তালতলীতে সেলুন মালিকের ছুরিকাঘাতে যুবক আহত

সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

বরগুনার তালতলীতে মাছের পোনা ব্যবসায়ী শুক্কুর আলী মোল্লা স্হানীয় সেলুন মালিক প্রেমাই শীল এর কাছে পাওনা পাঁচশত টাকা চাইতে গেলে সেলুন মালিক প্রেমাই শীল শুক্কুর আলী (৩৫) কে ছুরিকাঘাত করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্হানীয়রূ আহত শুক্কুর আলী কে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এ সময় হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন। ঘটনা ঘটেছে তালতলী বন্দরের মহিলা মার্কেটে রবিবার দুপুরে।

জানাগেছে, খুলনার দিঘুলিয়া উপজেলার বারকপুর গ্রামের ইসমাইল মোল্লার ছেলে শুক্কুর আলী মোল্লা মাছের পোনা বিক্রি করতে গত দুই মাস পুর্বে পোনা তালতলী আসেন। ওই সময় সেলুন ব্যবসায়ী প্রেমাই শীল তার কাছ থেকে বাকীতে ৫০০ টাকার মাছের পোনা নেয়।কিন্তু টাকা না দিয়ে প্রেমাই বিভিন্ন ভাবে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। রবিবার দুপুরে ওই টাকা চাইতে তার সেলুনে যায় পোনা ব্যবসায়ী শুক্কুর।

এ সময় টাকা দিতে অস্বীকার করে প্রেমাই। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায় সেলুন ব্যবসায়ী প্রেমাই শীলের হাতে থাকা ছুরি তার পেটে ঢুকিয়ে দেয়। এতে তিনি গুরুতর জখম হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এ সময় হাসপাতালের চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরন করেছেন। এ ঘটনার পরপরই প্রেমাই পালিয়েছে।

আহত শুক্কুর আলী মোল্লা বলেন, ৫০০ টাকা বাকী রেখে পোনা নেয় প্রেমাই শীল। ওই টাকা তিনি পরিশোধ না করে কালক্ষেপণ করতে থাকে। রবিবার তার কাছে টাকা চাইতে গেলে তিনি আমাকে টাকা দিবেনা বলে গালাগাল করে। এক পর্যায় তিনি আমাকে তার হাতে থাকা ছুরি পেটের মধ্যে ঢুকিয়ে দেয়। আমি এ ঘটনার শাস্তি দাবী করছি।

তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ নাজনিন আক্তার বলেন, তার বেশ রক্তক্ষরণ হয়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরন করা হয়।।

তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ শহীদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছে। অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আদালতের আদেশ অমান্য করে জমির কাজে বাধা

 //শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট//

আদালতের আদেশ অমান্য করে ভোগদখলিয় জমির কাজে বাধা সৃষ্টি করেছে সাবেক মহিলা ইউপি সদস্য। বৃহস্পতিবার সকালে হোগলাপাশা গ্রামের সবুজ মৃধার বাড়িতে এঘটনা ঘটেছে।

এলাকাবাসী ও সবুজ মৃধা জানায়, বাগেরহাটের  মোড়েলগঞ্জ উপজেলা হোগলাপাশা ইউনিয়নের তার পৈত্রিক বিআর এস ১২৮১ খতিয়ানের ১১০৪ দাগের ৭ শতক জমি দখলের উদ্যেশ্যে গত ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ তারিখ দেশীয় অস্ত্র সহ একই গ্রামের প্রভা রানী হালদার ও অবিনাশ হালদার সহ ৮/১০জন লোক নিয়ে বাগান বাড়িতে প্রবেশ করে দখলের চেষ্টা করে।

এঘটনার পর সবুজ মৃধা বাগেরহাট বিজ্ঞ অতিঃ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রভা রানী হালদার ,অবিনাশ হালদার, নিরাঞ্জন হালদার,সুব্রতো হালদারকে বিবাদী করে মিস ১৮৮/২৩(মোড়েলগঞ্জ)১৪৪ ধারায় একটি মামলা করেন। উক্ত মামলায় বনগ্রাম ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) এর তদন্ত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে ২৯ আগষ্ট ২০২৩ তারিখ বিজ্ঞ অতিঃ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আদেশদেন ১ম পক্ষের ভোগদখলি সম্পত্তিতে কোনরুপ বিঘœ সৃষ্টি না করার জন্য ২য় পক্ষকে বলা হয়।

