বিলুপ্তির ২৪০০০ বছর পর হঠাৎই জীবন্ত হয়ে উঠল রোটিফার‌

 

বিলুপ্তির ২৪০০০ বছর পর জেগে উঠল রোটিফার‌, সাইবেরিয়ায় বরফের নিচে চাপা পড়ে যাওয়া ওই অনুবীক্ষণিক জীব হঠাৎই জীবন্ত হয়ে উঠল। চিরতরে বরফ হয়ে যাওয়া স্তর বা পার্মাফ্রস্ট নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে এই জীবের খোঁজ পাওয়া গেছে।

রাশিয়ার ইনস্টিটিউট অফ ফিজিওকেমিক্যাল অ্যান্ড বায়োলজিক্যাল প্রবলেমস ইন সয়েল সায়েন্সের বিজ্ঞানী স্টাস মালাভিন এই প্রাণীর খোঁজ পেয়েছেন। সম্প্রতি রোটিফার নিয়ে তার গবেষণাপত্র প্রকাশ পেয়েছে সেল প্রেস নামক একটি জার্নালে।

জানা গেছে, রোটিফার একটি বহুকোষী জীব। সাইবেরিয়ায় বরফের প্রায় সাড়ে তিন মিটার নিচ থেকে এর সন্ধান মিলেছে। এরা মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেন্ট্রিগেডেও বেঁচে থাকতে পারে। রেডিও কার্বন ডেটিং পদ্ধতির সাহায্যে জানা গেছে সন্ধান পাওয়া রোটিফার‌টি প্রায় ২৩ হাজার ৯৬০ থেকে ২৪ হাজার ৪৮৫ বছরের পুরানো। কিন্তু কী ভাবে এই জীব ২৪০০০ বছর ধরে শীতঘুমে ছিল, এতটা দীর্ঘস্থায়ী শীতঘুম কীভাবে হয় সেই রহস্য ভেদ করার জন্য রোটিফার নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।  সূত্র: সায়েন্স ডেইলি

Dainik Biswa

আজ  বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস

 

 

 

গণতন্ত্রের মানস কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস

 

গণতন্ত্রের মানস কন্যা প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের রূপকার, যার দূরদর্শী সাহসিকতা, দক্ষতায় তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নত হয়ে বিশ্বে প্রশংসা কুড়িয়েছে তিনিই হলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ ১১ জুন, শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস। ষড়যন্ত্রে কবলিত হয়ে দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের এই দিনে সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।

 

স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম স্মরণীয় একটি দিন শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস। তৎকালীন ১/১১ অগণতান্ত্রিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মিথ্যা,বানোয়াট ও হয়রানি ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই ভোরে ধানমন্ডির বাসভবন থেকে শেখ হাসিনা গ্রেফতার হন। গ্রেফতার করে প্রথমে তাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগারে নিয়ে রাখা হয়। শেখ হাসিনাকে গ্রেফতারের মধ্যে দিয়ে বাংলার জনগণের গণতন্ত্রের অধিকার অবরুদ্ধ করার অপপ্রয়াস চালায় ও অগণতান্ত্রিক ও অসাংবিধানিক তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার।

 

বিভিন্নভাবে যড়যন্ত্র করে ১১ মাস কারাগারে রাখা হয় আওয়ামী লীগের সভাপতি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। তখন সারা বাংলার আপামর জনগণ, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ধীরে ধীরে প্রতিরোধ গড়ে তোলে শেখ হাসিনার মুক্তির জন্য। এর মধ্যে কারাবন্দি থাকার সময় কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়েন শেখ হাসিনা। তখন বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে মুক্তি দেয়ার দাবি উঠে সমগ্র মহল থেকে।

 

আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের ক্রমাগত চাপ, আপসহীন মনোভাব ও অনড় দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। খুলনা-৪ আসনের রুপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়াবাসীর পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে তার দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা //

Dainik Biswa

যুবসমাজের শারীরিক-মানসিক বিকাশে খেলার বিকল্প নাই : সালাম মূর্শেদী

 

 

 

আজ  বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস

 

আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ। দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের ১১ জুন সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।

 

সেনাসমর্থিত ১/১১-এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই গ্রেফতার হয়েছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গ্রেফতার করে প্রথমে তাঁকে ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগারে নিয়ে আটক রাখা হয়।

 

এ সময় কারাগারের অভ্যন্তরে শেখ হাসিনা মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েন। তখন তার চিকিৎসকরা তাকে বিদেশে চিকিৎসার পরামর্শ দেন।

 

সে সময় চিকিৎসার জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে তার মুক্তির জোরালো দাবি ওঠে। আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠন ও দেশবাসীর আন্দোলন, আপসহীন মনোভাব এবং আওয়ামী লীগ বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগের পথ বেছে নেয়।

 

শেখ হাসিনাকে মুক্তি দেওয়া না হলে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে যাবে না বলেও ঘোষণা দেওয়া হয়। অনড় দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। মুক্তি পেয়েই শেখ হাসিনা চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার অস্থায়ী জামিনের মেয়াদ কয়েক দফা বাড়ানো হয়।

 

এরপর ২০০৮ সালের ৬ নভেম্বর দেশে ফিরলে স্থায়ী জামিন দেওয়া হয় তাঁকে। একই বছর ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজয় লাভ করে। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার গঠন করা হয়।

 

দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের ভোটের অধিকার সুনিশ্চিত করতে সুদীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে বন্ধুর বিপদসঙ্কুল পথ অতিক্রম করতে হয়েছে শেখ হাসিনাকে। এর মধ্যে অনেকবারই তাঁর প্রাণনাশের চেষ্টাও হয়েছে।

 

এ বছর বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে বড় ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন না করলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন।

 

অন্যদিকে যার যার জায়গা থেকে তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে পরম করুণাময়ের নিকট দেশবাসীকে প্রার্থনা করার আহ্বান জানান আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

 

একইসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে হৃদয়ে দেশপ্রেমের বহ্নিশিখা প্রজ্বলিত করে করোনাভাইরাসের সংকট জয়ের ঐক্যবদ্ধ সুরক্ষা সৃষ্টি করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পরিচালিত সরকারকে সহযোগিতা করার অনুরোধও জানান কাদের।

//অনলাইন নিউজ//

Dainik Biswa

এলএসডি : আসক্ত কিনা কীভাবে বুঝবেন, কোনো লক্ষণ আছে কী?

 

 

এলএসডি : আসক্ত কিনা কীভাবে বুঝবেন, কোনো লক্ষণ আছে কী?

 

এলএসডি : আসক্ত কিনা ? বাংলাদেশে সম্প্রতি এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তের জের ধরে সামনে আসে তরুণদের মধ্যে এলএসডি বা লাইসার্জিক অ্যাসিড ডায়েথিলামাইড ব্যবহারের প্রবণতার খবর।

 

পুলিশের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই শিক্ষার্থী বন্ধুদের সাথে মাদক এলএসডি সেবন করে একজন ডাব বিক্রেতার দা নিয়ে নিজেই নিজের গলায় আঘাত করেন।

 

এই ঘটনার তদন্তের জেরে পুলিশ আরো যেসব তথ্য দেয় তা হচ্ছে, বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি চক্র এই মাদক কেনাবেচার সাথে জড়িত। এছাড়া অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে এই মাদক বিক্রির তথ্যও জানানো হয়।

 

 

এদিকে মাদক বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এলএসডি গ্রহণ করে ভুল রাস্তা দেখে দুর্ঘটনার শিকার হওয়া, বাড়ির জানালা দিয়ে লাফিয়ে পড়া বা অহেতুক আতঙ্কিত হয়ে দুর্ঘটনার শিকার হওয়ার বেশ কিছু ঘটনা নথিবদ্ধ রয়েছে।

 

এলএসডি কী?

