যশোরে অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে উপস্থিত ৩টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন

 

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় সুনামি বাংলাদেশকে বিষাক্ত সাপের ন্যায় গ্রাস করেছে। প্রতিদিনই গাণিতিক হারে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ ও মৃতের সংখ্যা। করোনার সংক্রমণের হটস্পট হিসাবে এবার অর্বিভাব হয়েছে দেশের সীমান্তবর্তী জেলাসমূহ।

সীমান্তবর্তী যশোর জেলার সদর উপজেলায় করোনার সংক্রমণ সুপার পাওয়ার নিয়ে অবতীর্ণ হয়েছে। ফলে একমাত্র মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে আসন সংখ্যার দ্বিগুণেরও বেশী রোগী অবস্থান করছে হাসপাতালটিতে।ফলে মেঝেতে অবস্থান করছেন অর্ধেকেরও বেশি রোগী।

হাসপাতালে রোগীর চাপ খুবদ্রুত বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসা সেবা দিতে হিমসিম খাচ্ছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এছাড়াও রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় করোনা রোগীর প্রাণ সঞ্জীবনী অক্সিজেনের চাহিদাও বেড়ে গেছে কয়েকগুণ। যা সরবরাহ ও যোগান দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না হাসপাতাল থেকে। যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটের বর্তমানে রোগীর চাপ বেশি হওয়ায় যশোর শহরের আশেপাশেরঅধিকাংশ করোনা রোগী এখন হাসপাতালে না গিয়ে বাড়িতে চিকিৎসা নেওয়ায় স্বচ্ছন্দ বোধ করছেন।

কিন্তু যে সকল রোগীর হঠাৎ করে অক্সিজেন লেভেল কম হয়ে যাচ্ছে তাদের কৃত্রিম উপায়ে অক্সিজেনের সরবরাহ করার প্রয়োজন হচ্ছে।ফলে অক্সিজেন সিলিন্ডারের প্রয়োজন পড়ছে। কিন্তু অক্সিজেন সিলিন্ডার ক্রয় করা সবার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই তখন করোনা আক্রান্ত রোগীদের পরিবারের লোকজনের এখন পর্যন্ত একমাত্র ভরসাস্থল প্রাক্তন ছাত্র মৈত্রীদের মানবিক সহায়ক কমিটির স্বেচ্ছাসেবকরা ও তাদের সরবরাহকৃত অক্সিজেন, যশোর জেলার দীর্ঘদিন পরিচালিত বিবর্তন নাট্যগোষ্ঠীর স্বেচ্ছাসেবকদের অক্সিজেন সিলিন্ডার ও যশোর আরএনরোডের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সিলিন্ডার।

৪ জুলাই -২০২১ রোজ রবিবার সকাল থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত মৈত্রী মানবিক সহায়ক কমিটির স্বেচ্ছাসেবকগণ যশোর শহরের বেজপাড়া বনানী রোড,হুশতলা,আরএন রোড, বেজপাড়া ছায়াবীথি রোড়, ঘোপ,মোল্লাপাড়া ও ষষ্ঠীতলাপাড়া নিজেরা অক্সিজেন সিলিন্ডার পৌঁছে দিয়ে এসেছেন এবং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনা রোগীর শরীরে অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা করেছেন।

এছাড়া শহরের সন্নিকটে ও অদূরে অবস্থিত চুড়িপট্টি, বেজপাড়া রূপদিয়া নরেন্দ্রপুর ও ষষ্ঠীতলাপাড়ার অনেকেই তাদের অফিস থেকে সংগ্রহ করেছেন।

