উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার দুস্থদের মাঝে ঢেউটিন ও টাকা বিতরণ করেন

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপালে দুস্ত ও গৃহহীনদের মাঝে নগদ টাকা ও ঢেউটিন বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (৯ আগষ্ট) বেলা ১২ টায় উপজেলা পরিষদের চত্তরে বন পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার এমপি উপস্থিত থেকে এ সব সামগ্রী বিতরণ করেন।

এ সময় ৩৫ জন দুস্তকে ২ বান্ডিল করে মোট ৭০ বান্ডিল ঢেউটিন ও নগদ ৩ হাজার টাকা করে মোট ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে।

ওই সময় উপস্থিত ছিলেন, রামপাল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজিবুল আলম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নূরুল হক লিপন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হোসনেয়ারা মিলি, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমান, উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মো. গোলজার হোসেন, ছাত্রলীগ সভাপতি মো. হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

বরগুনার আমতলীতে জেলেদের চাল বিতরণ

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলী উপজেলার গুলিশাখালি ইউনিয়নে ১৬৪১ জন নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়েছে।

সামুদ্রিক মৎস্য আহরণে নিষেধাজ্ঞার ৬৫ দিন বিরত থাকা জেলেদের মধ্যে ভিজিএফ চাল ১৬৪১ জন জেলেদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। এতে প্রত্যেক জেলে পরিবার জন প্রতি ৫৬ কেজি করে চাল পেয়েছেন।

মে থেকে জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন সারাদেশে ইলিশ মাছ আহরণ, পরিবহণ, মজুদ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ করেছেন সরকার।

এর ধারাবাহিকতায় গুলিশাখালী ইউনিয়নে ৬৫ দিন (প্রথম ধাপ)সামুদ্রিক মৎস্য আহরণে বিরত থাকা জেলেদের মধ্যে ভিজিএফ এর নিবন্ধিত ১৬৪১ জন জেলেদের মাঝে জন প্রতি ৫৬ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে।

জেলে সামসু মিয়া, নুরু, মান্নান বলেন আমরা ৫৬ কেজি করে চাল পেয়েছি । এখন আমরা এ চাল দিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে তিন বেলা খেয়ে দেয়ে বাচতে পারবো।

চাল পেয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করে জেলে লোকমান হোসেন  বলেন, আল্লাহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেন আবার প্রধানমন্ত্রী হয়। আল্লাহ যেন হ্যার হায়াত বাড়াইয়া দেয়। আমি এই চাল দিয়া বউ মাইয়া পোলা ও মায়েরে নিয়া তিন বেলা খাইতে পারবো।

উদ্বোধন করেন ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এইচএম মনিরুল ইসলাম( মনি)।

গতকাল ১ জুলাই থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়। সকাল ১১টায় উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়ন কমপ্লেক্সে এ চাল বিতরণ করা হয়।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন,  আমতলী সিনিয়র  মৎস্য কর্মকর্তার প্রতিনিধি ( ট্যাগ অফিসার) ইসরাত হিমেল,  ইউপি সচিব নোঃ জাকির হোসেন ও সকল ইউপি সদস্যরা।

এখন আমরা এ চাল দিয়ে পরিবারের সবাই খেয়ে দেয়ে বাচতে পারবো- আমতলীতে এক জেলের কথা

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলী উপজেলার গুলিশাখালি ইউনিয়নে ১৬৪১ জন নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়েছে।

সামুদ্রিক মৎস্য আহরণে নিষেধাজ্ঞার ৬৫ দিন বিরত থাকা জেলেদের মধ্যে ভিজিএফ চাল ১৬৪১ জন জেলেদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। এতে প্রত্যেক জেলে পরিবার জন প্রতি ৫৬ কেজি করে চাল পেয়েছেন।

মে থেকে জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন সারাদেশে ইলিশ মাছ আহরণ, পরিবহণ, মজুদ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ করেছেন সরকার।

এর ধারাবাহিকতায় গুলিশাখালী ইউনিয়নে ৬৫ দিন (প্রথম ধাপ)সামুদ্রিক মৎস্য আহরণে বিরত থাকা জেলেদের মধ্যে ভিজিএফ এর নিবন্ধিত ১৬৪১ জন জেলেদের মাঝে জন প্রতি ৫৬ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে।

জেলে সামসু মিয়া, নুরু, মান্নান বলেন আমরা ৫৬ কেজি করে চাল পেয়েছি । এখন আমরা এ চাল দিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে তিন বেলা খেয়ে দেয়ে বাচতে পারবো।

