ডুমুরিয়ায় স‍্যানিটেশন মাস অক্টোবর ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি //

খুলনার ডুমুরিয়ায় জাতীয় স্যানিটেশন মাস  অক্টোবর ও জাতীয় হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে ৩০ অক্টোবর সোমবার সকালে র‍্যালী  ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী দপ্তরের আয়োজনে  অফিসার্স ক্লাবে  অনুষ্ঠিত  সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জনস্বাস্থ্য সহকারী প্রকৌশলী  শাহাঙ্গীর আলম। বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরীফ আসিফ রহমান,  মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দেবাশীষ বিশ্বাস , উপজেলা ইন্সটেক্টর মোঃ মনির হোসেন , সহকারী মাধ‍্যমিক শিক্ষা অফিসার  ধনঞ্জয় মন্ডল, একাডেমিক সুপার ভাইজার টিকেন্দ্রনাথ সানা, এনজিও প্রতিনিধি মেহেদী হাসান,সামিরুল আলম , শফিকুল ইসলাম ,পলাশ সাহা প্রমুখ। সভাশেষে হাত ধোয়া কৌশল ও নিয়ম সম্পর্কে  প্রশিক্ষন ও অবহিত করা হয়।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসা দিতে মার্কিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ঢাকায়

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা দিতে মার্কিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন।

বুধবার সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে ঢাকায় এসে পৌঁছান তারা।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।

এর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের এক সদস্য জানিয়েছিলেন, খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত ঢাকায় মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার বেশ কয়েকজন চিকিৎসকের সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠকের মাধ্যমে তাকে চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। যুক্তরাষ্ট্রের যে চিকিৎসকদের সঙ্গে তারা এতদিন সমন্বয় করছিলেন, তাদের মধ্য থেকে তিনজন আজ ঢাকায় আসবেন।

সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে মঙ্গলবারও করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) প্রায় ৮ ঘণ্টা রাখার পর আবার কেবিনে নেওয়া হয়েছে। ৯ আগস্ট থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। এর আগেও চার দফায় তাকে সিসিইউতে নেওয়া হয়েছিল।

বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, গত ২ মাসের বেশি সময় ধরে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া রাজধানীর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। তার বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে বারবার সরকারের কাছে বলার পরও কোনো ব্যবস্থা করা হচ্ছে না। এ অবস্থায় পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

বিদেশি চিকিৎসকদের আসার ব্যাপারে এরই মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার ঢাকার চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে বিদেশি চিকিৎসক আনার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের তিন চিকিৎসকের আসার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বিদেশ থেকে চিকিৎসক আনার ক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিতে হয়।

অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক কিছু জটিলতা বেড়ে যাওয়ায় মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে তাকে কেবিন থেকে মঙ্গলবার ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে সিসিইউতে নেওয়া হয়েছিল। এরপর তার শ্বাসকষ্টের সমস্যা কিছুটা কমলে ৮ ঘণ্টা পর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে আবার কেবিনে নেওয়া হয়েছে।

৯ অক্টোবর বিএনপি নেত্রীর চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিলেন, ‘খালেদা জিয়ার জীবন ঝুঁকির মধ্যে আছে। তার যে অবস্থা, তাতে তাকে বাসায় নেওয়া যাবে না। এখানকার চিকিৎসকরা সাধ্য অনুযায়ী যা করার, করেছেন। এখন তাকে বিদেশে নিতেই হবে। এতে তার জীবন রক্ষা পেতে পারে।’ খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের পক্ষ থেকে অনেক দিন ধরে তার লিভার প্রতিস্থাপনের জন্য বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার পরামর্শ দিয়ে আসছে। সূত্রঃ যুগান্তর

 

