শাহদীন মালিক বলেন খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার জন্য আদালতের অনুমতির প্রয়োজন নেই:

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে আদালতের আলাদা অনুমতির কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ তার মুক্তি দেওয়া হয়েছে নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী। কাজেই বাকি সব পদক্ষেপও এই আদেশের আওতাতেই হওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন সিনিয়র আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক।

সম্প্রতি বিবিসি বাংলাকে খ্যাতিমান এ আইনজীবী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির  ৪০১ ধারা অনুযায়ী, সরকার চাইলে শর্ত সাপেক্ষে বা শর্ত ছাড়া যেকোনো বন্দীকে মুক্তি দিতে পারে। খালেদা জিয়াকে প্রথম মুক্তি দেয়া হয়েছে দুটি শর্ত দিয়ে। তার মধ্যে একটি হচ্ছে তিনি বাড়িতে থাকবেন এবং দ্বিতীয়টি হচ্ছে তাকে দেশেই চিকিৎসা নিতে হবে।

শাহদীন মালিকের মতে, আইনমন্ত্রী যা বলছেন যে শর্ত পরিবর্তন করা যাবে না, সেটা আসলে এরইমধ্যে পাঁচবার বদলানো হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রথমে তো ছয় মাসের মুক্তি দিয়েছে, তারপর সেটা যখন আবার ছয় মাসের জন্য বাড়াচ্ছে সেটার জন্য তো নতুন করে নির্বাহী আদেশ হচ্ছে, তার মানে সিম্পলি সরকার চাইলে ঢাকায় চিকিৎসা করার জায়গায় ঢাকা শব্দটা বাদ দিলেই হলো।

এটি আদালতের ব্যাপার নয় উল্লেখ করে আইন বিশেষজ্ঞ ড. মালিক বলেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আদালত এরই মধ্যে তার রায় দিয়েছেন। আদালতের কাছে কয়েক বার তার জামিনও চাওয়া হয়েছে এবং সেটি নাকচ করা হয়েছে। তার মানে আদালতের ‘চ্যাপ্টার’ সেখানেই শেষ হয়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, আদালতে হয়তো যাওয়া যায়, কিন্তু এটা তো আদালতের ব্যাপার না, কারণ আদালত তো তাকে মুক্তি দেয় নাই। তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে নির্বাহী আদেশে। সূত্র: যুগান্তর

 

বাগেরহাটের রামপালে পৃথক অভিযানে ২ মাদককারবারী আটক

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপাল থানা পু্লিশ পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে মাদকসহ দুই কারবারীকে আটক করেছেন। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে রামপাল থানায় পৃথক দুইটি মামলা হয়েছে। আটককৃতদের শনিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টায় বাগেরহাটের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আটককৃতরা হলো বাগেরহাট সদর উপজেলার বারুইডাঙ্গা গ্রামের শেখ আ. জব্বারের পুত্র শেখ জাহিদ হোসেন (৩৮) ও ফকিরহাট উপজেলার তেকাটিয়া গ্রামের সমর চন্দ্র দে’র পুত্র শাওন চন্দ্র দে ওরফে শয়ন চন্দ্র দে (২১)। শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত ১১ টায় উপজেলার পেড়িখালী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনের সামনে অভিযান পরিচালনা করেন এসআই দেলোয়ার হোসেন। ওই সময় জাহিদ হোসেনকে ৫১ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করা হয়। অপরদিকে এসআই ইসমাইল হোসেন শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত ৮ টায় রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের লেবার কলোনীর সামনে অভিযান চালান। ওই সময় আসামী শাওনকে ৪৫ গ্রাম গাঁজাসহ হাতেনাতে আটক করেন।

আসামীদের আটক ও বাগেরহাটের আদালতে প্রেরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলম।

বাগেরহাটের রামপালে ৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপাল থানা পু্লিশ অভিযান চালিয়ে ৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ঢাকার কেরাণীগন্জ থানার ১৪ (৩) ১৫ নং মামলার এক আসামীকে গ্রেফতার করেছে। আটককৃত আসামী মো. আজিজুল হাওলাদার (৫০) কে শনিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টায় বাগেরহাটের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আটককৃত আজিজুল উপজেলার কালিকাবাড়ী গ্রামের আ. কাদের হাওলাদারের পুত্র।

