মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে ঠিকাদারের গাফিলতিতে ছাদ থেকে পানি পড়ছে

//দিব্যেন্দু সিকদার খোকন, কচুয়া প্রতিনিধি//

বাগেরহাট জেলার কচুয়া উপজেলাধীন ছোট আন্ধমানিক গ্রামে ২০০০ সালে কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠিত৤  উক্ত ক্লিনিক টি ২০২৩ অর্থবছরে নতুন করে বিল্ডিংটি আবারও হয়। কিন্তু ঠিকাদারদের গাফিলতির কারণে উক্ত বিল্ডিংটির ছাদ থেকে পানি পড়ছে।

এই ক্লিনিক টি থেকে এলাকার অসহায় রোগীরা সেবা নিয়ে থাকে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ যদি অনতি বিলম্বে বিল্ডিংটি সংস্কার না করে তাহলে খুব তারাতারি এই নতুন বিল্ডিংটি আবারও ধ্বসে পড়বে। স্থানীয় জনগণেন দাবী বিল্ডিং সংস্কার করে দিলে তারা নিরাপদে সেখান থেকে সেবা নিতে পারবে।

খুলনার রূপসায় ৫জন শিক্ষার্থী গরম সইতে না পেরে পরীক্ষার মধ্যে অচেতন; হাসপাতালে ভর্তি

//এম মুরশীদ আলী//

খুলনার রূপসায় বালিকা বিদ্যালয়ে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে অতিরিক্ত গরম ও বিদ্যুৎ না থাকার কারণে ৫জন পরীক্ষার্থী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

জানা যায়, রূপসা উপজেলা সদরস্থ কাজদিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে আজ ১৩ জুন পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে বিদ্যুৎ না থাকায় অতিরিক্ত গরম সইতে না পেরে ৫জন পরীক্ষার্থী জ্ঞান হারায়। ছাত্রীরা হলো— ১০ম শ্রেণীর মুনিয়া ইংরেজী ২য় পত্র বিষয়ে পরীক্ষা দিচ্ছিল। তাছাড়া— ৬ষ্ঠ শ্রেণীর মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশগ্রহনকারী ছাত্রীদের মধ্যে তনুসকা শীল, বৈশাখী, রেক্সনা, সানজিদা প্রমূখ।

এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা চাঁদ সুলতানা বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় ও তীব্র গরমে পরীক্ষার হলে হঠাৎ এক এক করে পরীক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে ঘুরে পড়েতে শুরু করে। এমতাবস্থায় তাৎক্ষনিক অসুস্থ শিক্ষার্থীদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তখন জরুরী বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক অক্সিজেন এবং স্যালাইন পুশের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের ভর্তি করে নেয়। পরে অসুস্থ শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের বিষয়টি জানানো হয়।

আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: পিকিং সিকদার বলেন, অতিরিক্ত গরমের পাশাপাশি পরীক্ষার চাপ থাকায় মানসিক ও শারীরিক ভাবে তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে।

রূপসা পল্লী বিদ্যুৎ ব্রাঞ্চের প্রধান মো. এ হালিম খান বলেন, ঘটনার সময়ে ওই এলাকায় ধারাবাহিকভাবে বিদ্যুৎ চলমান ছিল। ঘটনার পর জানতে পারলাম ওই এলাকার সংযোগ ফিউজটি কেটে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

খুলনায় বইছে তাপদাহ, জনজীবন অতিষ্ট

//খুলনা ব্যুরো//

গত কয়েক দিনে খুলনা শহর ও জেলার উপজেলা গুলোর ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তাপদাহ। তাপমাত্রা ওঠানামা করছে ৩৬ ডিগ্রি থেকে ৩৭ ডিগ্রি পর্যন্ত।

সকাল থেকেই তাপ ছাড়াচ্ছে সূর্য এবং বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে রোদের তীব্রতা, বাড়ে তাপমাত্রাও। রোদের তেজ এতটাই যে, ঘরের বাইরে পা ফেলা দায়। নাভিশ্বাস উঠেছে জনজীবনে।

তাপদাহের সঙ্গে অনুভূত হচ্ছে ভ্যাপসা গরম। পথে বের হলেই শরীর পুড়িয়ে দিচ্ছে রোদের তেজ। এতে জনজীবনে হাঁসফাঁস অবস্থা।

