অভয়নগরে গলাকাটা অজ্ঞাত যুবকের লাশের পরিচয় মিলেছে, হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত দুইজন আটক

মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍ঃ

যশোরের অভয়নগরে ভৈরব নদীর তীরে সরিষা ক্ষেতের পাশে বালির ড্যাম্প থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহের পরিচয় মিলেছে। নিহত ওই যুবকের নাম ফরিদ গাজী। উপজেলা ইউনিয়ন পরিষদ এলাকার গুয়াখোলা গ্ৰামের শাহী বস্তির বাসিন্দা আফিল উদ্দিন গাজীর ছেলে সে। সোমবার (১৬ জানুয়ারি)সকাল ১১ টার দিকে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এ সময়ে তাদের কাছ থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত বার্মিজ চাকু উদ্ধার করেছে।

গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা হল, নড়াইল সদর থানার যদুনাথ পুর গ্রামের সাখাওয়াত মোল্যার ছেলে শান্ত ও একই গ্রামের ছবুর মোল্যার ছেলে সাকিব মোল্যা।আসামি আটকের ব্যাপারে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, নিহত যুবকের নামে ধর্ষণ মামলা রয়েছে। কারাগারে থাকা কালীন উল্লেখিত  দু’ আসামির সাথে নিহত ফরিদ গাজাীর পরিচয় হয়। সেই পরিচয়ে তারা তিনজন একটি রুম ভাড়া নিয়ে নওয়াপাড়া বেঙ্গল মিল এলাকায় বসবাস করত। তারা জাহাজের স্কটসহ বিভিন্ন কাজ করত। মাঝেমধ্যে তারা চুরিও করত। গ্রেপ্তার হওয়া ওই দু’যুবকের কাছ থেকে জানা গেছে, নিহত ফরিদ গাজী তাদের কিছু টাকাও আত্মসাৎ করেছে।ঘটনার দিন সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার হওয়া ওই দু’জন স্যালো মেশিন চুরির কথা বলে ফরিদকে ভৈরব ব্রীজের কাছে ডেকে নেয়। এরপর তাকে জবাই ও গলায় ছুরি ঢুকিয়ে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে যায়।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে ডিবি ও থানা পুলিশ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে আসামীদের আটক করে। নিহতের বোন আসমা বলেন, তার ভাই জাহাজে কাজ করত, কখনো অন্য কাজও করত। ফরিদ নওয়াপাড়া বেঙ্গল টেক্সটাইল মিলের পাশে ভাড়া বাড়িতে বসবাস করত। ওই বাসায় তার আরও দুই বন্ধু ভাড়া থাকত, টাকা নিয়ে ওদের মধ্যে বিবাদ ছিলো। এ কারনে তার ভাইকে পরিকল্পিত ভাবে গলা কেটে হত্যা করেছে ওই দু’জন।উল্লেখ্য, রবিবার দুপুর ২ টায় স্থানীয় লোকজন ভৈরবব্রীজের পাশে দক্ষিণ দেয়াপাড়া গ্রামে মাটি কাটা শ্রমিকেরা বালির ডিপোর ওপর থেকে ফরিদের গলাকাটা লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ খবর পেয়ে বিকাল ৪ টার সময় লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। রাতে লাশের আঙ্গুলের ছাপ শনাক্তকরণ করার চেষ্টা করে। এতে ব্যর্থ হয়ে লাশের পকেটে একটি চিরকুটে পাওয়া মোবাইল নং ধরে লাশের পরিচয় শনাক্ত এবং আসামি গ্রেপ্তার হয়।

নড়াইলে ৩ সাংবাদিকের উপর হামলা ও মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ

//সুজন মাহমুদ//

নড়াইলে ৩ সাংবাদিককে হামলা ও মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলার ঘটনায় গ্রেফতারের প্রতিবাদে ক্ষোভে ফেঁটে পড়েছে বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন ও সাংবাদিক সমাজ। নড়াইলে তথ্য সংগ্রহের সময় চাঁদাবাজির অভিযোগে মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলা করে মারধর এবং সাঁজানো মামলা দায়ের করে গ্রেফতার দেখিয়ে জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের তিন সাংবাদিককে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানোর ঘটনায় তীব্র নিন্দা-প্রতিবাদ ও সারাদেশে বিভিন্ন কঠিন কর্মসূচি ডাক দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে বৃহৎ সাংবাদিক সংগঠন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি (বিএমএসএস) সহ সারাদেশের সাংবাদিক সমাজ।

