কচুয়ায় সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় আটক -১

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট//

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার মঘিয়া গ্রামে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় এক জনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে মঘিয়ার আইউব আলী শেখের ছেলে নাইমুল শেখকে আটক করেছে কচুয়া থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার উপজেলার মঘিয়ার গোলাম মোস্তফার ছেলে রায়হান বাদী হয়ে ওবায়দুল শেখ (৩৫), আইয়ুব আলী ফকির (৪৫), সাখাওয়াত ফকির (৫৬) নাইমুল শেখকে (৩০) ও সপ্না বেগম (৫৫)কে আসামী করে কচুয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্টের পর থেকে মঘিয়া ইউনিয়নের ওবায়দুল শেখ এর নেতৃত্বে নাঈম শেখসহ স্থানীয় কিছু সন্ত্রাসী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় হামলা, চাঁদাবাজ, ঘের দখল, লুটপাটসহ সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ১৩ ডিসেম্বর সকালে মঘিয়া ইউনিয়নের গোলাম মোস্তফার (৬৮) স্ত্রীর নামে সম্পত্তি দখল করার উদ্দেশ্যে জমিতে চাষাবাদ করতে আসে ওবায়দুল শেখের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একদল সন্ত্রাসী। এতে গোলাম মোস্তফা ও তার দুই ছেলে জমিতে চাষাবাদের কাজ করতে নিষেধ করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সন্ত্রাসীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এক পর্যায়ে আসামী মোঃ ওবায়দুল শেখ তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে গোলাম মোস্তফা তার বড় ছেলে আল ইমরান ও ছোট ছেলে রায়হান রক্তাক্ত জখম হয়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে গোলাম মোস্তফাকে খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এ ঘটনায় গোলাম মোস্তফার মেজো ছেলে গোলাম মর্তুজা বলেন, আমার পিতা ও বড় ভাইকে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে ও পিটিয়ে যখন করেছে। এখনো আমার পিতা গুরুতর মুমূর্ষ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। তিনি জানান, আমার পরিবার কোন রাজনীতির দলের সাথে সম্পৃক্ততা নয়। সন্ত্রাসীরা আমার মায়ের নামের সম্পত্তি দখল করতে এসে বেআইনিভাবে আমাদের উপর হামলা করে। এর সঠিক বিচার ও বাকি আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ রাশেদুল আলম বলেন, হামলার ঘটনায় মামলায় আমরা নাইমুল শেখকে আটক করেছি। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ কাজ করছে। আরো জানান, আটক নাঈম শেখের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

Daily World News

কচুয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৩ যুবক আটক

রামপালে হামলায় ১৬ ভূমিহীন আহত

কচুয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৩ যুবক আটক

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট//

বাগেরহাটের কচুয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৩ যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার দিবাগত গভীর রাতে দোবাড়িয়া কামাল সরদারের স-মিল এর সামনে থেকে এদের আটক করে কচুয়া থানা পুলিশ। এসময় আটককৃতদের কাছ থেকে ১ টি রামদা, ১টি দা, ১ টি কুড়াল, ও ১ টি পাইপ জব্দ করে পুলিশ।আটককৃতরা হল, কচুয়া উপজেলার পালপাড়া গ্রমের কামরুল গাজীর ছেলে হোসেন গাজী (২০), ভান্ডারখোলা গ্রামের গনেশ ব্যানার্জীর ছেলে শোভন ব্যানার্জী (১৯) ও কাকারবিল গ্রামের আসাদ মোল্লার ছেলে ইয়ামিন ইসলাম শাওন(২৪)। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের পূর্বক শুক্রবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল আলম বলেন, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের পূর্বক আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

বাগেরহাটে মাদক সম্রাজ্ঞীসহ গ্রেফতার-২,পাঁচশত পিচ ইয়াবা উদ্ধার

//বিশেষ প্রতিনিধি, জেনিভা প্রিয়ানা//

বাগেরহাটের হাড়িখালীতে মধ্যরাতে একটি আবাসিক ভবনে বিশেষ অভিযান চালিয়ে নওশীন পূরবী ওরফে ডালিয়া (৩০) নামে এক মাদক সম্রাজ্ঞী ও তার সহযোগি শেখ ফরিদ (২৫) কে গ্রেফতার করেছে বাগেরহাট মডেল থানা পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিযানে নেতৃত্ব দেয়া বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সাইদুর রহমান।

গ্রেফতার নওশীন পূরবী ওরফে ডালিয়া বাগেরহাটের শরুই এলাকার আব্দুস সালাম শেখের মেয়ে ও শেখ ফরিদ কুষ্টিয়া জেলার আলামপুর ইউনিয়নের শেখ মহিউদ্দিনের ছেলে।

বাগেরহাট মিডিয়া সেলের সমন্বয়ক ইন্সপেক্টর কাজী শাহিদুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এস আই রফিক, এ এস আই সরদার সাইফুল ইসলাম এবং এ এস আই মইনুল প্রথমে ইয়াবা সরবরাহকারী শেখ ফরিদকে আটক করে। তার স্বীকারোক্তি মতে পরবর্তীতে বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সাইদুর রহমানের নেতৃত্বে এস আই হানিফ, এস আই গৌতম এ এস আই সেলিম রেজা সঙ্গীয় ফোর্স সহ অভিযানে অংশ নিয়ে ইয়াবাসহ তাদের গ্রেফতার করে।

বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সাইদুর রহমান জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা হয়েছে। তাদেরকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

রূপসায় দেড় কেজি গাঁজাসহ আটক-১

এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

রূপসায় মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের এক বিশেষ অভিযান চলাকালীন সময়ে ১ কেজি ৫০০ গ্ৰাম গাঁজাসহ আটক হয় এক ব্যবসায়ী।

এ ব্যাপারে খুলনা মাদক দ্রব্য অধিদপ্তরের এস আই মো. আকবর আলী জানান- গোপন সংবাদে জানতে পায় রূপসার নৈহাটি ইউনিয়ন নেহালপুর এলাকায় একটি বসত ঘরে অবৈধ মাদকদ্রব্য বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করেছে। এ খবরে দ্রুত ঘটনাস্থলে আমার নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স গত ১২ নভেম্বর সকাল ৯ টার দিকে উক্ত বাড়ি ঘেরাওপূর্বক তল্লাশি চলার একপর্যায়ে জনি খাঁ স্বীকার করে এবং দেখিয়ে দেয় খাটের নিচে বাজার ব্যাগে রক্ষিত গাঁজা বাহিরপূর্বক তাকে আটক করা হয়। সে নৈহাটি ইউনিয়নের নেহালপুর মিস্ত্রী পাড়া এলাকার মো. হাফিজুর রহমান খাঁর ছেলে মো. জনি খাঁ (২৬)। তার নিকট হইতে ১ কেজি ৫০০ গ্ৰাম গাঁজা উদ্ধার হয়। পরে ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে রূপসা থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা করা হয়।

বাগেরহাটে বিএনপি নেতা ও ইউপি সদস্যকে গুলি করে হত্যা

//বাগেরহাট  প্রতিনিধি //

বাগেরহাটে সাবেক বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি সদস্য সজীব তরফদারকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) দুপুর ২ টার দিকে বাগেরহাট সদর উপজেলার মির্জাপুর আমতলা মসজিদের সামনে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহত সজীব বাগেরহাট সদর উপজেলার ডেমা ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন বিএনপি’র নেতা ছিলেন।

এসময় সজীবের সাথে থাকা আহত কামাল তরফদারকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় জানায়, সজীব তরফদার দুপুরে বাড়ি থেকে শহরে যাওয়ার পথে পূর্ব থেকে দুটি মোটরসাইকেলে ওত পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তার গতিরোধ করে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান।

রূপসায় গাঁজা গাছ সহ আটক-১

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

রূপসায় বসত ঘরের পাশে অবৈধভাবে গাঁজা গাছ চাষ করার অপরাধে আটক হলো বাড়ীর কর্তা।

এ ব্যাপারে খুলনা মাদক দ্রব্য অধিদপ্তরের এস আই মো. আকবর আলী জানান- গোপন সংবাদে জানতে পায় রূপসার টিএসসি ইউনিয়ন স্বল্পবাহিরদিয়া গ্রামে এক বাড়িতে অবৈধভাবে গাঁজা গাছের চাষবাদ করছে।

