বরগুনার তালতলীতে চোলাই মদসহ গ্রেফতার দুই

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার তালতলীতে অভিযান চালিয়ে ৭ লিটার চোলাই মদসহ (উপ জাতীয় দের তৈরি) দুইজন মাদক সেবনকারীকে গ্রেফতার করেছে তালতলী থানা পুলিশ।

আজ বৃহস্পতিবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার মালিপাড়া এলাকার ফারুকের চায়ের দোকানের সামনে থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন,বরগুনা সদর উপজেলার কড়ইতলা ইউনিয়নের কালীবাড়ি এলাকার মৃত ফটিক চক্রবর্তীর ছেলে শ্রী বিজয় (২৯) ও একই এলাকার দিলীপ চন্দ্রের ছেলে শ্রী বাপ্পি (২৮)।

তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ শহীদুল ইসলাম খান বলেন,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চোলাই মদ নিয়ে যাওয়ার সময় তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ৭ লিটার চোলাই মদ জব্দ করা হয়েছে।

মাসুদ চেয়ারম্যান নাঙ্গলকোট ও মনোহরগঞ্জ এলাকায় এক মূর্তিমান আতংকের নাম

//বিশেষ প্রতিনিধি//

মাসুদ চেয়ারম্যান নাঙ্গলকোট ও মনোহরগঞ্জ এলাকায় এক মূর্তিমান আতংকের নাম  !  এক সময় ছিল আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য ।  নাঙ্গলকোট উপজেলা চেয়ারম্যান সামসুদ্দিন কালু’র মাধ্যমে অর্থ মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ওরফে লোটাস কামালের এপিএস কে এম সিং রতনকে ম্যানেজ (?)  করে ২০১৮ সালে আ’লীগ দলীয় মনোনয়ন নেন এবং সরকারী যন্ত্র ব্যবহার করে ভোট কেন্দ্র দখলে নিয়ে জোড্ডা পঃ ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন । আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে ন্যূনতম অবদান না থাকায় তাঁর দলীয় মনোনয়ন নিয়ে সেই সময় স্থানীয় নেতাকর্মীদের ঘোর আপত্তি ছিল  ।

মাসুদদের  আদিবাস নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার পোরকরা গ্রামে । তার বাপের নাম আবুল বাশার । পেশায় ড্রাইভার । বিয়ে করেন জোড্ডা পঃ ইউপির গোহারুয়া গ্রামের কুখ্যাত  হাফেজ ডাকাতের বোন । এখানেই ঘর জামাই আবুল বাশার । তার ঔরশে মাসুদ । বড় হয়ে অনুসরণ করেন মামা হাফেজ ডাকাতের পথ । যোগ দেন মনোহরগঞ্জের আন্তঃ জেলা ডাকাত দলের সর্দার কাদেরের সাথে ।

কাদের কুমিল্লা- নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কে ডাকাতি, অপহরণ, ইভটিজিং, চাঁদাবাজি, অস্ত্রের মহড়া, ইয়াবা, ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন অপকর্ম চালাতেন । পরবর্তীতে কুমিল্লা ডিবি পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে আবদুল কাদের নিহত হলে  সেকেন্ড ইন কমান্ড হসেবে দায়িত্ব নেন মাসুদ  ও তার ভাগিনা জনি । এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন নির্বিঘ্নে । কখনো রাজনৈতিক পরিচয়, কখনো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে  যাচ্ছেন নানাহ অপরাধমূলক কর্মকান্ড । মাসুদ রানা ও জনির সাথে রয়েছে মোঃ হেলাল ( মানিক মুড়া), বেলল (গোহারুয়া,), সুমন ( মানিক মুড়া), জনি ( লক্ষীপুর), রাসেল ( মানিক মুড়া), মুকবুল গোহারুয়া ) ও সৌরভ সহ ১৫/২০ জন  ডাকাত দলের  সদস্য ।  ডাকাতির পাশাপাশি এদের বিরুদ্ধে ইভটিজিং, ব্যক্তিগত শত্রুতা, লেনদেন নিয়ে বিরোধ, জমি নিয়ে বিরোধ, পরকীয়া, মাদক ব্যবসা, ডাকাতি, ছিনতাই, অস্ত্র ব্যবসাসহ নানা অভিযোগ অহরহ । চুরি ও ডাকাতির মামলায় মাসুদ কয়েকদফা জেল খেটেছেন । দৌলখাঁড় ইউনিয়নের বাম গ্রামে ঘরে ডুকে মোবাইল চুরি করে । পরে ট্রাকিংয়ে ধরা পেড়ে জেলহাজতে যান। এভাবে চুরি ও ডাকাতির মামলায় বেশ কয়েকদফা জেল খেটেছেন।

