যশোরে শতাধিক ফেনসিডিলসহ আটক -২

মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍ঃঃ

পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১শত ৫ বোতল ফেনসিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী জুয়েল বিশ্বাস (৩৩) ও মিনু আক্তার ময়না (৪০)কে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত জুয়েল যশোর জেলার চৌগাছা থানার বুড়িন্দিয়া গ্রামের রেজাউল বিশ্বাসের ছেলে ও ময়না যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার খড়কী গাজীর বাজারের মৃত মতিয়ার রহমানের মেয়ে। সোমবার (১৫ মে) সকাল আনুমানিক সাড়ে নয়টায় কোতোয়ালি মডেল থানাধীন মহিলা কলেজ সংলগ্ন বনবিথী লেন ওয়াপদাপাড়া পাড়ায় অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশ তাদের ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার করে ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী আজ সকাল আনুমানিক সাড়ে নয়টায় যশোর গোয়েন্দা পুলিশের এসআই আব্দুল্লাহ আল মামুন, এসআই আমিরুল ইসলাম, এএসআই শেখ কামরুল আলমদের সমন্বয়ে গঠিত একটা চৌকস টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে কোতয়ালী মডেল থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ী জুয়েল ও ময়না কে ১ শত ৫ বোতল ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার করে।

খুলনায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী কৃষ্ণ র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার

আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো:

র‌্যাব-৬, (স্পেশাল কোম্পানি) খুলনার একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খুলনার সোনাডাঙ্গা থানাধীন করিমনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮ বছরের সাজাপ্রাপ্ত কুখ্যাত মাদক কারবারি কৃষ্ণ শীলকে গ্রেফতার করেছে।

সে পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার বাসিন্দা।

র‍্যাব জানায়, কৃষ্ণ শীল পিরোজপুর জেলার কুখ্যাত মাদক কারবারি। সে দীর্ঘদিন যাবত পিরোজপুর জেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। গত ২০১৭ সালে আইন শৃংখলা বাহিনী কৃষ্ণ শীলকে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ গ্রেফতার করে এবং পিরোজপুর নেছারাবাদ থানায় একটি মাদক মামলা দায়ের করেন। মামলার বিচারকার্য শেষে ঘটনার সত্যতা প্রমানিত হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত আসামী কৃষ্ণ শীলকে ৬ বছরের সাজাসহ ১০,০০০/-(দশ হাজার) টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ০৩ (তিন) মাসের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।
এছাড়াও আরও একটি মাদক মামলায় আসামী কৃষ্ণ শীলকে ২ বছরের সাজাসহ ২০০০/-(দুই হাজার) টাকা জরিমানা প্রদান করেন।
কৃষ্ণ আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়ায়। পরবর্তীতে র‌্যাব গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে উক্ত আসামীকে গত ১২ মে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীকে পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পের জমি ও ঘর দেয়ার নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এক চক্রকে গ্রেফতার করেছে র্যাব

খুলনা ব‍্যুরো:

র‌্যাব-৬, খুলনার একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৯মে জানতে পারে যে, খুলনার সোনাডাঙ্গা থানা এলাকায় সরকারি দরিদ্র ত্রান কার্ড এবং সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পের জমি ও ঘর দেয়ার নামে একটি প্রতারক চক্র অসহায় সাধারণ মানুষের নিকট হতে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।

উক্ত চক্রটি ইতোমধ্যে দরিদ্র জনসাধারণের মধ্যে বেশ কিছু ভূয়া দরিদ্র ত্রান কার্ড প্রদান করেছে। এছাড়াও সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পের জমি ও ঘর দেয়ার নামে বিপুল পরিমান অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে আভিযানিক দলটি একই তারিখ কেএমপি খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার গোবরচাকা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে প্রতারক চক্রের মূলহোতা মোসাঃ ইয়াসমিন(৪০), থানা-সোনাডাঙ্গা, জেলা-কেএমপি, খুলনা গ্রেফতার করেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী প্রতারণার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।

পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামীকে কেএমপি খুলনার সোনডাঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হ য়েছে।

রামপালে পুলিশের নামে টাকা আদায় করা বোমারু মিজান গ্রেফতার

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

রামপালের কালেখারবেড় গ্রামের তাসলিমা বেগম নামের এক নারীর কাছ থেকে পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে টাকা আদায়ের ঘটনা ঘটছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী মো. মিজানুর রহমান শেখ ওরফে বোমা মিজান (৫৫) ‘র বিরুদ্ধে রামপাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

পুলিশ প্রতারণার অভিযোগে রামপাল থানা এলাকা থেকে ৯ এপ্রিল মঙ্গলবার বিকালে মিজানকে আটক করেছে। সে উপজেলার রাজনগর ইউপির কালেখারবেড় গ্রামের হাবিবুর রহমান শেখের পুত্র। রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলম সাংবাদিকদের জানান, পুলিশের নাম করে প্রতারনার মাধ্যমে ভুক্তভোগী নারী তাসলিমা বেগমের কাছ থেকে ১৮ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মহিলা বিষয়টি রামপাল থানা পুলিশকে জানালে ওসি (তদন্ত) রাধেশ্যাম সরকার, এসআই লিটন কুমার বিশ্বাস, এসআই সঞ্জয় পাল ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ রামপাল থানা পুলিশের একটি চৌকশ টিম আসামী মো. মিজানুর রহমান শেখ কে রামপাল থানা এলাকা হতে আটক করে। এসময় তার নিকট হতে নগদ ১৮ টাকা উদ্ধার করা হয়।

ভুক্তভোগী তাসালিমা বেগম রামপাল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করলে রামপাল থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু হয়। আসামী মিজানের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে একাধিক প্রতারণার অভিযোগসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

ডুমুরিয়ায় ডাকাতির সরঞ্জমসহ আটক-৭

//বিশেষ প্রতিনিধি খুলনা//
ডুমুরিয়া থানা পুলিশ সোমবার রাতে উপজেলার উত্তর গোবিন্দকাঠি এলাকা থেকে ডাকাতির সরঞ্জমসহ ৭জনকে আটক করেছে। এ ঘটনায়  থানায় একটি মামলা  হয়েছে ।
পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত আড়াইটার দিকে একটি  পিকআপসহ (যার আনুমানিক মূল্য ১৬ লাখ টাকা) ১০/১২ জন অপরিচিত লোক উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের উত্তর গোবিন্দকাঠি গ্রামের মন্টু শেখের বাড়ির সামনে অবস্থান করছিল। খবর পেয়ে থানা পুলিশের একটি দল ওই স্থানে গিয়ে অভিযান শুরু করে। অভিযানে একটি দামী পিকআপসহ জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর থানার বিষ্ণুপুর এলাকার হাফিজুর রহমানের ছেলে ইদ্রিস আলী (২১), টাঙ্গাইলের বাসাইল আদিলাপাড়া ব্রীজ এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রহমানের ছেলে খোকন মিয়া (২৮) ও একই জেলার সখীপুর থানার বেড়বাড়ি এলাকার খন্দকার পাড়ার মৃত বদর উদ্দিন শেখ ওরফে বুদোই’র ছেলে মামুন মিয়া ওরফে লালচান (৪৫), ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার মাথাপাড়া এলাকার সিদ্দিক খলিফার ছেলে আলামিন খলিফা (৪০), খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার ভান্ডারকোর্ট এলাকার মৃত মুর্শিদ শেখের ছেলে ইউসুফ শেখ (২৬), পিরোজপুরের কাউখালি থানার মুক্তারকাঠি এলাকার শাহ আলম হাওলাদারের ছেলে ইব্রাহিম হাওলাদার (৩৫) ও খুলনার লবনচরা থানার মতিয়াখালি সিপিয়ার্ড মেইন রোড এলাকার রেজাউল করিমের ছেলে রফিকুল ইসলাম নয়ন (৩২) নামের ৭জনকে আটক করে। এ সময় পিকআপে তল্লাশি ও তাদের স্বীকারোক্তিতে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ২টি ধারালো চাপাতি, ৪টি লোহার রড যার মধ্যে ৩টির একমাথা সুচালো ও একটি ছেলাইসহ ছোটবড় ৫টি রেঞ্জ উদ্ধার করা হয়।
এ প্রসঙ্গে ডুমুরিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেখ কনি মিয়া বিপিএম বলেন, আটক ৭জনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা একটি বড় মাপের ডাকাত টিম। তাদের দেশের বিভিন্ন স্থানে নেটওয়ার্ক। সুযোগ সুবিধা মত তারা সেই এলাকায় হানা দেয়। যার অংশ হিসেবে সোমবার (৮ মে) রাতে উপজেলার গোবিন্দকাঠি এলাকার মোসলেম শেখের ছেলে মন্টু শেখের বাড়িতে ডাকাতির জন্য অপেক্ষায় ছিল। কিন্তু জন সচেতনতা ও পুলিশি তৎপরতায় তারা ব্যর্থ হয়ে পুলিশের জালে আটক হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে।

