ডুমুরিয়ার সাহস নোয়াকাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সরদার ইলিয়াজ হোসেন নির্বাচিত

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//

ডুমুরিয়ার উপজেলার সাহস নোয়াকাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। পরিকল্পনা মন্ত্রালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব সরদার ইলিয়াজ হোসেন দ্বিতীয় বারের মতো সভাপতি নির্বাচিত হন।

২৩ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় স্কুল ভবনে ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনের লক্ষে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। গত ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচিত ৫ জন অভিভাবক সদস্য, ১ জন দাতা সদস্য,৩ জন  টিআর প্রতিনিধির সর্ব সম্মতিক্রমে  প্রিজাইডিং অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দেবাশিষ বিশ্বাস উপস্থিতিতে সভাপতি পদে দুজনের নামের উপর গোপন ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়।

সভাপতি পদে পরিকল্পনা মন্ত্রালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব সরদার ইলিয়াজ হোসেন ও সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল কুদ্দুস প্রতিদন্দিতা করেন। এতে সরদার ইলিয়াজ হোসেন এর পক্ষে ৬টি ও শেখ আব্দুল কুদ্দুস এর পক্ষে ৩টি ভোট পড়ে।

বরগুনা-১ এ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দৌড়ে কে এগিয়ে!

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনা -১ (সদর-আমতলী-তালতলী) আসন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রার্থী হিসেবে ২২ জন মনোনয়ন ফরম ক্রয় করলেও টপ ফেভারিট হিসেবে আছেন বর্তমান সাংসদ,সাবেক মন্ত্রী,জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পাঁচ বারের সাংসদ এডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু ও স্হানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সাবেক অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র সচিব,কর্মসংস্থান ব্যাংক এর সাবেক চেয়ারম্যান,বেসরকারি সংস্থা উদ্দীপন এর চেয়ারম্যান ডঃ মিহির কান্তি মজুমদার।

বরগুনা,আমতলী ও তালতলী উপজেলা ঘুরে দেখা গেছে,এ আসনের সর্বত্রই আলোচনা চলছে এডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু ও ডঃ মিহির কান্তি মজুমদার কে ঘিরে।তবে দলের হাইকমান্ড যাকেই মনোনয়ন দিবেন সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতা কর্মীরা তার পক্ষেই একনিষ্ঠ ভাবে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

বরগুনা-১ থেকে আওয়ামীলীগ দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহকারী অপর প্রার্থীরা হলেন,বরগুনা জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর কবির,সাবেক গ্রামীণ ব্যাংকের ডিজিএম,আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জামাল উদ্দিন বিশ্বাস, উপজেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গোলাম সরোয়ার ফোরকান,বরগুনা জেলা আওয়ামীলীগ জেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বরগুনা সরকারী কলেজের সাবেক ভিপি গোলাম সরোয়ার টুকু, ঢাকা বার এর সাবেক সভাপতি অ্যাড. গাজী শাহ আলম, বরগুনা পৌরসভা মেয়র অ্যাড. কামরুল আহসান মহারাজ, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ তথ্য ও গবেষনা উপ-কমিটির সদস্য মোঃ রফিকুল ইসলাম বাপ্পি, বরগুনা জেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম দেলোয়ার হোসেনের কন্যা ফারজানা সুমি, বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মনিরুল ইসলাম মনির,বরগুনা জেলা আওয়ামীলীগ সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোতালেব মৃধা,বরগুনা পৌরসভার সাবেক মেয়র অ্যাড. মোঃ শাহজাহান, বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান আব্বাস হোসেন মন্টু,বরগুনা জেলা যুবলীগ সহ-সভাপতি এলমান আহম্মেদ সুহাদ,জেলা আওয়ামীলীগ সাবেক সদস্য এসএম মশিউর রহমান শিহাব,সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মোঃ খলিলুর রহমান, আওয়ামীলীগ নেতা হুমায়ুন কবির,প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান মনির,রোজিনা নাসরিন, মেহেরুন নেছা ও মোঃ ইদ্রিস আলী মোল্লা।

দলীয় হাইকমান্ড চাইলে নতুন কোন চমকও আসতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষ সুত্র।