মহিষের মাংস কিভাবে গরুর মাংসে রূপান্তরিত হয়ে রেস্তোরায় বিক্রি হয়

//অনলাইন নিউজ ডেস্ক//

আমদানির অনুমতি না থাকলেও চোরাই পথে আনা হচ্ছে মহিষের সিদ্ধ মাংস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন নামে পেজ খুলে এই মাংস বিক্রি হচ্ছে। দাম কম থাকায় হোটেল ও রেস্তোরাঁর মালিকরা এই মাংসের বড় ক্রেতা। তারা সাধারণ মানুষকে গরুর মাংস বলে এটা খাওয়াচ্ছে। দামও রাখছে অনেক বেশি। পাশাপাশি এই মাংস বাজারজাত করার পাঁয়তারাও চলছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন-প্রক্রিয়াজাত মাংসে বেশি পরিমাণ লবণ থাকে। সঙ্গে রাসায়নিকদ্রব্য মেশানো থাকায় এ মাংস খেলে নানা রোগ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, আমদানি করা সিদ্ধ ও রাসায়নিকদ্রব্য মেশানো মহিষের মাংস বিক্রির জন্য রয়েছে বেশ কয়েকটি ফেসবুক পেজ। হিমায়িত মাংসের ভিডিও দিয়ে মহিষের মাংস ঢাকা সিটিতে হোম ডেলিভারি এবং সারা দেশে কুরিয়ারের মাধ্যমে পাঠানোর বিষয় প্রচার করছে। পরিচয় গোপন রেখে একটি অনলাইনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়-আগে ভারত থেকে মহিষের কাঁচা মাংস আসত। কিন্তু এখন সেই সুযোগ না থাকায় মাংসে লবণ ও হলুদ মিশিয়ে সিদ্ধ করার পর ছোট ছাট টুকরো করে শুকিয়ে আনা হচ্ছে। এগুলো দেশে এনে কোল্ড স্টোরেজে রেখে বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি করা হচ্ছে। এক প্যাকেটে তিন কেজি মাংস থাকে। কেজিপ্রতি দাম ২৫০-৩০০ টাকা। যা রান্না করলে ফুলেফেঁপে পাঁচ কেজির মতো হয়।

রাজধানীর রামপুরার একটি তেহারির দোকানের কর্মচারী নাজমুল হক বলেন, বাজারে গরুর মাংস ৮০০ টাকায় বিক্রি হয়। এই দাম দিয়ে মাংস কিনে ১২০ টাকা তেহারির প্লেট বিক্রি করা সম্ভব নয়। তাই হোটেলের মালিক একটি অনলাইন মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেখে প্রথমে তাদের ফোন নম্বররে কথা বলেন। পরে সেখান থেকে জানায়, কেজিপ্রতি ৩০০ টাকা দাম। পরে সেই অনলাইনে অর্ডার করে কম টাকায় এনে রান্না করে বিক্রি হচ্ছে। এতে লাভ থাকে। তবে কখনো এই মাংস খারাপ মনে হয়নি বলে জানান ওই কর্মচারী।

জানতে চাইলে হোটেল এবং রেস্টুরেন্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইমরান হাসান  বলেন, বাজারে ৮০০ টাকা কেজি গরুর মাংস। কিন্তু অনেক হোটেল বা তেহারির দোকানে কী করে প্লোট ১০০ টাকায় বিক্রি করে তা জানি না। আমাদের নিবন্ধিত যেসব হোটেল আছে তারা এই অবৈধ পথে আসা মহিষের সিদ্ধ মাংস কেনে না। তবে নিবন্ধিত নয় এমন হোটেল বা রেস্তোরাঁয় কিনতে পারে। তাদের বিষয়ে আমি কথা বলতে চাই না।

এদিকে দেশে গরুর মাংস উদ্বৃত্ত থাকায় ক্রেতার স্বাস্থ্যঝুঁকি ও প্রান্তিক খামারিদের কথা চিন্তা করে সরকার গত বছর থেকে হিমায়িত মাংস আমদানিতে কঠোর হয়। বর্তমানে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়া মহিষের মাংস আমদানি করা যাচ্ছে না। আর অধিদপ্তর গত দেড় বছর কাউকে অনুমতিও দেয়নি। এছাড়া সম্প্রতি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অবৈধভাবে মাংস আমদানি করে ধরা পড়েছে। মে মাসে নারায়ণগঞ্জের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এনবি ট্রেডিং ভারত থেকে ফ্রোজেন বাফেলো মিট আমদানি করে। কিন্তু প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অনুমতি না নিয়ে আমদানি করায় চালানটি খালাস দেওয়া হয়নি। যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষে চালানটি নিলামে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয় চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

