‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশ পাঠানোর বিষয়ে সরকার ইতিবাচক’

 

বিএনপি চেয়ারপারসন করোনা আক্রান্ত খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ পাঠানোর বিষয়ে সরকার ইতিবাচক বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার প্রয়োজন হলে সরকার ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখবে।

বুধবার রাতে খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশ পাঠানোর আবেদন নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় গিয়েছেন তার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার। এ সময় চিকিৎসার আবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে বলেও আশ্বস্ত করেছেন আসাদুজ্জামান খান কামাল। বিষয়টি দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে।

করোনা আক্রান্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে রাখা হয়েছে। তাকে নিয়মিত অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে।এমতাবস্থায় তাকে বিদেশ নিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

খালেদা জিয়াকে বিদেশ নেওয়ার অনুমতি চাইতে সোমবার রাতে তার ভাই শামীম ইস্কান্দার ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করেন। তারা খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

খালেদা জিয়া যদি বিদেশ যেতে আবেদন করেন, তাহলে সরকারের পক্ষ থেকে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে- এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার বলেছিলেন, এটি আদালতের বিষয়। প্রধানমন্ত্রী যে ধারায় সাজা স্থগিত রেখে চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন, এর বাইরে অন্য কোনো সুযোগ নিতে চাইলে তাকে আদালতে যেতে হবে। আরও কিছু পেতে হলে কোর্টের মাধ্যমে আসতে হবে।

তবে এ ব্যাপারে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক যুগান্তরকে বলেন, বিদেশে যেতে বা বিদেশি চিকিৎসা নিতে পারবেন না- সরকারের দেওয়া সেই শর্ত শিথিল করলে খালেদা জিয়ার বিদেশে যেতে আইনগত কোনো বাধা থাকে না। এটা নির্ভর করছে একেবারেই সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর। কিন্তু এখনও বিএনপি বা খালেদা জিয়ার পরিবারের তরফ থেকে এরকম কোনো আবেদন পাইনি।

জানতে চাইলে অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর অনুমতির বিষয়ে পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। কারণ সরকার খালেদা জিয়াকে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দিয়েছে। সরকারই এই শর্ত শিথিল করতে পারবেন। পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকারই বলবে তারা আদালতে যাবেন না কী করবেন।

 

অনলাইন ডেস্ক।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে চায় পরিবার

বরিশাল জেলা প্রশাসকের আয়োজনে করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ঋণ বিতরণ করা হয়

বরিশাল জেলা প্রশাসকের আয়োজনে করোনা ভাইরাসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বরিশাল বিসিক শিল্প নগরীর উদ্যোক্তাদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর প্রণোদনা প্যাকেজের ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।
(বুধবার ৫ মে) বেলা সাড়ে ১২টায় বরিশাল জেলা প্রশাসকের সভা কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ২৫ জন ক্ষুদ্র ও মাঝারী উদ্যোক্তার হাতে ১ কোটি ২০ লাখ টাকার ঋণের চেক তুলে দেন বিভাগীয় কমিশনার মো. সাইফুল হাসান বাদল। জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারের সভাপতিত্বে প্রণোদনা প্যাকেজের ঋণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার মো. সাইফুল হাসান বাদল।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) প্রশান্ত কুমার দাস, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট গৌতম বাড়ৈ, বিসিকের ডিজিএম জালিস মাহমুদ, জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) মো. নাজমূল হুদা এবং সহকারী কমিশনার সুব্রত বিশ্বাস দাস সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার
বলেন, করোনা ভাইরাসের কারনে বরিশাল বিসিক শিল্প নগরীর অনেক ক্ষুদ্র ও মাঝারী উদ্যোক্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

তাদের জন্য প্রধানমন্ত্রী স্বল্প (৪ ভাগ) সুদে প্রণোদনা প্যাকেজের মাধ্যমে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা বরাদ্দ করেছেন। যাচাই-বাছাই শেষে আজ বিসিকের ২৫ জন ব্যবসায়ীকে প্রথম দফায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকার ঋণ দেয়া হয়েছে। অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্তদের পরবর্তীতে এই ঋণ দেয়া হবে ।
//পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল//

৪ কেজি গাঁজা সহ রূপসার মহিলা মাদক ব্যবসায়ী শার্শায় আটক

 