রূপসায় গাঁজা গাছ চাষ অপরাধে গাঁজা গাছ সহ আটক-১

এ সংবাদে গত ২৭ অক্টোবর বিকেলে উক্ত এলাকায় আমার নেতৃত্বে সঙ্গিয় ফোর্স সহ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে মো. কাওসার আলী ফকিরের বাড়ী থেকে ৩টি গাঁজা গাছ উদ্ধার হয়। যা প্রায় ২ বছর বয়স, ১৫ ফুট লম্বা গাছটিতে ফুল আশা শুরু করেছে। সে আ: জলিল ফকিরের ছেলে মো. কাওসার আলী ফকির (৪৭)। তার বসত ঘরের পাশে লুকিয়ে গাঁজা গাছ চাষের স্থানটি দেখিয়ে দেয়। গাঁজা গাছ জব্দপূর্বেক চাষ করার অপরাধে আটক করা হয়। পরে ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে রূপসা থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা করা হয়।

একটি সূত্র জানায়- ধৃত কাওসার আলী ফকিরের পুত্র মো. জুবায়ের ফকির ওরেফে সাব্বির (১৭)। পরিবারের অজান্তে উক্ত গাঁজা গাছ রোপণ করে পরিবারকে আজ বিপদগ্রস্ত করেছে।

 

রূপসায় ১০পিচ ইয়াবাসহ আটক-১

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

রূপসা থানা পুলিশের এক বিশেষ অভিযান চলাকালীন সময়ে ১০ পিচ ইয়াবা সহ আটক হয় এক ব্যবসায়ী।

এব্যাপারে কিসমত খুলনা পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ এস আই মো. শফিকুল ইসলাম জানান- গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পায় রূপসার নৈহাটি ইউনিয়নের রামনগর এলাকায় (সুন্দরবন লবণ ফ্যাক্টরি) সামনে অবৈধ মাদক দ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় চলছে।

তখন আমার নেতৃত্বে এ এস আই মো. মিলন হোসেন সহ সঙ্গীয় ফোর্স গত ২৭ অক্টোবর দুপুরের দিকে দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় এবং পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে সংগীয় ফোর্সের সহায়তায় আসামীকে ধরতে সক্ষম হই। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে শরীরে লুকিয়ে রাখা ১০ পিচ ইয়াবা বাহির করে দেয়। সে নৈহাটি ইউনিয়ন বাগমারা গ্রামের ইউসুফ হাওলাদারের ছেলে ইউনুস হাওলাদার (২৯)। তার নিকট হইতে ইয়াবা উদ্ধারপূর্বক আটক করা হয়।

পরে ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে রূপসা থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা করা হয়।

রূপসায় ১ কেজি গাঁজাসহ আটক-১

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

রূপসা উপজেলার আইচগাতী ইউনিয়ন এলাকায় পুলিশের এক বিশেষ অভিযান চলাকালীন সময়ে ১ কেজি গাঁজাসহ আটক হয় এক ব্যবসায়ী।

পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ এস আই মো.ওহিদুর রহমান জানান- আমার নেতৃত্বে এ এস আই রতন সহ সঙ্গীয় ফোর্স গত ২২ অক্টোবর সকাল ৬ টার দিকে গোপন সংবাদে জানতে পায় আইচগাতী উত্তরপাড়া ঈদগাহ ময়দানের সামনে অবৈধ মাদক দ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় চলছে। এ সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গেলে, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে সংগীয় ফোর্সের সহায়তায় আসামীকে আটক করতে সক্ষম হই।

তাকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে হাতে বাজারের ব্যাগের মধ্যে রক্ষিত পলিথিনে মোড়ানো গাঁজা বাহির করে দেয়। সে আইচগাতি ইউনিয়ন দেয়াড়া (ফরেন মার্কেট) এলাকার মৃত হাকিম ফরাজীর ছেলে মো. পলাশ হোসেন ওরফে ইউনুছ (৪০)। তার নিকট হইতে ১ কেজি গাঁজা উদ্ধারপূর্বক দীর্ঘ দিন মাদকদ্রব্য বিক্রয় করে বলে স্বীকার করে।

