বেগম জিয়ার বিদেশে চিদিৎসা বিষয়ে বিএনপি এমপিদের নতুন সিদ্ধান্ত

দলটির একাধিক নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে কথা বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে  বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার অনুমতি না পেলে সংসদ থেকে দলীয় সদস্যরা পদত্যাগ করতে পারেন।

তারা জানান, সংরক্ষিত নারী আসনসহ বিএনপির সাতজন সংসদ সদস্য (এমপি) রয়েছেন। দলের চেয়ারপারসনের শারীরিক অবস্থা এখন চরম খারাপ। যা নিয়ে তৃণমূলসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উদ্বিগ্ন।

এ অবস্থায় সরকার মানবিক বিবেচনায় বিদেশে সুচিকিৎসার অনুমতি দেবে বলে সবার প্রত্যাশা। তা না হলে কঠোর কর্মসূচির বাইরেও সংসদ থেকে দলীয় সদস্যদের পদত্যাগের কথা চিন্তা করা হচ্ছে।

জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিএনপির সংসদ সদস্য জিএম সিরাজ খালেদা জিয়াকে মানবিক দিক বিবেচনায় দু-এক দিনের মধ্যে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবি জানান।

এ সময় তিনি বলেন, বিএনপির ছয়জন (সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ছাড়া) এ সংসদে আছেন। আওয়ামী লীগের বন্ধুরা বলেন, এটা এ পার্লামেন্টের জন্য অলংকার। তাই বলতে চাই, আমাদের সংসদ নেতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, যদি আমরা সত্যি সত্যি অলংকারই হয়ে থাকি তাহলে পার্লামেন্ট অলংকারবিহীন করবেন না। এ কারণে আমাদের দলীয় সিদ্ধান্তে এমনও হতে পারে, ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) যদি চরম অবস্থায় চলে যান, তাহলে হয়তো এ পার্লামেন্টে আমাদের থাকা সম্ভব নাও হতে পারে।

বিএনপি সূত্র জানায়, শনিবার স্থায়ী কমিটির বৈঠকে দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসার সবশেষ অবস্থা সম্পর্কে অবহিত করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৈঠকে খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত বিদেশে পাঠানো দরকার-মেডিকেল বোর্ডের এমন পরামর্শের কথা তুলে ধরা হয়। একইসঙ্গে বিদেশে নিতে পরিবারের আবেদনের বিষয়েও অবহিত করা হয়। এ সময় নেতারা বিদেশে নেওয়ার ব্যাপারে সরকার থেকে অনুমতি পাওয়া ও না পাওয়া-দুটি দিক নিয়েই আলোচনা করেন।

দলীয় প্রধানের শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে সরকার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেবে বলে প্রত্যাশা করেন নেতারা। অনুমতি না দেওয়া হলে কর্মসূচির পাশাপাশি সংসদে থাকা দলীয় সদস্যদের পদত্যাগের বিষয়টি বৈঠকে উঠে আসে।

কিন্তু বিদেশে চিকিৎসার ব্যাপারে বুধবার সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য বিএনপির সিনিয়র নেতাদের কাছে অপ্রত্যাশিত ছিল। পরে করণীয় নিয়ে রাতে বেশ কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলেন দলটির হাইকমান্ড।

নেতারা সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য কঠোর কর্মসূচিসহ দলীয় সংসদ সদস্যদের পদত্যাগের বিষয়ে পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে সরকারের সঙ্গে তার (খালেদা জিয়া) পরিবারের সদস্যদের আরও আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

একাদশ জাতীয় সংসদে বিএনপির সংদস্যরা হলেন-উকিল আব্দুস সাত্তার (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২), হারুনুর রশীদ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩), আমিনুল ইসলাম (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২), মোশাররফ হোসেন (বগুড়া-৪), জাহিদুর রহমান (ঠাকুরগাঁও-৩) ও গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) সিরাজ (বগুড়া-৬)। এছাড়া সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির একমাত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

হারুনুর রশীদ যুগান্তরকে বলেন, পদত্যাগের বিষয়ে সংসদে দেওয়া জিএম সিরাজের বক্তব্যের সঙ্গে আমরা সব সংসদ সদস্য একমত। ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) মুক্তি ও সুচিকিৎসা নিয়ে তার পরিবার ও দল থেকে বারবার দাবি জানিয়ে আসছে। কিন্তু সরকার তা কৌশলে এড়িয়ে যাচ্ছে। বিএনপি চেয়ারপারসনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে এর দায়-দায়িত্ব সরকারের ওপর পড়বে। তখন পার্লামেন্ট থেকে আমরা বেরিয়ে যেতে পারি।