১৫ জানুয়ারী রবিবার মিথ্যা মামলার শিকার সংগঠনের কেন্দ্রীয় গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সহ নড়াইলের স্থানীয় ৩ সাংবাদিককে আদালতের মাধ্যমে জামিন করিয়ে জেল থেকে ফুলেল শুভেচ্ছায় মুক্ত করার পর সাংবাদিক সমাজ এবং নড়াইল জেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ ও অন্ধ দাবী করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সন্ধায় সংগঠনের অফিসিয়াল ফেসবুক আইডিতে এক লাইভে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন কর্মসূচি ডাক দেয়ার ঘোষণা দেন।

সেই সাথে বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন এবং সারাদেশের সাংবাদিক সমাজ ক্ষোভে পেশাদারিত্বের বিরুদ্ধে উক্ত ঘৃনিত ন্যাক্যারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দাও প্রতিবাদ জানিয়ে বিএমএসএস’র সকল কর্মসূচির সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে অংশগ্রহন করতে সহমত প্রকাশ করেছে।

নড়াইলে সাংবাদিক রফিকুল ইসলামের বাড়িতে বিএমএসএস’র প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান খন্দকার আছিফুর রহমান, মহাসচিব মো: সুমন সরদার, কেন্দ্রীয় নেতা সাথী তালুকদার, রহিমা খানম সুমিসহ প্রমূখ নেতৃবৃন্দ লাইভে উপস্থিত ছিলেন।

এসময় সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহ করা কালীন মিথ্যা চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে হামলা-মারধর, মামলা ও গ্রেফতারের বিরুদ্ধে কয়েকটি ভিডিও উপস্থাপন করে প্রতিবাদ জানানো হয়।

এছাড়া নড়াইল জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সদর থানার ওসিসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে মামলা প্রত্যাহার ও কথিত খোকন হুজুর নামক ভন্ড হুজুর আব্দুর রউফ, তার ছেলে সাজেদুল এবং ভাতিজা সন্ত্রাসী-নাশকতা মামলার আসামী বিএনপির ক্যাডার ইমরান শিকদারকে গ্রেফতার এবং ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে অবৈধ গ্রামডাক্তারি ও ঝাঁড়-ফুকের প্রতিষ্ঠান সীলগালা করার দাবী জানানো হয়। অন্যথায় নড়াইলে হাজার হাজার সাংবাদিকদের উপস্থিতি ঘটানো ও কঠোর কর্মসূচির ডাক দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়।

সম্পূর্ণ তদন্ত ছাড়াই তিনজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা নিয়ে জেলহাজতে পাঠানোর ঘটনায় হতাশা প্রকাশ করেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ। উক্ত মিথ্যা ঘটনার বিরুদ্ধে বহু ভিডিওসহ প্রমান থাকার কথাও বলা হয়।

উল্লেখ্য, নড়াইল সদর থানা পুলিশ গত শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) বিকালে মো. আব্দুর রউফ শিকদার ওরফে খোকন হুজুরের মামলার ভিত্তিতে সাংবাদিকদের গ্রেফতার দেখিয়ে জেলহাজতে প্রেরণ করে। ১৫ জানুয়ারী রবিবার মাননীয় আদালত বিচার বিশ্লেষণ করে সকল ভিডিও দেখে তিন সাংবাদিককে জামিন প্রদান করেন।

ষড়যন্ত্রের শিকার সাংবাদিকরা হলেন- চিত্রাবানী২৪ অনলাইনের জেলা প্রতিনিধি মনির খান (৫৩), আমার সংবাদ পত্রিকার লোহাগড়া উপজেলা প্রতিনিধি রইস উদ্দিন টিপু (৫৫) এবং আজকের আলোকিত সকাল পত্রিকার সাংবাদিক মো: রফিকুল ইসলাম (৩৮)।