এসময় মৈত্রী ভলেন্টিয়ার্সরা ১২ জন রোগীর জন্য অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ করেছেন। এর ভিতর ৮ টি অক্সিজেন সিলিন্ডার ভলান্টিয়ার্স টীম রোগীদের বাড়ি পৌঁছে দিয়েছে এবং বাকি ৪ টি সিলিন্ডার রোগীর স্বজনরা তাদের অফিস থেকে সংগ্রহ করেছেন। হঠাৎ করে অক্সিজেন সিলিন্ডারের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় যশোরের বিবর্তন নাট্যগোষ্ঠীর নিকট থেকে ৩ টি সিলিন্ডার সংগ্রহ করে রোগীদের দেওয়া হয়েছে।

ঠিক একইভাবে বির্বতন নাট্যগোষ্ঠীর স্বেচ্ছাসেবকও আরএনরোডের স্বেচ্ছাসেবকরা দিনরাত কাজ করছে করোনা রোগীদের জীবনদায়ী অক্সিজেন পৌঁছে দেওয়ার জন্য। দিন যত যাচ্ছে ততোই অক্সিজেন সিলিন্ডারের চাহিদা বেড়ে যাচ্ছে। ফলে সীমিত সিলিন্ডার দিয়ে এই সেবা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে হিমসিম খেতে হচ্ছে।

তাই এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো সমাজের সকল বিত্তবান লোকদের সহযোগীতা কামনা করছেন।

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশালে কারণ ছাড়া বের হওয়ায় পুলিশের এএসআই’র মোটরসাইকেল জব্দ

 

গণটিকাদান কর্মসূচি আবারও গতি পাবে, আগামীতে টিকার আর কোনো অভাব হবে না

 

গণটিকাদান কর্মসূচী কিছুদিন বন্ধ ছিল, নতুন করে টিকা আসতে শুরু করায় করোনামহামারীর টিকা নিয়ে বর্তমান টিকা সংকট আপাতত কাটল বলে ধরা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের দুই কোম্পানির মোট ২৩ লাখ ডোজ টিকা বাংলাদেশে পৌঁছেছে, আরও ২২ লাখ ডোজ আসছে।

শুক্রবার রাতে দুটি ফ্লাইটে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি মডার্নার তৈরি করোনাভাইরাসের ১৩ লাখ এবং সিনোফার্মের ১০ লাখ ডোজ টিকা দেশে পৌঁছায়।

মডার্নার আরও ১২ লাখ ডোজ এবং সিনোফার্মের ১০ লাখ ডোজ টিকা শনিবার দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

চীন থেকে সিনোফার্মের যে দেড় কোটি ডোজ টিকা বাংলাদেশ কিনছে, এটা তার প্রথম চালান। আর মডার্নার টিকা বাংলাদেশ পেয়েছে টিকার আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম কোভ্যাক্সের আওতায়।

 

গণটিকাদান কর্মসূচি আবারও গতি পাবে, আগামীতে টিকার আর কোনো অভাব হবে না

 

টিকা বুঝে নেওয়ার পর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সাংবাদিকদের বলেন, টিকার সঙ্কটে দেশে গণ টিকাদান কর্মসূচিতে ছন্দপতন হয়েছিল। এসব টিকা আসায় গণটিকাদান কর্মসূচি আবারও গতি পাবে।

“টিকাদান কার্যক্রম আমরা জোরেশোরেই শুরু করেছিলাম। টিকা না পাওয়ায় মাঝখানে কিছুদিনের জন্য টিকাদান কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এখন আমরা আনন্দের সাথে বলতে পারি, আগামীতে টিকার আর কোনো অভাব হবে না।”

ডিসেম্বর নাগাদ বাংলাদেশ বিভিন্ন উৎস থেকে ১০ কোটি ডোজ টিকা পাবে জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী বছরের প্রথম তিন মাসের মধ্যে বা তার পরে জনজন অ্যান্ড জনসন থেকে আরও সাত কোটি ডোজ টিকা পাওয়া যাবে।

টিকা পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম বলেন, গণ টিকাদান এবার ‘পুরোদমে’ শুরু হবে।

