জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন কর্তৃক রূপসায় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনরে সাথে তৃণমূল পর্যায়ের জনসাধারণের এক মতবিনিময় সভা গত ১৮ নভেম্বর সকাল ১০ টায় উপজেলা কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়।

রূপসা উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত এ আলোচনা সভায় মুখ্য আলোচক ছিলেন- জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন সদস্য, সাবেক সচিব ড. মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া।

বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন- জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন সদস্য, সাবেক সচিব ড. মো. হাফিজুর রহমান ভূঞা, সাবেক সচিব ফিরোজ আহমেদ, সাবেক সচিব খোন্দকার মোহম্মাদ আমিনুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দীপঙ্কর কুমার দাস।

জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন কর্তৃক রূপসায় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আকাশ কুমার কুন্ডুর সভাপতিত্বে এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) অপ্রতিম কুমার চক্রবর্তীর পরিচালনায় বক্তৃতা করেন- সিনিয়র উপজেলা মৎস‍্য কর্মকর্তা বাপী কুমার দাস, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তরুন কুমার বালা, রূপসা থানা ভারপ্রাপ্ত ওসি মো. মনিরুল ইসলাম, মতবিনিময় সভায় অন্যান্যর মধ্যে বক্তৃতা করেন- কাজদিয়া কলেজিয়েট স্কুলের অধ্যক্ষ অজিত সরকার, অধ্যক্ষ এসএম আমজাদ হোসেন, নৈহাটী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষাক মো. রবিউল ইসলাম পলাশ, পিঠাভোগ ডিজিসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কৃষ্ণপদ রায়, শিয়ালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আহসান উল্লাহ, প্রধান শিক্ষাক মো. হায়দার আলী, পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শক্তিপদ বসু, ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশ মো. আতাউর রহমান, ইমাম পরিষদের সভাপতি মো. হেকমত আলী, ব্র্যাকের অনল কুমার বিশ্বাস, রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি জিএম আসাদুজ্জামান, সাংবাদিক কৃষ্ণ গোপাল সেন, এম মুরশীদ আলী, খান আব্দুর জব্বার শিবলী, রাজু আহম্মেদ খান শহিদ, এ্যাডভোকেট মোল্লা মহব্বাত আলী, ছাত্র প্রতিনিধি শেখ মেহরাব ও মো. ফাহাদ গাজী, হোম অবজয় হেনরী বারিকদার, মুক্তিযোদ্ধা শেখ তৈয়াবুর রহমান, কৃষি উদ্যোক্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসাইন, মৎস্য উদ্যোক্তা মো. মোশারেফ মুন্সি, সুজন বসু, খাদ্য উদ্যোক্তা তানিয়া তাহের, সংস্কৃতিক কর্মী সুখেন রায়, মো. নাজমুল হাসান, মো. মুসা শেখ, প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি শেখ লুৎফর রহমান, মো. মেজবাহ উদ্দিন, মো. সাব্বির হাসান, দলিত থেকে দিবা রানী দাস প্রমূখদ্বয়ের মতামতে সভার কার্যক্রম সমাপ্তি হয়।

রূপসায় ৮ম শ্রেনীর ছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামী আটক

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

খুলনার রূপসায় ৮ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলার এজাহারভূক্ত আসামি আরমানকে গত ১৫ নভেম্বর (শুক্রবার) রাতে গ্ৰেপ্তার করেছে রূপসা থানা পুলিশ।

এজাহার সূত্রে জানা যায়- আরমান শেখ (৩২) খুলনা রূপসার আইচগাতি ইউনিয়ন দুর্জনীমহল গ্রামের আমজেদ শেখের ছেলে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় জিডি সহ একাধিক মামলা রয়েছে। এটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু হয়।

উল্লেখিত- আসামি আরমান শেখ ৮ম শ্রেনীতে পড়ুয়া শিক্ষার্থী গত ২২ অক্টোবর রূপসা আইচগাতী ইউনিয়ন দুর্জনীমহল গ্রামস্থ খালা বাড়ী বেড়াতে যায়। তার খালা ক্লিনিকে কাজ করে এবং খালু একজন ভ্যান চালাক। পরের দিন সকালে খালা-খালু যে যাহার কাজে বাড়ীর বাহিরে চলে যায়। ঐ সময় থেকে শিক্ষার্থী মেয়েটি তাদের বাড়ীতে একা ছিল এবং বিকেল ৩ টার দিকে ঘরে একা বসে থাকা অবস্থায় আসামী আরমান শেখ কৌশলে ঘরে প্রবেশ করে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে।