এ আদেশ উপেক্ষা করে বিবাদী গন  উক্ত জমির সিমানার গড়াবেড়া ভেঙ্গে ফেলে কাজে বাধা সৃষ্টি করে জমির মধ্যে থাকা গ্রামীন ব্যাংক সমিতি ঘরে সবুজ মৃধার মা,কাকি,কাকা ও ভাইকে আটকিয়ে রাখে। স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে এবং মহিশপুরা ক্যাম্পের পুলিশ ঘটনা স্থান পরিদর্শন করেছে।

এব্যাপারে প্রতিপক্ষ অবিনাশ হালদারের স্ত্রী গৌরি রানী হালদার বলেন,আমরা তাদের ১৪৪ এর আদেশ মানি না।

রামপালে অপহরণের পর কিশোরীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপালে ১৪ বছর বয়সী এক স্কুল ছাত্রী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার জিরোপয়েন্ট ও ফয়লা এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে ওইদিন রাতেই নির্যাতনের শিকার ওই কিশোরীর মামা শেখ শরিফুল ইসলাম বাদী  হয়ে তিন যুবকের নামে ধর্ষণ মামলা করেন।

আসামীরা হলো উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের মাহাবুবুর রহমানের পুত্র রহমত শেখ (২০), একই গ্রামের ফরহাদ হোসেনের পুত্র শেখ রাসেল (২৪) ও কালেখারবেড় গ্রামের মো. আজমল হোসেনের পুত্র মো. রাকিব হোসেন (২৬)।

পু্লিশ জানায়, সন্ধ্যার আগমুহুর্তে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের মিরাখালীর জনৈক গৌতম পালের মাছের ঘের এলাকা থেকে রহমত ও শেখ রাসেল ওই কিশোরীকে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে ঘেরের বাসায় নিয়ে তিনজন মিলে গণধর্ষণ করে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ওই কিশোরী ৯ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। শুক্রবার বিকেলে বাড়ি থেকে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার জন্য বের হয়। শারীরিক সমস্যার কারণে প্রাইভেট পড়তে না গিয়ে মামার বাড়িতে যাওয়ার জন্য রওনা হয়। সন্ধ্যার আগমুহুর্তে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের রনসেন মোড় এলাকা থেকে রহমত ও শেখ রাসেল শেখ ওই কিশোরীকে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে নিয়ে যায়। পরে রামপাল উপজেলার বড় দুর্গাপুর পুটিমারি এলাকার পলাশের ঘেরের টংঘরে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকে অবস্থান করা রাকিব হোসেন সজল এবং অপহরণকারী রহমত ও শেখ রাসেল মিলে ধর্ষণ করে। রাত ৭টার দিকে মহেন্দ্রযোগে ভিকটিমকে নিজ বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। আসামিরা সকলে সাবেক ছাত্রলীগের সদস্য বলে জানা গেছে।

রামপাল থানার অফিসার ইন-চার্জ এস, এম আশরাফুল আলম বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় ওই কিশোরীর মামা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলা দায়েরের ১ ঘন্টার ভিতরে তিন আসামীর মধ্যে আমরা দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছি। অন্য আসামীকে গ্রেপ্তার করতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বরিশালে মাদক ব্যাবসা রমরমা

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

নগরীর কাজিপাড়া সংলগ্ন ১৩ নং ওয়ার্ড  এর বাসিন্দা রফিক এর বিরুদ্ধে রয়েছে  একাধিক মাদক মামলা,  একাধিক মাদক মামলা থাকা সত্বেও  প্রকাশ্যেই চালিয়ে যাচ্ছে মাদকের রমরমা ব্যবসা, এ বিষয়  সাংবাদিক রা জানতে চাইলে  রফিক মুঠো ফোনে যানায় নিউজ করলে কি হয়, ওসব ম্যানেজ করেই এই এই পর্যন্ত আসছি। এবং সাংবাদিকদের সাথে অসালিন ব্যাবহার করে ।

এবিষয়ে প্রশ্ন কিন্তু রয়েই যায়  কে বা কারা রয়েছে এদের পিছনে। কোন পেশী শক্তির বলে, এই মাদক ব্যাবসা চালাচ্ছে ১৩ নং ওয়ার্ডের রফিক। একাধিক মামলা থাকা সত্বেও  প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে। প্রকাশ্যেই চালিয়ে যাচ্ছে মাদকের এই ব্যবসা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই এলাকায়  রফিকের রয়েছে নির্মাণাধীন অবস্থায় একটি পাঁচতলা ভবন,  সেই ভবনের সামনেই  সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত থাকে কিশোর থেকে সুরু করে  যুবক এর ভির, এতে করে হুমকির মুখে পরতে হচ্ছে স্থানীয় যুবক ও শিশু কিশোরদের, চাইলেই  হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে মাদক।