শুক্রবার রাত ৯ টায় রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলমের নেতৃত্বে এএসআই বুলবুল অধিকারীসহ সঙ্গীয় ফোর্স বাগেরহাট সদরের মুক্ষাইট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। ওই সময় আজিজুলকে আটক করা হয়। আজিজুল দীর্ঘদিন ধরে গ্রেফতার এড়িয়ে ফেরারি ছিলেন। রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলম আসামী গ্রেফতার ও জেলহাজতে প্রেরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের গুটুদিয়া এলাকায় অবৈধ স্হাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//

খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের ডুমুরিয়ার গুটুদিয়া মোড় এলাকায় খুলনা সড়ক ও জনপথ(সওজ) বিভাগের  অবৈধ স্হাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। ১৭ সেপ্টেম্বর রোববার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালিত হয়।

সড়ক জনপথ সূত্রে জানা গেছে, খুলনা-সাতক্ষীরা আঞ্চলিক  মহাসড়কটি ৪ লেনে উন্নিত করণ এবং কয়েকটি স্হানে বাঁক সরলি করণের লক্ষে মহাসড়কের জায়গা দখল করে গড়ে তোলা অবৈধ স্হাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে রোববার  মহাসড়কের গুটুদিয়া  হতে  কৈয়া এলাকা পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

মহাসড়কের জায়গা অবৈধ ভাবে দখল করে এক শ্রেনির মানুষ দীর্ঘদিন ধরে পাকা স্থাপনা(বসত বাড়ি ও দোকান ঘর) তৈরি করছেন। সড়কের জায়গা ছেড়ে দেয়ার জন্য বার বার  নোটিশ দেয়ার পরেও স্থায়ীভাবে তারা ইমারত তৈরি করার ফলে সড়কের উন্নয়ন কাজ ব্যাহত হওয়ায় এ অভিযান করা হচ্ছে বলে সওজ বিভাগের পক্ষথেকে জানানো হয়। অভিযান পরিচালনার সময় উপস্থিত সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ- বিভাগীয় প্রকৌশলী প্রসেনজিৎ পাল ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট অনিন্দিতা রায় বলেন, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান সব সময় চলমান। সড়ক ও জনপথ বিভাগ আঞ্চলিক এ সড়কটির উন্নয়নের জন্য উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করছেন ।অভিযানে ক্ষতিগ্রস্ত এক পরিবারের সদস্য শেখ ইকরামুল হক বলেন, জায়গার সকল কাগজপত্র আমাদের পক্ষে।

এছাড়া বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান। মামলার বিবাদী (সওজ) কে আদালতের পক্ষ থেকে স্থিতিতাবস্হা মেনে চলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তার পরও আমাদের বিল্ডিং ভাঙ্গা হচ্ছে। এ ব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রট অনিন্দিতা রায়(উপসচিব) বলেন,কোর্টের আদেশের কোন সার্টিফাইড কপি বাদী পক্ষ আমাদের দেখাতে পারেনি। তা ছাড়া আদালত থেকেও আমাদের কাছে কোন নির্দেশনার ডকুমেন্ট আসেনি।

হান্টার বাইডেন অস্ত্র মামলায় অভিযুক্ত ডেলাওয়্যারের একটি আদালতে

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

মামলায় অভিযুক্ত হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেন। তাকে আগ্নেয়াস্ত্র-সংক্রান্ত এক মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার একটি আগ্নেয়াস্ত্র কেনার সময় মিথ্যা বলার তিনটি ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগে হান্টারকে অভিযুক্ত করা হয়।

দোষ স্বীকার করে মামলা নিষ্পত্তির একটি প্রস্তাবিত চুক্তি ভেস্তে যাওয়ার পর ৫৩ বছর বয়সি হান্টারকে অভিযুক্ত করা হলো।

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এই প্রথম ক্ষমতাসীন কোনো প্রেসিডেন্টের সন্তান ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত হলেন।

আর এর মধ্য দিয়ে হান্টারই প্রথম যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের সন্তান হিসেবে ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি হলেন।

যুক্তরাষ্ট্র ডেলাওয়্যারের একটি আদালতে হান্টারকে অভিযুক্ত করা হয়। তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক এ অভিযোগ আনেন বিশেষ কৌঁসুলি ডেভিড ওয়েইস।

অভিযোগে বলা হয়, ২০১৮ সালের অক্টোবরে ডেলাওয়্যারে একটি আগ্নেয়াস্ত্রের দোকান থেকে একটি রিভলবার কিনেন বাইডেনের ছেলে হান্টার। সেটি কেনার সময় তিনি মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, তিনি কোনো উত্তেজক মাদকদ্রব্যের বেআইনি সেবক নন। তিনি মাদকাসক্তও নন। অথচ সে সময় তিনি মাদক (কোকেন) সেবক ছিলেন।

মার্কিন ফেডারেল আইন অনুসারে, আগ্নেয়াস্ত্র ক্রয়ের সময় বাধ্যতামূলকভাবে কিছু তথ্য দিতে হয়। আর এ সময় মিথ্যা বলা অপরাধ। সেই সঙ্গে মাদক ব্যবহারকালে আগ্নেয়াস্ত্র রাখাও অপরাধ।

মার্কিন বিচার বিভাগের বিবৃতির তথ্যানুযায়ী, মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ ২৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে হান্টারের। সূত্র: সিএনএন, নিউ ইয়র্ক টাইমস

 

সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩ পাশ, কি আছে এ বিলে…

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার ও তল্লাশি এবং মিথ্যা মামলা দায়ের করলে সেটাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করে সাজার বিধান রেখে ‘সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩’ জাতীয় সংসদে পাশ হয়েছে। বিরোধী দলের বিরোধিতার মুখেই পাশ হলো বহুল আলোচিত এই বিলটি।

বুধবার সংসদ অধিবেশনে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বিলটি পাশের জন্য উত্থাপন করেন। বিলের ওপর আনা বিরোধী সদস্যদের জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে প্রেরণ এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি শেষে বিলটি কণ্ঠভোটে পাশ হয়।

বিলের বিভিন্ন ধারার সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় সদস্যরা বলেন, চিন্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং স্বাধীন গণমাধ্যমের স্বীকৃতি সংবিধানেই দেওয়া হয়েছে। অথচ এই বিলের বিভিন্ন ধারায় সংবিধান স্বীকৃত এসব অধিকার খর্ব করার ব্যবস্থা পাকাপোক্ত করা হয়েছে। বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার ও তল্লাশির বিধান সংশোধনের দাবি জানান একাধিক সংসদ সদস্য।

এসব সমালোচনার জবাবে প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, চিন্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংবিধান স্বীকৃত হলেও অবারিত নয়। স্বাধীনতা মানে কিন্তু অন্যের অধিকার ক্ষুণ্ণ করা নয়। আপনার স্বাধীনতা মানে যা ইচ্ছে তা বলা নয়। অন্যকে অসম্মান করা নয়। নারীকে অশ্লীল কথা বলা নয়। এসব বিষয় নিশ্চিতকরণের কোনো বিকল্প নেই।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আইনটির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিরোধী সদস্যরা একমত পোষণ করছেন। স্বচ্ছতা, জবাবহিদিতা ও নিরাপদ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সাইবার নিরাপত্তা আইনের বিকল্প নেই।

দেশ-বিদেশে ব্যাপক সমালোচনার মুখে গত ৭ আগস্ট সরকার জানায়, তারা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে ‘রূপান্তর’ এবং ‘আধুনিকায়ন’ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার নাম হবে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন’। যেখানে বিদ্যমান আইনের কয়েকটি ধারা সংশোধন করা হবে।

গত ২৮ আগস্ট মন্ত্রিসভা ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন’-এর চূড়ান্ত খসড়া অনুমোদন করে।

এরপর গত ৫ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে বিলটি উত্থাপন করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এরপর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য পাঁচ দিন সময় বেঁধে দিয়ে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কাছে সেটি পাঠানো হয়।

বাগেরহাটের রামপালে রড চোরসহ আটক -২

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপাল থানা পু্লিশ অভিযান চালিয়ে এবার হাওলাদার শাহারুখ (১৯) নামের এক রড চোরকে আটক করেছে। এ ঘটনায় মাসুদ রানা নামের এক ব্যাক্তি বাদী হয়ে রামপাল থানায় একটি চুরির অভিযোগে মামলা করেছেন। আটক শাহারুখ উপজেলার দূর্গাপুর গ্রামের মিজান হাওলাদারের পুত্র।

পু্লিশ জানায়, সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১২ টার সময় উপজেলার গিলাতলা বাজারের হামীম পরিবহন কাউন্টারের সামনে কয়েটি বস্তায় ব্রীজ নির্মাণের রড চুরি করে নিয়ে যাচ্ছিল ওই শাহারুখ। এ সময় জনতা পু্লিশকে খবর দিলে পু্লিশ তাকে ৪৫ কেজি রডসহ হাতেনাতে আটক করে। আটক শাহারুখ কে মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। একই দিন রাত ১০ টায় চাকশ্রী এলাকায় অভিযান চালিয়ে পারি জারি ১০/১৮ নং মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী নাজমুল হাসান (৩০) কে গ্রেফতার করা হয়। সে উপজেলার চাকশ্রী গ্রামের হাওলাদার নজরুলের পুত্র।

রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলম দুইজন আসামী আটক ও আদালতে প্রেরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কুমিল্লায় সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার হওয়া লাশের ঘটনার রহস্য উন্মোচন ও আসামী গ্রেফতার

//বিশেষ প্রতিনিধি//

গত ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৩২ খ্রিঃ তারিখ শুক্রবার অপরাহ্নে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া সাকিব হোসেন(২০) পিতা-আনোয়ার হোসেন, সাং-সাতবাড়িয়া দক্ষিণপাড়া, থানা-নাঙ্গলকোট, জেলা-কুমিল্লা এর মৃত দেহ ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ খ্রিঃ অপরাহ্নে তার বসত ঘরের অনুমান ১০০ গজ দূরে একটি সেপ্টিক ট্যাং এর মধ্য পাওয়া যয়।

মৃতের পিতার অভিযোগের ভিত্তিতে নাঙ্গলকোট থানায় মামলা নং ০৪, তারিখ -০৪/০৯/২০২৩, ধারা- ৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে রুজু হলে সাব ইন্সপেক্টর উজ্জ্বল চন্দ্র বিশ্বাসকে তদন্তভার দেয়া হয়।

পুলিশ সুপার, কুমিল্লা আব্দুল মন্নান পিপিএম(বার) মহোদয়ের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় এবং অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকতাদের সরাসরি তত্বাবধান এবং অংশ গ্রহণে পুলিশ তদন্তে নামে। তদন্তকালে মৃত সাকিব হোসেন(২০) এর প্রতিবেশী ইব্রাহীম এর ঘরের ভাড়াটিয়া জনৈক মফিজুল ইসলাম(৫৩) পিতা-মৃত কালা মিয়া, সাং-কলাউড়া, থানা-দোয়ারা বাজার, জেলা-সুনামগঞ্জকে গোপনীয় ও প্রকাশ্য তদন্তের মাধ্যমে এবং তথ্য প্রযুক্তির সহযোগীতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আজমপুর রেলস্টেশন থেকে ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ খ্রিঃ গ্রেফতার করে। তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করে যে, জনৈকা সুফিয়া বেগম এর সাথে তার পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক মোঃ সাকিব হোসেন (২০) দেখে ফেলায় সমাজে জানাজানি হয়ে যাবে এবং সুফিয়া বেগমের সংসার ভেঙে যাবে এ আশংকায় উক্ত মফিজুল ইসলাম ও সুফিয়া বেগম সাকিবকে হত্যার পরিকল্পনা করে।

আসামী মফিজুল ইসলাম লেবুর শরবতের মধ্যে ঘুমের ঔষধ মিশিয়ে গত ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ খ্রিঃ তারিখ রাতে সাকিব হোসেনকে খাওয়ায়। এর ফলে মোঃ সাকিব হোসেন গভীর ঘুমে অচেতন হয়ে যায়। তাকে মধ্যরাতে মফিজুল ইসলাম ও সুফিয়া বেগম বাড়ির বাইরে নিয়ে আসামী মফিজুল নিজের গামছা সাকিব হোসেন এর গলায় পেঁচিয়ে সাকিব হোসেনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। মৃত্যু নিশ্চিত হলে খুনি মফিজুল ইসলাম ও সুফিয়া বেগম সেপটিক ট্যাংকে সাকিব হোসেন এর মৃত দেহ ফেলে দেয়।

গ্রেফতারকৃত মফিজুল ইসলাম আজকে আদালতে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে  স্বীকারোক্তি মুলক জবানবন্দির মাধ্যমে বর্ণিত খুনের ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেয়।

জবানবন্দী প্রদানের পরে মফিজুল ইসলামকে করাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

রামপালে ২ তার চোর গ্রেফতার

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপাল থানা পু্লিশ অভিযান চালিয়ে ২ জন তামার তার চোরকে গ্রেফতার করেছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে রামপাল থানায় একটি মামলা হয়েছে।

আটককৃতরা হল বাগেরহাট সদরের খানপুর গ্রামের নিজাম ফকিরের পুত্র সোহাগ ফকির (৩০) ও রামপালের সিকিরডাঙ্গা গ্রামের মৃত আবু জাফরের পুত্র রাসেল শেখ (২২)।

পু্লিশ জানায়, গত ২৬ আগষ্ট বিকালে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের লেভার কলোনির পাশ থেকে চোর চক্রের সদস্যরা ৯০ কেজি মূল্যবান তামার তার চুরি করে। এদের মধ্যে কয়েকজনকে হাতেনাতে আটক করে পু্লিশ। ওই সময় সন্ধিগ্ধ বেশ কয়েকজন পালিয়ে যায়। এরপর মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর ) রাতে পু্লিশ রামপালের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে দুইজন আসামীকে আটক করে। প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে তাদের বিরুদ্ধে চুরির সাথে জড়িত থাকার তথ্য মিলেছে বলে পু্লিশ নিশ্চিত হয়েছে।

এ বিষয়ে রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি তাদের আটক ও বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) বাগেরহাটের আদালতে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রামপালে পুলিশের অভিযানে ওয়ারেন্টভূক্ত ৬ আসামী গ্রেফতার

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

রামপাল থানা পুলিশের নিয়মিত অভিযানে বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত ৬ জন আসামী গ্রেফতার হয়েছে। আটককৃতদের সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

পু্লিশ জানায়, রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে ওয়ারেন্টমূলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। ওই সময় আসামীদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন, খুলনা জেলার রূপসা উপজেলার জাবুসা গ্রামের মোস্তাইন মোল্লার পুত্র মো. সামসুর রহমান(৩৫), রামপাল উপজেলার কালেখারবেড় গ্রামের মোজাফ্ফর ফকিরের পুত্র জিহাদ ফকির (২৬), শরাবপুর গ্রামের ইব্রাহীমের পুত্র মোল্লা ইয়ামিন (২৫), সুলতানীয়া গ্রামের মো. জালাল উদ্দিন শেখের পুত্র মো. হাসান শেখ (৩০), উজলকুড় গ্রামের ফজর শেখের পুত্র মো. মুরাদ শেখ (৩৪) ও কৈগরদাসকাটি গ্রামের কবির শেখের পুত্র বাবু শেখ (৩২)। এরা জিআর, সিআর, পারি. জারিসহ বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী বলে পু্লিশ জানিয়েছে।

এ বিষয়ে রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি আসামীদের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন আসামীদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।