এ ব্যাপারে রূপসা থানা (ভারপ্রাপ্ত) ওসি মো. মনিরুল ইসলাম জানান- ধর্ষণ মামলার আসামী আরমান শেখ কিছুদিন পলাতক ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে আটক করতে সক্ষম করা হয়। পরে আসামী আরমানকে খুলনা কোট হাজতে প্রেরণ করা হয়।

বাগেরহাটে খেতাবপ্রাপ্ত সাত বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা

//নিজস্ব প্রতিবেদন : জেনিভা প্রিয়ানা/

মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত বাগেরহাটের সুসন্তান একজন বীর উত্তম, একজন বীর বিক্রম ও বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা প্রদান করেছে বাগেরহাট ফাউন্ডেশন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাগেরহাট ফাউন্ডেশনের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শহরের এসি লাহা মিলনায়তনে রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত সাতজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। বাগেরহাট ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সম্মাননা প্রদান করা এই সাতজন রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা হচ্ছেন, বীর উত্তম ফ্লাইট লেফটেন্যান্ড লিয়াকত আলী খান, বীর বিক্রম নৌ-কমান্ডো খিজির আলী, সেনা সদস্য বীর প্রতীক শহিদ এনামুল হক, ইস্ট পাকিস্তান রাইফেল (ইপিআর) সদস্য বীর প্রতীক মোস্তফা কামাল, ইপিআর সদস্য বীর প্রতীক আবুল হোসেন, ইপিআর সদস্য বীর প্রতীক মোহম্মদ হোসেন ও সেনা সদস্য বীর প্রতীক আলী আহম্মেদ খান।

অনুষ্ঠানে জানানো হয় এই সাতজন রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে এখন দুজন বীর উত্তম ফ্লাইট লেফটেন্যান্ড লিয়াকত আলী খান ও বীর প্রতীক মোহম্মদ হোসেন জীবিত রয়েছেন।

বাগেরহাট ফাউন্ডেশনের সভাপতি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খালিদ হোসেনের সভাপতিত্বে রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত ৭ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন বাগেরহাট সদর আসনের সাবেক এমপি ও বাগেরহাট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মীর শওকাত আলী বাদশা। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোজাফফর হোসেন, মুখার্জী রবীন্দ্রনাথ, ডা. মোশাররফ হোসেন, ফাউন্ডেশনের সম্পাদক আহাদউদ্দিন হায়দার বক্তব্য রাখেন।

মোংলা হবে বিশ্বমানের আধুনিক সমুদ্রবন্দর: নৌপরিবহন উপদেষ্টা

//বিশেষ প্রতিনিধি, জেনিভা প্রিয়ানা//

#মোংলা বন্দরকে বিশ্বমানের নিরাপদ ও আধুনিক সমুদ্রবন্দরে পরিণত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. #এম_সাখাওয়াত_হোসেন।

গতকাল মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে খুলনায় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা জানান।

মোংলা বন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নত করা হবে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, মোংলা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর। ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় এ সমুদ্র বন্দরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের অর্থনীতিতেও বন্দরটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। রাজধানী ঢাকা থেকে বন্দরটির সড়ক পথে দূরত্ব মাত্র ২১০ কিলোমিটার। এছাড়াও বন্দরটির সাথে ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য প্রান্তের রেল ও নৌযোগাযোগ রয়েছে। সুতরাং এ বন্দরটিকে পিছিয়ে রাখার কোনো সুযোগ নেই। মোংলা বন্দরকে আরও আধুনিক ও বিশ্বমানের করে গড়ে তোলার জন্য বেশ কিছু প্রকল্প চলমান রয়েছে এবং কিছু প্রকল্প ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য হাতে নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, চলমান প্রকল্পগুলো যথা নিরাপদ চ্যানেল বিনির্মাণ, সমুদ্রগামী জাহাজ সুষ্ঠুভাবে হ্যান্ডলিং এবং দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় জরুরি উদ্ধারকাজ পরিচালনার জন্য ‘মোংলা বন্দরের জন্য সহায়ক জলযান সংগ্রহ’, ‘মোংলা বন্দরে আধুনিক বর্জ্য ও নিসৃত তেল অপসারণ ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক প্রকল্প, ‘আপগ্রেডেশন অব মোংলা পোর্ট’ শীর্ষক প্রকল্প, ‘পশুর চ্যানেলের ইনার বারে ড্রেজিং” শীর্ষক প্রকল্প, ‘মোংলা বন্দরের ২টি অসম্পূর্ণ জেটি নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলছে। অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন প্রকল্পসমূহ হচ্ছে-মোংলা বন্দরের সুবিধাদির সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন’ প্রকল্প,মোংলা বন্দর চ্যানেলে ৫ বছর মেয়াদি সংরক্ষণ ড্রেজিং প্রকল্প, পশুর চ্যানেলে নদীশাসন এবং মোংলা বন্দরের আরো সম্প্রসারণের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রকল্প।