র‌্যাবের অভিযানে রূপসায় অস্ত্রসহ আটক-১

//রূপসা প্রতিনিধি//

রূপসার ঘাটভোগ ইউনিয়ন শিয়ালী এলাকায় র‌্যাব-৬ অভিযান পরিচালনা করে অস্ত্র সহ একজনকে আটক করেছে।
প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, কতিপয় ব্যক্তি মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করার উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৬ সেখানে অভিযান চালিয়ে বিনয় বিশ্বাস (৪৬) কে গ্রেপ্তার করে। এ সময় র‌্যাব তার কাছ থেকে দেশি তৈরি ওয়ান শুটারগান উদ্ধার হয়। পরে গ্রেফতারকৃত আসামীকে রূপসা থানায় হস্তান্তর পূর্বক আসামীর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপককে মারধর মামলার আসামীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬

//আ: রাজ্জাক শেখ,খুলনা ব‍্যুরো//
খুলনা জেলার কয়রা থানাধীন কয়রা উত্তরচক আমিনিয়া বহুমুখী কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পরীক্ষা পরিচালনার জন্য ৫মার্চ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক নজরুল ইসলাম কয়রাতে আসেন।
পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ প্রদানের জন্য মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও মহারাজপুর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল মাহমুদ নিয়োগ বোর্ডকে ক্রমশ চাপ প্রয়োগ করতে থাকে।
নিয়োগ বোর্ডের প্রতিনিধিরা চেয়ারম্যানের প্রস্তাবে রাজি না হয়ে পরীক্ষার কার্যক্রম শেষে গাড়ি যোগে নিজ কর্মস্থলে ফিরছিলেন। এমতাবস্থায় তাদের বহন করা নিয়োগ বোর্ডের গাড়িটি ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে পৌঁছলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে চেয়ারম্যান ও তাঁর লোকজন গাড়িটি আটকে দেয়। এ সময় অধ্যাপক নজরুল ইসলাম ইউপি চেয়ারম্যানের কথামতো নিয়োগ পত্রে স্বাক্ষর করতে রাজি না হলে ইউপি চেয়ারম্যানের লোকজন তাকে এলোপাতাড়িভাবে মারধর করে।

পরে চেয়ারম্যানের বাড়িতে একটি কক্ষে অধ্যাপক নজরুল ইসলামকে আটক করে মাদ্রাসার প্রধান করনিক আসামী কামরুল তার কাছ থেকে জোরপূর্বক নিয়োগ পত্রে স্বাক্ষর নেয়। পরে আহত অবস্থায় অধ্যাপক নজরুল ইসলামকে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ বিষয়ে অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে খুলনা জেলার কয়রা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার সংবাদ প্রাপ্ত হয়ে র‍্যাব-৬ খুলনার একটি আভিযানিক দল আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে এবং অভিযান অব্যাহত রাখে।