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় সুনামি মোকাবেলায় যশোর জেলা পুলিশের টীম যেমন কাজ করছে ঠিক একই সাথে যশোর জেলাকে মাদকমুক্ত করার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করছে পুলিশের বিশেষ টীম।

তারই ধারাবাহিকতায় ৫ এপ্রিল-২০২১ রোজ বুধবার ২ঃ৪৫ ঘটিকায় যশোরের পুলিশের একটি চৌকস টীম শার্শা থানার রামচন্দ্রপুর গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে আসামি মোছাঃ নাজমা খাতুন পিতা/ স্বামী- মোঃ ফারুক মোল্যা, গ্রাম- রাজাপুর, থানা- রূপসা,  ৪ কেজি গাঁজা যার বাজার মূল্য ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকাসহ গ্রেফতার করেন।

গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় শার্শা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

এস.এম.মাহফুজুর রহমান মারা গেছেন…

বাহেরহাটের কচুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান এস,এম মাহফুজুর রহমান মারা গেছেন

 

ঢাকা এভারকেয়ার হাসপাতালে বুধবার (০৫মে) পৌনে ৫টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এস.এম.মাহফুজুর রহমান ইন্তেকাল করেছেন(ইন্নালিল্লাহি অইন্না ইলাইহি রাজেউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৭২ বছর। তিনি দুই ছেলে,দুই মেয়ে ও  স্ত্রী সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

 

তিনি কচুয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ছিলেন ।

 

এস.এম.মাহফুজুর রহমান ফুসফুস ক্যান্সার, কিডনী জনিত রোগ সহ বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। হঠাৎ করেই তার শ্বাসকস্ট বেড়ে যাওয়ায় প্রথমে খুলনার একটি বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাকে ২৪দিন আইসিইউতে রাখার পর সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত রবিবার (০২ মে) রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল। সেখানে দুপুরে পৌছানোর পর  তাকে চিকিৎসকরা আইসিইউতে ভর্তি করে। ওই হাসপাতালেই বুধবার তিনি মৃত্যুবরন করেন।

 

প্রথমে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হিসাবে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু । এরপর কচুয়া উপজেলার রাড়ীপাড়া ইউনিয়নে ৩বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন । তারপর ৩ বার কচুয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন এস.এম.মাহফুজুর রহমান ।

তিনি কচুয়া  উপজেলা আওয়ামীলীগের বর্তমান সভাপতি ও চলমান উপজেলঅ চেয়ারম্যান ।

// ডেস্ক রিপোর্ট //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

প্রধানমন্ত্রী কর্মহীন অসহায়দের পাশে…

টানা তৃতীয়বার ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন মমতা ব্যানার্জি

টানা তৃতীয়বারের মতো ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জি।

 

বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় ১১টা ২০ মিনিট) শপথ বাক্য পাঠ করেন তিনি। তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল।

 

এর আগে কালীঘাটের বাড়ি থেকে বের হয়ে ভাতিজা অভিষেক ব্যানার্জিকে সঙ্গে নিয়ে রাজভবনে পৌঁছান মমতা।

সদ্য অনুষ্ঠিত পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ২১৩ আসনের বিপুল জয় পায় মমতার দল তৃণমূল কংগ্রেস।

শপথ নিয়েই মমতা জানালেন, তার প্রথম কাজ হবে রাজ্যের কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলা করা। শপথ নেওয়ার পরে নবান্নে গিয়েই করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করবেন তিনি।

অনলাইন ডেস্ক।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

একদিনে বিশ্বে করোনায় মৃত্যু…

 

সারা বিশ্বে একদিনে করোনায় মৃত্যুবরণ কেরছে ১৪ হাজার মানুষ আক্রন্ত প্রায় ৭লক্ষ

গোটাবিশ্বেই ভয়াবহ রূপ নিয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বব্যাপী প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ১৪ হাজার ১৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

প্রতিদিনই নতুন নতুন রেকর্ড হচ্ছে শনাক্ত ও মৃত্যুর। ভারত ও ব্রাজিলসহ বেশ কয়েকটি দেশ এখন করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণে বিপর্যস্ত।

সারাবিশ্বে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৬ লাখ ৯৫ হাজার ৭৬৭ জন। বিশ্বব্যাপী এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন মোট ১৫ কোটি ৪৯ লাখ ৭৩ হাজার ৩৮ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৩২ লাখ ৪১ হাজার ২৪ জন।