খুলনার আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বেলা ১২টার দিকে এ অঞ্চলের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এমন তাপপ্রবাহ চলবে অন্তত এক সপ্তাহ। সাতদিন পরে তাপপ্রবাহ কমলেও বৃষ্টির দেখা পেতে অপেক্ষা করতে হবে আরও কয়েকদিন।

চলমান তাপদাহে বেশি দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষকে। জীবিকার তাগিদে প্রচণ্ড রৌদ্রের খরতাপ উপেক্ষা করেই কাজে নেমে পড়ছেন এসব নিম্ন আয়ের মানুষ।

এদিকে খুলনার ২৫০ শয্যা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জেনারেল হাসপাতাল,রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গিয়ে দেখা গেছে, ডায়রিয়াজনিত কারণে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন শতাধিক মানুষ।

দিনমুজুর ইব্রাহিম বলেন, প্রতিদিন জন দিয়ে আমাদের সংসার চলে। গরমে গায়ের চাপড়া পুড়ে যায়। তারপরেও কাজ না করলে সংসার চলে না।

ভ‍্যান চালক ইয়ামিন বলেন, গরমে রাস্তায় লোক তেমন বের হয় না। আগের মত আয় হয় না। সংসার চালাতে কষ্ট হচ্ছে। দুপুর হলে রাস্তা ফাকা থাকে।

রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: শেখ শফিকুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে যে তাপমাত্রা বিরাজমান, তাতে হিটস্ট্রোক হতে পারে। সেই জন্য প্রতিটি মানুষকে ঠাণ্ডা ও ছায়াযুক্ত জায়গায় থাকতে হবে। পাশাপাশি শিশুদের পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন এবং ঠাণ্ডা ঘরে রাখতে হবে।

তীব্র গরমের তাপদাহ সহে না আর, আকাশের দিকে তাকায়, একটু বৃষ্টিতে পাই যদি স্বস্তি…!!!

//এম মুরশীদ আলী//

জ্যৈষ্ঠ মাসে তাপদাহ গরমে, দেশের মানুষসহ গবাদি পশু বিভিন্ন রোগে আক্রান্তে জীবন-যাত্রা থমকে পড়ছে। তাপদাহর মধ্যে সবচেয়ে কঠিন সময় পার করছে শ্রমিক ও দিনমজুর খেটে খাওয়া মানুষ।

গরমের কারণে- ঘরে-বাইরে কোথাও স্বস্তি মিলছে না। আবার মাঝে মধ্যেই বন্ধ হচ্ছে বিদ্যুৎ। এতে অতিষ্ঠ ক্ষোভ প্রকাশ সকলের। এই গরমের রোদে রাস্তায় বের হলে গায়ে লাগছে আগুনের তাপদাহ। ফলে অস্থির হচ্ছে মানুষ, তারপরও কষ্টকে সহ্য করে প্রয়োজনীয় কেনাকাটাসহ বিভিন্ন কাজে বাইরে বের হতে হচ্ছে। কেউ-কেউ তীব্র গরম তাপদাহ শরীরে সইতে না পেরে ক্লান্ত দৃষ্টিতে আকাশের দিকে তাকিয়ে ভাবে একটু বৃষ্টিতে পাই যদি স্বস্তি? তাতেও মেঘের দেখা মিলছে না। একটু প্রশান্তি পেতে ঘর ছেড়ে অনেকেই গাছের নিচে। অন্য দিকে রিকশা-ভ্যানচালকরা রাস্তার পাশে গাছতলায় একটু জিরিয়ে নিচ্ছ। চলছে তীব্র ভ্যাপসা গরম, তার ওপর নিয়ম করে চলছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। বিদ্যুৎ গেলে ১ ঘন্টার মধ্যে না আসার ফলে ধৈর্য্্য হয় অসহ্য। বিদ্যুৎ এসে কিছুক্ষণ স্বস্তি দিয়ে, আবার চলে যায় অস্বস্তিতে ফেলে। বিদ্যুৎ থাকলে রাত যায় নীমিশেষে, আর লোডশেডিংয়ের ফলে নির্ঘুম রাত যায় দীর্ঘ সময়ে। শরীর অসুস্থ লাগলেও একটু বাতাসের দেখা নেই। গরমে বিদ্যুৎ না থাকলে যে দুর্ভোগ হয় তীব্রতর, সে দৃষ্টান্ত এ বছর।