Smart App থেকে জানা যাবে নির্বাচনের যাবতীয় তথ্য

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় ভোটের বেশ কিছু দিন আগে থেকেই নির্বাচনের সব তথ্য মিলবে; ভোটের দিন ফলও জানা যাবে।

‘স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি’ নামে এ অ্যাপ বানিয়েছে ইসি।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের সময় এগিয়ে আসার মধ্যে ‘স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি’ অ্যাপ চালু করেছে নির্বাচন কমিশন; যেটি দিয়ে ভোটের দিন দুই ঘণ্টার ব্যবধানে ভোট পড়ার তথ্য ও হার জানা যাবে।

এটি ব্যবহার করে ভোটার নম্বর, ভোটকেন্দ্রের নাম, প্রার্থী, দল ও আসনভিত্তিক তথ্য যেমন পাওয়া যাবে, তেমনি আইনবিধি, ভোট পড়ার হার, ফলসহ নানা ধরনের তথ্যও জেনে নিতে পারবেন নাগরিকরা।

এতে একজন ভোটার সহজেই ভোট দিতে কেন্দ্রে যাওয়ার আগেই প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে নিতে পারবেন। আগের বছরগুলোর মতো কোথায় কোন কেন্দ্রে ভোট দিতে যাবেন তা নিয়ে যেমন জটিলতায় পড়তে হবে না, তেমনি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নম্বর খোঁজার বিড়ম্বনার মধ্যেও পড়বেন না।

ইতোমধ্যে চালু হওয়া অ্যাপটিতে একাদশ সংসদ নির্বাচনের নানা তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

চলতি বছর অনুষ্ঠিত একটি ভোটকেন্দ্রের বাইরে প্রার্থীদের প্রতিনিধির কাছ থেকে ভোটারের তথ্য জানতে ভিড় করছেন ভোটাররা।   |ফাইল ছবি

নির্বাচনী কার্যক্রমের ধাপে ধাপে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের তথ্য পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ।

তিনি বলেন, “স্মার্ট নির্বাচন ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে বাংলাদেশে অ্যাপ চালু হয়ে গেছে। ধাপে ধাপে সবার জন্য তথ্য উন্মুক্ত হবে। কারণ তফসিল ঘোষণা হওয়ার পর কাজগুলোও ধাপে ধাপে হচ্ছে। যখনই যে কাজ শেষ হবে, তখনই তার তথ্য অ্যাপে যুক্ত হবে।

“অ্যাপটি ইনস্টল করে কী ধরনের তথ্য অ্যাপ থেকে পাওয়া যাবে তা সহজেই দেখা যাবে। ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত হওয়ার পর আশা করি, কেন্দ্রভিত্তিক তথ্যও পাবেন সবাই।”

ইসি জানিয়েছেন, আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় ভোটের বেশ কিছু দিন আগে থেকেই নির্বাচনের সব তথ্য মিলবে। আর ভোটের দিন ফলাফলের তথ্যও মিলবে।

যেসব তথ্য মিলবে অ্যাপে

নির্বাচন কমিশনার আহসান হাবিব খান জানান, অ্যাপটির মাধ্যমে একজন ভোটার ঘরে বসে তার ভোটার নম্বর জানতে পারবেন। পাশাপাশি তার ভোট দেওয়ার এলাকা, নির্বাচনী আসন, ভোটকেন্দ্রের নাম জেনে নিতে পারবেন।

এতে ভোটকেন্দ্রের ছবি, ভোটকেন্দ্রের ভৌগলিক অবস্থান ম্যাপসহ দেখা যাবে। এর মাধ্যমে বিভাগওয়ারি আসনগুলোর তথ্য, যেমন- মোট ভোটার, মোট আসন, প্রার্থীদের বিস্তারিত তথ্যও (হলফনামা, আয়কর সম্পর্কিত তথ্য, নির্বাচনী ব্যয় ও ব্যক্তিগত সম্পদের বিবরণী) থাকবে।

এর মাধ্যমে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর তথ্য জানা যাবে এবং সমসাময়িক তথ্যাবলী নোটিস আকারে প্রদর্শিত হবে।