কোভ্যাক্সের আওতায় মডার্নার ১৩ লাখ ডোজ টিকা নিয়ে রাত ১১টা ১৩ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট বিমানবন্দরে নামে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মোমেন ও বাংলাদেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার এ সময় বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন।

 

গণটিকাদান কর্মসূচি আবারও গতি পাবে, আগামীতে টিকার আর কোনো অভাব হবে না

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা আনন্দের সঙ্গে বলছি, আমরা ১৩ লাখ টিকা গ্রহণ করলাম। আরও ১২ লাখ ডোজ টিকা (শনিবার) সকালে এসে পৌঁছাবে।”

বিশ্বজুড়ে টিকা সরবরাহের আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম কোভ্যাক্স এর আগে ফাইজারের তৈরি ১ লাখ ৬২০ ডোজ করোনাভাইরাসের টিকা দিয়েছে বাংলাদেশকে, যা ৩১ মে দেশে পৌঁছায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনস বা গ্যাভি এবং কোয়ালিশন ফর এপিডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস ইনোভেশনসের গড়া প্ল্যাটফর্ম হলো কোভ্যাক্স, যা বিশ্বের সব মানুষের সংক্রামক রোগের প্রতিষেধক পাওয়া নিশ্চিত করতে গড়ে তোলা হয়েছে।

মডার্নার টিকা আসার ঘণ্টা দেড়েক পর বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে চীন থেকে কেনা সিনোফার্মের তৈরি করোনাভাইরাসের টিকার ১০ লাখ ডোজ ঢাকায় পৌঁছায়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে এসব টিকা গ্রহণ করেন।

পরে রাতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, এ মাসে সিনোফার্মের ২০ লাখ ডোজ টিকাই পাচ্ছে বাংলাদেশ।

“আগামী মাসে আরও বেশি টিকা আসবে বলে আমরা আশা করছি। সেটা ৩৫ থেকে ৪০ লাখ ডোজ হতে পারে।”

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমএনসিঅ্যান্ডএইচের লাইন ডিরেক্টর ডা. মো.শামসুল হক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এসব টিকা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন স্টোরেজে নিয়ে রাখা হবে।”

এর আগে চীনের উপহার হিসেবে গত ১২ মে ৫ লাখ ডোজ এবং ১৩ জুন ৬ লাখ ডোজ সিনোফার্মের টিকা ঢাকা পৌঁছায়। এবারের টিকা এসেছে সরকারের সঙ্গে টিকা কেনা চুক্তির আওতায়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন গত ২৫ মে জানিয়েছিলেন চীন থেকে দেড় কোটি ডোজ টিকা কেনা হবে।

দুদিন পর ২৭ মে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় সিনোফার্মের প্রতি ডোজ ১০ ডলার দরে দেড় কোটি ডোজ টিকা কেনার প্রস্তাবে অনুমোদন দেয় সরকার।

দুই মাসের বেশি সময় পর বৃহস্পতিবার চীনা কোম্পানি সিনোফার্ম ও যুক্তরাষ্ট্রের ফাইজারের তৈরি করোনাভাইরাসের টিকা নিয়ে সারা দেশে এরই মধ্যে নতুন করে গণ টিকাদান শুরু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঢাকায় সিনোফার্মের টিকা দেওয়া হচ্ছে ৪০টি কেন্দ্রে। আর ফাইজারের টিকা দেওয়া হচ্ছে সাতটি কেন্দ্রে।

গত ৭ ফেব্রুয়ারি ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দিয়ে দেশে গণটিকাদান শুরু হয়। কিন্তু টিকা সঙ্কট দেখা দিলে গত ২৫ এপ্রিল সে কর্মসূচি স্থগিত করা হয়। সেসময় টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হচ্ছিল।

সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে এ পর্যন্ত ১ কোটি ২ লাখ ডোজ টিকা এসেছে। যারা প্রথম ডোজ পেয়েছেন, তাদের সবাইকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার মতো টিকা না থাকায় অন্য উৎস থেকে টিকা সংগ্রহের উদ্যোগ নেয় সরকার।