এরই ধারাবাহিকতায় ৬ মে ২০২৩ তারিখ র‌্যাব-৬ (স্পেশাল কোম্পানি) খুলনার একটি আভিযানিক দল গোপন সূত্রে জানতে পারে যে, উক্ত মামলার অন্যতম আসামী কামরুল ইসলাম খুলনা জেলার কয়রা থানা এলাকায় অবস্থান করছে।

প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আভিযানিক দলটি একই তারিখ খুলনা জেলার কয়রা লঞ্চঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামী কামরুল ইসলামকে গ্রেফতার করে। মামলার বাকি আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত আছে।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে জেলার কয়রা থানায় হস্তান্তরের করা হয়েছে।

র‍্যাব ১৮টি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি রিপনকে গ্রেফতার করেছে

//খুলনা ব‍্যুরো//

দীর্ঘদিন যাবত পলাতক ১৮টি মামলার গ্রেফতারী পরায়না শীর্ষ সন্ত্রাসী রাজীব হাসান @রিপন চৌধুরীকে ঢাকা হতে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬। রিপন চৌধুরী যশোরের একজন চিহ্নিত শীর্ষ সন্ত্রাসী।

সে গত ২০১৪ সাল হতে ২০১৮ সাল পর্যন্ত যশোর শহরের বিভিন্ন স্থানে ককটেল বোমা ও পেট্রোল বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনসাধারণের মারাত্মক ক্ষতিসাধনসহ জানমালের ব্যাপক ক্ষতি করে।

তার বিরুদ্ধে ১৩টি বিস্ফোরক তৎসহ বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা, ১টি সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা, ২টি বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলাসহ ২ টি হত্যা চেষ্টার মত ঘৃণ্য অপরাধের মোট ১৮টি মামলা রয়েছে।

সে দীর্ঘদিন যাবত আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে দেশের বিভিন্নস্থানে পলাতক ছিল।

বিষয়টি জানতে পেরে র‍্যাব-৬ (যশোর ক্যাম্প) খুলনার একটি আভিযানিক দল ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং উক্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামীকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রাখে।

এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-৬, যশোর ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, ডিএমপি ঢাকার লালবাগ থানা এলাকায় আসামী রাজীব হাসান চৌধুরী (৪৫) আত্মগোপনে আছে।

উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে আভিযানিক দলটি ৬ মে ২০২৩ তারিখ ভোরে ডিএমপি ঢাকার লালবাগ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ রাজীব হাসান চৌধুরী @রিপন চৌধুরী(৪৫)কে গ্রেফতার করেন।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে ২০১৪ সাল হতে ২০১৮ সাল পর্যন্ত যশোরের বিভিন্ন স্থানে নেতৃত্বে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকান্ড সংঘটিত করেছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত আসামী তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সত্যতা স্বীকার করেছে।

পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামীকে যশোর জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সরকারী রাস্তায় দোকান ঘর রাখায় সাক্ষী প্রদান কালে সাক্ষীদের উপর ইউপি সদস‍্যসহ ১০/১২জনকে কুপিয়ে জখম,মামলা দায়ের

//খুলনা প্রতিনিধি//
রূপসা ফকিরহাট সীমান্তে
ডহর মৌভোগ এলাকায় সরকারি রাস্তার পাশে খাস জমিতে দোকান ঘর উচ্ছেদ করেন সরকারের পক্ষে ম্যাজিস্ট্রেট। উচ্ছেদকৃত দোকানঘর

