ডোমারের ছেলে রনি সরকার ভর্তি পরীক্ষায় রাবিতে ১ম, ঢাবিতে ১৭তম স্থান

নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার বামুনিয়া ইউনিয়নের খামার বামুনিয়া গ্রামের মোঃ রুবেল সরকারের ছেলে মোঃ রনি সরকার গত  ৯ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় চারুকলা অনুষদের অংশগ্রহণ করে  ১৭ তম স্থান ও ২৮ অক্টোবর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় চারুকলা অনুষদে অংশগ্রহণ করে ১ম স্থান অর্জন করেছে।

রনি সরকার নীলফামারী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থাকে থেকে এসএসসি ও নীলফামারী সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করে। ছোট বেলা থেকেই ছবি আঁকার নেশা ছিল রনি সরকারের। উচ্চ বিদ্যালয় থেকে নিয়মিত ছবি আঁকাআকি করেন রনি সরকার এবং বিভিন্ন ছবি আঁকাআকি সংগঠনের  সাথে জড়িত ছিল রনি সরকার ,ধর্মীয় গোঁড়ামি উৎপত্তিস্থল  প্রত্যন্ত গ্রামেই তার জন্ম। ছবি আঁকতে গিয়ে মৌলবাদীদের বাকবিতন্ডার আক্রমণেও মাথা নত না করে দমে যায়নি। স্বপ্নকে লালন করে     ছবি আঁকাকে প্রাধান্য নিয়ে আজ সে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় সুনাম অর্জন করেছে‌ ।

রনি সরকার বলেন,, ছবি আঁকার নেশা ছিল সেই ছোট বেলা থেকেই। অন্তর্মুখী স্বভাবের কারণে বিচ্ছিন্ন থাকতাম কোলাহল থেকে। নিভৃত  পর্যবেক্ষণ করতাম প্রকৃতির রূপ-রস ও গন্ধ ছবির মতো সুন্দর এই দেশটাকে ইচ্ছে করতো রং তুলিতে ফুটিয়ে তোলার। আর এই সংকল্প থেকে প্রাধন্য দিয়ে যখন আঁকতে শুরু করলাম তখন বাঁধ সাধঁল সামাজিক ধর্মীয় গোঁড়ামি।

বিশেষত প্রত্যন্ত অঞ্চলে জল্মানোর কারণে ছবি আঁকা নিয়ে ধর্মীয় গোঁড়ামির অন্ত ছিল না। দমে যাইনি ছবি আঁকাই ছিল আমার মনের খোরাক। বাংলাদেশে টেলিভিশনের প্রধান শিল্পনির্দেশক  জি .এম.এ রাজ্জাক স্যারের অনুপ্রেরণায় ছবি আঁকার হাতেখড়ি। আস্তে আস্তে পূরণ হতে থাকে পুরষ্কার ও সম্মাননার ঝুলি। USAID, Diversity for peace, UNDP কর্তৃক আয়োজিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিশেষ কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছি।  ছবি আঁকার বিষয় যে দুইটি মানুষ আমাকে ছোট থেকেই অনুপ্রেরণা দিয়ে আসছিল আমার চাচা  মোঃ রিপন সরকার (৩৫) ও রুমন সরকার (৩২)‌।

//নিজস্ব প্রতিবেদক: মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ঠাকুরগাঁওয়ের নাসিরুলের স্ত্রী পুনঃরায় তার স্বামীর সাথেই থাকতে চায়

জেনে নিই ডায়াবেটিস কমানোর দৈনন্দিন ঘরোয়া খাবার

বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্তের হার দিন দিন বাড়ছে। আমাদের রক্তে শর্করার (ব্লাড সুগার) পরিমাণ সারাদিন ধরে অল্প মাত্রায় বাড়ে ও কমে। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে এই ফারাকটা অনেক বেশি হতে পারে। শর্করা বেড়ে গেলে যেমন সমস্যা হয়, তেমনি কমে গেলেও ঘটতে পারে বিপদ। রক্তে শর্করার সঙ্গে সম্পর্কিত জটিলতা থেকে রক্ষা পেতে এর ভারসাম্যের বিষয়টি বোঝা জরুরি।

তবে এ অবস্থাটি প্রাণঘাতী হলেও কিছু সাধারণ জীবনধারার পরিবর্তনের মাধ্যমে এবং কিছু সহজ ঘরোয়া প্রতিকার অনুসরণ করে এ অবস্থাটিতে অনেকটাই ভালো থাকা যায়।

আসুন জেনে নেওয়া যাক যে ৬ খাবার প্রাকৃতিকভাবেই কমায় রক্তে শর্করা—

১. মেথি দানা

মেথি দানা আপনার রক্তে শর্করার পরিমাণ কমিয়ে আপনার ডায়বেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করতে পারে। আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ডায়াবেটিস রোগীদের নিয়মিত মেথির দানা খাওয়া উচিত। এর জন্য সকালে খালি পেটে মেথি ভেজানো পানিও পান করা যেতে পারে।

২. করলা

ডায়াবেটিস রোগের জন্য করোলা অনেক উপকারী একটি খাবার। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় করলা অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করা  উচিত। এটি হাইপোগ্লাইসেমিক জৈব-রাসায়নিক পদার্থে সমৃদ্ধ। পদার্থটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে অনেক ভালো কাজ করে।

৩. আমলকী

আমলকী কার্বোহাইড্রেট শোষণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এ ছাড়া এতে থাকা ক্রোমিয়ামের উপস্থিতি ইনস্যুলিন সংবেদনশীলতায় সাহায্য করে। তাই রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে এটিকে কাঁচা বা রস করে খেতে পারেন।

৪. বিভিন্ন মসলা

বিভিন্ন  মসলারও কিন্তু ডায়াবেটিস প্রতিরোধক গুণ রয়েছে। তাই এ ধরনের মসলা যেমন—  হলুদ, সরিষা, দারুচিনি ও ধনেপাতা অবশ্যই ডায়াবেটিস রোগীরা খেলে উপকার পাবেন।

৫. ছোলা ডাল

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অনেক ভালো একটি খাবার হচ্ছে ছোলা ডাল। যাদের ডায়াবেটিস রোগ নেই, তাদের এই রোগ হওয়ার ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি এটি দীর্ঘস্থায়ী ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্যও উপকারী হিসেবে কাজ করে।

৬.জাম

জাম ইনসুলিন নিয়ন্ত্রণে এবং ইনসুলিনের উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে। এর জন্য ৪-৫টি জামের পাতা এবং জাম চিবিয়ে খেলে সুগারের মাত্রা কমতে পারে।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনা জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

 

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য মেয়রের ফ্রি বাস সার্ভিস

//পলাশ চন্দ্র দাসঃবরিশাল//

বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি) মেয়রের পক্ষ থেকে ফ্রি বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছে, হ্যা জিএসটি গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) কেন্দ্রের পরীক্ষার্থীদের জন্য বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি) মেয়রের পক্ষ থেকে ফ্রি বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছে।

ভর্তিচ্ছুদের ভোগান্তি থেকে মুক্তি দিতে ফ্রি বাস সার্ভিসের ব্যবস্থা করেছেন বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

ভর্তিচ্ছুদের সময় মতো কেন্দ্রে পৌঁছে দিতে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ফ্রি বাস সার্ভিসের ব্যবস্থা করেছেন।

আজ রোববার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নগরের নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে ১০টি, রূপাতলী বাস টার্মিনাল থেকে ১০টি বাস ভর্তিচ্ছুদের বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে দেবে। তবে, এর বিনিময় ভাড়া গুনতে হবে না ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও তাদের সঙ্গে থাকা অভিভাবকদের।

এ বিষয়ে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস জানান, ভর্তি পরীক্ষার সময় কেউ কেউ রিকশা কিংবা অন্য যেকোনো যানবাহনে গন্তব্যে পৌঁছাতে গিয়ে নানা জটিলতায় পড়ে।

মাত্রাতিরিক্ত ভাড়া গোনার পাশাপাশি গন্তব্যে পৌঁছাতে অনেক সময় দেরি হয়। সেসব ঝামেলা এড়িয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাতে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ফ্রি বাসের ব্যবস্থা করেছেন। এতে করে সময়মত নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারবেন ভর্তিচ্ছুরা।

 

সারাদেশের ব্র্যাক স্কুলে পালিত হচ্ছে “বিশ্ব শিক্ষক দিবস”

“শিক্ষা জাতির  মেরুদণ্ড”- আর এই শিক্ষার মেরুদন্ড  বা ভিত্তিকে শক্ত,মজবুত ও সুচারুভাবে গড়ে তোলার জন্য অত্যন্ত যত্নের সাথে শিক্ষার্থীদের  সহায়তা করেন সর্বোজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষক।

আর তাই সমগ্র বিশ্বের শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ১৯৯৪ সাল থেকে ইউনেস্কোর উদ্যোগে প্রতিবছর ০৫ অক্টোবর তারিখে পালিত হয় “বিশ্ব শিক্ষক দিবস”।

দিবসটির মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়নের মাধ্যমে তাদের যথাযথ সম্মানের আসনে প্রতিষ্ঠিত করা এবং  শিক্ষকদের মূল্যায়ন,গুরুত্ব প্রদান ও জাতি গঠনে তাদের অবিস্মরণীয় অবদানের কথা স্মরণ করা। শিক্ষকতা পেশার যথাযথ স্বীকৃতি, সম্মান ও শিক্ষকতা পেশায় বিদ্যমান সমস্যাসমূহ চিহ্নিত করে সমস্যার সমাধান করা এবং শিক্ষকতা পেশাকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা।

বিশ্বের ভবিষ্যত নাগরিকদের উপযুক্ত শিক্ষকের মাধ্যমে গুণগত মান সম্পন্ন শিক্ষা প্রদানের কথা বিবেচনা করে দিবসটি যথাযথ সম্মানের সাথে পালনের মাধ্যমে স্মরণ করা হয়।

বৈশ্বিক মহামারী করোনার সংক্রমনের কারণে ১৭ মার্চ-২০২০ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর -২০২১ পর্যন্ত এই দীর্ঘ ৫৬৬ দিন দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বিশ্বের শিক্ষা ব্যবস্থায় একটা বিশাল শিখন শূণ্যতা সৃষ্টি হয়েছে। যা সমগ্র বিশ্বের শিক্ষাখাতকে একটি বৃহৎ প্রতিযোগীতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে।আর এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণের উপায় হিসাবে শিক্ষকদের মূখ্য ভূমিকা পালন করতে হবে।

গত ১২ সেপ্টেম্বর -২০২১ থেকে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে এবং শিক্ষা কার্যক্রম পুনরায় স্বাভাবিক হচ্ছে। কিন্তু শিক্ষার্থীদের এই বিশাল শিখন শূণ্যস্থান শিক্ষক,অভিভাবক ও কমিউনিটির সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পূরণ করতে হবে এবং সেক্ষেত্রে  শিক্ষকদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।আর তাই  এবছরের বিশ্ব শিক্ষক দিবসের প্রতিপাদ্য“ Teachers at the heart of education recovery ”- বাংলায় “ শিখন ঘটতি কাটিয়ে উঠার কেন্দ্র বিন্দুতে রয়েছেন শিক্ষকরাই।”

সরকারের গৃহীত  পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা অনুযায়ী গুণগত মানসম্পন্ন সার্বজনীন শিক্ষাকে সফলভাবে বাস্তবায়নের দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের  চরাঞ্চল,নদীভাঙন এলাকা,হাওড়, বাওড়,সমূদ্র উপকূলবর্তী এলাকা, আদিবাসী ও দূর্গম পাহাড়ী এলাকার পিছিয়ে পড়া অনাগ্রসর শ্রেণীর হতদরিদ্র সাড়ে সাত লক্ষ শিক্ষার্থীদের নিয়ে সারাদেশে ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচি তার শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

করোনার সংক্রমণ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আসায় সারাদেশের সরকারি বেসরকারি স্কুলের ন্যায় ব্র্যাক পরিচালিত স্কুলসমূহে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মাস্ক ও তাপমাত্রা মাপার থার্মাল স্ক্যানার, হাতধোঁয়ার জন্য সেনিটাইজার ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করে পরিচালিত হচ্ছে এবং আজ ৫ অক্টোবর -২০২১ রোজ মঙ্গলবার বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে ব্র্যাক পরিচালিত সকল স্কুলে “ আমার শিক্ষক সবার সেরা,আমার অনুপ্রেরণা” Happy Teacher’s Day-এই স্লোগান নিয়ে দিবসটি  পালিত হচ্ছে।দিবসটি উপলক্ষে শিক্ষকদের জানানো হয়েছে বিশেষ সম্মান। এছাড়াও মাসব্যাপি নেওয়া হয়েছে নানা কর্মসূচি।কর্মসূচির মধ্যে আছে অভিভাবকসভা ও শিক্ষিকাদের রিফ্রেশার্সে শিক্ষক দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করা,সকল শিক্ষার্থী কর্তৃক ছবি আঁকা ও গল্প লেখার প্রতিযোগীতার আয়োজন করা।

“বিশ্ব শিক্ষক দিবস”- উপলক্ষে  সকল শিক্ষকদের প্রতি জানাই অকৃত্রিম শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা  ও ভালবাসা।

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশালে সাংবাদিক ‍আলম রায়হানের ‍ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

 

সংগঠন‌কে শ‌ক্তিশালী কর‌তে ঐ‌ক্যের বিকল্প নেই: শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি

 

চাঁদপুরে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় ক‌রে‌ছেন শিক্ষামন্ত্রী আলহাজ্ব  ডা: দীপু মনি এমপি।

মত‌বি‌নিময়কা‌লে শিক্ষামন্ত্রী ব‌লেন, সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হলে ঐক্যের বিকল্প নেই। আমাদের ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ থাকতে পারে। কিন্তু দলের প্রশ্নে আমরা সবাই এক ও অভিন্ন। যারা দায়িত্বে রয়েছেন তাদের উচিত সবাইকে নিয়ে পথ চলা। প্রয়োজনে শাসন করতে পারেন। সামনে আমাদের স্থানীয় নির্বাচন রয়েছে। এই নির্বাচনে অতীতে যেভাবে আমরা সাফল্য পেয়েছি। আশাকরি আগামী দিনেও সেই সাফল্য ধরে রাখতে পারব‌।’

১৭ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে শিক্ষামন্ত্রী দলীয় নেতাকর্মী‌দের সাথে  মতবিনিময়কা‌লে উক্ত কথা ব‌লেন।

তিনি আরও বলেন, ‘আজকে আমাদের শিক্ষা দিবস। এটি হয়তো অনেকেই জানেনা। বঙ্গবন্ধু একটি উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে শিক্ষা ব্যবস্থার উপর জোর দিয়েছিলেন। এই জন্য তিনি শিক্ষা খাতের উন্নয়নে নানা রকম পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। প্রাথমিক শিক্ষা কে জাতীয়করণ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু চেয়েছেন দারিদ্রতা যেন কখনোই শিক্ষার পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। আজকে আমরা বঙ্গবন্ধুর দেখানো সেই পথেই শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন করে যাচ্ছি। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। প্রযুক্তিতে দক্ষ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমরা যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছি আশা করি আমরা অবশ্যই সফল হব।’

চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল এর পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি ডাক্তার জে আর ওয়াদুদ টিপু , ইঞ্জিনিয়ার আব্দুর রব ভূঁইয়া , আব্দুর রশিদ সরদার, সন্তোষ কুমার দাস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব তোফাজ্জল হোসেন এসডু পাটওয়ারী, অ‌্যাড‌ভো‌কেট মজিবুর রহমান ভূঁইয়া, চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান, চাঁদপুর ‌পৌরসভার মেয়র অ্যাড. জিল্লুর রহমান জুয়েল, ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জাহিদুল ইসলাম রোমান।

জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শাহ আলম মিয়া, উপ-দপ্তর সম্পাদক অ্যাড. রঞ্জিত রায় চৌধুরী , তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. বিনয় ভূষণ মজুমদার, প্রচার সম্পাদক আবু নাছের বাচ্চু পাটওয়ারী, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আরশাদ মিয়াজী, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপিকা মাসুদা নূর খান, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী মাঝি, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট হেলাল হোসাইন, জেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি ফরিদা ইলিয়াছ, সদর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির সুমন, পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক মালেক শেখসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ।

//মোঃ হোসেন গাজী, চাঁদপুর//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

অভয়নগরে বোমা বিস্ফোরণে নিহতের সেই বাড়িতে ‌ RAB এর অভিযানে গ্রেনেড বোমা ও গান পাউডার উদ্ধার

 

প্রাথমিক শিক্ষকদের স্কুলে প্রবেশ ৯টায় হলেও ত্যাগের সময় নিয়ে বিপাকে শিক্ষকরা

 

দীর্ঘদিন করোনায় স্কুল বন্ধ ছিল, ১২ সেপ্টেম্বর স্কুল-কলেজ খোলার পর সরকারি প্রাথমিকে চলছে শিখন-শেখান কার্যক্রম। প্রতিদিন ৯ টার মধ্যে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে হচ্ছে শিক্ষকদের। এছাড়া শ্রেণি কার্যক্রম চালাতে শিক্ষকদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুসরণ করতে হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ঘোষিত ১৬ নির্দেশনা।

দেশে অনেক বিদ্যালয় যাদের শ্রেণি কক্ষের সংকট আছে, তাদের দুই শিফট ক্লাস নিতে হচ্ছে। এক্ষেত্রে প্রাথমিক শিক্ষকরা পড়েছেন বিপাকে। তাদের অভিযোগ হল অধিদপ্তর ঘোষিত ক্লাসরুটিনে বিদ্যালয়ের আসার সময় নির্ধারিত থাকলেও, বিদ্যালয় ত্যাগের সময় নির্ধারণ করা নেই। দেশের প্রায় ৯৫ শতাংশ বিদ্যালয়ে ১২ টায় ৫ মিনিটে শ্রেণি পাঠদান শেষ হয়ে যাচ্ছে। অথচ শিক্ষকদের বিকাল ৪ টা পর্যন্ত বিদ্যালয়ে বসে থাকতে হচ্ছে এই করোনা সংক্রমণ ভয়ের পরিস্থিতির মধ্যেও।

এই পরিস্থিতিতে, বিশেষ করে নারী শিক্ষকদের জন্য নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ ও সৃষ্টি হওয়ার আশংকাও থেকে যায়। এই দীর্ঘ ৪ ঘন্টা অলস সময় শিক্ষকদের জন্য বড়ই বিরক্তিকর হয়ে উঠেছে বলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে।

এছাড়া শিক্ষকদের অভিযোগ হল, অনেক উপজেলায় দ্রুত ছুটি হয়ে যাচ্ছে ৷ আবার কিছু উপজেলার শিক্ষকদের ৪টা পর্যন্ত বসে থাকতে হচ্ছে।

যদি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রত্যেক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদেরকে প্রতিদিনের অনুপস্থিতি-উপস্থিতির তথ্যও পাঠাতে নির্দেশ দিয়েছে। শিক্ষকরা বলছে, এই তথ্য ছক পূরণ করতে সর্বোচ্চ ১৫ মিনিট সময় লাগে। অথচ আমাদের প্রায় ৪ ঘন্টা সময় বসে থাকতে হচ্ছে!

একজন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার ভাষ্যমতে, “অধিদপ্তর থেকে আমাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। শিক্ষকরা ৯ টায় বিদ্যালয়ে আসবেন ও দুপুর দেড়টায় বিদ্যালয় ছেড়ে যাবেন। হ্যা, তবে প্রয়োজনে সময় পরিবর্তন করার সুযোগও শিক্ষা অফিসারদের দেয়া হয়েছে।” যদি তাই হয়ে থাকে, তবে শিক্ষকদের এই করোনা পরিস্থিতির মধ্যে কেন এতটা সময় স্কুলে অবস্থান করতে হবে? এমনটাই অভিযোগ শিক্ষকদের।  এহেন পরিস্থিতির অবসানে স্কুল ত্যাগের সময় নির্ধারণ পূর্বক অধিদপ্তরের নির্দেশনা চায় দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

নতুন ক্ষমতা পেলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বরিশাল ৫ আসনের এমপি জাহিদ ফারুক শামিম

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর স্কুল খোলার ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করতে ব্র্যাক এর উদ্যোগ

গতবছর ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা পজেটিভ রোগী সনাক্ত হয়। করোনা সনাক্তের পর নানাবিধ ভয়ভীতি ও আতঙ্কের মধ্যে দিয়ে জনজীবন অতিবাহিত  হওয়ার সাথে সাথে শিশু ও শিক্ষার্থীদের অমূল্য জীবনের ঝুঁকি বিবেচনা করে ১৭ মার্চ-২০২০ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর-২০২১ দীর্ঘ ৫৪৪ দিন পর আজ ১২ সেপ্টেম্বর -২০২১ রোজ রবিবার সারাদেশে একযোগে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ন্যায় ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচি পরিচালিত ৪ হাজারের অধিক বিদ্যালয় খোলার জন্য  নেওয়া হয়েছে  নানাবিধ কর্মসূচি।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর স্কুল খোলার ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করতে ব্র্যাক এর উদ্যোগ

কর্মসূচির অংশ হিসাবে প্রথমেই করা হয়েছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের করোনা বিষয়ে সচেতন, দেওয়া হয়েছে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ২ টি করে মাস্ক। স্কুলঘর ও আশেপাশের পরিবেশকে করা হয়েছে জীবাণুমুক্ত। শিক্ষার্থীদের হাত ধোঁয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে হ্যান্ড ওয়াস স্টেশন, শরীরের তাপমাত্রা মাপার জন্য থার্মাল স্ক্যানার ও হাত জীবাণুমুক্ত করার জন্য হ্যান্ড সেনিটাইজার। শ্রেণীকক্ষে  সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে শিক্ষার্থীদের বসা নিশ্চিত করতে ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রেখে আঁকা হয়েছে গোল চিহ্ন, স্কুল ঘর ও শ্রেণীকক্ষকে সুজ্জিত করা হয়েছে বিভিন্ন রঙবেরঙের বেলুন ও ফুল দিয়ে। টানানো হয়েছে করোনার বিরুদ্ধে সচেতনতা মূলক পোষ্টার ও ব্যানার।শিক্ষার্থীদের জানানো হয়েছে শুভেচ্ছা ও স্বাগতম।

ফলে ব্র্যাক স্কুলের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার হলো অবসান।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর স্কুল খোলার ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করতে ব্র্যাক এর উদ্যোগ

তবে করোনার বিরুদ্ধে এখনও যুদ্ধ শেষ নয় বরং আগামীতে করোনার তৃতীয় ঢেউ দুয়ারে দাঁড়িয়ে।করোনার এই তৃতীয় ঢেউয়ের  বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে আমাদের জয়ী হতে হবে। সুস্থ রাখতে হবে আমাদের আগামী প্রজন্মকে। আজ যারা স্কুলগামী এরাই আমাদের আগামী দিনের সমাজ বিনির্মানের কারিগর। তাই তাদের সুস্থ এবং মানবিক করে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের।

আমাদের আগামী প্রজন্ম, আমাদের সন্তানেরা যাতে সুস্থ, স্বাভাবিক  ও মানবিক হয়ে গড়ে উঠতে পারে এবং করোনার বিরুদ্ধে জয়ী হতে পারি ও আজকের এই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে পারে সেজন্য ব্র্যাকের নেওয়া এই সকল কর্মসূচি স্থানীয় জনগণের পেয়েছে ভূয়সী প্রশংসা।

নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে আজ দেশের সরকারি, বেসরকারি ও এনজিও পরিচালিত  সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হলেও সঠিকভাবে করোনার বিরুদ্ধে বিধিনিষেধ পালন না করা হলে ভবিষ্যতে আবারও হয়তো দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে।

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশাল জেলা প্রশাসক এর উদ্যোগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন

বরিশাল জেলা প্রশাসক এর উদ্যোগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন

//পলাশ চন্দ্র দাসঃবরিশাল//

বরিশাল নগরীতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বরিশাল জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন হায়দার এর উদ্যোগে  ১২ সেপ্টেম্বর রবিবার বরিশাল নগরীতে বেশকিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন বিভাগীয় কমিশনার বরিশাল মোঃ সাইফুল হাসান বাদল ও জেলা প্রশাসক বরিশাল জসীম উদ্দীন হায়দার।

সকাল ১১ টায় সরকারি জিলা স্কুলে পরিদর্শন করেন বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক এসময় তারা অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেন।  সেখান থেকে কালুশাহ সড়ক আলেকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বরিশাল কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ বরিশাল, হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং সিস্টার ডে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপ-পরিচালক প্রাথমিক শিক্ষা মোঃ জালাল উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বরিশাল মোঃ সোহেল মারুফ, জেলা শিক্ষা অফিসার বরিশাল মোঃ আনোয়ার হোসেন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরিশাল মোঃ আবদুল লতিফ মজুমদারসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান! স্কুল খোলার ঐতিহাসিক  মুহূর্তকে স্মরণীয় করতে বিবর্তন যশোর  ভিন্ন উদ্যোগ

 

গতবছর ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা পজেটিভ রোগী সনাক্ত হয়। করোনা সনাক্তের পর নানাবিধ ভয়ভীতি ও আতঙ্কের মধ্যে দিয়ে জনজীবন অতিবাহিত  হওয়ার সাথে সাথে শিশু ও শিক্ষার্থীদের অমূল্য জীবনের ঝুঁকি বিবেচনা করে ১৭ মার্চ-২০২০ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর-২০২১ দীর্ঘ ৫৪৪ দিন পর আজ ১২ সেপ্টেম্বর -২০২১ রোজ রবিবার সারাদেশে একযোগে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নানাবিধ আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে খোলা হলো। ফলে  অসংখ্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হলো।

তবে করোনার বিরুদ্ধে এখনও যুদ্ধ শেষ নয় বরং আগামীতে করোনার তৃতীয় ঢেউ দুয়ারে দাঁড়িয়ে।করোনার এই তৃতীয় ঢেউয়ের  বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে আমাদের জয়ী হতে হবে। সুস্থ রাখতে হবে আমাদের আগামী প্রজন্মকে। আজ যারা স্কুলগামী এরাই আমাদের আগামী দিনের সমাজ বিনির্মানের কারিগর। তাই তাদের সুস্থ এবং মানবিক করে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের।

আমাদের আগামী প্রজন্ম, আমাদের সন্তানেরা যাতে সুস্থ, স্বাভাবিক  ও মানবিক হয়ে গড়ে উঠতে পারে এবং করোনার বিরুদ্ধে জয়ী হতে পারি ও আজকের এই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য বিবর্তন যশোরের কর্মীরা নতুন উদ্যোগ হিসাবে ১.ইসলামিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, (নলডাঙ্গা রোড), ২.আজিমাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৩.মসজিদ মহল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ,  ৪.নওয়াপাড়া আই ডি ই বি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৫.  গ্রীন ল্যাবরেটরী স্কুল এন্ড কলেজ সহ শহরতলীর  মোট ৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে   করোনা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি ও করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য অতি প্রয়োজনীয় সার্জিকাল মাস্ক ও করোনা প্রতিরোধে সুরক্ষা সামগ্রী হাত ধোঁয়ার সাবান বিতরণ করেন।

প্রত্যেক স্কুলে ৩০০ সার্জিকাল মাস্ক ও ৩০ টি করে সাবানসহ মোট ১৫ শত মাস্ক ও ১৫০ টি বিতরণ করা হয়।

নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে আজ দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হলেও সঠিকভাবে করোনার বিরুদ্ধে বিধিনিষেধ পালন না করা হলে ভবিষ্যতে আবারও হয়তো দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার পুনরাবৃত্তি ঘটবে।

//নিজস্ব প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

নলছিটিতে ডিবি পুলিশের হাতে ২কেজি গাজা সহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

 

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবার বন্ধ করা হবে বরোনা সংক্রমন বাড়লে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

 

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়লে আবার বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর মহাখালীর তিতুমীর সরকারি কলেজে বিডিএস প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আর আমাদের দেশ এক নয়। করোনা সংক্রমণ হলে অবশ্যই শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করবে আমরাও সেই ধরনের পরামর্শ দেব।

তিনি বলেন, ১৮ বছরের কম বয়সীদের টিকা দিতে এখনও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকে অনুমতি আসেনি। অনুমতি দিলে শিশুদের টিকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শিশুদের করোনা আক্রান্তের হার কম।

জাহিদ মালেক বলেন, এ মাসে দুই কোটি টিকা পাওয়া যাবে। গণটিকা কার্যক্রম চলমান প্রক্রিয়া। প্রতি সপ্তাহে ৫০ লাখ ডোজ করে টিকা আসবে আগামী তিন মাসে। কোভ্যাক্স থেকে ১০ কোটি টিকা কেনা হবে।

যেখানে যেখানে সম্ভব সেখানে ফাইজার টিকা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

প্রধানমন্ত্রী দেশে শান্তি, উন্নয়ন ও গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছেন : সারমিন সালাম