চাল পেয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করে জেলে লোকমান হোসেন  বলেন, আল্লাহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেন আবার প্রধানমন্ত্রী হয়। আল্লাহ যেন হ্যার হায়াত বাড়াইয়া দেয়। আমি এই চাল দিয়া বউ মাইয়া পোলা ও মায়েরে নিয়া তিন বেলা খাইতে পারবো।

উদ্বোধন করেন ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এইচএম মনিরুল ইসলাম( মনি)।

গতকাল ১ জুলাই থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়। সকাল ১১টায় উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়ন কমপ্লেক্সে এ চাল বিতরণ করা হয়।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন,  আমতলী সিনিয়র  মৎস্য কর্মকর্তার প্রতিনিধি ( ট্যাগ অফিসার) ইসরাত হিমেল,  ইউপি সচিব নোঃ জাকির হোসেন ও সকল ইউপি সদস্যরা।

খুলনার ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নে ঈদুল আযহা উপলক্ষে দুস্থদের মাঝে চাল বিতরণ

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি খুলনা //

ডুমুুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া  ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে আসন্ন ঈদুল আযহা  উপলক্ষে দুস্থদের মাঝে ভিজিএফ এর চাল বিতরণ করা হয়েছে ।

২৫ জুন রবিবার সকালে  ইউনিয়নের ১৭৫০ জন দুস্থ মানুষের  মাঝে  ১০ কেজি  চাল বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন  ইউপি  চেয়ারম্যান শেখ দিদারুল হোসেন দিদার,  ট্যাগ অফিসার  মোঃ শাহ আলম মাতুব্বর , ইউপি সচিব হেকমত আলী সরদার, ইউপি সদস্য শেখ হজরত আলী, আবুল কাশেম মোল্যা, মুজাফ্ফার হোসেন মোল্যা, আঃ হালিম সরদার,শেখ মহাসিন হোসেন,সন্জয় মল্লিক,মুক্তার হোসেন, লুৎফর রহমান, শেখ রবিউল ইসলাম, আলেয়া বেগম, শিউলি বেগম,রাশিদা বেগম,  সহ গ্রাম পুলিশ সদস্যরা।

 

 

রামপালে কৃষকদের মাঝে উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহারের বীজ-সার বিতরণ

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপালে ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের মাঝে উচ্চ ফলনশীল জাতের বিভিন্ন প্রকারের বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

রোববার সকাল ৯ টায় উপজেলা কৃষি অফিস মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপমন্ত্রী হাবিবুন নিহার এমপি এসব উপকরণ বিতরণ করেন।

রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজিবুল আলমের সভাপতিত্বে উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন, উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ মোয়াজ্জেম, ভাইস চেয়ারম্যান নূরুল হক লিপন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হোসনেয়ারা মিলি, কৃষি কর্মকর্তা মো. অলিউল ইসলাম, রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলম প্রমুখ।

এ সময় ১ হাজার ১০০ জন কৃষককে ৫ কেজি আমন জাতের উফশী বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার, ১০ কেজি এমওপি সার, ৭০ জন কৃষককে আমন হাইব্রীড ২ কেজি করে ও ৫৫০ জন কৃষককে ৫ টি করে নারকেলের চারা দেওয়া হয়েছে। রামপাল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অলিউল ইসলাম বলেন, আসন্ন বর্ষা মৌসুমে যাতে কৃষকগণ যথা সময়ে আমন ধান রোপণ করতে পারেন, সে জন্য দ্রুত ব্যবস্হা নেওয়া হয়েছে।

উপকূলীয় এ উপজেলায় বনায়নের জন্যে সরকার সব ধরণের ব্যাবস্হা গ্রহন করেছে। আমরা কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও উপকরণ দিয়ে দক্ষ করে গড়ে তুলছি। অনুষ্ঠানে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, উপসহকারী কর্মকর্তাসহ কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।

খুলনার ডুমুরিয়ার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের বিনা মূল‍্যে বীজ সার ও গাছের চারা বিতরন