(কোভিড-১৯) করোনাকালীন সময়ে মহামারি ও মরণব্যাধী ভাইরাসে আক্রান্ত বিশ্বের মানুষ। তখন বিপর্যয়ে মুখে থমকে পড়ে বাংলাদেশ। এদেশের কৃষকরা তখনও থেমে ছিল না। দেশে খাদ্য ঘাটতি ও অর্থ সংকটের মুখে পড়তে দেয়নি তারাই। দেশের অভাব পূরণে ঘুরে দাঁড়ায় কৃষি ফসলদ্বারা। তাদেরই প্রচেষ্টায় দেশ এখন অর্থে স্বাবলম্বীর পথে এগোচ্ছে। এমন সময় এ বছর দেখাদিল প্রচন্ড গরম তাপদাহ। বিগত ২০ বছরে এমন তাপদাহ দেখা মেলেনি বলছেন অনেকে। কৃষকের মর্ম বুঝেছে আওয়ামীলীগ, তারাই কাটে মাঠ-ঘাটের ধান।

একাধিক কৃষক জানান, এ সময় ঘের মেরামত শেষে মাছের পোনা ছাড়ার সময়। সামন্য পানি থাকলেও তাও অত্যাধিক রোদে পানির নিচে মাটি ফেড়ে যাচ্ছে। এতে মাছের পোনা ছাড়লে না বাঁচার সম্ভাবনা বেশী।
তা ছাড়া এখন বিভিন্ন বীজ রোপণের সময়। এমনকি আগাম ফসলও ফলাই থাকি আমরা। এ সময় প্রখড় তাপদাহ ফলে, খেত-খামারে কাজ করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ছি। সবচেয়ে বড় বিপাকে চাষিরা। তাদের মিলছে না শীতল বাতাসের দেখা। এ কারণে দিনমজুরেরা ফসলের খেতে কাজ করতে চায় না। অন্যান্য বছরে সারাদিন কাজ করেও ক্লান্ত হয়নি, অথচ এ বছর ২/৩ ঘন্টা কাজের মধ্যেই হাঁপিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ছি, তা বুঝাবো কিভাবে। তারপরও কিছু কৃষককে রুখতে পারছে না প্রচন্ড গরম তাপদাহে। কারণ তাদের পরিবার ও ছেলে-মেয়ের শিক্ষার খরচসহ জোগাতে হয় বৃদ্ধ পিতা-মাতারও ঔষধের খরচ।

এ ব্যাপারে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার বলেন, প্রচন্ড গরম, তাপদাহর ফলে মানুষ অতিরিক্ত ঘেমে শরীরে পানি শুন্যতা হয়ে পড়ছে। যার ফলে এ সময় দেখা যাচ্ছে ফুটপয়জিনং/ডায়রিয়া, হিটষ্টোকজনিত রোগে আক্রান্ত রোগী। তাই গরমে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। বাচ্চাদের দিকে বিশেষ নজর রাখার মাধ্যমে ছায়াযুক্ত স্থানে রাখতে হবে। তারা রোদে যেন বেশী ঘেমে না যায়। যারা ক্ষনিকের স্বস্তি পেতে বাহির থেকে শরবত খাচ্ছে। তারাই ফুটপয়জিনং/ডায়রিয়া রোগে আক্রন্ত হতে পারে। হাসপাতালে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী প্রতিদিনই ভর্তি হচ্ছে। এ ধরণের রোগী আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা যাচ্ছে। তাই- ডা: পিকিং সিকদার প্রত্যেককে সচেতন হওয়ার পরামর্শ প্রদান করেন।

উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার মজুমদার বলেন, এই গরম-তাপদাহ কারণে খামারীদের দুধ উৎপাদন কমে যাচ্ছে। খাবার খাওয়া অরুচি এবং পাতলা-পায়খানা দেখা যাচ্ছে। খামারিরা ভীত না হয়ে বরং গরু একাধিকবার গোসল, তাছাড়া গোয়াল ঘরের চাল/ছাউনির উপরে চটদিয়ে তার উপর পানি ছিটিয়ে ঠান্ডা সৃষ্টির পরামর্শ প্রদান করেন। অন্যদিকে হাঁস-মুরগীরও ছায়াযুক্ত ঠান্ডা ঠান্ডা স্থানে ঘর বানিয়ে রাখার পরামর্শ প্রদান করেন।

উপজেলা মৎস্য সিনিয়র কর্মকর্তা বাপ্পী কুমার দাস বলেন, প্রচন্ড গরমে পানির নিচে তাপদাহ সৃষ্টির ফলে ঘেরের পানি কম থাকায় অক্সিজেন ঘাটতিতে মাছ মারা যেতে পারে। এমনকি মাছের ক্ষতি হয় এমন রোগ দেখা দিতে পারে। এ জন্য ঘের চাষিরা- ঘের ক্যানেলের পানিতে ছায়া সৃষ্টির জন্য চাল/ছাউনি তৈরীর ফলে পানির নিচে তাপদাহর হাত থেকে মাছ রক্ষা করা সম্ভব হবে।