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এ সব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দরের বার্ষিক সক্ষমতা বাড়বে। চ্যানেলে ৮.৫ সিডি গভীরতা অর্জিত হবে। এতে ১০ মিটার গভীরতার জাহাজ মোংলা বন্দরে হ্যান্ডেল করা সম্ভব হবে। মোংলা বন্দরে বার্ষিক প্রায় ৮ লাখ টিইউজ কন্টেইনার, ৪ কোটি মেট্রিক টন কার্গো এবং ৩০ হাজার গাড়ি হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা বাড়বে।

এ সময়ে বন্দরের কার্যক্রমকে আরও বেশি গতিশীল ও আমদানি-রফতানিকারকদের উৎসাহিত করতে রাজস্ব বিভাগকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে মোংলা বন্দরে স্ক্যানার স্থাপনের নির্দেশনা প্রদান করেন উপদেষ্টা। বন্দরের নাব্যতা বৃদ্ধি ও সংরক্ষণের জন্য ড্রেজিং এর প্রয়োজন রয়েছে উল্লেখ করে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের জন্য নিজস্ব ২ টি ড্রেজার ক্রয়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সভায় #মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহীন রহমানসহ বন্দরের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ ও নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

ডুমুরিয়ায় ব্র‍্যাকের সামজিক ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচির উদ‍্যেগে আন্তর্জাতিক কন‍্যা শিশু  দিবস পালিত

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি //
  ডুমুরিয়ায় ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় ৫ নভেম্বর মঙ্গলবার  অধিকার এখানে এখন প্রকল্পের আয়োজনে আর্ন্তজাতিক কন্যা শিশু দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলেক্ষে চিত্রাংঙ্কন, কবিতা, নৃত্য ,গান, ও আলোচনা সভা সহ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে ডুমুরিয়া কলেজ মিলানয়াতনে বন্যাঢ্য অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা সাহস নোয়াকাঠী, মির্জাপুর, ও হাজিডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়  ও ডুমুরিয়া কলেজের শিক্ষার্থী এবং ইউথ সদস্যদের উপস্থিতিতে এক মিলন মেলায় পরিনত হয়।
সভায় সমাজে নারী প্রতিসহি;তায় মুল কারন,আইনি পদক্ষেপ এর পাশাপশি সমাজের অন্যণ্য ক্ষেত্র থেকে সহি;সতা প্রতিরোধ ,শিক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধি, নারীর ক্ষমতয়ান , পারিবারিকভাবে কন্যা সন্তানের বেড়ে উঠা,শিক্ষা দিক্ষায় প্রতিষ্ঠিত করা, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ধারার পরিবর্তন,ব্যাল্য বিবাহের কুফল, একজন তরুন হিসাবে এ ক্ষেত্রে আপনার ভূমিকা সহ নানা দিক তুলে ধরা হয়। ইয়ুথ লিড়ার বৃষ্টি দেবনাথ এর সভাপতিত্বে ও ইয়ুথ লিড়ার মো: ফয়সাল আহম্মেদ এ পরিচালনায় আয়োজিত আলোচনা ও শুভেচ্ছা বিনিময় সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তার প্রতিনিধি উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস এম কামরুজ্জামান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাসি রানী রায়, উপজেলা
একাডেমিক সুপারভাইজার টিকেন্দ্রনাথ সানা, ডুমুরিয়া কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. ফেরদাউস খান, ডুমুরিয়া হাসপাতালের আবাসিক মেড়িকেল অফিসার (মাও শিশু স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ) ডাক্তার মোহসেনা ফেরদৌসী,ব্র্যাকের এরিয়া কো-অর্ডিনেটর মো: জিল্লুর রহমান, প্রকল্পের জেলা যুব সমন্বয়কারী শিখা রানী ,ডুমুরিয়া কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক সুলগ্না বসু প্রমুখ। সকালে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা শেষে কবিতা আবৃতি,গান, নৃত্যে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দুই শতাধিক কন্যা শিশু ছাত্রীরা অংশ গ্রহন করে।

রূপসায় নবাগত নির্বাহী অফিসারের সাথে বিএনপি নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

নির্বাহী অফিসার আকাশ কুমার কুন্ডু সদ্য রূপসা উপজেলায় যোগদানের পর উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ গত ৪ নভেম্বর দুপুরে তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় শেষে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

নেতৃবৃন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে তাদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবহিত করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোল্লা সাইফুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বিকাশ মিত্র, যুগ্ম আহবায়ক রয়েল আজম, ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক মহিউদ্দিন মিন্টু, নৈহাটি ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব দীদারুল ইসলাম, টিএসবি ইউনিয়ন বিএনপি’র সদস্য সচিব মো. আজিজুল রহমান, খন্দকার শরীফুল ইসলাম, রূপসা থানা কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক কবির শেখ, আল আমিন, শ্রমিক দল নেতা মাহফুজুর রহমান, যুবদল নেতা মাসুদ হাওলাদার, মনিশংকর পাচু প্রমূখ।

অধ্যক্ষ খান আলমগীর কবির স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধনে; আজিজুল বারী হেলাল

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা//

রূপসায় শহীদ মনসুর স্মৃতি সংসদ আয়োজিত অধ্যক্ষ খান আলমগীর কবির স্মৃতি ৫ম ১৬ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন গত ১  নভেম্বর, বিকেলে কাজদিয়া সরকারী উচ্চ মাধ্যামক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধনী খেলায়  শহীদ মনসুর স্মৃতি সংসদ বনাম বটিয়াঘাটা তরুণ সংঘ অংশগ্রহন করে।

খেলা পূর্বাহ্নে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন- বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল। তিনি বলেন- ক্রীড়া চর্চার মাধ্যমে দেশ থেকে মাদক নির্মূল করা সম্ভব। দেশের তৃমূল পর্যায়ে মাদকের ব্যাপক ছড়াছড়িতে যুব সমাজ জড়িয়ে পড়েছে। বিগত সরকাররে সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার অভাবে এ সমস্যা সারা দেশে সৃষ্টি হয়েছে। যুবক ছাত্র সম্প্রদায়কে মাদকের এই করাল গ্রাস থেকে মুক্ত করতে ক্রীড়া চর্চার বিকল্প নাই। খেলাধুলার মাধ্যমে যুব সম্প্রদায়রা সদা ব্যস্ততা থাকলে তাদের মাথা থেকে মাদকের নেশা দূর হবে। তিনি আরও বলেন- অধ্যক্ষ খান আলমগীর কবির ছিলেন, একজন ক্রীড়াপ্রেমি, সদালাপী এবং পরোপকারী মানুষ। তার নেতৃত্বে রূপসা উপজেলায় ব্যাপক ক্রীড়াচর্চা সংগঠিত হতো।

সভা শেষে তিনি কাজদিয়া গ্ৰামে কয়েক দিন আগে মৃত্যু হওয়া সৈয়দ ইছার কবর জিয়ারত ও পরিবারের মাতা সহ অন্যান্যকে শান্তনা দেওয়ার জন্য ছুটে যান।

এ সময় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন- আবু হোসেন বাবু, জুলফিকার আলী জুলু, মনিরুল ইসলাম মন্টু, মোস্তফাউল লাভলু, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, মো. রশিদ, তৈয়বুর রহমান, কামরুজ্জান টুকু, মাহাবুবজ্জামান জিয়ার, একরামুল হক হেলাল, আতাউর রহমান রুনু, আলী আজগর, মোল্লা সাইফুর রহমান, জাবেদ হোসেন মল্লিক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী প্রচার দল কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক ফলাফল পত্রিকার সম্পাদক ওয়াকিদুজ্জামান ডাব্লু প্রমূখ।

ফুটবল টুর্নামেন্ট কমিটির আহবায়ক শেখ মাফতুন আহমেদ রাজার সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তৃতা করেন টুর্নামেন্টের সমন্বয়কারী অধ্যাপক খান আহমেদুল কবির চাইনিজ।

এ সময় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন- সাবেক জেলা বিএনপি নেতা জুলফিকার আলী জুলু, মনিরুজ্জামান মন্টু, মোস্তাফা উল বারী লাভলু, সাবেক ছাত্রনেতা আবু হোসেন বাবু, সাবেক জেলা বিএনপি নেতা আঃ রশিদ শেখ, মোল্যা খায়রুল ইসলাম, তৈয়েবুর রহমান, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, মাহবুব হাসান পিয়াস, ইকরামুল হক হেলাল, আতাউর রহমান রুনু, আলী আজগর, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোল্যা সাইফুর রহমান, সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক, যুগ্ম আহবায়ক বিকাশ মিত্র, রয়েল আজম, ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক খান আনোয়ার হোসেন, মহিউদ্দিন মিন্টু, আ: মালেক, সদস্য সচিব আজিজুর রহমান, দিদারুল ইসলাম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ইবাদুল হক রুবায়েত, উজ্জল সাহা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সমাজসেবক বাবলু কুমার আঁশ, সৈয়দ মাহমুদ আলী, আলম শেখ, রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের আহবায়ক জিএম আসাদুজ্জামান, সদস্য সচিব ইউশা মোল্লা, বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম পাইক, সৈয়দ নিয়ামত, কামরুল ইসলাম কচি, বাদশা জমাদ্দার, মুন্না সরদার, খান আলিম হাসান, হাসিবুর রহমান, খন্দকার শরিফুল ইসলাম, শাহজামান প্রিন্স, বিএনপি নেতা মো. বাবুল শেখ, মাসুদ খান, মুন্না,আলিম খান, শামীম হাসান, জাহাঙ্গীর হাওলাদার, তরিকুল ইসলাম রিপন, কামরুজ্জামান নান্টু, খন্দকার ইমরান হোসেন, আবু সাঈদ, ইসরাইল বাবু, শাহাজাদা আলমগীর, নাঈম ইসলাম, হীরক গোলদার, সফর কাজী, ইব্রাহিম শেখ, শাহিনুর শেখ, ফেরদৌস, হাসান ফরাজী, জহির খান, তাহসিন প্রমূখ।

খেলা পরিচালনায় (ফিফা রেফারি) জুনায়েদ শরীফ এবং তার সহকারী রেফারী মনির ঢালী ও আজিজুর রহমান বাবলু চুড়ান্ত দায়িত্ব পালন করেন। অনুষ্ঠিত খেলার প্রথমার্ধে ৭ নং জার্সি পরিহিত বটিয়াঘাটা তরুণ সংঘের নাঈমুল ইসলামের গোলে দলকে এগিয়ে রাখে। খেলার মধ্যাহ্ন বিরতির পর শেষ টাইমের দিকে পেনাল্টি পায় মনসুর স্মৃতি সংসদ। তাদের ১০ নং জার্সি পরিহিত সাইফুল্লাহর শর্টে গোল পেয়ে খেলার সমতায় ফিরে আসে এবং রেফারির শেষ বাঁশি বেজে উঠে। পরিশেষে ট্রাইবেকারে ৪-৩ গোলে বটিয়াঘাটা তরুন সংঘ বিজয়ী হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

ডুমুরিয়ায় জাতীয় যুব দিবস পালিত

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//

দক্ষ যুব গড়বো দেশ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে  শুক্রবার ১লা নভেম্বর ডুমুরিয়ায়  জাতীয় যুব দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও  যুব উন্নযন অধিদপ্তর এর আয়োজনে সকালে পরিষদ কমপ্লেক্স এর সম্মেলন কক্ষে  আলোচনা সভা শপথ বাক্য পাঠ যুব ঋনের চেক, প্রশিক্ষণ সনদ ও প্রশিক্ষণ ভাতা বিতরন অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা যুব উন্নযন কর্মকর্তা এস এম কামরুজ্জামান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন  উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল আমিন, বিশেষ অতিথির বক্তব্যদেন  যুব উন্নয়ন  খুলনার সহকারী পরিচালক বদিউজ্জামান বক্তব্য দেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আশরাফ হোসেন,

উপজেলা রিসোর্স সেন্টারে ইন্সট্রক্টার মোঃ মনির হোসেন,জনস্বাস্থ‍্য প্রকৌশলী প্রশান্ত পাল,  সমবায় কমকর্তা সরদার জাহিদুল ইসলাম, সহকারী  যুব উন্নযন কর্মকর্তা মোঃ জাকির হোসেন, উদ্যোক্তা সৌমেন মন্ডল,  মাজেদুল ইসলাম, এস কে বাপ্পী, পৃতীষ কুমার মন্ডল, আব্দুস সবুর, বিডি ক্লিন এর জাকিয়া সুলতানা, সাদ্দাম হোসেন, শোভন রানা,প্রমুখ। আলোচনা  সভা শেষে যুবক যুবতিদের প্রশিক্ষণ সাটিফিকেট সনদ  ঋনের চেক  প্রশিক্ষণের টাকা বিতরন করা হয়। পরে   বিডি ক্লিন এর ছাত্র ও যুবকরা স্বাধীনতা চত্বরের সামনে  খালের শেওলা ও ময়লা  পরিস্কার করেন।

ডুমুরিয়ায় কন্দল ফসল উন্নযনে কৃষক প্রশিক্ষণ

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//

ডুমুরিয়ায় ২০২৪ – ২৫ অর্থ বছরে কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২৭ অক্টোবর রবিবার দিন ব্যাপী  কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত  হয়েছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের আয়োজনে কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে  অনুষ্ঠিত কৃষক প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি’র বক্তব্য দেন উপ পরিচালক কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর খুলনার (খামারবাড়ি) কৃষিবিদ কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন,বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা কৃষি প্রশিক্ষণ অফিসার মহাদেব চন্দ্র সানা, অতিরিক্ত উপ পরিচালক (উদ্যান) মিজান মাহমুদ, স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা  কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ইনসাদ ইবনে আমিন, অতিরিক্ত কৃষি অফিসার মোঃ ওয়ালিদ হোসেন, সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ হামিদুল ইসলাম ও মোঃ আরিফুল ইসলাম,প্রজেক্ট টেইনার কৃষিবিদ অধীর কুমার বিশ্বাস ও মোঃ হাবিবুল্লাহ, স্পেয়ার মেকানিক সৌমেন্দু কুমার মন্ডল প্রমুখ। প্রশিক্ষণে৩০ জন কৃষান কৃষানী অংশ নেয়।

এনআইডি কার্ড জালিয়াতি করে ও বোনের জেএসসি সনদপত্র ব্যবহার করে খুর্শিদা আক্তারের ডিপ্লোমা নার্সিং ডিগ্রী

//বিশেষ প্রতিবেদক//

মেজ বোনের জেএসসির সনদপত্র নিয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে এক লাফে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় খুর্শিদা আক্তার ওরফে লাকি আক্তার। তিনি এখন যশোরের ডাক্তার মেজবাহ উর রহমান মেডিকেল টেকনোলজি কলেজে ডিপ্লোমা ইন নার্সিং টেকনোলজিতে অধ্যয়নরত, যার রেজিস্ট্রেশন নম্বর: ৭৫০১০০১৬০৪, সেশন: ২০১৯-২০।

বর্তমানে খুর্শিদা আক্তার নাম এবং দু’দফায় জন্মনিবন্ধন এবং নতুন করে জাতীয় পরিচয়পত্র করার চেষ্টা করছে।

প্রতারণা ঘটনার শুরু বাগেরহাটের মোংলাতে। খুর্শিদা আক্তার ও মেজ বোন লাকি আক্তার দু’জনই বাগেরহাটের মোংলা পোর্ট পৌর এলাকার শফিক হালদারের মেয়ে। যাদের বর্তমান বৈবাহিক ঠিকানা যশোরের মণিরামপুর উপজেলার কামালপুর গ্রামে।

খুর্শিদা আক্তারের প্রকৃত জন্ম তারিখ ১৯৯৬ সালের ১ জুন। তার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ১৯৩৩১৫১১০০ এবং জন্মনিবন্ধন নম্বর ১৯৯৬০১৫৮৬৪০১০০৯১২, সে ৬ষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছেন।

অপরদিকে মেজবোন লাকি আক্তার লেখপড়া করেছেন ১১৪৯৯৮ চাঁদপাই মেশেরশাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে, যার জেএসসি রেজিস্ট্রেশন নম্বর ১১১৩৩৩৫৭৫৩, সেশন ২০১১ এবং রোল নম্বর ছিল ২৪১৭৫১।

খুর্শিদা আক্তার তার মেজ বোন লাকি আক্তারের জেএসসির সনদপত্র নিয়ে আলহাজ শেখ আফসার উদ্দিন মহিলা দাখিল মাদ্রাসা হতে অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে  একজন শিক্ষক ও সুপারের সহায়তায় অবৈধভাবে এসএসসি পাস করেন, যার রেজিষ্ট্রেশন নম্বর ১১১৩৩৩৫৭৫৩, সেশন-২০১৬-১৭,   এদিকে, মেজ বোন লাকি আক্তার বড় বোনকে তার সনদপত্র (জেএসসির) সরবরাহ করায় নিজের নাম ও জন্ম তারিখ পরিবর্তন করেছেন। এখন দু’বোনই চেষ্টা করছেন নতুন করে জাতীয় পরিচয়পত্র পরিবর্তনের জন্য। মেজ বোন লাকি আক্তার নাম পরিবর্তন করে হয়েছেন কথা আক্তার লাকি। তার প্রকৃত জন্ম তারিখ ১৯৯৮ সালের ১ জুন। জন্ম তারিখ পরিবর্তন করে ১৯৯৯ সালের ৫ আগস্ট করেছেন। তার জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্ম নিবন্ধনে ১৯৯৯ সালের জন্ম তারিখ ব্যবহার করা হয়েছে। অর্থাৎ তথ্য গোপনের পর কথা আক্তার লাকি নামের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ১৯৬৫৬৩১৯০১ এবং জন্ম নিবন্ধন নম্বর ১৯৯৯০১২৫০০১০৬২০০২। এখন দু’বোনের মধ্যে মেজ বোন জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্ম নিবন্ধন করতে পারলেও নানা কারণে আটকে রয়েছেন বড় বোন খুর্শিদা আক্তার। তিনি তার জাতীয় পরিচয়পত্র মেজ বোন লাকি আক্তারের নাম বসিয়ে পরিবর্তনের জন্য নির্বাচন অফিসে আবেদন করেছেন।

সূত্র বলছে, তথ্য গোপন করে খুর্শিদা আক্তার পরবর্তীতে লাকি আক্তার নামে জন্মনিবন্ধন করেন, যার নম্বর ০১৯৮০১২৫০০১০৬২০০৩। এবং লাকি আক্তার নাম পরিবর্তন করে কথা আক্তার লাকি নামে যে জন্ম নিবন্ধন করেন তার নম্বর ১৯৯৯০১২৫০০১০৬২০০২। তথ্য ঘেঁটে দেখা যায়, দু’টি জন্ম নিবন্ধনের নম্বরই পরপর। ফলে দু’বোনই যে প্রতারণা করেছেন সেটি স্পষ্ট হয়েছে।

এদিকে ডাঃ মেজবাহ উর রহমান মেডিকেল টেকনোলজি কলেজের অধ্যক্ষ খুর্শিদার নিকট হতে মোটা টাকা অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে কারিগরি শিক্ষাবোর্ডকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেয় এবং খুর্শিদা আক্তারকে দ্রুত এনআইডি কার্ড সংশোধন করতে বলেন। কিন্তু খুর্শিদা এনআইডি কার্ড সংশোধনে ব্যর্থ হলে অধ্যক্ষ মহোদয় খুর্শিদাকে দিয়ে https://gamitisa.com/tools/bd-oldnidcard লিংক ব্যবহার করে জালিয়াতি করে ভুয়া এনআইডি কার্ড তৈরি করিয়ে নেন এবং সকল অভিযোগ মিথ্যা বলে গলাবাজি করছেন। এবিষয়ে নির্বাচন কমিশনের এক কর্মকর্তা বলেন, সে একের পর মিথ্যা তথ্য দিয়ে এনআইডি কার্ড সংশোধন চেষ্টা করে আসছিলেন, কিন্তু  সরোজমিনে তদন্তপূর্বক এটি সংশোধন যোগ্য নয় বলে বাতিল করা হয়েছে।

একের পর এক জালিয়াতি করেও  বহাল তবিয়তে নির্ঝঞ্ঝাট ভাবে সে তার কার্যছক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, যা দেখার কেউ নেই, এবং বারবার অভিযোগ দিয়েও কোনো কাজ হচ্ছে না। এভাবে এরা একসময় হয়ত সরকারী চাকুরিও করবে, প্রশ্ন এসে যায় দেশ-জাতি এদের কাছ থেকে কি আশা করবে…? শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুর্নীতিবাজ ও অসাধু কর্মকর্তারা কি এভাবেই জালিয়াতি ও দুর্নীতি করে যাবে…?