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//
ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি দপ্তেরের আয়োজনে ২৩ জুন শুক্রবার সকালে ২২-২৩ অর্থ বছরে খরিপ -২ মৌসুমে প্রনোদনা কর্মসূচীর আওতায় রোপা আমন ধানের (উপশী)জাতের বীজ সহায়তা ঊৎপাদনে বৃদ্ধিতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের চাষাবাদে ২ শতাধিক কৃষককে  বিনা মূল‍্যে বীজ সার ও গাছের চারা বিতরন করা হয়েছে।
এ উপলক্ষ‍্যে অফিসার্স ক্লাবে এক অনুষ্ঠান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরীফ আসিফ রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র বক্তব‍্য দেন সাবেক মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি, স্বাগত বক্তব‍্য দেন উপজেলা কৃষি অফিসার ইনসাদ ইবনে আমিন, কৃষি সম্প্রাসারন কর্মকতা মো: ওয়ালিদ হোসেন, প্রেস ক্লাবের সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর আলম, ইউপি সদস‍্য খান আবু বক্কার, এসওপিপিও পরাঞ্জয় মন্ডল, ঊপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা তুষার বিশ্বাস, কৃষক পঙ্কজ কুন্ডু প্রমুখ।  প্রধান অতিথি বলেন কৃষক বাংলাদেশের প্রান ।
জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন দেশ মানুষকে  সুখী সম্মৃদ্ধ  উন্নযনের বাংলাদেশ গড়ার । তারই লক্ষ‍্যে কাজ চালউপজেলার দু’শতাধিক  কৃষকদের বীজ ও সার এবং নারকেল  গাছের চারা বিতরন।

ডুমুরিয়ায় আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পইন ও ওষুধ বিতরন

জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি  খুলনা।।

ডুমুরিয়ায়  আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পইন ও বিনা মূল্যে ওষধ বিতরন করা হয়েছে।

২১ জুন বুধবার সকালে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এক আলোচনা সভা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরীফ আসিফ রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত  ছিলেন শাহ্ আহম্মেদ ফজলে রাব্বী উপ মহা পরিচালক আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী খুলনা, এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা কমান্ডার সেলিমুজ্জামান, চন্দন দেবনাথ অধিনায়ক ও আনসার ব্যটেলিয়ান,মাজাহারুল ইসলাম জেলা কমান্ডার বাগেরহাট, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মিশু দে ,আবাসিক মেডিকেল অফিসার উজ্জল সরকার, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মোহসেনা ফেরদৌস, ডাক্তার তিথি রায় ও মিঠুন চক্রবর্তী প্রমুখ।

উপজেলা ১৪টি ইউনিয়নের ৫ শতাধিক আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের মাঝে  ফ্রি মেডিকেল সেবা ও বিনা মূল্যে ওষধ বিতরন হয়।

খুলনার ডুমুরিয়ার অদম‍্য মেধাবী হতদরিদ্র আম্বিয়ার  শিক্ষার সহায়তায় পাশে দাড়ালেন উপজেলা প্রশাসন ও শেয়ার বাংলাদেশ

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//

অভাবী পিতার  সংসার নুন আনতে পান্তা পোহায়।  তাই সকল অভিমানের সঙ্গে লড়াই করে অদ‍ম‍্য ইচ্ছা শক্তি ও  নিজের একক প্রচেষ্টায় ভালো ফলাফল করা যায় তারাই  অনন‍্য দৃষ্টান্ত ডুমুরিয়া উপজেলা কাঞ্চননগর গ্রামের মেধাবী আম্বিয়া খাতুন।

সৈয়দ ঈসা ট‍েক‍্যনিকাল কলেজ এন্ড বিজনেস কলেজে থেকে মানবিক বিভাগ থেকে এবছর জিপিএ -৫ পেয়ে সাফল‍্যের সাথে উর্ত্তীন হয়েছে। জীবন সংগ্রামী আম্বিয়ার সকল কষ্টের মাঝে একটি স্বপ্ন ছিল মানব সেবা সরকারী নার্সিং এ পড়ার। কিন্ত  প্রবল ইচ্ছা শক্তি যেন  চান্স না পাওয়ায় কিছুটা হতাশা গ্রস্থ। অর্থের অভাবে ভার্সিটি কোচিং এবং ফরম পুরুন করে পারেনি। একদিকে ঘরে একমাত্র আয়ক্ষম ব‍্যক্তি পিতা অসুস্ত হয়ে ঘরে বসে আছে ।

ইউনিয়ন পরিষদের মাধ‍্যমে জানতে পেরে পিতার জন‍্য সমাজসেবা দপ্তরের প্রতিবন্ধী সনাক্ত কার্যক্রমের প্রতিবন্ধী জন‍্য আবেদন করা হয়। যাছাই বাছাই প্রক্রিয়ার সময় আম্বিয়ার অসায়ত্বের কথা  সমাজসেবা কর্মকর্তা সূব্রত বিশ্বাসের  নিকট তুলে ধরেন। তিনি আম্বিয়াকে ইতি বাচক প্রতিশ্রুতি প্রদান করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরীফ আসিফ রহমানকে অবগত করেন। পরবর্তীতে  শেয়ার বাংলাদেশ জিইপি এনজিও প্রশাসনের আহবানে সাড়াদিয়ে মেধাবী আম্বিয়ার   শিক্ষা সহায়তা হিসাবে ভর্তির জন‍্য মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কক্ষে নির্বাহী কর্মকতা শরীফ আসিফ রহমানের উপস্থিতে ৫  হাজার টাকা প্রদান করেন।  এ সময় উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা কর্মকর্তা সুব্রত বিশ্বাস, শেয়ার বাংলাদেশ জিইপি এরিয়া কোঅডিনেটর সরকার রজারুনা, জুনিয়ার কোঅডিনেটর শামীমা সুলতানা আম্বিয়া খাতুন ও তার মা শিরিনা বেগম।

