“রাজনৈতিক চক্রবূহের কবলে ভবদহের জলাবদ্ধতা”- ১০লক্ষ মানুষের কান্না

 

যশোরের দুঃখ হিসাবে খ্যাত মনিরামপুর, অভয়নগর, কেশবপুর, যশোর সদর, ডুমুরিয়া ও ফুলতলার ২৭ টি বিলের তীরবর্তী বসবাসরত ও জলাবদ্ধতায় আক্রান্ত দুইশতাধিক গ্রামীণ জনপদের ১০ লক্ষাধিক জনগণ। পানি উন্নয়ন বোর্ড,পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় ঠিকাদার ও মাছ চাষে জড়িত ক্ষমতাধর মালিকপক্ষ।

এর সাথে নতুন করে যুক্ত হয়েছে রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার ও ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার চক্রবূহ। দেশের বৃহৎ একটি জনগোষ্ঠী ও তাদের জীবনধারাকে জিম্মি করে বর্গীদের ন্যায় কোটি কোটি টাকা লুট করার যে হীনমন্যতা তা দেশদ্রোহীতাকে হার মানায়।

ভবদহ এলাকার জলাবদ্ধ মানুষের দীর্ঘদিনের এই চরম সংকট নিরসনের জন্য আজ ২৪ আগস্ট-২০২১ রোজ মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির নেতৃবৃন্দ যশোর নীলরতন ধর রোডে অবস্থিত অস্থায়ী কার্যালয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন- ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক রনজিৎ বাওয়ালী।

সংবাদ সম্মেলন শেষে বক্তব্য রাখেন ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন সংগ্রাম কমিটির প্রধান উপদেষ্টা ইকবাল কবির জাহিদ, যুগ্ম আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী আব্দুল হামিদ ও সদস্য সচিব অধ্যাপক চৈতন্য কুমার পাল। বক্তরা বলেন,প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা ‘নদী বাঁচলে দেশ বাঁচবে’। কিন্তু একটি অসাধু ও সিন্ডিকেট চক্র এতই ক্ষমতাবান যে, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর ধৃষ্টতা দেখিয়েই চলেছেন। ফলশ্রুতিতে ভবদহ স্লুইচ গেট থেকে নদীর মোহনা পর্যন্ত ৫০/৬০ কিলোমিটার নদী পলি জমে ভরাট হয়ে গিয়েছে এবং ঐ এলাকার হরিহর, শ্রী,টেকাসহ সকল নদী তার গভীরতা ও গতিপথ হারিয়ে মৃতপ্রায় নদীতে পরিণত হয়েছে। ফলে নদী তার স্বাভাবিক জীবন ও যৌবন হারিয়ে উচ্ছল জোয়ার- ভাটা খেলতে পারেনা।

ফলে ঐ এলাকার ২৭ টি বিলের পানি বের হওয়ার পথ রুদ্ধ হয়ে গিয়েছে। এই পরিনতির কথা বারবার বলা সত্বেও পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সকলেই উল্লেখিত বিষয়ে কর্ণপাত না করে গাদ্দার ও গণ-দুশমনের ভূমিকায় অবর্তীণ হয়েছে। বক্তরা ভবদহ এলাকায় বিভিন্ন সময় গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে টিআরএম ( টাইডার রিভার্স ম্যানেমেন্ট সিস্টেম)- ই সর্বাপেক্ষা পরীক্ষিত, সফল ও জনমূখী প্রকল্প।

এমনই পরিস্থিতিতে যদি দ্রুত টি.আর.এম চালু ও আমডাঙ্গা খাল প্রশস্ত এবং সংস্কার না করা হয় তাহলে দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতায় আক্রান্ত ২০০ গ্রামের ১০ লক্ষাধিকেরও অধিক জনগণ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্হ হবে। শুধু তাই নয়- এলাকার ঘর- বাড়ি,রাস্তাঘাট,স্কুল-কলেজ, কবরস্থান-শ্মশান, মসজিদ-মন্দির আবারও পানির তলে চলে যাবে এবং ভবদহ জনপদের মানুষকে তার চৌদ্দ পুরুষের ভিটেমাটি ছেড়ে একাত্তর সালের মতো হয়তো আবারও দেশের মধ্যে বা পাশ্ববর্তী দেশে উদ্বাস্তুের মতো জীবন যাপন করতে হবে।