মাসুদ রানা নিজেই মান্দ্রা বাজার এলাকায় ও বিভিন্ন স্থানে ইয়াবা, গাজা, ফেনসিডিল ও মদের ব্যবসা  পরিচালনা করতো। এলাকাবাসী অতিষ্ট হয়ে ২০১৫ সালের ৩০ শে ডিসেম্বর  ইউনিয়নের মান্দ্রা বাজারে এক প্রতিবাদ সভা করেন । সেই প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন নাঙ্গলকোট থানার তৎসময়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম, আর বিশেষ অতিথি ছিলেন তৎসময়ের জোড্ডা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আলী আক্কাছ, আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ নাছির উদ্দিন মানিক, আবু জাহের ভূইয়া, শহিদুল আলম ভুট্ট ভূঁইয়া, শামছু উদ্দিন ভূঁইয়া (গার্ড), আব্দুল লতিফ, মোঃ আব্দুল হক ভূঁইয়া, বক্তারা সবাই এই ডাকাত মাসুদ ও তার সন্ত্রাসী গ্রুপদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন ।  শেষতক, এই মাসুদকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার মনোনয়ন দেয়া দেখে সবাই বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন । চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে মাসুদের আস্ফালান অনেক বেড়ে যায়। আগে যাহা করতো রাতে আর চেয়ারম্যান হয়ে একেবারে প্রকাশ্য দিবালোকে । চুরি, ডাকাতি আর মাদক ব্যবসা ছিল তার প্রধান কাজ । ২৫ থেকে ৩০ জন সশস্ত্র সহযোগিকে নিয়ে সে   এলাকার  অবস্থান করতো । এ জন্য কেউ তার বিরুদ্ধে টু শব্দও করতো না ।

তার এসব অপকর্ম জানাজানি হবার পর পরবর্তী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ তাঁকে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দেয়নি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মাসুদ বিদ্রোহী প্রার্থি হয়। মাত্র নয়’শ ভোট পাওয়ায়  তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয় । নৌকার মনোনীত ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মাত্র দেড়’শ ভোটে ফেল করেন।

উল্লেখ্য, নৌকা প্রতীকের প্রার্থি ও বিদ্রোহী একই গ্রামের হওয়ায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী পরাজিত হন ।

ভোটে অর্থ হারা মাসুদ অনেকটা দ্বিগবিদিক শূন্য। কিছুদিন ইটের ব্যবসা করতেন।  ইটা দিবেন বলে অনেকের কাছ কোটি কোটি টাকা হাতিয়েছেন । এখন ইটাও টাকাও না । টাকা প্রদান কারীরা টাকা বা ইট চাইলে জীবন নাশের হুমকি খেয়ে ফেরত যাচ্ছেন ।