ডুমুরিয়ার ভান্ডারপাড়া আবাসনে দলিত-এর বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও শিক্ষা উপকরণ বিতরন

 //  বিশেষ প্রতিনিধি, খুলনা //

ডুমুরিয়ার ভান্ডারপাড়া আবাসনে দলিত-এর উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও শিক্ষা উপকরণ বিতরন করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে গতকাল  ভান্ডারপাড়া আশ্রয়নে এক  অনুষ্ঠান দলিত এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার মিসেস ধরা দেবী দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে  অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  উপজেলা ( প্রাথমিক )সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়ন্তা ঢালী। আরো উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য মাহাবুর রহমান, ভান্ডারপাড়া আশ্রয়নের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর জব্বার, সহকারী শিক্ষক সুনীল মন্ডল, দলিত এর স্পন্সরশীপ অফিসার বিপ্লব মন্ডল, প্রোগ্রাম অর্গানাইজার বিপ্লব দাস (নীরব), সহকারী মেডিকেল অফিসার ডাক্তার তনিমা দাস, কমিউনিট মোবিলাইজার বিপ্লব দাস প্রমূখ ।

ভান্ডারপাড়া আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের জন্য বিনামুল্যে চিকিৎসা ও শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে শিশু থেকে ১০ম শ্রেনী পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদের মাঝে শিক্ষা উপকরন (খাতা, কলম, স্কেল, পেন্সিল) ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য সাবান প্রদান করা হয়।

সজনে পাতাকে অলৌকিক পাতা কেন বলে এর উপকারিতা ও খাওয়ার নিয়ম

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

‘আসলে সজনে পাতাকে এখন বলা হচ্ছে অলৌকিক পাতা। বিজ্ঞানীরা সজনে পাতাকে বলছেন অলৌকিক পাতা। কেন? এত কিছু থাকতে সজনে পাতাকে অলৌকিক পাতা বলা হচ্ছে কেন? সজনে পাতার যে ফুড ভ্যালু (খাদ্যমান), এর নিউট্রিশন (পুষ্টি), এর কনটেন্ট যেকোনো মানুষকে বিস্মিত করবে। সে কারণেই বিজ্ঞানীরা এখন বলছেন যে, এ সময়ের একটি অলৌকিক পাতা হচ্ছে সজনে পাতা।’

পরিণত বয়সী বাংলাদেশিদের মধ্যে সজনের ডাটা বা সজনে শাক খাননি, এমন মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি হবে না। মৌসুমে পাতে নিয়মিতই সজনে রাখেন অনেকে, কিন্তু তাদের সবাই কি জানেন সজনে কতটা উপকারী? কীভাবে খেতে হয় সেটিও হয়তো জানা নেই অনেকের।

সজনে পাতা খাওয়ার নানাবিধ উপকারিতা এবং সেটি কীভাবে খেতে হয়, তা জানিয়েছেন কোয়ান্টাম হার্ট ক্লাবের কোঅর্ডিনেটর ডা. মনিরুজ্জামান, যেটি তার ভাষায় পাঠকদের সামনে তুলে ধরা হলো।

অলৌকিক পাতা’

আজকে আমরা এ সময়ের একটি সুপারফুড নিয়ে আলোচনা করব, যেটি বলা যেতে পারে এ সময়ের আলোড়ন সৃষ্টিকারী একটি গবেষণা। সেটি হচ্ছে সজনে পাতা; সুপারফুড সজনে পাতা।

সজনে পাতার নাম তো আমরা ছোটকাল থেকেই শুনেছি। সজনে খেতে খেতে বড় হয়েছি। সজনে পাতার ভর্তা খেয়েছি, শাক খেয়েছি। এ আবার এমন কিছু কী? এর মধ্যে নতুনত্ব কী আছে, যেটা নিয়ে আলোচনা হতে পারে?