ঘটনার বিবরণ, পুলিশ সুত্রে জানা যায়, নড়াইল সদরের আগদিয়া গ্রামের মো. আব্দুর রউফ শিকদার ওরফে কথিত খোকন হুজুর নামে ব্যক্তি নিজের অর্জিত জ্ঞান দ্বারা বিভিন্ন রোগীর তদবির দিতেন। সমস্যাগ্রস্ত শত শত রোগী তার কাছে রোগ মুক্তির আসায় প্রতিনিয়ত আসেন। সাংবাদিক রফিকুল রোগী সেজে গত সপ্তাহে ওই হুজুরের কাছে সেবা নিতে আসেন। কিন্তু মনপুত সেবা না পাওয়ায় পরে আসবেন মর্মে হুজুরের বাড়ি ত্যাগ করেন। শুক্রবার দুপুরে রফিকুল তার আরো দুই সহযোগী সাংবাদিক নিয়ে হুজুরের বাড়িতে যান। তারা নিউজের প্রয়োজনে তথ্য সংগ্রহে ভিডিও ধারনের সময় হুজুরের স্বেচ্ছাসেবক সাংবাদিকদের হুজুরের রুমে নিয়ে যায়। সেখানে সাংবাদিকরা রোগীদের এভাবে তদবির দেওয়ার বৈধতার ব্যাপারে বক্তব্য, সরকারী অনুমোদন ও একাডেমিক যোগ্যতা সম্পর্কে জানতে চান। হুজুর তার সেবা দানের বৈধতার স্বপক্ষে নিজেকে পল্লী চিকিৎসক, ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক সনদ, ট্রেড লাইসেন্স, ড্রাগ লাইসেন্সের সনদ প্রদর্শন করেন। এক পর্যায়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে খোকন হুজুরের অনুসারী নামধারী ও তার ছেল সাজেদুল এসে বাকবিতন্ডায় শুরু করেন এবং চাঁদা নিতে এসেছেন বলে অভিযোগ এনে সংঘবদ্ধ হয়ে তাদের মারধর করে আটকে রাখেন। আটকের পর পুলিশে খবর দিলে সদর থানা পুলিশ তাদের হেফাজতে নেন।

সাংবাদিকদের হাতে থাকা ভিডিওটিতে দেখা যায়, স্থানীয় তিন সাংবাদিকদের ওপর হুজুর ও তার অনুসারীরা চড়াও হচ্ছে। বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে খোকন হুজুর নিজের মুখে বলেন, তারা যোগ্যতা যাচাইয়ের কথা বলেছেন তবে কোন টাকা বা চাঁদা চাননি। অথচ দায়েরকৃত মিথ্যা মামলায় খোকন হুজুর বলছেন, সাংবাদিক পরিচয়ে তিনজন  আমার বাড়িতে এসে আমার কাছে এক লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে ও আমাকে প্রাননাশের হুমকি দেয়। স্থানীয় জনগন তাদের কিছুটা মারধর করে আটকে রাখে।

সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা যায় খোকন হুজুর থানায় মামলা দায়েরের আগে ও পরে ভিন্ন বক্তব্যের আসল ঘটনা।

স্থানীয় এলাকাবাসীর দাবী, তারা জুমার নামাজের আগে মাইকে শোনেন খোকন হুজুরের বাড়িতে সাংবাদিকরা হামলা করেছে-ডাকাত পড়েছে। সেই খবর শুনে এলাকাবাসী জড়ো হন। আর এই ঘটনার জন্ম দেয় খোকন হুজুরের ডান হাত তার ভাইয়ের ছেলে বহু অপকর্মের হোতা, নাশকতা মামলার আসামী, বিএনপির ক্যাডার মাদকসেবী ও ব্যবসায়ী ইমরান শিকদার। সে মাদ্রাসার মাইকে ঘোষণা দিয়েই এই মিথ্যা সাজানো চাঁদাবাজির ঘটনা সাজিয়েছে। যার কোনো প্রমান নেই। সত্য ঘটনার বহু ভিডিও প্রমান সাংবাদিকদের কাছে রয়েছে। এমনকি ঘটনাস্থলের চারিদেকে সিসিটিভি ফুটেজ দেখলেও প্রমাণ পাওয়া যাবে যে ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও সাঁজানো।

 