পরে ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে রূপসা থানায় মামলা রুজু করা হয়।

এনআইডি কার্ড জালিয়াতি করে ও বোনের জেএসসি সনদপত্র ব্যবহার করে খুর্শিদা আক্তারের ডিপ্লোমা নার্সিং ডিগ্রী

//বিশেষ প্রতিবেদক//

মেজ বোনের জেএসসির সনদপত্র নিয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে এক লাফে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় খুর্শিদা আক্তার ওরফে লাকি আক্তার। তিনি এখন যশোরের ডাক্তার মেজবাহ উর রহমান মেডিকেল টেকনোলজি কলেজে ডিপ্লোমা ইন নার্সিং টেকনোলজিতে অধ্যয়নরত, যার রেজিস্ট্রেশন নম্বর: ৭৫০১০০১৬০৪, সেশন: ২০১৯-২০।

বর্তমানে খুর্শিদা আক্তার নাম এবং দু’দফায় জন্মনিবন্ধন এবং নতুন করে জাতীয় পরিচয়পত্র করার চেষ্টা করছে।

প্রতারণা ঘটনার শুরু বাগেরহাটের মোংলাতে। খুর্শিদা আক্তার ও মেজ বোন লাকি আক্তার দু’জনই বাগেরহাটের মোংলা পোর্ট পৌর এলাকার শফিক হালদারের মেয়ে। যাদের বর্তমান বৈবাহিক ঠিকানা যশোরের মণিরামপুর উপজেলার কামালপুর গ্রামে।

খুর্শিদা আক্তারের প্রকৃত জন্ম তারিখ ১৯৯৬ সালের ১ জুন। তার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ১৯৩৩১৫১১০০ এবং জন্মনিবন্ধন নম্বর ১৯৯৬০১৫৮৬৪০১০০৯১২, সে ৬ষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছেন।

অপরদিকে মেজবোন লাকি আক্তার লেখপড়া করেছেন ১১৪৯৯৮ চাঁদপাই মেশেরশাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে, যার জেএসসি রেজিস্ট্রেশন নম্বর ১১১৩৩৩৫৭৫৩, সেশন ২০১১ এবং রোল নম্বর ছিল ২৪১৭৫১।

খুর্শিদা আক্তার তার মেজ বোন লাকি আক্তারের জেএসসির সনদপত্র নিয়ে আলহাজ শেখ আফসার উদ্দিন মহিলা দাখিল মাদ্রাসা হতে অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে  একজন শিক্ষক ও সুপারের সহায়তায় অবৈধভাবে এসএসসি পাস করেন, যার রেজিষ্ট্রেশন নম্বর ১১১৩৩৩৫৭৫৩, সেশন-২০১৬-১৭,   এদিকে, মেজ বোন লাকি আক্তার বড় বোনকে তার সনদপত্র (জেএসসির) সরবরাহ করায় নিজের নাম ও জন্ম তারিখ পরিবর্তন করেছেন। এখন দু’বোনই চেষ্টা করছেন নতুন করে জাতীয় পরিচয়পত্র পরিবর্তনের জন্য। মেজ বোন লাকি আক্তার নাম পরিবর্তন করে হয়েছেন কথা আক্তার লাকি। তার প্রকৃত জন্ম তারিখ ১৯৯৮ সালের ১ জুন। জন্ম তারিখ পরিবর্তন করে ১৯৯৯ সালের ৫ আগস্ট করেছেন। তার জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্ম নিবন্ধনে ১৯৯৯ সালের জন্ম তারিখ ব্যবহার করা হয়েছে। অর্থাৎ তথ্য গোপনের পর কথা আক্তার লাকি নামের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ১৯৬৫৬৩১৯০১ এবং জন্ম নিবন্ধন নম্বর ১৯৯৯০১২৫০০১০৬২০০২। এখন দু’বোনের মধ্যে মেজ বোন জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্ম নিবন্ধন করতে পারলেও নানা কারণে আটকে রয়েছেন বড় বোন খুর্শিদা আক্তার। তিনি তার জাতীয় পরিচয়পত্র মেজ বোন লাকি আক্তারের নাম বসিয়ে পরিবর্তনের জন্য নির্বাচন অফিসে আবেদন করেছেন।

সূত্র বলছে, তথ্য গোপন করে খুর্শিদা আক্তার পরবর্তীতে লাকি আক্তার নামে জন্মনিবন্ধন করেন, যার নম্বর ০১৯৮০১২৫০০১০৬২০০৩। এবং লাকি আক্তার নাম পরিবর্তন করে কথা আক্তার লাকি নামে যে জন্ম নিবন্ধন করেন তার নম্বর ১৯৯৯০১২৫০০১০৬২০০২। তথ্য ঘেঁটে দেখা যায়, দু’টি জন্ম নিবন্ধনের নম্বরই পরপর। ফলে দু’বোনই যে প্রতারণা করেছেন সেটি স্পষ্ট হয়েছে।

এদিকে ডাঃ মেজবাহ উর রহমান মেডিকেল টেকনোলজি কলেজের অধ্যক্ষ খুর্শিদার নিকট হতে মোটা টাকা অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে কারিগরি শিক্ষাবোর্ডকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেয় এবং খুর্শিদা আক্তারকে দ্রুত এনআইডি কার্ড সংশোধন করতে বলেন। কিন্তু খুর্শিদা এনআইডি কার্ড সংশোধনে ব্যর্থ হলে অধ্যক্ষ মহোদয় খুর্শিদাকে দিয়ে https://gamitisa.com/tools/bd-oldnidcard লিংক ব্যবহার করে জালিয়াতি করে ভুয়া এনআইডি কার্ড তৈরি করিয়ে নেন এবং সকল অভিযোগ মিথ্যা বলে গলাবাজি করছেন। এবিষয়ে নির্বাচন কমিশনের এক কর্মকর্তা বলেন, সে একের পর মিথ্যা তথ্য দিয়ে এনআইডি কার্ড সংশোধন চেষ্টা করে আসছিলেন, কিন্তু  সরোজমিনে তদন্তপূর্বক এটি সংশোধন যোগ্য নয় বলে বাতিল করা হয়েছে।

একের পর এক জালিয়াতি করেও  বহাল তবিয়তে নির্ঝঞ্ঝাট ভাবে সে তার কার্যছক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, যা দেখার কেউ নেই, এবং বারবার অভিযোগ দিয়েও কোনো কাজ হচ্ছে না। এভাবে এরা একসময় হয়ত সরকারী চাকুরিও করবে, প্রশ্ন এসে যায় দেশ-জাতি এদের কাছ থেকে কি আশা করবে…? শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুর্নীতিবাজ ও অসাধু কর্মকর্তারা কি এভাবেই জালিয়াতি ও দুর্নীতি করে যাবে…?

রূপসায় ১১ পিচ ইয়াবাসহ দু’জন আটক করেছে পুলিশ

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

রূপসা উপজেলার শ্রীফলতলা ইউনিয়ন এলাকায় পুলিশের এক বিশেষ অভিযান চলাকালীন সময়ে ১১ পিচ ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক হয়।

পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ এস আই মো.ওহিদুর রহমান জানান- আমার নেতৃত্বে এ এস আই রতন সহ সঙ্গীয় ফোর্স গত ১৭ অক্টোবর দুপুর ১ টার দিকে, শ্রীফলতলা পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় চেকপোস্ট পরিচালনা করি। এ সময় সন্দেহ হওয়ায় যাত্রীসহ একটি ভ্যানগাড়ি থামাই, সাথে সাথে সামনে বসা দুজন দৌড়ে পালানো চেষ্টা করে। তাৎক্ষণিক ধরে শরীর তল্লাশির মধ্যে ১১ পিচ ইয়াবা উদ্ধারপূর্বক আটক করা হয়।

আসামিরা হলো- আইচগাতি ইউনিয়নের শেখ সিরাজুল ইসলামের ছেলে তানভির আহম্মেদ তৌকির (২২) এর কাছে ৬ পিচ ইয়াবা এবং শীরগাতি গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক গাজির ছেলে হাসান গাজি (২৩) এর কাছে ৫ পিচ ইয়াবা পাওয়া যায়। এসময় তারা স্বীকার করে যে তারা মাদক বেচা কেনা করে থাকে। পরে তাদের বিরুদ্ধে রূপসা থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা রুজু করা হয়।