প্রশাসনের সামনেই জিকোর কোপে মারা গেল শেকবর আলী

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

শেরপুরের শ্রীবরদীতে পুলিশের সামনেই শেখবর আলী নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার ১৮ দিন পর একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে গত ২৩ মার্চ এ হত্যার ঘটনা ঘটলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে  ভিডিওটি ভাইরাল হয় রোববার।

ভিডিওটি ভাইরালের পর জেলাজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিশেষ করে সোমবার ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির ঘটনাটি নানা মহলে আলোচনার বিষয়বস্তুতে পরিণত হয়েছে।

এদিকে ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শেখবর আলীর ছোটভাই মাহফুজ বাদী হয়ে ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেন। মামলার পর ঘটনার দিন ৩ জন এবং পরবর্তীতে প্রধান আসামি জিকোসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার হাসান নাহিদ চৌধুরীসহ জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী জাকির হোসেন জিকোর সঙ্গে শেখবর আলীর জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এরই জেরে ২২ মার্চ প্রতিপক্ষ জিকোসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন শেখবর আলী। পরে ঘটনা তদন্তে পরদিন ২৩ মার্চ বিকালে ঘটনাস্থলে যান থানা পুলিশের এসআই ওয়ারেস আলীসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য। এ সময় জিকোসহ ৪-৫ জন অতর্কিতভাবে ধারালো দা, রাম দা, ছুরি ও লাঠিসোটা নিয়ে শেখবর আলীর ওপর হামলা করলে ঘটনাস্থলেই শেখবর আলী মারা যান।

এ ঘটনায় ওই দিন অভিযান চালিয়ে জিকোর স্ত্রীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে থানা পুলিশ। ২৪ মার্চ রাতে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান রাজাকে গ্রেফতার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। ঘটনার ছায়া তদন্তে নেমে একই দিন শ্রীবরদীর বালিজুড়ি এলাকার গহীন অরণ্য থেকে মামলার প্রধান আসামি জিকোকে গ্রেফতার করে র্যা ব-১৪। এ নিয়ে ওই মামলায় মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

অন্যদিকে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়- পুলিশের সামনেই অতর্কিতে রাম দা, গরু জবাই করার ছুরি ও লাঠিসোটা নিয়ে শেখবর আলীর উপর উপর্যুপরি আঘাত করে জিকো, তার ভাই জজ মিয়া ও সাইফুলসহ অন্যরা। ঘটনার আকস্মিকতায় পুলিশ হতবিহবল হয়ে পড়ে এবং নির্বাক দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে হত্যাকাণ্ডের দৃশ্য দেখে। মুহূর্তের মধ্যেই পুরো হত্যাকাণ্ড এবং পুলিশের প্রতি তেড়ে আসার ঘটনা ভিডিওতে লক্ষ্য করা যায়।

শ্রীবরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপ্লব কুমার বিশ্বাস জানান, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান আসামি জিকো, তার ভাই জজ মিয়া ও সাইফুলসহ মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে হত্যাকাণ্ডের জড়িতের কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে জিকো ও সাইফুল। এছাড়াও এ ঘটনায় পুলিশের এসআই ওয়ারেস আলীকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে। এছাড়া এলাকায় নিরাপত্তার জন্য পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

English Dainikbiswa

জাতীয় পরিচয় পত্র থেকে পেশা পতিতা শব্দটি বাদ

ডুমুরিয়ায় ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক ব‍্যবসায়ি গ্রেফতার

জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া সংবাদদাতা, খুলনা//

খুলনার  ডুমুরিয়ার জেলা ডিবি পুলিশের  অভিয়ানে  চুকনগর বাজার এলাকা থেকে  ৭০ (সত্তর) পিচ  ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুজন মাদক ব‍্যবসায়িকে গ্রেফতার করেছে ।

পূলিশ  সুত্রে জানা গেছে, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান’র দিক-নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা, খুলনার অফিসার ইনচার্জ উজ্জ্বল কুমার দত্ত এর নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) বিষ্ণুপদ হালদার সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ ডুমুরিয়া থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযান পরিচালনাকালে, ১০ই এপ্রিল রবিবার সকাল ৯টা ৩৫মিনিটে ডুমুরিয়া থানাধীন ট্রানজিট পয়েন্ট চুকনগর থেকে,উপজেলার গো রোস্তমপুর গ্রামের খোদাবক্স সরদারের পুত্র,মোঃ মিনারুল ইসলাম সরদার (৩৫) ও চুকনগর গ্রামের সুভাষ রায়ের পুত্র কোরিয়ান সুমন রায় (৪১) এর নিকট ৭০ (সত্তর)পিচ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে।