করোনার আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস সূত্রে জানা যায়, বিশ্বে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৩ কোটি ৩২ লাখ ৭৪ হাজার ৬৫৯ জন।  এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৯২ হাজার ৪০৯ জনের। আর সুস্থ হয়েছেন ২ কোটি ৫৯ লাখ ৬৬ হাজার ৩৮৯ জন।

করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় এর পরেই রয়েছে ভারত। গত কয়েক দিন ধরে দেশটিতে দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চ। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ২ কোটি ৬ লাখ ৫৮ হাজার ২৩৪ জনের। মোট মৃত্যু বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৯। আর সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ৬৯ লাখ ৩৮ হাজার ৪০০ জন।

তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে ব্রাজিল। ল্যাটিন আমেরিকার দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে ১ কোটি ৪৮ লাখ ৬০ হাজার ৮১২ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৪ লাখ ১১ হাজার ৮৫৪ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ৩৪ লাখ ৪২ হাজার ৯৯৬ জন।

চতুর্থ স্থানে থাকা ফ্রান্সে এখন পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছেন ৫৬ লাখ ৮০ হাজার ৩৭৮ জন রোগী। এর মধ্যে মারা গেছেন ১ লাখ ৫ হাজার ৩৮৭ জন। সুস্থ হয়েছেন ৪৭ লাখ ১৭ হাজার ৮৩ জন।

শনাক্তের দিক দিয়ে এখন পঞ্চম স্থানে তুরস্ক। দেশটিতে এখন পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছেন ৪৯ লাখ ২৯ হাজার ১১৮ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৪১ হাজার ৫২৭ জন। সুস্থ হয়েছেন ৪৫ লাখ ৫৪ হাজার ৩৭ জন। এ ছাড়া তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে রাশিয়া, সপ্তম স্থানে যুক্তরাজ্য, অষ্টম স্থানে ইতালি, নবম স্থানে স্পেন এবং দশম স্থানে রয়েছে জার্মানি।

সংক্রমণ ও মৃত্যুর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৩৩তম। দেশে এখন পর্যন্ত ৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৯৬ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মারা গেছেন ১১ হাজার ৭০৫ জন। আর সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬ লাখ ৯৫ হাজার ৩২ জন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। দেশটিতে করোনায় প্রথম রোগীর মৃত্যু হয় ২০২০ সালের ৯ জানুয়ারি। ওই বছরের ১৩ জানুয়ারি চীনের বাইরে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় থাইল্যান্ডে। পরে ধীরে ধীরে বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে।

করোনা প্রাদুর্ভাবের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ৩০ জানুয়ারি বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বেসরকারি ভাবে করোনা পরীক্ষার ফি,,

বিশ্বের চতুর্থ শীর্ষ ধনী বিল-মেলিন্ডা গেটসের ছাড়াছাড়ির পর অঢেল সম্পদের কী হবে…!!!

 

গোটা বিশ্বের সেলিব্রেটি দম্পতিদের অন্যতম বিল গেটস ও মেলিন্ডা গেটস। বিশ্বের চতুর্থ শীর্ষ ধনী বিলের সঙ্গে ২৭ বছর আগে গাঁটছড়া বেধেছিলেন মেলিন্ডা। প্রায় তিন দশক এক ছাদের নিচে বাস করে বিচ্ছেদের পথে হাঁটলেন এই দুজন।

বিল গেটস ও মেলিন্ডার সম্পর্কের শুরুটা ছিল পেশাভিত্তিক। ১৯৮৭ সালে প্রোডাক্ট ম্যানেজার হিসেবে মাইক্রোসফটে যোগ দিয়েছিলেন মেলিন্ডা। এরপর দুজনের মধ্যে জানাশোনা শুরু হয়।

এরপরের গল্প দুজনের সামনে এগিয়ে যাওয়া। শুরু হয় দুজনের চুটিয়ে প্রেম।

এরপর প্রেম আরও গভীর হয়েছে। প্রেম শুরুর সাত বছর পর ১৯৯৪ সালে তারা এক ছাদের নিচে থাকার সিদ্ধান্ত নেন।