::অনলাইন নিউজ::

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

গাজীপুরে লকডাউন বাস্তবায়নে জোরালো পদক্ষেপ: মামলা ও  জরিমানা

 

 

খুলনায় শেখ আবু নাসের হাসপাতালে ৪৫ বেড নিয়ে করোনা ইউনিট চালু

 

খুলনায় শেখ আবু নাসের বিশেসায়িত  হাসপাতাল নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত।  প্রতিদিন খুলনা করোনা সংক্রমনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীদের চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল, খুলনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিট ও বেসরকারি গাজী মেডিক্যাল হাসপাতালে পর্যাপ্ত সীট না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে রোগী ও তাদের স্বজনরা।

হাসপাতালে ভর্তি হতে না পেরে অনেক রোগীই সু-চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে । ফলে করোনায় আক্রান্ত হয়ে অনেকটাই মৃত্যুর ঝুকিতে রয়েছে তারা। খুলনায় করোনা হাসপাাতালের রোগীর চাপ সামাল দিতে আজ শনিবার সকাল থেকে ৪৫ বেড নিয়ে চালু হচ্ছে করোনা ইউনিট । তবে এই হাসাপাতালে শুধু চিকিৎসাই নেয়া যাবে । কোন রোগীর নমুনা পরীক্ষা করার কোন ব্যাবস্থা নেই আবু নাসের হাসপাতালে ।

অন্যদিকে করোনা আক্রান্তর সংখ্যা বাড়তে থাকায় ২৩০ বেড থেকে বাড়িয়ে ১৫০ বেড করা হয়েছে । চলতি সপ্তার মধ্যে ২০০ বেড করা হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতার কর্তৃপক্ষ । জানা যায়, গত ২৯ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক পত্রের মাধ্যমে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে করোনা ইউনিট চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়।

সেই নির্দেশ মোতাবেক গত ৩০ জুন সকালে হাসপাতালের সভা কক্ষে বিভাগীয় প্রধানদের নিয়ে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হাসপাতালের উত্তর পাশের জরুরী বিভাগ সংলগ্ন প্লাস্টিক অ্যান্ড বার্ন ইউনিটের ২০টি এবং ফিজিক্যাল মেডিসিনি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগে ১৫টি বেড স্থাপন কার্যক্রম শুরু হয়। ওই ৩৫টি বেড ছাড়াও চতুর্থ তলার আইসিইউ বিভাগের ১০টি বেডও করোনার রোগীদের জন্য প্রস্তুত করা হয়।

আইসিইউর ১০টিসহ মোট ৪৫টি বেডে রোগী ভর্তি করা হবে। নিচ তলা থেকে রোগীদের চতুর্থ তলার আইসিইউতে নেওয়ার জন্যও ব্যবহার করা হবে পৃথক লিফট। শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) এবং করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. প্রকাশ চন্দ্র দেবনাথ জানান, শনিবার (৩ জুলাই) সকাল ৮টা থেকে করোনা রোগী ভর্তির মধ্য দিয়ে আবু নাসের হাসপাতালে করোনা ইউনিটের যাত্রা শুরু হবে। করোনা ইউনিটে ৩৫টি জেনারেল ও ১০টি আইসিইউ বেডে করোনা পজিটিভ রোগী ভর্তি করা হবে ।

পর্যাক্রমে ৩টি সিফটে রোগীদের সেবা দেওয়া হবে। প্রতি সিফটে দু’জন করে চিকিৎসক ও ১০ জন নার্স তাদের দায়িত্ব পালন করবে। খুলনা মেডিক্যালের করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ১৩০ বেড, খুলনা জেনারেল হাসপাতালের ৭০ বেড, বেসরকারি গাজী মেডিক্যাল হাসপাতালে ১২০ বেড ও শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে ৪৫ বেড মিলিয়ে ৩৬৫ বেডে jazwকরোনা আক্রন্ত রোগীরা চিকিৎসা সেবা নিতে পারবেন।

অন্যদিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালের ১৩০ বেডের করোনা ইউনিট বাড়িয়ে ১৫০ বেডে করা হয়েছে । হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ রবিউল হাসান জানান, করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় আরো ২০ বেড বাড়ানো হয়েছে । চলতি সপ্তাহর মধ্যে ২০০ বেডের ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি ।x

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

করোনা সংক্রমণ থেকে সুরক্ষিত থাকতে পুলিশ কমিশনার মসজিদে বক্তব্য

 

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ৫ টি হাই-ফ্লো ন্যাজাল ক্যানলা স্থাপন

 

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গার উপর দিয়ে অপ্রতিরোধ্য গতিতে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা সংক্রমণ।আর সেই সাথে বৃদ্ধি পাচ্ছে গুরুতর অসুস্থ রোগীর সংখ্যা, বাড়ছে অক্সিজেনের চাহিদা।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পর্যাপ্ত অক্সিজেনের ব্যবস্থা থাকলেও পর্যাপ্ত হাই- ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা না থাকায় চাহিদা অনুযায়ী অতিমাত্রায় ফুসফুস সংক্রমিত রোগীদের উচ্আ মাত্রার অক্সিজেন সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছিল না।ফলে অতি সংক্রমিত রোগীদের ঢাকায় রেফার করতে হচ্ছিল।

আর তাই পরিস্থিতি উত্তরণে জেলা প্রশাসক চুয়াডাঙ্গার উদ্যোগে মাননীয় সংসদ সদস্য, চুয়াডাঙ্গা -২ জনাব মোঃ আলী আজগর টগর, মোল্লা মটরস এর স্বত্বাধিকারী জনাব মোঃ শহীদুল হক মোল্লা এবং জেলা প্রশাসক চুয়াডাঙ্গার সহযোগিতায় আজ ২৯ জুন-২০২১ রোজ মঙ্গলবার ৫টি হাই- ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা সদর হাসপাতালে স্থাপনের জন্য চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

 

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনা মহানগরীতে ৪৩ জনকে ২৯ হাজার ৯ শত টাকা জরিমানা

 

খুলনা মেডিকেল কলেজ ও জেনারেল হাসপাতালে ২০টি হাই-ফ্লো ন্যাজল ক্যানোলা হস্তান্তর

// আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনা বিভাগীয় কমিশনার উদ্যোগে এবং এস আলম গ্রুপের সৌজন্যে জাতীয় দুর্যোগ করোনা মহামারী মোকাবেলায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও খুলনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে যথাক্রমে ১৫টি ও পাঁচটি মোট ২০টি হাই-ফ্লো ন্যাজল ক্যানোলা হস্তান্তর শনিবার বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ইসমাইল হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে এই হাই-ফ্লো ন্যাজল ক্যানোলা হস্তান্তর করেন। এসময় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোঃ আব্দুর রশিদ, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ মোঃ রবিউল হাসান, খুলনা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডাঃ মেহেদী নেওয়াজ, খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রতিনিধি, প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম জাহিদ হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

টাঙ্গাইলে করোনায় ১ জনের মৃত্যু, নতুন করে আক্রান্ত ১০১

 

 

অভয়নগরে (প্রা:) হাসপাতালে চিকিৎসা নামে চলছে গলাকাটা বাণিজ্য

 

অভয়নগরে (প্রা:) হাসপাতালে চিকিৎসা , যশোরের অভয়নগর উপজেলায় ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠা ( প্রাঃ) হাসপাতাল, বিগত প্রায় পাঁচমাস পূর্বে জেলা সিভিল সার্জনের ঝটিকা অভিযানে মুষ্টিমেয় কয়েকটি (প্রাঃ) হাসপাতাল সিলগালা করে বন্ধ ঘোষণা দিয়েছিলেন কিন্তু বাকি সমালোচিত ক্লিনিক গুলো কেন যে বন্ধ হলোনা তা অভয়নগর বাসির মনে প্রশ্ন জেগেছে ৷

নওয়াপাড়ায় প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসার নামে চলছে রমরমা গলাকাটা বানিজ্য ৷ গ্রাম্য-হাতুড়ে ডাক্তার নামধারীরা এইসব হাসপাতালে বড় শিশু ডাক্তার সেজে বসে থাকে ৷ জানাগেছে , চিকিৎসা সেবার নামে গড়ে উঠা প্রাইভেট হাসপাতালের নিয়োজিত কিছু দালাল চক্র দুর-দুরান্ত থেকে আসা সহজ-সরল নিরীহ রোগীদের কাছ থেকে হাজার হাজার অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে ৷ হাসপাতাল গুলো চলছে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের মোটা অংকের মাসোহারা দিয়ে ৷

ফলে সাধারণ মানুষ অর্থ খরচ করেও উপযুক্ত চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ৷ এসব হাসপাতালের মালিকরা বছরে লক্ষ লক্ষ অর্থ বানিজ্য করে আসছে ৷ সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে , হাসপাতাল গুলোয় ১০ শয্যার অনুমতি থাকলে ও পাওয়া গেছে প্রায় ৩০ থেকে ৪০শয্যা বিশিষ্ট ৷ যা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ ৷

এসব (প্রাঃ) হাসপাতালে বিভিন্ন অনিয়ম,অব্যবস্থাপনা,অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের করুণ চিত্র ফুটে উঠেছে ৷ সপ্তাহে একদিন ডাক্তার সিরিয়াল দিয়ে একের পর এক কসাইয়ের মত রোগি অপারেশন করে চলে যায় ৷ রোগিদের দেখাশোনা করে তথাকথিত সেবিকারা ৷

রোগির অবস্থা যখন মারাত্মক মৃৃৃৃত্যুর ঝুঁকিতে পড়ে তখন হাসপাতালের মালিকেরা রোগিকে যশোর,খুলনা অথবা রাজধানীতে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন ৷ ফলে রোগি হাসপাতাল ত্যাগ করলে পরবর্তীতে নানান জটিলতায় ভূগে মৃৃৃত্যুর মুখে পতিত হয় ৷ আরো অভিযোগ উঠেছে যে, অভয়নগরে শিশু বিশেষজ্ঞ কোন ডাক্তার নেই , অথচ নবজাতক শিশুর চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয় অনবিজ্ঞ ওয়ার্ড বয় ও সেবিকাদ্বারা ৷

অক্সিজেন লাগিয়ে তিন চারদিন পার করতে পারলেই তাদের বাণিজ্য ৷ পরবর্তীতে অক্সিজেন ও বেড ভাড়াবাবদ মোটা অংকের ভাউচার ধরিয়ে দেয় রোগির অভিভাবকের কাছে ৷ সেবা নিতে এসে প্রতারিত হচ্ছে অসহায় হত দরিদ্রসহ বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ ৷

এভাবে যাতে সাধারণ মানুষ সেবা নিতে এসে প্রতারিত না হয় তাই এ ব্যাপারে তদন্ত স্বাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য স্বাস্থ্য বিভাগের জেলা সিভিল সার্জনের সুদৃষ্টি কামনা করছেন ভূক্তভোগী সাধারণ রোগিরা ৷

// মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

আজ আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী

 

অসুস্থ আওয়ামীলীগ নেতার পরিবারের পাশে এমপি সালাম মূশের্দী

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনা জেলার দিঘলিয়া ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী মন্টুর পরিবারের পাশে সালাম মূশের্দী এমপি। আওয়ামীলীগ নেতার পরিবারের তিন সদস্য এক সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সংবাদটি জনদরদী খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদীর নিকট পৌঁছালে  তিনি তাৎক্ষণিক তাদের চিকিৎসার সার্বিক বিষয়ে ‘সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘে’র মাধ্যমে খোঁজ খবর নেন এবং মঙ্গলবার (২২ জুন) মন্টুর পরিবারের নিকট আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।

