বাগেরহাটের রামপালে পুলিশের পৃথক অভিযানে গাঁজাসহ আটক ২

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

রামপাল থানা পু্লিশ পৃথকভাবে অভিযান চালিয়ে ৮২ গ্রাম গাঁজাসহ দুই কারবারিকে আটক করেছে। এ ঘটনায় রামপাল থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে পৃথক দুইটি মামলা দায়ের হয়েছে।

আটককৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আটককৃতরা হলো উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের কওসার শেখের পুত্র শিমুল শেখ (৩৫) ও চিত্রা গ্রামের আমিনুল ইসলামের পুত্র মোহাইমিনুল ইসলাম (২০)।

রামপাল থানার এসআই শ্রীবাস কুন্ডু শনিবার রাত ৮ টার সময় গোবিন্দপুর গড়ের কোনা মসজিদের সামনের রাস্তা থেকে ৪২ গ্রাম গাঁজাসহ শিমুল কে আটক করেন। অপরদিকে এসআই নাসির উদ্দিন শনিবার রাত পৌনে ১২ টার সময় চিত্রা গ্রামের মোহাইমিনুল ইসলামের বাড়ীর সামনের রাস্তার উপর থেকে ৫০ গ্রাম গাঁজাসহ মোহাইমিনুলকে আটক করেন।

এ বিষয়ে রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলম দুই কারবারীকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধ র‍্যাপিড অভিযান চলছে। আমার দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে কোন মাদক কারবারী এলাকায় থাকতে পারবে না। এটা সাফ কথা।

ভূমি অধিগ্রহনের চেক পাইয়ে দেওয়ার কথাবলে টাকাহাতিয়ে নেওয়া দালাল জিল্লু আটক, ৬ মাসের কারাদন্ড

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি||
জমি অধিগ্রহণের চেক পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে বাগেরহাট ডিসি অফিসের এল এ শাখার এক দালালকে আটক করেছে জেলা প্রশাসন। পরে ভ্রাম্যমান আদালত ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ওই দালালকে।

দন্ডাদেশ প্রাপ্ত দালাল বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার হোগলডাঙ্গা গ্রামের মো. জলিল মলঙ্গীর ছেলে জিল্লুর রহমান মালঙ্গী (৪২)। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার রোহান সরকার। বৃহস্পতিবার (২৫ মে) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে তাকে আটক করা হয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অহেতুক ঘোরাফেরা করাকালীন সন্দেহবশত তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে অসংলগ্ন কথা বার্তা বলতে থাকে। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে দালাল জিল্লুর মলংগী অধিগ্রহণ হওয়া ভূমির মালিকদের টাকা পাইয়ে দেওয়ার নামে অর্থ নেওয়ার কথা স্বীকার করেন।

খানহাজান আলী বিমান বন্দরের জমি অধিগ্রহণের চেক পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে অন্তত আটজনের কাছ থেকে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে জিল্লুর। চেক ও টাকা ফেরত না দেওয়ায় ভুক্তভোগীরা জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন। আজ তাকে আটকের পর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সুদের টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে রামপালে বৃদ্ধের আত্মহত্যা আটক-১

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপালে সুইসাইড নোট লিখে রাজকুমার বিশ্বাস (৬০) নামের এক বৃদ্ধের আত্মহত্যা খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার ভোররাতে ৫ টায় সে বাড়ীর কাঁঠাল গাছে রশি দিয়ে আত্মহত্যা করে। এ ঘটনায় গত শুক্রবার (১৯ মে) দিনগত রাতে ওই বৃদ্ধের জামাতা উত্তম কুমার সরকার বাদী হয়ে রামপাল থানায় একটি মামলা করেছেন।

মামলার আসামীরা হলেন উপজেলার উত্তর গৌরম্ভা গ্রামের মৃত হারান চন্দ্র রায়ের পুত্র তুহিন রায় (৫০) ও একই গ্রামের অজিত অধিকারীর পুত্র মিলন অধিকারী (৪৫)। রামপাল থানার ওসি (তদন্ত) রাধেশ্যাম ও গৌরম্ভা ফাড়ির এসআই নাসির উদ্দিন শুক্রবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে খুলনার লবনচরা থানার জিন্নাহ পাড়া এলাকার একটি বাড়ী থেকে প্রধান আসামী তুহিন রায়কে গ্রেফতার করেছে।

রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলম সাংবাদিকদের সামনে এক প্রেস ব্রিফিং এ জানান। নিহত রাজকুমার এজাহারে উল্লেখিত ১ নং আসামী তুহিন রায়ের নিকট থেকে বিভিন্ন সময়ে লাখে ৬ হাজার টাকা সুদে ৭ লক্ষ টাকা নেয়। এরপর সুদ বাবদ ভিকটিম ৩ লক্ষ ৬৩ হাজার টাকা পরিশোধ করেন। ২ নং আসামী মিলন অধিকারীর নিকট থেকে একই চুক্তিতে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নেন। এরপর ভিকটিম ২ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা সুদ বাবদ পরিশোধ করেন। ১ নং ও ২ নং আসামী মূল টাকা ফেরৎ পাওয়ার জন্য মানষিকভাবে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে ভিকটিমকে। এক পর্যয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ শালিস করে মূল টাকা হইতে পরিশোধকৃত টাকা বাদ দিয়ে বাকী টাকা পরিশোধ করার জন্য বলেন। তারা উক্ত সিদ্ধান্ত না মেনে পুরো সুদসহ টাকা পরিশোধের জন্য চাপ প্রয়োগ করে। তারা প্রকাশ্যে ও মোবাইল ফোনে চাপ দিতে থাকে।

এতে রাজকুমার ভীত হয়ে মানষিকভাবে ভেঙে পড়েন। গত ইং ১৮ মে বিকাল ৫ টায় গৌরম্ভা বাজারে মাছের চাদির সামনে টাকার জন্য আবারো আসামীরা চাপ দেয় ও গালাগাল করে। শুক্রবার রাতে কাউকে কিছু না জানিয়ে বাড়ীর কাঁঠাল গাছের সাথে রশি দিয়ে রাজকুমার আত্মহত্যা করেন। ওসি আরও জানান, অপর আসামীকে ধরার চেষ্টা করছি।

খুলনা বাগেরহাটের ১১ টি মাদক মামলার আসামি শিউলি গ্রেফতার 

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনা-বাগেরহাট অঞ্চলের দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা করে আসছিলো শিউলী বেগম।

বাগেরহাট জেলার মোংলা এলাকায় খুলনা র‌্যাব ৬ এর অভিযানে ১১টির অধিক মাদক মামলার আসামী ও কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী শিউলী বেগম কে গ্রেফতার করেছে।

উক্ত আসামি অনেক বার মাদকসহ আইন শৃংখলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয় এবং তার বিরুদ্ধে খুলনা ও বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।

খুলনা র‌্যাব-৬ এর একটি দল গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, ১১ টির ও অধিক মাদক মামলায় পলাতক মাদক ব্যবসায়ী বাগেরহাট জেলার মোংলা থানা এলাকায় অবস্থান করছে।

প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৯ই মে শুক্রবার  রাতে বাগেরহাট জেলার মোংলা থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতারী পরোয়ানা ভূক্ত কুখ্যাত মাদক সম্রাজ্ঞী শিউলী বেগমকে গ্রেফতার করেন।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে খুলনা জেলার রূপসা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

রামপালে আরও এক মাদক কারবারী ইউসুফ আটক

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

রামপালে পু্লিশ অভিযান চালিয়ে আবারো এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে। উপজেলার গৌরম্ভা ইউনিয়নের ফাঁড়ির এসআই নাসির উদ্দিন শুক্রবার ভোর ৬ টায় শুড়িঘাটার গাউস শেখের দোকানের সামনে থেকে ইউসুফ সরদার কে আটক করেন।

এ সময় তার কাছ থেকে ৫০ গ্রাম গাজা উদ্ধার করা হয়। রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলম আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রামপালে মাদক ও তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তামার তার চোরদের বিরুদ্ধে এক প্রকার যুদ্ধ শুরু করেছি। আমার থানা এলাকায় কোন মাদক ব্যবসায়ী, তার চোর, সন্ত্রাসী ও নারী নির্যাতনকারী থাকতে পারবে না।