আর তাই ভবদহ এলাকার সমস্যা সমাধানে নেতৃবৃন্দ ৬টি দাবি উত্থাপন করেন।

দাবী গুলো হলো-

১। এই মুহূর্তে বিল কপালিয়ায় টি.আর.এম চালু করে নদীকে রক্ষা করা

২। অবিলম্বে বিল কপালিয়ায় টি.আর.এম বাস্তবায়ন, হরি শ্রী নদীতে পড়া পলি অপসারণ করা। পলি মাটি নদীগর্ভে নয়- নদী পাড়ের বাইরে ফেলা,

৩। পলিতে ভরাট হয়ে যাওয়া টেকা-মুক্তেশ্বরী নদী সংস্কার করা

৪। আমডাঙ্গা খাল প্রশস্থ ও গভীর করা। আমডাঙ্গা খালের স্লুইচগেটের পূর্বাংশে অবিলম্বে খালের দুই পাশে স্থায়ী টেকসই প্রাচীর নির্মাণ করা এবং ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া,

৫। লুটপাটের লক্ষ্যে প্রস্তাবিত ৫০ কোটি টাকার সেচ প্রকল্প বাতিল করা,

৬। সমগ্র কাজ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধায়নে কার্যকরী করা এবং আন্দোলনকারী সংগঠনগুলোকে কাজ মনিটরিংয়ের সুযোগ দেওয়া।

সংবাদ সম্মেলন শেষে আগামী ২ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন- উপদেষ্টা জিল্লুর রহমান ভিটু, তসলিমুর রহমানসহ মুক্তিযোদ্ধা নারায়ন চন্দ্র মল্লিক, শিবপদ বিশ্বাস,  রাজু আহমেদ, শিশির মন্ডল, আব্দুল মজিদ, অমিতাব মল্লিক, কিংকর বিশ্বাস, রবি মল্লিক প্রমুখ।

// নিজস্ব প্রতিনিধি //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

যশোরে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, চাকু ও চায়নিজ কুড়ালসহ চিহ্নিত সন্ত্রাসী গ্রেফতার

 

ডিউটিরত অবস্থায় হার্ট অ্যাটাকে পুলিশ সদস্যের মুত্যু মাগুরার শ্রীপুরে

 

মাগুরার শ্রীপুর থানায় কর্মরত ডি এস বি’র কনস্টেবল রবিউল ইসলাম (৪১) নামে এক পুলিশ সদস্যে হাসপাতালে ডিউটিরত অবস্থায় হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু বরন করেছেন। তিনি ২৪ আগষ্ট মঙ্গলবার সকালে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় করোনা টিকা গ্রহণকারীদের দেখাশোনার দায়িত্ব পালন করছিলেন। তার গ্রামেরবাড়ি ঝিনাইদহ জেলার সদর উপজেলার বিষয়খালী গ্রামে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, ২৪ আগষ্ট মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে রবিউল ইসলাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আউটডোর থেকে একটি টিকিট নিয়ে ডাক্তার দেখানোর জন্য সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু তার আগে তিনি কমপ্লেক্স এর ৩য় তলায় করোনার টিকা গ্রহণকারীদের দেখার জন্য সেখানে যান। সেখানে টিকা গ্রহণকারীদের বিশ্রাম নেওয়ার জন্য বেঞ্চে বসেন।

বসার পর পরই তিনি হার্ট অ্যাটাক হয়ে পড়ে যান। সাথে সাথে তাকে পাশেই করোনা ইউনিটের বেডে নেওয়া হয় এবং ডাক্তারকে সংবাদ জানানো হয়।এই সংবাদ জানার পর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রঈসউজ্জামান ও ডিউটিরত ডাক্তার এসে তাকে মৃত অবস্থায় পান।

শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সুকদেব রায় জানান,সকাল থেকেই পুলিশ সদস্য রবিউল ইসলাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় দায়িত্ব পালন করছিলেন। হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকে তিনি মারা যান।তার লাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার বিষয়খালী গ্রামে পাঠানো হয়েছে।

তাঁর মৃত্যুতে পুলিশ সদস্যদের মাঝে ও তাঁর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

// শ্যামল বিশ্বাস,  বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

সোনালী ব্যাংকের সিএসআর কার্যক্রমের অংশ হিসাবে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান

 

১০০ অক্সিজেন সিলিন্ডার উধাও হয়ে গেছে বরিশাল শেবাচিম থেকে

 

শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বরিশাল  (শেবাচিম)-এর করোনা ওয়ার্ড থেকে ১০০ অক্সিজেন সিলিন্ডার এবং ৩০টি সিলিন্ডার মিটার উধাও হয়ে গেছে।

এ ঘটনা তদন্তে গত সপ্তাহে একজন চিকিৎসককে প্রধান করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কিন্তু গত ৭ দিনেও বিভিন্ন ওয়ার্ডে সন্ধান চালিয়ে উধাও হওয়া কোনও সিলিন্ডার উদ্ধার করতে পারেননি তারা।

এতদিন গোপন থাকলেও শনিবার (২১ আগস্ট) বিকেলে বিষয়টি ফাঁস হয়ে যায়।

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারি পরিচালক ডা. মনিরুজ্জামানকে প্রধান করে গঠিত তদন্ত কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন আরেক সহকারি পরিচালক ডা. মো. নাজমুল হোসেন, ডা. মাহমুদ হোসেন, স্টোর অফিসার অনামিকা এবং সেবা তত্ত্বাবধায়ক সেলিনা আক্তার।

মেডিকেলের স্টোর সূত্র জানায়, করোনা ওয়ার্ডের ওয়ার্ড মাস্টারদের মাধ্যমে অক্সিজেন সিলিন্ডার ও সিলিন্ডার মিটার সরবরাহ করা হয়। কোন ওয়ার্ডে কতটি অক্সিজেন সিলিন্ডার ও সিলিন্ডার মিটার নেয়া হয়েছে তার তালিকা করা হয়েছে। ওই তালিকা অনুযায়ী বিভিন্ন ওয়ার্ড তল্লাশী করে অন্তত ১০০ সিলিন্ডার ও ৩০টি সিলিন্ডার মিটারের হসিদ পাওয়া যায়নি। নন-কোভিড ওয়ার্ডেও সেগুলোর খোঁজ মেলেনি। বিষয়টি পরিচালককে অবহিত করা হলে তিনি তদন্ত কমিটি গঠন করেন।

তদন্ত কমিটির সদস্য সেবা তত্ত্বাবধায়ক সেলিনা আক্তার বলেন, স্টোর থেকে পরিচালককে অবহিত করা হয় সিলিন্ডার ও মিটার পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে গত সপ্তাহে একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে অক্সিজেন সিলিন্ডার ও মিটারের সন্ধান চালানো হচ্ছে। কিন্তু গতকাল শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত উধাও হওয়া সিলিন্ডার ও মিটারের সন্ধান মেলেনি। এ জন্য একজনকে কারন দর্শানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

হাসপাতালের পরিচালক ডা. এইচএম সাইফুল ইসলাম বলেন, অক্সিজেন সিলিন্ডার ও মিটার উধাও হওয়ার খবর পেয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পর অবহেলার জন্য দায়ী সংশ্লিস্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সরকারিভাবে সরবরাহ করা এবং বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অনুদান পাওয়া সিলিন্ডার সহ শের-ই বাংলা মেডিকেলে ৬২৮টি অক্সিজেন সিলিন্ডার রয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক। সূত্র:বিডিপ্র

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বিসিসি’র কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানবন্ধন

 

 

খুলনার রূপসায় নিজ ঘরে যুবককের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

// রূপসা প্রতিনিধি //

খুলনার রূপসায় ইউসুফ খান (২২) নামে এক যুবককের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। সে উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়নের সামন্তসেনা গ্রামে জিন্দার খান এর ছেলে। নিজ ঘরে সকাল ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

পরিবার জানায়, প্রায় এক বছর আগে ইউসুফ বিবাহ করে। সে অস্থায়ীভাবে জাহাজে মাল খালাসের কাজ করত। তার মাথায় কিছুটা সমস্যা ও একরোখা ছিল। দুই তিন দিন ধরে জ্বর ও শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিল ইউসুফ। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ইউসুফ প্রতিদিনের মত খাবার খেয়ে নিজের ঘরে যায়। এক প্রতিবেশী বাড়ির পাশের পুকুরে কাপড় ধৌত করার সময় মোবাইল পানিতে পড়ায় ইউসুফকে ডাকাডাকি করে কোন সাড়া না পেয়ে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে তার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায় ।

পরে থানা পুলিশকে খবর দিলে তার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। থানার এসআই দীপক কুমার দাস ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে কি কারণে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে তা জানা যায়নি।