এছাড়া নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই গত ১০ মে ভারত থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে এক টন হিমায়িত মহিষের মাংস দেশে আনে মেডলাইফ প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ নামের একটি কোম্পানি। নিয়ম না মেনে মহিষের মাংস আমদানি করায় আটকে যায় মাংস। বেরিয়ে আসে ওই কোম্পানির নানা অনিয়মের তথ্য। মাংস দিয়ে আচার বানিয়ে রপ্তানি করার কথা থাকলেও নেই কোনো কারখানা। এ বিষয়ে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দেয় বাংলাদেশ ডেইরি ফারমার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিডিএফএ)। কাস্টমস কর্তৃপক্ষের তদন্তেও নিয়ম না মানার প্রমাণ মেলে। পরে মাংসগুলো রাজধানীর একটি কোল্ড স্টোরেজে জব্দ করে রাখা হয়। দীর্ঘ ৮০ দিন পর গত ২ আগস্ট উচ্চ আদালতের নির্দেশে মাংসগুলো বাজেয়াপ্ত করা হয়।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ জাতীয় পুষ্টি পরিষদের মহাপরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীর বলেন, সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত না করার কারণে অনেক ক্ষেত্রে মাংসের পুষ্টিগুণ নষ্ট হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকতে হবে। প্রক্রিয়াজাত মাংসে বেশি পরিমাণ লবণ এবং রাসায়নিকদ্রব্য মেশানো থাকে। যে কারণে এসব খেলে নানা রোগ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (উৎপাদন) ডা. এবিএম খালেদুজ্জামান জানান, অনেক উন্নত দেশে দৈনিক জনপ্রতি ২০০ গ্রাম মাংস খায়। আমরা এখন ১২০ গ্রাম ধরছি। ২০৩০ সালে হয়তো ১৫০ গ্রাম ধরব। ২০৪১ সালে হয়তো আরও বাড়বে। ন্যূনতম ১২০ গ্রাম চাহিদা ধরে বার্ষিক উৎপাদন বেশি আছে। আমরা মাংস উৎপাদনে এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ। তাই হিমায়িত মাংস আমদানিতে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে।

ডেইরি ফারমার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিডিএফএ) সভাপতি মোহাম্মদ ইমরান হোসেন বলেন, একটি সংঘবদ্ধ চক্র ভারত থেকে হালাল নয়, এমন নিম্নমানের হিমায়িত মহিষের মাংস আমদানি করে দেশের হোটেল-রেস্তোরাঁয় কম দামে বিক্রি করছে। সরকারকে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। পাশাপাশি এর সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনা উচিত।

বাংলাদেশ মিট ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমআইটিএ) সূত্র জানায়, ফ্রোজেন মিটের প্রধান গ্রাহক প্রান্তিক শ্রেণির ক্রেতারা। এছাড়া বিভিন্ন হোটেল-রেস্টুরেন্ট ফ্রোজেন মিটগুলোর ক্রেতা। অথচ এখন আমদানি বন্ধ থাকার ফলে দাম যেমন বাড়ছে, আবার দেশের পুষ্টি নিরাপত্তাও হুমকিতে পড়েছে। সূত্র: যুগান্তর

Daily World News

বাগেরহাটের কচুয়ায় এক রাতে দুটি দোকন চুরি

অভয়নগরে ১৩৪ টি পুজা মন্ডপে চলছে দেবী দুর্গার সাজসজ্জা রংয়ের প্রস্তুতের কাজ

বাগেরহাটের রামপালে পল্লী চিকিৎসকদের মতবিনিময় সভা

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপালে পল্লী চিকিৎসক ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দদের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে৷ বুধবার ( ১১ অক্টোবর) সকাল ১০ টায় উপজেলার ফয়লাহাট মেডিল্যাব ডিজিটাল ডায়াগনিষ্টিক সেন্টারে সভা অনুষ্ঠিত হয়৷