সম্পৃতি তার বিরুদ্ধে  কুমিল্লার আদালতে একটা হত্যা হয় । মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ২৭ জুলাই ২০২৩ ইং তারিখে তাদের পাশের গ্রাম মানিক মুড়ায় পোল্যান্ড প্রবাসী বেলাল হোসেনের ঘরে ডাকাতেরা ডাকাতি করে স্বর্ণ অলংকার ও নগদ টাকা নিয়ে যায় । ঘরে থাকা একমাত্র প্রবাসীর মা ডিসিস রাশেদা বেগম ৬০ কে নামাজরত অবস্থায় এলোপাতাড়ী কুপিয়ে হত্যা করে । যাবার সময় সন্ত্রাসীরা  রাশেদা বেগমের ব্যবহৃত মোবাইলটিও নিয়ে যায় । ঘটনার  পরে থানায় মামলা করতে ব্যর্থ হলে কোর্টে মামলা হয় । এতে আসামী করা হয় মাসুদ রানা, মাসুদের ভাই মাহবুব আলম কাঞ্চন ও কাঞ্চন কন্যা তাহমিনা আক্তারকে ।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, প্রবাসী বেলাল হোসেন ঘটনার দুই মাস আগে দেশে এসে কাঞ্চনের মেয়ে তাহমিনা আক্তারকে বিবাহ করেন । প্রবাসে ফেরত যাবার সময় বেলাল হোসেন স্ত্রীকে মায়ের তত্ত্বাবধায়নে রেখে যান । বেলাল হোসেন প্রবাসে যাবার পর পরই তার স্ত্রী তাহমিনা বেপর্দা ও উচ্ছৃঙ্খল চলাফেরা শুরু করে । এতে শ্বাশুড়ি ডিসিস রাশেদা বেগম বাধা দিলে তাঁকে মারধর করে ঘরে থাকা যাবতীয় স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা পয়সা নিয়ে পিত্রালয়ে চলে যায় । ডিসিস রাশেদা বেগম বিষয়টি ছেলে বেলাল হোসেনকে জানালে মাসুদ ও কাঞ্চন একদল সন্ত্রাসী এনে বেলাল হোসেনের মাকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে । রাশেদা বেগম পাড়া প্রতিবেশীকে জানালে তারা.আরও বেশী ক্ষিপ্ত হয়ে পরের দিন ধারালো.অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে নামাজরত অবস্থায় রাশেদা বেগমকে হত্যা করে ।

হত্যার দুই মাস পার হলেও এ পর্যন্ত কোনও আসামী গ্রেফতার হয়নি এবং মোবাইল উদ্ধার হয়নি । বরং আসামীরা রাজনৈতিক নেতার ছত্রছায়ায় বুক ফুলিয়ে দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে । এ নিয়ে জনমনে ক্ষোভ দেখা যাচ্ছে ।

Daily World News

মহিষের মাংস কিভাবে গরুর মাংসে রূপান্তরিত হয়ে রেস্তোরায় বিক্রি হয়

অভয়নগরে ১৩৪ টি পুজা মন্ডপে চলছে দেবী দুর্গার সাজসজ্জা রংয়ের প্রস্তুতের কাজ

ডুমুরিয়ায় বিশ্ব খাদ‍্য দিবস ২০২৩ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা।

মহিষের মাংস কিভাবে গরুর মাংসে রূপান্তরিত হয়ে রেস্তোরায় বিক্রি হয়

//অনলাইন নিউজ ডেস্ক//

আমদানির অনুমতি না থাকলেও চোরাই পথে আনা হচ্ছে মহিষের সিদ্ধ মাংস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন নামে পেজ খুলে এই মাংস বিক্রি হচ্ছে। দাম কম থাকায় হোটেল ও রেস্তোরাঁর মালিকরা এই মাংসের বড় ক্রেতা। তারা সাধারণ মানুষকে গরুর মাংস বলে এটা খাওয়াচ্ছে। দামও রাখছে অনেক বেশি। পাশাপাশি এই মাংস বাজারজাত করার পাঁয়তারাও চলছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন-প্রক্রিয়াজাত মাংসে বেশি পরিমাণ লবণ থাকে। সঙ্গে রাসায়নিকদ্রব্য মেশানো থাকায় এ মাংস খেলে নানা রোগ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, আমদানি করা সিদ্ধ ও রাসায়নিকদ্রব্য মেশানো মহিষের মাংস বিক্রির জন্য রয়েছে বেশ কয়েকটি ফেসবুক পেজ। হিমায়িত মাংসের ভিডিও দিয়ে মহিষের মাংস ঢাকা সিটিতে হোম ডেলিভারি এবং সারা দেশে কুরিয়ারের মাধ্যমে পাঠানোর বিষয় প্রচার করছে। পরিচয় গোপন রেখে একটি অনলাইনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়-আগে ভারত থেকে মহিষের কাঁচা মাংস আসত। কিন্তু এখন সেই সুযোগ না থাকায় মাংসে লবণ ও হলুদ মিশিয়ে সিদ্ধ করার পর ছোট ছাট টুকরো করে শুকিয়ে আনা হচ্ছে। এগুলো দেশে এনে কোল্ড স্টোরেজে রেখে বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি করা হচ্ছে। এক প্যাকেটে তিন কেজি মাংস থাকে। কেজিপ্রতি দাম ২৫০-৩০০ টাকা। যা রান্না করলে ফুলেফেঁপে পাঁচ কেজির মতো হয়।

রাজধানীর রামপুরার একটি তেহারির দোকানের কর্মচারী নাজমুল হক বলেন, বাজারে গরুর মাংস ৮০০ টাকায় বিক্রি হয়। এই দাম দিয়ে মাংস কিনে ১২০ টাকা তেহারির প্লেট বিক্রি করা সম্ভব নয়। তাই হোটেলের মালিক একটি অনলাইন মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেখে প্রথমে তাদের ফোন নম্বররে কথা বলেন। পরে সেখান থেকে জানায়, কেজিপ্রতি ৩০০ টাকা দাম। পরে সেই অনলাইনে অর্ডার করে কম টাকায় এনে রান্না করে বিক্রি হচ্ছে। এতে লাভ থাকে। তবে কখনো এই মাংস খারাপ মনে হয়নি বলে জানান ওই কর্মচারী।

জানতে চাইলে হোটেল এবং রেস্টুরেন্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইমরান হাসান  বলেন, বাজারে ৮০০ টাকা কেজি গরুর মাংস। কিন্তু অনেক হোটেল বা তেহারির দোকানে কী করে প্লোট ১০০ টাকায় বিক্রি করে তা জানি না। আমাদের নিবন্ধিত যেসব হোটেল আছে তারা এই অবৈধ পথে আসা মহিষের সিদ্ধ মাংস কেনে না। তবে নিবন্ধিত নয় এমন হোটেল বা রেস্তোরাঁয় কিনতে পারে। তাদের বিষয়ে আমি কথা বলতে চাই না।

এদিকে দেশে গরুর মাংস উদ্বৃত্ত থাকায় ক্রেতার স্বাস্থ্যঝুঁকি ও প্রান্তিক খামারিদের কথা চিন্তা করে সরকার গত বছর থেকে হিমায়িত মাংস আমদানিতে কঠোর হয়। বর্তমানে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়া মহিষের মাংস আমদানি করা যাচ্ছে না। আর অধিদপ্তর গত দেড় বছর কাউকে অনুমতিও দেয়নি। এছাড়া সম্প্রতি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অবৈধভাবে মাংস আমদানি করে ধরা পড়েছে। মে মাসে নারায়ণগঞ্জের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এনবি ট্রেডিং ভারত থেকে ফ্রোজেন বাফেলো মিট আমদানি করে। কিন্তু প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অনুমতি না নিয়ে আমদানি করায় চালানটি খালাস দেওয়া হয়নি। যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষে চালানটি নিলামে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয় চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

এছাড়া নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই গত ১০ মে ভারত থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে এক টন হিমায়িত মহিষের মাংস দেশে আনে মেডলাইফ প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ নামের একটি কোম্পানি। নিয়ম না মেনে মহিষের মাংস আমদানি করায় আটকে যায় মাংস। বেরিয়ে আসে ওই কোম্পানির নানা অনিয়মের তথ্য। মাংস দিয়ে আচার বানিয়ে রপ্তানি করার কথা থাকলেও নেই কোনো কারখানা। এ বিষয়ে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দেয় বাংলাদেশ ডেইরি ফারমার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিডিএফএ)। কাস্টমস কর্তৃপক্ষের তদন্তেও নিয়ম না মানার প্রমাণ মেলে। পরে মাংসগুলো রাজধানীর একটি কোল্ড স্টোরেজে জব্দ করে রাখা হয়। দীর্ঘ ৮০ দিন পর গত ২ আগস্ট উচ্চ আদালতের নির্দেশে মাংসগুলো বাজেয়াপ্ত করা হয়।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ জাতীয় পুষ্টি পরিষদের মহাপরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীর বলেন, সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত না করার কারণে অনেক ক্ষেত্রে মাংসের পুষ্টিগুণ নষ্ট হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকতে হবে। প্রক্রিয়াজাত মাংসে বেশি পরিমাণ লবণ এবং রাসায়নিকদ্রব্য মেশানো থাকে। যে কারণে এসব খেলে নানা রোগ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (উৎপাদন) ডা. এবিএম খালেদুজ্জামান জানান, অনেক উন্নত দেশে দৈনিক জনপ্রতি ২০০ গ্রাম মাংস খায়। আমরা এখন ১২০ গ্রাম ধরছি। ২০৩০ সালে হয়তো ১৫০ গ্রাম ধরব। ২০৪১ সালে হয়তো আরও বাড়বে। ন্যূনতম ১২০ গ্রাম চাহিদা ধরে বার্ষিক উৎপাদন বেশি আছে। আমরা মাংস উৎপাদনে এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ। তাই হিমায়িত মাংস আমদানিতে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে।