 

মাগুরায় পৃথক ঘটনায় ২ জনের মৃত্যু: এলাকায় শোকের ছায়া

 

আজ শনিবার পানিতে ডুবে মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার চৌবাড়িয়া গ্রামের মোঃ শরিফুল মোল্লার সেজো ছেলে তামিম(৩) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।এলাকাবাসী ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তামিম ছিলো পরিবারের সকলের চোখের মণি।আজ সকাল আনুমানিক ৮ঘটিকার সময় বাড়ির পাশে খেলতে খেলতে খালে পড়ে যায়।

পরবর্তীতে নুরজাহান নামের একটি মেয়ে খালের পাড়ে পাটের আশ ছাড়ানোর সময় ভাসমান শিশুটিকে দেখতে পেয়ে চিৎকার করে উঠলে মোঃ উজির নামের এক যুবক পানি থেকে তুলে আনলে অবস্থা আশংকাজনক হলে পরিবারের লোকজন মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।তামিমের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

অপরদিকে মহম্মদপুরের বড়রিয়া গ্রামে ভয়াবহ সড়ক দূর্ঘটনায় একব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

আজ শনিবার সকাল ৮ টার দিকে দ্রুত গতির ট্রলি(তিন চাকা বিশিষ্ট স্যালো ইঞ্জিন চালিত) উল্টে মৃত্যু হয়েছে তিতাস (১৮) নামের এক যুবকের ও মারাত্মক ভাবে আহত হয়েছে সাগর সরদার (১৫) নামের আরেক কিশোর।

তিতাস বড়রিয়া গ্রামের মৃত ফারুক শেখ এর এক মাত্র ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৃত তিতাস এর বাবার মৃত্যুর পর সংসারের বোঝা তিতাস’ই বয়ে আসছিলেন,তার সংসার চলছিল মা ও ছোট বোনকে নিয়ে, বাড়িতে এক তলা বিল্ডিং এর কাজও শুরু করেছেন, সেই বিল্ডিং এর বালু আনার জন্য বড়রিয়া গ্রামের চুন্নু খাঁনের ট্রলি ভাড়া করে ট্রলির সাথেই উপজেলার পলাশবাড়ীয়া ইউনিয়নের ঝামা বালুর ঘাটে যাচ্ছিলেন তিতাস,বড়রিয়া ঈদগাহ পার হয়ে’ই মোড়ে দ্রুত গতির ট্রলিটি উল্টে যায়।

ট্রলির ড্রাইভার ছিলেন বড়রিয়া গ্রামের রিয়াজ সরদার, পিতা-মৃত হাফিজার সরদার,এ দুর্ঘনায় ড্রাইভার এর তেমন কিছু না হলেও না ফেরার দেশে চলে গেছেন তিতাস, মারাত্মতক ভাবে আহত হয়েছেন বড়রিয়া গ্রামের সাগর সরদার, পিতা মোঃ জনাব সরদার,সাগর সরদারের উন্নত চিকিৎসার জন্য মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে মহম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি)জনাব নাসির উদ্দিন বলেন মরদেহটি পোস্টমর্টেম এর জন্য মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে,পরবর্তীতে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

//সুজন মাহমুদ, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

বিসিসি’র কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানবন্ধন

 

 

আমেরিকায় তৈরি বিপুল অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র তালেবানের হাতে এল কিভাবে

 

গত ১৫ আগস্ট কাবুল দখলের মাধ্যমে আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে নিয়েছে তালেবান।  ২০ বছর আগে আফগানিস্তান তালেবানের দখলে ছিল।  মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো বাহিনী আফগানিস্তান ছাড়তেই নাটকীয়ভাবে দেশটি দখল করে নেয় বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি।

এদিকে, কাবুল দখলের মাধ্যমে শুধু রাজনৈতিক ক্ষমতা নয়, রাতারাতি বিপুল সামরিক শক্তিরও অধিকারী হয়ে গেছে তালেবান। আমেরিকায় তৈরি আধুনিক নানা সমরাস্ত্র এখন তাদের হাতে।

গত দুই দশকে আফগান বাহিনীকে এসব অস্ত্র, সামরিক যান, গোয়েন্দা নজরদারি সরঞ্জাম ও হেলিকপ্টার দিয়েছিলে আমেরিকা। এখন তাদের পরিত্যক্ত ১১ সামরিক ঘাঁটিসহ ন্যাটো সেনাদের ফেলে যাওয়া সব অস্ত্রই তালেবানের নিয়ন্ত্রণে।