রামপাল পল্লী চিকিৎসক ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি এনামুল কবীর বলেন, পল্লী চিকিৎসকরা গ্রামের তৃণমূল মানুষকে সেবা দিলেও তারা নিজেরাই অবহেলিত৷ তারা বলেন, রাতে বা দিনে অসুস্থতায় গ্রামের দরিদ্র অসহায় মানুষ আমাদের কাছে ছুটে আসে৷ মানবিকতার কারনে আমাদেরকে অনেক সময় বিনা পয়সায় তাদের চিকিৎসা সেবা দিতে হয়৷ সরকার আমাদের চিকিৎসা সেবা দিতে কোনো বাধাঁ নিষেধ না রাখলেও আমরা নানা সময় হয়রানির শিকার হই৷ পল্লী চিকিৎসকরা চিকিৎসা বন্ধ করে দিলে তৃণমূলে চিকিৎসা সেবা থেকে অনেক মানুষ বঞ্চিত হবে৷ তাই পল্লী চিকিৎসকদের সহযোগীতার জন্য তিনি সকলের কাছে অনুরোধ জানান৷

সভায় বক্তৃতা করেন সহ সভাপতি মো. ওবায়দুল্লাহ গাজী, সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সাংবাদিক অমিত পাল সহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ৷

সভায় এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্ট এর কুফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয় এবং এ ধরনের ঔষধ ব্যাবহারে সচেতন হতে নানা বিষয়ে পল্লী চিকিৎসকদের নির্দেশনা দেন সংশ্লিষ্টরা৷

বরগুনার তালতলীতে ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

বরগুনার তালতলীতে ২৮ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় নামিসে পাড়া কারিতাস আইসিডিবি রাখাইন ভাষা শিক্ষা কেন্দ্রে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বরিশাল ক্যাথলিক ডায়সিসের প্রজেক্ট মারিয়া সিক সেল্টার এর আয়োজনে রাখাইন সমাজ উন্নয়ন সাংস্থার সহযোগিতায়
মি: মংচিন থান এর সভাপতিত্বে মেডিকেল ক্যাম্প উদ্ধোধন করেন,নামিসে পাড়া বৌদ্ধ বিহারের সভাপতি মিস্টার চোচিমং। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন সিস্টার রোজিনা থামি, হেলথ এসিস্ট্যান্ট মি. মিল্টন মজুমদার,পিএসটি সেএেটারী মিস্টার সুমন ও কারিতাস সিডিএ মিসেস চান্ডা প্রমুখ।

মেডিকেল ক্যাম্পে চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করেন ডাঃ মংম‍্যা এসময় তারা ১০০শ রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ প্রদান করেন।

কচুয়ায় প্রতিদিন বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী, হাসপাতালে ভর্তি- ১৯

 //শুভংকর দাস বাচ্চু,কচুয়া, বাগেরহাট//

বাগেরহাটের কচুয়ায় গ্রাম অঞ্চলে প্রতি দিনই ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বেশির ভাগ রোগী প্রাইভেট ক্লিনিকের ব্যবস্থাপত্র নিয়ে বাড়িতে থাকছেন। একারণে হুহু করে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ছে। ডেঙ্গু রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সুত্রে জানাগেছে, মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টম্বর)  বিকাল ৫টা পর্যন্ত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত ৭জন রোগী ভর্তি হয়েছে। সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৪ জন। সর্ব মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৯ জন,এদের মধ্যে ৮ জন পুরুষ ও ১১জন মহিলা ডেঙ্গুর রোগী রয়েছে।

