রামপালে সমবায় সমিতির নামে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের মূলহোতা সোহাগ গ্রেফতার- র‌্যাব-৬

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি//

বাগেরহাটের রামপালে একটি সমিতির পরিচালক ও তার কর্মীদের বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ভূক্তভোগীরা সংবাদ সম্মেলন করেন।

বুধবার (৩০ মার্চ) বিকাল সাড়ে ৫ টায় রামপাল সদরে অস্থায়ী প্রেসক্লাবে ভূক্তভোগীরা জানায়, বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার গৌরম্ভা ইউনিয়নের নামজুল হাসান সোহাগ স্বনির্ভর ক্ষুদ্র সমবায় সমিতি লিঃ নামে একটি সমিতি করেন। ওই সমিতির পরিচালক নাজমুল হাসান সোহাগ ও তার কর্মীরা বিভিন্ন ভূক্তভোগীর নিকট হতে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে। পরবর্তীতে ভূক্তভোগীরা টাকা চাইলে মূলহোতা নাজমুল হাসান সোহাগ তাদের ভয়ভীতি প্রদান করতে থাকে। ভূক্তভোগীরা প্রশাসনের বিভিন্ন অফিসের মাধ্যমে টাকা ফেরতসহ দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তি দাবি করেন এবং পরবর্তীতে থানায় মামলা দায়ের করেন।

র‌্যাব-৬  বৃহস্পতিবার (৩১মার্চ) সকালে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, বুধবার (৩০ মার্চ)  আনুমানিক রাত সাড়ে ৮ টার সময় র‌্যাব-৬, সদর কোম্পানীর একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে জানতে পারে  সমিতির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হাসান সোহাগ খুলনার  জিরোপয়েন্ট এলাকায় গোপনে অবস্থান করছে। পরে আভিযানিক দলটি সেখানে অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ নাজমুল হাসান সোহাগ কে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে  রামপাল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানায় র‍্যাব।

কলেজ ছাত্রকে জখম করল ছাত্রদল নেতা, লাইভে ছাত্রলীগ নেতা

//অনলাইন নিউজ ডেস্ক//

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় রাজন মিয়া (২৪) নামে এক কলেজছাত্রকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ উঠেছে। ইতালি থেকে ছাত্রলীগ নেতা লাইভে ছিলেন; এ সময় ওই কলেজছাত্রকে কুপিয়ে জখম করেন তার ছোট ভাই ছাত্রদল নেতা।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টায় মিরপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

আহত কলেজছাত্র হবিগঞ্জ পলিটেকনিক কলেজের শেষ বর্ষের ছাত্র। তিনি পশ্চিম জয়পুর গ্রামের বাসিন্দা।

এ ঘটনায় ঢাকা-সিলেট পুরাতন মহাসড়ক ঘণ্টাব্যাপী অবরোধ করে জড়িত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ করেন তারা।

বুধবার রাজন মিয়ার চতুর্থ সেমিস্টারের ফাইনাল পরীক্ষা। কিন্তু তিনি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি।

আহত রাজন হাসপাতাল থেকে জানান, বাহুবল উপজেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দুলাল ইতালি থেকে লাইভে ছিলেন; আর তার ভাই ছাত্রদলের জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলালসহ ৮-১০ লোক তাকে রড হাতুড়ি দিয়ে পেটাতে থাকে। পরে তারা কুড়াল দিয়া কোপায়। এর আগে সাগর নামে এক যুবক রাজনকে ফোনে ডেকে নিয়ে আসেন।

রাজনের আর্তচিৎকার শোনে কলেজের পাহাড়াদার কুদ্দুছ মিয়াসহ কয়েকজন এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বাহুবল পরে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

অভিযুক্ত ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দুলাল মিয়া ইতালি থেকে যুগান্তরকে বলেন, বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা, আমি বা আমার ভাইয়েরা এ রকম কোনো ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। পারিবারিকভাবে আমিসহ আমার পরিবারকে হেও প্রতিপন্ন করতে একটি পক্ষ আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

খবর পেয়ে বাহুবল মডেল থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।

এদিকে আহত কলেজছাত্রের মা ৯ জনের নাম উল্লেখ করে বাহুবল মডেল থানায় মামলা করেছেন।

বাহুবল মডেল থানার ওসি রাকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি— আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ মাঠে কাজ করছে।