রাস্তার উপর দোকান ঘর রাখায় সাক্ষী প্রদান কালে সাক্ষীদের উপর অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়ে গুরুতর যখম করার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।

সরকারী রাস্তায় দোকান ঘর রাখায় সাক্ষী প্রদান কালে
সাক্ষীদের উপর ইউপি সদস‍্যসহ ১০/১২জনকে কুপিয়ে জখম,মামলা দায়ের

মামলার আসামিরা হলেন, লিটন বালা, মিল্টন বালা, দিপু কীর্তনীয়া, দীপঙ্কর কীর্তনীয়া, দেবদাস কীর্তনীয়া, রঞ্জিত কীর্তনীয়া, মিঠুন শিকদার সহ ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে ও ৫/৬ জনকে অজ্ঞাত করে ফকিরহাট থানায় মামলা দায়ের করেছেন কালিদাস মাঝিবাদী হয়ে।

সরকারী রাস্তায় দোকান ঘর রাখায় সাক্ষী প্রদান কালে
সাক্ষীদের উপর ইউপি সদস‍্যসহ ১০/১২জনকে কুপিয়ে জখম,মামলা দায়ের
মামলার সূত্রে জানা যায়, ডহর মৌভোগ এলাকায় খাস জমির উপরে দোকানঘর উচ্ছেদ করেন বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি ম‍্যাজিস্ট্রেড গত ২মে।
ঐ দোকান গুলি রথখোলা থেকে পূর্ব পাড়া থেকে পশ্চিমপাড়া যাওয়ার রাস্তার উপর রাখিয়া সেখানে ঘর তৈরি করে।
এই বিষয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নিতিশ ঢালী ও সংরক্ষিত ইউপি সদস্য সন্ধ্যা রানী মন্ডল সহ আরো কয়েকজন ফকিরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

সরকারী রাস্তায় দোকান ঘর রাখায় সাক্ষী প্রদান কালে
সাক্ষীদের উপর ইউপি সদস‍্যসহ ১০/১২জনকে কুপিয়ে জখম,মামলা দায়ের

অভিযোগের পর তাৎক্ষণিক অভিযোগের তদন্ত করার জন্য ৩ মে বিকালে সহকারি কমিশনার ভূমি ঘটনাস্থলে আসেন।
তদন্তে ওই স্থানের সাক্ষী অংশুমান ঢালী, কামনা ঢালী, নিরাপদ রায়, বিপুল মাঝি, সুশীল রায় সহ গ্রামের অনেক লোক উপস্থিত হয়।
তাহারা সহকারি কমিশনার ভূমির নিকট সাক্ষ্য প্রদান করেন।
সাক্ষ্য প্রদান করলে আসামি দ্বয় সঙ্গোবদ্ধ হইয়া আক্রমণ করিয়া ত্রাস সৃষ্টি করিলে সহকারী কমিশনার ভূমি দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়।

সহকারী কমিশনার ভূমি চলিয়ে যাবার পর আসামিগণ তাদের হাতে থাকা দা,লাঠি, শাবল, লোহার রড, ইত্যাদি লইয়া সাক্ষী ও উপস্থিত লোকদের উপর হামলা করে।

আসামীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাক্ষী কামনা ঢালী স্বামী অংশুমন ঢালী, সুশীল রায়, ইউপি সদস্য সন্ধ্যা রানী মন্ডল, নীতিশ ঢালী
ঝন্টু ঢালী, বিপুল মাঝি সহ ১০/১২ জন কে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে।

এ সময় আসামিরা আহতদের দোকান ঘর পিটিয়া কুপাইয়া টিনের বেড়া জানালা দরজার আসবাবপত্র চায়ের দোকানের মালামাল ও বিভিন্ন প্রকারের মুদি মনোহরি মালামাল ভাঙ্গিয়া ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি করেন।

এসময় ক্যাশ বাক্সে থাকা নগদ ২০ হাজার টাকা নিয়ে যায় এবং কাজল ঢালীর ১৫ হাজার টাকা মূল্যের একটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়।