মার্কিন সেনাদের ব্যবহৃত আধুনিক সামরিক যান হামভিতে এখন উড়ছে তালেবানের পতাকা। এমন দুই হাজারের বেশি সাজোয়া যান নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে গোষ্ঠীটি। যেগুলোর প্রত্যেকটির মূল্য প্রায় ৩ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় আড়াই কোটি টাকারও বেশি।

দীর্ঘদিন ধরেই কালাশনিকভ, একে-৪৭ এর মতো অস্ত্র দিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে এসেছে তালেবান যোদ্ধারা। এখন তাদের হাতে শোভা পাচ্ছে এম-ফোর কার্বাইন এবং এম-১৬ এর মতো অত্যাধুনিক সব সমরাস্ত্র। কারণ মার্কিনিদের ফেলে যাওয়া আধুনিক সব অস্ত্রাগারের দখল এখন তালেবানের হাতে।

যুক্তরাষ্ট্র বলছে, গত ২০ বছরে তারা আফগান বাহিনীর পেছনে খরচ করেছে ৮৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তাদের কিনে দিয়েছে অত্যাধুনিক সব সার্ভেইল্যান্স ইকুইপমেন্টস। এক সপ্তাহের ব্যবধানে যার প্রায় সবই এখন তালেবানের নিয়ন্ত্রণে।

মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী যেসব অস্ত্র আফগান বাহিনীকে দিয়েছিল তা এখন তালেবানের হাতে চলে গেছে। আফগানিস্তান থেকে যখন মার্কিনিদের সরিয়ে আনা হচ্ছিল তখনই তারা এসবের দখল নেয়। এতেই পরিস্কার যে সেখানে মার্কিন সেনা উপস্থিতি কতোটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

১১টি সামরিক ঘাঁটি দখল করে শুধু যুদ্ধযান বা অস্ত্রই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের এ টুয়েন্টি নাইন সুপার টুকানো যুদ্ধবিমান, ব্ল্যাকহক, স্কাউট অ্যাটাক, স্ক্যানঈগল মিলিটারি ড্রোন’সহ দুই শতাধিক হেলিকপ্টার পেয়েছে তালেবান। এমনকি ভারতের এম-৩৫ হেলিকপ্টারও দখলে নিয়েছে তারা।

বিশাল অস্ত্রভাণ্ডার আর আধুনিক যুদ্ধযান নিয়ন্ত্রণে থাকলেও বিশেষ প্রশিক্ষণ ছাড়া তালেবান এগুলো পরিচালনা করতে পারবে না বলেই মনে করে যুক্তরাষ্ট্র। সূত্র: ফ্রান্স২৪, রয়টার্স, ওয়াশিংটন পোস্ট, ফার্স্ট পোস্ট

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

মহম্মদপুরে চৌবাড়ীয়া গ্রাম পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

 

মহম্মদপুরে চৌবাড়ীয়া গ্রাম পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

// শ্যামল বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা//
মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার চৌবাড়িয়া গ্রামের শরিফুল মোল্লার সেজো ছেলে তামিম(৩) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তামিম ছিলো পরিবারের চোখের মণি।
আজ সকাল আনুমানিক ৮ঘটিকার সময় বাড়ির পাশের খালে পরে যায়। পরবর্তীতে নুরজাহান নামের এক মেয়ে খালের পাড়ে পাট বাছাড় সময় দেখতে পেয়ে চিৎকার করে এবং উজির নাকের এক যুবক পানি থেকে তুলে অবস্থা আশংকাজনক হলে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।
তামিমের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া পরেছে। তামিনের জানাযায় নামাজ আজ দুপুর ২ ঘটিকার সময় চৌবাড়ীয়া গোরস্থান সংলগ্ন ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।

বরিশালে ইউএনও বাসভবনের হামলায় বিসিসির মেয়রসহ ৬০২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

 

বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বাসভবনে হামলা ও পুলিশের কাজে বাধা প্রদানের অভিযোগে পৃথক মামলা করা হয়েছে। দুটি মামলাতেই প্রধান আসামি করা হয় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের (বিসিসি) মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে।

বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা দুটি করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরুল ইসলাম। উভয় মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহকে। এ ছাড়া ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের কর্মচারীরা মামলার আসামির তালিকায় রয়েছেন।