বিয়ের ছয় বছর পর তারা যৌথভাবে গড়ে তোলেন দাতব্য প্রতিষ্ঠান ‘বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন’। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে কাজ করছে এ ফাউন্ডেশন। বিশ্বজুড়ে সংক্রামক রোগব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াই ও শিশুদের টিকাদানে উৎসাহিত করতে তখন থেকে এখন পর্যন্ত এই ফাউন্ডেশন প্রায় ৫৪ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছে। একটি ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত, সচেতন, শিক্ষিত ও স্বাস্থ্যবান বিশ্ব গড়ে তোলা এ সংস্থার প্রধান উদ্দেশ্য।

ফোর্বসের হিসাবে, বিল গেটস এ মূহুর্তে বিশ্বের চতুর্থ ধনী এবং তার সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১২৪ বিলিয়ন ডলার।

তিনি মূলত এ অর্থের মালিক হয়েছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় সফটওয়্যার কোম্পানি মাইক্রোসফটের মাধ্যমে। ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠা করা এ কোম্পানিটির সহ-প্রতিষ্ঠাতা তিনি।

ধনকুবের এই দম্পতির তিন ছেলে–মেয়ে। বড় মেয়ের নাম জেনিফার গেটস। ছেলে রোরি জন গেটস মেজ। আর ছোট মেয়ে ফিবি অ্যাডেল গেটস।

মা–বাবার বিচ্ছেদের পর সন্তানেরা কী পরিমাণ সম্পদের মালিক হচ্ছেন, তা নিয়েও শুরু হয়েছে আলোচনা। তবে মা–বাবা অঢেল সম্পদের মালিক হলেও সন্তানেরা পাচ্ছেন তার খুব সামান্যই। তিন ভাই–বোনের প্রত্যেকই পাবেন এক কোটি মার্কিন ডলার। বিল ও মেলিন্ডার বাকি অর্থ চলে যাবে ট্রাস্টে।

১৯৯৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পিছিয়ে পড়া ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য উইলিয়াম এইচ ফাউন্ডেশন (দ্য বিল এন্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের আগের নাম) ১ হাজার ৫২৫ কোটি ডলারের বৃত্তি দেয়, যা শিক্ষাখাতে যুক্তোষ্ট্রের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সর্বাধিক অনুদান।

এ অনুদান যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষায় পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে। স্নাতক সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীদের জন্য ২০০০ সালে বিল গেটস ‘গেটস কেমব্রিজ’ বৃত্তি চালু করেন। ‘গেটস কেমব্রিজ’ বৃত্তি বর্তমান পৃথিবীতে আর্থিক অনুদানের দিক দিয়ে সর্ববৃহৎ শিক্ষাবৃত্তি। এ বৃত্তির আওতায় প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্র ও পৃথিবীর অন্যান্য দেশের শতাধিক মেধাবী মেধাবৃত্তি পেয়ে থাকে।

 

গেটস ফাউন্ডেশন প্রতিবছর প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে। বিল গেটস ২০০৮ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে ৬৮ কোটি ২৩ লাখ মার্কিন ডলারের অনুদান দেন পোলিও প্রতিরোধের জন্য। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফান্ডে ইতিহাসে এত টাকা আর কোনো ব্যক্তি একসঙ্গে দেননি। ২০০৬ ও ২০১১ সালে বিল গেটস এইডস, টিবি এবং ম্যালেরিয়া প্রতিরোধকল্পে বৈশ্বিক তহবিলে ৫০ কোটি ও ৭৫ কোটি ডলারের আর্থিক অনুদান দেন।

২০১২ সালে ফাউন্ডেশনটি ২০ কোটি ৭৭ লক্ষ ডলারের আর্থিক সহায়তা প্রদান করে ‘গ্লোবাল টিবি ভ্যাকসিন ফাউন্ডেশন’কে। বর্তমানে মহামারি করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে ১৫০ মিলিয়ন ডলারের আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে বিল এন্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন। প্রয়োজনে তা ২৫০ মিলিয়ন ডলারের উন্নীত করার আশ্বাস দিয়েছেন বিল গেটস।

 