আসলে সজনে পাতাকে এখন বলা হচ্ছে অলৌকিক পাতা। বিজ্ঞানীরা সজনে পাতাকে বলছেন অলৌকিক পাতা। কেন? এত কিছু থাকতে সজনে পাতাকে অলৌকিক পাতা বলা হচ্ছে কেন? সজনে পাতার যে ফুড ভ্যালু (খাদ্যমান), এর নিউট্রিশন (পুষ্টি), এর কনটেন্ট যেকোনো মানুষকে বিস্মিত করবে। সে কারণেই বিজ্ঞানীরা এখন বলছেন যে, এ সময়ের একটি অলৌকিক পাতা হচ্ছে সজনে পাতা।

কী আছে সজনে পাতায়

সজনে পাতায় আমিষ আছে ২৭ শতাংশ। অর্থাৎ এক কেজি সজনে পাতা যদি আপনি খান, তাহলে এর ২৭ শতাংশ, মানে কত? ২৭০ গ্রাম হচ্ছে আমিষ। ৩৮ শতাংশ হচ্ছে শর্করা (কার্বোহাইড্রেট)। ২ শতাংশ হচ্ছে ফ্যাট। ১৯ শতাংশ হচ্ছে ফাইবার বা আঁশ।

আমরা জানি যে, এখন ফাইবার বা আঁশকে খাদ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কম্পোনেন্ট হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। আঁশ কোনো ঐচ্ছিক খাবার নয় যে, ইচ্ছা হলে খেলাম; ইচ্ছা না হলে খেলাম না।

ইট ইজ অ্যা ম্যান্ডাটোরি কম্পোনেন্ট (এটা আবশ্যিক উপাদান)। প্রত্যেক দিন আপনার খাদ্যতালিকায় যেন পর্যাপ্ত আঁশ থাকে এবং সেই সজনে পাতায় আঁশ আছে ১৯ শতাংশ।

অ্যামাইনো অ্যাসিডের উৎস

সজনে পাতায় অ্যাসেনশিয়াল অ্যামাইনো অ্যাসিড আছে আটটি। ভিটামিন ‘এ’ এবং ভিটামিন ‘সি’ আছে। রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম। ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, জিংক, আয়রন এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এতগুলো নিউট্রিয়েন্ট থাকার কারণে বিজ্ঞানীরা বলছেন যে, সজনে পাতা একটি অলৌকিক পাতা।

দুধের প্রায় সমান পুষ্টি

এটি (সজনে পাতা) যদি তুলনা করেন কোনো খাবারের সাথে, তাহলে আমরা সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি খাবারের সাথে তুলনা করতে পারি। সেটি হচ্ছে গরুর দুধ। বিজ্ঞানীরা বলছেন, গরুর দুধের পুষ্টি এবং সজনে পাতার পুষ্টি অলমোস্ট কাছাকাছি।

আমরা উপমহাদেশে বা বাংলাদেশে গরুর দুধ কেন খাই, কিসের জন্য খাই? মূলত কী লক্ষ্যে খাই? গরুর দুধ আমরা খাই মূলত ক্যালসিয়ামের জন্য, প্রোটিনের জন্য, আমিষের জন্য। গরুর দুধ খেয়ে আমরা বলি, এটা একটা সুষম খাবার।

গরুর দুধ এবং সজনে পাতার মধ্যে পুষ্টিগত কোনো পার্থক্য নাই। গরুর দুধে যা আছে, সজনে পাতাতেও তা আছে। যে লক্ষ্যে আমরা মূলত গরুর দুধ খাই, সে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম আছে সজনে পাতায়। পর্যাপ্ত আমিষও আছে।

ঔষধি গুণ

সজনে পাতার কিছু ঔষধি গুণ আছে এবং ঔষধি গুণের কারণে আর্থ্রাইটিস নিরাময়ে এটি দারুণ কার্যকর। ইতোমধ্যেই আমরা এক্সপেরিমেন্ট করেছি। যাদের হাঁটু ব্যথা আছে, সজনে পাতার জুস খান। সজনে পাতার ভর্তা খান অথবা গুঁড়া খান। ছয় মাস খান। দেখেন আপনার আর্থ্রাইটিসের কী অবস্থা হয়।

শরীরকে ডিটক্সিফাই করতে সাহায্য করে সজনে পাতা। আমরা জানি যে, আমাদের শরীরে ৭০ থেকে ১০০ ট্রিলিয়ন সেল বা কোষ আছে। প্রত্যেকটা কোষের ভেতরে লক্ষাধিক রিঅ্যাকশন হয় প্রত্যেক দিন; প্রতি মুহূর্তে এবং এই লক্ষাধিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া, বিক্রিয়া হতে গিয়ে ভয়াবহ কিছু টক্সিন, কিছু বিষাণু, কিছু ক্ষতিকর পদার্থ সেলের ভেতরে তৈরি হয়। এগুলোকে আমরা বলি বর্জ্য পদার্থ, টক্সিন, ফ্রি রেডিক্যাল। এগুলো যদি সেলের ভেতরে থেকে যায়, আপনি কোনো দিন সুস্থ থাকতে পারবেন না। কেউ আপনাকে সুস্থ করতে পারবেন না।