গলাকাটা লাশমিলল অভয়নগরের ভৈরব নদীর তীরে

মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍ঃ

যশোরের অভয়নগরে ভৈরব নদীর তীরে মিলল অজ্ঞাতনামা (৩৫) এক যুবকের গলাকাটা লাশ । এলাকাবাসী লাশটিকে শনাক্ত করতে পারেননি। রোববার (১৫জানুয়ারি) বিকালে ভৈরব নদীর সেতু সংলগ্নে দক্ষিণ দেয়াপাড়া এলাকায় লাশটিকে দেখতে পাওয়া যায়। লাশটি গলাকাটা অবস্থায় পড়ে রয়েছে । দেয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ইউপি মেম্বর মোঃ আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, এলাকাবাসী রোববার বিকালে ভৈরব নদীর তীরে সরিষা ক্ষেতে লাশটিকে দেখতে পেয়ে আমাকে খবর দেয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ দেখে শ্রীধরপুর ক্যাম্প পুলিশকে বিষয়টি জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। ্এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শত শত মানুষ লাশটিকে দেখতে নদীর তীরে ভীড় জমায়। তবে এখনও পর্যন্ত লাশটিকে কেউ শনাক্ত করতে পারেননি । অভয়নগর থানার ওসি একেএম শামীম হাসান জানান, গলাকাটা লাশের খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। কেবা কারা তাকে হত্যা করেছে তা জানা যায়নি। তাছাড়া এখনো পর্যন্ত লাশের পরিচয় মিলেনি। পরবর্তীতে এই অজ্ঞাত নামা লাশের পরিচয় মিললে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বরগুনার আমতলীতে হত্যা করে মোটরসাইকেল ছিনতাই

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলী পৌর শহরের ছুরিকাটা গ্রামের ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল চালক মোঃ বেল্লাল গাজী (৩৫) নামে এক যুবকের মরদেহ বুধবার সকালে কলাপাড়া উপজেলার রজপাড়া গ্রাম থেকে উদ্ধার করেছে কলাপাড়া থানা পুলিশ। বেল্লাল আমতলী পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের সফেজ গাজীর ছেলে।

পুলিশ এবং নিহত বেল্লালের স্বজন সূত্রে জানা গেছে, বেল্লাল গাজী (৩৫) ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করত। মঙ্গলবার রাতে সে আমতলী পৌর শহরের চৌরাস্তা থেকে যাত্রী নিয়ে কলাপাড়া যাওয়ার পর ওই রাতে সে আরা বাসায় ফিরে আসেনি। রাতে এবং সকালে তার ব্যবহৃত মোবাইলে কল করেও বন্ধ পাওয়া যায়।

বুধবার সকাল ১১ টার সময় কলাপাড়া থানা পুলিশ স্থানীয়দের নিকট থেকে জানতে পেরে টিয়াখালী ইউনিয়নের রজপাড়া গ্রামের বাশার সিকদারের বাড়ীর কাছের মৌমিতা খালের পার থেকে ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল চালক বেল্লালের মুখমন্ডল থেতলানো রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে। তবে এখনো তার প্লাটিনা মোটর সাইকেল এবং ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।

নিহত বেল্লালের বড় ভাই দুলাল গাজী জানান,আমার ভাই বেল্লালকে শত্রুতার করে কেহ হত্যা করে মোটর সাইকেলটি ছিনতাই করে নিয়ে গেছে। তার মুখমন্ডল থেতলানো, চোখে এবং হাতে আঘাতের চিহ্ন এবং গলায় রশি পেচানো ছিল। আমি এ ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে সুষ্ঠ বিচার চাই।

নিহত বেল্লালের স্ত্রী মারিয়া বেগম কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, মুই এ্যাহন দুইডা পোলাপান লইয়া ক্যামনে থাকমু।

নিহত বেল্লালের মা কহিনুর বেগম কান্না বিজড়িত কন্ঠে জানান,আমারে কে এহন মা বলে ডাকবে।

কলাপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন,লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি জানান, লাশের মুখমন্ডল এবং চোঁখে আঘাতের চিহ্ন আছে। ধারনা করা হচ্ছে শত্রুতা বশতঃ কেউ তাকে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখেছে।

অভয়নগরে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটর সাইকেল চালক নিহত ও আহত -১

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি//

যশোরের অভয়নগরে বাস ও মটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্ল মটরসাইকেল চালক নিহত ও অপর আরোহী গুরুতর আহত হয়েছেন ।

