বাগেরহাটের কচুয়ায় দরিদ্র মহিলাদের হস্তশিল্পর প্রশিক্ষন

 কচুয়া (বাগেরহাট) প্রতিনিধি॥

কচুয়া দরিদ্র মহিলাদের জন্য সমন্বিত পল্লী কর্মসংস্থান সহায়তা প্রকল্প (ইরেসপো)-২য় পর্যায়ের ৩ দিন ব্যাপী  আয়বর্ধনমূলক হস্তশিল্প বিষয়ক প্রশিক্ষন সমাপ্ত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার উপজেলা বিআরডিবি হলরুম ও মাঠ পর্যায়ে এ প্রশিক্ষনে প্রধান অতিথি হিসাবে ভাচুয়ালী যুক্তছিলেন,  বিআরডিবির ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক এস.এম.মাসুদুর রহমান ও পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোঃ রাশিদুল ইসলাম।

এছাড়া প্রশিক্ষনে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জীনাত মহল, উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মামুনুর রশিদ, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার মোঃ আমজাদ হোসেন,সহকারী পল্লী উন্নয়ন অফিসার (ইরেসপো) প্রবীর কুমার মন্ডল, হিসাব সহকারী শিলু মন্ডল, মাঠ সংগঠক হিরামন মিস্ত্রী ও মানিক মিয়া প্রমূখ।

প্রশিক্ষনে হাতে কলমে বাঁশ থেকে বিভিন্ন উপকরন যেমন,ডালা,ঝুড়ি,কুলা,চালন,খাড়ই সহ অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় উপকরন বানানো শিখানো হয়। অনলাইনে যুক্ত থেকে  প্রশিক্ষনের  সার্বিক তদারকি করেন প্রকল্প পরিচালক মোঃ রাশেদুল আলম। প্রশিক্ষন শেষে প্রক্ষিনার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরন করা হয়।

Daily World News

ন্যাটোর সরবরাহ করা অস্ত্র ডিপো ধ্বংস করেছে রাশিয়া

রূপসায় প্রধানমন্ত্রীর ১০ টি উদ্ভাবনী উদ্যোগ নিয়ে উপজেলা পর্যায়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

প্রধানমন্ত্রীর ১০ টি উদ্ভাবনী উদ্যোগ নিয়ে উপজেলা পর্যায়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার শুভ উদ্বোধন করেন খুলনার স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক  মোঃ ইউসুপ আলী।

রূপসা উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত সকাল ১০টায় উপজেলা অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রূবাইয়া তাসনিম, সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন  উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দীন বাদশা, ভাইস চেয়ারম‍্যান আবদুল্লাহ যোবায়ের, ফারহানা আফরোজ মনা, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডা: শফিকুল ইসলাম, মৎস‍্য কর্মকর্তা বাপী কুমার দাস, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: প্রদীপ কুমার মজুমদার।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মাধ‍্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আইরিন পারভিন, শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ আ:রব,প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফ হোসেন, আরডিও তারেক ইকবাল আজিজ, আইহিটি কর্মকর্তা মো:রেজাউল করিম, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পারভেজ মোল্লা, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, বন কর্মকর্তা মো: মজিবুর রহমান, জাতীয় ক্রীড়া ব‍্যক্তিত্ব মিস্টার বাংলাদেশ আজাদ আবুল কালাম, জেলা আওয়ামীলীগের সদস‍্য জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, জেলা কৃষকলীগের সভাপতি ইউপি চেয়ারম‍্যান অধ‍্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল, জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সদদ‍্য আ: মজিদ ফকির, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, ইউপি চেয়ারম‍্যান ইসহাক সরদার, কামাল  হোসেন বুলবুল, মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজানসহ কর্মকর্তাবৃন্দ, জনপ্রতিনিধিবৃন্দ, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ সহ বিভিন্ন সূধীজন।

খুলনায় হাই-টেক পার্কের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন

//আ. রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

মহানগরীর রূপসা স্ট্রান্ড রোডস্থ বন্ধকৃত দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরির সামনের সরকারি সাড়ে তিন একর খাস জমিতে নির্মাণ করা হচ্ছে হাই-টেক পার্ক।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) দুপুরে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি  প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ও খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

পরে মহানগরীর শের-এ-বাংলা রোডস্থ শিল্পকলা অ্যাকাডেমিতে প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। সম্মানিত অতিথি ছিলেন খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল।

সময় বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম ও খুলনাস্থ ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনের ভারপ্রাপ্ত সহকারী হাই কমিশনার অসীম কুমার সান্ত্রা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সরদার রাকিবুল ইসলাম, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ ও মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক শফিকুর রহমান পলাশ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের এমডি বিকর্ণ কুমার ঘোষ ।

১৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে সাত তলা বিশিষ্ট এ ভবনের নির্মাণের মধ্য দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে আরও একধাপ এগিয়ে যাবে খুলনা এমন প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Daily World News

’’ যদি ইউক্রেন হেরে যায় ‘’ – মিখাইল কাসিয়ানভ

ডুমুরিয়ায় স্বাস্থ‍্য সেবার মাসিক সমন্বয় অনুষ্ঠিত

//ডুমুরিয়া সংবাদদাতা খুলনা//

সাবেক মৎস‍্য ও প্রানী সম্পদ মন্ত্রী নারায়ন  চন্দ্র চন্দ এমপি,   বলেছেন মানবেতা সেবায় দেশ ও জাতির  কল‍্যান বযে আনতে পারে।  সেবার মনোভাব  নিয়ে কাজ করতে হবে। তাহলে সরকারের মহতি উদ্দ‍্যেগ  চিকিৎসা সেবা জন গনের দৌড় গোড়ায় পৌছিয়ে যাবে। ১৪ জুন মঙ্গলবার  সকালে  ডুমুরিয়া উপজেলার পরিষদ হলরুমে স্বাস্থ‍্যসেবা ব‍্যবস্থাপনা কমিটির  মাসিক সমন্বয সভায় প্রধান অতিথি’র বক্তৃতায় এ কথা বলেন  উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরীফ আসিফ রহমানের সভাপতিত্বে ও আর এমও  ডাক্তার কাজী মফিজুর রহমানের পরিচালনায় সভায় বক্তব‍্য দেন পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার আবু সুফিয়ান রস্তম,  উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ  সম্পাদক শাহানেওয়াজ হোসেন জোয়াদার।  সভায় স্বাস্থ‍্য কমপ্লেক্স এর  সকল ডাক্তারগন উপস্থিত ছিলেন।

সভায় প্রধান অতিথি   আরো বলেন  সকল বাধা বিপত্তি উপেক্ষা করে  স্বাস্থ‍্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে।  দেশ এগিয়ে চলছে সকলে এগিয়ে যেতে হবে।

 

ডুমুরিয়ায় চিংড়িতে অপদ্রব‍্য ( পুশ) এর ক্ষতিকারক প্রভাব সংক্রান্ত জনসচেতনা মূলক সভা অনুষ্ঠিত

//ডুমুরিয়া সংবাদদাতা, খুলনা//

রপ্তানি যোগ‍্য চিংড়িতে অপদ্রব‍্য ( পুশ) এর ক্ষতিকারক প্রভাব সংক্রান্ত জনসচেতনা মূলক  এক  সভা ডুমুরিয়া  উপজেলা চিংড়ি সম্পদ উন্নযন সংক্রান্ত টাস্কফোস কমিটির আয়োজনে  ১৩ জুন  সোমবার বিকেলে শহিদ জোবায়ের  আলী মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয।

উপজেলা  নির্বাহী  অফিসার শরীফ আসিফ রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক  মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি, প্রধান আলোচক ছিলেন জেলা মৎস‍্য কর্মকর্তা জয়দেব পাল, বিশেষ অতিথি’র বক্তব‍্য  দেন  সহকারী কমিশনার ভূমি মামুনুর, অফিসাস ইনচার্জ শেখ কনি মিয়া, ভাইন্স চেয়ারম‍্যান গাজি আব্দুল হালিম,  উপজেলা  মৎস‍্য কর্মকতা আবু বক্কার সিদ্দিক, ইউপি চেয়ারম‍্যান শেখ দিদারূল ইসলাম, তুহিনুল ইসলাম, সাংবাদিক আব্দুস ছালাম, প্রমুখ।   সভায়  প্রধান অতিথি বলেন বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা চিংড়ি শিল্পকে ধংসের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে।

কিছু মুষ্ঠিমেয় ব‍্যাক্তি চিংড়িতে অবদ্রব‍্য পুশ করে রাতারাতি কালো টাকার মালিক হচ্ছে তাদেরকে প্রতিহত করতে হবে।

 

কোন বীমা কোম্পানী গ্রাহকের দাবীর টাকা কতটা পরিশোধ করছে…?

//অনলাইন নিউজ//

দেশে ব্যবসা করা জীবন বিমা কোম্পানিগুলো সঠিকভাবে গ্রাহকের দাবির টাকা পরিশোধ করে না- এ অভিযোগ দীর্ঘদিনের। ফলে বছরের পর বছর দেশের বিমা খাত সাধারণ মানুষের অনাগ্রহের তালিকায় থেকে গেছে। বিমার প্রতি মানুষের আস্থা ফেরাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। আগের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিলুপ্ত করে নতুন নামে নতুন নিয়ন্ত্রক সংস্থা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে করা হয়েছে আইন। এরপরও বিমা দাবি পরিশোধ না করার অপবাদ রয়েই গেছে বিমা কোম্পানিগুলোর ওপর।

বিমা দাবির টাকা না পেয়ে গ্রাহকের আইনের আশ্রয় নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। একাধিক কোম্পানিতে প্রশাসক বসিয়েছে বিমা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। এরপরও দেশে ব্যবসা করা জীবন বিমা কোম্পানিগুলোতে সম্মিলিতভাবে প্রায় অর্ধেক দাবি বকেয়া পড়ে আছে। অবশ্য এর মধ্যে কিছু কিছু কোম্পানি সিংহভাগ বিমা দাবি পরিশোধ করেছে।

কয়েকটি কোম্পানিতে লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে এবং কিছু কোম্পানি গ্রাহকের দাবির টাকা পরিশোধ করছে না- এসব বিষয় নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। মূলত এ ধরনের কিছু কোম্পানির কারণে সার্বিক বিমা খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। সব কোম্পানি সঠিকভাবে বিমা দাবি পরিশোধ করলে বিমার প্রতি মানুষের আস্থা বাড়তো।

জীবন বিমা কোম্পানিগুলোতে পড়ে থাকা বকেয়া বিমা দাবির হারকে হতাশাজনক বলছেন খোদ এ খাত সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, দাবি পরিশোধের হার কমপক্ষে ৮০ শতাংশ হওয়া উচিত। সেখানে অর্ধেক বিমা দাবিই বকেয়া পড়ে থাকা কিছুতেই সন্তোষজনক নয়। এমন বিপুল পরিমাণ বিমা দাবি বকেয়া পড়ে থাকায় এ খাতের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা আসছে না।

বিমা দাবি পরিশোধ নিয়ে চলতি বছর বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে একটি প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। ওই প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে জীবন বিমা কোম্পানিগুলো ৩ লাখ ৯৪ হাজার ৫২২টি বিমা পরিশোধ করেছে। বিপরীতে বকেয়া বিমা দাবি রয়েছে ২ লাখ ৭২ হাজার ৬১৬টি।

এ সময়ে জীবন বিমা কোম্পানিগুলোর পরিশোধ করা বিমা দাবির পরিমাণ ১ হাজার ৮৪৯ কোটি ১৬ লাখ ৫০ হাজার ৫৭৭ টাকা। বিপরীতে বকেয়া থাকা বিমা দাবির পরিমাণ ৭৮৮ কোটি ৬১ লাখ ৩৩ হাজার ৩৫৮ টাকা।

তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, সব থেকে বেশি বিমা দাবি বকেয়া রয়েছে বায়রা লাইফ, গোল্ডেন লাইফ এবং পদ্মা ইসলামী লাইফের। এর মধ্যে বায়রা লাইফে উত্থাপন হওয়া ১১ হাজার ৪২১টি বিমা দাবির বিপরীতে কোম্পানিটি মাত্র ১২৭টি দাবির টাকা পরিশোধ করেছে। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানটিতে ১১ হাজার ২৯৪টি বা ৯৯ শতাংশ বিমা দাবি বকেয়া রয়েছে।

গোল্ডেন লাইফে উত্থাপিত হওয়া ২১ হাজার ৯৫টি বিমা দাবির বিপরীতে প্রতিষ্ঠানটি ১ হাজার ৩০০টি দাবি পরিশোধ করেছে। বিপরীতে বকেয়া রয়েছে ১৯ হাজার ৭৯৫টি বিমা দাবি। অর্থাৎ বকেয়া বিমা দাবির হার ৯৪ শতাংশ। পদ্মা ইসলামী লাইফে উত্থাপিত হওয়া ৩৮ হাজার ৭৯৪টির মধ্যে ২ হাজার ৬৭টি বিমা দাবি পরিশোধ করা হয়েছে। বিপরীতে বিমা দাবি বকেয়া রয়েছে ৩৬ হাজার ৭২৭টি।

অন্যদিকে বিমা দাবি পরিশোধের হার সব থেকে বেশি এলআইসি বাংলাদেশ, আস্থা লাইফ এবং আলফা লাইফের। এলআইসি বাংলাদেশে উত্থাপিত হওয়া ১২টি বিমা দাবির সবগুলো পরিশোধ করেছে কোম্পানিটি। আস্থা লাইফে উত্থাপিত হওয়া ৩৪৪টি বিমা দাবির মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি ২৪৩টি পরিশোধ করেছে। আলফা লাইফে উত্থাপন হওয়া ১৯৬টি দাবির মধ্যে ১৯৪টিই পরিশোধ করেছে কোম্পানিটি।

নতুন ব্যবসা শুরু করা জীবন বিমা কোম্পানিগুলোর মধ্যে সব থেকে বেশি বিমা দাবি পরিশোধ করেছে গার্ডিয়ান লাইফ। এই প্রতিষ্ঠানটিতে উত্থাপিত হওয়া ১৬ হাজার ৪৪০টি দাবির মধ্যে ১৪ হাজার ৭৬২টিই পরিশোধ করা হয়েছে।

বাকিগুলোর মধ্যে বেস্ট লাইফ ২৪৫টির মধ্যে ১৪১টি, চাটার্ড লাইফ ২২১টির মধ্যে ১৮৭টি, ডায়মন্ড লাইফ ২৫১টির মধ্যে ১৬৩টি, যমুনা লাইফ ৯৪টির মধ্যে ৭৬টি, মার্কেন্টাইল লাইফ ১২৪টির মধ্যে ১০৯টি, এনআরবি গ্লোবাল লাইফ ১০৭টির মধ্যে ২৬টি, প্রটেক্টিভ লাইফ ২৫৮টির মধ্যে ১৩৬টি, সোনালী লাইফ ১ হাজার ৩৬৭টির মধ্যে ১ হাজার ৩৫২টি, ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ২৭০টির মধ্যে ২০৯টি এবং জেনিথ ইসলামী লাইফ ১৬৫টির মধ্যে ১৩৭টি বিমা দাবি পরিশোধ করেছে।

অন্যদিকে পুরোনো কোম্পানিগুলোর মধ্যে সব থেকে বেশি দাবি পরিশোধ করেছে পপুলার লাইফ। কোম্পানিটিতে উত্থাপিত হওয়া ৬৫ হাজার ১৬১টি বিমা দাবির মধ্যে ৬৫ হাজার ১০৯টি দাবি পরিশোধ করা হয়েছে। বিপরীতে বকেয়া রয়েছে ৫২টি।

এ তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ন্যাশনাল লাইফ। কোম্পানিটি ৭২ হাজার ৬৫৭টি বিমা দাবির মধ্যে ৫৫ হাজার ৫৩১টি দাবি পরিশোধ করেছে। বিপরীতে বকেয়া রয়েছে ১৭ হাজার ১২৬টি। ৪৪ হাজার ৬৩২টি বিমা দাবি পরিশোধ করে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ। কোম্পানিটিতে উত্থাপিত হওয়া ৬৩ হাজার ৭৭৮টি বিমা দাবির মধ্যে ১২ হাজার ৮০৫টি দাবি বকেয়া রয়েছে।

বড় অঙ্কের বিমা দাবি পরিশোধ করা বাকি কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৪২ হাজার ৯টি বিমা দাবি পরিশোধ করে চতুর্থ স্থানে রয়েছে ডেল্টা লাইফ। কোম্পানিটিতে উত্থাপিত হওয়া ৬০ হাজার ৬৪৩টি বিমা দাবির মধ্যে ১৮ হাজার ৬৩৪টি দাবি বকেয়া রয়েছে। ৩৫ হাজার ৫৬০টি বিমা দাবি পরিশোধ করে পঞ্চম স্থানে রয়েছে বিদেশি মালিকাধীন প্রতিষ্ঠান মেটলাইফ। এই কোম্পানিটিতে বিমা দাবি উত্থাপিত হয় ৪৪ হাজার ৮২টি। ফলে মেটলাইফে বকেয়া বিমা দাবির সংখ্যা ৮ হাজার ৫২২টি।

বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে হোমল্যান্ড লাইফ ১৩ হাজার ৭৬৪টির মধ্যে ১১ হাজার ১৩২টি, জীবন বিমা কর্পোরেশন ২৪ হাজার ৯৪০টির মধ্যে ১৬ হাজার ৯৬টি, মেঘনা লাইফ ৩৯ হাজার ৭৪টির মধ্যে ২৪ হাজার ৫৮০টি, প্রগতি লাইফ ১৬ হাজার ৫৭৩টির মধ্যে ১৬ হাজার ১৯৫টি, প্রাইম ইসলামী লাইফ ৩১ হাজার ৯৪৪টির মধ্যে ১৪ হাজার ৮৮৯টি, প্রোগ্রেসিভ লাইফ ১২ হাজার ৩১৯টির মধ্যে ৪ হাজার ৩৭০টি, রূপালী লাইফ ১৪ হাজার ৮২৯টির মধ্যে ১৩ হাজার ৭৪৩টি, সন্ধানী লাইফ ১২ হাজার ১১৫টির মধ্যে ১১ হাজার ৩০৮টি, সানলাইফ ৯১ হাজার ৯২৬টির মধ্যে ১৫ হাজার ১৯৩টি এবং সানফ্লাওয়ার লাইফ ১৮ হাজার ৬০৯টির মধ্যে ২ হাজার ৮৩৪টি বিমা দাবি পরিশোধ করেছে।

কার কতো বিমা দাবি বকেয়া

নতুন ব্যবসা শুরু করা বিমা কোম্পানিগুলোর মধ্যে গার্ডিয়ান লাইফে ১ হাজার ৬৭৮টি, বেস্ট লাইফে ১১১টি, চাটার্ড লাইফে ১৫টি, ডাইমোন্ড লাইফে ৮৮টি, যমুনা লাইফে ৫১টি, মার্কেন্টাইল লাইফে ১৫টি, এনআরবি গ্লোবাল লাইফে ৮১টি, প্রটেক্টিভ লাইফে ১৫৬টি, সোনালী লাইফে ১৫টি, ট্রাস্ট ইসলামী লাইফে ৬১টি এবং জেনিথ ইসলামী লাইফে ২৮টি বিমা দাবি বকেয়া রয়েছে।

অন্যদিকে পুরোনো কোম্পানিগুলোর মধ্যে হোমল্যান্ড লাইফে ২ হাজার ৬৩২টি, জীবন বিমা কর্পোরেশনে ৮ হাজার ৮৪৪টি, মেঘনা লাইফে ১৪ হাজার ৪৯৪টি, প্রগতি লাইফে ৩৭৮টি, প্রাইম ইসলামী লাইফে ১৭ হাজার ৫৫টি, প্রোগ্রেসিভ লাইফে ৭ হাজার ৯৪৯টি, রূপালী লাইফে ১ হাজার ৮৬টি, সন্ধানী লাইফে ৪১৪টি, সানলাইফে ৭৬ হাজার ৭৩৩টি এবং সানফ্লাওয়ার লাইফে ১৫ হাজার ৭৭৫টি বিমা দাবি বকেয়া রয়েছে।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে প্রগতি লাইফের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. জালালুল আজিম বলেন, জীবন বিমা কোম্পানিগুলোর বিমা দাবির পরিশোধের হার কমপক্ষে ৮০ শতাংশ হওয়া উচিত। সেখানে প্রায় অর্ধেক বিমা দাবি বকেয়া থাকা কিছুতেই সন্তোষজনক নয়।

তিনি বলেন, কয়েকটি কোম্পানিতে লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে এবং কিছু কোম্পানি গ্রাহকের দাবির টাকা পরিশোধ করছে না, এসব বিষয় নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। মূলত এ ধরনের কিছু কোম্পানির কারণে সার্বিক বিমা খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। সব কোম্পানি সঠিকভাবে বিমা দাবি পরিশোধ করলে বিমার প্রতি মানুষের আস্থা বাড়তো।

জেনিথ ইসলামী লাইফের সিইও এবং বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম নূরুজ্জামান বলেন, আমরা সব সময় গ্রাহকদের দ্রুত বিমা দাবি পরিশোধের চেষ্টা করি। কাগজপত্র ঠিক থাকলে কোনো গ্রাহকের বিমা দাবি বকেয়া থাকবে না।

এ বিষয়ে আইডিআরএ’র মুখপাত্র এস এম শাকিল আখতার বলেন, জীবন বিমা কোম্পানিগুলো যাতে সঠিকভাবে গ্রাহকদের দাবি পরিশোধ করে সে জন্য আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছি। এরপরও কিছু কোম্পানি গ্রাহকদের দাবি সঠিকভাবে পরিশোধ করছে না। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনেকরি এসব কোম্পানি বন্ধ করে দেওয়া উচিত। অথবা যারা কোম্পানি পরিচালনায় আছেন তাদের সরিয়ে নিয়ে ভালো লোকের হাতে কোম্পানি তুলে দিতে হবে।

তিনি বলেন, সরকার যেহেতু এই কোম্পানিগুলোকে লাইসেন্স দিয়েছে, তাই এক্ষেত্রে সরকারেরও দায় আছে। সরকারের উচিত এসব কোম্পানির যে সম্পদ আছে তা বিক্রি করে গ্রাহকদের দাবি পরিশোধের ব্যবস্থা করা।

Daily World News

কষে থাপ্পড় জায়েদ খানকে, পিস্তল বের করে ওমরসানীকে বলে, গুলি করে দেব কিন্তু

রূপসায় কেয়ার বাংলাদেশ এর উদ্যোগে স্কুল পর্যায়ে ভ্যাকসিন রেজিষ্ট্রেশন বুথ শুভ উদ্বোধন

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন রেজিষ্ট্রেশন বুথ করেছে ভ্যাকসিন ইনিশিয়েটিভ প্রজেক্ট, কেয়ার বাংলাদেশ। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, রূপসার সহযোগিতায় গত ১১ জুন সকালে শিয়ালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে শুরু হয় ফ্রি টিকাদান রেজিষ্ট্রেশন।

টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবাইয়া তাছনিম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মেডিকেল অফিসার ডা: মেহনাজ শবনম, ঘাটভোগ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোল্যা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান,

কেয়ার প্রজেক্ট অফিসার কোভিড ভ্যাকসিন মোছাঃ ডালিয়া সুলতানা, বৃষ্টি লুচিয়া বাড়ই ও ইউনিয়ন ফ্যাসিলিটেটর ভলান্টিয়ার বৃন্দ।

ডুমুরিয়ায় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠান

//ডুমুরিয়া সংবাদদাতা  খুলনা//

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি বঙ্গবন্ধুর কন‍্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে ১১ জুন শনিবার  বিকেলে যুবলীগ কেন্দ্রিয় কর্মসূচি  অংশ হিসাবে ডুমুরিয়া উপজেলা যুবলীগের উদ‍্যেগে আলোচনা  সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয।

উপজেলা  যুবলীগের আহবায়ক প্রভাষক গোবিন্দ ঘোষের  সভাপতিত্বে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠানে  উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের  সহ সভাপতি এ‍্যাড.রবীন্দ্রনাথ মন্ডল, মোস্তফা  কামাল খোকন,  সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার আবু সালেহ,  উপজেলা আওয়ামী লীগের এম এম সুলতান আহম্মেদ, জিএম ফারুক হোসেন, মোল্লা জাহিদুল ইসলাম, মোল্লা সোহেল রানা, এ‍্যাড.আশরাফুল আলম রাজু, শেখ ইকবাল হোসেন,রাজিউল বারি সৈকত, দেলোয়ার হোসেন,  ছাত্রলীগের খান আবুল বাশার, শেখ মাসুদ রানা, সুমন মল্লিক, উত্তম বিশ্বাস প্রমুখ।

খুলনার রূপসায় স্কাউটস সভাপতিদের এক মত বিনিময় সভা

//খুলনা প্রতিনিধি//

বাংলাদেশ স্কাউটস রূপসা উপজেলা শাখার গ্রুপ কমিটির সভাপতিদের এক মতবিনিময় সভা শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় শিয়ালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্টিত হয়।

উপজেলা স্কাউটসের সাধারণ সম্পাদক শিয়ালী মাধ‍্যমিক বিদ‍্যাল য়ের প্রধান শিক্ষক মো. আহসানউল্লাহ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সভাপতি বাংলাদেশ স্কাউটস উপজেলা শাখার সভাপতি রুবাইয়া তাসনিম । বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আইরিন পারভিন, উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা মধুসুদন রায়,ইউপি চেয়ারম্যান ও শিয়ালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, স্কাউট খুলনার উপ-পরিচালক লতিফ উদ্দিন আহম্মদ। উপজেলা স্কাউটসের কমিশনার শ্যামল দাসের পরিচালনায় বক্তৃতা করেন জেলা স্কাউটস লিডার ইকবাল আমিন, অধ্যক্ষ(ভারপ্রাপ্ত) খান মারুফুল হক, প্রধান শিক্ষক মো: মনিরুজ্জামান, যশোমন্ত ধর, মো: জাহাঙ্গির হোসেন,কৃষ্ণপদ রায়, আজিজা সুলতানা, আবদুল্লাহ আল বেকী, মাদ্রাসা সুপার মো: মিজানুর রহমান, নকিব উদ্দীন আজাদ, সহ সকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান ও সহঃ শিক্ষক মন্ডলি এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহঃ শিক্ষকবৃন্দ।

সভায় উপজেলা স্কাউটসের বার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের পরামর্শ করা হয়।

সকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্কাউট দল ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাব দল গঠন করে রেজিষ্ট্রেশন করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

 

বাগেরহাটের কচুয়ায় অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত        

কচুয়া (বাগেরহাট) প্রতিনিধি॥

কচুয়ায় দরিদ্র মহিলাদের জন্য সমন্বিত পল্লী কর্মসংস্থান সহায়তা প্রকল্প (ইরেসপো)-২য় পর্যায়ের অবহিতকরন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলার বিআরডিবি হলরুমে বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জীনাত মহলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব(এনডিসি) মোঃ মশিউর রহমান। এসময় প্রকল্পের কী নোট উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক মোঃ রাশেদুল আলম।

এছাড়া ছিলেন,  বিআরডিবিরি (ভারপ্রাপ্ত) মহাপরিচালক এস, এম মাসুদুর রহমান,উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমা সরোয়ার, বিআরডিবির উপ-পরিচালক মোঃ নাসির উদ্দিন,উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান, ফিরোজ আহম্মেদ শিকদার ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তাসলিমা বেগম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহেরা নাজনীন,  থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম, উপজেলা প্রানী সম্পদ অফিসার ডাঃ দেবেন্দ্র নাথ সরকার, উপজেলা  সিনিয়র মৎস্য অফিসার প্রনব কুমার বিশ্বাস, উপজেলা কৃষি অফিসার মামুনুর রশিদ,উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসার নাজমুন নাহার, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোজাম্মেল হক , সমবায় অফিসার শেখ হুমায়ুন কবির,উপজেলা তথ্য কর্মকর্তা বিজয়া লোপা, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার মোঃ আমজাদ হোসেন ও সহকারী পল্লী উন্নয়ন অফিসার জনাব শেখ বজলুর রহমান, সহকারী পল্লী উন্নয়ন অফিসার(ইরেসপো) প্রবীর কুমার মন্ডল, হিসাব সহকারী শিলু মন্ডল, মাঠ সংগঠক হিরামন মিস্ত্রী ও মানিক মিয়া। ইউপি চেয়ারম্যান, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী মহিলা শিক্ষক প্রমূখ।