এই বর্জ্য পদার্থকে বের করার জন্য আপনি সজনে পাতা খেতে পারেন। এটা দারুণ একটা ডিটক্স হিসেবে কাজ করতে পারে। আপনার শরীরকে ডিটক্সিফাই করবে এবং আপনারা এখন জানেন, আমরা সবাই জানি, বিশ্বব্যাপী এই ডিটক্স প্রোগ্রামগুলো দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

সাত দিন, ১৫ দিন আপনি একটা বিশেষ প্রোগ্রাম ফলো করবেন, বিশেষ খাবার খাবেন, আপনার শরীরে জমানো বর্জ্য পদার্থগুলো বেরিয়ে যাবে। তো সজনে পাতা সেই কাজটা করতে আপনাকে সাহায্য করবে। আপনার ভেতরের বর্জ্য পদার্থগুলো বের করে দেবে।

সজনে পাতা কীভাবে খাবেন

আমরা মনে করি যে, ফুল সিজনে সবচেয়ে উত্তম উপায় হচ্ছে এটিকে আপনি জুস করে খাবেন। কিছু সজনে পাতা নিন। ভালো করে পরিষ্কার করে নিয়ে এটাকে ব্লেন্ডারে নিন। কিছু পানি যোগ করে টেস্টের জন্য কিছু আদা, কিছু জিরা, একটু বিট লবণ দিতে পারেন। ভালো করে ব্লেন্ড করেন। এরপর ছেঁকে নিন। ছেঁকে নিয়ে খাওয়ার সময় একটু মধু দিয়ে খেয়ে নিন। পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ জুসটি আপনার খাওয়া হয়ে গেল।

যদি আপনার জুস বানাতে ঝামেলা হয় অথবা সব দিন যদি জুস খেতে না পারেন, ভর্তা খান, তবে এটা কাঁচা হলে বেস্ট। যখন আপনি সিদ্ধ করলেন, এই যে নানাবিধ যে উপাদানগুলো আছে, এটি নষ্ট হয়ে যেতে থাকবে। সে জন্য কাঁচা পাতা ভালো করে বেটে নিয়ে এটাকে টেস্টি করার জন্য যা যা লাগে…সেখানে আপনি রসুন দেন, আদা দেন, মরিচ দেন, পেঁয়াজ দেন, যা যা দিলে টেস্টি হয়, দেন। তারপর আপনি খান। সিজনে।

অফ সিজনে গুঁড়া। সজনে পাতাকে আপনি সিজনে ভালো করে রোদে শুকান। শুকানোর পর এটাকে ক্রাশ করে ফেলেন। ছয় মাস এটা চমৎকার থাকবে এবং এক থেকে দুই চা চামচ সজনে পাতা যথেষ্ট আপনার পুষ্টির জন্য। তাই আমরা বলব যে, নিজের দেশের এই অ্যাভেইলেবল এই পাতাটিকে অবহেলা করবেন না।

আজ না হলে কাল থেকে শুরু করুন। অফ সিজনে আপনি গুঁড়ো সংগ্রহ করুন। প্রতিদিন এক চামচ সকালে, এক চামচ রাত্রে। ছয় মাস পর আপনি আপনার স্ট্রেংথ, আপনার কর্মক্ষমতা দেখে নিজেই বিস্মিত হবেন।

বাগেরহাটের রামপালে সুপেয় পানি বঞ্চিত ৬৫০ টি পরিবার পেল পানির ট্যাংক

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তীব্র লবনাক্ততায় জর্জরিত বাগেরহাটের  রামপালে সুপেয় পানি বঞ্চিত ৬৫০ টি পরিবার পেল পানির ট্যাংক। জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে ও রামপাল উপজেলা জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে এসব পানির ট্যাংক সরবরাহ করা হয়েছে। বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার এমপি’র প্রচেষ্টায় উপকূলীয় উপজেলার রামপাল ও মোংলায় প্রায় ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ২ হাজার ট্যাংক বিতরণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে মোংলায় ১ হাজার ৩৫০ টি এবং রামপালের ৫ টি ইউনিয়নে ৬৫০ টি পানির ট্যাংক বিতরণ চলমান রয়েছে।
উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার এর পক্ষে তার একান্ত সহকারী মো. রেদওয়ান মারুফ মল্লিকেরবেড়, ভোজপাতিয়া ও পেড়িখালী ইউনিয়নে ২০০ করে এবং রামপাল সদর ও হুড়কা ইউনিয়নে ৫০ টি করে এই ট্যাংক বিতরণ করেন।