অ্যাপটির সাহায্যে প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর চলমান ভোটিং কার্যক্রমের তথ্য ও কত ভোট পড়ল, সেই তথ্যও মানুষ জানতে পারবে বলে জানিয়েছেন ইসি আহসান হাবিব খান।

“নির্বাচনী ফলাফলের সার্বিক অবস্থা- যেমন গণনা এবং ফলাফল বিশ্লেষণ নামে অপশনের মাধ্যমে একজন ভোটার পূর্বতন নির্বাচন এবং বর্তমান নির্বাচনের ফলাফলের গ্রাফিক্যাল বর্ণনাও পাবেন।”

যেভাবে অ্যাপে যুক্ত হবেন

অ্যান্ড্রয়েড বা আইফোন ফোনের স্টোর থেকে Smart Election Management BD ইন্সটল করতে হবে। এরপর নির্বাচন কমিশনের লোগো সংবলিত পেইজ আসবে।

কিছুক্ষণের মধ্যে ভাষা (ইংরেজি ও বাংলা) নির্বাচন করতে বলা হবে।

ভাষা নির্বাচনের পর মোবাইল নম্বর ও পছন্দ মতো পাসওয়ার্ড দিয়ে ‘অ্যাকাউন্ট তৈরি’ করতে হবে।

এবার হোম স্ক্রিন আসবে, ভোট সংক্রান্ত তথ্য দেখতে জন্ম তারিখ ও এনআইডি নম্বর দিয়ে ‘যাচাই করুন’ এ ক্লিক করতে হবে।

স্মার্ট অ্যাপে দুই ঘণ্টা পর পর জানা যাবে ভোট পড়ল কত

হোম পেইজে ভোটার নম্বর দেখাবে; একইসঙ্গে ভোট কেন্দ্রের নাম, ঠিকানা, গুগল ম্যাপে কেন্দ্রের অবস্থান দেখানোর কথা; বর্তমানে লেখা আসছে ‘নির্বাচনী কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন’। ভোটের অন্তত ২৫ দিন আগে ভোটকেন্দ্রের গেজেট চূড়ান্ত হবে।

অ্যাপে হোম, তথ্য, ফলাফল ও বিশ্লেষণ নামে চারটি মেন্যু আছে।

হোম পেইজে ‘নির্বাচনের তথ্য’ ও ‘নির্বাচনী ফলাফল’ বাটন রয়েছে।

তথ্য পেইজে এখন দেখাচ্ছে দ্বাদশ ও একাদশ সংসদ নির্বাচনের তথ্য।

এ পেইজে আসনগুলোর তথ্য, এক নজরে, আইনবিধি, নিবন্ধিত দল ও নোটিস বোর্ড বাটন থাকলেও সব তথ্য হালনাগাদ করা হয়নি।

আসনগুলোর তথ্যে বিভাগভিত্তিক আসন, সেই আসনের প্রার্থী পরিচিতি ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য থাকবে।

একনজরে বাটনে মোট ভোটার, নারী পুরুষ, দল, প্রার্থী সংখ্যার তথ্য দেখা যাবে।

ভোটের হার ফলাফল পরিস্থিতি

>> ফলাফল পেইজে আসনভিত্তিক ফলাফল মিলবে। ফলাফল মেন্যুবারের ‘আপনার আসন’ থেকে নির্বাচনী এলাকার ফলাফলের সংক্ষিপ্ত বিবরণী, বেসরকারি ভাবে গণণায় এগিয়ে থাকা প্রার্থীর নাম, কেন্দ্রভিত্তিক প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা দেখা যাবে।

>> ভোটের দিন সকাল থেকে আসনভিত্তিক ভোট শুরু না হয়ে থাকলে এর আগে এ পেইজে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে।

>> সকাল ৮টা থেকে ভোট শুরু হবে। ভোট চলমান থাকলে পেইজের ভেতরে ‘ভোট গ্রহণ চলছে’ দেখা যাবে।

>> নির্দিষ্ট এলাকার ভোট গ্রহণের তথ্য ২ ঘণ্টা অন্তর অন্তর হালনাগাদ হবে।

যেভাবে দুই ঘণ্টা পর পর ভোটের তথ্য মিলবে

ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম জানান, দুই ঘণ্টা পর পর সংশ্লিষ্ট প্রিজাইডিং অফিসার তার কেন্দ্রের সব বুথে গিয়ে তথ্য নিয়ে অ্যাপের জন্য আপলোড করবেন, যার মাধ্যমে অ্যাপে পাওয়া যাবে ভোট পড়ার হার।