ডেইরি ফারমার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিডিএফএ) সভাপতি মোহাম্মদ ইমরান হোসেন বলেন, একটি সংঘবদ্ধ চক্র ভারত থেকে হালাল নয়, এমন নিম্নমানের হিমায়িত মহিষের মাংস আমদানি করে দেশের হোটেল-রেস্তোরাঁয় কম দামে বিক্রি করছে। সরকারকে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। পাশাপাশি এর সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনা উচিত।

বাংলাদেশ মিট ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমআইটিএ) সূত্র জানায়, ফ্রোজেন মিটের প্রধান গ্রাহক প্রান্তিক শ্রেণির ক্রেতারা। এছাড়া বিভিন্ন হোটেল-রেস্টুরেন্ট ফ্রোজেন মিটগুলোর ক্রেতা। অথচ এখন আমদানি বন্ধ থাকার ফলে দাম যেমন বাড়ছে, আবার দেশের পুষ্টি নিরাপত্তাও হুমকিতে পড়েছে। সূত্র: যুগান্তর

Daily World News

বাগেরহাটের কচুয়ায় এক রাতে দুটি দোকন চুরি

অভয়নগরে ১৩৪ টি পুজা মন্ডপে চলছে দেবী দুর্গার সাজসজ্জা রংয়ের প্রস্তুতের কাজ

রামপালে ইয়াবা কারবারিসহ আটক- ২

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

রামপাল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ইয়াবা কারবারিসহ দুইজনকে আটক করেছে। এ ঘটনায় রামপাল থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনসহ পৃথক দুইটি মামলা দায়ের হয়েছে। আটককৃতদের বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। আটককৃতরা হলো, খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা থানার মৃত আহাদ শেখের পুত্র মো. আকরাম শেখ (৩৫) ও মোড়েলগন্জ উপজেলার জিউধরা গ্রামের মো. আলী শেখের পুত্র মারপিটে মামলার আসামি হৃদয় শেখ (২০)।

রামপাল থানা পুলিশের এসআই লিটন কুমার বিশ্বাস বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০ টায় রামপাল সদরের খেয়াঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় ১০ পিস ইয়াবাসহ আকরামকে আটক করা হয়। ওই সময় চিহ্নিত কিছু সহযোগী দ্রুত পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। সুত্র জানায়, রামপাল থানা পুলিশ তাদের হণ্যে হয়ে খুঁজছে।
এ বিষয়ে রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলম দুই জনকে আটক ও বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন।

৯৯৯ ফোন: স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষনের অভিযোগে আটক -১

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট//

বাগেরহাটের বনগ্রামে স্কুল ছাত্রীকে দুইদিন ধর্ষনের অভিযোগে বুধবার সন্ধায় কড়াবৌলা চায়ের দোকান থেকে গোবিন্দ দেবনাথ ধোনাই (৪৫)কে আটক করেছে মহিষপুরা ক্যাম্পের পুলিশ।

ওই ছাত্রীর মা বলেন, সোমবার দিন সকালে সে তার প্রতিবন্ধী স্বামী ও কন্যাকে বাড়িতে রেখে মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে যায়। এ সুযোগে মোড়েলগঞ্জে উপজেলা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের মৃত মতিলাল দেবনাথের পুত্র গোবিন্দ দেবনাথ (ধোনাই) পশবর্তী ছোট কড়াবৌলা গ্রামের ৬ষ্ট শ্রেনীর ছাত্রীকে ঘরের রুমে একা পেয়ে ওইদিন ও মঙ্গলবার রাত ধর্ষন করে।