এছাড়াও তিনি তার পরিবারকে পরবর্তিতে চিকিৎসার সার্বিক সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রূপসার আইচগাতীতে গ্যাস সিলিন্ডার লিক হয়ে অগ্নিকান্ডে বসত ঘর পুড়ে ছাই

 

সড়ক দুর্ঘটনায় আহতের চিকিৎসার খবর নিতে হাসপাতালে সালাম মূশের্দী এমপি

 

গোপালগঞ্জ থেকে খুলনায় ফেরার পথে গত রবিবার (১৩জুন) এক সড়ক দুর্ঘটনায় খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মো: জাহাঙ্গির হোসেন মুকুলসহ তার পরিবারের চার সদস্যের সকলেই আহত হয়।

আশঙ্কাজনক অবস্থায় পরিবারের ছোট মেয়ে’কে ‘খুলনা সিটি মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই সংবাদটি সালাম মূর্শেদী এমপি’র কাছে পৌঁছালে তিনি ‘সালাম মূর্শেদী ব্লাড ব্যাংক’ এর সদস্যদের নির্দেশ দেন তাদের পাশে থাকার।

পবর্তীতে তার ছোট মেয়ের তাৎক্ষণিক রক্তের প্রয়োজন হলে, ‘সালাম মূর্শেদী ব্লাড ব্যাংক’ এর মাধ্যমে ‘ও’ পজিটিভ রক্তের ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি খুলনা-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী তার চিকিৎসার সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর রাখেন এবং তার উন্নত চিকিৎসার জন্য ‘ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে’ ভর্তি করানোর ব্যবস্থা করেন।

সোমাবার (২১ জুন) তার মেয়ে রাওশান তামান্না রিফার সার্বিক অবস্থার খোঁজ খবর নিতে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে যান। তখন জাহাঙ্গির হোসেন মুকুল জানান, তার মেয়ের অবস্থা আগের থেকে অনেক উন্নত হয়েছে এবং সে এখন কথাও বলতে পারে। মাননীয় এমপি এই দুঃসময়ে তার পরিবারের পাশে থেকে সকল প্রকার সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বাউফলে শশুরবাড়ী লোকজন কতৃক বর্বর হামলার স্বীকার জামাই

 

 

ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ চাইলেই আমরা এড়াতে পারি…

 

ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ (Diabetes and Hi Blood Pressure) বর্তমানে যা আমাদের Stander Maintain করার একটা Category হয়েগেছে – Mind করলেন….? Mind করবেননা…… আমরা জানা সত্তেও স্বাস্থ্য সম্মত খাবার কেন খাইনা…..! না জানলে একটু চেষ্টা করলেই জানতে পারি। কিভাবে জানতে পারি….? যেমন: ১০ টাকা ভিজিট দিয়ে সরকারি হাসপাতালে যে বিশেষজ্ঞ ডা: রয়েছেন তাদের কাছ থেকে অনায়াসেই আমরা সুন্দর একটা খাবারের চার্ট নিতে পারি।

….. অন্তত কি খেলে এসব রোগ থেকে দূরে থাকতে পারি সেগুলো জেনে নিতে পারি।

এবার আমরা নিজেরাই একটু সাধারণ বিষয়গুলো জানার চেষ্টা করি:

ডায়াবেটিস:

ডায়াবেটিস এমন সমস্যা যা একবার হয়েগেলে তা  হয়ে যেতে পারে জীবন সঙ্গী। ছোট বড় যেকারোই এটা হতে পারে, যার অষুধ এখনো সেভাবে আবিস্কার হয়নি। তবে হ্যা কিছু কিছু নিয়মকানুন মেনে চললেনিয়ন্ত্রনে থাকে আর এজন্য খাবারের লাগাম টানা খু্ জরুরী।