মাঝে মাঝে প্রশাসন অভিযান চালালেও আইনের ফাক ফোকর থেকে বেরিয়ে এসে আবারো জরিয়ে পরছে মাদক ব্যাবসায়।

রামপালে ধর্মীয় অবমাননায় নারীর বিরুদ্ধে মামলা

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপালে ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাতের অভিযোগে রুপালী দাস (৪৫) নামের এক নারীর বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় ইয়াছিন খন্দকার নামের এক ব্যাক্তি রামপাল থানায় একটি মামলা করেছেন।

রামপাল থানা পু্লিশ সূত্রে জানাগেছে, রামপাল উপজেলার গৌরম্ভা গ্রামের গোবিন্দ দাসের স্ত্রী রুপালী দাস গত রবিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটায় গৌরম্ভা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে টিউব ওয়েলে পানি নিতে যান। ওই একই সময় একই গ্রামের মৃত মজিবর শেখের স্ত্রী মমিনা বেগম (৭৫) ও পানি নিতে যান। ওই সময় রুপালী দাস নবী ও রাসুল (সা.) কে নিয়ে কটুক্তি করেন। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১ টায় রুপালীকে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে প্রতিবাদ সমাবেশ এবং বিক্ষোভ মিছিল করেন। খবর পেয়ে রামপাল থানা পু্লিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১ টায় বাগেরহাট জেলা পু্লিশ সুপার আবুল হাসনাত খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এ বিষয়ে রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলম জানান, অভিযুক্ত নারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের ও তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টায় বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় বিষয় নিয়ে কেউ যেন বাড়াবাড়ি না করতে পারে বা গুজব ছড়াতে না পারে এ জন্যে সকলের সহযোগীতা কামনা করেছেন।

বাগেরহাটের রামপালে তামার তার চোর আটক

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

রামপাল থানা পু্লিশ অভিযান চালিয়ে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তার চুরির সাথে জড়িত এক ব্যাক্তিকে আটক করেছে। আটক ব্যাক্তি উপজেলার বর্ণি ছায়রাবাদ গ্রামের হাবিবুল্লাহর পুত্র সিরাজু্ল শেখ (২১)।

পু্লিশ জানায়, মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলার বর্ণি গ্রাম থেকে তাকে আটক করে পু্লিশ। সে দীর্ঘ দিন ধরে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এলাকায় তার চুরি সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত রয়েছে বলে এলাকাবাসী জানায়। উল্লেখ, গত ২৫ আগষ্ট রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে কতিপয় তার চোর বেশকিছু তার চুরি করে পালানোর সময় তারসহ হাতেনাতে আটক করে পু্লিশ।

ওই সময় সিরাজু্ল তার ফেলে পালিয়ে যায়।
রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলম আসামী আটক ও একই দিনে আদালতে প্রেরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রামপালে অন্তস্বত্বা গৃহবধূকে মারপিট, অবস্থা গুরুতর হওয়ায় খুমেকে ভর্তি

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

রামপালে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে ভাড়া করা সন্ত্রাসী মহিলা ও গুন্ডা দিয়ে মারপিটের ঘটনায় অন্তস্বত্বা গৃহবধূ নুসরাত জাহান তন্নী (২২) ও তার মাতা মাকসুদা বেগম (৪৫) আহত হয়েছেন। এর মধ্যে গুরুতর আহত অন্তস্বত্বা নুসরাতকে প্রথমে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় রামপাল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন গৃহবধূর স্বামী খান রিপন মাহামুদ।

জানা গেছে, উপজেলার কুমলাই গ্রামের খান রিপন মাহামুদ তার বাড়ীর সামনে নিজস্ব মৎস্য ঘেরের উপরে একটি মুরগির ফার্ম করার জন্য ঘর নির্মাণ করেন। ওই জায়গা দাবী করে পান্না খাতুন ও রাসেল গোলদার রবিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯ টায় রিপনকে গালাগাল ও হুমকি দিয়ে ভাড়াটে লোক ডেকে আনেন। এরপর ভাড়াটে সন্ত্রাসী শাহানা খাতুন ও বাচ্চুসহ সকলে মিলে রিপনকে লাঠিসোটা দিয়ে বেধড়ক মারপিট করতে থাকেন। খবর শুনে রিপনের ৪ মাসের অন্তস্বত্বা স্ত্রী নুসরাত স্বামীকে বাঁচাতে গেলে তাকে মারপিট, পেটে লাথি ও গলায় পা দিয়ে চেপে ধরে শ্বাস রোধ করে হত্যার চেষ্টা করে। ওই সময় নুসরাতের মাতা মাকসুদাকেও মারপিট করে গলায় থাকা স্বর্ণের চেন ও হাতের আংটি ছিনিয়ে নেয় সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় ওই এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে রামপাল থানার অফিসার ইন-চার্জ এস, এম আশরাফুল আলমের দৃষ্টি আকার্শন করা হলে তিনি জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠিয়েছি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্হা গ্রহন করা হচ্ছে।

রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তামার তার পাচার কালে মাইক্রোবাসসহ আটক-৩

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

রামপালে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার প্লান্টের (রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র) এর ২৬৩ কেজির অধিক তামার তারসহ চোরচক্রের ৩ জন সদস্যকে আটক করেছে আনসার ব্যাটালিয়ন-৩ ও রামপাল ক্যাম্পের সদস্যরা। এ ঘটনায় সিকিউরিটি ইন-চার্জ মো. ছামিউল হোসেন বাদী হয়ে রামপাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

আনসার ব্যাটালিয়ন-৩ এর সহকারী পরিচালক শাহনাজ জেসমিন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকালে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিপুল পরিমাণ তামার তার পাচার করা হবে। ওই সংবাদের ভিত্তিতে আনসার ব্যাটালিয়ন-৩ ও রামপাল ক্যাম্পের আভিযানিক একটি দল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর গেটে অভিযান চালায়। এ সময় ২৬৩ কেজির অধিক পরিমাণের আর্থিং কপার ক্যাবলসহ চোর চক্রের তিন সদস্যকে আটক এবং তার বহন করা একটি মাইক্রোবাস জব্দ করে। জব্দ করা কপার ক্যাবলের আনুমাণিক বাজারমূল্য ৩ লাখ ৯৪ হাজার ৫০০টাকা।

আটককৃতরা হলেন ফকিরহাট উপজেলার ভাড়াশিয়া গ্রামের আশরাফ আলীর ছেলে মো. মেহেদী হাসান (১৯), খুলনার রুপসা উপজেলার খাজা ডাঙ্গা গ্রামের নুর মোহাম্মদ শেখের ছেলে মো. মাহাবুব হোসেন (২১) ও খুলনার সোনডাঙ্গা উপজেলার গোবর চাকা এলাকার মফিজ সরদারের ছেলে মো. জাহাঙ্গীর সরদার (৪৮)।

শাহনাজ জেসমিন বলেন, এ জাতীয় রাষ্ট্রীয় সম্পদ চুরির সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত মোতাবেক জব্দ করা মালামালসহ চোরদের রামপাল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। এ বিষয়ে রামপাল থানার অফিসার ইন-চার্জ এস, এম আশরাফুল আলম জানান, তার, মাইক্রোবাসসহ ৩ চোর আটকের ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামীদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

খুলনার রূপসায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীর যৌন হয়রানীর অভিযোগ

//রূপসা প্রতিনিধি//

খুলনার রূপসায় ছাত্রীদের যৌন নিপীড়নের অভিযোগ সহকারী শিক্ষক মো: নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি রূপসার শ্রীফলতলা ইউনিয়ন, হাজী আব্দুল ওয়াহেদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এরপর অভিভাবক ও চন্দনশ্রী গ্রামবাসী সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ পত্র জমা দেয়।

অভিযোগ পত্রে জানা গেছে, এ বিদ্যালয়ে ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা লেখাপডা করে। অথচ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো: নজরুল ইসলাম ছাত্রীদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্নভাবে স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে যৌন নিপীড়ন করে যাচ্ছে। এ কথা যদি কোন ছাত্রী বাড়িতে বলে দেয় তাকে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেবে বলে। এভাবে কোমলমতী ছাত্রীদের ভয় দেখিয়ে দীর্ঘদিন অপকর্ম করে আসছে শিক্ষক মো: নজরুল ইসলাম। ইতিপূর্বে স্থানীয় ভাবে এ রকম ঘটনার শালীশ এবং কয়েকবার উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেছে বলে জানা যায়। অভিযুক্ত শিক্ষক বার বার অপরাধ করেও কিভাবে পার পেয়ে যায়, তা জানতে চাই অভিভাবক মহল।