আরো জানাযায়, উপস্থিত ইউপি সদস্য সহ অন্যান্যরা নানাভাবে নিষেধ করতে থাকলে আসামি লিটন বালা, দীপঙ্কর,দেবদাস, মিল্টন, ইউপি সদস্য নীতিশ ঢালী ও সন্ধ্যা রানী মন্ডলকে মারপিট করে আহত করে।

ঝন্টু ঢালীর শরীরে বিভিন্ন স্থানে পিটাইয়া জখম করে এবং
বিপুল মাঝির শ্বশুরের চায়ের দোকান ভাংচুর করে।

কিছু দিন আগে আসামীদের বিরুদ্ধে সাক্ষী অংশুমান ঢালী বাদী হ য়ে ফকিরহাট থানার মামলা দায়ের করেন। যার নং ১১, তারিখ ১৮ /৯/২২।
মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। আহতদের রক্তাক্ত যখমবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে কালিদাস মাঝি বাদী
হয়ে ফকিরহাট থানায় মামলা দায়ের করেন।
যার নং-৭,তারিখ-৫/৫/২৩।

নেত্রকোনা এস এসসি পরিক্ষার্থী মুক্তি বর্মন এর হত্যার প্রতিবাদে বরিশালে জাতীয় হিন্দু মহাসংঘ মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বাংলাদেশের সংখ্যালঘু নির্যাতন ও নেত্রকোণা জেলার বারহাট্টা উপজেলার বাউসী ইউনিয়নের এসএসসি মেধাবী পরিক্ষার্থী। মুক্তি রানী বর্মন কে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার দৃষ্টান্ত মূলত শাস্তির ফাঁসির দাবিতে। বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাসংঘ এর সারাদেশব্যাপী শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন এর অংশ হিসেবে। ৫ ই মে  শুক্রবার সকাল ১০ ঘটিকার সময় বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাসংঘ বরিশাল জেলা কমিটির আয়োজনে  বরিশাল নগরীর সদর রোড অশ্বিনী কুমার টাউন হল  প্রাঙ্গণে এক শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন পালন করা হয়।

বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাসংঘ এর বরিশাল জেলার সভাপতি সাংবাদিক পলাশ চন্দ্র দাস এর নেতৃত্বে শান্তি পূর্ণ মানববন্ধনে অংশগ্রহন করেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাসংঘ বরিশাল  জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক রাম কুমার দাস।সহ সভাপতি বিপ্লব দাস, প্রধান উপদেষ্টা সঞ্জীব চন্দ্র, অনুরুদ্র মিত্র। সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক অপূর্ব বাড়ৈ, সহকারি আইন বিষয়ক সম্পাদক সাংবাদিক রুপন কর অজিত।

ক্রিয়া বিষয়ক সম্পাদক নির্মল বর্নিক, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক শেখর দাস প্রচার সম্পাদক কিশোর বিশ্বাস, কর্মসূচি ও পরিকল্পনা সম্পাদক  চয়ন রায়। সদস্য রিপন দাস প্রদিপ বিশ্বাস,পার্থ দাস,প্রদিপ দাস,হৃদয় বালা সহ সংগঠনের সকল সদস্যবৃন্দ। এসময় বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাসংঘ এর সভাপতি পলাশ চন্দ্র দাস বলেন। সারা বাংলাদেশ সংখ্যালঘু নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন এ দেশের সংখ্যালঘুদের ওপর কোন আইন পাস করা হয়নি। তিনি আরো বলেন নেত্রকোনা বারহাট্টা উপজেলা মুক্তি রানী বর্মন প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায়। একই এলাকার হত্যাকারি মোঃ কাওসার এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ফাঁসি চাই। ও বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাসংঘ এর দাবী অপরাধীকে বাংলাদেশ আইনের সর্বোচ্চ শান্তি মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করা হোক।