জানাগেছে, গত শনিবার (২৪ সেপ্টম্বর) উপজেলার বারুইখালী গ্রামের জাল ব্যবসায়ী মিহির সাহা(৪৫) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে বাড়িতে মারা গেছেন। চালিতাখালী গ্রামের মান্নান শিকদারের পুত্র শাহিন শিকদার(১৮)জানায়, চার দির পূর্বে জ্বর অবস্থা হাসপাতালে আসলে রক্ত পরিক্ষার পর তার ডেঙ্গু ধরা পড়ে। রোগীর স্বজনরা জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে প্রচ- জ্বরে ভুগছিলেন। তাদের জ্বর না কমায় চিকিৎসার জন্য কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে চিকিৎসকরা তাদের পরীক্ষা করে পরীক্ষার পর তাদের ডেঙ্গু হওয়ার ব্যাপারটি নিশ্চিত হওয়া যায় তাদের ভর্তি করেন।স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নার্সরা জানান, ভর্তি রোগীরা জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরবর্তীতে তাদের রক্ত পরীক্ষা করলে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়। বর্তমানে তাদের হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার পুরুষ ওয়ার্ডে এবং মহিলা ওয়ার্ডে মশারি টানিয়ে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু রুগীর সুযোগ বুঝে মশারির বাহিরে থাকেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচএ) ডাঃ অ.স.মোঃ মাহবুবুল আলম বলেন,  উপজেলাতে ডেঙ্গু রোগী দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় এখানে পুরুষ ও নারী ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি সাভিসটা দিতে তবে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি হওয়া আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

 

রামপালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়েছে

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি||

বাগেরহাটের রামপালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন-ই ৩-৪ জন রোগী ভর্তি হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। এভাবে ডেঙ্গু রোগী বাড়তে থাকলে পরিস্হিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে বলা আশংকা করছেন চিকিৎসকগণ।
রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা সুকান্ত কুমার পাল জানান, উপজেলা পর্যয়ে ডেঙ্গুর প্রাদূর্ভব ছড়িয়ে পড়েছে। গত জুন মাসের ৯ তারিখ থেকে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি করা শুরু করা হয়। জুন থেকে আগষ্টের মাঝামাঝি পর্যন্ত রোগীর সংখ্যা স্বাভাবিক থাকলেও এরপর থেকে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে। গত সাড়ে ৩ মাসে ৩৩০ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ২০ জন রোগী ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এর মধ্যে ৭ জন পুরুষ ও ১৩ জন মহিলা রোগী। সেপ্টেম্বর মাসে রোগীর সংখ্যা কমার আশা করা হলেও বরং আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। সার্বিকভাবে এ উপজেলা ডেঙ্গুর ভয়াবহতা ধারণ করেছে। ডেঙ্গুর রোগ বাহিত এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে উপজেলার কয়েকটি স্থানে সচেতনতামূলক সভা করা হলেও এর তেমন কোন প্রভাব পড়েনি বলে হতাশা ব্যাক্ত করেন ওই কর্মকর্তা।

বেগম খালেদা জিয়া এখন কেমন আছেন…

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

বিএনপি চেয়ারপারসনের শ্বাসকষ্ট জানিয়ে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তাকে বাঁচাতে হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত বিদেশে নিতে হবে।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। রোববার মাঝরাতে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নিয়ে অক্সিজেন দিয়ে সেটা সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে।

সোমবার বেলা ১১টার দিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এখন খালেদা জিয়াকে বাঁচাতে হলে উন্নত চিকিৎসা দরকার। ডাক্তাররা বলেছেন দেশে সুচিকিৎসা দেওয়া সম্ভব না। আমরা অনেকদিন ধরেই তাকে বিদেশে নেওয়ার কথা বলছি। কিন্তু সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে না।

খালেদা জিয়ার অবস্থা গুরুতর উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখন একেবারে শেষ সময় চলে এসেছে। অনতিবিলম্বে বিদেশে নেওয়া দরকার, না হলে তাকে বাঁচানো যাবে না। যদিও সিসিইউ থেকে তাকে কিছুক্ষণ আগে কেবিনে আনা হয়েছে। এতে স্বস্তির কোনো কারণ নেই, এটাকে স্থিতিশীলও বলা যাবে না। তার শারীরিক অবস্থা উঠানামা করছে।

গতরাতে হঠাৎ শ্বাসকষ্ট হয় খালেদা জিয়ার। মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত মোতাবেক রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে কেবিন থেকে তাকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নেওয়া হয়। সোমবার বেলা ১১ টার পর তাকে কেবিনে ডাক্তারদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে নেওয়া হয়।

৭৮ বছর বয়সি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, হার্ট ও চোখের সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছেন।

গত ৯ আগস্ট থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়া।

এর আগে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় ১০ জুন রাত পৌনে ৩টার দিকে খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল।

গত বছরের ১০ জুন গভীর রাতে বুকে ব্যথা নিয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের অধীনে ভর্তি হয়েছিলেন খালেদা জিয়া। পরে দ্রুত এনজিওগ্রাম করে তার হার্টে একটি রিং বসানো হয়। হার্টের দুটি ব্লক এখনো রয়ে গেছে।

এর আগে ২৭ ফেব্রুয়ারি স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে যান। গত বছরের ২২ আগস্টও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে গিয়েছিলেন। এক সপ্তাহ পর ২৮ আগস্ট ফের হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে ভর্তি করানো হয়। দুদিন হাসপাতালে থাকার পর ৩১ আগস্ট বাসায় ফেরেন খালেদা জিয়া।

খালেদা জিয়া দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে কারাগারে গিয়েছিলেন। দেশে করোনা মহামারি শুরুর পর পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ তাকে নির্বাহী আদেশে ‘সাময়িক মুক্তি’ দেয় সরকার। এর পর কয়েক দফা তার দণ্ডাদেশ স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো হয়।

Daily World News

ডুমুরিয়ায় জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস ২০২৩ উদযাপন র‍্যালী ও আলোচনা সভা

শেখ হেলাল উদ্দিন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কচুয়ায় ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প

//বাচ্চু দাস, কচুয়া, বাগেরহাট//

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে শেখ হেলাল উদ্দিন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কচুয়ায় ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকাল কচুয়া হাজেরা খাতুন হেলথ কেয়ার লিমিটেডের সম্মেলন কক্ষে এ ক্যাম্পের  উদ্বোধন করেন বাগেরহাটে জেলা বিএমএ এর সাধারন সম্পাদক ডাঃ মোশাররফ হোসেন। এতে উপস্থিত ছিলেন, হাজেরা খাতুন হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান (সাবেক উপসচিব) স্বপন কুমার মন্ডল, কচুয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান  শিকদার ফিরোজ আহমেদ,উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরি কল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচএ) ডাঃ আ,স,ম মাহবুবুর রহমান,বাগেরহাট সদর হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট (অর্থোপেডিক)ডাঃএসএম শাহনেওয়াজ।

সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিকদার হাদিউজ্জামান, কচুয়া প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক কাজী ছাইদুজ্জামান সাইদ, হাজেরা খাতুন হেলথ কেয়ারের এডমিন সিকদার মইনুল ইসলাম,এমডি মোঃ রাকিবুল হাসান,পরিচালক মোঃ রাহাতুল ইসলাম ও মোঃ জাহিদুল ইসলাম প্রমূখ।

 

ডুমুরিয়ায় আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পইন ও ওষুধ বিতরন

জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি  খুলনা।।

ডুমুরিয়ায়  আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পইন ও বিনা মূল্যে ওষধ বিতরন করা হয়েছে।

২১ জুন বুধবার সকালে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এক আলোচনা সভা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরীফ আসিফ রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত  ছিলেন শাহ্ আহম্মেদ ফজলে রাব্বী উপ মহা পরিচালক আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী খুলনা, এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা কমান্ডার সেলিমুজ্জামান, চন্দন দেবনাথ অধিনায়ক ও আনসার ব্যটেলিয়ান,মাজাহারুল ইসলাম জেলা কমান্ডার বাগেরহাট, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মিশু দে ,আবাসিক মেডিকেল অফিসার উজ্জল সরকার, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মোহসেনা ফেরদৌস, ডাক্তার তিথি রায় ও মিঠুন চক্রবর্তী প্রমুখ।

উপজেলা ১৪টি ইউনিয়নের ৫ শতাধিক আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের মাঝে  ফ্রি মেডিকেল সেবা ও বিনা মূল্যে ওষধ বিতরন হয়।