এসআই (নিঃ) বিষ্ণুপদ হালদার ডুমুরিয়া থানায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন, ২০১৮ এর ৩৬ (১) সারণির ১০ (ক) দায়ের করে। উল্লেখ্য আটককৃতরা  পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী ও তাদের নামে মাদক আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।

চট্টগ্রামে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ আটক-৮

//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম//

আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অত্রসহ ৮ জনকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। শুক্রবার সন্ধায় শাহ আমানত সেতু এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, ভোলা জেলার দৌলত খান উপজেলার বাজার চৌধুরী বাড়ীর বেলাল হোসেনের ছেলে মো: জসিম ওরফে মনির হোসেন (২৮), নগরীর ফিসারীঘাট এলাকার আবদুল জলিলের পুত্র মহিউদ্দিন (২৫), পটিয়া উপজেলার হরিণখাইন গ্রামের মোহাম্মদ ইসমাইলের পুত্র  সাহাদাত হোসেন সাজ্জাত (২৭), কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার ধামঘর এলাকার  বশির উদ্দিনের বাড়ী গ্রামের শাহ আলমের পুত্র মোহাম্মদ সোহেল (২৫), একই উপজেলার শালঘর গ্রামের মৃত খোরশেদ আলমের পুত্র আল আমিন (২৫), নগরীর বাকলিয়া থানার তুলাতলি জামাই বাজার এলাকার হাজী আবু তৈয়বের পুত্র আবদুল রাজ্জাক ওরফে রানা (২৪), সুনামগঞ্জ জেলার মধ্যনগর উপজেলার সাইদ পাড়া গ্রামের মৃত লাল মিয়ার পুত্র শরিফ ওরফে কালাইয়া (২০),  এবং চট্টগ্রামের নতুন ব্রিজ এলাকার বাবুল কলোনির শাহ আলমের পুত্র সাদ্দাম হোসেন (৩২)।

পুলিশ জানায়, আটককৃতদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র, শাবাল ও ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা জানায়, নগরীর নতুন ব্রিজ এলাকার বিভিন্ন দোকান, বাসাবাড়ি ও কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামে আগত যাত্রী ও পথচারীকে বিভিন্ন কায়দায় জিম্মি করে ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে তারা জড়ো হয়েছিল।

 

সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার চক্রের ১২ জনকে বিষ, জাল, নৌকাসহ গ্রেফতার করেছে র‍্যাব

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি//

সুন্দরবনের মোংলা থানার জাপসি নদী এলাকায় অবৈধভাবে বিষ প্রয়োগে মাছ শিকারের সময় বিষ, নিষিদ্ধজালসহ ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬।

শুক্রবার ( ৮ এ‌প্রিল)  র‍্যাব-৬ অ‌ধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোহাম্মদ মোসতাক অাহমদ প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, ৮ এপ্রিল  মধ‍্যরাতে র‌্যাব-৬ (সদর কোম্পানি) এর একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন সংবাদের মাধ্যমে মোংলা থানাধীন জাপসি নদী এলাকায় নিষিদ্ধ বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে মাছ শিকারকালে চক্রের মূলহোতা সহ ১২ জনকে গ্রেফতার করে।

সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার চক্রের ১২ জনকে বিষ, জাল, নৌকাসহ গ্রেফতার করেছে র‍্যাব

এসময় সদর কোম্পানী কমান্ডার অাল অাসাদ মোঃ মাহফুজুল ইসলাম (এস‌পি) উপ‌স্থিতিত ছিলেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলো মোঃ সাদ্দাম বৈদ্য (২৭), মোঃ শফিকুল ইসলাম বৈদ্য (৩৮), মোঃ জাকির হোসেন (২৮), মোঃ খায়রুল মোড়ল (২৫), আঃ সালাম গাজী (৩৬), মোঃ বাচ্চু সানা(৩৫), মোঃ আবু সাইদ সরদার(৩০), মোঃ নাজমুল সরদার (২৮), মোঃ আবুল হোসেন গাজী (২৮), শাহজাহান শেখ (৪৫), মোঃ সালাম সানা(৩০), ইকরামুল সরদার (৩১)।

সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার চক্রের ১২ জনকে বিষ, জাল, নৌকাসহ গ্রেফতার করেছে র‍্যাব

এসময় অভিযানকালে গ্রেফতারকৃত আসামীদের হেফাজত থেকে বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকারের কাজে ব্যবহৃত মাছ মারার বিষ-০৬ বোতল, জাল-০৪ টি, ইঞ্জিন বিহীন কাঠের নৌকা- ০৫ টি, বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে শিকার করা ৪০০ কেজি মাছ, টর্চ লাইট ০৫টি উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়েছে।

উদ্ধারকৃত আলামত ও গ্রেফতারকৃত আসামীদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য মংলা থানায় হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানায় র‍্যাব।

গুড় যখন তৈরি হয় চিনি চুন হাইড্রোজ ফিটকিরি আর ডালডায়…

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার মনিগ্রাম ইউনিয়নের আটঘরিয়া গ্রামে জেলা ডিবি পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৪৫০ কেজি ভেজাল গুড়সহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা চিনি চুন হাইড্রোজ ফিটকিরি ডালডা ও বিষাক্ত কেমিক্যাল দিয়ে গুড় তৈরি করতেন।

বৃহস্পতিবার সকালে গ্রেফতার দুইজনকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক বছর থেকে উপজেলার মনিগ্রাম ইউনিয়নের আটঘরিয়া গ্রামের মৃত আবদুস সুবান আলীর ছেলে রকসেদ আলী ও এমাজ উদ্দিনের ছেলে পিয়ার উদ্দিন লালন অতি লাভের আশায় নিম্নমানের চিনি, মোনালিসা, নানা রকম কেমিক্যাল, চুন, হাইড্রোজ, ফিটকিরি, ডালডা, আটা ব্যবহার করে ভেজাল গুড় তৈরি করে আসছিলেন। এমন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার দুপুরে জেলা ডিবি পুলিশের একটি দল বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৪৫০ কেজি ভেজাল গুড় জব্দ করে।

এ সময় রকসেদ আলী ও পিয়ার উদ্দিন লালনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে বিকেলে জেলা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক রুহুল আমিন বাদী হয়ে বাঘা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে গুড়ের নমুনা রেখে সব ধ্বংস করা হয়েছে।

বাঘা থানার ওসি সাজ্জাদ হোসেন বলেন, এ বিষয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেফতার দুইজনকে বৃহস্পতিবার সকালে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্য আসামিকে গ্রেফতার অভিযান চলছে।

বরগুনার আমতলীতে ইউপি সদস্য হত্যার হুমকি দিলেন ইউপি সচিবকে

//সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ//
বরগুনার আমতলীতে পূর্ব ঘটনার রেশ ধরে ইউপি সদস্য কর্তৃক ইউপি সচিবকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় হুমকির স্বীকার ইউপি সচিব থানায় লিখিত অভিযোগ দমিয়েছে।
গতকাল (মঙ্গলবার) দুপুরে আমতলী পিআইও অফিসের সামনে এঘটনাটি ঘটে।

জানা গেছে, আমতলী উপজেলার আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের সচিব (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ জাকির হোসেন ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন কাজের বিল ভাউচার নিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে আমতলী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে যান। এসময় ওই অফিসের সামনে অবস্থান করছিলেন একই ইউনিয়ন পরিষদের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ জসিম উদ্দিন মৃধা। এসময় সচিবকে দেখেই ইউপি সদস্য জসিম মৃধা অশ্লীল ভাষায় গালাগাল শুরু করেন এবং সাথে থাকা কয়েক জন অপরিচিত লোক নিয়ে তাকে মারতে উদ্ধত হন। এসময় সচিব জাকির হোসেন আত্মরক্ষার্থে দৌড়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের ভিতরে ঢুকে আশ্রয় নেন। এক পর্যায়ে ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন সচিবকে টুকরো টুকরো করে হত্যার হুমকি দিয়ে বলেন, ‘তোর মত অনেক লোককে মেরেছি কেউ কিছুই করতে পারেনি। তোকে মেরে ফেললেও তুইও কিছু করতে পারবি না,তোর চেয়ারম্যান কি পারে তা জানা আছে।’ ইউপি সচিব মোঃ জাকির হোসেন তাৎক্ষনিক বিষয়টি মোবাইলে ইউপি চেয়ারম্যান সোহেলী পারভীন মালাকে জানালে তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

এ বিষয়ে সচিব মোঃ জাকির হোসেন বলেন,পরিষদের পূর্ব ঘটনার রেশ ধরে ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন মঙ্গলবার দুপুরে পিআইও অফিসের সামনে পেয়ে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করে আমাকে মারতে আসে এবং টুকরো টুকরো করে হত্যা করার হুমকি দেয়। আমি এঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি। আমি এঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন, মারধর করতে উদ্ধত হওয়া, গালাগাল এবং হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,আমাদের মধ্যে সামান্য তর্ক হয়েছে।

আড়পাঙ্গাশিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সোহেলী পারভীন মালা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,এধরনের ঘটনা অনাকাংখিত।

আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ এ.কে.এম মিজানুর রহমান বলেন,মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি।তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

English Dainikbiswa

ইলন মাস্ক-ই বিশ্বের শীর্ষ ধনী রইলেন

 

বাগেরহাটে চোরচক্রের প্রধান মতি ডাকুয়া র‍্যাবের হাতে আটক

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রথিনিধি//

বাগেরহাটে চোরচক্রের প্রধান মো. হিরন ডাকুয়া ওরফে মতিকে (৪২) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। সোমবার (০৪ এপ্রিল) গভীর রাতে বাগেরহাট শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোরচক্রের প্রধান মতিকে গ্রেফতারের পর সকালে ফকিরহাট থানায় হস্তান্তর করেছে র‌্যাব। গ্রেফতারকৃত মতি ডাকুয়া বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার সুন্দরঘোনা গ্রামের রশিদ ডাকুয়ার ছেলে।

র‌্যাব- ৬ প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গত ১৫ জানুয়ারী ফকিরহাট উপজেলার খাজুরা গ্রাম থেকে রাতে আধারে এক কৃষকে ৬০ হাজার টাকা মূল্যের একটি গরু চুরি যায়। এঘটনার পর র‌্যাব-৬ ছায়া তদন্ত শুরু করে ও অপরাধীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রাখে। এই গরু চুরির মূলহোতা বাগেরহাটে অবস্থান করছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিকে সোমবার গভীর রাতে বাগেরহাট শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোরচক্রের প্রধান মতিকে গ্রেফতার করা হয়। মতি দীর্ঘদিন ধরে ডাকাতি, চুরি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করেছে। মতির নামে বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, চুরি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির একধিক মামলা রয়েছে । গ্রেফতারকৃত মতিকে মঙ্গলবার সকালে ফকিরহাট থানায় হস্তান্তর করেছে বলে জানায় র‌্যাব

স্ত্রীর মামলায় তালতলী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম কারাগারে

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

স্ত্রীকে নির্যাতন করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়ার অভিযোগের মামলায় বরগুনার তালতলী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ রফিকুল ইসলামকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

গতকাল রবিবার (০৩ এপ্রিল) বিকেলে সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিজ্ঞ বিচারক এমজি আযম এ আদেশ দেন।

বরগুনার তালতলী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হিসেবে দায়িত্বরত রফিকুল ইসলামের বাড়ি ঝিনাইদহ সদরের হলিধানী প্রতাপপুর গ্রামে।২০১৩ সালে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ থানায় উপ-পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত থাকা অবস্থায় তিন লাখ টাকা কাবিনে কালিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব নারায়ণপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের মেয়ে তানিয়া আফরিনকে বিয়ে করেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে,পুলিশ পরিদর্শক মোঃ রফিকুল ইসলাম বিয়ের পূর্বে যৌতুক হিসেবে পাঁচ লাখ ও বিয়ের পর তের লাখ টাকা নেন। এরপরও বিশ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী তানিয়াকে নির্যাতন করেন তিনি। দাবিকৃত টাকা না পেয়ে ২০২০ সালের ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় উত্তরার বাসা থেকে স্ত্রী তানিয়া আফরিনকে মারধর করে তাড়িয়ে দেন স্বামী রফিকুল ইসলামের পরিবারের সদস্যরা। ওই ঘটনার ১৫ দিন পরে বিষয়টি মিমাংসার জন্য (২৫ ডিসেম্বর) পারিবারিক বৈঠক হলে স্ত্রী তানিয়াকে বাড়ীর দোতলায় ডেকে নিয়ে বেদম মারপিট করে চলে যান স্বামী রফিকুল ইসলাম। ওই সময় স্ত্রী তানিয়াকে আহত অবস্থায় স্বজনরা উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি অ্যাড. জহুরুল হায়দার বাবু জানান, ওই ঘটনার পরে ২০২১ সালের ১০ জানুয়ারি স্ত্রী তানিয়া তার স্বামী রফিকুল ইসলাম, শাশুড়ি রাহেলা খাতুন, দেবর সাইফুল ইসলাম ও সাইফুলের স্ত্রী নাহারের নামে সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি পিটিশন মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ বিচারক অভিযোগটি বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে বিচারিক হাকিম ইয়াসমিন নাহার ছয় জনের সাক্ষী গ্রহন করে স্বামী রফিকুলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর প্রাথমিকভাবে সত্যতা পেয়ে তিনি আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিজ্ঞ বিচারক এমজি আযম প্রতিবেদন গ্রহণ করে আসামি রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

গতকাল (রবিবার) তালতলী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল  ইসলাম আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। শুনানির পর বিজ্ঞ বিচারক জামিন আবেদন বাতিল করে আসামিকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালতের পরিদর্শক মাহবুবুর রহমান ডেইলি বরগুনা নিউজকে জানান, জামিন বাতিল হওয়ায় পরিদর্শক রফিকুল ইসলামকে সাতক্ষীরা জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

কুকিং রেসিপি

ট্রাক চলছে রেল লাইনে !!! হ্যাঁ সত্যিই তাই…

ভাঙ্গায় ২ মাদক কারবারি বিপুল পরিমান গাঁজা সহ আটক

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-৮।  তাদের কাছ থেকে ২৮ কেজি গাঁজা, মাদক সরবরাহের কাজে ব্যবহৃত ১টি প্রাইভেটকার, ৪টি সীমকার্ডসহ ৩টি মোবাইল ফোন ও নগদ ৮ হাজার ৪৫০ টাকা জব্দ করা হয়।

শনিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে ফরিদপুর র‌্যাব-৮ এর কোম্পানি কমান্ডার মো. শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আটকরা হলেন, কুষ্টিয়ার মঙ্গলবাড়ী বাজার এলাকার রেজাউল করিমের ছেলে সাজেদুল করিম উজ্জল (৪১) ও একই জেলার ফিলিপনগর এলাকার আছান মালিথার ছেলে আশিকুর রহমান আশিক (২১)।

কমান্ডার শফিকুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার সন্ধ্যায় ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার বগাইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই দুই মাদক বিক্রেতাকে আটক করা হয়।

আটকরা পেশাদার মাদক কারবারি। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ প্রাইভেটকার যোগে ফরিদপুর জেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় মাদকদ্রব্য গাঁজা বিক্রি করে আসছে বলে জানান র‌্যাবের এই কর্মকর্তা।

কলেজ শিক্ষক তার ছাত্রীকে বাসায় ডেকে ধর্ষণ- আটক-২

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

শেরপুরে কলেজছাত্রীকে বাসায় ডেকে এনে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে এক কলেজ শিক্ষক ও বাড়ির মালিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (৩০ মার্চ) রাতে শেরপুর পৌর শহরের গৌরীপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষক জোবায়ের হোসাইন নকলা উপজেলার চৌধুরী ছবরুন্নেছা মহিলা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক এবং বাড়ির মালিক লুৎফর রহমান শেরপুর পৌর শহরের গৌরীপুর এলাকার মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে। এ মামলায় আবু রাহাত নামে আরেক আসামি পলাতক আছেন।

বৃহস্পতিবার শেরপুর সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. বন্দে আলী জানান, ওই কলেজ শিক্ষার্থীকে বুধবার রাতে প্রভাষক জোবায়ের হোসেন ফোন করে শেরপুর শহরে তার ভাড়া বাসায় ডেকে আনেন। এরপর ওই শিক্ষক, ওই বাসার মালিক লুৎফর রহমান ও তার বন্ধু আবু রাহাত তাকে ধর্ষণ করেন। রাতে বাসায় গিয়ে পরিবারের সহযোগিতায় ওই শিক্ষার্থী ৯৯৯ এ ফোন করলে রাতেই জোবায়ের হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার শেরপুর থেকে বাসার মালিক লুৎফর রহমানকেও গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিবার। মামলার আরেক পলাতক আসামি আবু রাহাতকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান মো. বন্দে আলী।