জীবন সংগ্রামী আম্বিয়া সাথে কথা বলে জানা গেছে,   অশিক্ষিত পিতার স্বপ ছিল মেয়েকে লেখাপড়া শিখিয়ে বড় করার  । দিন মজুর পিতা অন‍্যের বাড়িতে বিশুদ্ধ পানি সরবারাহের যত সামান‍্য আয় ও পাশাপাশি  ভ‍্যান গাড়ী চালিয়ে তাদের সংসার চলতো। সে লক্ষ‍্য নিয়ে যাত্রা শুরু বেতাগ্রাম সরকারী প্রাইমারী থেকে প্রাথমিকে ৩.৯২গেড, এরপর বেতাগ্রাম  মাধ‍্যমিক বিদ‍্যালয় হতে ৮ম শ্রেনীতে ৪.৫০ একই বিদ‍্যালয় হতে এসএসসিতে  ৪.৮৩ গ্রেড পেয়ে আঠারো মাইল সৈয়দ ঈসা টেক‍‍নিক‍্যাল বিজনেস কলেজে ভর্তি হই। পিতার অর্জিত আয়ে ৪জনের সংসারে চলছিল এমন সময় পিতা আ: রব শেখ এক দুঘটায় পড়ে পা ভেঙ্গে অসুস্থ হয়ে পড়ে ।

সকলে সহযোগিতা ও এক খন্ড জমি বিক্রি করে চিকিৎসা করা হয়। কিন্ত পা আগের মতো হলো না। ঘরে বসেই কাটতে লাগলো। পিতা মাতার ও ছোট ভাই  কষ্টের সংসার চলে না তাই কলেজের একাদশে ভর্তি হয়ে আয়ের সন্ধ‍ানে ঢাকা একটি গার্মেন্টস ফ‍্যাক্টরী কাজ করতে  গিয়ে ছিলাম তিন মাস করার পর কলেজ কর্তৃপক্ষ কলেজে না যাওয়া আমার সাথে কথা বলেন। এর পর ফিরে এসে নিজে কঠোর পরিশ্রম করে লেখাপড়ায়  মনোযোগী হয়ে  পরীক্ষা জিপিও -৫ পেয়ে উর্ত্তীণ হলাম।  ভাল কলেজে ভর্তি হওয়ার স্বপ্ন ছিল কিন্ত সাধ আছে সাধ‍্য নেই  তাই ঐই  ভাবনার দিকে না তাকিয়ে  সরকারী নার্সিং  এ পড়ার বাসনা নিয়ে ফরম পুরন করি। চান্স হয়নি তাই আপেক্ষটা কষ্টের।

অনার্সে ভর্তি হতে না পেরে বাড়িতে বসে আছি। পিতাকে প্রতিবন্ধী জন‍্য আবেদন করি উপজেলা সমাজসেবা দপ্তরে। সনাক্তের সময় কর্মকতার কাছে আমাদের অসহাত্বের কথা জানাই এরপর  ইউএন ও সারের মাধ‍্যমে শেয়ার বাংলাদেশ জিইপি প্রকল্পের আপারা আমাকে ডেকে এনে  ভর্তি ফি বাবদ ৫ হাজার টাকা দিয়েছেন এবং উচ্চ শিক্ষার জন্যে আরো খরচের জন‍্য প্রতিমাসে পাচ শত টাকার আশ্বাস প্রদান করেন।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা  সুব্রত বিশ্বাস বলেন এ ঘটনা জানার পর নির্বাহী কর্মকর্তা শরীফ আসিফ রহমান স‍্যারের  পরামর্শে   শেয়ার বাংলাদেশ জিইপি নামের একটি এনজিওকে বললে তারা এগিয়ে আসে। এ ছাড়া উপজেলা সমাজ সেবা দপ্তরের মাধ‍্যমে শিক্ষা ভাতা ও তার পিতার চিকিৎসা জন‍্য অনুদানের জন‍্য ব‍্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে ।

এ বিষয়ে শেয়ার বাংলাদেশ জিইপি প্রকল্পের এরিয়া কো-অর্ডিনেটর সরকার রজা রুনা জানান, জিইপির উদ‍েশ‍্য  সুবিধা বঞ্চিত হত দরিদ্র পিছিয়ে পড়া শিশুদের (মেয়ে) উচ্চ শিক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দক্ষ জনশক্তিতে রুপান্তিত করা এবং তাদের জীবন মান উন্নত করা।

ডুমুরিয়ার ভান্ডারপাড়া আবাসনে দলিত-এর বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও শিক্ষা উপকরণ বিতরন

 //  বিশেষ প্রতিনিধি, খুলনা //

ডুমুরিয়ার ভান্ডারপাড়া আবাসনে দলিত-এর উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও শিক্ষা উপকরণ বিতরন করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে গতকাল  ভান্ডারপাড়া আশ্রয়নে এক  অনুষ্ঠান দলিত এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার মিসেস ধরা দেবী দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে  অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  উপজেলা ( প্রাথমিক )সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়ন্তা ঢালী। আরো উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য মাহাবুর রহমান, ভান্ডারপাড়া আশ্রয়নের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর জব্বার, সহকারী শিক্ষক সুনীল মন্ডল, দলিত এর স্পন্সরশীপ অফিসার বিপ্লব মন্ডল, প্রোগ্রাম অর্গানাইজার বিপ্লব দাস (নীরব), সহকারী মেডিকেল অফিসার ডাক্তার তনিমা দাস, কমিউনিট মোবিলাইজার বিপ্লব দাস প্রমূখ ।

ভান্ডারপাড়া আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের জন্য বিনামুল্যে চিকিৎসা ও শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে শিশু থেকে ১০ম শ্রেনী পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদের মাঝে শিক্ষা উপকরন (খাতা, কলম, স্কেল, পেন্সিল) ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য সাবান প্রদান করা হয়।

ডুমুরিয়ায় আটলিয়া আইপিএম মডেল ইউনিয়নের কৃষক গ্রুপকে ভ‍্যান ও ক‍্যারেট বিতরন

  //বিশেষ প্রতিনিধি, খুলনা //

ডুমুরিয়ার আটলিয়া আইপিএম মডেল ইউনিয়ন কৃষক গ্রুপের মধ‍্যে ২০ টি পন‍্য পরিবহন  ভ‍্যান ও ৫’ শতটি ক‍্যারেট বিতরন করা হয়। পরিবেশ বান্ধব কৌশলে মাধ‍্যমে নিরাপদ ফসল উৎপাদন প্রকল্পের ( প্রথম সংশোধিত) আওতায়  নিরাপদ সবজি পরিবহন জন‍্য এ সকল ভ‍্যান ও ক‍্যারেট বিতরন করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে রবি ও খরিপ -১  মৌসুমে আইপিএম মডেল ইউনিয়নে কৃষকরা দু শত একর জমিতে নিরাপদ সবজি উৎপাদন করেন। এসকল কৃষকদেরকে উপজেলা  কৃষি অফিস  সার্বক্ষণিক প্রশিক্ষণ ও নিরাপদ সবজি উৎপাদনের  প্রর্দশণী প্লট স্থাপন,  পলিমালচ মাধ‍্যমে সবজি উৎপাদন, উন্নত মানের বীজ, জৈব সার, ফেরোমোন ফাঁদ, হলুদ ফাঁদ, নীল ফাঁদ, জৈব‍ বালাই নাশক প্রদান করা হয়।

এছাড়া প্রকল্পের মাধ‍্যমে  পাঁচ শত জন কৃষক হাতে কলমে প্রশিক্ষত হয়েছেন। উপজেলা কৃষি অফিসার ইনসাদ ইবনে আমিন বলেন উপজেলা  ব‍্যাপক সবজি উৎপাদন হয়। এ উপজেলা কৃষিতে মডেল। পরিবেশ বান্ধব কৌশলে মাধ‍্যমে নিরাপদ ফসল উৎপাদন প্রকল্পের  আওতায় কৃষক  যাতে নিরাপদ সবজি উৎপাদন করে সেই লক্ষ্যে কৃষি দপ্তর কাজ করছে। কৃষকরা নেট হাউজের মাধ‍্যমে নিরাপদ ও বিষ মুক্ত সবজি উৎপাদন করতে পেরে  কৃষকরা খুশি। এ ছাড়া এ পদ্ধতিতে সবজি উৎপাদনে  উপজেলায় ব‍্যপক সাড়া পড়েছে। এ সবজির বাজার মূল‍্যেও  বেশি পাচ্ছেন।