অভয়নগরে ডাষ্টবিনে ফেলা আমের আঁটি বিক্রি করে উপার্জন করছে বস্তিবাসি

 

 অভয়নগরে ডাষ্টবিনে ফেলা আমের আঁটি নিয়ে দেখে যাচ্ছে অন্যরকম ঘটনা। যশোরের অভয়নগর উপজেলার পৌর-নওয়াপাড়া বেঙ্গলগেট এলাকায় কিছু হত-দরিদ্র রেলবস্তিবাসি ময়লা-আবর্জনার স্তূপথেকে আমের আঁটি সংগ্রহ করে তা আবার বিক্রি করে পেটের খোরাকি যোগাচ্ছে ৷ সরেজমিনে দেখা গেছে , বস্তিবাসি লিপি বেগম ,কাজল,সোনিয়া ,জাহানারা বেগম, মিনা ,রাবেয়া ,রাহিলা ,সাফিয়া বেগম ও সুফিসহ আরো অনেকেই আমের আঁটি সংগ্রহ করছে ৷

অভয়নগরে ডাষ্টবিনে ফেলা আমের আঁটি বিক্রি করে উপার্জন করছে বস্তিবাসি

উপজেলার পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে কোন নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা-আর্বজনা ফেলার জন্য একটি করে ড্রাম রাখা হয়েছে ৷ অনেকে মন্তব্য করছে , ওয়ার্ডবাসি যত ময়লা-আবর্জনা পঁচাবাসি, খাবার খেয়ে ওই ড্রামে জমা করে তেমনি আম খেয়ে আমের আঁটিও ফেলা হয়েছে ৷ প্রতিটি ওয়ার্ডের ড্রামে যত ময়লা জমায়েত হয় সেগুলো পৌরসভার নিযুক্ত কর্মচারি ভ্যানে করে রেলওয়ে বস্তির পাশে ফাঁকা জায়গায় এনে ফেলে যায় ৷

 

কবির ভাষায়:- যেখানে দেখিবে ছাঁই, উড়ায়ে দেখো তাই —পাইলে ও পাইতে পারো মানিক ও রতন ৷ হয়তো অসহায় দরিদ্র বস্তিবাসি মানিক -রতন পাইনি , কিন্তু পেয়েছে ময়লা-আবর্জনার মধ্যে হাজার হাজার আমের আঁটি ৷ তা আবার প্রতি হাজারে বিক্রি করছে ২৫০টাকা ৷ আঁটি সংগ্রহীতা লিপি বেগম জানান, প্রতিদিন প্রায় পাঁচ হাজারের বেশি আঁটি সংগ্রহ করি ৷ এ পর্যন্ত আমরা ষাট হাজারের উপরে আমের আঁটি বিক্রি করেছি ৷ আমের আঁটি কোথায় যায়? ক্রেতা গোলক দাসের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, খুলনা-যশোরের বিভিন্ন নার্সারীর মালিকরা এই আঁটিগুলো কিনে নেয় ৷

 

// মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল ,অভয়নগর, যশোর  প্রতিনিধি //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

“প্রজেক্ট হিলসা ‍” বৃহদাকার রেস্তোরার খাবরের মূল্য তালিকা নিয়ে জনমনে আতঙ্ক

 

 

“প্রজেক্ট হিলসা ‍” বৃহদাকার রেস্তোরার খাবরের মূল্য তালিকা নিয়ে জনমনে আতঙ্ক

 

“প্রজেক্ট হিলসা” ওভার ভিউ লুক একটা আস্ত ইলিশ মাছের মতই দেখতে তৈরী হয়েছে এই রেস্তোরা যার নাম ।

দেশের সবচেয়ে বড় রেস্তোরাঁ বলা হচ্ছে একে।

 

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটের অদূরে নির্মিত এই বৃহদাকার রেস্তোরাঁ উদ্বোধনের পর কয়েকদিনের মধ্যেই জমজমাট হয়ে উঠেছে।

 

মহামারী করোনাকালেও দেশের বিভিন্নপ্রান্ত হতে দলে দলে ভোজনরসিক  যাচ্ছেন সেই রেস্তোরাঁয়।

 

তবে বাস্তবের চাইতে রেস্তোরাঁটি বহুগুণ বেশি সাড়া ফেলেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

 

অনেকের টাইমলাইনে ঘুরছে ইলিশ আকৃতির রেস্তোরাঁর ছবি।

 

কেউ কেউ রেস্তোরাঁটি ঘুরে আসার প্রমাণ জাহির করছেন ফেসবুকে।ছবি-ভিডিও আপলোড করছেন সমানে।