এরা যত শক্তিশালী হোক আইনের আওতায় আনা হবেই। উল্লেখ্য, গত ৩ দিনে আরও দুই মাদক কারবারীকে ইতিমধ্যে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

বেনাপোল সীমান্তে পরিত্যক্ত অবস্থায় গর্ত থেকে ৩৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার

মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍ঃ

যশোরের বেনাপোল সীমান্তের ঘিবা গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) পরিত্যক্ত অবস্থায় গর্ত থেকে ৩৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। বৃহস্পতিবার (১৮ মে) বিকাল আড়াই ঘটিকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় গর্ত থেকে এ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী,যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) এর একটি চৌকস টীম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে বেনাপোল সীমান্তের ঘিবা গ্রাম দিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে। উল্লেখিত সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে পুকুরপাড় থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় গর্ত থেকে ৫ টি বস্তা উদ্ধার করে এবং বস্তার ভিতর থেকে ৩৬ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
এ সংক্রান্ত বিষয়ে যশোর বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক বলেন,মাদক পাচার রোধে বিজিবির বিশেষ পরিকল্পনা অনুযায়ী গোয়েন্দা তৎপরতাসহ অভিযান জোরদার করায় ধারণা করা হচ্ছে চোরাকারবারিরা মাদকদ্রব্য পাচারে ব্যর্থ হয়ে পুকুর পাড়ের ময়লার গর্তে লুকিয়ে রেখে পালিয়েছে।

বাগেরহাটের রামপালে মাদক কারবারি বেল্লাল আটক

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি||

বাগেরহাটের রামপালে একদিনের ব্যবধানে ফয়লাহাট ফাঁড়ি পুলিশ অভিযান চালিয়ে বেলাল শেখ নামের এক মাদক কারবারিকে গাঁজাসহ আটক করেছে। আটক বেল্লালের নামে রামপাল থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। বেলাল উপজেলার ভাগা গ্রামের শুকুর শেখের পুত্র।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে ফয়লাহাট ফাঁড়ির আইসি এসআই ইসমাইল হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ পারগোবিন্দপুর আদর্শ গ্রামের সগুনা কাঠের সাঁকোর পাশে টহল দিচ্ছিলেন। ওই সময় বেল্লাল গাঁজা বিক্রির জন্য তাজুর দোকান সংলগ্ন সরকারি রাস্তার উপর অবস্থান করছিল। এরপর এসআই ইসমাইল তাঁকে ৪৫ গ্রাম গাঁজাসহ হাতেনাতে আটক করেন।

আটক বেল্লাল শেখ একজন পেশাদার মাদক কারবারি বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এ বিষয়ে রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কোনো মাদক কারবারি, জুয়াড়ি, সন্ত্রাসী ও জঙ্গি আমার কর্ম এলাকার মধ্যে থাকতে পারবে না। শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় আমি আপোষহীন। উল্লেখ, গত মঙ্গলবার রাতে মাদক কারবারি হৃদয় দাসকে আটক করা হয়েছে।

রূপসায় ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার, মামলা দায়ের

//খুলনা ব্যুরো//

রূপসা থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ টুটুল ইসলাম (৩৮) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে।

সে নৈহাটি ইউনিয়নের রহিমনগর গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৬মে রাতে থানা পুলিশের এসআই কামরুজ্জামান সঙ্গীয় ফোর্সসহ নিয়মিত টহলরত অবস্থায় গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে নৈহাটি ইউনিয়নের রহিমনগর গ্রামস্থ জনৈক সিরাজ এর মুদি দোকানের সামনে কতিপয় ব্যক্তি মাদকদ্রব্য ক্রয় বিক্রয় করতেছে।

উক্ত সংবাদ পেয়ে এস আই কামরুজ্জামান ও এএস আই বিশ্বজিৎ ঘোষ উক্ত স্থানে উপস্থিত হলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে টুটুলকে আটক করে।

এসময় তার দেহ তল্লাশি করে প্যান্টের পকেট থেকে ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে।
পুলিশ আরো জানায়, টুটুল দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন স্থান হইতে ইয়াবা ট্যাবলেট সংগ্রহ করিয়া নিজ হেফাজতে রাখিয়া বিক্রয় করে আসছে বলে স্বীকার করেন।

এস আই কামরুজ্জামান বাদী হয়ে রূপসা থানায় তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর ১৪।