বিতরণকালে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, মল্লিকেরবেড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি তারেক তালুকদার মন্টু, আবুল কালাম আজাদ, সালাম আকন, জাহিদ হাওলাদার, ভোজপাতিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শেখ নূরুল আমীন, পিয়ার মাস্টারসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মো. ইমরান হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রামপাল এলাকায় তীব্র লবনাক্ততার কারণে স্বাভাবিক পানির উৎস নেই বললে চলে। অনেক এলাকায় অগভীর বা গভীর নলকূপে সুপেয় পানি পাওয়া যায় না। এছাড়াও তীব্র আর্সেনিক দূষক রয়েছে। এখন হার্ভেস্টিং ওয়াটার বা নিরাপদ বৃষ্টির পানিই একমাত্র ভরসা।

এ উপজেলার প্রায় দুই লক্ষ মানুষের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা গ্রহনে সরকার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আমরা চেষ্টা করছি শতভাগ মানুষ যেন সুপেয় পানি পান করতে পারেন। এ বছর সরকারের পক্ষ থেকে আরও ট্যাংক বিতরণ করা হবে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।

তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন

আ. রাজ্জাক শেখ, খুলনা।।

চলতি মাসের দুই সপ্তাহ ধরে খুলনায় ভয়াবহ তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে পল্লী বিদ্যুৎ এর লোডশেডিং। এতে করে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। রমজান মাসে এমন অবস্থার হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে রোজদার ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী ও খেটে খাওয়া মানুষ। শিশু আর বৃদ্ধদের অবস্থা একেবারে কাহিল।
দুপুর হলেই চলে যাচ্ছে বিদ্যুৎ। গরমে ভেজা কাপড় গায়ে জড়াচ্ছেন অনেকে। কখন বিদ্যুৎ আসবে সে খবরও কারো জানা নেই। বেড়েগেছে হাতপাখার কদর। দোকান গুলোতে ভিড়লেগে গেছে তাল পাতার হাতপাখা বিক্রির। হাসপাতালে অসুস্থ রোগীদের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হচ্ছে। দিনে ও রাতে প্রায় ১০/১২ ঘন্টা থাকছে লোডশেডিং। লোডশেডিং থেকে রক্ষা পাচ্ছেনা ঈফতার ও সেহেরীর সময় টুকুও। গত ২ সপ্তাহ ধরে অতি তীব্র তাপদাহ ৪০/৪২ দশমিক ২ ডিগ্রী তাপমাত্রা রেকর্ড চলছে।
এরই মধ্যে প্রচুর ভ্যপসা গরমে যখন মানুষ হাঁসফাঁস করছে এমন সময় শুরু হয়েছে লোডশেডিং। রাত ও দিনে শুরু হওয়া লোডশেডিং দিনে রাতে ১০/১২ ঘণ্টা হচ্ছে। ইফতার ও সেহেরির কিছু সময়ও পড়ছে লোডশেডিং-এর আওতায়। এতে করে ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠছেন রোজদারগণ।
উপজেলা সদরের দিন মুজুর মজিদ বলেন, ‘এমন গরম আগে কখোনো দেখিনি, রোদ গরমে এনিতেই ঘরে দাঁড়ানো যাচ্ছে না। বাইরে বেরলে গা জ্বালা করছে। ফেন চালিয়ে কোনো মতে ঘরে থাকছিলাম তাও বিদ্যুৎ থাকছে না। কোথাও সস্থি পাচ্ছি না। ঘরে একটু স্বস্থিতে থাকবো, বিদ্যুৎ না থাকায় তাও পারছিনা। গাছ তলায় বসে থেকেও সস্থি নেই।’
ভ্যান চালক ইসমাইল বলেন, রাস্তায় কোন লোক বের হচ্ছে না। রাস্তা ফাকা রয়েছে। রৌদে তাকালে চোখ জলে যাচ্ছে। গাড়ি চালঅতে পারছি না। সামনে ঈদ চিন্তার মধ্যে আছি। আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করেন।