ওসি নুরুল ইসলাম জানান, পুলিশের সরকারি কাজে বাধা প্রদান, সাধারণ মানুষকে মারধর, ভাঙচুর ও গুলিবর্ষণের অপরাধে কোতোয়ালি থানার এসআই শাহজালাল মল্লিক বাদী হয়ে থানায় মামলাটি করেন। মামলায় ৯৪ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনিবুর রহমান বাদী হয়ে ২৮ জনের নামে ও অজ্ঞাতনামা ৮০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলায় প্রধান আসামি করা হয় বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহকে। মামলায় অভিযোগ করা হয়, সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর নির্দেশে উপজেলা কম্পাউন্ডে শোক দিবস উপলক্ষে বরিশাল সদর আসনের সংসদ সদস্য ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছিল।

এ বিষয়ে বারণ করায় তারা সংঘবদ্ধ হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনে হামলা চালান। মামলায় আরও আসামি করা হয়েছে ২১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ সাইয়েদ আহম্মেদ মান্না, জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সাজ্জাদ সেরনিয়াবাত, আতিকুল্লাহ মুনিম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, সাংগঠনিক সম্পাদক রাজীব হোসেন খান, মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক পরিমল চন্দ্র দাস, মহানগর ছাত্রলীগ নেতা অনিক সেরনিয়াবাত, রইজ আহম্মেদ মান্না, বিসিসি মেয়রের পিএস সুমন সেরনিয়াবাত, মনির সরদার, ফাইজুল সেরনিয়াবাত, বিসিসির প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস, ২৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্পাদক জগলুল মোর্শেদ প্রিন্সসহ নামধারী ২৮ জন।

এই মামলায় অজ্ঞাত আরও ৮০ জনকে আসামি করা হয়েছে। কোতোয়ালি থানার ওসি নূরুল ইসলাম আরও বলেন, এখন পর্যন্ত মামলার ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদেরও গ্রেফতারে অভিযান চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

//নিজস্ব প্রতিবেদক ::বরিশাল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

 সরকারি চাকরিপ্রার্থীরা বয়সে ২১ মাসের ছাড় পেলেন

জাতীয় শোক দিবসের ব্যানার খোলা নিয়ে বরিশাল সদর ইউএনও অফিস ক্যাম্পাসে সংঘর্ষ: আহত ৩৫

 

জাতীয় শোক দিবসের ব্যানার খোলা নিয়ে বরিশাল সদর ইউএনও অফিস ক্যাম্পাসে সংঘর্ষ: আহত ৩৫

 

বরিশালে জাতীয় শোক দিবসের ব্যানার খোলাকে কেন্দ্র করে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।এ সময় বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনিবুর রহমানের বাসভবনের সামনে তার উপস্হিতিতে আনসার সদস্যদের ছোড়া গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন কমপক্ষে ৩৫ জন।

গতকাল ১৮আগস্ট বুধবার দিবাগত রাত ১০ টার দিকে বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিস কম্পাউন্ডে এ ঘটনা ঘটে। রাত১২টা পর্যন্ত ছাত্রলীগ ও পুলিশের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা চলছিল।পরে ঢাকা বরিশাল মহাসড়কে ময়লার স্তুপ ফেলে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এ বিষয় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান কয়েক জন এসে উপজেলা পরিষদ ক্যাম্পাসের ব্যানার খুলতে চাইলে তিনি দিনের বেলায় খোলার জন্য বলেন। তখন তারা চলে গিয়ে পরবর্তীতে অনেক লোক নিয়ে তার উপর হামলা চালায়। তিনি আত্মরক্ষার তাগিদে এ সিদ্ধান্ত নেন বলে জানান।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি আতিকুল্লাহ মুনিম ও সাজ্জাদ সেরনিয়াবাত জানান,ইউএনওর নির্দেশে আনসার সদস্য গুলি চালালে ৩৫জন গুলিবিদ্ধ হন। আহতদের শেরে বাংলা মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা যায়।।

বরিশাল কোতোয়ালি থানার ওসি মোঃ নুরুল ইসলাম পিপিএম জানান,ব্যানার খোলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ শুরু হয়। ওই এলাকায় ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।বর্তমানে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা ইউএনও এর বিরুদ্ধে নানা স্লোগান অব্যাহত রাখে।এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়,সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে আবু বক্কর ও শরিফুল ইসলাম নামের দুই পুলিশ সদস্য ও এক আনছার সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন।তাদের বরিশাল বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।বর্তমানে বরিশাল শহরে বিপুল পরিমান পুলিশ ও র্যাব সদস্য মোতায়েন রয়েছে।