রামপালে পুলিশের অভিযানে মাদক কারবারি হৃদয় আটক

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

রামপাল থানা পুলিশ মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে হৃদয় দাস (১৯) নামের এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলম জানান, মঙ্গলবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই লিটন কুমার বিশ্বাসের নেতৃত্ব একটি দল অভিযান পরিচালনা করেন।

তারা রামপাল সদরের খেয়াঘাট এলাকার হাফিজুরের চায়ের দোকানের সামনে থেকে হৃদয় কে আটক করে। ওই সময় হৃদয়ের কাছ থেকে ৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধারসহ সাদা রঙের একটি রেজিষ্ট্রেশন বিহীন হিরো হাংক গাড়ি জব্দ করা হয়। সূত্র জানায়, এদের সাথে আর কেউ জড়িত আছে কি না তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

মাগুরায় সাংবাদিক শিমুল রানা ও তার মায়ের উপর সন্ত্রাসী হামলা

//মাগুরা প্রতিনিধি//
মঙ্গলবার ১৬ই মে সকাল১০.৩০ মিনিটের সময় মাগুরা সদর উপজেলার চাউলিয়া ইউনিয়নের চাঁদপুর গ্রামে সাংবাদিক এস এম শিমুল রানা (২৮) ও তার মা সামছুন্নাহার (৫০) ভাই মোঃ সজিব (১৯) বোন রেশমা বেগম (৩৮) এর উপর সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে।
জানা যায়, মাগুরা রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য সাংবাদিক এস এম শিমুল রানা ও তার মা এবং ভাই-বোন তাদের নানাবাড়ি চাঁদপুরে তার বৃদ্ধা নানীকে দেখতে যান, তার মায়ের সঙ্গে তার মামাদের পৈত্রিক জমাজমি নিয়ে পূর্ব বিরোধ চলে আসছিল, এরই সূত্র ধরে তার মামা শাহাদাৎ বিশ্বাস ও দুই ছেলে মিরাজ বিশ্বাস এবং রিয়াজ বিশ্বাস, ও তাদের দলগত সন্ত্রাসী মুন্নাফ বিশ্বাস এবং রাজেক বিশ্বাস দলবদ্ধভাবে তাদেরকে হত্যার উদ্দেশ্যে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রদিয়ে হামলা করে। সাংবাদিক শিমুল রানা জানিয়েছেন তাদের ওপরে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে চড়াও হলে তিনি তাদেরকে খালি হাতে প্রতিহত করতে যান, তখন সন্ত্রাসীগণ দলবদ্ধভাবে তাকে উপর্যপরি আঘাত করতে থাকে এটা দেখে তার মা তাকে রক্ষার জন্য ছুটে গেলে তাকেও অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম করে। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়লে সাংবাদিক শিমুল রানার মা মারা গেছে মনে করে সন্ত্রাসী বাহিনী ঐ স্থান থেকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে জাতীয় জরুরী সেবা ট্রিপল নাইনে ফোন দিলে মাগুরা সদর থানা পুলিশ সেখানে উপস্থিত হয়ে তাদেরকে উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করে।

হামলায় সাংবাদিক এস এম শিমুল রানার মায়ের বাম পায়ের হাড় ভেঙে তিন খন্ড হয়েছে ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মাথায় গুরুতর জখম হয় এবং ছয়টি সেলাই লেগেছে, তিনি এখন আশংকা জনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ব্যাপারে মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেকেন্দার আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের জানান, জাতীয় জরুরী সেবা ট্রিপল নাইনে কল পেয়ে তৎক্ষণাৎ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ পুলিশ সদস্যরা গিয়ে তাদেরকে উদ্ধার পূর্বক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করে এ বিষয়ে এখনো কেউ থানায় অভিযোগ করেনি, অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সাংবাদিক শিমুল রানা জানিয়েছেন চিকিৎসার জন্য থানাতে যেতে পারেননি, চিকিৎসা শেষে তারা থানায় লিখিতভাবে অভিযোগ দায়ের করবেন।

এ বিষয়ে মাগুরা রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে এবং দোষীদের দ্রুতসময়ের মধ্যে আইনের আওতায় আনার জন্য জোর দাবি জানানো হয়েছে।