 

যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (এনএইচএস) খাবারের বিষয়ে বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়েছে। সংস্থাটি বলছে, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে মিষ্টি, লবণ ও চর্বিজাতীয় খাবার কম করে খাওয়ার অভ্যাস গড়তে হবে। বেছে নিতে হবে চিনিছাড়া খাবার।

 

১. তাজা সবজি তাজা ফল খাওয়া ভালো। তাই বলে ফলের জুস খেতে যাবেন না যেন! তার চেয়ে ফল চিবিয়ে খান। তাতে  ফলে থাকা কার্বোহাইড্রেট রক্তের সঙ্গে মেশে সহজে। তাছাড়া চিবিয়ে খেলে দাঁত ও মুখের পেশিও কাজ করার সুযোগ পায়। এমন প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে ফলের যে রস শরীর পায়, সেটি সহজে পরিপাক হয়।

২. কম চর্বিযুক্ত দই- বিশেষ করে টকদই খাওয়া ভালো। শিশুদের জন্য দই খুবই উপকারী। দুগ্ধজাত খাবরে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে। হাড় ও দাঁতের জন্য ক্যালসিয়াম খুবই উপকারী।

৩. ভাজাপোড়া বা বেশি চর্বিযুক্ত খাবার/ জাঙ্ক ফুড  এড়িয়ে চলতে হবে। কাচা লবন নাখাওয়াই ভালো।

৪. চিনিযুক্ত পানীয় থেকে দূরে থাকতে হবে। জুস ও স্মুদিতে প্রচুর চিনি ও ক্যালরি থাকে। তাই কতটুকু খাচ্ছেন, তার হিসাব রাখতে হবে। মাত্রাতিরিক্ত না হয়।

৫. একটি বা দুটি সেদ্ধ ডিম খাওয়া যেতেই পারে। একটি বড় ডিমে থাকে প্রায় ৬ গ্রাম আমিষ। ডায়েটে ভিটামিন ডি যোগ করার জন্য ডিম বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

৬. খাবার খেতে হবে ক্যালরি মেপে। বুঝেশুনে খেলেই আর বিপদের সম্ভাবনা নেই।

উচ্চ রক্তচাপের কারণ:

  • সাধারণত মানুষের ৪০ বছরের পর থেকে উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে থাকে
  • অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা
  • পরিবারে কারও উচ্চ রক্তচাপ থাকলে
  • নিয়মিত ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম না করলে
  • প্রতিদিন ছয় গ্রাম অথবা এক চা চামচের বেশি লবণ খেলে
  • ধূমপান বা মদ্যপান বা অতিরিক্ত ক্যাফেইন জাতীয় খাদ্য/পানীয় খেলে
  • দীর্ঘদিন ধরে ঘুমের সমস্যা হলে
  • শারীরিক ও মানসিক চাপ থাকলে
  • মানসিক চাপ বা উত্তেজনা বাড়লে অ্যাড্রেনালিন গ্রন্থি থেকে নরঅ্যাড্রিনালিন হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যা রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়।

 

// দৈনিক বিশ্ব // স্বাস্থ্য টিপস//

Dainik Biswa

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি গজারিয়ায় মুক্তিযোদ্ধা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন ও দোয়া মাহফিল

 

 

জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য মুকুলের কন্যার সুস্থতা কামনা

 

খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য জাহাঙ্গির হোসেন মুকুলের কন্যা রওশন তামান্ন রিকা সড়ক দূর্ঘটনায় আহত হয়ে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিসাধীন রয়েছেন। খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূশের্দী’র সার্বিক ব্যবস্থাপনায় মুকুলের কন্যার চিকিৎসা চলছে। রূপসা উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সকল সহযোগি সংগঠনের পক্ষ থেকে রিকার সুস্থতা কামনা করেছেন এবং সাংসদের প্রতি কৃজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

 

।।রূপসা প্রতিনিধি।।