বৈবাহিক বিচ্ছেদ হলেও আপাতত ফাউন্ডেশনে তারা এক থাকছেন। ফাউন্ডেশনের কৌশলগত বিষয়ের অনুমোদন, সব আইনি ইস্যু এবং সংস্থার সামগ্রিক দিকনির্দেশনা নির্ধারণে একত্রে কাজ করে যাবেন বিল গেটস ও মেলিন্ডা। তবে তাদের বিপুল পরিমাণ অন্যান্য সম্পত্তির হিসাব–নিকাশ হয়তো এতটা সহজ হবে না।

 

বিল-মেলিন্ডার পক্ষ থেকে ফাউন্ডেশনের ভবিষ্যতের ব্যাপারে আশ্বস্ত করা হলেও তাদের যৌথ মালিকানাধীন সম্পত্তি কীভাবে ভাগ হবে বা বিচ্ছেদের চুক্তি কী হচ্ছে, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষের কাছ থেকেই কিছু জানা যায়নি। সংশ্লিষ্ট আদালতের কাছে বৈবাহিক সম্পর্ক মিটিয়ে ফেলার আবেদনের পাশাপাশি বিচ্ছেদ চুক্তি অনুযায়ী ব্যবসায়িক স্বার্থ, দায়বদ্ধতা এবং যৌথ মালিকানাধীন সম্পত্তিও ভাগ করার জন্য আবেদন জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

 

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী বিল গেটস নিজ দেশ যুক্তরাষ্ট্রে বেসরকারিভাবে সবচেয়ে বেশি কৃষিজমির মালিক। গেটসের মালিকানায় রয়েছে ২ লাখ ৪২ হাজার একর কৃষিজমি। তবে দেশটির ১৮টি অঙ্গরাজ্যে ছড়িয়ে থাকা এসব কৃষিজমিতে যৌথ মালিকানাইয় মেলিন্ডারও নাম আছে। এর মধ্যে লুইজিয়ানায় ৬৯ হাজার ৭১ একর, আরকানসাসে ৪৭ হাজার ৯২৭ একর ও নেব্রাস্কায় ২০ হাজার ৫৮৮ একর কৃষিজমি রয়েছে।

 

ধারণা করা হচ্ছে, বিশ্বের অন্যতম ধনী দম্পতির বিচ্ছেদের পর এখন এই সম্পত্তি ভাগের বিষয়টি জটিল আকার ধারণ করবে। এছাড়া গেটস পরিবারের সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলার। তাই বিল গেটসের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের আপস-রফা হিসেবে মেলিন্ডা কী পাবেন, সে বিষয়ে চলছে জল্পনা।

অনলাইন ডেস্ক।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

  ১৯৮৭ সালে একটি নৈশভোজে চার চোখ প্রথম হয় গেটস দম্পতির

 

মুন্সিগঞ্জে হারিয়ে যাওয়া শিশু হৃদয়কে পরিবারে ফিরিয়ে দিল গজারিয়া থানা পুলিশ

 গজারিয়া থানা পুলিশের দিনভর চেষ্টার ফলে গতকাল ৩মে রাতে ভাবেরচর এলাকায় হারিয়ে যাওয়া শিশু হৃদয় আজ (০৪ মে) মঙ্গলবার বিকেলে ফিরে গেল তার আপন পরিবারে।

 

এ বিষয়ে গজারিয়া থানার তদন্তকারি কর্মকর্তা (উপ-পরিদর্শক) সবুজ বলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ইপিজেড এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রউফ ও রোকসানা বেগমের পরিবারের সন্তান শিশু হৃদয় (১০) গত সোমবার ০৩ মে নিজের প্রিয় সাইকেল চালিয়ে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে লুকিয়ে কুমিল্লায় নানা বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়।

যাওয়ার পথে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গজারিয়া অংশের ভবেরচর এলাকায় এসে পথ হারিয়ে দিশে হারা হয়ে পড়ে শিশু ছেলে হৃদয়। মানবতা এখনো পৃথিবীতে টিকে আছে বহাল তবিয়ৎতে।তাইতো গজারিয়া উপজেলার এক সাদা মনের বাসিন্দা এক নারী এগিয়ে আসলেন হৃদয় কে সাহায্য করতে।তিনি হলেন উপজেলার কলসের কান্দি গ্রামের সোনিয়া আক্তার(৩৮)।

 

