রামপালে ইসলাম ধর্মের অবমাননাকারী হিন্দু যুবক সজীব বিশ্বাস’র বিরুদ্ধে মামলা

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি||

বাগেরহাটের রামপালে ইসলাম ধর্ম ও মাহে রমজানকে নিয়ে কটুক্তি করায় যুবকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় মনিরুজ্জামান গোলদার নামের এক ব্যক্তি রামপাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার হুড়কা ইউনিয়নের মধ্যপাড়া জগারহুলা গ্রামের গোলক বিশ্বাসের ছেলে সজীব বিশ্বাস (দোদো) গত ১৯ এপ্রিল সন্ধ্যায় চাড়াখালী দারুল নাজাত হিফজুল কুরআন ক্যাডেট মাদরাসার সামনে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ইসলাম ধর্ম, মাহে রমজানের তাৎপর্য ও ঈদ-উল ফিতর নিয়ে ধর্ম বিরোধী বিদ্রুপ মন্তব্য করতে থাকে। এসময় মনিরুজ্জামান অভিযুক্ত সজীবকে ধর্ম বিরোধী মন্তব্য করতে নিষেধ করলে উল্টো তার উপর চড়াও হয়ে তাকে জীবন নাশের হুমকি দেয়।

বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও চেয়ারম্যান তপন গোলদারের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার মামলার ৬ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো অভিযুক্ত সজীবকে আটক করতে না পারায় স্থানীয় মুসলমানদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা অতিদ্রুত ওই অভিযুক্ত সজীবকে আইনের আওতায় আনার জোর দাবী করেছেন। সজীব একজন সন্ত্রাসী ও উগ্রবাদী বলে স্থানীয়রা দাবী করেন। তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

এবিষয়ে রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শামসুদ্দিন মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের জানান, হুড়কা ইউনিয়ন হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা। সবাই মিলেমিশে বসবাস করে। কিন্তু ইসলাম ধর্ম ও পবিত্র মাহে রমজানকে নিয়ে সজীব বিশ্বাস বিদ্রুপ মন্তব্য করলে এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক সেখানে পুলিশ পাঠানো হয় এবং স্থানীয়দের সাথে কথা বলে সবাইকে শান্ত থাকার অনুরোধ করছি। আমরা অভিযুক্ত সজীবকে আটক করতে জোর চেষ্টা চালাচ্ছি।

বাগেরহাটের কচুয়ায় পুলিশ সদস্যের উপর হামলা

শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট প্রতিনিধি॥

বাগেরহাটের কচুয়ায় ঈদের ছুটিতে বাড়ি আশার পথে হামলাল স্বীকার হয়েছেন এক পুলিশ সদস্য। এঘটনা ঘটেছে শুক্রবার রাতে কচুয়া বাজারে রুহুলের কফি হাউজের সামনে। আহত সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সদস্য মোঃ রাজীব মীর(৩২)কে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এঘটনায় কচুয়া থানা পুলিশ ২ জনকে আটক করেছে। আটক কৃতরা হলেন রুম্মান শেখ ও শাহারিয়ার ইসলাম।

উপজেলার টেংরাখালী গ্রামের নুরুল ইসলাম মীরের পুত্র পুলিশ সদস্য রাজীব মীর জানান, তার কর্মস্থাল  সাতক্ষীরা থেকে ঈদের ছুটিতে বাড়ি আশার পথে শুক্রবার রাতে কচুয়া বাজারে রুহুলের কফি হাউজের সামনে পৌছালে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে কচুয়া সদরের ডলার শিকদারে পুত্র নওরেশ শিকদার (৩৫) ও পিয়াস শিকদার(২৫),আব্দুল হাকিম শেখের পুত্র রুম্মান শেখ(২৪) ও টেংরাখালী গ্রামের শহিদুল ইসলামের পুত্র শাহারিয়ার ইসলাম(২২) তার পথরোধ করে এলোপাথাড়ি মারধর করে ও হত্যার উদ্ধেশ্যে ছুরি দিয়ে মাথায় আঘাত করে মোবাইলফোন, নগদ টাকা ও হাতঘড়ি নিয়ে যায়। এসময় তার ডাকচিৎকারে লোকজন ছুটেএলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। শনিবার রাজীবের পিতা নুরুল ইসলাম মীর বাদী হয়ে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে কচুয়া থানায় একটি মামলা করেছে যার নং ০৬/৩৯।

এব্যাপারে কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, থানায় একটি মামলা হয়েছে। দুই জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামীদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।#

 

বাগেরহাটের রামপালে মৎস্যঘেরে আগুন// মাছ লুটের অভিযোগ

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপালের মুজিব নগর গ্রামে গোলাম মওলা নামের এক মৎস্য খামারির ঘেরের মাছ লুট ও বাসা ঘরে আগুন দিয়ে ভষ্মিভূত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গোলাম মওলা দুই লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে দাবি করে রামপাল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগে জানা গেছে, মুজিব নগর গ্রামে গোলাম মওলার সাড়ে ৬ একরের একটি মৎস্য ঘের রয়েছে। সে গত ২ বছর ধরে জমির মালিকদের হারির টাকা পরিশোধ করে মৎস্য চাষ করে আসছে। গত ২০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার রাত ১০ টায় একই গ্রামের শেখ তরিক, শেখ রফিক, বিল্লাল হোসেন, মাদারতলা গ্রামের শেখ পিয়ার, শেখ মোজাফফর, শেখ মোতালেব, শেখ সুমনসহ ৮/১০ জন দুষ্কৃতকারী ওই ঘেরে গিয়ে বিপুল পরিমাণ বাগদাসহ অন্যান্য মাছ লুটে নেয়। এরপর যাওয়ার সময় বাসা ঘরে আগুন লাগিয়ে দেয় বলে লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন। এ সময় তারা ঘেরের বেড়িবাঁধ কেটে দেয় এবং মাছ ধারার সরঞ্জাম নদীতে ফেলে দেয়। এতে মওলার আড়াই লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে। মওলা বলেন লোন করে, দায় দেনা করে ঘেরে মাছ ছেড়েছি। এখন সব মাছ লুটে নেওয়ায় আমি সর্ব শন্ত হয়ে গেছি। ওয়ার্ড সদস্য সরোয়ার হোসেন বলেন, একটা কুচক্রী মহল আমাদের পিছনে লেগেছে। তারা আমাদের ক্ষতি করার চেষ্টা করছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শেখ তরিকুল, শেখ রফিকুল, শেখ বিল্লাল, শেখ পেয়ারসহ অন্যদের সাথে কথা হলে তারা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমাদের জমিতে আমরা দুই বছর ধরে ঘের করতে পারছি না। মওলা ঘের দখল করেছে। তার বাসাঘর কারা পুড়িয়েছে তা আমরা জানিনা।

এ বিষয়ে রামপাল থানার ওসি মোহাম্মদ সামসুদ্দীন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এ সংক্রান্ত দুইটা অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

খুলনার ৮০পিচ ইয়াবাসহ সহ যুবক গ্রেফতার

//খুলনা ব‍্যুরো//

খুলনার রূপসা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে হালিম (৪০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে ৮০ পিচ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেফতারকৃত হালিম নৈহাটি ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের বিল্লাল শেখের ছেলে।

মামলা সুত্রে জানা যায়, থানা পুলিশের এসআই কামরুজ্জামান,এস আই শেখ ফরিদ আহমেদ, এ এস আই অলিভ কুমার ঘোষ গত ১৬ এপ্রিল দুপুরে মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযান পরিচালনা কালে রূপসা ব্যাংকের মোড়ে অবস্থান করতে থাকে।

গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে রূপসা থানাধীন শ্রীরামপুর গ্রামের হালিম শেখের শ্বশুর বাড়িতে মাদকদ্রব্য ক্রয় বিক্রয় হচ্ছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে উক্ত এসআইবৃন্দ অভিযান চালিয়ে হালিমের শশুর মৃত ওহাব হাওলাদার এর বসতবাড়ি রান্না ঘরের ভিতরে মাদক দ্রব্য ক্রয় বিক্রয় করিবার জন্য বিশেষ কায়দায় সংরক্ষণ করিয়েছে।

এসময় হালিমের দেহ তল্লাশি করিয়া পলিথিনে মোড়ানো রক্ষিত থাকা ৮০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।

এছাড়া পুলিশ আরো জানায়, উক্ত হালিম বিভিন্ন স্থান হইতে মাদকদ্রব‍্য সংগ্রহ করিয়া বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিজে হেফাজতে রাখিয়া বিক্রয় করে বলে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসা কালে সে স্বীকার করে। হালিম একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

এস আই কামরুজ্জামান বাদী হয়ে হালিমের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করেছেন। যার নং ১৭, তাং- ১৬/৪/২৩ ।

ময়মনসিংহ সদরে ব্যাটারী পুড়িয়ে তৈরি হচ্ছে সিসা, হুমকিতে পরিবেশ

মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍ঃ

ময়মনসিংহ শম্ভুগঞ্জ চায়না মোড় মোটকিভাঙ্গা ব্রিজের পাশে কোনো প্রকার নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই ভাঙা হচ্ছে পুরাতন ব্যাটারী, আর এ ব্যাটারী পুড়িয়েই তৈরি হচ্ছে সিসা। ব্যাটারীর এসিডের তীব্র গন্ধে ভারী হয়ে ওঠছে আশপাশের এলাকা।

এতে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে আছেন আশপাশের মানুষ ও গবাদিপশু। দূষিত হচ্ছে নদীসহ পরিবেশ, এসব বর্জ্য যাচ্ছে আবাদি জমিতে।

যথাযথ নিয়ম কানুন মেনে, স্থান পরিবর্তন করে অন্যথায় সিটি কর্পোরেশনের বাইরে  আশপাশের বাড়িঘরবিহীন জায়গায় কারখানাটি করলে ভালো হয় বলে জানান এলাকাবাসী।

মোশাররফ মন্ডলের ব্যাটারীর কারখানাটি । প্রভাব কাটিয়ে সিটির ভিতরে চায়না মোড়ের পাশেই ইট দিয়ে দেয়াল ঘিরে তৈরি করেছে সিসার কারখানা। সারি সারি পুরাতন ব্যাটারি রাখা হয়েছে স্তূপ করে। দিনের আলোয় মাস্কবিহীন শ্রমিকরা ব্যাটারী ভাঙার কাজ করলেও রাতে বেশ কয়েকটি বড় চুল্লিতে ব্যাটারী পুড়িয়ে তৈরি করা হয় সিসা।

গাইবান্ধা থেকে আসা  কারখানার একজন  শ্রমিক  বলেন, ‘আমরা ১১ জন ব্যাটারি পুড়িয়ে সিসা তৈরি করার জন্য গাইবান্ধা থেকে এখানে এসেছি। কাজের ভিত্তিতে দিনমজুরিতে কোনো দিন ৫০০ টাকা কোনো দিন ৬০০টাকা পাই।

বিষাক্ত এসিডসহ ব্যাটারীর ময়লা আবর্জনা ফেলা হচ্ছে ফসলি জমিতে ও ব্রিজের নিচে খালে বিলে। লোহার মোটা ছুরির সাহায্যে আলাদা করা হচ্ছে প্লাস্টিক ও সীসা। এভাবেই অবাধে চলছে কারখানায় সিসা তৈরির কাজ। ফলে জলাশয়, আবাদি জমিতে বিষাক্ততা ছড়িয়ে পড়ছে। এ থেকে সিসা যাচ্ছে মানবদেহে। ধোঁয়া থেকে আশপাশের গ্রামের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে বাসা বাঁধছে শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগের। ফলে বিদ্যালয়গুলোতে কমছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার।

এ বিষয়ে উপজেলার সচেতন নাগরিকদের সাথে কথা বলে জানা যায়৷ সিসা এবং এসিড জলাশয়ে গিয়ে মাছসহ পানি  ধ্বংস করছে। পাশাপাশি আবাদিজমি, জলাশয়ে মিশছে সিসা ও এসিডের পানি। ফলে ফসলি জমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে। ক্ষতি হচ্ছে মানবদেহ।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, ইতিপূর্বে  গড়ে তুলেছিল অবৈধ সিসা কারখানা। ব্যাটারী পুড়ার এসিডের তীব্র গন্ধে ৩ টি গরুর মৃত্যু হয়েছিল। পরে গরুর মালিকের সাথে টাকা পয়সা দিয়ে মিটমাট হয়ে যায়

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই এলাকার একজন বাসিন্দা  জানান, সিসার মাধ্যমে যে বায়ুদূষণ হয়, এটি দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করছে। এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া মানুষের ব্রেইনের নারভাস সিস্টেমের ক্ষতি হচ্ছে। কিডনিতে বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি করে এটি। বাতাসে অক্সিজেন কমে যাচ্ছে। অক্সিজেন ক্যারিং ক্যাপাসিটি কমে যাচ্ছে। ফলে মানুষের শ্বাসকষ্টজনিত রোগ বাড়ছে। এই বায়ুদূষণ বাড়ন্ত শিশুদের ব্রেইনের হেম্পার করে। আর এসব কারণে প্রতিনিয়ত অক্সিজেন লেভেল কমে যাচ্ছে।

ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছে এক ব্যক্তি । এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক বলেন , সিসা তৈরির কারখানার অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে অতিদ্রুত আইনানুগ  ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

মাগুরার কালিশংকরপুরে বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট করলো প্রতিপক্ষ, ৬ জন গ্রেফতার

//সুজন মাহমুদ, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি //

গতকাল ১২/০৪/২০২৩ ইং বুধবার বিকাল সাড়ে ৩ ঘটিকার দিকে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলাধীন পলাশবাড়িয়া ইউনিয়নের কালিশংকরপুর গ্রামে অন্তত ৩০ টি বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট হওয়ার খবর পাওয়া যায়।

সরেজমিনে গিয়ে তথ্য অনুসন্ধানে দেখা যায় মানুষের হিংস্রতা কত ভয়ানক হতে পারে।

মাগুরার কালিশংকরপুরে বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট করলো প্রতিপক্ষ, ৬ জন গ্রেফতার

উক্ত গ্রামের হাফেজ মাওলানা মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন,আচমকা আমাদের বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট শুরু করে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ গোলজার হোসেন সমর্থিত লোকজন।এসময় আমার বাড়িঘর ভাংচুর করে এবং জমি কিনেছি তার টাকা দিয়ে রেজিস্ট্রি করার জন্য ৫ লক্ষ ৫০ হাজার নগদ টাকা ঘরে রেখেছিলাম,সেই টাকা গুলো তারা নিয়ে গেছে।তিনি অভিযোগ করে বলেন,আমি স্থানীয় একটি হাফেজী মাদ্রাসা ও এতিম খানার প্রধান শিক্ষক কিন্তু আরিফুল হত্যাকাণ্ডের পর থেকে প্রাণ সংশয়ে মাদ্রাসায় পর্যন্ত যেতে পারছি না।

ওইসময় আমার বাড়ি সহ মিরাজ,সিরাজ,ইখতিয়ার ওরফে ভাদু,মিজানুর আব্দুল্লাহ, জাহিদুল,কিবির,কামাল,আলামিন, রাজু,তোহিদ,মিরাজুল,মিলন মোল্যা,লিটন মোল্লা, রাজীব মোল্লা, বাবু মোল্লা, হানিফ মোল্লা, আহাদ মোল্লা, ইলিয়াস, মাখম মোল্লা, সাবু মোল্লা, নাসিরুদ্দিন, শামীম, হামিম,রামিম,রিপন সহ আরও কয়েকজনের বাড়িঘরে ভাংচুর ও লুটপাট তান্ডব চালায় সন্ত্রাসীরা।এসময় পুলিশ কিছু করতে পারেনি বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা,ভাংচুর ও লুটপাটের শেষের দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।

কয়েকদিন পূর্বে উক্ত গ্রামে আরিফুল নামের এক ব্যক্তি খুন হওয়ার কারনে প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে ভাংচুর ও লুটপাট হয়েছে বলে জানা গেছে।

আজ বৃহস্পতিবার সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে পরবর্তী অনাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এই ঘটনায় ৬ জনকে গ্রেফতার করে আজ বৃহস্পতিবার মাগুরার বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মহম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব অসিত কুমার রায়।

বরগুনার আমতলীতে পৌনে চার কেজি গাঁজা সহ ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলীতে র‌্যাব-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প এর মাদক বিরোধী অভিযানে পৌনে চার কেজি গাঁজা সহ একজন মাদক ব্যাবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তুহিন রেজা,সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার,কোম্পানী অধিনায়ক র‌্যাব-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প এর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়,১৩/০৪/২০২২ইং তারিখ আনুমানিক ভোর ০৪:০০ ঘটিকায় একটি মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযান পরিচালনাকালে আনুমানিক ভোর ০৩:০০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানিতে পারি যে, বরগুনা জেলার আমতলী থানাধীন সাখারিয়া বাজার হইতে গলাচিপাগামী রাস্তার অনুমান ৩০ গজ দূরে পাঁকা রাস্তার উপর কে বা কাহারা মাদক দ্রব্য গাঁজা ক্রয়/বিক্রয় এর জন্য অবস্থান করিতেছে। প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কোম্পানী অধিনায়ক সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার তুহিন রেজা এর নের্তৃত্বে আনুমানিক ভোর ০৪:০০ ঘটিকায় উক্ত স্থানে উপস্থিত হলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে র‌্যাব সদস্যরা ঘেরাও পূর্বক ০১ জন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত আসামীর নাম হলো মোঃ রুবেল খাঁন(২২), পিতা-মোঃ বিল্লাল খান, মাতা-আসমা বেগম, সাং-সংকরপুর, ০৮নং মাদার বুনিয়া ইউপি, ০৫নং ওয়ার্ড, থানা-পটুয়াখালী সদর, জেলা-পটুয়াখালী। ধৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে স্বীকার করে যে, পেশায় একজন দিনমুজুর হলেও মাদকই তাহার প্রকৃত ব্যবসা। উক্ত আসামীর নিকট হতে ০৩ কেজি ৭০০ গ্রাম কথিত গাঁজা উদ্ধার করা হয়। কথিত গাঁজা যাহার অবৈধ বাজার মূল্য অনুমান ১,১১,০০০/- (এক লক্ষ এগার হাজার) টাকা। ধৃত আসামী অত্র থানাসহ বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘ দিন যাবত কথিত গাঁজা ক্রয়/বিক্রয় করিয়া আসিতেছে। উদ্ধারকৃত আলামতসহ গ্রেফতারকৃত আসামীকে বরগুনা জেলার আমতলী থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ব্যাপারে র‌্যাব বাদী হয়ে বরগুনা জেলার আমতলী থানায় মাদকদ্রব্য আইনে একটি মামলা দায়ের করে।

খুলনার ডুমুরিয়ায় ডাকাতি প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৪ ডাকাত আটক

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি খুলনা//

ডুমুরিয়ার খুলনা – সাতক্ষীরা মহাসড়কে ডাকাতির প্রস্তুতি প্রক্কালে পিস্তল ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৪জন ডাকাতকে থানা পুলিশ আটক করেছে। এ ঘটনায় থানায় ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে পৃথক ভাবে দু’টি মামলা রুজু হয়েছে।

পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, ১১ এপ্রিল  মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের জিলেরডাঙ্গা ব্র্যাক হ্যাচারীর সামনে একদল লোক মটর সাইকেল ও ট্রাকসহ অবস্থান করছিল। থানা পুলিশ তাদের গতিবিধি আমলে নিয়ে কঠোর নজরদারি শুরু করে। এক পর্যায়ে রাত আড়াই টার দিকে পুলিশ অভিযান চালায় ।

খুলনার ডুমুরিয়ায় ডাকাতি প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৪ ডাকাত আটক
খুলনার ডুমুরিয়ায় ডাকাতি প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৪ ডাকাত আটক

এ সময় ঘটনাস্থল থেকে কয়েকজন পালিয়ে যায় এবং ৩জনকে আটক করতে সক্ষম হয়। আটক ৩জনের স্বীকারোক্তি মোতাবেক ২টি ম্যাগজিনসহ ১টি অত্যাধুনিক পিস্তল ও ১টি দেশীয় তৈরী ওয়ান স্যুটারগান উদ্বার করা হয়।  আটক ৩জন হলেন কয়রা থানার মহেশ্বরপুর এলাকার মৃত নিছার ঢালীর ছেলে কামাল ঢালী (৩১), ডুমুরিয়া উপজেলার ধামালিয়া ইউনিয়নের টোলনা দক্ষিণপাড়া এলাকার মুজিবর বিশ্বাসের ছেলে জিহাদুল বিশ্বাস (২৮) ও একই এলাকার সাত্তার বিশ্বাসের ছেলে শামীম বিশ্বাস (৩১)। পরে তাদের দেয়া তথ্য’র ভিত্তিতে ১২ এপ্রিল বুধবার দিবাগত রাতে মাহাবুর রহমান (৩৯) নামের আরও একজনকে আটক করা হয়। আটক মাহাবুর রহমান কেশবপুর উপজেলার বসুন্দিয়া গ্রামের কাশেম আলী সরদারের ছেলে।

এ প্রসঙ্গে ডুমুরিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেখ কনি মিয়া (বিপিএম) জানান, ঈদ উপলক্ষে ডাকাতির উদ্দ্যেশে একদল দুস্কৃতিকারী মহাসড়কে মটর সাইকেল ও ট্রাকসহ গুটুদিয়া ওয়াপদার মাথা মোড়, জিলেরডাঙ্গায় আবার কখনো ব্র্যাক হ্যাচারীর সামনে অবস্থান করছিল। তাদের এমন চলাফেরায় আমাদের সন্দেহ হয় এবং রাত সাড়ে ১২টার দিকে নজরদারি শুরু করি। এক পর্যায়ে রাত আড়াইটার দিকে অভিযান চালিয়ে ৩জনকে ধরতে সক্ষম হই এবং তাদের নিকট থেকে ম্যাগজিনসহ ১টি অত্যাধুনিক পিস্তল ও ১টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। তিনি আরও বলেন, এরা হল একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল। প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে, এ দলে ৮/৯ জন অস্ত্রধারী রয়েছে। মুলতঃ এদের উদ্দেশ্য ছিল ভোর রাতের দিকে রাস্তা ব্যারিকেড দিয়ে ডাকাতি করার। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে ডুমুরিয়া থানায় পৃথক ভাবে ডাকাতির প্রস্তুতি ও অস্ত্র আইনে দু’টি রুজু করা হয়েছে।গতকাল তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

ডুমুরিয়ায় নদী থেকে সরকারি ঔষধ উদ্ধার// ক্লিনিকের সিএইচসিপিকে প্রত্যাহার

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি খুলনা//

খুলনার ডুমুরিয়ার কুলটি নদীথেকে   সরকারি ওষুধ উদ্ধার করেছে স্থানীয় জেলেরা। সরকারি ওষুধ তছরুপ ও বিনষ্টের অভিযােগে জিলেরডাঙ্গা কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।  বুধবার (১২ এপ্রিল) সকালে উপজেলা স্বাস্হ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে,উপজেলার গুটুদিয়া ইউনিয়নের জিলেরডাঙ্গা কমিউনিটি ক্লিনিকের সামনের কুলটি নদী থেকে গত মঙ্গলবার জেলেরা মাছ ধরতে গিয়ে এক বস্তা সরকারি ওষুধ উদ্ধার করে ক্লিনিকের পাশে রেখে দেয় এবং কমিউনিটি-হেলথ-কেয়ার-প্রােভাইডার (সিএইচসিপি) আইরিন খানকে অবহিত করে।

এরপর আইরিন কৌশলে বস্তাবন্দি ওষুধগুলাে ক্লিনিকের পেছনে নিয়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে বিনষ্ট করে। গত এক বছর আগে বস্তাবন্দি করা সরকারি এই ওষুধ নদীতে ফেলে দেন তিনি।যা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাে দুরের কথা কমিউনিটি ক্লিনিক কমিটির কেউ জানেনা।

এছাড়া তার বিরুদ্ধে রােগী দেখার ক্ষেত্রে স্বজনপ্রীতি, স্বেছাচারিতা ও অসাদাচরণসহ এলাকাবাসীর নানা অভিযােগ দীর্ঘদিনের।নদীত ওষুধ পাওয়ার পর থেকে এলাকার মানুষ ব্যাপক ভাবে ফুঁসে উঠেছে ওই সিএইচসিপি’র বিরুদ্ধে।

এক পর্যায়ে বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এলাকার শতাধিক নারি-পুরুষ কমিউনিটি ক্লিনিক ঘেরাও করে রাখে। সিএইচসিপি আইরিনকে ক্লিনিক ঢুকতে নিষেধ করে তারা। কুলটী গ্রামের লিটন মন্ডল জানান, ‘সিএইচসিপি আইরিন খান সরকারি ওষুধ বস্তাবন্দি করে পানিতে ফেলে দিয়েছে। মঙ্গলবার জেলেরা মাছ ধরতে যেয়ে ওষুধ গুলাে পেয়ে গ্রামবাসীকে জানায় এবং ওষুধগুলাে ক্লিনিকের পাশে রেখে দেয়। কােন কিছু কাউকে না জানিয়ে সেই ওষুধ আগুনে পুড়িয়ে ফেলে আইরিন। যারমধ্য মেয়াদাত্তীর্ণ ছাড়াও আগামী ২৪-২৫ সাল মেয়াদী পর্যন্ত ওষুধ রয়েছে অনেক। তিনি বলেন, গ্রামের কেউ অসুস্হ হয়ে তার কাছে গেলে তিনি চিকিৎসা দিতে অনিহা দেখান।’ তার বিরুদ্ধে এমন অভিযােগ এলাকার শতশত মানুষের। উপজলা স্বাস্হ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুফিয়ান রুস্তম জানান, তিনি খবর পেয়েই কমিউনিটি ক্লিনিক আসেন। সিএইচসিপি’র বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে অভিযােগের সত্যতা মিলেছে। কােন অনুমতি বা যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়া সরকারি ওষুধ বিনষ্ট করার নিয়ম নেই। সিএইচসিপি আইরিন খানকে ক্লােজড করা হয়েছে এবং একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তারপর তদন্ত কমিটির রিপোর্টের আলােকে পরবর্তি পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।

 

 

খুলনার রূপসায় গাঁজা সহ যুবক গ্রেফতার

//খুলনা ব‍্যুরো//

খুলনার রূপসা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে জাহিদুল ইসলাম ওরফে সাইমুন (২৭) নামে এক যুবককে ৫০গ্রাম গাজা সহ গ্রেফতার করেছে।

উক্ত যুবক বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার পিলজঙ্গ ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।

মামলা সুত্রে জানা যায়, শ্রীফলতলা ক্যাম্প পুলিশের এস আই বাবুল হোসেন গত ৯ এপ্রিল রাতে ডিউটিরত অবস্থায় গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারেন নন্দনপুর এলাকায়  পাকা রাস্তার উপর অবৈধ মাদক দ্রব্য ক্রয় বিক্রয় করিতেছে।

উক্ত সংবাদ পেয়ে এস আই বাবুল সঙ্গী ও ফোর্স নিয়ে মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও আসামি গ্রেফতারের জন্য উক্ত স্থানে উপস্থিত হলে

পুলিশের উপস্থিতিতে টের পেয়ে  সাইমুন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরবর্তীতে পুলিশ তাকে আটক করে।

এ সময় তার দেহ তল্লাশি করে ৫০ গ্রাম গাজা উদ্ধার করে।

এছাড়া পুলিশ আরো জানায়, উক্ত যুবুক বিভিন্ন স্থান হইতে  গাজা সংগ্রহ করিয়া বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিজে হেফাজতে রাখিয়া বিক্রয় করে বলে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসা কালে সে স্বীকার করে।

এস আই বাবুল  ইসলাম বাদী হয়ে উক্ত যুবকের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করেছেন। যার নং ১১, তাং- ১০/৪/২৩ ।