স্মার্ট অ্যাপে দুই ঘণ্টা পর পর জানা যাবে ভোট পড়ল কত

ইসির এনআইডি উইংয়ের সিস্টেম ম্যানেজার  মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন বলেন, দুই ঘণ্টা পর পর প্রতিটি কেন্দ্রের ভোট পড়ার হার অ্যাপে মিলবে না। তবে প্রতি সংসদীয় আসনের সব কেন্দ্রের একীভূত তথ্য নিয়ে সংশ্লিষ্ট আসনে কত ভোট পড়েছে, তার হার দুই ঘণ্টা পর পর অ্যাপে পাওয়া যাবে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল ১২ নভেম্বর অনলাইন নমিনেশন সাবমিশন সিস্টেম (ওএনএসএস) ও স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট অ্যাপ উদ্বোধনকালে প্রার্থী ও ভোটারদের অনলাইন পদ্ধতি ব্যবহারের আহ্বান জানান। এ ব্যবস্থার ফলে পুরো নির্বাচনী ব্যবস্থাপনা আরও সহজ ও ‘পরিশুদ্ধ’ হতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

সিইসি বলেন, “সহজে জানতে পারবেন দুই ঘণ্টা পর পর (কেন্দ্রের ভোট পড়ার) ট্রেন্ডটা, সহজে জানতে পারবেন কীরকম ভোট পড়ছে; এটা স্বচ্ছতার জন্য।”

তিনি বলেন, “কত পার্সেন্ট ভোট পড়েছে, কতটা ভোট পড়েছে তা জানা যাবে। তবে ২ ঘণ্টা পর ফলাফল জানানোর স্কোপ নেই। ভোট শেষে ৬/৭ টার পরে ফলাফল জানতে পারবেন।”

নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমান ভোটকেন্দ্রের অবস্থানসহ নানা ধরনের সেবা পাওয়ার বিষয় তুলে ধরে বলেন, “অ্যাপে সবচেয়ে বেশি আগ্রহ থাকবে দুই ঘণ্টা পর পর ভোটকেন্দ্রের আপডেট পাওয়া যাবে। কী পরিমাণ ভোট কাস্ট হয়েছে, অ্যাপে পার্সেন্টেজ থাকবে।

“তা দেখে বুঝতে পারব কত ভোটার ছিল, কত ভোট পড়েছে। নির্বাচনী তথ্য নিয়ে গবেষণা করতে চাইলেও এ অ্যাপ থেকে নিয়ে করতে পারবেন।”

নির্বাচন কমিশনার আলমগীর বলেন, “আমরা রেডিও, টেলিভিশন, অনলাইনে আমরা দেখি- কত পারসেন্ট ভোট পড়েছে। বিশেষ করে টেলিভিশনে, স্পটে যেসব সাংবাদিক থাকেন তাদের তথ্য। এত কষ্ট করে টেলিভিশনে দেখার প্রয়োজন নেই।

স্মার্ট অ্যাপে দুই ঘণ্টা পর পর জানা যাবে ভোট পড়ল কত

“আমাদের এখানে আপনি দেখতে পারবেন, কত ভোট পড়েছে। ৪২ হাজার কেন্দ্রে তো রিপোর্টার থাকবে না সব টেলিভিশনের, আপনার কেন্দ্রের টেলিভিশন হয়ত কাভারেজ দেয়নি- আপনি জানতেও পারবেন না।”

আগামী ৭ জানুয়ারি ভোটের তারিখ রেখে যে তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন, তাতে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ঠিক করা হয়েছে ৩০ নভেম্বর।

এরপর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৭ ডিসেম্বর।

প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর ১৮ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ হবে। আর প্রচার শেষ করতে হবে ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে।

Daily World News

ফকিরহাটে ২৫ কেজি গাঁজাসহ আটক- ৩

রূপসায় নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ

আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন সালাম মূশের্দী এমপি

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৪ আসন থেকে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন  বর্তমান সংসদ সদস্য (এমপি) আব্দুস সালাম মূশের্দী।

আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন সালাম মূশের্দী এমপি

গতকাল (২০ নভেম্বর) বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নির্ধারিত বুথে তিন উপজেলার দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে বিকালে ফরম জমা দেন বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী  আব্দুস সালাম মৃর্শেদী বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এবং বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার দেখানো পথই আমার কাছে রাজনীতি। কোনো পার্থিব লোভে রাজনীতি করি না। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করে রাজনীতির মাধ্যমে খুলনা-৪ আসনের ভাগ্যোন্নয়নে ঘটাতে চাই। রূপসা-তেরখাদা-দিঘলিয়া উপজেলার শিক্ষা-সংস্কৃতি আর অর্থনীতির তীর্থভূমি বানানোর স্বপ্ন দেখি। বঙ্গবন্ধু কন্যা আবারো আমার ওপর আস্থা রেখে মনোনয়ন দিবেন বলে আমি বিশ্বাস করি। বিগত দিনে আমার উপর যে দায়িত্ব দিয়েছিলেন তার প্রতিটা  ক্ষেত্রে উন্নয়ন  করেছি। তাই দলীয় মনোনয়ন পেলে নেতাকর্মীদের ভালবাসায় বিপুল ভোটে নৌকাকে বিজয়ী করে জাতির পিতার আদর্শ সমুন্নত রাখতে কাজ করব।

আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন সালাম মূশের্দী এমপি

মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফ. ম আব্দুস সালাম, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, রূপসা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ কামাল উদ্দীন বাদশা, তেরখাদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফ. ম অহিদুজ্জামান, দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি খান নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোল্লা আকরাম হোসেন, তেরখাদা উপজেলা পরিষদের  ভাইস চেয়ারম্যান শরাফাত হোসেন মুক্তি, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মোতালেব হোসেন,রূপসা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মোল্লা আরিফুর রহমান,সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, যুগ্ম সম্পাদক ইমদাদুল ইসলাম,  সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবিব, দপ্তর সম্পাদক আকতার ফারুক,  ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, নৈহাটী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ কামাল হোসেন বুলবুল, ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর শেখ, মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি আব্দুল মান্নান শেখ,বাছিতুল হাবিব প্রিন্স,রাজা মিয়া, আ. রাজ্জাক শেখ, নৈহাটী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফরিদ শেখ, উপজেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি ইউপি সদস্য আকলিমা খাতুন তুলি, আনজুয়ারা সুমি, সাধারণ সম্পাদক শারমিন সুলতানা রূনা, যুবলীগের হাবিবুর রহমান তারেক, মাসুম মোরশেদ, ইউপি  সদস্য কামরুজ্জামান সোহেল, বাবর আলী, মাসুম সরদার,  রিনা পারভীনসহ রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ সকল সহযোগি সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

জামায়াত ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল রায়ই বহাল থাকছে- হাইকোর্ট

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল খারিজ করেছে আপিল বিভাগ। ফলে হাইকোর্টের আগের দেওয়া রায় বহাল থাকছে।

প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের একটি বেঞ্চ আজ রোববার এই আদেশ দেন।

এর আগে, গত ১২ নভেম্বর হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আনা আবেদনের শুনানির দিন পিছিয়ে আজ রোববার ধার্য করে আপিল বিভাগ।

রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতকে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৯ সালে রিট করেন সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরীসহ ২৫ ব্যক্তি।

রিটের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে ২০১৩ সালের ১ আগস্ট রায় দেন হাইকোর্টের তিন সদস্যের বৃহত্তর বেঞ্চ। একই সঙ্গে আদালত এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সনদ দেন। এরপর রায়ের বিরুদ্ধে একই বছর দলটির পক্ষ থেকে লিভ টু আপিল (সিপি) করা হয়।

২০১৮ সালের ৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

২০০৮ সালে জামায়াতে ইসলামী রাজনৈতিক দল হিসেবে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন পায়।

 

 

আওয়ামী লীগের নৌকায় আরও যেসব দল ভোট করতে চায়

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটভুক্ত হয়ে নির্বাচন করার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আবেদন করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ ১০টি রাজনৈতিক দল। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ ছাড়া আরও ছয়টি দল ১৪-দলীয় জোটের শরিক হিসেবে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীক ‘নৌকা’ নিয়ে নির্বাচন করবে বলে ইসিকে জানিয়েছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনসংক্রান্ত আইন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ইচ্ছুক একাধিক নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল মিলে নির্বাচনী জোট গঠন করে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করতে পারে। জোটভুক্ত দলগুলো জোটের শরিক যেকোনো দলের প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে পারে। এ ধরনের প্রতীক পেতে হলে জোটকে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশন বরাবর আবেদন করতে হয়। গত বুধবার দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ইসি। জোটভুক্তভাবে নির্বাচনের বিষয়টি ইসিকে জানানোর শেষ সময় ছিল আজ শনিবার।

ইসি সূত্র জানায়, যে দলগুলো জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করার বিষয়ে ইসিকে জানিয়েছে, সেগুলো হলো আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি (জেপি), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ), বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, তরীকত ফেডারেশন, বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল, জাতীয় পার্টি (জাপা), বিকল্পধারা বাংলাদেশ ও তৃণমূল বিএনপি।

এর মধ্যে আওয়ামী লীগ ছাড়াও জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি, তরীকত ফেডারেশন, জেপি, সাম্যবাদী দল ও গণতন্ত্রী পার্টি নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবে বলে ইসিকে জানিয়েছে। এর মধ্যে গণতন্ত্রী পার্টি দুই ভাগে বিভক্ত হওয়ায় কোন অংশটি নিবন্ধিত তা এখনো পরিষ্কার নয়। গণতন্ত্রী পার্টি দুই অংশই আলাদা আলাদা চিঠি দিয়েছে।

এর বাইরে জাতীয় পার্টি ও বিকল্প ধারা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের শরিক হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবে বলে জানিয়েছে। তারা সুনির্দিষ্টভাবে নৌকা প্রতীক চায়নি। বিকল্প ধারা বলেছে, পরবর্তীতে জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জোটগত প্রতীকে তারা নির্বাচন করতে আগ্রহী। আর জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদ চিঠি দিয়ে বলেছেন, নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থীরা দলীয় প্রতীক ‘লাঙ্গল’ বা প্রার্থীর ইচ্ছা অনুসারে মহাজোটে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করতে পারবেন।

আজ বিকেল চারটার কিছু আগে ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ তখন পর্যন্ত সাতটি দলের কাছ থেকে আবেদন পাওয়ার কথা সাংবাদিকদের জানান। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের চিঠিতে বলা হয়েছে, তারা জোটগতভাবে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবে। তবে তাদের সঙ্গে কোন কোন দল থাকবে, সেটা চিঠিতে বলা হয়নি।

এ ছাড়া আওয়ামী লীগ জানিয়েছে দলটির সভাপতি শেখ হাসিনার স্বাক্ষরে তারা মনোনয়ন দেবে। অশোক কুমার দেবনাথ জানান, এর বাইরে সাম্যবাদী দল, জাসদ ও ওয়ার্কার্স পার্টি ইসিকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে তারা নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে, এই তিনটি দল ছাড়াও তরীকত ফেডারেশন, জেপি ও গণতন্ত্রী পার্টি (দুই অংশ) নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করবে বলে জানিয়েছে।

ইসি সূত্র জানায়, নতুন নিবন্ধন পাওয়া রাজনৈতিক দল তৃণমূল বিএনপি ইসিকে চিঠি দিয়ে বলেছে, প্রগতিশীল ইসলামী জোটের প্রার্থীরা তৃণমূল বিএনপির দলীয় প্রতীক সোনালী আঁশ নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই জোটে ১৫টি রাজনৈতিক দল আছে। তবে এই দলগুলোর কোনোটিই নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত নয়। ইসিতে নিবন্ধিত না হলে কোনো দল আনুষ্ঠানিকভাবে জোটবদ্ধ হওয়ার সুযোগ নেই। এসব দলের কেউ সোনালী আঁশ প্রতীকে নির্বাচন করলে তাঁরা সরাসরি তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হবেন।