মোশাররফ হোসেন বলেন, দল যদি চায় আমাকে পদত্যাগ করতে হবে, আমি করব। এটা তো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আমাদের আবেগের জায়গা। আমরা পার্লামেন্টে থেকেও ম্যাডামের চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার আবেদন করেছি। সেই সুযোগটুকু তারা দিচ্ছেন না। বিএনপির সংসদ সদস্যরা সবাই মিলে পদত্যাগ করতে পারেন।

তিনি বলেন, ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) মুক্তি ও চিকিৎসা নিয়ে সংসদে বারবার কথা বলেছি। এও বলেছি, এত মানবতা দেখিয়েছেন, আরেকটু মানবতা দেখিয়ে অন্ততপক্ষে সুচিকিৎসাটা দেন। চিকিৎসা তো একটা মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। তিনি (খালেদা জিয়া) নারী নেত্রী, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী যে চেয়ারে বসেন, ওই একই চেয়ারে দেশনেত্রী বসতেন। তাদের অনেকেরই যখন চিকিৎসা দরকার হয়, তখন বিদেশ থেকে চার্টার প্লেন এনে নেওয়া হচ্ছে। আর ম্যাডামকে মুক্তি দেওয়ার অর্থ তো আক্ষরিক অর্থে মুক্তি নয়। তিনি অত্যন্ত অসুস্থ। তাকে অন্তত সুচিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানো উচিত। বিএনপি তো ছোট দল নয় যে দলীয় চেয়ারপারসন চলে গেলে আর দেশে আসবেন না।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বাংলাদেশে দেখা যাবে ৫৮০ বছরের দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ

 

 

বরিশালে এইচএসসি শিক্ষার্থীদের  টিকাদান কার্যক্রম শুরু

//পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল প্রতিনিধি //

বরিশালে শুরু হয়েছে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের টিকাদান কর্মসূচী  (১৫) নভেম্বর সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় নগরের বরিশাল ক্লাব অমৃতলাল দে মিলনায়তনে টিকাদান কেন্দ্রে মহানগরীর এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

এসময় বরিশাল স্বাস্থ্য পরিচালক ডা: বাসুদেব কুমার দাস, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। সিটি মেয়র জানান আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষা উপলক্ষে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনার জন্য আজ থেকে বরিশালে এই টিকা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী ২৫ নভেম্বরের মধ্যে বরিশাল জেলার মোট ৪৬ হাজার শিক্ষার্থীকে টিকার আওতায় আনা হবে। উদ্ধোধনের পরপরই সিটি মেয়র সেরনিয়াবাদ সাদিক আব্দুল্লাহ কেন্দ্রে নিজে ঘুড়ে ঘুড়ে শিক্ষার্থী ও রেড ক্রিসেন্ট এর স্বেচ্ছাসেবকদের নির্দেশনা দিয়ে টিকা কার্যক্রমের তদারকি করেন।  আজ প্রথম দিন ১ হাজার শিক্ষার্থীকে ফাইজারের টিকা প্রদান করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা তাদের রেজিস্ট্রেশন ফরম দেখিয়ে টিকার ফরম পূরন করে তাৎক্ষনিক টিকা গ্রহন করছে। টিকা নেয়ার পর সবাই সুস্থ্য আছেন বল মন্তব্য করেন শিক্ষার্থীরা।

জেনে নিই ডায়াবেটিস কমানোর দৈনন্দিন ঘরোয়া খাবার

বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্তের হার দিন দিন বাড়ছে। আমাদের রক্তে শর্করার (ব্লাড সুগার) পরিমাণ সারাদিন ধরে অল্প মাত্রায় বাড়ে ও কমে। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে এই ফারাকটা অনেক বেশি হতে পারে। শর্করা বেড়ে গেলে যেমন সমস্যা হয়, তেমনি কমে গেলেও ঘটতে পারে বিপদ। রক্তে শর্করার সঙ্গে সম্পর্কিত জটিলতা থেকে রক্ষা পেতে এর ভারসাম্যের বিষয়টি বোঝা জরুরি।

তবে এ অবস্থাটি প্রাণঘাতী হলেও কিছু সাধারণ জীবনধারার পরিবর্তনের মাধ্যমে এবং কিছু সহজ ঘরোয়া প্রতিকার অনুসরণ করে এ অবস্থাটিতে অনেকটাই ভালো থাকা যায়।

আসুন জেনে নেওয়া যাক যে ৬ খাবার প্রাকৃতিকভাবেই কমায় রক্তে শর্করা—

১. মেথি দানা

মেথি দানা আপনার রক্তে শর্করার পরিমাণ কমিয়ে আপনার ডায়বেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করতে পারে। আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ডায়াবেটিস রোগীদের নিয়মিত মেথির দানা খাওয়া উচিত। এর জন্য সকালে খালি পেটে মেথি ভেজানো পানিও পান করা যেতে পারে।

২. করলা

ডায়াবেটিস রোগের জন্য করোলা অনেক উপকারী একটি খাবার। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় করলা অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করা  উচিত। এটি হাইপোগ্লাইসেমিক জৈব-রাসায়নিক পদার্থে সমৃদ্ধ। পদার্থটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে অনেক ভালো কাজ করে।

৩. আমলকী

আমলকী কার্বোহাইড্রেট শোষণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এ ছাড়া এতে থাকা ক্রোমিয়ামের উপস্থিতি ইনস্যুলিন সংবেদনশীলতায় সাহায্য করে। তাই রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে এটিকে কাঁচা বা রস করে খেতে পারেন।

৪. বিভিন্ন মসলা

বিভিন্ন  মসলারও কিন্তু ডায়াবেটিস প্রতিরোধক গুণ রয়েছে। তাই এ ধরনের মসলা যেমন—  হলুদ, সরিষা, দারুচিনি ও ধনেপাতা অবশ্যই ডায়াবেটিস রোগীরা খেলে উপকার পাবেন।

৫. ছোলা ডাল

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অনেক ভালো একটি খাবার হচ্ছে ছোলা ডাল। যাদের ডায়াবেটিস রোগ নেই, তাদের এই রোগ হওয়ার ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি এটি দীর্ঘস্থায়ী ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্যও উপকারী হিসেবে কাজ করে।

৬.জাম

জাম ইনসুলিন নিয়ন্ত্রণে এবং ইনসুলিনের উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে। এর জন্য ৪-৫টি জামের পাতা এবং জাম চিবিয়ে খেলে সুগারের মাত্রা কমতে পারে।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনা জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

 

কলার মোচার কল্পনাতীত গুণাবলী জেনে নিন

কলাতে যেসব পুষ্টি উপাদান থাকে, তার সবই আছে কলার মোচায়। পাশাপাশি মোচাতে আরও থাকে মেন্থলের নির্যাস, যা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। বিশেষজ্ঞদের মতে, উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে মোচা।

অ্যান্টি ডিপ্রেশনের জন্য আলাদা করে কোনও ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন নেই। কলার মোচা প্রাকৃতিকভাবেই ডিপ্রেশন কাটাতে সাহায্য করবে। এতে আছে ম্যাগনেশিয়াম যা উদ্বেগ ও হতাশা কমায়। মন ভালো রাখার হরমোনের ক্ষরণ বৃদ্ধি পায়।

এছাড়াও এটি ভিটামিন বি সিক্স, সি, ই, প্রোটিন ও আঁশ সমৃদ্ধ। কলার ফুল রজঃকালীন ব্যথা কমায় এবং প্রোজেস্টেরন উৎপাদন বৃদ্ধি করে রক্ত স্বল্পতা হ্রাস করে। কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফোলা ভাব এবং ‘পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম (পিসিওএস) নিয়ন্ত্রণে রাখে।

কলার মোচায় আছে ফেনলিক অ্যাসিড এবং অন্যান্য ‘বায়োঅ্যাক্টিভ’, যা রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। কলার ফুল বা মোচায় রয়েছে প্রাকৃতিক ‘গ্যালাক্টাগাগ’ যা স্তন্যদানকারী মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধি করে।

মোচায় রয়েছে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তাই কলার মোচা অকালে বৃদ্ধ হওয়া ও বয়সের ছাপ পড়া ধীর করে ও বলিরেখা কমায়। কলার মোচায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উন্মুক্ত ‘রেডিকল’য়ের বিরুদ্ধে কাজ করে। হৃদরোগ ও ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

নিয়মিত মোচা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। যারা মোচা খান, তারা ডায়াবেটিসের সমস্যায় কম ভোগেন। জীবনযাপনের নানা সমস্যার কারণে অনেকেই পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোমের সমস্যায় ভোগেন। মোচা এ সমস্যা আটকাতেও সাহায্য করে।

মোচার ফেনোলিক এসিড, ট্যানিনের মতো কিছু উপাদান ক্যান্সার প্রতিহত করতে সাহায্য করে।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

 ২৬ মাওবাদী বিদ্রোহী নিহত মহারাষ্ট্রের বন্দুকযুদ্ধে

অস্ত্রোপচারের পর কেবিনে নেওয়া হয়েছে খালেদা জিয়াকে

//অনলাইন নিউজ//

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে একটি অস্ত্রোপচারের পর আইসিইউ থেকে কেবিনে নেওয়া হয়েছে। সোমবার রাতে তাকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়।

এর আগে এভারকেয়ার হাসপাতালে তার অস্ত্রোসম্পন্ন হয়। খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জাহিদ হোসেন বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ডা. জাহিদ হোসেন জানান, খালেদা জিয়ার একটি মাইনর অপারেশন করা হয়েছে। এখন তিনি আইসিইউতে আছেন।

ডা. জাহিদ বলেন, ‘ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) ছোট একটি বায়োপসি করা হয়েছে। অপারেশনের পরে তার সঙ্গে ছেলে তারেক রহমান কথা বলেছেন। ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দারও কথা বলেছেন। ছোট ছেলের স্ত্রী সৈয়দা শর্মিলা রহমান সিথি কথা বলেছেন।’

তিনি বলেন, এখন তিনি (খালেদা জিয়া) ভালো আছেন।

 

 

 

 

এনায়েত ফেরদৌস সেবা সংঘের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান

খুলনা প্রতিনিধি :

এনায়েত ফেরদৌস সেবা সংঘের উদ্যোগে গগতকাল সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ মোঃ আশিফুর রহমান (এমবিবিএস) এফসিপিএস ও গাইনী রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ জান্নাতুল ফেরদৌসি (মিমি) এমবিবিএস তেরখাদা ইছামতি ইভান স্পোর্টিং ক্লাব ভবনে বিনামুল্যে এ চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন। সকালে সেবা প্রদানের আনুষ্ঠানিক ভার্সোয়াল উদ্ভোদন করেন ইভান স্পোর্টিং ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, সাংবাদিক নেতা, বিশিষ্ট সমাজ সেবক এনায়েত ফেরদৌস।

এসময় শতাধিক রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। এলাকার সাধারন মানুষ বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পেয়ে সাংবাদিক নেতা, বিশিষ্ট সমাজ সেবক এনায়েত ফেরদৌস এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

৬৫ লক্ষ টাকা লিটারের পানি পান করেন নীতা আম্বানি

আপনি যেসব পানি কিনে পান করেন তার ১ লিটারের দাম কতো হবে? সর্বোচ্চ কত টাকার পানি কিনেছেন আপনি? মাঝে মাঝে কোনো রেস্টুরেন্টে পানাহার করতে গিয়ে পানির দাম দিতে গিয়ে হয়তো চোখ চড়কগাছ হয়েছে আপনার। সেখানে আর কতো রেখেছে, ২০ টাকার পানি হয়তো আপনার কাছ থেকে ১০০ টাকা নিয়েছে। কিন্তু রিলায়্যান্সের মালিক মুকেশ আম্বানীর স্ত্রী নীতা আম্বানী যে পানি পান করেন, তার দাম শুনলে হতবাকই হবেন।

দাবি করা হয়, নীতা নাকি বিশ্বের সবচেয়ে দামি পানি পান করেন। ৭৫০ মিলিলিটার পানির বোতলের দাম প্রায় ৬০ হাজার ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় ৫২ লক্ষ টাকা। তা হলে এবার হিসেব করে দেখেন, নীতার এক ঢোক পানির দাম কত পড়ে!

দাম না হয় জানলেন। দাম জানার পর আপনি বলতে পারেন এই পানি কি স্বর্ণ দিয়ে তৈরি? তাহলে জেনে নিন এই পানির কেন এত দাম। স্বাস্থ্যকে তরতাজা রাখতে যে পানি নীতা পান করেন তার নাম ‘অ্যাকোয়া ডি ক্রিস্টালো ট্রিবিউটো আ মদিগ্লিয়ানি’। এটি বিশ্বের সবচেয়ে দামি পানির মধ্যে একটি। বোতলজাত ওই পানি আসে ফ্রান্স এবং ফিজি থেকে। দাবি করা হয়, এই পানি স্বর্ণভস্ম মিশ্রিত। ৫ গ্রাম স্বর্ণভস্ম থাকে এতে। যা মানবদেহের জন্য খুবই স্বাস্থ্যকর। সে জন্যই এই পানির দাম লক্ষ লক্ষ টাকা।

আরও কারণ আছে। শুধু পানি নয়, বোতলের জন্যও এই পানীয় জলের দাম এত বেশি। ২০১০ সালে ‘অ্যাকোয়া ডি ক্রিস্টালো ট্রিবিউটো আ মদিগ্লিয়ানি’ গিনেস বুকে বিশ্বের সবচেয়ে দামি পানির বোতল হিসেবে খ্যাতি পেয়েছিল। বোতলের নকশা তৈরি করেছিলেন ফার্নান্দো আলতামিরানো। চামড়ার খাপে থাকে ২৪ ক্যারেট সোনা দিয়ে তৈরি এই বোতল। এই ব্র্যান্ডের সবচেয়ে সস্তা বোতলের দাম ২৫ হাজার টাকা। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

অভয়নগরে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া: নিম্ন আয়ের মানুষ দিশেহারা

 

 

যশোরে উৎসব মুখরিতভাবে অনুষ্ঠিত হলো গণটীকাকরণ

গণতন্ত্রের মানসকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার  ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে সারাদেশে ৭৫ লক্ষ করোনার ভ্যাকসিন নেওয়ার উদ্যোগ নেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

তারই ধারাবাহিকতায় আজ ২৮ সেপ্টেম্বর -২০২১ রোজ মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিবসের প্রাক্কালে জনগণকে অতি সংক্রমণব্যাধি করোনার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য যশোর জেলায় ১ লক্ষ ৪১ হাজার মানুষকে গণটীকার আওতায় আনার উদ্যোগ নেয় জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

আর এ উদ্যোগ সফল করার জন্য যশোর জেলায় ১ শত কেন্দ্রে আজ সকাল ৯ ঘটিকা থেকে বিকাল ৩ ঘটিকা পর্যন্ত চলবে এ গণকর্মসূচি। লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হলে যশোরের প্রায় সাড়ে ৪ লাখ মানুষকে করোনা ভ্যাকসিনের আওতায় আসবে।

যশোরে উৎসব মুখরিতভাবে অনুষ্ঠিত হলো গণটীকাকরণ

 

যশোর সিভিল সার্জনের মুখপাত্র ডাঃ রেহনেওয়াজ রনি জানিয়েছেন, আজকের এ গণটীকা কর্মসূচিতে যশোরের জেলার ৮টি উপজেলার ৯১ টি ইউনিয়নে ১ হাজার ৫ শত ডোজ করে মোট ১ লক্ষ ৩৬ হাজার ৫ শত টীকা সরবরাহ করা হয়েছে এবং  যশোর পৌরসভার ৯ টি ওয়ার্ডে ৫০০ ডোজ করে মোট ৪ হাজার ৫০০ টীকাসহ সর্বোসাকুল্যে ১ লক্ষ ৪১ হাজার ডোজ টীকা সরবরাহ করা হয়েছে যা ১০০ টি কেন্দ্রের মাধ্যমে জনগণকে দেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত গণটীকা কর্মসূচি সফল করতে রবিবার বিকাল থেকে সকল এলাকায় মাইকিং করা ছাড়াও বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে টীকা গ্রহনের জন্য উদ্ধুদ্ধ করা হয় বিধায় টীকাকেন্দ্রগুলিতে জনগণের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।

//নিজস্ব প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

জগন্নাথপুরে রাস্তার মাটি কেটে ২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ এক প্রবাসীর বিরুদ্ধে

ডোমার উপজেলার সোনারায় ইউনিয়ন পরিষদে গণ টিকা নিতে সাধারণ মানুষের ভীড়

//মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, নিজস্ব প্রতিবেদক //

বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম  জন্মদিন উপলক্ষে নীলফামারীর ডোমারে ইউনিয়ন পর্যায়  করোনা প্রতিরোধ গণ টীকা প্রদানের আয়োজন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৯ টায় ৯ নং সোনারায় ইউনিয়ন পরিষদে নিবন্ধনকারীদের   টিকা দেওয়া হয় ।টিকা গ্রহনকারীদের  টিকাদান কেন্দ্রে উপস্থিতি  টিকার মজুদ অপেক্ষায় কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় শুরুর প্রায় চার ঘন্টার মধ্যে কেন্দ্রে মজুদকৃত টিকার ডোজ শেষ হয়ে যায়।

সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অপেক্ষাকৃত শতশত নারী পুরুষের ভীড় জমে যায়। ভীড় সামলাতে হিমসিমে পড়েছিল পুলিশ, আনসার ও গ্রাম পুলিশ সদস্যরা।

টিকা না পেয়ে শতশত মানুষ কেন্দ্রে থেকে ফেরত যায়। ফেরৎ যাওয়া কয়েকজনের সাথে কথা হলে তারা জানায়, প্রচন্ড রোদ আর শতশত মানুষের ভীড়ে দাড়িয়ে থাকাটা অসম্ভব।  আমরা যতগুলো টিকা নিবন্ধনকারী এসেছি সেই পরিমাণ টিকা কেন্দ্রে মজুদ নেই। তাই আমার অযথা সময় নষ্ট না করে চলে যাচ্ছি‌ ‌।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর স্কুল খোলার ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করতে ব্র্যাক এর উদ্যোগ

গতবছর ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা পজেটিভ রোগী সনাক্ত হয়। করোনা সনাক্তের পর নানাবিধ ভয়ভীতি ও আতঙ্কের মধ্যে দিয়ে জনজীবন অতিবাহিত  হওয়ার সাথে সাথে শিশু ও শিক্ষার্থীদের অমূল্য জীবনের ঝুঁকি বিবেচনা করে ১৭ মার্চ-২০২০ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর-২০২১ দীর্ঘ ৫৪৪ দিন পর আজ ১২ সেপ্টেম্বর -২০২১ রোজ রবিবার সারাদেশে একযোগে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ন্যায় ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচি পরিচালিত ৪ হাজারের অধিক বিদ্যালয় খোলার জন্য  নেওয়া হয়েছে  নানাবিধ কর্মসূচি।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর স্কুল খোলার ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করতে ব্র্যাক এর উদ্যোগ

কর্মসূচির অংশ হিসাবে প্রথমেই করা হয়েছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের করোনা বিষয়ে সচেতন, দেওয়া হয়েছে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ২ টি করে মাস্ক। স্কুলঘর ও আশেপাশের পরিবেশকে করা হয়েছে জীবাণুমুক্ত। শিক্ষার্থীদের হাত ধোঁয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে হ্যান্ড ওয়াস স্টেশন, শরীরের তাপমাত্রা মাপার জন্য থার্মাল স্ক্যানার ও হাত জীবাণুমুক্ত করার জন্য হ্যান্ড সেনিটাইজার। শ্রেণীকক্ষে  সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে শিক্ষার্থীদের বসা নিশ্চিত করতে ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রেখে আঁকা হয়েছে গোল চিহ্ন, স্কুল ঘর ও শ্রেণীকক্ষকে সুজ্জিত করা হয়েছে বিভিন্ন রঙবেরঙের বেলুন ও ফুল দিয়ে। টানানো হয়েছে করোনার বিরুদ্ধে সচেতনতা মূলক পোষ্টার ও ব্যানার।শিক্ষার্থীদের জানানো হয়েছে শুভেচ্ছা ও স্বাগতম।

ফলে ব্র্যাক স্কুলের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার হলো অবসান।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর স্কুল খোলার ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করতে ব্র্যাক এর উদ্যোগ

তবে করোনার বিরুদ্ধে এখনও যুদ্ধ শেষ নয় বরং আগামীতে করোনার তৃতীয় ঢেউ দুয়ারে দাঁড়িয়ে।করোনার এই তৃতীয় ঢেউয়ের  বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে আমাদের জয়ী হতে হবে। সুস্থ রাখতে হবে আমাদের আগামী প্রজন্মকে। আজ যারা স্কুলগামী এরাই আমাদের আগামী দিনের সমাজ বিনির্মানের কারিগর। তাই তাদের সুস্থ এবং মানবিক করে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের।

আমাদের আগামী প্রজন্ম, আমাদের সন্তানেরা যাতে সুস্থ, স্বাভাবিক  ও মানবিক হয়ে গড়ে উঠতে পারে এবং করোনার বিরুদ্ধে জয়ী হতে পারি ও আজকের এই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে পারে সেজন্য ব্র্যাকের নেওয়া এই সকল কর্মসূচি স্থানীয় জনগণের পেয়েছে ভূয়সী প্রশংসা।

নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে আজ দেশের সরকারি, বেসরকারি ও এনজিও পরিচালিত  সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হলেও সঠিকভাবে করোনার বিরুদ্ধে বিধিনিষেধ পালন না করা হলে ভবিষ্যতে আবারও হয়তো দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে।

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশাল জেলা প্রশাসক এর উদ্যোগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন