চাঁদপুরের মতলবে মাইক্রোবাস-অটোরিকশা সংঘর্ষ: নিহত ৪

//চাঁদপুর প্রতিনিধি//

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় একটি মাইক্রোবাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা সবাই ওই অটোরিকশায় ছিলেন। এ ঘটনায় মাইক্রোবাসটির তিনজন আহত হয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার বরদিয়া আড়ং বাজার এলাকায় মতলব-বাবুরহাট সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সন্ধ্যা ছয়টার দিকে বরদিয়া আড়ং বাজার এলাকায় মতলব-বাবুরহাট সড়কে মতলব থেকে চাঁদপুরগামী একটি মাইক্রোবাস এবং চাঁদপুর থেকে মতলবগামী সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। মাইক্রোবাসটির ধাক্কায় অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ওই অটোরিকশার চালক মো. জসিম মোল্লা (৫০) ঘটনাস্থলেই মারা যান।

গুরুতর আহত ওই অটোরিকশার যাত্রী হানিফ ব্যাপারী (২৮) ও পপি আক্তারকে (১৮) ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে স্থানীয় লোকজন চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন। এ ছাড়া চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে ওই দুর্ঘটনায় আহত অটোরিকশার আরেক যাত্রী এক বৃদ্ধা মারা যান। তাঁর নাম-ঠিকানা জানা যায়নি।

অটোরিকশার চালক মো. জসিম মোল্লা (৫০) ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত ওই অটোরিকশার যাত্রী হানিফ ব্যাপারী (২৮) ও পপি আক্তারকে (১৮) উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন।

একই সূত্র জানায়, নিহত জসিম মোল্লা মতলব উত্তর উপজেলার ঘনিয়ারপাড় গ্রামের জালাল উদ্দিন মোল্লার ছেলে। নিহত হানিফ ব্যাপারী ও পপি আক্তারের বাড়ি চাঁদপুর সদর উপজেলায়।

এ ঘটনায় আহত ওই মাইক্রোবাসের তিন যাত্রীকে চাঁদপুরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করেছেন স্থানীয় লোকজন। তবে তাঁদের পরিচয় জানা যায়নি।্র

মতলব দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন মিয়া বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে তাঁর থানায় এখনো মামলা হয়নি।

পড়ুল দৈনিক বিশ্ব

সাংবাদিক আবদুল জববার এর পিতার ১৭ তম মৃত্যু বাষিকী পালিত

English Dainikbiswa

বান্দরবানে সন্ত্রাসী হামলা: সেনাবাহিনীর এক ওয়ারেন্ট অফিসার নিহত

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

বান্দরবানের রুমায় সেনাবাহিনীর ওপর হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এঘটনায় সেনাবাহিনীর এক ওয়ারেন্ট অফিসার নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও এক সেনা সদস্য।

বুধবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টায় বান্দরবানের রুমা উপজেলার রুমা-রাঙামাটি সীমান্তবর্তী দুর্গম বতিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সেনা কর্মকর্তা সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসারের নাম হাবিবুর রহমান। আহত সদস্যের নাম ফিরোজ হোসেন।

বৃহস্পতিবার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) সহকারী পরিচালক রাশেদুল আলম খান।

আইএসপিআর জানিয়েছে, বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সেনাবাহিনীর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের একটি দল রুমা জোনের আওতায় জেইংগা পাড়ায় এবং সেফ পাড়া এলাকায় পরিদর্শনে যান। এ সময় তাদের ওপর জেএসএস সশস্ত্র দল হামলা চালায়। এতে সিনিয়র অফিসার হাবিবুর রহমানের মাথায় এবং সৈনিক ফিরোজ হোসেনের পায়ে গুলি লাগে।

আত্মরক্ষার্থে সেনাবাহিনীর সদস্যরা গুলি চালালে জেএসএস এর তিন সদস্য নিহত ও একজন আহত হন। আহত সেনা সদস্য ফিরোজ বর্তমানে চট্টগ্রাম সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

অভিযানে সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত ১টি এসএমজি, ২৪৯ রাউন্ড তাজা গুলি, ৩টি এম্যোনিশন ম্যাগাজিন, ৩টি গাদা বন্দুক, গাদা বন্দুকের ৫ রাউন্ড গুলি, ৪ জোড়া ইউনিফর্ম এবং নগদ ৫২ হাজার ৯০০ টাকা জব্দ করা হয়।

পড়ুল দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

ইউরোপে আরো ২০০০ সেনা পাঠাচ্ছে আমেরিকা

চাঁদপুর হাইমচর প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

ফেসবুক লাইভে নায়ক রিয়াজের শ্বশুরের গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা: ভিডিও

 

নায়ক রিয়াজের শশুড় কেন আত্মহত্যা করলেন দেখুন ভিডিও

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

হঠাৎ করে ফেসবুক লাইভে এসে নিজের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করলেন চিত্রনায়ক রিয়াজের শ্বশুর ব্যবাসায়ী আবু মহসিন খান।

বুধবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে প্রায় ১০টার দিকে ঢাকার ধানমণ্ডির ৭ নাম্বার রোডের নিজের বাসায় আত্মহত্যা করেছেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর।

বুধবার রাতে বাংলাদেশ জার্নালকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ধানমন্ডি মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশনস) রবিউল ইসলাম।

তিনি বলেন, নিজের অস্ত্রের গুলিতে একজন ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন। আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি নিহত ব্যক্তি নায়ক রিয়াজের শ্বশুর। ঘটনাস্থলে আমরা আছি। তিনি আগে লাইভে আসেন তারপর নিজের অস্ত্র দিয়েই গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করেন।

রবিউল ইসলাম বলেন, এখানে সিআইডির ফরেনসিক টিমসহ আমাদের ইউনিট কাজ করছে। মরদেহের প্রাথমিক কাজ শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালের মর্গে নেয়া হবে।

ফেসবুক লাইভে আত্মহত্যা করার আগে নিজের বার্ধক্যের নিঃসঙ্গতা এবং পরিবার নিয়ে হতাশার কথা জানান আবু মহসিন খান। নিজের নিঃসঙ্গতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমার এক ছেলে থাকে অস্ট্রেলিয়ায়। আমি ক্যানসার আক্রান্ত। ফ্ল্যাটে একাই থাকি। আমার ভয় করে যে আমি বাসায় মরে পড়ে থাকলে, লাশ পচে গেলেও কেউ হয়তো খবর পাবে না।’

মহসিন খান নিজের খালার মৃত্যুর কথা উল্লেখ করে জানান, আমার বয়স ৫৮ বছর। আমার খালা কিছুদিন আগে মারা গেছেন। তার একমাত্র ছেলে আমেরিকায় থাকে। কিন্তু সে খালাকে দেখতে এলো না। এর আগে আরও এক খালা মারা গেছেন, তার বেলায়ও এমন ঘটেছে।

নিজের কর্মজীবন, সন্তানদের বড় করে তোলা এবং পারিবারিক দায়িত্ব পালন নিয়ে তিনি জানান, ‘প্রকৃত বাবারা না খেয়েও সন্তানদের খাওয়ানোর চেষ্টা করে, ফ্যামিলিকে দেয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু ফ্যামিলি অনেক সময় বুঝতে চায় না।’

নিজের বাবা এবং ভাইয়েরা তার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন বলেও লাইভে অভিযোগ তোলেন তিনি।

পরিশেষে তিনি বলেন, ‘নিজেকে আর মানিয়ে নিতে পারলাম না। যারা দেখছেন তাদের সাথে এটাই শেষ দেখা, সবাই ভালো থাকবেন।’

এর আগে তিনি নিজের পিস্তল এবং সেটির লাইসেন্স দেখিয়ে বলেন, ‘আমি যেটা দিয়ে আত্মহত্যা করছি, সেটি ইলিগ্যাল কিছু না। এটির লাইসেন্স আছে। সেটি নবায়নও করা হয়েছে।’

এরপর লাইভের ১৬ মিনিটের মাথায় এসে কালেমা পড়তে পড়তে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করেন আবু মহসিন খান।

এদিকে ধানমন্ডি থানার আরও এক পরিদর্শক (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘ব্যবসায়ী মহসিন ধানমন্ডির বাসায় একাই থাকতেন। তিনি নিজের পিস্তল মাথায় ঠেকিয়ে গুলি করে আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনাস্থলে ইতোমধ্যে পুলিশ পৌঁছেছে।’

English Dainikbiswa

পড়ুল দৈনিক বিশ্ব

ফেসবুক লাইভে নায়ক রিয়াজের শ্বশুরের গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা: ভিডিও

https://youtu.be/_LxhHF8GoQM

ফেসবুক লাইভে নায়ক রিয়াজের শ্বশুরের গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা: ভিডিও

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

হঠাৎ করে ফেসবুক লাইভে এসে নিজের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করলেন চিত্রনায়ক রিয়াজের শ্বশুর ব্যবাসায়ী আবু মহসিন খান।

বুধবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে প্রায় ১০টার দিকে ঢাকার ধানমণ্ডির ৭ নাম্বার রোডের নিজের বাসায় আত্মহত্যা করেছেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর।

বুধবার রাতে বাংলাদেশ জার্নালকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ধানমন্ডি মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশনস) রবিউল ইসলাম।

তিনি বলেন, নিজের অস্ত্রের গুলিতে একজন ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন। আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি নিহত ব্যক্তি নায়ক রিয়াজের শ্বশুর। ঘটনাস্থলে আমরা আছি। তিনি আগে লাইভে আসেন তারপর নিজের অস্ত্র দিয়েই গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করেন।

রবিউল ইসলাম বলেন, এখানে সিআইডির ফরেনসিক টিমসহ আমাদের ইউনিট কাজ করছে। মরদেহের প্রাথমিক কাজ শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালের মর্গে নেয়া হবে।

ফেসবুক লাইভে আত্মহত্যা করার আগে নিজের বার্ধক্যের নিঃসঙ্গতা এবং পরিবার নিয়ে হতাশার কথা জানান আবু মহসিন খান। নিজের নিঃসঙ্গতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমার এক ছেলে থাকে অস্ট্রেলিয়ায়। আমি ক্যানসার আক্রান্ত। ফ্ল্যাটে একাই থাকি। আমার ভয় করে যে আমি বাসায় মরে পড়ে থাকলে, লাশ পচে গেলেও কেউ হয়তো খবর পাবে না।’

মহসিন খান নিজের খালার মৃত্যুর কথা উল্লেখ করে জানান, আমার বয়স ৫৮ বছর। আমার খালা কিছুদিন আগে মারা গেছেন। তার একমাত্র ছেলে আমেরিকায় থাকে। কিন্তু সে খালাকে দেখতে এলো না। এর আগে আরও এক খালা মারা গেছেন, তার বেলায়ও এমন ঘটেছে।

নিজের কর্মজীবন, সন্তানদের বড় করে তোলা এবং পারিবারিক দায়িত্ব পালন নিয়ে তিনি জানান, ‘প্রকৃত বাবারা না খেয়েও সন্তানদের খাওয়ানোর চেষ্টা করে, ফ্যামিলিকে দেয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু ফ্যামিলি অনেক সময় বুঝতে চায় না।’

নিজের বাবা এবং ভাইয়েরা তার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন বলেও লাইভে অভিযোগ তোলেন তিনি।

পরিশেষে তিনি বলেন, ‘নিজেকে আর মানিয়ে নিতে পারলাম না। যারা দেখছেন তাদের সাথে এটাই শেষ দেখা, সবাই ভালো থাকবেন।’

এর আগে তিনি নিজের পিস্তল এবং সেটির লাইসেন্স দেখিয়ে বলেন, ‘আমি যেটা দিয়ে আত্মহত্যা করছি, সেটি ইলিগ্যাল কিছু না। এটির লাইসেন্স আছে। সেটি নবায়নও করা হয়েছে।’

এরপর লাইভের ১৬ মিনিটের মাথায় এসে কালেমা পড়তে পড়তে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করেন আবু মহসিন খান।

এদিকে ধানমন্ডি থানার আরও এক পরিদর্শক (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘ব্যবসায়ী মহসিন ধানমন্ডির বাসায় একাই থাকতেন। তিনি নিজের পিস্তল মাথায় ঠেকিয়ে গুলি করে আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনাস্থলে ইতোমধ্যে পুলিশ পৌঁছেছে।’

পড়ুল দৈনিক বিশ্ব

En.dainikbiswa

বরিশালে আদালত চত্ত্বরে সাংবাদিকদের ওপর আতঙ্কিত হামলা ক্যামেরা ভাঙচুর

https://youtu.be/_LxhHF8GoQM

বরিশালে আদালত চত্ত্বরে সাংবাদিকদের ওপর আতঙ্কিত হামলা ক্যামেরা ভাঙচুর

নিজস্ব প্রতিবেদক ::বরিশাল //

বরিশাল আদালত চত্ত্বরে জালিয়াতির মামলায় জেল হাজতে পাঠানো আসামির ছবি তুলতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন স্থানীয় ও টিভি চ্যানেলের সাংবাদিকেরা।
এতে স্থানীয় পত্রিকাসহ টেলিভিশন চ্যানেলের বেশ কয়েকজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন। এসময় ভাঙচুর করা হয়েছে সাংবাদিকদের বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেলসহ টেলিভিশন চ্যানেলের ক্যামেরা। বুধবার দুপুর ২টা থেকে থেমে থেমে চলা কয়েক দফা হামলায় একপর্যায়ে আসামি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়াল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শহীদুল ইসলাম হাওলাদারের বাহিনীর সাথে আইনজীবী সহকারিরাও অংশ নেয়। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশকে হিমশিম খেতে দেখা যায়। পরবর্তীতে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিমুল হকের নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিবেশ শান্ত করে। তবে এই হামলার ঘটনায় পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করেনি।

প্রত্যক্ষদর্শী, আদালত ও বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, নিজ এলাকায় ভূমি নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগে বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়াল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম হাওলাদারসহ ৫ জনকে কারাগারে প্রেরণ করেন আদালত। সাংবাদিকেরা এই খবর সংগ্রহ করাসহ তাদের ছবি এবং ভিডিও ধারণ করতে বেলা ১২টার পর থেকে আদালত চত্ত্বরে অবস্থান নেয়। কিন্তু আদালতে কর্মরত পুলিশেরা কোনো ভাবেই আসামির ছবি বা ভিডিও ধারণ করতে দেয়নি এবং সাংবাদিকদের সহায়তা দেয়নি।

সংবাদকর্মীরা জানায়, আসামি শহীদ হাওলাদারকে যখন কারাগারের গারদখানা থেকে বের করা হচ্ছিলেন তখন সাংবাদিকেরা ছবি ও ভিডিও ধারণ প্রস্ততি নিলে শহীদুল ইসলাম হাওলাদারের লোকজন বাধা দেয়। সেই বাধা উপেক্ষা করে সাংবাদিকেরা ছবি ধারণ করতে গেলে তাদের ওপর চেয়ারম্যানের লোকজন হামলা করে এবং বাংলাভিশন টেলিভিশনের ক্যামেরাপারসনসহ দুজনকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। এসময় জেলা পুলিশের দায়িত্বরত সদস্যদের অনেকটা নিরব ভুমিকায় থাকতে দেখা যায়।
এনিয়ে আদালত চত্ত্বরে আরও সাংবাদিকেরা উপস্থিত হলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে হামলাকারীরা আদালত চত্ত্বরের উত্তর এবং সাংবাদিকেরা দক্ষিণ পাশে অবস্থান নিলে মাঝখানে পুলিশ সদস্যদের থাকতে দেখা যায়। এবং পরিস্থিতিও অনেকটা শান্ত হয়। কিন্তু এরই মধ্যে কোনো কিছু বোঝার আগেই আদালতের উত্তর পাশ থেকে আইনজীবী সহকারি অন্ত ২০ থেকে ৩০ জন একত্রিত হয়ে পুলিশের বাধা উপেক্ষা সাংবাদিকদের ওপর হামলা করে। এসময় সাংবাদিককেরা পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় এবং তাদের মারধর করাসহ টেলিভিশন চ্যানেলের কয়েকটি ক্যামেরা ভাঙচুর করা হয়। এসময় সাংবাদিকেরা আত্মরক্ষার্থে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাদের অন্তত ৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। এই উদ্বুদ্ব পরিস্থিতির খবর পেয়ে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসির নেতেৃত্বে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য এসে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করলেও সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারী কাউকে গ্রেপ্তার করেনি।

সাংবাদিকদের ওপর হামলার খবর পেয়ে বরিশাল প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী মিরাজ মাহামুদ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের উপস্থিতিতেও আরেক দফা সংবাদকর্মীদের ওপর হামলা করে আইনজীবী সহকারি ও চেয়ারম্যানের লোকজন। এতে পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়ে যায়। তখন পুলিশ সদস্যরা ভূমিকা রেখে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করে। এবং উভয় গ্রুপ দু’ থেকে দুদিকে সরিয়ে দেয়।

এই বিষয়ে প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন জানান, হামলায় অন্তত ২০ সাংবাদিক আহত হয়েছেন, যাদের ১৩জন হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এই ঘটনায় পরবর্তীতে করণীয় কী তা নিয়ে প্রেস ক্লাবে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিমুল হক জানান, আদালত চত্ত্বরে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা আছে। বর্তমানে পরিবেশ-পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ওসি বলেন, যদ্দুর জানা গেছে কয়েক দফা মারমারি হয়েছে। এতে সাংবাদিক-আইনজীবী সহকারিসহ উভয় গ্রুপের কয়েকজন আহত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

রামপালে ৫ টি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৫৮০ পরিবার ভালো নেই, ইউএনও’র সুখবর

 

রামপালে ৫ টি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৫৮০ পরিবার ভালো নেই, ইউএনও’র সুখবর

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় নির্মিত ৫ টি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৫৮০ টি পরিবারের সদস্যরা নানা সমস্যায় জর্জরিত। প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিগণ আশ্বাসের পরে আশ্বাস দিলেও গত দেড় যুগেও ভাগ্য ফেরেনি হতদরিদ্র ওইসব বাসিন্দাদের। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরে নতুন করে আশাজাগানিয়া সুখবর দিলেন রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবীর হোসেন।

রামপালে ৫ টি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৫৮০ পরিবার ভালো নেই, ইউএনও'র সুখবর

সরোজমিনে বিভিন্ন আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকায় ঘুরে হতদরিদ্র ওইসব বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সুপেয় পানির সমস্যা, স্যানিটেশনের সমস্যা ও আবাসনের সমস্যাই তাদের বড় সমস্যা। উপজেলার গৌরম্ভা ইউনিয়নের কণ্যাডুবির মরা পশুর নদীর চরে ২০০৯ নির্মিত হয় ২২ টি ব্যারাক নির্মাণ করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। ২২০ টি হতদরিদ্র পরিবারের ঠাঁই মেলে ওইসব ঘরে। ওখানের বাসিন্দা উজির উদ্দিন জানান, অনেক দিন ধরে ঘরগুলো ভেঙ্গে গেছে। বসবাস করা যাচ্ছে না। পায়খানার স্থান পুরোপুরি নষ্ট। খাবার পানি নেই। পুকুরের ঘাট নেই। একই কথা বলেন, আবেদা বেগম, হোসনেয়ারাসহ অনেকে। এলাকার চেয়ারম্যান রাজীব সরদার জানান, আমরা সমস্যার সমাধানে উপজেলা প্রশাসনের স্মরণাপন্ন হয়েছি। তারা আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন।

রামপালে ৫ টি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৫৮০ পরিবার ভালো নেই, ইউএনও'র সুখবর

সরোজমিন গিয়ে পেড়িখালী ইউনিয়নের সিকিরডাঙ্গা-১ ও সিকিরডাঙ্গা-২ আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের সাথে কথা হয়। এখানের বাসিন্দা বাচ্চু গাজী ও জয়নব বেগম জানান, ৬ বছর পূর্বে বৈদ্যুতিক দূর্ঘটনা তাদের ব্যারাকটি ভষ্মিভূত হয়। সরকারিভাবে ৫ হাজার টাকা দেয়া হয়। এরপর আর কোন বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। এখানের বাসিন্দা ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের (১,২ ও ৩) সদস্যা জয়া বেগম, জানান, এখানের ২ টি ফেজে ১২০ টি ও ১৬০ টি পরিবার ঘরে বরাদ্দ পেয়েছেন। ২২ বছর ধরে আমরা এখানে বসবাস করছি। আমাদের থাকার জায়গা থাকলেও বসবাসের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। স্যানিটেশন ও পানির সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে। ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে বিশুদ্ধ পানির প্লান্ট স্থাপন করা হলেও সেটি টেকসই হয়নি। বৃষ্টির পানি ধরে রাখার জন্য কোন পানির ট্যাংকি ও পাইনি। সবাই খুব মানবেতর জীবনযাপন করছে।

সরজমিন উপজেলার বাঁশতলী। এখানে ৮০ টি পরিবার বাস করেন। তাদের ও একই সমস্যা। বাঁশতলী ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল জানান, আমরা উপজেলা সমন্বয় সভায় এ সমস্যা সমাধানের জন্য কথা বলেছি। সম্মানিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমাদের আস্বস্ত করেছেন। শীগ্রই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে।

এ বিষয়ে রামপাল উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ মো. আবু সাইদ জানান, আমি ইউপি চেয়ারম্যান ও পরে উপজেলা চেয়ারম্যান থাকা কালীন সময়ে হতদরিদ্র ওইসব বাসিন্দাদের সমস্যা সমাধানের জন্য অনেক চেষ্টা করছি। আমাদের দাবী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সদয় দৃষ্টি দিয়ে জরুরীভাবে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের সমস্যার সমাধান করবেন।

এ বিষয়ে পরিবেশ আন্দোলনের নেতা এ্যডভোকেট মহিউদ্দিন শেখ জানান, জলবায়ু পরিবর্তন জনিত কারণে ও তীব্র লবনাক্ত আবহাওয়ার কারণে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরগুলো দ্রুত মরিচা ধরে নষ্ট হয়েছে। আর রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে আরও বেশি সমস্যা হয়েছে। এগুলো এখন থাকার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। নতুন করে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের জন্য ঘর নির্মাণের দাবী জানান এ নেতা।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের সমস্যা সমাধানের জন্য কি কি ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে এমন তথ্য জানতে চাওয়া হয় রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবীর হোসেন এর কাছে। তিনি বলেন, আমি এ উপজেলায় দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই উপজেলাবাসীর সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি। সরকারের বরাদ্দ যাতে সঠিকভাবে ব্যয় করা হয় সেদিকে সর্বক্ষণ দৃষ্টি রেখে কাজ করছি। এর ধারাবাহিকতায় বিগত বিভিন্ন সময়ে নির্মিত আশ্রয়ণ প্রকল্প গুলো পরিদর্শন করেছি। ওইসব বাসিন্দাদের সাথে কথা বলেছি। সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেছি। তারা যাতে পূর্বের মতো ভালো থাকতে পারেন সে জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগে পত্র পাঠানো হয়েছে। আশার কথা হলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সকল বাসিন্দাদের জন্য সেমি পাকা ঘর বরাদ্দ দিচ্ছেন। আশা করি খুব শিগ্রই সকল বাসিন্দাদের শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পানি ও স্যানিটেশনের সমাধান হবে। এ জন্য তিনি সকলের সহযোগীতা কামনা করেছেন।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

বরিশাল নগরীতে চলছে দেবী সরস্বতী প্রতিমার নির্মান কাজ

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে বিষ খেয়ে মৃত্যু

মাহাবুব আলম রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি।।

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার শালবাড়ি গ্রামে রাকিব হাসান রকি(১৭) নামে এক তরুণ বিষ খেয়ে মারা গেছেন। রকি ওই গ্রামের জমিরুল ইসলামের ছেলে।ঘটনাটি ঘটেছে গত সোমবার ৩১ জানুয়ারি সকালে।

জানা গেছে, জমি নিয়ে রকির সঙ্গে তার বাবার কিছুদিন ধরে ঝগড়া-বিবাদ চলছিল। ঘটনার দিন সকালে বিবাদের জেরে রকি তাদের বাড়িতে বিষ পান করে। এতে সে গুরুতর অসুস্থ হলে তাকে ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে বিকেলে সে মারা যায়।

এ ব্যাপারে সদর থানার ওসি তানভিরুল ইসলাম বলেন, রকি তার বাড়ি রাণীশংকৈল থেকে বিষ খেয়ে সদর হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং হাসপাতালে মারা যায়।এ নিয়ে সদর থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের করা হয়েছে। লাশ মর্গে পোস্ট মর্টেম করে আজ( ১ ফেব্রুয়ারি) তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

পড়ুল দৈনিক বিশ্ব

পাউরুটি কেটে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন পালন করা দুই শিক্ষকের শাস্তি

 

জাস্টিন ট্রুডো: কানাডায় ‘ফ্রিডম কনভয়’ নামে ট্রাক চালকদের বিক্ষোভের মুখে রাজধানী ছেড়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী

কানাডার রাজধানী অটোয়া দ্বিতীয় দিনের মতো ট্রাক চালকদের অবরোধের মুখে অচল হয়ে আছে। টিকা না নেয়া ট্রাক চালকরা যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরার পর তাদের কোয়ারেন্টিনে থাকা বাধ্যতামূলক করার বিরুদ্ধে এই বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল।

কিন্তু টিকা এবং লকডাউন বিরোধী আরো হাজার হাজার মানুষও এই বিক্ষোভে যোগ দিয়েছে।

এই বিক্ষোভের মুখে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এবং তাঁর পরিবার শনিবারই রাজধানী ছেড়ে অজানা স্থানে চলে যান।

কানাডার ট্রাক চালকরা তাদের এই বিক্ষোভের নাম দিয়েছে ‘ফ্রিডম কনভয়।’ সরকারি বিধিনিষেধের প্রতিবাদ জানাতে তারা কানাডার নানা প্রান্ত থেকে তাদের ট্রাক বহর নিয়ে রাজধানী অটোয়ার দিকে রওনা দিয়েছিল।

অটোয়ায় বিক্ষোভের সময় নাৎসিদের ব্যবহৃত প্রতীক ‘স্বস্তিকা’ পতাকা ওড়ানোর ঘটনা এবং একজন অনামা সৈনিকের কবরের উপর এক নারীর নাচের দৃশ্যের ভিডিও ফুটেজ তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। অটোয়ার পুলিশ বলছে, রাজধানীতে বেশ কিছু স্মারক স্তম্ভকে অবমাননার কয়েকটি ঘটনা তারা তদন্ত করছে।

জাস্টিন ট্রুডো: কানাডায় ‘ফ্রিডম কনভয়’ নামে ট্রাক চালকদের বিক্ষোভের মুখে রাজধানী ছেড়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী
শত শত ট্রাক চালক দেশের নানা প্রান্ত থেকে এই ‘ফ্রিডম কনভয়ে’ যোগ দেন।

এছাড়া পুলিশ, নগরীর কর্মকর্তা এবং অন্য কিছু মানুষকে হুমকি ও হয়রানি এবং নগরীর যানবাহন ভাংচুরের কিছু অভিযোগও তারা পেয়েছে।

কানাডার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী অনিতা আনন্দ বলেছেন, এসব ঘটনা কেবল ‘নিন্দনীয়’ বললে কম বলা হবে।

ট্রাক চালকরা অটোয়ায় কানাডার পার্লামেন্ট ভবনের চারপাশের রাস্তা অবরোধ করে রেখেছে।

অটোয়ার মেয়র জিম ওয়াটসন বলেছেন, কিছু বিক্ষোভকারী দুঃস্থদের জন্য পরিচালিত এক স্যুপ কিচেনে গিয়ে সেখানকার কর্মীদের হয়রানি করেছেন। এই বিক্ষোভকারীরা সেখানে বিনামূল্য খাবারে দাবি জানাচ্ছিলেন।

এর আগে অটোয়ার কিছু রেস্টুরেন্টে বিক্ষোভকারীদের ঢুকতে দেয়া হয়নি, কারণ তারা মাস্ক পরার নির্দেশনা মানতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছিলেন।

কানাডার যে প্রায় এক লাখ ২০ হাজার ট্রাক চালক সীমান্তের এপারে-ওপারে চলাচল করেন, তাদের প্রায় ৯০ শতাংশই করোনাভাইরাসের টিকা নিয়েছেন। কানাডার প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যেও টিকা নেয়ার হার এরকমই।

কিন্তু সরকারের একটি সিদ্ধান্ত তাদের বেশ ক্ষুব্ধ করে। টিকা না-নেয়া যে ট্রাক-চালকরা যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্থল সীমান্ত পেরিয়ে কানাডায় ঢুকবে, তাদের জন্য কোয়ারেন্টিনে থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়।

ট্রাক চালকরা এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানায়। এর প্রতিবাদে তারা ‘ফ্রিডম কনভয়’ নামে এক বিক্ষোভের ডাক দেয়। হাজার হাজার ট্রাক চালককে তাদের ট্রাক নিয়ে রাজধানীর দিকে রওনা দিতে বলা হয়।

গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এক সংবাদ সম্মেলনে টিকা-বিরোধী বিক্ষোভকারীদের খুবই ‘ক্ষুদ্র সংখ্যালঘু এক গোষ্ঠী’ বলে বর্ণনা করেছিলেন। সূদ্র: বিবিসি বাংলা।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুল দৈনিক বিশ্ব

ব‌রিশালে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল সাবেক স্বাস্থ্য কর্মকর্তার

ব‌রিশালে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল সাবেক স্বাস্থ্য কর্মকর্তার

পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল প্রতিনিধি //

অপ্রাপ্ত বয়স্কের হাতে মোটরবাইক আর তাতেই প্রাণ গেল সাবেক উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার শি‌শির রঞ্জনের ।

ব‌রিশালের বিএম ক‌লেজ রো‌ডের শ্রী শ্রী শংকর মঠ ম‌ন্দি‌রের সাম‌নে গতকাল সোমবার রাতে ঘটে এ দুর্ঘটনা। নিহত শি‌শির রঞ্জন নগরীর বিএম ক‌লেজ রোড এলাকার বা‌সিন্দা। রাস্তা পার হচ্ছিলেন তিনি।

প্রত‌্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার সন্ধ‌্যার দি‌কে বাসা থে‌কে বের হ‌য়ে রাস্তা পার হওয়ার সময় বেপ‌রোয়া গ‌তির এক‌টি মোটরসাইকেল শি‌শির রঞ্জন‌কে ধাক্কা দেয়। এ সময় তিনি রাস্তায় পড়ে গি‌য়ে মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পান। পরে প‌থচারীরা তাঁকে উদ্ধার ক‌রে ব‌রিশাল শের-ই-বাংলা মে‌ডি‌কেল ক‌লেজ হাসপাতা‌লে নিলে চিকিৎসক একপর্যায়ে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

ব‌রিশাল কোতয়ালি ম‌ডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিমুল ক‌রিম ব‌লেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়‌নি। প‌রিবা‌রের অভিযোগ না থাকায় পু‌লিশ একটি অপমৃত‌্যুর মামলা ক‌রে‌ছে। এ ছাড়া লাশ ময়নাতদ‌ন্তের পর প‌রিবা‌রের কা‌ছে হস্তান্তর করা হ‌য়েছে।

চাঁদপুরে বাল্কহেডের সঙ্গে ট্রলারের সংঘর্ষ, ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার

মোঃ হোসেন গাজী।।

চাঁদপুর সদর উপজেলার মমিনপুর এলাকায় ডাকাতিয়া নদীতে বালুবাহী বাল্কহেডের ধাক্কায় মাটি বোঝাই ট্রলার ডুবে গেছে। এতে ট্রলারে থাকা ১১ শ্রমিকের মধ্যে ৫ জন নিহত হয়েছেন। বাকিরা সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন।

স্থানীয়রা জানায়, ৩১শে জানুয়ারি সোমবার ভোরে বালুভর্তি বাল্কহেড এমবি ইকবাল হোসেন-১ এর সাথে মাটি বোঝাই ট্রলারের মুখোমুখি সংঘর্ষে ট্রলার ডুবে ৫ শ্রমিক নিহত নিখোঁজ হয়। একে একে তাদের সবার মৃতদেহ পাওয়া যায়।

নিহতরা হলেন- আউয়াল মাঝি (৫৫), মোবারক হেসেন (৩৫), নাছির হোসেন (৩২), আল-আমিন (৩৫) ও কালা মিয়া (৩৩)। নিহতদের সকলের বাড়ি কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলায়। নিহতরা স্থানীয় ব্রিকফিল্ডগুলোতে মাটি কাটার শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

দুর্ঘটনাকবলিত ট্রলারের বেঁচে যাওয়া যাত্রী ফরিদ হোসেন জানান, আমরা আমাদের সাইট দিয়েই যাচ্ছিলাম, ঘন কুয়াশায় বালুবাহী বলগেট আমাদেরকে সজোরে ধাক্কা দিলে আমাদের ১১ জন যাত্রীর মধ্যে ৫ জন নিহত হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দুর্ঘটনাকবলিত ট্রলারটি উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস, নৌ-পুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসী উদ্ধার কাজে অংশগ্রহণ করেন।

চাঁদপুরস্থ বিআইডব্লিউটিএ’র উপ-পরিচালক ও বন্দর কর্মকর্তা মো. কায়সারুল ইসলাম বলেন, ভোর সাড়ে ৬টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপর ২ জনের মরদেহ ভেসে উঠে।
পরে একে একে অন্যদের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।