জাপার দুই চিঠি 

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জাপা থেকে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আলাদা দুটি চিঠি গেছে। একটি পাঠিয়েছেন দলটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ। অন্যটি পাঠিয়েছেন দলটির মহাসচিব মুজিবুল হক।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বরাবর লেখা চিঠিতে জাপা মহাসচিব মুজিবুল হক বলেছেন, সংসদ সদস্য পদে তাঁদের দলের মনোনীত প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে প্রার্থী মনোনয়ন ও প্রতীক বরাদ্দ করবেন জাপার চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জি এম) কাদের।

অন্যদিকে রওশন এরশাদের দেওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, জাতীয় পার্টি গত তিনটি সংসদ নির্বাচনের মতো এবারও আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের শরিক দল হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটি হবে শুধু নির্বাচনী জোট। নির্বাচন শেষে জাতীয় পার্টির নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা দলীয় সিদ্ধান্ত অনুসরণ করবেন। এই নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থীরা দলীয় প্রতীক ‘লাঙ্গল’ বা প্রার্থীর ইচ্ছা অনুসারে মহাজোটে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করতে পারবেন।

অন্যদিকে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীদের কার স্বাক্ষরে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তা রাজনৈতিক দলগুলোকে লিখিতভাবে ইসিকে জানাতে হয়। ইসি তফসিল ঘোষণার সাত দিনের মধ্যে এটি জানানোর জন্য দলগুলোকে চিঠি পাঠিয়েছে। এই চিঠির জবাবে জাপা মহাসচিবের দেওয়া চিঠিতে বলা হয়, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মনোনয়ন দেবেন তাদের দলের চেয়ারম্যান জি এম কাদের। ক্ষমতাপ্রাপ্ত হিসেবে জি এম কাদেরের নাম, পদবি ও নমুনা স্বাক্ষরও পাঠানো হয়।

জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে দুটি চিঠি দেওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ বলেন, জাতীয় পার্টির যে দুটি চিঠি এসেছে, সেগুলো কমিশনে উপস্থাপন করা হবে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। তিনি বলেন, সাধারণত কোনো দলের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক/মহাসচিব দলের সই করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করা হবে আগামী ৭ জানুয়ারি। নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩০ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৭ ডিসেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ ১৮ ডিসেম্বর।

Daily World News

আওয়ামী লীগের নির্বাচনী যাত্রা শুরু হলো দলের সভাপতি শেখ হাসিনার মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের মাধ্যমে

আওয়ামী লীগের নির্বাচনী যাত্রা শুরু হলো দলের সভাপতি শেখ হাসিনার মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের মাধ্যমে

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-৩ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন দলটির সভাপতি শেখ হাসিনা। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার কিছু সময় পর দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে তাঁর পক্ষে মনোনয়ন ফরম কেনেন গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা।

এরপর থেকে সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে মনোনয়ন ফরম কেনা ও জমা দেওয়া। অনলাইনে ও সরাসরি গিয়ে মনোনয়ন ফরম কেনা যাবে আগামী ২১ নভেম্বর পর্যন্ত।

এর আগে, আজ শনিবার সকাল ১০টার কিছু সময় পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসেন। সেখানে সাংবাদিকদের তিনি জানান, মনোনয়ন ফরম বিক্রির কার্যক্রম শুরুর ব্যবস্থা তিনি দেখতে এসেছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, যাদের ওপর জনগণের আস্থা নেই, তারাই নির্বাচন বানচাল করতে চায়। তিনি জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যারাই জনগণের সম্পদে আগুন সন্ত্রাস করবে তাঁদের প্রতিহত করুন।

জনগণের ভোটের অধিকার অব্যাহত রাখতে চায় আওয়ামী লীগ বলে জানান শেখ হাসিনা বলেন, প্রার্থী বাছাইয়ে তৃণমূলের মতামতকেও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

এদিকে আগ্রহী প্রার্থীরা বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে পারবেন। সেজন্য লাগবে প্রার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি।

এবার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরমের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা।

বুধবার (১৫ নভেম্বর) প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার দিনই আজ শনিবার থেকে মনোনয়ন ফরম বিক্রির খবর জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি। তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ৩০ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাই ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর আর প্রতীক বরাদ্দ ১৮ ডিসেম্বর। প্রচারণা শুরু হবে ১৮ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত।

তফসিল ঘোষণার পরপরই আমতলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভা ও শান্তি মিছিল

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলী উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বুধবার (১৫ নভেম্বর) সন্ধায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক তফসিল ঘোষণার পর উপজেলা আওয়ামী লীগের আলোচনা ও শান্তি মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান এর নির্দেশনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এডভোকেট এম এ কাদের মিয়ার সভাপতিত্বে দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন,উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ মজিবর রহমান,উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ- সভাপতি আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম মৃধা, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও পৌর কাউন্সিলর জাহিদুল ইসলাম জুয়েল তালুকদার সহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।সভায়৷ দেশের উন্নয়ন শান্তি কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

সভা শেষে তফসিল ঘোষনাকে স্বাগত জানিয়ে  পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি মোঃ মজিবর রহমান এর নেতৃত্বে শান্তি মিছিল বের পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সাকিব প্লাজার সামনে পথ সভা করা হয়।

ইসি’র তফসিল ঘোষণায় রামপালে যুবলীগের আনন্দ মিছিল

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

রামপালে ইসি’র তফসিল ঘোষণায় আওয়ামী যুব লীগের পক্ষ থেকে আনন্দ মিছিল বের করা হয়েছে।  বুধবার (১৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় উপজেলা সদরের মসজিদ মোড়ে আনন্দ মিছিল শেষে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আনন্দ মিছিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. হামীম নূরী, রামপাল সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দীন, উজলকুড় ইউপি চেয়ারম্যান মুন্সি বোরহান উদ্দিন জেড, আওয়ামী লীগ নেতা বেলাল ব্যাপারী, আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সরদার বোরহান উদ্দিন, শ্রমিক লীগের সভাপতি ফকির রবিউল ইসলাম, আলমগীর হোসেন, সেচ্চাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সঞ্চালক চয়ন মন্ডল, আবু বকার প্রমুখ। আনন্দ মিছিলে আওয়ামী লীগ, যুব লীগ, সেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্র লীগসহ বিভিন্ন অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ডুমুরিয়ার আমুড়বুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ম‍্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য নির্বাচন সম্পন্ন

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি //

ডুমুরিয়ায় ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ডুমুরিয়ার মাগুরখালীর আমুড়বুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ম‍্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে মাগুরখালী ইউপি  চেয়ারম্যান বিমল কৃষ্ণ সানার  সমর্থিত প্যানেল নিরঙ্কুশ বিজয়ী হয়েছেন।

সোমবার  ৬ নভেম্বর বিদ্যালয় কক্ষে সকাল ১০টা হতে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে ১শত ১৩ জন ভোটারের মধ্যে ১শত ১১জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নির্বাচনে দুটি প্যানেলে ৫টি পদের বিপরীতে ১০জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

এতে স্থানীয় জনপ্রিয় ইউপি চেয়ারম্যান বিমল কৃষ্ণ সানা প্যানেলে মনোনীত অভিভাবক সদস্য শিক্ষক  অমর কৃষ্ণ মন্ডল ৬৩, নারায়ন বৈদ্য ৬৩,ননী গোপাল সানা ৬১, বিবেকানন্দ মন্ডল ৫৮ ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য সুষুমা গোলদার ৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দেবাশীষ বিশ্বাস। সহকারী ছিলেন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা ধননজয় মন্ডল, শিক্ষক শরিফুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক কৃষ্ণপদ মন্ডল,  মাদারতলা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আমিরুল ইসলাম।

ফলাফল ঘোষণার পর চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে এক আনন্দ শোভাযাত্রা শেষে হাইস্কুল মাঠে চেয়ারম্যান বিমল কৃষ্ণ সানার সভাপতিত্বে ও শিক্ষক অমর কৃষ্ণ মন্ডলের সঞ্চালনায় আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ নেতা সুকৃতি মন্ডল, সুব্রত গোলদার, ইউপি সদস্য ভবেন্দ্রনাথ বালা,মনোজ কুমার সরকার, সঞ্জয় সানা, গোপাল সরকার প্রমূখ।