সোনিয়া জানায়, হতবিহৃবল শিশুটিকে দেখতে পেয়ে তার ঠিকানা জানতে চাইলে শিশুটি শুধু বাবা-মায়ের নাম ও তার ঠিকানা শুধু ইপিজেড শব্দ ছাড়া আর কিছু জানাতে না পারছিল না।গজারিয়া উপজেলা প্বার্শবতি থানা গুলোতে অনেক গুলো ই.পি.জেড রয়েছে।সঠিক ই.পি.জেড এ তার ঠিকানা স্থীর করতে ব্যার্থ হওয়ায় সোনিয়া শিশুটিকে নিয়ে স্বরনাপন্য হন গজারিয়া থানার পুলিশের কাছে।

 

এ বিষয়ে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ও.সি-অপারেশন) মুক্তার হোসেন বলেন, গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ও.সি) রইচ উদ্দিন স্যারের সরাসরি দিক নিদের্শনায় তদন্তকারি কর্মকর্তা (এস.আই) সবুজ ও আমাদের তার চৌকস দায়িত্ববোধ ও আন্তরিকতায় সারা দিনের ঐক্যান্তিক প্রচেষ্টায় শিশু হৃদয়ের পরিচয় শনাক্ত করতে সক্ষম হই।শিশুটিকে তার পরিবারে হস্তান্তর করি।

পুলিশ জনগণের বন্ধু।গজারিয়া থানা পুলিশ কর্তব্যবোধে সচেতন ও স্বাবলম্বী।

সৈয়দ মোঃ শাকিল। গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

 

 

এএমআর হতে পারে  করোনার চেয়েও ধ্বংসাত্মক, জানালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা 

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, করোনাভাইরাস মহামারির চেয়ে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) আরও ধ্বংসাত্মক হবে যা সঠিকভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব না হলে খাদ্য সুরক্ষা এবং উন্নতির পাশাপাশি ভৌগলিক অবস্থানসহ প্রতিটি জীবকে বিপন্ন করতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯ মহামারিটি আমাদের সময়ের সংজ্ঞায়িত জনস্বাস্থ্য সংকট যা ইতোমধ্যে ৩০ লাখেরও বেশি লোকের জীবন নিয়েছে। তবে অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) আকারে আসন্ন মহামারীটি বিশ্বস্বাস্থ্যের আরও বেশি ক্ষতি সাধন করবে।

মঙ্গলবার ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে ‘অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স অন ওয়ান হেলথ গ্লোবাল লিডার্স গ্রুপ’ এর প্রথম সভার উদ্বোধনী অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে ধারণকৃত ভাষণটি অনুষ্ঠানে সম্প্রচারিত হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব নেতাদের সতর্ক করেন যে, অ্যান্টি ড্রাগ প্রতিরোধ কেবল মানব, প্রাণী এবং উদ্ভিদের স্বাস্থ্যকেই বিপন্ন করবে না, পাশাপাশি তা খাদ্য সুরক্ষা এবং এসডিজি (টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য) অর্জনের অগ্রগতির জন্যও হুমকি স্বরূপ।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, অ্যান্টি ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স ভৌগলিক অবস্থান এবং আর্থ-সামাজিক অবস্থা নির্বিশেষে যে কোনো ব্যক্তিকে প্রভাবিত করতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী এএমআর নিয়ন্ত্রণ এবং সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ (আইপিসি) ব্যবস্থা কঠোরভাবে মেনে চলা নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, গ্লোবাল অ্যাকশন প্ল্যান-২০১৫ এবং এএমআর-তে জাতিসংঘের রাজনৈতিক ঘোষণা-২০১৬ বাস্তবায়নের মাধ্যমে এটি সম্ভব।

এএমআর-তে গ্লোবাল লিডার্স গ্রুপের সহ-সভাপতি শেখ হাসিনা বার্বাডোসের প্রধানমন্ত্রী মিয়া আমোর মোটোলি এবং অন্যান্য বৈশ্বিক নেতাদের সাথে এএমআর এর হুমকির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একত্রে কাজ করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী এএমআরের আসন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য বিশ্বব্যাপী কৌশলগুলো কার্যকর ও সহযোগিতামূলক পদ্ধতির মাধ্যমে কার্যকর করার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও), এফএও (খাদ্য ও কৃষি সংস্থা) এবং ওআইই (পশুর স্বাস্থ্যের জন্য বিশ্ব সংস্থা) এর চলমান প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন। বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে সম্মিলিত পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