সহকারী শিক্ষক মো: নজরুল ইসলাম বলেন, আমার ব্যাপারে আনিত অভিযোগ পরিকল্পিত। আমি ৩২ বছর শিক্ষাকতা করছি। আমার সুনাম নষ্ট করার জন্যে এ অভিযোগ দিয়েছে। তাছাড়া আমার বাড়ি স্কুল এলাকায় হওয়ায়, অনেকের ব্যক্তিগত আক্রস থাকতে পারে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অরবিন্দ জানান, ছাত্রীর অভিভাবক সহ কয়েকজন মিলে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে। এছাড়া তাঁরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়েও জমা দিয়েছে বলে জানান। এরপর বিষয়টি নিয়ে আমি শিক্ষা অফিসারের সাথে কথা বলেছি এবং এ বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখছি।

এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, নির্বাহী অফিসার বরাবরে লিখিত অভিযোগ পত্রটি পেয়েছি। তদন্ত কমিটির সঠিক প্রতিবেদনের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Daily World News

আমতলীর শহরতলিতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

রামপালে হরিণের মাংসসহ গ্রেফতার-২

আমতলীর শহরতলিতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা//

বরগুনার আমতলী উপজেলার শহরতলীর চালিতাবুনিয়ার বাঁশতলা গ্রামে ইউসুফ জামান খলিফার বাসায় এক দুর্ধর্ষডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। এ সময় ডাকাতরা নগদ দেড় লক্ষাধিক টাকা এবং ৩ ভরি স্বর্ন লুট করে নিয়ে যায়।

ডাকাতিকালে বাঁধা দেওয়ায় ডাকাতদের হামলায় গৃহকর্তা এবং তার মেয়েসহ ৭ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে ডাকাতদের রামদার কোপে আহত মেয়ে নুসরাত জাহানকে গুরুতর অবস্থায় বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আমতলী থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়,ইউসুফ জামান তার দুই মেয়ে নুসরাত জাহান ও তামান্না,স্ত্রী ফিরোজা বেগম ও নাতিদের নিয়ে ২ ইউনিটের বাসায় বসবাস করে আসছেন। সোমবার রাত গভীর রাতে (আনুমানিক আড়াইটা) ৪ থেকে ৫ জনের একটি ডাকাত দল বাসার সামনের লোহার মুল গেইট ও কাঠের দরজা শাবল দিয়ে ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে। ওই সময় বাসার সকলকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বাসায় থাকা নগদ ১ লক্ষ ৬৬ হাজার টাকা, ৩ ভরি স্বর্নলঙ্কার ও ৮টি মোবাইল ফোন লুট করে নেয়। টাকা ও স্বর্ন লুটের সময় গৃহকর্তা ইউসুব জামান ও তার মেয়েরা বাধা দিলে ডাকাতরা তাদের উপর রামদা এবং লোহার রড দিয়ে হামলা করে। ডাকাতদের রামদার এলোপাথারি কোপে নুসরাত জাহান (৩২) মাথা, হাত এবং পায়ে গুরুতর আঘাত প্রাপ্ত হন। আহত নুসরাতকে ওই রাতেই মুমুর্ষ অবস্থায় বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়।

আহত অন্যরা হলেন, গৃহকর্তা ইউসুব জামান (৬৬), স্ত্রী ফিরোজা বেগম (৫৫), মেয়ে তামান্না (২৫), তার স্বামী নাদিম হোসেন (৩০), ছোট মেয়ে ইন্নি (১৮), ও নাতি আড়শী (৮)

এদেরকে আমতলী হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

বাসার মালিক ইউসুফ জামান জানান, রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে ৪ থেকে ৫ জনের ডাকাত দল বাড়ির সামনের লোহার গেট এবং ঘরের দরজা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে দাঁড়ালো অস্ত্রের মুখে বাসার সকলকে জিম্মি করে টাকা স্বর্নলঙ্কার এবং ৮টি মোবাইল সেট নিয়ে যায়। আমাদের উপর হামলার সময় ডাক চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে ডাকাতরা পালিয়ে যায়।

ডাকাতির সংবাদ শুনে  রাতেই আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এ ছাড়াও সোমবার সকালে ডিবির ওসি মোঃ বশিরুল আলম ও বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মোজাম্মেল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

এ বিষয়ে আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, এখনো কোন মামলা হয়নি। তবে ওই ঘটনার রহস্য উদঘাটন এবং সন্দেহভাজনদের আটকের চেষ্টা চলছে।

Daily World News

রামপালে হরিণের মাংসসহ গ্রেফতার-২

ডুমুরিয়ায় জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস ২০২৩ উদযাপন র‍্যালী ও আলোচনা সভা