English Dainikbiswa

বিএনপি নেতা শাহজাহান চট্টগ্রাম কারাগারে মারা গেছে

 

এসির কাজ করতে এসে লুটপাট, বাধা দেওয়ায়  গৃহবধূকে খুন

রাজধানীর সবুজবাগে গৃহবধূ তানিয়া আফরোজ হত্যা মামলার প্রধান সন্দেহভাজনসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপ কমিশনার আব্দুল আহাদ এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

গ্রেফতার তিনজনের নাম বাপ্পী (৩১), সুমন হোসেন হৃদয় (২২) ও রুবেল (৪২)।

গত শনিবার সন্ধ্যায় সবুজবাগ থানা এলাকার বেগুনবাড়ি মাস্টার গলির চারতলা ভবনের দোতলার একটি ফ্ল্যাটে তানিয়া আক্তার খুন হন।

পুলিশ জানায়, এসি মেরামতের কাজের কথা বলে মেকানিক বাসায় এসে মা তানিয়া আক্তার মুক্তাকে (২৬) হত্যা করে লুটপাট করে।

মরদেহের পাশে ৪ বছর বয়সী মেয়ে মায়মুনা ও ১০ মাস বয়সী ছেলে তানভীরকে স্কচটেপ দিয়ে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়।

ব্রিফিংয়ে আব্দুল আহাদ জানান, সেদিন এসি মেকানিক বাপ্পী সহযোগী হৃদয়কে নিয়ে ওই বাসায় আসেন। তারা এসে এসি সার্ভিসিং করতে হবে কি না জানতে চাইলে, তানিয়া তার স্বামী ময়নুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলেন।

ময়নুল বাসায় ছিলেন না বলে তাদের পরে আসতে বলেন। তানিয়া পরে আবার স্বামীর সঙ্গে কথা বলে এসি মেকানিকদের কাজ করার জন্য দরজা খুলে দেন।

পরে বাপ্পী, হৃদয় ও রুবেল বাসায় প্রবেশ করেন। তারা এসির কাজ শুরু করলে, তানিয়া বাসার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।

এক পর্যায়ে তানিয়া খেয়াল করেন, তারা বাসার আলমারি খুলে জিনিসপত্র ওলটপালট করছে। এ সময় তিনি চিৎকার করলে রুবেল প্রথমে তাকে বালিশচাপা দেন এবং বাপ্পী চাপাতি বের করে তার মাথায় ও পিঠে ৩টি কোপ দেন।

পরে তারা ২ শিশুকে বেঁধে রেখে লুটপাট করে।

পুলিশ লুটপাট করা মালামাল ও ঘটনায় ব্যবহৃত আলামত উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানান ডিসি আব্দুল আহাদ।

//অনলাইন নিউজ ডেস্ক//

English Dainikbiswa

টিপুকে গুলি করা শুটারকে ডিবি কিভাবে ধরল- আদ্যোপান্ত

চট্টগ্রামে সরকারী প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ তিন জনের কারাদন্ড

নিজের স্ত্রীকে মেরে দায় এড়াতে ঘরে আগুন// ধরা পরে র‌্যাবের হাতে

//নিউজ ডেস্ক//

শুধ ভালবাসায় হয়না মনুষ্যদ্বও থাকা লাগে সংসার করতে । ভালবাসার টানে ইয়াসমিন প্রথম স্বামীকে ছেড়ে হাত ধরেন দ্বিতীয় স্বামীর। ইয়াসমিনের দ্বিতীয় স্বামী রেজাউল চাকরি করতেন চাঁদপুরে একটি এনজিও সংস্থায়। ক্ষুদ্র ঋণ আনার সুবাদে পরিচয় রেজাউলের সাথে।

ক্ষুদ্র ঋণের জন্য প্রতিদিনের আসা-যাওয়ায় প্রেম হয়ে যায় দুজনের। একটা সময় এই প্রেমের টানে প্রথম স্বামী আনোয়ার হোসেনকে তালাক দেন ইয়াসমিন। রেজাউলের হাত ধরে চলে যান কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ডেউয়াতলীতে। কিন্তু এই যাওয়া সুখ বয়ে আনেনি ইয়াসমিনের কপালে।

রেজাউলের বাবা-মা তাদের বিয়েতে রাজী না থাকায় শুরু হয় অশান্তির। তারপর থেকে স্বামী-স্ত্রী দুজনের মধ্যে প্রতিদিন চলে বাগবিতণ্ডা। ১১মার্চ সন্ধ্যায় ইয়াসমিন-রেজাউলের কথা কাটা-কাটি হলে একটা সময় ঘর থেকে বেড়িয়ে যান রেজাউল। ফিরে আসেন মধ্য রাতে।

ফিরে এসে আবার শুরু হয় দুজনের মধ্যে ঝগড়া। ঝগড়ার এক পর্যায়ে ইয়াসমিনের গলা চেপে ধরে রেজাউল। এতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে ইয়াসমিন। রেজাউল ইয়াসমিনের গায়ে হাত দিয়ে দেখেন তার শরীর ঠান্ডা হয়ে আছে।

নিজের এই হত্যাকাণ্ড ঢাকতে সারা রাত বসে ভাবতে থাকেন রেজাউল। ভোর রাতে ফজর নামাজের আজান হলে ইয়াসমিনের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে মসজিদে চলে যান রেজাউল।

নামাজ শেষে স্থানীয় মানুষের মুখে আগুনের কোন শব্দ না পেয়ে চলে যান কবর জিয়ারতে। শেষে সেখান থেকে আগুনের চিৎকার শুনে বাড়িতে এসে করেন অজ্ঞানের ভাব।

এরপর ঘটনাটি স্থানীয় গণমাধ্যমে   ঘরে আগুন লেগে নববধূ নিহত’ হয়েছে বলে প্রচার পায়। ১২ মার্চ এই ঘটনায় বরুড়া থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেন ইয়াসমিনের ভাই রাকিব হোসেন।

পরে ঘটনার তদন্তে নামে র‌্যাব-১১ । ২৮ মার্চ কুমিল্লার ইপিজেড এলাকা থেকে রেজাউল র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হলে মূল ঘটনাটি বেরিয়ে আসে।

মঙ্গলবার সকালে র‌্যাব-১১ সিপিসি-২ এর মেজর সাকিব বিষয়টি গণমাধ্যম কর্মীদের নিশ্চিত করেছেন।

English Dainikbiswa

ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের উদ‍্যোগে বঙ্গন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও শিশু দিবস পালিত

 মুখে দাড়ি-মাথায় টুপি না থাকলে চাকরী থকবেনা

নেত্রকোনায় শিক্ষার্থীকে বলাৎকার করল ইমাম

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় এক শিক্ষার্থীকে বলৎকারের অভিযোগে মসজিদের ইমামের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন শিশুর বাবা।

রোববার রাতে কেন্দুয়া থানায় পাইকুড়া ইউনিয়নের বাড়লা বড় মসজিদের ইমাম তাজুল ইসলামকে একমাত্র আসামি মামলা করা হয়। এর আগে এলাকাবাসী অভিযুক্ত মসজিদের ইমামকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী মো. শাহনেওয়াজ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেপ্তার ইমামকে সোমবার সকালে আদালতে পাঠানো হবে। গ্রেপ্তারকৃত ইমামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ সদর থানার সফিলা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মিলন মিয়ার ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত পাঁচ থেকে ছয় মাস ধরে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার পাইকুড়া ইউনিয়নের বাড়লা বড় মসজিদে ইমামতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন তাজুল ইসলাম। পাশাপাশি একই এলাকার আয়শা সিদ্দিক মহিলা মাদ্রাসায় সকালে বাচ্চাদের মক্তবে পড়াতেন। কেনু মিয়ার বাড়িতে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন তিনি। প্রতিদিনের মত রোববার সকালেও এলাকার ছোট ছোট বাচ্চারা ওই মাদ্রাসার মক্তবে পড়তে যায়। সকালের মক্তব পড়ার শেষে সব বাচ্চাদের ছুটি দিয়ে দিলেও দুই ছাত্রকে ইমাম তাজুল ইসলাম বলেন, পাশের বাড়ি থেকে সকালের খাবার এনে দিতে। হুজুরের কথা মত দুই শিশু পাশের এক বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে কেনু মিয়ার বাড়িতে আসার পর ঘরের দরজা বন্ধ করে দেন ইমাম তাজুল। পরে খাওয়া শেষে দুই শিশুকে তার হাত-পা, টিঁপে দিতে বলেন ইমাম। কিছু সময় পর একটি শিশুকে চলে যেতে বলে অপর শিশুকে ঘরে রেখে বলাৎকার করেন তাজুল ইসলাম।

এরপর বাড়ি গিয়ে শিশুটি তার পরিবারকে ঘটনা জানালে ভিকটিমের পরিবার এলাকাবাসীকে জানায়। এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে বিকালে ওই মসজিদের ইমামকে আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে আটক ইমামকে থানায় নিয়ে যায়।

//অনলাইন নিউজ ডেস্ক//

English Dainikbiswa

রাশিয়া সমর্থিত ইউক্রেনের বিদ্রোহী অঞ্চল রাশিয়ায় যোগ দিতে পারে

 

ইউক্রেন থেকে ২৫০কোটি টাকা নিয়ে পালাল রাজনীতিবিদের স্ত্রী, অতঃপর….

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে লক্ষ লক্ষ মানুষ ইউক্রেন ছেড়েছে। অনেকে আবার ফায়দাও নিচ্ছে। শরণার্থী সীমান্ত অতিক্রম করে ইউরোপীয় ইউনিয়নে প্রবেশ করার সময় ২৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার নিয়ে ধরা পরলেন ইউক্রেনের বিতর্কিত রাজনীতিবিদ ইগর কোটভিটস্কির স্ত্রী আনাস্তাসিয়া কোটভিটস্কা। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ অন্তত ২৫০ কোটি টাকা।

সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

আনাস্তাসিয়া ইউক্রেনের বিশিষ্ট বিত্তশালী ও সাবেক বিতর্কিত সাংসদ ইগর কোটভিটস্কির স্ত্রী। ডলার ও ইউরো মিলিয়ে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ইউক্রেন থেকে পাচার করা হয়েছে বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।

আনাস্তাসিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ইউক্রেনের ভিলক চেকপয়েন্ট দিয়ে দেশ ছাড়ার সময় বিপুল পরিমাণ অর্থের কথা জানাননি তিনি। কিন্তু হাঙ্গেরিতে পৌঁছে অর্থ নিয়ে আসার কথা জানান তিনি।

ইউক্রেন থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচারের সময় হাঙ্গেরির আবগারি দপ্তরের নজরে পড়ে বলেও জানা গেছে। বিপুল পরিমাণ অর্থসহ একটি সন্দেহভাজন লাগেজের ছবি ইতোমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে।

এ ঘটনায় ইতোমধ্যেই ভিলক চেকপয়েন্টের সীমন্তরক্ষীদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। কারণ অর্থ পাচার করার বিষয়ে তারা অবগত ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশ থেকে অর্থ পাচারের চেষ্টা করায় আনাস্তাসিয়ার বিরুদ্ধে একটি ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে কিয়েভের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

ইগর অবশ্য জানিয়েছেন, তার স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন এবং সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য দেশ ছাড়ছেন। তবে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে যাওয়ার কথা অস্বীকার করেন।

নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার আগে ইগর বলেন, ‘‘আমার সমস্ত টাকা ইউক্রেনের ব্যাঙ্কে আছে। আমি কিছুই বের করিনি।’’

ইগরের প্রথম পক্ষের মেয়েও টাকা পাচারের অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে এই অভিযোগ নিয়ে বিশেষ কোনো মন্তব্য করেননি তিনি। এদিন নিজের মা এবং হাঙ্গেরির অন্য দুই পুরুষের সঙ্গে তিনিও ভ্রমণ করেছিলেন বলে জানা গেছে।

ইগর ইউক্রেনের পারমাণু শক্তি দ্বারা চালিত ব্যবস্থাগুলো নিয়ন্ত্রণ করেন। এছাড়াও ইউক্রেনের ইউরেনিয়ামের মজুত করার বিভিন্ন বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করেন তিনি। বর্তমানে এই মজুতের বেশ খানিকটা দখল করেছে রাশিয়া। ইউক্রেনের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আর্সেন অ্যাভাকভের সঙ্গেও তার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে।

English Dainikbiswa

নিজের মেয়েকে হত্যা চেষ্টা…! বরিশালের এই দুর্ঘটনার কারণ অবৈধ সম্পর্ক

লিটন কি হাফেজ নাকি ডাকাত সর্দার

লিটন কি হাফেজ নাকি ডাকাত সর্দার

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

গোপালগঞ্জ সদরের উলপুর উত্তরপাড়ার হাফেজিয়া শামসুল উলুম মাদ্রাসায় লেখাপড়া করে হয়েছেন হাফেজ। কেউ ডাকেন লোকমান হাকিম, কেউ বলেন লিটন শেখ। এরপর গোপালগঞ্জ ও নড়াইলের দুটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতাও করেন ৪৪ বছর বয়সী লিটন। সমাজে তিনি সম্মানীয় ব্যক্তি। তবে পুলিশের অভিধানে তিনি আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ‘বস’।

শিক্ষকতা পেশা ছেড়ে কীভাবে ভয়ংকর ডাকাত হয়ে উঠলেন লিটন শেখ? ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) হাতে দলবলসহ গ্রেপ্তারের পর সেই তথ্য জানিয়েছেন তিনি। বলেছেন, অসৎ সঙ্গে হয়েছে তার সর্বনাশ। মাদ্রাসায় ছাত্র থাকা অবস্থায় এক বন্ধুর প্রেমিকাকে কয়েকজন মিলে তুলে এনেছিলেন। সেই ঘটনায় বন্ধুর প্রেমিকার বাবা তাদের নামে ডাকাতির মামলা ঠুকে দিয়েছিলেন। গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে গিয়ে পরিচয় হয় ডাকাত দলের সঙ্গে। ধীরে ধীরে ডাকাতিই হয়ে যায় তার পেশা।

ডিবি জানায়, ৫ মার্চ রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বছিলা রোডের স্বপ্নধারা হাউজিং এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল লিটন শেখের দল। গোয়েন্দা তথ্য নিশ্চিত হয়ে ওই রাতেই সেখানে অভিযান চালিয়ে লিটন শেখ ছাড়াও দলের সদস্য ইব্রাহীম চৌধুরী, রিপন খান ও মাহবুব মিয়া ওরফে মাবুদ মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বেরিয়ে আসে ডাকাতির চাঞ্চল্যকর তথ্য। তাদের কাছ থেকে পাওয়া পরিচয় ও তথ্যে কিছুটা বিব্রত হন গোয়েন্দা কর্মকর্তারাও।

ওই অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া ডিবির তেজগাঁও জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপকমিশনার শাহাদত হোসেন সুমা বলেন, লিটন শেখের গ্রুপটি রাজধানী ঢাকাসহ কেরানীগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, রাজবাড়ী ও ফরিদপুরের বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতি করে বলে তাদের কাছে তথ্য ছিল। পুলিশ লিটনকে ডাকাত সর্দার হিসেবেই জানত। সেই লিটন শেখকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তার পড়ালেখা ও মাদ্রাসায় শিক্ষকতার বিষয়ে জেনে গোয়েন্দাদের চোখও কপালে ওঠে।

ডিবির এই কর্মকর্তা জানান, লিটন শেখের দলটি বাসাবাড়ি, অফিস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও ডিবি পুলিশের ছদ্মবেশে বিভিন্ন জেলা সড়কে স্বল্প সময়ে কথিত চেকপোস্ট বসিয়ে ডাকাতি করত। একটি ব্যাংক ও মন্দিরে ডাকাতির অপচেষ্টা করছিল ডাকাত দলটি- এমন তথ্যেই গ্রুপটিকে খুঁজছিলেন গোয়েন্দারা।

জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডিবির আরেক কর্মকর্তা জানান, লিটন শেখের গ্রুপটি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় কৃষি ব্যাংকে ডাকাতির চূড়ান্ত পরিকল্পনা করেছিল। রেকিও করেছিল ব্যাংকটির শাখা অফিসে। এ ছাড়া মুকসুদপুরের একটি মন্দিরে ডাকাতির পরিকল্পনা ছিল তাদের।

লিটন শেখের ভাষ্য, মা-বাবার ইচ্ছা অনুযায়ী তিনি হাফেজ হয়েছেন। পরে তিনি বিয়েও করেন। সন্তান প্রসবের সময় মারা যান স্ত্রী। তখন তিনি মাদ্রাসায় শিক্ষকতাও করেন। একপর্যায়ে তার মাথায় সমস্যা দেখা দেয়। চাকরি চলে গেলেও তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠেন। পরে তিনি ভ্যান চালাতে শুরু করেন। হঠাৎ কারাগারে পরিচয় হওয়া ডাকাত দলটির সঙ্গে তার দেখা হয়ে যায়। তার ভ্যানে করেই চলত ডাকাতির কাজ। এতে ভাড়ার চেয়ে অনেক বেশি টাকা পাওয়া শুরু করেন। ধীরে ধীরে লোভে পড়ে নিজেই ডাকাতিতে অংশ নেন। একপর্যায়ে তিনি সর্দার বনে যান।

লিটনের দাবি, এখন আর তিনি ডাকাতি করেন না। ইব্রাহীমসহ অন্য সাগরেদরা ‘কাজ করে’ তাকে একটা ভাগ দেয়। তবে তিনি তাদের নানা কৌশল শেখান।

গ্রেপ্তার হওয়া ইব্রাহীম চৌধুরী জানান, ২০১৮ সালে বাস থেকে ব্যাটারি চুরির দায়ে কারাগারে যান। ফরিদপুরের জেলা কারাগারে দেখা পান লিটন শেখের। এরপর তার শরণাপন্ন হন। কারাগার থেকে বেরিয়ে লিটনের দলের হয়েই শুরু করেন ডাকাতি।

ডিবির তেজগাঁও জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপকমিশনার শাহাদত হোসেন সুমা জানান, গ্রেপ্তার চারজন এর আগেও চুরি-ডাকাতি করে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছিলেন। জামিনে বেরিয়ে ফের একই অপরাধে যুক্ত হন। ডাকাত দলটির সর্দার লিটনের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় পাঁচটি, ইব্রাহীম চৌধুরীর নামে পাঁচটি, রিপন খানের নামে তিনটি ও মাবুদ মিয়ার নামে দুটি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

নিজের মেয়েকে হত্যা চেষ্টা…! বরিশালের এই দুর্ঘটনার কারণ অবৈধ সম্পর্ক

মহান স্বাধীনতা দিবস।। জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

নিজের মেয়েকে হত্যা চেষ্টা…! বরিশালের এই দুর্ঘটনার কারণ অবৈধ সম্পর্ক

//বরিশাল প্রতিবেদক//

অবৈধ সম্পর্কের জেরে বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলায় মা সীমা বেগমের (৩০) বিরুদ্ধে আট বছর বয়সী মেয়েকে গলাকেটে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার দড়িচর-খাজুরিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটে।

নুসরাত মারিয়া (৮) নামে ওই শিশুটি মেহেন্দীগঞ্জের দড়িচর-খাজুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। তার বাবা ইউসুফ কাজী ঢাকায় একটা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন।

স্থানীয়রা জানান, ইউসুফ কাজীর দুই সন্তানের মধ্যে নুসরাত বড় এবং ছোট মেয়ের বয়স তিন বছর। মা সীমা বেগম দুই মেয়ে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে থাকেন। শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে নুসরাতকে নিজ ঘরে ঘুম পাড়িয়ে চাপাতি দিয়ে গলাকেটে হত্যার চেষ্টা চালায় মা সীমা বেগম। এসময় নুসরাত চিৎকার করলে প্রতিবেশী চাচাত ভাই ইয়াসিনসহ অন্যরা ছুটে আসেন। পরে নুসরাতকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে সন্ধ্যায় বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

শিশু নুসরাতের ফুফু রুমানা বেগম অভিযোগ করে বলেন, ‘নুসরাতের বাবা ইউসুফ কাজীর ফুফাত ভাই আবদুস সালামের সঙ্গে তিন বছর আগে অবৈধ সম্পর্ক হয় নুসরাতের মা সীমা বেগমের। পরে বছর খানেক আগে সালামের সঙ্গে পালিয়ে যায় সীমা বেগম। এরপর স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যন- মেম্বারদের হস্থক্ষেপে পুনরায় ইউসুফ কাজীর সংসারে ফিরে আসেন সীমা বেগম। কিন্তু এরপরেও এই সম্পর্ক অব্যাহত ছিল। মেয়ের বাধার কারণে সীমা বেগম বড় মেয়েকে হত্যার চেষ্টা করে।’ ঘটনার পর সীমা বেগম গা ঢাকা দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

শেবাচিম হাসপাতালের শিশু সার্জারি বিভাগের  প্রধান ডা. তৌহিদুল ইসলাম শুক্রবার রাতে সমকালকে জানান, নুসরাতের প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। সার্জারি করে রক্তক্ষরণ বন্ধ করা হয়েছে। তবে সে এখনও শঙ্কামুক্ত নয়। নুসরাতের ঘাড় ও গালায় ১৬টি সেলাই দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মেহেন্দীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ  (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি  আমরা জেনেছি। নুসরাতের বাবা ইউসুফের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি ঢাকা থেকে বরিশাল আসছেন। তিনি কোনো অভিযোগ করলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

মহান স্বাধীনতা দিবস।। জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আরও এক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ময়মনসিংহে

চাঁদপুরের হাইমচরে ৪০০ কেজি জাটকা ও পিকআপ ভ্যানসহ আটক ২

//মোঃ হোসেন গাজী, চাঁদপুর//

হাইমচরে জাটকা ভর্তি একটি পিকাপসহ ২ জনকে আটক করেছে হাইমচর থানা পুলিশ।

২৫ মার্চ রাত ১ টার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাইমচর থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লার নির্দেশে এসআই পলাশ সঙ্গীয় ফোর্স সহ অভিযান চালিয়ে জাটকা ভর্তি পিকাপসহ ২জনকে আটক করেন।

আসামীরা হলেন, আনোয়ার মাঝি (৪২), মোঃ জসিম প্রধানীয়া (৩২)।

আটককৃতদের কাছ থেকে জাটকা বহনে ব্যবহৃত ০১ টি পিকআপ ভ্যান এবং  ১৫ টি প্লাস্টিকের ড্রামে ৪০০ কেজি জাটকা ইলিশ মাছ সহ জব্দ  করেন।

উক্ত ঘটনায় আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করতঃ আসামীদের বিজ্ঞ আদালতে  সোপর্দ করা হয়েছে।

হাইমচর থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ  মাহবুবুর রহমান মোল্লা জানান, ২৫ মার্চ রাত্রিকালে হাইমচর থানায় চলমান জাটকা ইলিশ মাছ সংরক্ষণ অভিযানে চেকপোস্ট ডিউটি করাকালে হাইমচর থানা পুলিশ জাটকা বহনকারি একটি পিকাপসহ ২জনকে আটক করেছে।

আটককৃদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। জব্দকৃত মাছ উর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে।

চট্টগ্রামে পাহাড় কাটার দায়ে মামলা

//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম//

চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ লিংক রোডে পাহাড় কাটার অভিযোগে মো. ইয়াকুব নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার (২৪ মার্চ) সন্ধ্যায় পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম মহানগর কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. সাখাওয়াত হোসাইন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। পরিবেশ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মিয়া মাহমুদুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, মামলায় অবৈধভাবে পাহাড়, টিলা কর্তন করায় পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০) এর ৬(খ) ধারায় অভিযোগ করা হয়।

গত ১৪ মার্চ পাহাড় কেটে প্রাচীর নির্মাণ করায় এক গার্মেন্টস ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধেও মামলা করেন তারা।

জানা যায়, শুষ্ক মৌসুমের সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে বায়েজিদ-ফৌজদারহাট লিংক রোড সংলগ্ন অসংখ্য পাহাড়কে ন্যাড়া করে দখলের প্রতিযোগিতায় নেমেছে প্রভাবশালী ও ভূমিদস্যুরা। ইতোমধ্যে সড়কটির আশপাশের অনেক পাহাড় কেটে আরসিসি পিলার দিয়ে সীমানা প্রাচীর দেওয়া হচ্ছে। আবার টিনের ঘেরাও দিয়ে কৌশলে সবুজ পাহাড় কাটা হচ্ছে। কোথাও বৃক্ষরোপণ অভিযানে, বৃক্ষপ্রকল্প সাইনবোর্ড ঝুলিয়েও পাহাড় কাটা ও দখলের প্রতিযোগিতা শুরু করেছে প্রভাবশালীরা।

গণমাধ্যমে প্রচারিত নানান প্রতিবেদনের সূত্র ধরে গত ২১ মার্চ বায়েজিদ-ফৌজদার হাট লিংক রোডে অভিযান চালায় পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম মহানগর কার্যালয়ের একটি টিম। সে সময় পাহাড় কাটার অভিযোগে মো. এয়াকুবকে শুনানির নোটিশ দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার সকালে শুনানিতে দেখা যায়, জায়গাটি টিলা শ্রেণিভুক্ত। এরপর মো. এয়াকুবের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন অধিদপ্তরের পরিচালক হিল্লোল বিশ্বাস।

পরে সন্ধ্যায় আকবর শাহ থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেন কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. সাখাওয়াত হোসাইন। পরিবেশ অধিদপ্তরের লিখিত এজাহারটি থানায় মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

চট্টগ্রামের মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে কর্মসংস্ত্রান হবে ৪ লক্ষ মানুষের