আসন্ন এএমআর মহামারি পটভূমির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী কার্যকরভাবে এএমআর নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে তাদের ধ্বংস কার্যকর করার জন্য বিশ্বের সামনে সাতটি পরামর্শ রেখেছেন।

প্রধানমন্ত্রী তার প্রথম প্রস্তাবে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স কন্টেইনমেন্ট-এআরসির লক্ষ্য অর্জনের জন্য বৈশ্বিক, আঞ্চলিক ও জাতীয় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এবং সমীক্ষা তদারকির পাশাপাশি প্রতিবেদনের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি তার দ্বিতীয় এবং তৃতীয় প্রস্তাবে কার্যকর এবং অন্তর্ভুক্ত এএমআর নজরদারি এবং ক্ষমতা বৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্য অ্যান্টিমাইক্রোবায়ালগুলোর যথাযথ ব্যবহার এবং বৈজ্ঞানিক জ্ঞান এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা ভাগ করে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন স্তরে নীতি ও নীতি বিকাশের পরামর্শ দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী তার চতুর্থ প্রস্তাবনায় প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং মালিকানা ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যের এবং কার্যকর অ্যান্টিবায়োটিক এবং অন্যান্য চিকিৎসা সুবিধাগুলোতে ন্যায়সঙ্গত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।

তিনি তার পঞ্চম প্রস্তাবনায় স্বল্প ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে বিশেষ মনোযোগ দিয়ে এএমআর-নির্দিষ্ট এবং এএমআর-সংবেদনশীল কর্মের জন্য পর্যাপ্ত এবং টেকসই অর্থায়ন নিশ্চিত করার পক্ষে মতামত দিয়েছেন।

ষষ্ঠ ও সপ্তম প্রস্তাবনায় এএমআর প্রতিরোধে বিনিয়োগের জন্য সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের প্রয়োজনীয়তার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক, সাশ্রয়ী এবং টেকসই সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা কভারেজের ওপর জোর দিয়েছেন বাংলাদেশ সরকারপ্রধান।

বাংলাদেশের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার দেশীয় স্তরে কার্যকর অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল ব্যবহার নিশ্চিত করতে ছয় বছরের জাতীয় কৌশলগত পরিকল্পনা এবং এআরসিতে জাতীয় কর্মপরিকল্পনার আওতায় অসংখ্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানব স্বাস্থ্য, গবাদি পশু, মৎস্য ও কৃষি খাতে অ্যান্টিমাইক্রোবায়ালের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই পরিকল্পনাটি তৈরি করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তার সরকার ২০১৪ সাল থেকে ডাব্লিউএইচও গ্লাস প্ল্যাটফর্মে এএমআর ডেটা সরবরাহ করে আসছে এবং অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল প্রতিরোধের বিষয়ে গণমানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে মিডিয়াকে জড়িত করার জন্য কাজ করছে।

// অনলাইন ডেস্ক //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ক্ষতিগ্রস্থ দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মধ্যে আর্থিক সহায়তা

 

নওগাঁ’র এসিআই ফুডস-এর ১৩ হাজার কেজি সুগন্ধি অতপ চাল আত্মসাৎ: ১৫ দিন পর উদ্ধার : আটক ২

 
  চালকের ভুয়া পরিচয় দিয়ে নওগাঁ’র মহাদেবপুর থেকে নারায়নগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জ মোকামে পৌঁছে দেয়ার নামে এ সি আই ফুডস লিঃ এর সাড়ে ১৪ লক্ষ টাকা মুল্যের ১৩ হাজার কে জি সুগন্ধি আতপ চাল প্রতারনা করে আত্মসাতের ১৫ দিন পর উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মহাদেবপুর থানা পুলিশ সোমবার আত্মসাৎকৃত চালের মধ্যে প্রায় ৯ হাজার কেজি চাল এবং প্রতারক চক্রের মুল হোতাসহ ২ জনকে আটক করেছে। মঙ্গলবার দুপুরে আটক আসামীদের কোর্টে সোপর্দ করা হয়েছে।