//পলাশ চক্রবর্ত্তী, বিশেষ প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশাল।। গুলি ছোড়ার কারণ জানালেন ইউএনও মুনিবুর রহমান

 

বরিশাল।। গুলি ছোড়ার কারণ জানালেন ইউএনও মুনিবুর রহমান

রাতের আঁধারে সরকারি বাসভবনে দফায় দফায় হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) কর্মী এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতার্মীদের দায়ী করেছেন বরিশাল সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুনিবুর রহমানকে। সংঘর্ষের ঘটনায় ওসি ও দুই পুলিশ সদস্য এবং প্যানেল মেয়রসহ অনেকেই গুলিবিদ্ধ হন।

এছাড়া পুলিশের লাঠিচার্জে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের নগরীর থানা কাউন্সিল এলাকা অবরোধ করলে দুই প্রান্তে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। আহতদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ ২৩ জনকে শের-ই বাংলা মেডিক্যাল এবং অন্যদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এছাড়া গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আহত শ্রমিক লীগ কর্মী নাসির আলমসহ পুলিশের দুই সদস্যকে ভর্তি করা হয় জেলা পুলিশ হাসপাতালে। কোতোয়ালি থানার ওসি নুরুল ইসলামের বুকেও স্প্লিন্টার বিদ্ধ হয়েছেন। তবে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হননি। এ বিষয়ে ইউএনও মুনিবুর রহমান অভিযোগ করেন, শোকদিবসের ব্যানার অপসারণ করতে বুধবার রাতে বিসিসি থেকে লোক আসে। তাদের সকালে আসার অনুরোধ জানানো হয়।

পরবর্তীতে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ৬০ থেকে ৭০ জনের একটি দল আমার সরকারি বাসভবনে দিকে আসতে থাকে। ঘটনাটি আনসার সদস্যরা আমাকে জানান। আমি বাসার দোতলা থেকে নিচে নামি। এসময় বেশকিছু লোক আমার বাসায় প্রবেশ করে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। বাসায় অবস্থান করা আমার বাবা-মাকে নিয়েও তারা গালাগাল করতে থাকেন।

তিনি আরও বলেন, এক পর্যায়ে তারা আমাকে ঘিরে ফেলেন, এসময় আমি আনসার সদস্যদের সাহায্য চাই। আনসার সদস্যরা গুলি ছুড়লে তারা দৌড়ে পালিয়ে যায়। আমি মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান বাবুকে আটকে আনসার সদস্যদের হাতে সোপর্দ করি। তারা যাওয়ার আগে বাসার প্রধান গেট ভাঙচুর করেন। খবর পেয়ে আমার কর্মকর্তারা ছুটে এসে আমাকে রক্ষা করেন।

ওই ঘটনার পর গ্রুপে ভারী হয়ে ফের আমার বাসায় হামলা চালানো হয়। এসময় পুলিশ ও আনসার সদস্যদের সঙ্গে হামলাকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ইউএনও মুনিবুর রহমান দাবি করেন, ‘আমি শোক দিবসের ব্যানার অপসারণে কেন সকালে আসতে বলেছি, এটাই আমার অপরাধ।’ বিষয়টিকে দুঃখজনক উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন হায়দার বলেন, কী ঘটেছে, আর কী কারণে এ হামলা হলো তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইউএনও বিনয়ের সঙ্গে বলেছেন বৃহস্পতিবার সকালে এসে ব্যানার খুলতে, এরপরও তাকে অপমান করার চেষ্টা করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক আরও বলেন, আমরা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী। সরকারের আদেশ নির্দেশ মানাই আমাদের কাজ। এমন কী ঘটেছিল যে কারণে ইউএনওর সরকারি বাসভবনে হামলা চালাতে হবে। বিষয়টি আমাদের জানাতে পারতো, যা হয়েছে তা খুবই দুঃখজনক।

//পলাশ চন্দ্র দাস,  বরিশাল// 

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

Daily World

যশোরে বিপুল পরিমানে মাদকদ্রব্যসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

 

বরিশালে গোলাগুলির ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন….

ভিডিও ১

ভিডিও ২