এরপর ভয়ভিতী দেখিয়ে বলে কাউকে কিছু বললে তোর মা বাবাকে মেরে ফেলবো। এঘটনার পর ১১ অক্টোবর (বুধবার) ওই ছাত্রী কচুয়া উপজেলার মসনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসে ক্লাস রুমে অসুস্থ্য হয়ে পড়লে ক্লস শিক্ষক তাকে জিজ্ঞাসা করলে ধষনের ঘটনাটি বলে। এরপর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছাত্রীর অভিভাবককে জানালে তারা ৯৯৯ ফোন করলে মহিষপুরা ক্যাম্পের পুলিশ এসে এলাকাবাসীর সাহায্যে ধর্ষককে আটক করে।

মসনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশিষ কুমার দাস জানান, আমাদের ৬ষ্ট শ্রেনীর এক ছাত্রী ক্লাস রুমে অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তাকে জিজ্ঞাসা করলে ধর্ষনের মতো একটি ঘটনাটি বলে। এরপর ছাত্রীর অভিভাবককে জনালে তারা এসে তাদের মেয়েকে নিয়ে যায়।

এব্যাপারে মোড়েলগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মোঃ সাইদুর রহমান বলেন, অভিযুক্তকে আটক করে জিজ্ঞাসা বাদ করা হচ্ছে। প্রমানিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রামপালে কিশোরীকে গণধর্ষণের প্রধান আসামী রহমত গ্রেফতার

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের  রামপালে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলার প্রধান আসামী রহমত (২০) কে গ্রেফতার করেছে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। শুক্রবার (৬ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৫ টায় গাজীপুর জেলার চৌরাস্তা থেকে র্যাবের সহায়তায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

আটক রহমত কে শনিবার (৭ অক্টোবর) বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়। রহমত উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের মাহাবুবুর রহমানের পুত্র। উল্লেখ্য, গত ২৯ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার বড় দুর্গাপুর পলাশের মাছের ঘেরের টোং ঘরে ৩ যুবক উপর্যুপরি ধর্ষণ করে।

অপর আসামীরা হলো গোবিন্দপুর গ্রামের ফরহাদ হোসেনের পুত্র শেখ রাসেল (২৪) ও কালেখারবেড় গ্রামের মো. আজমল হোসেনের পুত্র মো. রাকিব হোসেন (২৬)।

মামলা সূত্রে জানা যায় শুক্রবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাড়ি থেকে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার জন্য বের হয়। শারীরিক সমস্যার কারণে প্রাইভেট পড়তে না গিয়ে মামার বাড়িতে যাওয়ার জন্য রওনা হয়। সন্ধ্যার আগমুহুর্তে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের রনসেন মোড় এলাকা থেকে রহমত ও শেখ রাসেল শেখ ওই কিশোরীকে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে নিয়ে যায়।

পরে রামপাল উপজেলার বড় দুর্গাপুর পুটিমারি এলাকার পলাশের ঘেরের টংঘরে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকে অবস্থান করা রাকিব হোসেন সজল এবং অপহরণকারী রহমত ও শেখ রাসেল মিলে ধর্ষণ করে। রাত ৭টার দিকে মহেন্দ্রযোগে ভিকটিমকে নিজ বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়

রামপাল থানার অফিসার ইন-চার্জ এস, এম আশরাফুল আলম বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় ওই কিশোরীর মামা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলা দায়েরের ১ ঘন্টার ভিতরে তিন আসামীর মধ্যে আমরা দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছি।

অন্য আসামীকে খুলনা র্যাব -৬ এর সদস্যদের সহায়তায় গাজীপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

নাঙ্গলকোটে ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক স্কুল শিক্ষককে মারধর

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

নাঙ্গলকোটে ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক স্কুল শিক্ষককে জনসম্মুখে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে । ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার বিকেলে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, নাঙ্গলকোট শাখা কার্যালয়ে । বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক সমাজ সহ সর্ব মহলে আলোচনা, সমালোচনা ও তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে ।
ঘটনার বিবরণ জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৫অক্টোবর) বিকেলে নাঙ্গলকোট উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ ভূঁইয়া চেয়ারে বসা নিয়ে
সোনালী ব্যাংক অফিসে অবস্থানরত আদ্রা উত্তর ইউনিয়নের পুজকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো.মনিরুল ইসলামকে ব্যাংকের ভেতরে প্রচন্ড মারধর করেন। একজন জনপ্রতিনিধির কর্মকান্ডে উপস্থিত ব্যাংকের কর্মকর্তা ও সাধারণ গ্রাহকগণ বাকরুদ্ধ হয়ে যায়। মূহুর্তের মধ্যে ঘটনারস্থলে উপস্থিত হন অসংখ্য লোকজন। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এই খবর।

শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত শিক্ষক মানসিকভাবে খুবই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন। এদিকে ঘটনাটি নিয়ে সর্ব মহলে বইছে আলোচনা সমালোচনা । ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে শিক্ষক সমাজের মাঝে।
ঘটনাটি নিয়ে শিক্ষক সংগঠন গুলো স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও দলীয় নেতৃবৃন্দকে অবহিত করে বিচার দাবী করে আসছেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষক মো.মনিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক নেতৃবৃন্দ সমাধান করার চেষ্টা চালাচ্ছেন ।

ঘটনার বিষয় জানার জন্য অভিযুক্ত রশিদ চেয়ারম্যানের মুঠো ফোনে চেষ্টা করেও লাইন পাওয়া যায় না । ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না । রশিদ চেয়ারম্যান যে কোন দুর্ঘটনার পর দীর্ঘ সময় মোবাইল বন্ধ অথবা বদলিয়ে পেলেন । এর আগেও তার বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠেছিল। তখনও ফোনে পাওয়া যায়নি । সেটা ধামাচাপা পড়ে গেছে । এখন এ ঘটনাও হয়ত ধামাচাপা পড়ে যাবে ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শিক্ষক নেতা বলেন, ইতিমধ্যেই ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে শিক্ষক সমিতির কিছু নেতা তত্পর হয়ে উঠছেন । কারণ স্বরূপ জানা গেছে, রশিদ চেয়ারম্যান নৌকার বিরুদ্ধে ভোট করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন । পরে উপজেলা চেয়ারম্যান সামসুদ্দিন কালু’র সাথে সম্পর্ক করে আওয়ামীলীগ হয়ে যান। এখন তিনি পুরোদমে কালু চেয়ারম্যানের ডান হাত বাম হাত।

রশিদ কালু চেয়ারম্যানের বিশ্বস্ত হওয়ায় তাকে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সমিতির সেক্রেটারী পদে পুরুস্কৃত করেন । কালু চেয়ারম্যানের অন্যতম সিপাহশালা ও সেক্রেটারী পদ পেয়ে আন্ডার মেট্রিক রশিদ চেয়ারম্যান ধরাকে সরাজ্ঞান করে । এছাড়া রশিদ চেয়ারম্যান শিক্ষিত হলে শিক্ষকের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হত ।

তাই শিক্ষক ও শিক্ষিত সমাজ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিচার দাবী করছেন।

খাস জমির দখল নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১০

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা সংবাদদাতা//

বরগুনার আমতলীতে খাস জমির দখল নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছে। আহতদের স্বজনরা উদ্ধার করে পটুয়াখালী ও বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার গভীর রাতে আমতলী উপজেলার মহিষকাটা বাজারে।

জানা গেছে,উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের কালিবাড়ী গ্রামের আশ্রাফ মৃধা ও অদুদ মৃধার মধ্যে মহিষকাটা বাজারের খাস জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে বেশ কয়েকবার সালিশ বৈঠক হয়। কিন্তু উভয় পক্ষই সালিশ বৈঠকের সিদ্ধান্ত মানছেন না এমন দাবী স্থানীয়দের। আশ্রাফ মৃধার দখলে থাকা খাজ জমি বুধবার গভীর রাতে ওদুদ মৃধা ও তার লোকজন দখল করতে যায় এমন অভিযোগ আশ্রাফ মৃধার। ওই সময় দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হয়। গুরুতর আহত নাশির মৃধা (৪০) আশ্রাফ মৃধা (৫০), ফেরদৌস মৃধা (৪৫), আলিম মৃধা (৩২) ও আহসান মৃধাকে (৩০) স্বজনরা উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

ওই হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ কাঙ্খিতা মন্ডল তৃণা তাদের সংঙ্কটজনক অবস্থায় বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরন করেছে। অপর দিকে আহত অদুদ মৃধা (৪৫), খুকি বেগম (৩২) ও বাবলুকে (২৫) পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপর আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।

আহত আশ্রাফ মৃধার স্ত্রী আসমা বেগম বলেন, গত ৩০ বছর ধরে খাস জমিতে দোকান ঘর ও বসতভিটা নির্মাণ করে বসবাস করে আসছি। ওই জমি অদুদ মৃধা তার দাবী করে বুধবার রাতে আমাদের বাড়ীতে হামলা করেছে। এতে আমার স্বামীসহ তার পাঁচ ভাইকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে অদুদ মৃধা ও তার লোকজন। তিনি আরো বলেন, এ জমি নিয়ে স্থানীয়ভাবে বেশ কয়েকবার সালিশ বৈঠক হয়েছে। কিন্তু অদুদ মৃধা সালিশ বৈঠকের সিদ্ধান্ত মানেনা। তিনি গায়ের জোড়ে জমি দখল করতে চায়। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।

এ বিষয়ে জানতে অদুদ মৃধার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ কাঙ্খিতা মন্ডল তৃণা বলেন, গুরুতর আহত পাঁচজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন,এখনো অভিযোগ পাইনি।অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বাগেরহাটের রামপালে মাদক ও তারচুরি মামলার আসামীসহ গ্রেফতার- ৪

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপাল থানা পু্লিশ অভিযান চালিয়ে মাদক, তার চুরিসহ বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত চার জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে। আটককৃতদের মঙ্গলবার (০৪ অক্টোবর) বেলা ১১ টায় বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

রামপাল থানা পু্লিশ বুধবার (৩ অক্টোবর) রাতে পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের আটক করে।

আটককৃতরা হলো, উপজেলার গৌরম্ভা গ্রামের মো. মারুফ শেখের পুত্র তার চুরির অভিযোগে আটক মাসুদ শেখ (৩০), দূর্গাপুর গ্রামের আ. মাজেদের পুত্র সিআর ৩৮/২১ নং মামলার আসামী আব্দুল্লাহ আল মামুন, নদীরহুলা গ্রামের জিআর – ১৯১/২২ নং মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী সবুজ বাড়ই (২০) ও কুমলাই গ্রামের মৃত জাফর আলীর পুত্র আবু জাহিদ (৩২)।

রামপাল থানার অফিসার ইন-চার্জ এস, এম আশরাফুল বিভিন্ন অভিযোগে আসামীদের আটক ও আদালতে প্রেরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সাংবাদিকের উপর হামলার ঘটনায় কচুয়া প্রেসক্লাবের নিন্দা

কচুয়া, বাগেরহাট প্রতিনিধি॥

বাগেরহাট প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য সাংবাদিক আলামিন খানের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা  ও প্রতিবাদ  জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন কচুয়া প্রেসক্লাবের নেত্রীবৃন্দ।

বিবৃতি দাতার হলেন,সভাপতি খোন্দকার নিয়াজ ইকবাল, সহ-সভাপতি পাইক সমীর বরণ, সাধারন সম্পাদক কাজী ছাইদুজ্জামান সাইদ, যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক শুভংকর দাস বাচ্চু, অর্থ সম্পাদক রথীন সাহা, নির্বাহী সদস্য তুষার কান্তি রায় রনি, সুপার্থ কুমার মন্ডল,খান সুমন,প্রদ্যুৎ কুমার মন্ডল।

সদস্য নকীব মিজানুর রহমান পার্থ চক্রবর্তী, আজমির আলম খান, মোঃ মউনুল ইসলাম শিকদার, শহীদুল ইসলাম খোকন, মোঃ রুম্মান, শেখ সাইদ প্রমূখ।