মহাদেবপুর থনার অফিসার ইনচার্জ আজম উদ্দিন মাহমুদ বলেছেন গত ১৮ এপ্রিল মহাদেবপুর উপজেলার সরস্বতিপুর বাজারে অবস্থিত এ সি আই ফুডস লিঃ এর উক্ত ১৩ হাজার কেজি সুগন্ধি আডপ চাল নারায়নগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ বাজারে আব্দুল্লাহ ষ্টোরে সরবরাহ করতে মহাদেবপুর ভাই ভাই ট্রান্সপোর্টকে একটি ট্রাক করার অনুরোধ জানায়।

প্রেক্ষিতে ভাই ভাই ট্রান্সপোর্ট ঐ দিন ঢাকা আশুলিয়া বেরী বাঁধ এলাকার জনৈক আইনুল শেখ-এর পুত্র স্বপন পরিচয়ধারী একজন চালককে তার ট্রাক নং ঢাকা-মেট্রো-ট-২০-১২৫৪ ট্র্কাটি নিয়ে এ সি আই ফুডস লিমিটেড-এ পাঠায়। ১৮ এপ্রিল ২০২১ তারিখ দুপুর ২টা ৪ মিনিটে উক্ত ১৩ হাজার কেজি চিনিগুড়া চাল নিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। কিন্তু উক্ত চাল মোকামে পৌছায় না এবং চালক এবং হেলপারের দেয়া মোবাইল নম্বরগুলো বন্ধ থাকায় সন্দেহের সৃষ্টি হয়।

ট্রান্সপোর্ট এবং এসিআই ফুডস-এর মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। পরে ২১ এপ্রিল ভাই ভাই ট্রান্সপোর্ট-এর পক্ষে সুশান্ত কুমার চক্রবর্তী এবং এসিআই ফুডস-এর পক্ষে স্থানীয় ম্যানেজার এম এ সাত্তার পৃথক পৃথক ভাবে মহাদেবপুর থানায় দু’টি সাধারন ডাইরী দায়ের করেন।

পরবর্তীতে বিষয়টি মহদেবপুর থানায় মামলা হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হয় যার নম্বর ১ তারিখ ০১-০৫-২০২১ইং ধারা ৪০৬/৪২০/৩৪ পেনাল কোড।

খোঁজা খুজির এক পর্যায়ে উক্ত ড্রাইভার ও হেলপারের দেয়া ঠিকানা ভুয়া বলে প্রমানিত হয়। পুলিশ তদন্তের এক পর্যায়ে বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলাধীন সদর হাসরা গ্রামের সাবেক মেম্বর মোঃ হেলাল উদ্দিন মন্ডলের সম্পৃক্ততা থাকার সম্ভাবনা খুজে পান।

এরই প্রেক্ষিতে পুলিশ সুপার প্রকৌশলী মোঃ আব্দুল মান্নান মিয়ার সার্বক্ষনিক নির্দেশনায় এবং ওসি আজম উদ্দিন মাহমুদের তত্বাবধানে সংগীয় ফোর্স সহ গত ৩ এপ্রিল দুপুরে উক্ত হেলালকে নিজ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেয়া স্বীকারোক্তি মোতাবেক ঐ রাতেই রঙপুর জেলার গঙ্গাচড়া উপজেলা সদরের মেসার্স নাইম ট্রেডার্স থেকে প্রতারনার মাধ্যমে চুরি যাওয়া চালের মধ্যে প্রায় ৯ হাজার কেজি চাল উদ্ধার করা হয়।

সেই সাথে মেসার্স নাইম ট্রেডার্সের ম্যানেজার লেবু মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধারকৃত চালসহ আটককৃতদের মহাদেবপুর থানায় নিয়ে আসা হয়। থানায় প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক কার্যাদি মেষ করে আসামীদের কোর্টে সোপর্দ করা হয়।

মহাদেবপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোঃ আজম উদ্দিন মাহমুদ বলেছেন এটি একটি প্রতারক চক্রের কাজ। আটক হেলাল উদ্দিন মন্ডল এই চক্রের মুল হোতা। তার বিরুদ্ধে বগুড়ার শেরপুর, ধুনট ও ঠাকুরগাঁও সদর থানায় চুরি, ডাকাতির প্রস্তুতি এবং প্রতরনার মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগে ৬টি মামলা রয়েছে।

//একেএম কামাল উদ্দিন, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি//

 পড়ুন দৈনিক বিশ্ব পত্রিকা …

বিল গেটস ও মেলিন্ডা গেটস দম্পতি ছাড়াছাড়ি