 

অনেকে আবার সেসব ছবির সঙ্গে রেস্তোরাঁর খাবারের মেন্যু আর বিলের কপির (মুশক চালান) ছবি শেয়ার করে একহাত নিচ্ছেন কর্তৃপক্ষের।

 

খাবারের দাম ও পরিবেশন নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করে অন্যদের যেতে নিরুৎসাহিত করছেন।

 

বিশেষকরে রেস্তোরাঁর প্রধান আইটেম ইলিশ মাছের মান ও দাম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। তাদের মতে, মান ও স্বাদের তুলনায় দাম অনেক বেশি রাখছে কর্তৃপক্ষ।

 

গত কয়েকদিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে রেস্তোরাঁর কয়েকটি বিল কপির (মুশক চালান) ছবি।

 

যেখানে দেখা গেছে, প্রতি পিস বেগুনভাজার দাম রাখা হয়েছে ৫০ টাকা। যা ভালো মানের রেস্তোরাঁয়  ১০-১৫ টাকার বেশি নয়।

 

প্রতি বাটি ডালের দাম ধরা হয়েছে ১০০ টাকা। অই মানের ডাল দেশের যে কোনো রেস্তোরাঁয় প্রতি বাটি ৩০-৫০ টাকায় মিলবে।

 

সবচেয়ে অবাক করা দাম রাখা হচ্ছে মূল আকর্ষণ ইলিশের বেলায়।

 

প্রোজেক্ট হিলসায় প্রতি পিস ইলিশ মাছের দাম নেওয়া হয়েছে ১৮০০ টাকা! অথচ দেশের যে কোনো প্রান্তে এক কেজি বা তার চেয়ে বেশি ওজনের প্রতি পিস ইলিশ পাওয়া যায় ১২০০-১৪০০ টাকায়।

 

মাত্র এক প্লেট সাদা ভাতের জন্য গুণতে হচ্ছে ১০০ টাকা! এক প্লেট খিচুড়ি ২০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে সেখানে।

 

সামান্য সালাদের দামও শ ছাড়িয়ে।

 

মানের তুলনায় দাম অতিরিক্ত অভিযোগে ফেসবুকে রেস্তোরাঁর উপর ক্ষোভ ঝাড়ছেন নেটিজেনরা।

 

এরইমধ্যে ভাইরাল হয়েছে এক ভোক্তার বিল কপি।

 

যেখানে দেখা গেছে, অই ভোক্তা বেগুনভাজির অর্ডার দিয়েছেন ৪১টি। প্রতিটি ৫০ টাকা করে বিল এসেছে ২০৫০ টাকা। ইলিশ অর্ডার করেছে ১৩টি, যার মূল্য পরিশোধ করতে হয়েছে ২৩,৪০০ টাকা।

 

ডাল ২০ বাটি এবং ভাত ৪১ প্লেটসহ তার খাবার বিল হয়েছে ৩২,৬২৫ টাকা!

 

এরসঙ্গে সার্ভিস চার্জ দিতে হয়েছে ৩,২৬২ টাকা। আর সঙ্গে যোগ হয়েছে ভ্যাট ৫,২২২ টাকা। সব মিলিয়ে অই ভোক্তাকে বিল পরিশোধ করতে হয়েছে ৪১,১০৯ টাকা!

 

এমন বিল কপি দেখে অনেকেই রেস্তোরাঁকে ‘গলা কাটা’, পকেট কাটা, ‘জবাই করার’ কেন্দ্র বলে আখ্যা দিচ্ছেন।

 

তাদের মতে, ঢাকায় উন্নতমানের যে কোনো রেস্তোরাঁয় এই পরিমাণ খাবার খেলে বিল ১০ থেকে ১৫ হাজারের বেশি হতো না।

 

কেউ কেউ আবার রেস্তোরাঁর পক্ষ নিয়ে বলছেন, ওরা যা খুশি তা দাম ধরবে, মানুষ ইচ্ছা করে নিজের গলা কাটতে গেলে রেস্তোরাঁর কি দোষ?

 

অনেকেই লেখছেন, এই রেস্তোরাঁয় যাবেন উচ্চবিত্ত ও বিদেশিরা। নিম্ন মধ্যবিত্তরা গেলে খাবারের দাম বেশিই মনে হবে।

 

কেউ কেউ পাল্টা যুক্তি দিচ্ছেন, রেস্তোরাঁর কোথাও কি লেখা আছে এটা ফাইভস্টার মানের? আর অর্ডারের পর খাবার পরিবেশনে যে সময় নিচ্ছে তারা তা কোনো মতেই ভালো মানের রেস্তোরাঁর বৈশিষ্ট নয়।

 

 

 

 

ইয়াসির আরাফাত নামের একজন অভিযোগ করেছেন, ‘শুক্রবার গিয়েছিলাম মাওয়ার প্রোজেক্ট হিলসায়। খাবার অর্ডারের পর কয়েক ঘণ্টা বসে থাকতে হয়েছে। উন্নত রেস্তোরাঁর এ কেমন অবস্থা?’

 

 

 

রেস্তোরাঁটির খাবারের মান, দাম নিয়ে করা অভিযোগ প্রসঙ্গে মুন্সিগঞ্জ জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক আসিফ আল আজাদ বলেন, ‘তাদের খাবারের যে দাম সেটা অবশ্যই মেন্যুকার্ডে উল্লেখ করে রাখতে হবে। ভোক্তারা এটি দেখেই খাবেন। ভোক্তারা যদি মনে করেন, এখানে দাম বেশি তাহলে তিনি ওখানে না-ও খেতে পারেন। খাবার দাম মেন্যুকার্ডে যা লিখে রাখা হবে তার থেকে বেশি নেয়া হলে সেটি অপরাধ হবে। এ ব্যাপারে আমাদের কাছে অভিযোগ এলে আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নেব।’

 

 

সার্ভিস চার্জের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এ সার্ভিস চার্জ রাখা যাবে কি যাবে না, সে সম্পর্কে কিছু বলা নেই। তবে সার্ভিস চার্জের বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে ঘোষণা দিতে হবে। মেন্যুকার্ডে লিখে রাখতে হবে। কাস্টমারকে জানিয়ে রাখতে হবে যে ১০ শতাংশ সার্ভিস চার্জ রাখা হবে। এটি না করে থাকলে সেটি অপরাধ হবে।’

 

মেন্যু বলছে, রেস্তোরাঁটিতে ইলিশ মাছের ২৪ ধরনের রেসিপিসহ মোট ৩০০ ধরনের খাবার পাওয়া যায়।

 

ভোক্তাদের এসব অভিযোগের বিষয়ে  ‘প্রজেক্ট হিলসা’র ম্যানেজার নিশাত আহমেদ বলেন, ‘দাম বেশি কি-না সেটা পরিবেশ, রেস্তোরাঁর আকার, অবস্থা, ডেকোরামের উপর নির্ভর করে। আমাদের কাছে দাম অত বেশি মনে হচ্ছে না। তবে দাম নিয়ে কাস্টমারদের অসন্তোষের বিষয়টি নিয়ে আমরা ভাবব।’

 

১০ শতাংশ সার্ভিস চার্জ কেটে নেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ বড় বড় যে কোনো রেস্তোরাঁয় এমন সার্ভিস চার্জ রাখা হয়।  পার্কিং চার্জ, ইলেক্ট্রিসিটি, এসি সবকিছুর ওপর একটি চার্জ তো হবেই, তাই না? আর আমাদের মেন্যুকার্ডে এ কথা উল্লেখ করা আছে।’

 

প্রসঙ্গত, সারা বছরজুড়ে দেশের দূর-দূরান্ত হতে অনেক ভোজনরসিক মাওয়া ঘাটে যান  পদ্মার তাজা ইলিশ খেতে।

 

সে কথা মাথায় রেখে মাওয়া ঘাটে যাওয়ার পথেই শিমুলিয়া ঘাটের কাছাকাছি ইলিশ মাছের মতো দেখতে এই বিশালাকার প্রোজেক্ট হিলসা রেস্তোরাঁ নির্মাণ করা হয়েছে।

 

গত ২৭ মে আনুষ্ঠানিকভাবে এর  উদ্বোধন করা হয়েছে। “প্রজেক্ট হিলসার” ম্যানেজার ইনচার্জ প্রসনজিৎ রায়ের দেওয়া তথ্য মতে, প্রায় ৪০ হাজার বর্গফুট আয়তন এই রেস্তোরাঁর। এখানে একসাথে ৩’শ- এর বেশি মানুষ বসে খেতে পারবে। কাস্টমার সার্ভিসের জন্য এখানে স্টাফ রয়েছে ৮০জনের বেশি। রয়েছে ফ্রী গাড়ি পার্কিং-এর সুব্যবস্থা। শিশুদের জন্যেও খেলাধূলার ব্যবস্থা রয়েছে।

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

শ্রমিক না নামিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করায় ওজোপাডিকো শ্রমিকের মৃত্যু