রোববার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে যশোর-খুলনা মহাসড়কের চেঙ্গুটিয়া এলাকায় এ দূর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষক আবুল হোসেন জানান, রোববার দুপুর ১২টার সময় চেঙ্গুটিয়া বাজার এলাকায় যশারগামী মাটরসাইকেলের সাথে খুলনাগামী গড়াই পরিবহনের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্ল মটরসাইকেল চালক উপজেলার বুইকরা গ্রামের রহিম মুন্সির ছেলে ইকবাল মুন্সি (৩৭) নিহত হন। অপর আরাহী বুইকরা গ্রামর মুজিবর শেখের ছেলে নয়ন শেখ (২৫) গুরুতর আহত হন। এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক অথ সাহা জানান, আহত নয়নর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে খুমেক হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। নওয়াপাড়া হাইওয়ে থানার ওসি সিদ্দিকুর রহমান জানান, ঢাকা মেট্রো ব-১৫-১১৯৯ নম্বর গড়াই বাসটিসহ তার চালককে আটক করা হয়েছে। মাটরসাইকলটিকে ও জব্দ করা হয়েছে।

ভেঙে ফেলা হচ্ছে এরশাদ শিকদারের সেই আলোচিত বাড়ি, ভাঙা দেখতে কৌতুহলী মানুষের ভিড়

/ /সুজন মাহমুদ//

খুলনা নগরীতে অবস্থিত এরশাদ শিকদারের সেই আলোচিত বাড়িটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে।

প্রায় ৬০টি খুনের আসামি বিশ্বখ্যাত সন্ত্রাসী খুলনার এরশাদ শিকদারের বিলাসবহুল বাড়ি ‘স্বর্ণকমল’ ভেঙে ফেলা হচ্ছে। উৎসুক জনতা বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ভেঙে ফেলার কাজ দেখছেন এবং ছবি তুলছেন।

বুধবার সকালে নগরীর সোনাডাঙ্গা মজিদ সরণিতে অবস্থিত বাড়ির সামনে গিয়ে এ দৃশ্য দেখা যায়। এই বাড়ি নিয়ে যুগ যুগ ধরেই ছিল নানান রহস্য।

প্রচারণা রয়েছে- বাড়ির বিভিন্ন গোপন স্থানে টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুকানো রয়েছে। এমনকি বাড়ি নির্মাণ কাজে যে শ্রমিক ও মিস্ত্রি ছিল তাদের অঙ্গহানিসহ প্রাণও নিয়ে নিয়েছিল এরশাদ শিকদার।

এরশাদ শিকদারের বহু অপকর্মের সাক্ষী এই স্বর্ণকমল। বাড়িটিতে গোপন কুঠরি এবং অস্ত্রভাণ্ডারের কথাও শোনা যায়। প্রায়ই জলসা বসত বাড়িটিতে। শহরের নামিদামি ব্যক্তিরা যেতেন সেখানে।

এক সময় সাধারণ মানুষের খুব আগ্রহের একটি জায়গা ছিল ‘স্বর্ণকমল’। দূরদূরান্ত থেকে মানুষ বাড়িটি দেখতে আসত। আলোচনা-সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল ওই বাড়িটি। এখন এই বাড়িটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে।

বিভিন্ন সূত্র জানায়, বাড়ির একটি অংশ ভেঙে ফেলা হচ্ছে। সেখানে বহুতল ভবন করা হবে। তবে আশপাশের অনেকেই জানিয়েছেন, বাড়ির অর্ধেক এরশাদ শিকদারের ছেলেরা বিক্রি করে দিয়েছেন। এ বিষয়ে কথা বলার জন্য বাড়ির মালিকপক্ষের কারো সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এমনকি বাড়িটির ছবি তুলতে গেলে বাড়ির ভেতর থেকে ইট ছুড়ে মারা হয়েছে।

তবে সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশ জানিয়েছে, বয়রা এলাকার একজন ব্যবসায়ীর কাছে বাড়ির অর্ধেক বিক্রি করা হয়েছে, তারাই ভাঙচুরের কাজ করছে। এটা কতখানি সত্য তারা নিশ্চিত নয়।

জানা যায়, এরশাদের দুই স্ত্রী খোদেজা বেগম ও সানজিদা নাহার শোভা। এরশাদ শিকদারের তিন ছেলে রয়েছে। তারা হলেন- মনিরুজ্জামান শিকদার জামাল, কামাল শিকদার ও হেলাল শিকদার। তারা পেশায় ব্যবসায়ী। এছাড়া সুবর্না ইয়াসমিন স্বাদ ও জান্নাতুল নওরিন এশা নামে এরশাদ শিকদারের দুই মেয়ে ছিল। যার মধ্যে এশা ২০২২ সালের ৩ মার্চ আত্মহত্যা করেন।

এরশাদ শিকাদার সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত তথ্য, এরশাদ শিকদারের জন্ম ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার মাদারঘোনা গ্রামে। তার বাবার নাম বন্দে আলী। ১৯৬৬-৬৭ সালে তিনি তার জন্মস্থান নলছিটি থেকে খুলনায় চলে আসেন।

খুলনায় আসার পর এরশাদ সেখানে কিছু দিন রেলস্টেশনের কুলির সহযোগী হিসেবে কাজ করেন। সেখান থেকেই ধীরে ধীরে রেললাইনের পাত চুরি করে বিক্রি করতো এমন দলের সঙ্গে যোগ দেন। পরে তিনি তাদের নিয়ে নিজেই একটি দল গঠন করেন ও এলাকায় ‘রাঙ্গা চোরা’ নামে পরিচিতি পান।

১৯৭৬-৭৭ সালে তিনি ‘রামদা বাহিনী’ নামে একটি দল গঠন করেন, যারা খুলনা রেলস্টেশন ও ঘাট এলাকায় চুরি-ডাকাতি এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকত। এ রামদা বাহিনী নিয়েই এরশাদ ১৯৮২ সালে ৪ ও ৫ নম্বর ঘাট এলাকা দখল করেন এবং এর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।

১৯৮২ সালে তিনি জাতীয় পার্টিতে যোগদানের মাধ্যমে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। ১৯৮৮ সালের নির্বাচনে তিনি তৎকালীন ৮ নম্বর ওয়ার্ডের (বর্তমান ২১ নম্বর ওয়ার্ড) কমিশনার নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার গঠনের পর এরশাদ শিকদার বিএনপিতে যোগ দেন। ১৯৯৭ সালের ২৬ ডিসেম্বর এরশাদ আবারো দল পরিবর্তন করে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। কিন্তু সমালোচনার মুখে কিছু দিন পরই আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত হন। ১৯৯৯ সালে গ্রেফতার হওয়ার সময়ও তিনি ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কমিশনার ছিলেন।

প্রায় ৬০টিরও বেশি হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন এরশাদ শিকদার। ২৪টি হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়ে আদালতে জবানবন্দি দেন তার বডিগার্ড নুরে আলম। ২০০৪ সালের ১০ মে মধ্যরাতে খুলনার জেলা কারাগারে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

মাগুরায় কৃষক মোশারফ হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা

//সুজন মাহমুদ, মাগুরা//

গতকাল সোমবার (২ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক সাড়ে ১০ টার দিকে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বালিদিয়া গ্রামের মৃধাপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ সোমবার দিবাগত রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটির সুরতহাল প্রতিবেদন করেন এবং লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

নিহতের ছোট ভাই ফয়জুর মৃধা বলেন, ভাই রাতে বাজার থেকে পাকা রাস্তা ধরে বাড়ি ফিরছিলেন। মৃধাপাড়ায় পৌঁছলে দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে উপর্যুপরি আঘাত করে। এসময় তার চিৎকারে গ্রামের লোকজন ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

স্থানীয় বালিদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান বলেন,সামাজিক আধিপত্য নিয়ে এলাকায় অনেকদিন ধরে বিরোধ চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২০২০ সালের ১৩ জানুয়ারি আবু সাইদ নামের একব্যক্তি খুন হয়েছিল সেই খুনের বদলা নিতে তারা এই সাধারণ কৃষক হত্যা করতেও পারে।

মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অসিত কুমার জানান হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে কোনো মামলা হয়নি,থানায় মামলা হলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

তিনি আরও বলেন,এ ঘটনায় এখনও কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।আটকের চেষ্টা চলছে।এছাড়া পরবর্তী সহিংসতা এড়াতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

রামপালে আবারও আধিপত্য বিস্তারে মারপিটে যুবলীগ নেতাসহ আহত- ২

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপালে মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আবারও মারপিটের ঘটনা ঘটছে। এ ঘটনায় যুবলীগ নেতা লিটন মল্লিক (৩৫)সহ ২ জন আহত হয়েছে। আহত অন্যজন হলো জিয়াউর রহমান (৩২)।

খবর পেয়ে রামপাল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২ জনকে আটক করেছে। গুরুতর আহত সুমনের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতদের সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে উপজেলার ঝনঝনিয়া গ্রামের জেলা ছাত্র লীগের সদস্য সিদ্দিক ও তার দলের লোকেরা যুবলীগ নেতা লিটনের উপর অতর্কিত আক্রমণ করে। এ সময় জিয়াউর রহমান ও অন্যরা বাঁধা দিলে তাদের ও মারপিট করে।

আহত লিটনের পিতা সিদ্দিক মল্লিক জানান, মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১ টায় চেয়ারম্যানের মোড়ে সিএন্ডবি রাস্তার পাশে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসী সিদ্দিক, রাজ্জাক, অলিয়ার, জলিল, তারিক, বাবু, জুয়েলসহ ২৫/৩০ জন সন্ত্রাসী রাম দা, রড, হাতুড়ি ও হকিস্টিক নিয়ে আমার পুত্র লিটনের উপর হামলা করে। সন্ত্রাসীরা আমার পুত্রের মাথায় কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে এবং দুই পা ভেঙ্গে দিয়ে জীবনে শেষ করে দেয়ার চেষ্টা করে। আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তসহ বিচার চাই।

খবর পেয়ে রামপাল উপজেলা চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হোসনেয়ারা মিলি, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মনির আহমেদ প্রিন্সসহ নেতৃবৃন্দ আহত যুবলীগ নেতা লিটনকে দেখতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছুটে যান।

কি কারণে বা কেন এমন ঘটনা ঘটেছে তা জানার জন্য অভিযুক্ত ছাত্র লীগের সিদ্দিকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে আটক অলিয়ার রহমান জানান, আমি ঘটনার সময় ছিলাম না, আমি কিছু জানি না।

রামপাল থানার ওসি (তদন্ত) রাধেশ্যাম জানান, খবর পেয়ে আমি ফোর্স নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছি। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কেউ কোন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার আড়ুয়াডাঙ্গা গ্রামে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে ১১ জন আহত হন।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় রাস্তার পাশ থেকে মোশারফ মৃধা (৫০) নামে এক কৃষকের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে

//শ্যামল বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা//

সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বালিদিয়া ইউনিয়নের মৃধাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ধারণা করা হচ্ছে- তাকে দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে হত্যা করে ফেলে রেখে গেছে। নিহত মোশারফ বালিদিয়া মৃধাপাড়া এলাকার মৃত নুরুল মৃধার ছেলে।

নিহতের ছোট ভাই বালিদিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়জুর মৃধা জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে গ্রামের পাকা রাস্তা দিয়ে বাড়িতে ফিরছিল মোশারফ মৃধা। পথে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এ সময় তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। তবে স্থানীয়রা সেখানে পৌঁছানোর আগেই মোশারফের মৃত্যু হয়। কী কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। তবে তিনি জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল।

মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অসীত কুমার রায় জানান, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মোশারাফ মৃধা নামের এক কৃষক নিহত হয়েছেন। সোমবার রাত ১২টার পরে পুলিশ তার মরদেহটি উদ্ধার করে মঙ্গলবার ময়নাতদন্তের জন্য মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

বরগুনার আমতলীতে সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত

//সাইফুল্লাহ নাসির,বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলীতে সড়ক দুর্ঘটনায় রাজু (৬০) নামের একজন নিহত হয়েছেন। সোমবার (২ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে ঢাকা-পটুয়াখালী- কুয়াকাটা মহাসড়কের আমতলী  উপজেলার সিকদার বাড়ি নামক স্থানে এ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রাজু মিয়া চাওড়া ইউনিয়নের উত্তর ঘটখালী গ্রামের বাসিন্দা।

আমতলী ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স ও স্থানীয সূত্রে জানা যায়,ফজরের নামাজ শেষে খেতের ধান চাষের নাড়া কাটার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে যাওয়ার পথে সড়ক পারাপারের সময় অজ্ঞাতনামা গাড়ি ওই বৃদ্ধকে ধাক্কা দেয় বলে ধারণা করেন তার পরিবারের লোকজন।

স্থানীয় লোকজন আহত অবস্থায় তাকে সড়কের পাশে পড়ে থাকতে দেখে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয় পরে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনা স্থানে এসে আহত অবস্থায় বৃদ্ধকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।

এ ব্যাপারে আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ এ,কে, এম মিজানুর রহমান বলেন,খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি।আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।