রূপসায় উপজেলা প্রশাসন ও ব্র‍্যাক ওয়াস আয়োজিত স্বাস্থ্য বিষয়ক সভা

//খুলনা ব্যুরো//

উপজেলা প্রশাসন ও ব্র‍্যাক ওয়াস আয়োজিত নিরাপদ পানি, স্বাস্থ‍্য সম্মত ল‍্যাট্রিন ও স্বাস্থ‍্যবিধি বিষয়ক এক সভা সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সুধীজনদের নিয়ে ১২ এপ্রিল বেলা সাড়ে ১১টায় অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কোহিনুর জাহান।

প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দীন বাদশা।

বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, মাধ‍্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আইরিন পারভিন,ব্র‍্যাক ওয়াস এর বিভাগীয় ম‍্যানেজার মো:শফিকুল ইসলাম।

এসম য় আরো বক্তৃতা করেন শিক্ষা কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, সহকারী মাধ‍্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, অধ‍্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) খান মারুফুল হক, প্রধান শিক্ষক রবিউল ইসলাম পলাশ, মো: জাহাঙ্গীর আলম মো: আহসান উল্লাহ, আবদুল্লাহ হেল বাকী, মো: মনিরুজ্জামান, রেহেনা আকতার, আজিজা সুলতানা, কৃষ্ণপদ রায়, যশোমন্ত ধর, মো: বেলাল হোসেন, শিক্ষক আনার কলি, সাবিনা সুলতানা, নাজির হোসেন, ইমাম হাফেজ হারুন জোমাদ্দার,হাফেজ মাও:আবু বক্কার, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু,সাধারণ সম্পাদক আ:রাজ্জাক শেখ প্রমূখ।

প্রাণঘাতী ভাইরাস ‘মারবার্গ’ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রকোপ কাটতে না কাটতেই আরেকটি প্রাণঘাতী ভাইরাস ‘মারবার্গ’ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও-হু)।

আফ্রিকার দেশ ‘ইকুয়াটোরিয়াল গিনি’তে এই প্রাণঘাতী ভাইরাসটি পাওয়া গেছে এবং তা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। দেশটিতে এই ভাইরাসের আক্রমণে এখন পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও ভাইরাসের উপসর্গ দেখা গিয়েছে আরও ১৬ জনের দেহে।

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ডব্লিউএইচও জানায়, ভাইরাসটি অত্যন্ত সংক্রামক। ভাইরাসটি প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

সংক্রমণ অঞ্চলটিতে ইতোমধ্যে ২০০ জন সন্দেহভাজনকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। ১৯৬৭ সালে আফ্রিকার কয়েকটি দেশে প্রথম ধরা পড়ে ভাইরাসটি। গত বছরের জুলাইয়ে ঘানায় ভাইরাসটিতে আক্রমণের খবর পাওয়া যায়। ১৯৬৭ থেকে ২০২২ পর্যন্ত ভাইরাসটির আক্রমণে ৪৭৪ জন রোগীর মধ্যে ৩৭৯ জনই মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর হার প্রায় ৮০ শতাংশ।

বাদুড় থেকে আসা ‘মারবার্গ ভাইরাস’ ইবোলার মতোই মারাত্মক আকার ধারণ করে। ইবোলার তুলনায় অধিক প্রাণঘাতী। এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসের কোনো টিকা আবিষ্কার হয়নি। এটি ইবোলার থেকেও দ্রুত সংক্রমণ ছড়াতে সক্ষম।

‘মারবার্গ ভাইরাস’র কিছু লক্ষণ রয়েছে। সাধারণত এই রোগের ক্ষেত্রে মাথা ঘোরা, প্রচণ্ড মাথা ব্যথা, পায়খানা, বমি-বমি ভাব, প্রচণ্ড জ্বর, পেশিতে ব্যথা থাকে। এছাড়াও এই ভাইরাসের লক্ষণ অনেকটা ম্যালেরিয়া, টাইফয়েডের মতো। হাতে পায়ে ফুসকুড়িও দেখা দিতে পারে।

অনেক রোগীর ক্ষেত্রে ৭ দিনের মধ্যে রক্তক্ষরণের লক্ষণও দেখা দেয়। ইবোলার মতো মারবার্গ একটি ফিলোভাইরাস। ফলে বাদুড় থেকে মানুষের মধ্যে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে এর প্রাদুর্ভাব শুরু হয় বলে ধারণা করা হয়।

অ্যাঙ্গোলা, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, ঘানা, গিনি, কেনিয়া, উগান্ডা এবং জিম্বাবুয়েতে অতীতে এই ভাইরাসের আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে।