এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি || বাগেরহাটের রামপালে ৩ মাদকসেবিকে ৬ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত। রামপাল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ সালাউদ্দিন দিপু আদালত বসিয়ে এ দন্ডাদেশ প্রদান করেন। উপজেলা সহকারী কমিশনার এর অফিস সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাগেরহাটের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ইন্সপেক্টর মিলন কুমার মুখার্জি সহ একটি টিম নিয়ে উপজেলার কুমলাই ও চাকশ্রী গ্রামে অভিযান পরিচালনা করা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টা থেকে সোয়া ৯ টা পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করে ৩ জনকে আটক করা হয়। ওই সময়ে তাদের কাছ থেকে মোট ২৫০ গ্রাম গাঁজা পাওয়া যায়। আটককৃতরা হলো কুমলাই গ্রামের মো. ডালিম শেখ (৩০), চাকশ্রী গ্রামের শেখ রফিকুল ইসলাম (৫০) ও তার পুত্র তরিকুল ইসলাম (২৫)। আটককৃতদের আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। #
Category: অপরাধ
Corruption
ডিবি হাতে আমতলীতে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
//সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি//
বরগুনার আমতলীতে গতকাল মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) রাত ৯ টায় আমতলী-কুয়াকাটা মহাসড়কের সদর ইউনিয়নের খুড়িয়ার খেয়াঘাট থেকে ছাইদুল বয়াতী (৩০) কে ১০০ পিচ ইয়াবা সহ গ্রেফতার করেছে বরগুনা ডিবি পুলিশ। যাহার মূল্য অনুমান ৩০০০০/-টাকা।
গ্রেফতারকৃত সাইদুল একই এলাকার মোস্তফা বয়াতীর ছেলে।এ বিষয়ে মাদক আইনে আমতলী থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে।
বরগুনা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোঃ শহিদুল ইসলাম খান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমাদের একটি টিম ছাইদুল বয়াতি কে আমতলীর খুরিয়ার খেয়াঘাট এলাকা থেকে ১০০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার করা হয়। তিনি আরো বলেন, বরগুনার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে কাজ করছে বরগুনা জেলা ডিবি পুলিশ। মাদকের বিরুদ্ধে এ অভিযান চলমান থাকবে। উল্লেখ্য যে মাদক নির্মুলে বিশেষ অবদান রাখায় গত ১৬ অক্টোবর বিশেষ সম্মাননা পুরষ্কার পান জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি মোঃ শহিদুল ইসলাম খান।
অভয়নগরে শিক্ষক কর্তৃক স্কুলছাত্রী যৌন হয়রানির শিকার
মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধিঃ
যশোরের অভয়নগরে বর্ণি বিছালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের শিক্ষক স্কুল ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
১৬ অক্টোবর (রবিবার) আনুমানিক ১২.৩০ টায় নড়াইল সদর উপজেলার ১২ নং বিছালী ইউনিয়নের আটঘরা গ্রামের বর্ণি বিছালি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গণিত শিক্ষক ৫নং শ্রীধরপুর ইউনিয়নের ৮ নং বর্ণি গ্রামের এশারত মোল্যার পুত্র আজিজুর রহমান(৪৫) কৃষক প্রভাষ চন্দ্রের মেয়ে ৬ষ্ট শ্রেণীর ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করেন এবং মেয়েটিকে মুখ না খুলতে হুমকিও প্রদান করেন। মেয়েটি কোন উপায় না পেয়ে স্কুলের বড় ম্যাডাম মমতাজ বেগম কে বিষয়টি জানায়। সে মেয়েটিকে কাউকে কিছু বলতে নিষেধ করেন এবং বিষয়টি আমি দেখতেছি বলে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু ঘটনাটি ওই স্কুলের অন্য ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
ভিকটিম বলেন, শিক্ষক আজিজুর স্যার অনেক মেয়েদের সাথে এমনটি করেছেন। পূর্বের ঘটনার প্রতিকার না হওয়ায় আমার সাথে যৌন হয়রানি করার সাহস পেয়েছেন। আমি আজিজুর স্যারের ফাঁসি চাই। মুঠোফোনে জানতে চাইলে স্কুল শিক্ষক আজিজুর রহমান বলেন, আমি ওই মেয়ের সাথে কিছুই করিনি। আমি গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার।
মেয়টির পিতা বলেন, এই ঘটনার আগেও তিনি অনেকবার অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়েছেন ,ক্ষমাও করা হয়েছে কিন্তু এবারের ঘটনা ক্ষমার অযোগ্য। তাই অবিলম্বে এই শিক্ষকের অপসারণ সহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।
বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলি আহমেদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ম্যানেজিং কমিটির সকলকে নিয়ে বৈঠক করেছি। সকলের সম্মতিক্রমে শিক্ষক আজিজুরের বিরুদ্ধে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর অভিযোগ করা হবে।
১২ নং বিছালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হেমায়েত ফকির বলেন, ঘটনা সত্য এবং যে ঘটনা ঘটেছে তা অপ্রীতিকর। ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আগেও ছাত্রীদের সাথে অনৈতিক কর্মকান্ডের অভিযোগ আছে এবং ঘটনা-ঘটানোর পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।
অভয়নগর উপজেলা শিক্ষা অফিসার শহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনা আমার জানা নেই, আমার কাছে কোনও অভিযোগ আসেনি, অভিযোগ পেলে তদন্ত স্বাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
ডুমুরিয়ায় আন্ত:জেলা মোটরসাইকেল চোর সিন্ডিকেট এর চার সদস্য গ্রেপ্তার ও ১৫টি চোরাই মোটর সাইকেল উদ্ধার
//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া//
খুলনার ডুমুরিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান চালিয়ে আন্ত:জেলা মোটরসাইকেল চোর সিন্ডিকেট এর চার সদস্যকে গ্রেপ্তার ও বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৫টি চোরাই মোটর সাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
১৭ অক্টোবর সোমবার সকালে থানা পুলিশের এক প্রেস ব্রিফিং এ জানানো হয়েছে,ডুমুরিয়া থানা-পুলিশ দুই মাসব্যাপী অভিযানের মাধ্যমে আন্ত:জেলা মোটর সাইকেল চোর চক্রের সদস্য সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানার কাকশিয়ালী গ্রামের মোঃ সালাউদ্দীন(৩১), নগরীর লবনচরা থানার জিরোপয়েন্ট এলাকার মোঃ সম্রাট ইসলাম শান্ত(১৯), ডুমুরিয়া থানার দক্ষিন মিকশিমিল গ্রামের মোঃ শরিফুল ইসলাম গাজী(৩০) এবং যশোর জেলার কেশবপুর থানার মোঙ্গলকোট গ্রামের মোঃ মিজানুর রহমান(২৬) কে গ্রেপ্তার করে।
আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে চুরি যাওয়া বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোটর সাইকেল নড়াইল, সাতক্ষীরা, যশোর ও চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে উদ্ধার করে।
আসামিদের মধ্যে তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রসাশন ও অর্থ) তানভীর আহমেদ,ডুমুরিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ কনি মিয়া(বিপিএম)সহ থানা পুলিশের সদস্যবৃন্দ এ সময় উপস্হিত ছিলেন।
বরিশালে ধর্ষণ মামলায় পুলিশ ফাঁড়ি এসআই বাশার গ্রেপ্তার
//নিজস্ব প্রতিবেদক :বরিশাল//
বরিশাল নগরীতে আবাসিক হোটেলে নিয়ে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ আবুল বাশারের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় মামলায় ফাঁড়ি ইনচার্জ (উপ-পরিদর্শক) আবুল বাশারকে শনিবার দুপুরে গ্রেপ্তার করে আদালতে নিয়েছে পুলিশ।
আবুল বাশার বাকেরগঞ্জ উপজেলার বিহারীপুর এলাকার বাসিন্দা। বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ওসি আজিমুল করিম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ওসি জানান, এসআই আবুল বাশারের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেছেন এক নারী। এই মামলায় দুপুরে তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে নেয়া হয়েছে।
তিনি জানান, এসআই আবুল বাশারের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেছেন এক নারী। এই মামলায় দুপুরে তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে নেয়া হয়েছে। মামলার এজাহারে বলা হয়, ৫ অক্টোবর আবুল বাশারের সঙ্গে একটি অভিযোগের বিষয়ে আলাপ করতে গিয়ে পরিচয় হয় বাদীর। তখন দুজনের মধ্যে মোবাইল নম্বর আদান-প্রদান হয়। বৃহস্পতিবার অন্য একটি মামলার বিষয়ে কথা বলতে বাশারকে ফোন করেন বাদী। তখন তার অবস্থান জানতে চান বাশার।
বাদী তার অবস্থান জানালে এসআই বাশার সেখানে যান। সেখান থেকে তিনি বিকেল ৪টার দিকে বাদীকে নগরীর প্যারারা রোডের একটি হোটেলে নিয়ে যান। ওই হোটেলের ২০৪ নম্বর কক্ষে নিয়ে বাশার ওই নারীকে ধর্ষণ করেন
বরিশালে গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
//নিজস্ব প্রতিবেদক//
বরিশালে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে বন্দর থানা পুলিশ। এসময় তাদের কাছ ২ কেজি গাঁজা উদ্বার করা হয়েছে। পাশাপাশি মাদকদ্রব্য বিক্রয় কাজে ব্যবহৃত দুইটি মোবাইল ফোন, একটি মোটরচালিত রিক্সা, ও মাদক বিক্রিত নগদ ৩৫০০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭ টায় ভোলা-বরিশাল মহাসড়কের “দক্ষিন হাওয়া” নামক রেস্টুরেন্টের সামনে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তাদের সহযোগী কাউনিয়া ব্রাঞ্চ রোডের মো. আনোয়ার হোসেনের ছেলে মো. হুমায়ুন কবির সরদার (৪৭) পালিয়ে যায়।
শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া সেল। গ্রেপ্তারকৃতরা হল, চর আইচার ৫নং ওয়ার্ডের আব্দুর রহমান তোতা মিয়ার ছেলে মো. মিজানুর রহমান (৫১) ও নগরীর কাউনিয়া ব্রাঞ্চ রোড এলাকার ইসমাইল মিয়ার বাসার ভাড়াটিয়া মো. সেকান্দার খান (৪৫)।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টায় ভোলা-বরিশাল মহাসড়কের “দক্ষিন হাওয়া” নামক রেস্টুরেন্টের সামনে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় ২ কেজি গাঁজাসহ মো. মিজানুর রহমান এবং মো. সেকান্দার খানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তাদের সহযোগী হুমায়ুন কবির সরদার পালিয়ে যায়। পরে তাদের কাছ থেকে মাদকদ্রব্য বিক্রয় কাজে ব্যবহৃত দুইটি মোবাইল ফোন, একটি মোটরচালিত রিক্সা, ও মাদক বিক্রিত নগদ ৩৫০০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান জানান, গ্রেপ্তার ২ মাদক বিক্রেতাসহ পালিয়ে যাওয়া তাদের সহযোগী জুয়েলকে অভিযুক্ত করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করা হয়েছে। পরবর্তীতে সেই মামলায় মিজানুর রহমান এবং সেকান্দার খানকে আদালতে পাঠালে বিচারক কারাগারে পাঠিয়েছেন
ডুমুরিয়ায় পুশকৃত চিংড়ি জব্দ ও বিনষ্ট
//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া//
ডুমুরিয়া উপজেলা সদরে পুরাতন ট্রলার ঘাট এলাকায় ১২ অক্টোবর বুধবার দুপুরে ২টি ডিপোতে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪০ কেজি পুশ করা বাগদা জব্দ করে বিনষ্ঠ করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরীফ আসিফ রহমান নেতৃত্বে অভিযান চলাকালীন সময় ডিপো মালিকদ্বয় পালিয়ে যায়। এরপর ডিপোতে থাকা চিংড়ি ভর্তি ২২ টি ক্যারেট মাছ উপজেলা পরিষদের সামনে আনা হয়। চিংড়িগুলো পরীক্ষা নিরিক্ষার পর অপদ্রব্য পুশ না পাওয়ায় ১৯ ক্যারেট ভর্তি চিংড়ি মাছ বেলা সাড়ে ৩ টা পর্যন্ত চিংড়ি মালিকদের খোঁজ করা হয়। তারা উপস্থিত না হওয়ায় বাগদা চিংড়ি প্রকাশ্য ডাকে ২ লাখ ৬৮ হাজার টাকায় নগদ বিক্রি করে সরকারি রাজস্ব খাতে জমা করা হয়। বাকী ৩ ক্যারেটে আনুমানিক ৪০ কেজি অপদ্রব্য পুশকৃত চিংড়ি আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। এ সময় উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দিক সহ মৎস্য দপ্তরের কর্মকতা কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
মাগুরায় চার বছরের শিশুকন্যা খুন…!
//শ্যামল বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা//
মাগুরার মহম্মদপুরের বেথুলিয়া দক্ষিণ পাড়া গ্রামে হিরা খাতুন নামে চার বছরের শিশু কন্যাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
পারিবারিক বিরোধের জের ধরে সোমবার সন্ধ্যায় মেয়েটির চাচারা তাকে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ করছেন নিহতের বাবা হিরু মোল্লা।
হিরু মোল্লার অভিযোগ সন্ধ্যায় তার মেয়ে হিরাকে ভাত খাওয়াছিলেন স্ত্রী বন্যা খাতুন।
এ সময় তার অন্য মেয়েকে পাশের বাড়ী থেকে ডেকে আনার জন্য যায়। কিছু সময় পর বাড়িতে ফিরে এসে দেখতে পায় হিরাকে খেতে দেওয়া ভাত বিড়ালে খাচ্ছে তখন মেয়েকে দেখতে না পেয়ে বাহিরে খুঁজতে জান। খোঁজাখুঁজির কিছুক্ষণ পরে বাড়ির সামনে রাস্তার পাশে মৃত অবস্থায় মেয়েকে দেখতে পান তিনি। হীরা খাতুনের মা বন্যার কান্নাকাটিতে ছুটে আসে আশে পাশের মানুষ। পরবর্তীতে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত হীরার মাথাসহ একাধিক স্থানের ধারালো অস্ত্রের আঘাত আছে। বেশ কিছুদিন ধরে হিরু মোল্লার সাথে পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল হিরো মোল্লার আপন ভাই ফারুক মোল্লা, আলী মোল্লা ও বিপ্লব মোল্লার সাথে। এই বিরোধের জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেন হিরু মোল্লা।
মোহাম্মদপুর থানার ওসি তদন্ত মোঃ বোরহানুল ইসলাম জানান,
ঘটনার তদন্ত চলছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফারুক মোল্লা ও আলিম মোল্লাকে আটক করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রামপালে স্কুল শিক্ষকের নির্যাতনের শিকার সুমাইয়ার সংবাদ সম্মেলন
এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি || বাগেরহাটের রামপালে নির্মম নির্যাতনের অভিযোগে স্বামী নাজমুল হাসানের বিরুদ্ধে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন গৃহবধূ সুমাইয়া খাতুন। এক সন্তানের জননী ওই গৃহবধূ স্বামী সন্তান নিয়ে সংসার করার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন।
শনিবার বেলা ১১ টায় শ্রীফলতলাস্থ তার পিতা মাহামুদ শেখের বাড়ীতে লিখিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, গত ইং ২০১৩ তারিখ উভয় পরিবারে সম্মতিতে সিংগড়বুনিয়ার নূরুল ইসলাম খোকোর পুত্র নাজমুল হাসানের সাথে বিয়ে হয়। ওই সংসারে হাসিরুন মাহিন নামের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। তার স্বামী একজন নারী লোভী ও নারী আসক্ত। সে ৪/৫ টি বিয়ে করেছেন। এরপর জনৈক এক নার্সের সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে তার কথায় আমাকে নির্মমভাবে নির্যাতন শুরু করেন। এমনভাবে সে নির্যাতন করে যা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। সে মলত্যাগ করে সেই মল আমার মুখে মুছে দেয়, মুখের মধ্যে পুরে দেয়, এমনকি সে বিভৎস আচরণ করে। তবুও সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে তার সংসার করে আসছি। সে আমাকে তালাক দিয়েছে বলে প্রকাশ করে বলে আমি আবারও বিয়ে করবো। আমি ওই নার্সকেই বিয়ে করবো। দেখি তুই কি করতে পারিস ? এই বলে গত ইং ১৫ সেপ্টেম্বর সকালে তার পরিবারের সকলের সমনে আমার পরুন সোনার গহনা কেড়ে নেয়। আমি বাঁধা দিলে সে নির্মমভাবে মারপিট করে। খবর পেয়ে আমার পিতা বাড়িতে এনে চিকিৎসা করান। এমন অবস্থায় আমি ও আমার পুত্র মারাত্মক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি আইনের কাছে ও প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা ও প্রতিকার চাই।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত রামপাল পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের সহ শিক্ষক হাওলাদার নাজমুল হাসানের সাথে কথা হলে তিনি সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার স্ত্রী আমার অবাধ্য। তাকে আমি তালাক দিয়েছি। তবে তিনি কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। প্রশ্ন রাখা হয় তার স্ত্রীর অন্য কোন দোষ ত্রুটি আছে কি না ? এর উত্তরে জানান, আছে তবে সেটিও তিনি প্রমাণ দেখাতে ব্যর্থ হন।
তালতলীতে ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা না মানায় ৪ জেলের কারাদণ্ড
সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ
ইলিশ শিকারে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শিকারে যাওয়ার অপরাধে বরগুনার তালতলীতে ৪ জেলেকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২ হাজার মিটার কারেন্ট জাল, মা ইলিশ সংরক্ষণের ১০০ কেজি বরফ জব্দ করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার সকালে বরগুনার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল আল নূর এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন,মোঃ জাহাঙ্গীর, মোঃ মোশারেফ, মোঃ দেলোয়ার মাতুব্বর, মোঃ সুলাইমান। তাদের সকলের বাড়ি তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নে।
এ ব্যপারে তালতলী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুল আলম জানান, ইলিশ রক্ষায় মৎস্য বিভাগের একটি টিম পায়রা নদীতে অভিযান পরিচালনা করে।টিমটি রাতব্যাপী মা ইলিশ সংরক্ষণ কার্যক্রম অভিযান চালিয়ে ভোর রাতে দিকে ১০০ কেজি বরফ ও ২ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করে।মাছ ধরার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় নদী থেকে ৪ জনকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের প্রত্যেককে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জব্দকৃত জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