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য বিভাগের অধীনস্থ মাদক বিষয়ক গবেষণা সংস্থা ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ড্রাগ অ্যাবিউজের তথ্য অনুযায়ী, ডি-লাইসার্জিক অ্যাসিড ডায়েথিলামাইড বা এলএসডি রাসায়নিক সংশ্লেষণের মাধ্যমে তৈরি একটি পদার্থ যা রাই এবং বিভিন্ন ধরনের শস্যের গায়ে জন্মানো এক বিশেষ ধরনের ছত্রাকের শরীরের লাইসার্জিক অ্যাসিড থেকে তৈরি করা হয়।

 

এটি স্বচ্ছ, গন্ধহীন একটি পদার্থ। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনের মতে এটি পাউডার, তরল, ট্যাবলেট বা ক্যাপসুলের আকারে পাওয়া যায়।

 

সংস্থাটির মতে, এটি মানুষের মস্তিষ্কের সেরোটোনিন নামক রাসায়নিকের কার্যক্রম প্রভাবিত করে ব্যবহার, অনুভূতি ও পারিপার্শ্বিকতা সম্পর্কে ধারণা পরিবর্তন করে।

 

এলএসডি নেয়ার পর সাধারণত মানুষ ‘হ্যালুসিনেট’ করে বা এমন দৃশ্য দেখে যা বাস্তবে নেই। অনেক সময় অলীক দৃশ্য দেখার কারণে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে থাকে মানুষ।

 

তবে কেউ এলএসডি ব্যবহার করছে কিনা তা বোঝার উপায় সম্পর্কে নানা ধরনের মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

 

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা: মেখলা সরকার বলেন, ইয়াবা বা হেরোইনের মতো মাদক দ্রব্যের তুলনায় এলএসডিতে আসক্তিকর উপাদান (অ্যাডিক্টিভ প্রোপার্টি) কম থাকে। তবে তার মানে এই না যে, এতে আসক্তি তৈরি হয় না। একাধিকবার বা দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবহার করতে থাকলে এলএসডির প্রতিও আসক্তি তৈরি হয়।

 

তবে ব্যক্তিভেদে এই আসক্তির মাত্রা বা এলএসডির প্রতিক্রিয়া আলাদা হয়।

 

তিনি মনে করেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যারা মাদক হিসেবে এলএসডি গ্রহণ করেন তারা একক মাদক হিসেবে একে গ্রহণ করেন না। বরং অন্য মাদকের সাথে সাথে এলএসডিও গ্রহণ করে থাকেন। তাই অন্য মাদকদ্রব্যে আসক্তির কারণে যে ধরনের বৈশিষ্ট্য ব্যবহারকারীর মধ্যে দেখা যায় এলএসডির ক্ষেত্রেও বৈশিষ্ট্য অনেকটা একই রকম হয়।

 

আবার অনেকেই নিয়মিত গ্রহণ না করে বরং মাঝে মাঝে বা কৌতূহলবশত এলএসডি ব্যবহার করে থাকেন। সেক্ষেত্রে তাদের মধ্যে আলাদা করে কোনো বৈশিষ্ট্য তৈরি হয় না।

 

তিনি বলেন, মানুষ মাদক গ্রহণ করতে থাকলে তার শরীরে এক ধরনের সহনশীলতা তৈরি হয়। অর্থাৎ আগে কোনো মাদক যে পরিমাণ গ্রহণ করলে যতটা নেশা হতো পরবর্তীতে হয়তো ওই একই মাদকে আর সেই আগের মতো নেশা হচ্ছে না। তখন আসক্ত ব্যক্তি অন্য মাদক দ্রব্যের প্রতি ঝুঁকে পড়ে। এলএসডিও ওই ধরনের মাদকদ্রব্য বলে মনে করেন তিনি।

 

তিনি বলেন, যারা এলএসডি ব্যবহার করেন তাদের মধ্যে নানা ধরনের হ্যালুসিনেশন হয়ে থাকে। তার হয়তো মনে হয় যে সে এমন কোনো রং বা ঘটনা দেখছেন যা আসলে বাস্তবে নেই। এছাড়া নানা ধরনের শব্দও শুনতে পান বলে জানান তিনি।

 

তবে কেউ যদি অন্য মাদকের পাশাপাশি এলএসডি’র আসক্তিতেও ভোগেন তাহলে তার মধ্যে নানা ধরনের বৈশিষ্ট্য থাকতে পারে। সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-

 

১. অস্বাভাবিক আচরণ

জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ উপদেষ্টা কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. অরুপরতন চৌধুরী বলেন, এলএসডি গ্রহণের পর এর কার্যকারিতা সাধারণত ৩-৪ ঘণ্টা পর্যন্ত থাকে। তবে অনেক সময় এটি ২০ ঘণ্টা পর্যন্তও কার্যকর হতে পারে।

 

তিনি বলেন, এই সময়ে ব্যবহারকারীরা নানা ধরনের অস্বাভাবিক আচরণ করে থাকে। অনেক সময় মানুষ আত্মঘাতীও হয়ে উঠতে পারে। এ ধরণের বৈশিষ্ট্য যদি পরিবারের কারো মধ্যে দেখা যায় তাহলে সেক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে এবং প্রয়োজন হলে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

 

তিনি বলেন, যারা এলএসডিতে আসক্ত বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাদের মধ্যে আক্রমণাত্মক হয়ে পড়ে। সেক্ষেত্রে খুব ছোট ঘটনায়ও সহিংস হয়ে উঠতে পারেন তারা।

 

২. ক্ষুধামন্দা

এলএসডিতে আসক্ত হলে তাদের মধ্যে ক্ষুধামন্দা দেখা দেয় বলে জানান অরুপরতন চৌধুরী।

 

৩. ঘুমের সমস্যা

ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিন এর তথ্য অনুযায়ী, এলএসডিতে আসক্তদের মধ্যে ঘুম নিয়ে ব্যক্তিভেদে নানা ধরনের সমস্যা তৈরি হয়। অনেকের মধ্যে চরম মাত্রায় অনিদ্রা দেখা দেয়। তবে অরুপরতন চৌধুরী জানান, অনেকের মধ্যে অতিরিক্ত ঘুমের বৈশিষ্ট্যও দেখা দেয়। কোনো ধরনের কারণ ছাড়াই ঘুমাতে থাকেন অনেকে।

 

ডা: মেখলা সরকার বলেন, যারা আসক্তিতে ভোগেন তাদের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, রাতের বেলা তারা না ঘুমিয়ে জেগে থাকেন আবার দিনের বেলা ঘুমিয়ে থাকেন।

 

৪. শারীরিক পরিবর্তন

অরুপরতন চৌধুরী বলেন, এলএসডিতে আসক্তদের যেসব শারীরিক পরিবর্তন ঘটে তার মধ্যে রয়েছে, চোখের মণিতে পরিবর্তন বিশেষ করে বড় হয়ে যাওয়া, শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি হওয়া, শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত হওয়া, হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাওয়ার মতো বৈশিষ্ট্য দেখা যায়।

 

এছাড়া এলএসডি সেবনের পর অনেক ব্যবহারকারীর শ্রবণ এবং দর্শন ইন্দ্রিয় বেশি সক্রিয় হয়ে যায় বলেও জানান তিনি। এ কারণেই অনেক সময় যারা দীর্ঘক্ষণ ধরে গান করেন তারা এই মাদক গ্রহণ করে থাকেন বলে জানান তিনি।

 

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনের তথ্য মতে, এলএসডি গ্রহণের কারণে দেহে অতিরিক্ত ঘামও হয়ে থাকে।

 

৫. জীবনযাত্রায় পরিবর্তন

ডা: মেখলা সরকার বলেন, মাদকে আসক্তির ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, ব্যবহারকারীর জীবনযাত্রায় নানা ধরনের পরিবর্তন ঘটেছে। তিনি হয়তো কারো সাথে মিশতে চাইছেন না বা বন্ধু বান্ধবের পরিমাণ কমে যেতে দেখা যায়।

 

অনেক সময় আবার এর বিপরীতও দেখা যায়। আগের বন্ধুদের সাথে না মিশলেও নতুন করে বন্ধুও তৈরি হতে পারে। আর্থিক চাহিদা আগের তুলনায় বেড়ে যেতে পারে। নিজের প্রতি যত্ন নেয়ার বিষয়ে উদাসীনতা দেখা দেয়া, ক্লাসে ফাঁকি দেয়ার মতো বৈশিষ্ট্য দেখা যেতে পারে বলেও মনে করেন তিনি।

 

মাদকাসক্তি বিষয়ক গবেষক ও ঢাকার নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. এম ইমদাদুল হক বলেন, অনেক সময় দেখা যায় যে, সন্তানরা বাবা-মা থেকে আলাদা হয়ে পড়ছে বা তারা জীবন যাপনের ক্ষেত্রে ইচ্ছে করেই একাকী হয়ে পড়ছে। সে ক্ষেত্রে এলএসডির মতো আসক্তি ধরাটা কঠিন। সেক্ষেত্রে বাবা-মাকে সন্তানের সাথে দূরত্ব কমিয়ে আনতে হবে।

 

তিনি মনে করেন, ঘুমের সমস্যা বা খাবারের অরুচি, নতুন বন্ধু তৈরি মানেই কেউ মাদকাসক্ত নয়। সন্তানদের প্রতি যাতে বাবা-মা অযাচিতভাবে সন্দেহের আওতায় নিয়ে না আসে সেদিকেও লক্ষ্য রাখাটা জরুরি। আর এ কারণেই বাবা-মা এবং পরিবারের সদস্যদের সচেতন থাকতে হবে।

সূত্র : বিবিসি

 

//অনলাইন নিউজ//

Dainik Biswa

যুবসমাজের শারীরিক-মানসিক বিকাশে খেলার বিকল্প নাই : সালাম মূর্শেদী

 

যুবসমাজের শারীরিক-মানসিক বিকাশে খেলার বিকল্প নাই : সালাম মূর্শেদী

যুবসমাজের শারীরিক-মানসিক বিকাশে খেলাধূলার চেয়ে ভালো কোন মাধ্যম হয়না, খুলনা-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আব্দুস সালাম মূর্শেদী বলেন, যুব সমাজ মাদকের করাল গ্রাসে পতিত হচ্ছ। এই যুব সমাজকে রক্ষা করতে হলে, খেলাধুলার কোনো বিকল্প নাই।
তিনি আরো বলেন, ফুটবলকে তার হারানো ঐতিহ্যে ফিরিয়ে আনতে স্কুল, কলেজ ও ক্লাব ভিত্তিক টুর্নামেন্টের আয়োজন করতে হবে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা খেলাধুলাকে গুরুত্ব দিয়ে বাংলাদেশের প্রতিটি উপজেলায় একটি করে মিনি স্টেডিয়াম তৈরির উদ্যোগ গ্রহন করেছেন।
আজ সোমবার বিকালে দিঘলিয়া ওয়াই এম এ ক্লাব মাঠ প্রাঙ্গণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোল্ডকাপ বালক (অনুর্ধো-১৭) ফুটবল টুনামেন্ট-২০২১ এর ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরন অনুষ্ঠানে ভিডিও কন্ফারেন্সিং এর মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।
এসময়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুল আলম এর সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্লা ফিরোজ হোসেন,উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা, দিঘলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আনসার আলী, দিঘলিয়া এম এ মজিদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আমিরুল ইসলাম, দীঘলিয়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি হাবিবুর রহমান তারেক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য কে এম আসাদুজ্জামা,সাংবাদিক সালাহ্ উদ্দিন বাবু।
এছাড়া খেলা পরিচালনায় সহযোগিতা করেন ফখরুল ইসলাম বাবুল, হানেফ সরদার, মেহেদী হাসান, রফিকুল ইসলাম , খেলাটি পরিচালনা করেন নাজমুল ইসলাম।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোল্ডকাপ দেশের সব জায়গায় চলছে, আর এতে যুবসমাজ আগের থেকে অনকে এগিয়ে রয়েছে । জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোল্ডকাপ বালক (অনুর্ধো-১৭) ফুটবল টুনামেন্ট-২০২১ এর ফাইনাল খেলায়, দিঘলিয়া ইউনিয়ন সেনহাটী ইউনিয়নকে ২-০ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন নির্বাচিত হয়।
// আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো //

যশোরে আজ করোনায় আক্রান্ত যাবত কালের সর্বোচ্চ ৪৩.৫০%

 

যশোরে আজ করোনায় আক্রান্ত দেশের সকল সীমান্তবর্তী জেলার ন্যায় যশোর জেলায় করোনা সংক্রমনের হার গাণিতিক হারে বেড়েই চলছে। করোনার বৈশ্বিক মহামারী নিয়ন্ত্রণের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু করোনায় আক্রান্তের হার বাঁধভাঙা নদীর ন্যায় সমস্ত লোকালয় ভাসিয়ে নিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। সংক্রমণের এই ক্রমাগত ধারা যদি অব্যাহত থাকে তাহলে ঢাকা নয় যশোরই হবে করোনার হট স্পট তা বলার অপেক্ষা রাখেনা।

 

আজ ১০ জুন-২০২১ রোজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যবিভাগের কর্মকর্তার মাধ্যমে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় ৪৪৬ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তার মধ্যে ১৯৪ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ লক্ষ্য করা যায়।পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী করোনায় আক্রান্তের হার ৪৩.৫০ প্রায়।ফলে গত বছরের মার্চ থেকে শুরু হওয়া করোনার সংক্রমণ এ যাবত কালের সর্বোচ্চ। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনোম সেন্টারে ৩৩২ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৪৮ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিলক্ষিত হয় ফলে এখানকার পরীক্ষায় সংক্রমনের হার ৪৪.৫৭%।

 

খুলনা মেডিকেলে ৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় আক্রান্ত ২, আক্রান্তের হার২২.২২%। যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪১ জনের এন্টিজেন পরীক্ষায় ১৬ জন আক্রান্ত হয় ফলে এখানে আক্রান্তের হার ৩৯.০২%। এছাড়াও বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৬৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২৮ জন সংক্রমিত হওয়ায় এখানে আক্রান্তের হার ৪৩.৭৫%।

 

বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা যায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গুলোতে সাধারণত একটু অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া জনগণই যায়। এখানকার বিশ্লেষিত ফলাফলে দেখা যায় করোনায় আক্রান্তের হার ৪৩.৭৫% ফলে অনেকাংশেই ধারণা করা যেতে পারে করোনার সংক্রমণ রুট লেভেল পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।

 

যশোর সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন জানান, এ যাবতকালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী আজ পর্যন্ত যশোর জেলায় ৭৯০৮ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ৯৭ জন। যশোরের বিভিন্ন হাসপাতাল ও বাড়িতে মারা গেছেন ৮৫ জন,ঢাকায়৬ জন,খুলনায় ৫ জন ও সাতক্ষীরা হাসপাতালে ১ জন।

 নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

Dainik Biswa

০২ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

 

 

০২ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

 

মাদকের ভয়াবহতা সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে পড়েছে। উঠতি বয়সের কিশোর- কিশোরীরাও মাদকাসক্ত হয়ে সমাজে নানা ধরনের অপরাধ মূলক কাজের সাথে জড়িত হয়ে পড়ছে।আর তাই দেশে কিশোর গ্যাংএর মতো বিভিন্ন সন্ত্রাসী গ্রুপ সৃষ্টি চাঁদাবাজি,সন্ত্রাসী, নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।

 

এছাড়াও অনেক কিশোরীও মাদকাসক্ত হয়ে মাদকের ব্যবসাসহ বিভিন্ন নারী পাচারের মতো কাজে লিপ্ত হচ্ছে। সমাজ থেকে এই সব অপরাধ মূলককাজ নির্মূল করতে হলে সর্বাগ্রে মাদকের ভয়াবহতা থেকে সমাজ ও রাষ্ট্রকে মুক্ত করতে হবে।তারই ধারাবাহিকতায় আজ ১০ জুন-২০২১ রোজ বৃহস্পতিবার ৮ঃ৪৫ মিনিটে বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ সঙ্গীয় ফোর্সদের নিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানাধীন গাজীপুর গ্রামের আল্লারদান বিরিয়ানি হাউজের সামনে থেকে ১. মোঃ জাকির হোসেন (৩২)ও ২. ফরমাজুল গাজী(৪০)দ্বয়কে ২ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার করেন।

উল্লেখিত বিষয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

// নিজস্ব প্রতিবেদক //

Dainik Biswa

চাঞ্চল্যকর হাত কাটা ঘটনার আসামী কাদির গ্রেফতার

চাঞ্চল্যকর হাত কাটা ঘটনার আসামী কাদির গ্রেফতার

 

চাঞ্চল্যকর হাত কাটা ঘটনার ঘটনায় মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানায় টেঙ্গারচর ইউনিয়নে চাঞ্চল্যকর রুবেল হাত কাটা ঘটনা মামলার পলাতক আসামী কাদির খান (২০) গ্রেফতার করেছে গজারিয়া থানা পুলিশ। গজারিয়া থানা পুলিশের প্রেস রিলিজ হতে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সঙ্গীয় ফোর্স সহ চালানো অভিযানে নেতৃত্ব দেন গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ রইচ উদ্দিন।

 

পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায় গ্রেফতার করা আসামীর বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। ঘটনার বিবরনে উল্লেখ্য থাকে যে গজারিয়া থানার টেংগারচর ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় বৈদ্দারগাও গ্রামে রুবেলের হাতের কব্জি কেটে নেয় সন্ত্রাসিরা।

 

সেই ঘটনায় গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ সালে গজারিয়া থানায় মামলা হয়। অথচ, মামলার এতদিন হলেও গত ৯ মাসেও রুবেল এর হাতের কাটা কব্জি উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।

 

সৈয়দ মোঃ শাকিল. গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ।

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা বরিশালে বাড়তে পারে বৃষ্টি

 

 

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা বরিশালে বাড়তে পারে বৃষ্টি

 

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, আগামী তিন দিনের মধ্যে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। সামনের দিনগুলোতে বৃষ্টিপাতের প্রবণতাও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। বৃহস্পতিবার আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান খান জানান, পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় উত্তর বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৬টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত সব বিভাগেই কমবেশি বৃষ্টি হয়েছে।

// পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল//

Dainik Biswa

দাউদকান্দি প্রতিপক্ষের হামলায় ঘর বাড়ী ভাংচুর লুটপাত আহত-৩

দাউদকান্দি প্রতিপক্ষের হামলায় ঘর বাড়ী ভাংচুর লুটপাত আহত-৩

 

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে দাউদকান্দি পৌরসভার হাসানপুর দীঘিরপাড় এলাকায় প্রতিপক্ষের হামলায় ঘর বাড়ী ভাংচুর লুটপাত ও পিটিয়ে তিন জনকে আহতের খবর পাওয়া গেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায় প্রতিপক্ষ স্থানীয় কাউন্সিলর তাসলিমা খন্দকারের নেতৃত্বে তার স্বামী সন্তান সহ স্থানীয় সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে বাদী আয়েশা সিদ্দিকা দের বাড়ীতে আঘাত হানে।

 

সরেজমিনে দেখা যায় আয়েশা দের বাড়ীতে অনধিকার প্রবেশ পূর্বক ঘর ভাংচুর লুটপাত চালায় তারা। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত রক্তাত্ত অবস্থায় তিন জন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। অভিযোগ পত্র হতে জানা যায় বাদী পক্ষের সাথে বিবাদী পক্ষের জমি সহ আনুসঙ্গিক বিষয় নিয়ে কিছু দিন যাবৎ বিবাদ চলছিল। এমন অবস্থার প্রেক্ষিতে স্থানীয়ভাবে বিচার শালিস চলছিল। পরে বাদীপক্ষ সাথে মিমাংসার কথা বলে পঞ্চাশ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করেন স্থানীয় কাউন্সিলর তাসলিমা খন্দকার। সেই টাকা দিতে অস্বকৃতি জানালে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

 

এই বিষয়ে দাউদকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ নজরুল ইসলাম বলেন এই বিষয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ পেয়েছি।ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পুলিশ পাঠিয়েছি।তদন্ত চলছে, তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

//সৈয়দ শাকিল//