চট্টগ্রামের পটিয়া সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ

খুলনার দিঘলিয়ায় পিস্তল, গুলি, ককটেল, মোটরসাইকেল ও ছোরা উদ্ধা‌রে মামলা

 

 

 চট্টগ্রাামের বাঁশখালীতে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টূর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা

 

 চট্টগ্রাামের বাঁশখালীতে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ (অনুর্ধ্ধ১৭) ফুটবল টূর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন। ৫ জুন বিকাল ৩ টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে চাম্বল উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি ছিলেন, বাঁশখালীর সাংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী এমপি।

 

বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান চৌধুরী মোহাম্মদ গালিব সাদলী। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাধনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন চৌধুরী খোকা,বাঁশখালী থানার তদন্ত (ওসি) আজিজুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম,কাথারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাজাহান চৌধুরী,খানখানাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বদরুদ্দীন চৌধুরী,শেখেরখীল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইয়াছিন তালুকদার, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জাফর ইকবাল,প্রকাশ বড়ুয়াসহ উক্ত টুণামেন্টের পরিচালনা পরিষদের সকল সদস্য বৃন্দ ও বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উক্ত ফাইনাল খেলায় অংশগ্রহণ করেন কাথারিয়া ইউনিয়ন বনাম শেখেরখীল ইউনিয়ন।

 

এতে ট্রাইবেকারে কাথারিয়া ইউনিয়নকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ান হওয়ার গৌরব অর্জন করেন শেখেরখীল ইউনিয়ন পরিষদ।

//আ: জববার,   চট্রগ্রাম প্রতিনিধি//

 

 

 

শ্রমিক না নামিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করায় ওজোপাডিকো শ্রমিকের মৃত্যু

শ্রমিক না নামিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ টালু করায় দুর্ঘটনা। বরিশাল নগরীর রূপাতলী ওজোপাডিকো কার্যালয় চত্ত্বরে বিদ্যুৎ পোস্টে এক ব্যক্তি পুড়ে অঙ্গার হয়েছে টানা ১০ ঘন্টা বিদ্যুৎ বিহীন ছিলো বরিশাল নগরীর বেশীরভাগ এলাকা। বরিশালে সংরক্ষন ও মেরামতে দিনভর বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রেখে বরিশালবাসীকে চরম দুর্ভোগে ফেলেছে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড (ওজোপাডিকো)।
বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় বিশেষ করে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শনিবার (৫ জুন) দিনভর চিকিৎসা এবং অপারেশন কার্যক্রম ব্যহত হয়। এদিকে শেষ সময়ে সরবরাহ লাইন থেকে শ্রমিক না নামিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করায় নগরীর রূপাতলী ওজোপাডিকো কার্যালয় চত্ত্বরে বিদ্যুৎ পোস্টে এক ব্যক্তি পুড়ে অঙ্গার হয়েছে। পরিবারের একমাত্র আয়ক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে বিলোপ করছেন নিহতের পরিবার। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবী করেছেন।
 ওজোপাডিকো শ্রমিকের মৃত্যু
ওজোপাডিকো সূত্র জানায়, নগরীর পোর্ট রোডের কেরামতিয়া মসজিদের উপর থেকে ৩৩ হাজার কিলো ভোল্টের বিদ্যুৎ সঞ্চালন রয়েছে। সরকারী নির্দেশনা অনুসারে গতকাল দিনভর বিদ্যুৎ বিভাগ মসজিদের উপর থেকে সঞ্চালনা লাইন সরিয়ে পাশে স্থাপন করে। অপরদিকে নগরীর সদর ফিডারে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের বেশী চাপ পড়ায় চকবাজার এলাকার জন্য একটি আলাদা ফিডার করা হয়। এছাড়া নগরীর রূপাতলী এলাকায় ওজোপাডিকো কার্যালয় চত্ত্বরেও নতুন ফিডার স্থাপনের কাজ চলে দিনভর।
এ জন্য নগরীর সদর ও সিএন্ডবি এবং মেডিকেল ফিডার সহ বেশীরভাগ এলাকায় শনিবার (৫ জুন) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মাইকিং করে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়। এতে চরম বেকায়দায় পড়েন লাখো নগরবাসী। বিশেষ করে বিদ্যুৎ এবং অনলাইন ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সব কাজ বন্ধ থাকে। বেসরকারী বড় বড় ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ক্লিনিক ও হাসপাতাগেুলো জেনারেটর চালিয়ে তাদের ব্যবসা টিকিয়ে রাখলেও দিনভর অন্ধকারাচ্ছন্ন ছিলো শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
এই হাসপাতালে ২৪ ঘন্টা অপারেশন কার্যক্রম চললেও গতকাল অপারেশন সহ চিকিৎসা সেবা মারাত্মভাবে ব্যহত হয়। বিকেল ৫টায় বিদ্যুত সংযোগ চালুর পূর্ব ঘোষনা থাকলেও ১০ ঘন্টা পর বিদ্যুত সংযোগ চালু করা হয় সন্ধ্যার পর ৭টায়। এর উৎস্য খুঁজতে গিয়ে জানা যায়, নগরীর রূপাতলী ওজোপাডিকো কার্যালয় চত্ত্বরে নতুন ফিডার স্থাপন কাজ শেষ করে নীচে নামার আগেই বিদ্যুত সংযোগ চালু করায় মো. ফয়সাল নামে এক শ্রমিক পুড়ে অঙ্গার হয়েছে। বিদ্যুত স্পৃষ্ট হয়ে নীচে পড়ে আরও এক শ্রমিক আহত হয়েছে।
রূপাতলী এলাকায় ওজোপাডিকো’র ঠিকাদার মিজানুর রহমান জানান, ১২ জন শ্রমিক নিয়ে রূপাতলী ওজোপাডিকো অফিসের মধ্যে দিনভর কাজ করেন। বিকেল ৫ টার দিকে কাজ শেষ করে ফয়সাল সহ অপর শ্রমিক বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে নীচে নামচিলো। তারা নিরাপদ দূরত্বে যাওয়ার আগেই বিদ্যুত সংযোগ চালু করা হয়। মুহূর্তে বিদ্যুত স্পৃষ্ট হয়ে ফয়সালের মৃত্যু হয়। অপর শ্রমিক নীচে সিটকে পড়ে আহত হয়। রূপাতলী পাওয়ার গ্রীড কন্ট্রোল রুমে দায়িত্ব পালনকারী গোলাম ফারুক বলেন, বিকেল ৫ টা ৫ মিনিটে ফিডার ইনচার্জ শহিদ নিজে কন্ট্রোলরুমে গিয়ে ক্লিয়ারেন্স পাওয়া গেছে জানিয়ে তাকে (ফারুক) লাইন চালু করতে বলে।
সংযোগ চালুর কিছুক্ষন পরই বিদ্যুত স্পৃষ্ট হয়ে একজনের মৃত্যুর খবর পান তারা। কাজ চলমান অবস্থায় ফিডার ইনচার্জ কিভাবে ক্লিয়ারেন্স পেয়েছেন তা তিনিই ভাল বলতে পারবেন। নিয়ম অনুযায়ী ফিডার ইনচার্জের নির্দেশনা পাওয়ার পরই তারা লাইন চালু করেন। বিদ্যুত পোস্টে একজন পুড়ে অঙ্গার হয়ে যাওয়ার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ফয়সালের অঙ্গার মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
তার বাড়ি বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়া এলাকায়। তার ৮ বছর বয়সের একটি ছেলে রয়েছে এবং বর্তমানে তার স্ত্রী ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী কোতয়ালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আসাদুজ্জামান জানান, ময়না তদন্তের জন্য ফয়সালের মরদেহ মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে।
 //পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল //

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান

 

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী । বাঁশখালীতে পুষ্টি মেধা দারিদ্র বিমোচন দিনব্যাপী প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে উদ্যোগে এক সভা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাঁশখালী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. সমরঞ্জন বড়ুয়ার ব্যবস্থাপনায় ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইদুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, বাঁশখালী সাংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী এমপি।

 

বিশেষ অতিথি বাঁশখালী থানার (ওসি) তদন্ত আজিজুল ইসলাম,উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম,এডভোকেট তোফাইল বিন হোসাইন, বাঁশখালী থানা পুলিশের এসআই নাজমুল হক, এসআই আকতার,ওলমা লীগ সভাপতি মৌঃ আকতার হোসাইনসহ প্রাণিসম্পদ অফিসের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

উক্ত প্রদর্শনীতে বাঁশখালী উপজেলার খামারীরা উন্নত জাতের গাভী, বাছুর, ষাঁড়, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, হাঁস—মুরগি, শৌখিন পাখি (কবুতর, ময়না, টিয়া, ঘুঘু প্রভৃতি), প্রাণী প্রযুক্তি, বিভিন্ন দুগ্ধজাত পণ্য (মিষ্টি, দই, ঘি, মাখন, ছানা প্রভৃতি), মাংস প্রক্রিয়াজাত পণ্য ইত্যাদি নিয়ে অংশগ্রহণ করেন। প্রদর্শনীতে ১ম, ২য়, ৩য় স্থান অর্জনকারী খামারীদের মাঝে আকর্ষণীয় পুরস্কার প্রদান করা হয়।

//চট্রগ্রাম প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রাজশাহীর বাঘায় প্রাণী সম্পদ  প্রদর্শনী-২০২১ অনুষ্ঠিত

রাজশাহীর বাঘায় প্রাণী সম্পদ  প্রদর্শনী-২০২১ অনুষ্ঠিত

রাজশাহীর বাঘায় প্রাণী সম্পদ দপ্তর ও ভ‍েটেরেনারি হাসপাতালের ব‍্যাবস্থাপনায় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী-২০২১ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৫ জুন) দুপুরে প্রাণিসম্পদ ও ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি) প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, মৎস‍্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিস চত্তরে শুরু হওয়া এ প্রদর্শনী করোনা জন্য সংক্ষিপ্ত ভাবে চলে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানা চামেলী সভাপতিত্বে লাল ফিতা কেটে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী-২১ এর উদ্ভোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠানের ঘোষনা দেন। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,বাঘা উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ লায়েব উদ্দিন লাভলু,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানা চামেলী, কৃষি কর্মকর্তা শফিউল্লাহ সুলতান,মৎস্য কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম,প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃআমিনুল ইসলাম,ভেটেনারী সার্জন রোকনুজ্জামান,উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল,যুগ্ন সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম মুন্টু,আওয়ামীলীগ সদস্য মাসুদ রানা তিলুসহ গরু ছাগল খামারী এবং পশু অফিসের অন্যান্য কর্মচারীবৃন্দ।
উপস্থিতদের মধ্য বক্তব‍্য রাখেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ  কর্মকর্তা ডা: আমিনুল ইসলাম, ভেটেরেনারী সার্জন ডা:রোকনুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল,উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃলায়েব উদ্দিন লাভলু।
এই প্রদর্শনীতে ২২ টি স্টল বসে। ১৫টি স্টলে বিভিন্ন জাতের গরু, ছাগল, ভেড়া, হাঁস, মুরগী ও বিভিন্ন ধরনের পাখি প্রদর্শনী করা হয়।
এ বিষয়ে ভেটেরেনারী সার্জন ডা:রোকনুজ্জামান বলেন, দেশে বিভিন্ন জাতের পশু পালন বিষয়ে আমরা ব‍্যাপক সাফল‍্য লাভ করেছি। হাঁস-মুরগীর ডিম উৎপাদনে আমরা লক্ষ‍্যমাত্রা অর্জন করেছি। দুধ উৎপাদনেও প্রায় লক্ষ‍্যমাত্রা অর্জনের পথে। তাই প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীর মাধ‍্যমে এই বাঘা উপজেলা অঞ্চলের মানুষ যাতে উন্নত প্রজাতির পশু ও পাখি লালন-পালনে উদ্বুদ্ধ হয় এবং এর সুফল জনগণের মাঝে পৌঁছে দেয়াই আমাদের লক্ষ্য। চকরাজাপুর চর এলাকাতেও প্রায় ২হাজার ২শতটির বেশী মহিষ পালন করা হয়।যা আমরা এই পশু অফিস হতে সব সময় সার্বিক চিকিৎসা প্রদান করে থাকি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানা চামেলী বলেন, এই এলাকার মানুষ যাতে উন্নত জাতের গরু-ছাগল হাঁস মুরগী আরো বেশি লালন-পালন করতে পারে এই লক্ষ্য নিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।বাংলাদেশ সরকার দেশে ব্যপক উন্নতি ঘটিয়েছে। কৃষি সেক্টরেও অনেক উন্নয়ন সহ প্রাণীসম্পদে উন্নয়নের ধারা চলমান রাখতে সরকার বিভিন্নভাবে জনগণকে সহযোগিতা দিয়ে আসছে। প্রাণিসম্পদের এই প্রদর্শনী পশুপালনে জনগণের মাঝে ব‍্যাপক সাড়া ফেলবে বলে আশা করছি।
//হাবিল উদ্দিন, বাঘা, রাজশাহী//

যশোরের ৩ উপজেলায় চলমান “ স্কুল ফিডিং ও মিড ডে মিল” কর্মসূচি বন্ধ

 

যশোরের ৩ উপজেলায় চলমান “ স্কুল ফিডিং ও মিড ডে মিল” প্রকল্পের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন । প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিছিয়ে পড়া, হতদরিদ্র শিশু শিক্ষার্থীদের শারীরিক পুষ্টি মান বজায় রাখা, সার্বজনীন শিক্ষাকে গতিশীল করার লক্ষ্যে শিশু শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধের লক্ষ্যে যশোর জেলার ৩ টি উপজেলায় “ স্কুল ফিডিং ও মিড ডে মিল” প্রকল্প চালু হয়।

 

যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, যশোর জেলার যশোর সদর, ঝিকরগাছা ও চৌগাছা উপজেলায় এ প্রকল্প চালু হয়।তিনটি উপজেলার মধ্যে যশোর সদর উপজেলার ২৫৬ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫৭৫৪৮ জন শিশু শিক্ষার্থী, ঝিকরগাছা উপজেলার ১৩৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৮২৯৩ জন শিশু শিক্ষার্থী ও চৌগাছা উপজেলার ১৩৯ বিদ্যালয়ের ২৮১০০ শিশু শিক্ষার্থী “ মিড ডে মিল” কর্মসূচির আওতায় থেকে উচ্চ পুষ্টি সম্পন্ন বিস্কুট খায়ানো হতো এবং একই সাথে ঝিকরগাছার ২০ বিদ্যালয়ের ৪২৫৪ শিশুকে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় পুষ্টি সম্পন্ন খিচুড়ি খাওয়ানো হতো।

 

সর্বসাকুল্যে ৫২৮ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ লক্ষ ১০ হাজার শিশু শিক্ষার্থী এই “ স্কুল ফিডিং ও মিড ডে মিল” কর্মসূচির সুবিধাভোগী ছিল। কিন্তু বৈশ্বিক মহামারী করোনা শুরু হওয়ায় গত ১৮ মার্চ থেকে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বন্ধ হয়ে যায় চলমান “স্কুল ফিডিং ও মিড ডে মিল” কর্মসূচি। শিশুদের পুষিহীনতার কথা বিবেচনা করে সরকার এই কর্মসূচি চালু করে।

 

কিন্তু প্রকল্পের মেয়াদ অনুযায়ী এ মাসেই “ স্কুল ফিডিং ও মিড ডে মিল ” কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা।আর এ কর্মসূচির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় হতাশা সৃষ্টি হয়েছে অভিভাবক ও শিশু শিক্ষার্থীদের মধ্যে। সুবিধাভোগীরা চলমান কর্মসূচির মেয়াদ বৃদ্ধির দাবি জানান।

 

আর এ “ স্কুল ফিডিং ও মিড ডে মিল ” কর্মসূচির সাথে সংশ্লিষ্টরা এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বলছেন, প্রকল্পের মেয়াদ যদি বৃদ্ধি না করা হয় তাহলে অনেক শিক্ষার্থী ঝরে পড়বে ও বহু শিশু পুষ্টিহীনতার স্বীকার হবে।

 

তাই কর্মসূচিটি চালু রাখার জন্য অভিভাবক ও শিক্ষকগণ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

 

// নিজস্ব প্রতিনিধি //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বাংলাদেশ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এসােসিয়েশন এর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

 

বাংলাদেশ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এসােসিয়েশন এর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

 

বাংলাদেশ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নারী উন্নয়ন ফোরাম কেন্দ্রীয় পরিষদে ৩ জুন ২০২১ তারিখ অনলাইন সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে , বাংলাদেশ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এসােসিয়েশন পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে ।

 

নবগঠিত কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন খুলনা জেলা আ’লীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য ও ফুলতলা উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারজানা ফেরদৌস নিশা এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ড, সেলিনা রশিদ ।

কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে পদাধিকারবলে বিভাগীয় পর্যায়ের আঞ্চলিক কো – অর্ডিনেটরগণ বিভাগীয় সভাপতি । ৬৪ জেলা পর্যায়ে সভাপতি , পদাতিকারবলে জেলা কো – অর্ডিনেটরগণ ।

 

সাংগঠনিক সম্পাদক দিনাজপুর জেলার চিনির বন্দর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লায়লা বেগম । গত ১৩ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে অনলাইন আলােচনায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে নারী উন্নয়ন ফোরাম এর সমন্বয়ে বাংলাদেশ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এসােসিয়েশন এর আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়েছিল।

 

// আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনার দিঘলিয়ায় পিস্তল, গুলি, ককটেল, মোটরসাইকেল ও ছোরা উদ্ধা‌রে মামলা

খুলনার দিঘলিয়ায় পিস্তল, গুলি, ককটেল, মোটরসাইকেল ও ছোরা উদ্ধা‌রে মামলা

 

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর ইউনিয়নের নন্দনপ্রতাপ বাজারের কাছ থেকে ৪জুন পিস্তল, গুলি মোটরসাইকেল, ককটেল এবং ছোরা উদ্ধা‌রের ঘটনায় গতকাল রাতে দিঘলিয়া থানায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা হয়েছে। মামলা নং ৩ তাং ০৪/০৬/২০২১। মামলার বাদী কামারগাতী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এস আই নূরুল আমীন।

 

মামলায় এজাহারভূক্ত আসামী ৩ জন এবং অজ্ঞাতনামা আরো ৬/৭ জন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ ঘটনার সংগে জড়িত থাকার অভিযোগে কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। দিঘলিয়া থানা ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রিপন কুমার সরকার জানান, আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে এবং বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

 

উল্লেখ্য, ১মাস পূর্বে একটি মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়েরকৃত মামলার একজন আসামি সম্প্রতি জামিনে বের হয়ে আসার পর বারাকপুর ইউনিয়নের বারাকপুর, মল্লিকপুর, লাখোয়াটী এবং নন্দনপ্রতাপ গ্রামে ইউপি নির্বাচনে দু’ চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। ঘটনার জের ধরে ৩ জুন রাত মল্লিকপুরে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। পরেরদিন ৪ জুন নন্দনপ্রতাপ বাজারে প্রতিপক্ষের উপর হামলা হতে পারে এমন তথ্য পুলিশের কাছে ছিলো।

 

হামলা এবং সংঘর্ষ এড়াতে দিঘলিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আহসানউল্লাহ চৌধুরী, ইন্সপেক্টর ( তদন্ত) রিপন কুমার সরকার এবং কামারগাতী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই নূরুল আমীন এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ সকাল ৭ টা থেকে নন্দনপ্রতাপ বাজার সংলগ্ন ব্রিজের উপর অবস্থান নেয়। সকাল আনুমানিক ৮ টার সময় বাজারের উপর দিয়ে ৫ যুবক মোটরসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিল।

 

এ সময় পুলিশ তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করলে যুবকরা ৫ টি মোটরসাইকেল ফেলে দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। এ সময় পুলিশ ৫ টি মোটরসাইকেল, পরিত্যক্ত অবস্থায় ১ টি পিস্তল, ২ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ১ টি ককটেল, ১ টি বড় সাইজের ছোরা উদ্ধা‌র করে।

 

।। খুলনা ব্যুরো ।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

চট্টগ্রামের পটিয়া সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ

 

আজ থেকে সাতক্ষীরা জেলায় বিশেষ কঠোর লকডাউন

 

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউ এখন শুরু হয়েছে দেশের সীমান্তবর্তী জেলা সমূহে।আর সীমান্তবর্তী জেলার করোনার ঢেউকে প্রতিহত করার জন্য ঘোষণা করা হয়েছে বিশেষ কঠোর লকডাউন। তারই ধারাবাহিকতায় ৬ জুন-২০২১ রোজ শনিবার সকাল ৯ ঘটিকা থেকে পরবর্তী শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ ঘটিকা পর্যন্ত সাতক্ষীরা জেলায় বিশেষ লকডাউন।

লকডাউনে ১. শুধুমাত্র ওষুধের দোকান ২৪ ঘন্টা খোলা থাকবে, ২. নিত্য প্রয়োজনীয় দোকান যেমন- মুদি,কাঁচাবাজার, সারকীটনাশকের দোকান সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে, ৩. সকল প্রকার যান বাহন বন্ধ থাকবে, যেমন- মোটরসাইকেল, বাইসাইকেল,ভ্যান,রিকশা, মটর ভ্যান,ইজিবাইক, মাহেন্দ্র, মাইক্রোবাস,প্রাইভেট কার বন্ধ থাকবে, ৪. কোন জায়গায় একের অধিক লোক থাকতে পারবে না,৫. সকল প্রকার আচার অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে, ৬. জরুরি প্রয়োজনে বাহির হলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে, ৭. মাস্ক ছাড়া কেউ বাহির হলে ২ হাজার টাকা জরিমানা ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

 

অদৃশ্যমান বৈশ্বিক মহামারী করোনার বিরুদ্ধে সকলে সম্মিলিতভাবে সামাজিক সচেতনা গড়ে তুলি,মাস্ক ব্যবহার করি ও অন্যদের মাস্ক ব্যবহারে উদ্ধুদ্ধ করি।আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় করোনার এই দ্বিতীয় ঢেউ প্রতিহত করা সম্ভব।

// স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

কুমিল্লায় ডাকাতি প্রস্তুতিকালে ৩ ডাকাত গ্রেফতার