলেই মশার উৎপাত শুরু হয় সন্ধ্যা নাগাদ তা চরমে পৌঁছে সন্ধ্যার পর কয়েল বা স্প্রে ছাড়া ঘরে থাকা যায় না। এরপরও মশক নিধনের কোনো কার্যক্রম দেখা যায় না তিনি আরও বলেন সামনে বর্ষা মৌসুম বৃষ্টি হলে এডিস মশা বাড়বে।

আবার গরমে বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকলেও মশা বাড়বে তাতে ডেঙ্গুর প্রকোপও বৃদ্ধির আশঙ্কা আছে। সাধারণত জুন-সেপ্টেম্বর সময়ে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেশি এ সময়কে ডেঙ্গুর মৌসুম বলা হয়। তবে সিটি কর্পোরেশন যে ওষুধ ছিটাচ্ছে, তা মশা মারতে কতটা কার্যকর তা পরীক্ষা করে দেখা দরকার। নগরীর ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা বলেন নগরীর সবখানেই মশার উৎপাত  সিটি কর্পোরেশনের মশকনিধন কার্যক্রম চললেও মশা কমছে না। মশা নির্মূলে আগাম ব্যবস্থা না নিলে করোনার সঙ্গে ডেঙ্গুর প্রদুর্ভাব বেড়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমি নিয়মিত ট্যাক্স দেই নাগরিক সুযোগ-সুবিধা পাওয়া আমার অধিকার। সেই জায়গা থেকে মশার থেকে রেহাই পেতে সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনার দাবি জানাচ্ছি।

English Dainikbiswa

রাশিয়ার বিশেষ বাহিনী ইউক্রেনের নির্যাতনকারীদের ধরেছিল

সারা বিশ্বে করোনা সনাক্ত বৃদ্ধি পেয়েছে

ডায়াবেটিসের একটি নতুন কারণ আবিষ্কার: আপনিও জেনে নিন…

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

যাদের শরীরে আইএপির পরিমাণ কমে যায়, তাদের ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ১৩ দশমিক ৮ গুণ বেড়ে যায়

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আরও একটি নতুন কারণ আবিষ্কারের কথা জানিয়েছে বাংলাদেশের একদল বিজ্ঞানী। তারা বলছেন, ক্ষুদ্রান্ত্রের উপরের অংশে থাকা গুরুত্বপূর্ণ একটি জারক রস কমে গেলে এ রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এই জারক রস বা এনজাইমের নাম ইন্টেস্টাইনাল অ্যালকেলাইন ফসফেটাস, সংক্ষেপে আইএপি।

গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের শরীরে আইএপির পরিমাণ কমে যায়, তাদের ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ১৩ দশমিক ৮ গুণ বেড়ে যায়। এ গবেষণায় নেতৃত্ব দিয়েছেন বারডেম হাসপাতালের ভিজিটিং অধ্যাপক ডা. মধু এস মালো।

তিনি যুক্তরাষ্ট্রের হাভার্ড মেডিকেল স্কুলের সাবেক সহকারী অধ্যাপক। ‘ ইন্টেস্টাইনাল অ্যালকেলাইন ফসফেটাস ডেফিসিয়েন্সি ইনক্রিজেস দ্য রিস্ক অব ডায়াবেটিস’ শীর্ষক এই গবেষণা প্রবন্ধ সম্প্রতি ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নাল ‘দ্য বিএমজে ওপেন ডায়াবেটিস রিসার্চ অ্যান্ড কেয়ার’-এ প্রকাশিত হয়েছে।

রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে বুধবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ আবিষ্কারের তথ্য তুলে ধরা হয়। গবেষণায় অর্থায়ন করেছে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড রিসার্চ কাউন্সিল এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আইএপি কমে যাওয়া ডায়াবেটিসের অন্যতম প্রধান কারণ।

তবে আবিষ্কারের এ বিষয় ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন বিজ্ঞানীরা।

ডা. মধু এস মালো সাংবাদিকদের বলেন, গত পাঁচ বছরে (২০১৫-২০ সাল) ৩০ থেকে ৬০ বছর বয়সি ৫৭৪ জন মানুষের ওপর গবেষণা করে ডায়াবেটিসের এই নতুন কারণ সম্পর্কে জানা গেছে।

তিনি বলেন, আইপিএ স্বল্পতায় ভোগা ব্যক্তিদের মধ্যে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি-যারা এমন স্বল্পতায় ভোগেন না, তাদের চেয়ে অনেক বেশি হয়।

যাদের অন্ত্রে এ এনজাইমটি কম ছিল এবং পরে বেড়েছে তাদের ডায়াবেটিস হয়নি। এনজাইমটি যাদের অন্ত্রে কম ছিল, তাদের ফাস্টিং সুগার বৃদ্ধির মাত্রা প্রায় দ্বিগুণ। এর মাত্রা বেশি হলে স্থূল বা মোটা মানুষেরও ডায়াবেটিস হয় না।

তিনি জানান, স্টুল (মল) পরীক্ষা করে, কারও শরীরে আইপিএ কম আছে কিনা-তা ৩ মিনিটের মধ্যে জানা যাবে। এনজাইমটির স্বল্পতার কারণে যাদের ঝুঁকি রয়েছে, তারা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়ে ডায়াবেটিস মুক্ত থাকতে পারবেন।

স্টুল পরীক্ষার জন্য মাঠপর্যায়ে তার প্রস্তুতকৃত কিট ব্যবহারের জন্য নীতিনির্ধারক ও সরকারের কাছে সহায়তা চেয়েছেন এই গবেষক।

সংবাদ সম্মেলনে ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি ডা. একে আজাদ খান বলেন, যাদের আইএপি কমে যায়, জেনেটিক কারণ, ইনসুলিন রেজিস্টেন্স, কায়িক পরিশ্রমের ঘাটতিসহ বিভিন্ন কারণে হয় ডায়াবেটিস।

তবে ইনটেস্টিনাল (অন্ত্রে) অ্যালকাইন ফসফেট (আইপিএ) নামক একটি এনজাইমের ঘাটতিও ডায়াবেটিস রোগ সৃষ্টির অন্যতম কারণ। তাদের ডায়াবেটিস হওয়ার আশঙ্কা বেশি। এটি একটি যুগান্তকারী আবিষ্কার।

এ থেকে বোঝা যায়, বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরাও বড় কাজ করতে সক্ষম। আমি মনে করি, ‘এ আবিষ্কার হবে যুগান্তকারী, যা ডায়াবেটিক প্রতিরোধে বড় অবদান রাখবে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরেক গবেষক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক সালেকুল ইসলাম জানান, যাদের দেহে এ এনজাইমের পরিমাণ কম তাদের এনজাইম দেওয়া সম্ভব হলে ডায়বেটিস প্রতিরোধ করা সম্ভব।

ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা করে দেখা গেছে-হলুদ, জিরা ও লাল ক্যাপসিকাম খেলে আইপিএ অ্যানজাইম বাড়ে। তবে এখনো মানব দেহে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল করা হয়নি।

গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছিল বারডেম, ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির এক দল গবেষক।

২০২১ সালের হিসাব অনুযায়ী সারা বিশ্বে বর্তমানে ৫৪ কোটি মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। এর তিন-চতুর্থাংশ বাস করে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে। অন্যদিকে বাংলাদেশে ডায়াবেটিক সমিতির সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশে এ রোগীর সংখ্যা ৮৪ লাখের বেশি।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

ঐতিহাসিক সিরিজ জয় টাইগারদের

চোরদের চাপের কারণে আমি পদত্যাগ করবনা- ইমরান খান

বরগুনার আমতলীতে ইউনিক স্পেশালাইজড হাসপাতালের উদ্বোধন

//সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলীতে ইউনিক স্পেশালাইজড হাসপাতালের উদ্বোধন করা হয়েছে।

আজ বিকাল সাড়ে ৪ টায় পৌর শহরের সরকারি একে স্কুল সংলগ্ন পটুয়াখালী-আমতলী আঞ্চলিক সড়কের পাশে ইউনিক স্পেশালাইজড হাসপাতালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মজিবুর রহমান।

বরগুনার আমতলীতে ইউনিক স্পেশালাইজড হাসপাতালের উদ্বোধন

বক্তব্য রাখেন আমতলী  পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মতিয়ার রহমান,  উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এড. এম,এ কাদের মিয়া,উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মুনায়েম সাদ,আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ একেএম মিজানুর রহমান, হাসপাতালের পরিচালক ইঞ্জিঃ রাকিব উদ্দিন  চৌধুরী রাজু প্রমুখ।

উল্লেখ্য,হাসপাতালের  অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতিসহ হোম সার্ভিস ও সকল প্রকার চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হবে।

মাগুরায় মাগুরা (প্রা:) সিটি হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের উদ্বোধন

//শ্যামল বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা//

মাগুরায় জনসাধারণের উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদান করার লক্ষ্যে মাগুরা (প্রা:) সিটি হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের শুভ উদ্বোধন হয়েছে। শহরের ঢাকার রোডস্থ কাঁচাবাজার সংলগ্ন সাইফুল ইসলামের ভবনে এই ডায়াগনস্টিক সেন্টারের শুভ উদ্বোধন করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৭ইং মার্চ) সকালে মাগুরা (প্রা:) সিটি হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রোপাইটর মোঃ সবুজের সভাপতিত্বে ফিতা কেঁটে উদ্বোধন করেন প্রধান অতিধি মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ: অ্যাড. সাইফুজ্জামান শিখর।উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ সহ প্রায় তিন শতাধিক লোকের সমাগম হয়। সবশেষে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষ করা হয়।

এ বিষয়ে মাগুরা (প্রা:) সিটি হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রোপাইটার মোঃ জাকির হোসেন সবুজ বলেন, উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমাদের এই যাত্রা। ভালো চিকিৎসা সেবা দেয়াই আমাদের লক্ষ্য । উন্নত চিকিৎসা সেবার মাধ্যমে সিটি হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে একটি ব্রান্ড বানাতে চাই‌। এই ব্যাপারে সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি।

ডেল্টাক্রন নামে দেখা দিয়েছে ইংল্যান্ডে, কতটা ভয়াবহ এটা…!

//আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

ইংল্যান্ডে এবার করোনা ভাইরাসের হাইব্রিড ভ্যারিয়েন্ট ‘ডেল্টাক্রন’ এর দেখা মিলল। নতুন এ ভ্যারিয়েন্টে ফের চিন্তায় বিশেষজ্ঞেরা।

অর্থাৎ ওমিক্রন ও ডেল্টা দুটি ভ্যারিয়েন্টের মিশ্রণে তৈরি নতুন এ ভ্যারিয়েন্ট ডেল্টাক্রন। খবর ব্লুমবার্গের।

করোনাভাইরাসের ডেল্টা ও ওমিক্রন স্ট্রেইন— দুয়েরই চরিত্র রয়েছে এতে। ব্রিটেনের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা সংস্থা (এইচএসএ) জানিয়েছে, দেশের একটি গবেষণাগারে নমুনা পরীক্ষা করতে গিয়ে ধরা পড়েছে এটি। মিউট্যান্ট হাইব্রিডটিকে নজরে রাখার কাজ শুরু হয়ে গেছে।

ডেল্টাক্রনের আবির্ভাব নিয়ে মুখ খুললেও নতুন এই ভ্যারিয়েন্টটি ঠিক কতটা বিপজ্জনক, সে নিয়ে কিছু জানায়নি এইচএসএ।

অর্থাৎ এর সংক্রমণ ক্ষমতা কতটা, মারণ ক্ষমতাইবা কেমন, তা নিয়ে মুখ খোলেনি তারা। এ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ঘটিয়েছে ডেল্টা স্ট্রেইন।

এর প্রভাবে আমেরিকা ও ভারতে ব্যাপক মৃত্যু হয়। উল্টো দিকে ওমিক্রন সবচেয়ে বেশি সংক্রামক স্ট্রেইন। এটির সংক্রমণ ক্ষমতা ভয়াবহ হলেও মৃত্যু সংখ্যা কম ছিল।

এদের দুয়ের মিশ্রণে তৈরি হওয়া ভ্যারিয়েন্ট, তাই কপালে ভাঁজ ফেলেছে বিজ্ঞানীদের।

ডেল্টাক্রন ভ্যারিয়েন্ট প্রথম আবিষ্কার হয় সাইপ্রাসে, গত বছরের শেষের দিকে। ‘ইউনিভার্সিটি অব সাইপ্রাস’-এর গবেষক লিয়োনিডস কসট্রিকিস দাবি করেছিলেন, তার দল ২৫টি ডেল্টাক্রন সংক্রমণ চিহ্নিত করেছে।

এ বছর ৭ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক তথ্যভাণ্ডার ‘জিআইএসএআইডি’-র কাছে সেই ২৫টি সংক্রমণের জেনেটিক সিকোয়েন্স পাঠান কসট্রিকিস।

ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের বার্কলে ল্যাবরেটরির গবেষক টমাস পিকক বলেন, স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, এটি কোনোভাবে মিশে গেছে।

কিন্ত কসট্রিকিসের দাবি, ডেল্টা ও ওমিক্রনের থেকেও বেশি শক্তিশালী ডেল্টাক্রন। ব্রিটেনের এইচএসএ অবশ্য এখনও ডেল্টাক্রন সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত কিছু জানায়নি।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

চিরচেনা লুঙ্গি-শার্ট নয় , ফটোশুটে মাম্মিক্কার স্মার্ট লুক (ভিডিও)